Home » Tag Archives: বাংলাদেশ ব্যাংক

Tag Archives: বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি

ডেস্ক | ১৩ নভেম্বর, ২০২১

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের চাকরির নিয়োগে জালিয়াতির পাশাপাশি এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষাতেও জালিয়াতির ঘটনা বেরিয়ে আসছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জালিয়াতিতে সহযোগিতার জন্য ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুই যুগ্ম পরিচালককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
আরো পড়ুনঃ শিক্ষা অফিসারসহ ৬ জনকে আদালতের শোকজ

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন যুগ্ম পরিচালক মো. আলমাছ আলী ও আবদুল্লাহ আল মাবুদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিসিটিভি অপারেটর পদে নিয়োগের জালিয়াতির সহযোগিতা ও পরিকল্পনার জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও মানবসম্পদ বিভাগের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম আজ দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, শেষ পর্যন্ত ওই নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে, এটা বলা যাবে না। তবে জালিয়াতিতে সহায়তার তথ্য পাওয়ায় তদন্ত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে। এরপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আরো পড়ুনঃ রোববার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২২ লাখ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথিপত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিসিটিভি অপারেটর পদের ২৬টি শূন্য পদের জন্য ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২০২০ সালের ২৭ মার্চ এই পদের জন্য লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়, তবে করোনার কারণে পরীক্ষা স্থগিত হয়। এরপর গত বছরের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল অ্যান্ড কলেজে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৭০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ১৪২ জন। উত্তীর্ণ হয় ২১ শতাংশ।

আরো পড়ুনঃ আয়কর রিটার্ন দেবার সময় যে সাতটি বিষয় মনে রাখা জরুরি

উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয় চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি। মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের তথ্য যাচাইকালে আবু বকর সিদ্দিক নামে একজন পরীক্ষার্থীর হাতে লেখার গরমিল ধরা পড়ে। অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র ও নিজের হাতের লেখার মধ্যে মিল পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আবু বকর সিদ্দিক স্বীকার করেন, তাঁর পক্ষে অন্য কেউ পরীক্ষা দিয়েছেন।

এরপর ১৩ জানুয়ারি বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে, আবু বকর সিদ্দিকের পরিবর্তে নেত্তানন্দ পাল নামে একজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় এমন অনিয়মের পরিকল্পনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাবুদ। আর আবু বকর সিদ্দিক ও আবদুল্লাহ আল মাবুদের সঙ্গে নেত্তানন্দ পালের যোগাযোগ করিয়ে দেন অপর যুগ্ম পরিচালক মো. আলমাছ আলী। এ জন্য আলমাছ আলীর হিসাবে ২ লাখ টাকা জমা দেন আবু বকর সিদ্দিক।

আর আলমাছ আলী তদন্ত কর্মকর্তাদের জানান, সেই দুই লাখ টাকা লিখিত পরীক্ষায় অংশ দেওয়া নেত্তানন্দ পালকে দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল্লাহ আল মাবুদ মৌখিক পরীক্ষার দিন আবু বকর সিদ্দিকের জন্য একাধিক কর্মকর্তার কাছে সুপারিশ করেন।

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাবুদ ও মো. আলমাছ আলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ জুন দুই যুগ্ম পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাবুদ ও মো. আলমাছ আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্য পদের নিয়োগেও বিভিন্নভাবে জালিয়াতি হয়েছে। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা আছে। তবে কোনো তদন্ত না হওয়ায় জড়িত ব্যক্তিরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন।

সূত্র : প্রথম আলো

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বুধবার ব্যাংক বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ অক্টোবর, ২০২১

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২০ অক্টোবর) সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এর আগে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

আরো পড়ুনঃ উসকানি দিয়ে পূজা মন্দিরে হামলা, আটক ৪৩

তবে পরবর্তীতে চাঁদ দেখা কমিটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২০ অক্টোবর নির্ধারণ করে। ফলে এই দিনে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘোষিত ছুটি ১৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ২০ অক্টোবর নির্ধারণ করা হলো।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকে বার্ষিক পরীক্ষা ডিসেম্বরে

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কর্মীদের ভালো চাকরি খুঁজতে বলছে ইভ্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ আগষ্ট ২০২১:
২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। শুরুর পর থেকেই গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে দেওয়া হয় একের পর এক আকর্ষণীয় অফার। ইভ্যালির এমন অবিশ্বাস্য অফার নিয়ে শুরুতে ব্যাপক সমালোচনা হয়। সমালোচনা থাকলেও গ্রাহকরা সেই অবিশ্বাস্য অফারে ঝুঁকে পড়ে। তড়িৎ গতিতে বাড়তে থাকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়ীক কার্যক্রম।

বাইক, ফ্রিজ, ফার্নিচারসহ যাবতীয় সব পণ্যে মূল্য ছাড়ের ছড়াছড়ি চলে ইভ্যালিতে। গ্রাহকরাও এমন মূল্য ছাড়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। শুরুতে রমরমা ব্যবসা করে ইভ্যালি।
আগে টাকা পরে পণ্য ডেলিভারি দিলেও শুরুতে গ্রাহকদের কোনো অভিযোগ ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে যখন পণ্য ডেলিভারির সময় দীর্ঘ হতে থাকে এরপরই গ্রাহকদের কাছ থেকে আসতে থাকে একের পর এক অভিযোগ। অভিযোগের মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তেই থাকে।
আরো পড়ুনঃ ইভ্যালিতে যমুনা গ্রুপের বিনিয়োগ: জানা যাবে নিরীক্ষার পর

গ্রাহকদের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইভ্যালির ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধানে নামে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েক মাস আগে ইভ্যালির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিলে কোম্পানির গোজামিলের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপরই মন্ত্রণালয় ইভ্যালির বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।

মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যেও ইভ্যালি তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু মহামারির কারণে জুলাইয়ের শুরুতে সরকার লকডাউন দিলে ইভ্যালির অফিস বন্ধ রাখা হয়। এরপরই প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যা একের পর এক প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।

লোক ঠকানোর অভিযোগ আর বিপুল দেনায় ডুবতে বসা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালি এখন পেছনের সারির কর্মীদের বেতন বকেয়া রেখেই ‘বিদায় করতে’ শুরু করেছে। অর্থ সঙ্কটের কথা বলে তাদের ‘ভালো চাকরি খুঁজে নেওয়ার পরামর্শ’ দেওয়া হচ্ছে বলে বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোরকে জানিয়েছেন সাবেক ও বর্তমান কর্মীদের কয়েকজন।

আরও পড়ুন… ইভ্যালিতে যমুনা গ্রুপের বিনিয়োগ: জানা যাবে নিরীক্ষার পর
তারা অভিযোগ করে বলেন, ভোক্তাদের অব্যাহতভাবে ‘মিথ্যা আশ্বাস দিতে বাধ্য করা’, নিয়োগপত্র না দেওয়া এবং ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

এসব বিষয়ে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। ফোনে বক্তব্য জানতে তাকে কয়েকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। ইভ্যালির একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে খবর পাঠানো হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আলোচিত ওই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের চেয়ারাম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে, তাদের দেশত্যাগে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইভ্যালির পক্ষ থেকে জমা দেওয়া দায়-দেনার হিসাবে দেখা যায়, দুই লাখ ১৪ হাজার গ্রাহক ইভ্যালির কাছে পণ্য কেনার জন্য বুকিং দিয়েছেন। গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত বুকিং বাবদ গ্রাহকরা ইভ্যালির কাছে ৩১১ কোটি টাকা পাবেন।
ক্ষুব্ধ এসব গ্রাহকদের দিনের পর দিন আশ্বাস দিয়ে যাওয়া কতটা কঠিন, সে কথা বললেন সম্প্রতি ইভ্যালির কল সেন্টারের কাজ ছেড়ে আসা একজন, যিনি আগে গ্রামীণ ফোন, পাঠাওসহ বিভিন্ন কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারে চাকরি করেছেন।

তিনি বলেন, কাস্টমার কেয়ার হল ভোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জায়গা। কিন্তু ইভ্যালিতে দিনের পর দিন ক্রেতাদের অভিযোগ আর হাহুতাশ শুনতে শুনতে কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের ‘ট্রমার’ সৃষ্টি হয়েছে। এখানে কেউ ২ থেকে ৩ মাসের বেশি সময় কাজ করতে পারে না। কিন্তু যারা কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ, অর্থাৎ যাদেরকে সরাসরি ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলতে হয় না, তারা ভালো থাকেন। তাদের দায়িত্ব হচ্ছে কর্মীদের দিয়ে জোর করে মিথ্যা আশ্বাস দেওয়ানো।

নিজের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তিনি জানান, প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা কল ধরে গেছি। দিনে দেড়শ কল ধরলে ১৪০টা কলেই গ্রাহকের কান্নাকাটি শুনতে হয়েছে। আমরা তাদেরকে উত্তর দিয়ে গেছি- আপনার পণ্যটি নিয়ে কাজ হচ্ছে, অচিরেই পেয়ে যাবেন। কিন্তু আসলে কিছু হচ্ছে কিনা, তাও আমাদের জানা থাকত না।

চলতি বছরের জুলাই থেকে যখন করোনা বাড়তে থাকে তখন সরকার লকডাউন দিলে ইভ্যালির অফিস বন্ধ রাখা হয়েছিল। কর্মীদের অনেকে তখন ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ বাসায় নিয়ে হোম অফিস করছিলেন। অফিস চালু হওয়ার কথা বলে গত সপ্তাহে তাদের কাছ থেকে মালামাল বুঝে নিয়েছে ইভ্যালি। এখন তাদের অন্যত্র চাকরি খুঁজতে বলা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে রাকিব নামের একজন বলেন, ১৮০ জনের মতো কর্মী ছিল ইভ্যালির কাস্টমার সার্ভিস বিভাগে। তাদের চাকরিতে আর না যেতে বলা হয়েছে। ইভ্যালি থেকে বলা হয়েছে আপানারা রিজাইন দিয়ে দেন। জব সুইচ করার চেষ্টা করেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে বেতন দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এটা বিশ্বাসযোগ্য না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter