Home » Tag Archives: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

Tag Archives: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সময় বাড়ানো হয়েছে এইচএসসি ফরম পূরণের

আবারও বাড়ানো হয়েছে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময়। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ফরম পূরণ চলবে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফি পরিশোধ করা যাবে।

কোনো শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণে ব্যর্থ হলে এর দায়ভার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকেই বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য প্রতিষ্ঠান হতে এসএমএস পাঠানোর সময় ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। এসএমএস প্রাপ্তির পর শিক্ষার্থীদের ফি পরিশোধের সময় ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণে ব্যর্থ হলে দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। গত ১২ আগস্ট থেকে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়।

ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে হবে। কোনো অবস্থায় শিক্ষার্থী বা অভিভাবক সশরীরে প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রকাশ করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কোন শ্রেণির ক্লাস কোনদিন হবে!

মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির মধ্যে ৩ ফুট দূরত্ব রেখে শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের বসানো হবে। ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তায় ৬ দিন, ২০২২ সালের পরীক্ষার্থীদের দুই দিন ও সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার অন্যান্যস্তরে ক্লাস নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্কুল-কলেজের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে একটি মৌলিক রুটিন প্রণয়ন করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার বা বুধবার এটি মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হতে পারে।

জানা গেছে, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কবে কোনদিন কাদের ক্লাস নেওয়া হবে সে বিষয়ে একটি মৌলিক রুটিন তৈরি করা হয়েছে। এটি অনুসরণ করে সারাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠ পরিচালনা করতে হবে। শিক্ষকরা মৌলিক ক্লাস রুটিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এটি অনুসরণ করে তারা ক্লাস করাতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন।

স্কুল-কলেজে প্রভাতী শিফট সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ও দিবা ১২টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। একটি শিফট শেষে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কাজের জন্য এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিরতি দিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের প্রতিটি ক্লাস আগের নিয়মে ক্লাস ৪৫ মিনিটের পরিবর্তের ৪০ মিনিট করে নেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে কারিগরি কমিটির ৯ সতর্কতা

ঢাকা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নয়টি সতর্কতা দিয়েছে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সতর্কতা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার যদি স্কুল ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা আবশ্যক।

ক. নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলে প্রি-স্কুল ছাড়া সব স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়া যেতে পারে।

খ. সব স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করা এবং ব্যত্যয় হলে সে ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা (৫ বছরের কমবয়সী শিশু ছাড়া ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী)। কেন্দ্রীয়ভাবে সব শিক্ষার্থীর জন্য উপযুক্ত মানসম্পন্ন এবং সঠিক মাপের মাস্কের ব্যবস্থা ও বিতরণ করা। একইসঙ্গে অন্যান্য জনস্বাস্থ্য পদক্ষেপ যেমন- হাত পরিষ্কার রাখা (হাত ধোয়া/হাত জীবাণুমুক্ত করার স্টেশন স্থাপন করা) ও সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রস্তুত করা দরকার।

গ. স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ শিক্ষক ও কর্মচারীর করোনার টিকা নেওয়া থাকতে হবে। তারা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ দিন পার হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। তবে ক্ষেত্রবিশেষে ১ম ডোজের ১৪ দিন পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

ঘ. উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৮ বছরের অধিক বয়সী শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

ঙ. শ্রেণিকক্ষে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নির্দিষ্ট ক্লাস কোনটি সপ্তাহের কোন দিন হবে তা বিভক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। যেমন- প্রথমদিকে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন খোলা রাখা ছাড়া, বাকি সব ক্লাস সপ্তাহে এক/দুই দিন খোলা রাখা যেতে পারে। এতে একটি নির্দিষ্ট দিনে যেই ক্লাসটি খোলা থাকবে সেই ক্লাসের শিক্ষার্থীরা অন্যান্য খালি শ্রেণিকক্ষগুলো ব্যবহার করে তাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে বসতে পারবে।

এছাড়া নিয়মিত প্রাতঃসমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রস্তুত করা দরকার। এছাড়া প্রথমদিকে স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যেতে পারে, যাতে করে খাবার গ্রহণের জন্য মাস্ক খোলার প্রয়োজন না হয়।

চ. আবাসিক সুবিধা সম্বলিত স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিচের পরামর্শগুলো প্রযোজ্য (মাদরাসাসহ):

১. সব সমাবেশ স্থানে (ক্যাফেটেরিয়া, ডাইনিং, টিভি/স্পোর্টস রুম ইত্যাদি) বন্ধ রাখা, রান্নাঘর থেকে রুমগুলোতে সরাসরি খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা থাকা।

২. একাধিক শিক্ষার্থী একই বিছানা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবে।

৩. মাদরাসায় একসঙ্গে নামাজ, সমাবেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রস্তুত করা দরকার।

ছ. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার আগে করণীয় ও বর্জনীয় কাজ সম্পর্কে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ প্রতিষ্ঠানের অন্য কর্মচারীদের একটি অরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। এ ওরিয়েন্টেশন সীমিত উপস্থিতি ও নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে সশরীরে আয়োজন করা যেতে পারে, তবে প্রয়োজনে অনলাইন সেশন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ সংক্রান্ত তথ্য সম্বলিত লিফলেট তৈরি, বিতরণ করা, করণীয়-বর্জনীয় বিষয়গুলো মিডিয়া ও স্থানীয় ক্যাবল লাইনের মাধ্যমে প্রচার করা যেতে পারে।

যেসব শিক্ষার্থীর করোনার লক্ষণ থাকবে তাদের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেশন থাকাকালে তাদের শুশ্রূষার জন্য নির্দেশনা এ ওরিয়েন্টেশনে থাকতে হবে। যেসব শিক্ষার্থীর রোগের লক্ষণ পাওয়া যাবে অথবা তাদের পরিবারের কারও এ রকম লক্ষণ থাকবে অথবা করোনা রোগ পাওয়া যাবে তাদের অনুপস্থিত গণ্য না করে ১৪ দিন বাড়িতে থাকার অনুমতি দিতে হবে।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) ও প্রচারণাপত্র প্রস্তুত করা দরকার।

জ. স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে সংক্রমণ পর্যবেক্ষণ ও দৈনিক রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচিত কিছু স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য কর্মচারীদের নমুনা পরীক্ষা এবং সার্ভেইলেন্সের প্রটোকল তৈরি ও বাস্তবায়ন করতে হবে। যেসব জেলায় ল্যাব আছে সেসব জেলার স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ সার্ভিল্যান্সের জন্য নির্বাচন করা যেতে পারে।

যেসব জেলায় সংক্রমণের হার বেশি, শনাক্তের হার ২০ শতাংশ বা কেসের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা (আগের সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে ৩০ শতাংশ বেশি সংখ্যক কেস), সেই জেলাগুলোতে আরও নিবিড় সার্ভেইলেন্স থাকা উচিত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্বারা পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করতে হবে।

ঝ. সব বিধিনিষেধ সুষ্ঠু পালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মনিটরিং টিম গঠন করে দৈনিক মনিটরিং করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত না সরকার

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা।

সরকার আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সরকার এখনই পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আগামী বছরের শুরুতে এ নিয়োগ পরীক্ষা হতে পারে বলে ইংগিত দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেওয়ায় স্থগিত থাকা নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিলো। তবে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তের পর থেকেই পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিপিই। ইতিমধ্যে পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া, প্রশ্নপত্র তৈরির তোরজোড়ও চলছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও চলতি বছর পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। কেননা অনেকগুলো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষা আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এই সময় পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কেন্দ্র পাওয়া যাবে না। তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী বছরের শুরুতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নয়া দিল্লিতে আজ থেকে খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১ সেপ্টেম্বর:
কোভিড-১৯ এর কারণে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে খুলেছে। এতে ১৭ মাস পর আবারও শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে সেখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। বুধবার এনডিটিভি এ খবর জানায়।

বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হলেও শিক্ষার্থীদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে। এসব নিয়ম মেনেই সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে। সম্প্রতি দিল্লিতে করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় এ উদ্যোগ নেয়া হয়।

ভারতের গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত হওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের থার্মাল স্কেনিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া মধ্যাহ্ন বিরতিতে খাবার গ্রহণের সময় তাদেরকে অন্যদের সংম্পর্শ থেকে দূরে থাকতে নির্দেশনা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আরও যেসব নির্দেশনা পালন করতে বলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে – বসা সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব পালন করা; অর্থাৎ শিক্ষার্থী একে অন্যের থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে বসবেন। শ্রেনীকক্ষে যতগুলো আসন রয়েছে, তার মধ্যে ৫০ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থীরা বসতে পারবেন।

বিদ্যালয়ে একটি ‘আইসোলেশন রুম’ (সঙ্গনিরোধ কক্ষ) রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার সময় প্রকাশিত

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে র্দীঘদিন যাবৎ বন্ধ ছিল সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে স্থগিত পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এক আসন খালি রেখে জেড পদ্ধতিতে কেন্দ্রে আসন বিন্যাস করা হবে। তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ আগস্ট) রাতে পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে দেশের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক গত মার্চ মাসে স্থগিত ঘোষণা করা হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান বিভিন্ন পরীক্ষা।

তবে বর্তমানে করোনার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি, টিকাদান কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বিবেচনা করে স্থগিত পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়ছে।

সব শিক্ষক, পরীক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের পূর্বে হাত ধোঁওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সাবান এবং পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। হ্যান্ড সেনিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার আশা শিক্ষামন্ত্রীর

ডেস্ক,২৭ আগষ্ট ২০২১:
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার আশা করছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেছেন, এই সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা যাবে।

শুক্রবার গাজীপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা চালাচ্ছে সরকার।

দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নানা মহলের চাপের মধ্যে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে বৃহস্পতিবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে চারটি কর্মপরিকল্পনা আসে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন,‘গতকালই সবাইকে নিয়ে একটি যৌথ সভা করেছি, সেখানে আমরা কী করে আগামী এক মাসের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যায়। যত দ্রুত সম্ভব আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের যারা ১৮ বছরের বেশি, যাদেরকে টিকা দেওয়া যাবে, তাদেরকে টিকা দেয়া শেষ করতে। টিকা দেওয়ার পরে যেহেতু আরও সপ্তাহ দুয়েক লাগে ইমিউনিটি পেতে, একটা পর্যায়ে আসতে। অর্থাৎ আমরা অক্টোবরের মাঝামাঝির পরে আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে খুলে দিতে পারব।’

তবে স্কুলে খুলে দিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে গত বছরের মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফা চেষ্টা করেও সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিজ্ঞানসম্মতভাবে’সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কিভাবে স্কুল খোলা যায়, সেজন্য সব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

দীপু মনি বলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে আবার সামনের সপ্তাহে বসব এবং ঠিক কত শতাংশে নামলে আমরা খুব বড় ঝুঁকি না নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব, এটা বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করব।

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter