Home » Tag Archives: শিক্ষার্থী

Tag Archives: শিক্ষার্থী

ঝোপঝাড়ে ছেয়ে গেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সাপ-আতঙ্কে শিক্ষার্থী

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে র্দীঘ দেড় বছর পর খুলে দিয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরই ধারাবাহিকতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিভিন্ন বিভাগে স্বশরীরে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসও আগের নিয়মেই চলছে। ফলে ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনাগোনা বেড়েছে। তবে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অনেক ঝোপঝাড় থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে সাপ-আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আবাসিক এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পরিবারসহ অবস্থান করছেন করোনাকালীন দুর্যোগের শুরু থেকেই। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আনসার সদস্যরাও রাতদিন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সবমিলিয়ে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলেও ক্যাম্পাসের সড়কগুলোতে লোকজনের সরব উপস্থিতি ছিল।

সম্প্রতি একাডেমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বেড়েছে। পরীক্ষার সময় ছাড়াও তারা বিকেল ও রাতে ক্যাম্পাসে ঘুরতে বের হন। কিন্তু করোনাকালে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সাপ-আতঙ্ক বিরাজ করছে।

টিকা নিশ্চিত করে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে জরুরিভিত্তিতে ক্যাম্পাস ঝোপঝাড় মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অসংখ্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর সরকার দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে।

এদিন সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় অঙ্গন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হলেও অসংখ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তথা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীশূন্য ছিল। কারণ করোনাভাইরাসের কারণে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ অন্যত্র চলে যাওয়া, শিক্ষকদের বেতন দিতে না পারা, বাড়িভাড়া মেটাতে না পারাসহ বেশ কিছু কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা এখন চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। বাঁচার জন্য অনেকে অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সময় বাড়ানো হয়েছে এইচএসসি ফরম পূরণের

আবারও বাড়ানো হয়েছে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময়। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ফরম পূরণ চলবে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফি পরিশোধ করা যাবে।

কোনো শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণে ব্যর্থ হলে এর দায়ভার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকেই বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য প্রতিষ্ঠান হতে এসএমএস পাঠানোর সময় ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। এসএমএস প্রাপ্তির পর শিক্ষার্থীদের ফি পরিশোধের সময় ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণে ব্যর্থ হলে দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। গত ১২ আগস্ট থেকে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়।

ফরম পূরণের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে হবে। কোনো অবস্থায় শিক্ষার্থী বা অভিভাবক সশরীরে প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আফগানিস্তানে তালেবান স্টাইলে হবে নারী শিক্ষা

সম্প্রতি আফগানিস্তানের ক্ষমতা নিয়েছেন তালেবানরা। এরই মধ্যে নতুন বিধিনিষেধ ও নিয়ম কানুন চালু করেছে তালেবানরা। তার মধ্যে একটি হচ্ছে আফগানিস্তানে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীর আলাদাভাবে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা। মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন‌্য ইসলামসম্মত পোশাক ও নিয়ম কানুনও চালু করা হবে।

দেশটির উচ্চশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল বাকি হাক্কানি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে মেয়েদের লেখাপড়া করতে দেওয়া হবে, কিন্তু একসঙ্গে পুরুষের পাশাপাশি নয়।

তালেবান ক্ষমতায় আসার পর বলেছিলো, তারা নারীদের শিক্ষা বা চাকরিতে বাধা দেবে না। কিন্তু পরে তারা জনস্বাস্থ্য ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে কর্মরত নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত কাজে না আসার নির্দেশ দেয়।

রোববার কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে তালেবানের পতাকা ওড়ানো হয়। এরপরই শিক্ষা সংক্রান্ত নীতি ঘোষণা করলো তালেবান। গত একমাস আগে আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করে তালেবান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল খোলার পর মানতে হবে যে ১৬ নির্দেশনা

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে র্দীঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খুলতে যাচ্ছে। প্রাথমিক বিদ‌্যালয়গুলো খোলার পর সেসব কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) ১৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনাগুলো হলো-

দৈনিক সমাবেশ বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নিজেদের আসনে বসে হালকা শারীরিক কসরৎ (পিটি) করবে।

শিক্ষার্থীরা জিগজ্যাগ তথা জেড বিন্যাসে বসবে। শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে একই শ্রেণিকে একাধিক গ্রুপে ভাগ করে একাধিক কক্ষে ও একাধিক শিক্ষকের সহায়তায় পাঠদান চালাতে হবে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিকের শ্রেণি কার্যযক্রম বন্ধ থাকবে।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম সপ্তাহে ৬ দিন চলবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে এক দিন আসবে।

একই দিনে একই সময়ে সর্বোচ্চ দুটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার ব্যবস্থা রেখে টিফিন বিরতি ছাড়া শ্রেণি কার্যক্রম চলবে। সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টার মধ্যে শ্রেণি কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষ এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় রেখে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে একাধিক শিফট কিংবা সপ্তাহের একেক দিন একেক শ্রেণির বা সর্বোচ্চ দুটি শ্রেণির পাঠদানের ব্যবস্থা রেখে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হালনাগাদ পাঠ্যসূচি অনুসরণ করবে।

শ্রেণি কার্যক্রমে গ্রুপ ওয়ার্ক ও পেয়ার ওয়ার্কের মতো সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টিকারী শিখনকাজ আপতত বাদ রাখতে হবে।

শিক্ষকরা মাস্ক পরেই ক্লাস নেবেন। শিক্ষার্থীদেরও মাস্ক পরা নিশ্চিত করবেন তিনি।

ক্লাস শেষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারিবদ্ধভাবে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। সব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের একত্রে শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একের পর এক কক্ষের শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ত্যাগ করবে।

একধিক শিফটে ক্লাস চললে আগের শিফট ও পরের শিফটের ক্লাস শুরুর মাঝে অন্তত ৩০ মিনিটের বিরতি রাখতে হবে।

শিক্ষার্থীরা যার যার পানির বোতল নিয়ে বিদ্যালয়ে আসবে।

শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি ঘরে বসে শিখি, বাংলাদেশ বেতার ও সংসদ টেলিভিশনে পাঠদান কার্যক্রম, গুগলমিটের মাধ্যমে অনলাইন পাঠদান কার্যক্রম ক্লাস রুটিনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অব্যাহত রাখতে হবে।

যে শিক্ষার্থী নিজের বা পরিবারের সদস্যদের করোনা লক্ষণ বা সংক্রমণের কারণে বিদ্যালয়ে আসতে পারবে না, তারা ঘরে বসে শিখি এবং অনলাইন পাঠদানে অংশ নেবে।

এ কারণে ওই শিক্ষার্থীকে ক্লাসে অনুপস্থিত গণ্য করা যাবে না।

কোনো এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্দেশিত বিপৎসীমা পার হলে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশিকা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিপালন করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১২ সেপ্টেম্বরই মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শুরু

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে আসায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। একইদিন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমও শুরু হচ্ছে।

৪ শর্ত মেনে সব বয়স্ক ও সহজ কোরআন শিক্ষা কেন্দ্র সপ্তাহে প্রতি সোম ও বুধবার খোলা রেখে ক্লাস শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও উপ-পরিচালকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুকরণের লক্ষ্যে সরকার আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সশরীরে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির মাধ্যমে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সপ্তাহে ৬ দিন করে ৫ম, ৮ম ও এসএসসি ক্লাস এবং সপ্তাহে একদিন করে অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে এবং প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির ক্লাস আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

চিঠিতে সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সশরীরে উপস্থিতির মাধ্যমে ৪ টি শর্তে সপ্তাহে দুদিন (সোম ও বুধবার) খোলা রেখে ক্লাস শুরু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিচালক ও উপ-পরিচালকদের অনুরোধ জানানো হয়।

মানতে হবে যে সব শর্ত-
১/ শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে প্রত্যেককে মাস্ক পরিধান করতে হবে। এছাড়া কেন্দ্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

২/ আবশ্যিকভাবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে হবে।

৩/ ক্লাস চলাকালে অভিভাবকদের শিক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতি নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৪/ শিক্ষকদের কোডিড-১৯ এর ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নিয়ন্ত্রণ করা হবে স্কুল-কলেজের সামনে মায়েদের আড্ডা

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত চলমান ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত সিয়েছে সরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীর মা ও অভিভাবকদের আড্ডা, অপেক্ষা এবং অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হবে।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে চেকলিস্টের মাধ্যমে প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরিবীক্ষণ ও রিপোর্ট পাঠাতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এসব বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু সব ধরনের কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে, তাই শুরুতে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করানোর জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করাতে পর্যাপ্ত ক্লাস রুমের সংকট দেখা দেবে। আর একই ক্লাসের শিক্ষার্থীদের একাধিক কক্ষে বসিয়ে ক্লাস করানোর মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই অনেক প্রতিষ্ঠানে। পাশাপাশি সংক্রমণ ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সপ্তাহে একদিন ক্লাস করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘রাজধানীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা মায়েরা জটলা পাঁকিয়ে আড্ডা দেন। সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে তারা দূরত্ব বজায় রেখে বসেন, সেজন্য স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হবে’- যোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের বৃত্তির টাকা মিলছে শেষ বর্ষে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রতি বর্ষের ফলাফলের ভিত্তিতে বিভাগের প্রথম ৬ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এই বৃত্তির টাকা যথাসময়ে হাতে পাচ্ছেন না তারা। স্নাতক প্রথম বর্ষে মনোনীত বৃত্তিপ্রাপ্তদের টাকা মিলছে শেষ বর্ষে এসে।

ফলে বৃত্তির টাকা একাডেমিক কোনো কাজে আসছে না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। সবধরনের ফি নিয়মিত নিলেও বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কচ্ছপগতির জন্য কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাব ও গাফিলতিকেই দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২০১৬-১৭, ২০১৫-১৬ ও ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের বৃত্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। যেখানে অনেক বিভাগে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছে।

করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ না থাকলে স্নাতকোত্তরও শেষ হতো এই বর্ষের শিক্ষার্থীদের। স্নাতকের শেষ প্রান্তে এসে প্রথম বর্ষের মেধাবৃত্তির টাকা দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বৃত্তিপ্রাপ্তরা। একইসঙ্গে এভাবে বৃত্তি প্রদান মেধাবীদের মাঝে উৎসাহের পরিবর্তে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে বলে মনে করেন তারা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter