Home » Tag Archives: প্রাথমিক

Tag Archives: প্রাথমিক

প্রাথমিকের ক্লাস যেভাবে চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ঃ আগামী বুধবার (২ মার্চ) প্রাথমিক স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে। এদিন থেকে পুরোপুরি সব শ্রেণির ক্লাস চলবে স্বাভাবিকভাবে। তবে প্রাক-প্রাথমিক চালু করা হবে আরও দুই সপ্তাহ দেখার পর।

এছাড়া প্রাথমিকের সব শ্রেণির সব ক্লাস চলবে রমজান মাসের ২০ দিন পর্যন্ত। ২১ রমজান থেকে ঈদ পর্যন্ত ছুটি থাকবে। এরপর আবার ক্লাস শুরু হবে যথানিয়মে।

আরো পড়ুনঃ দ্বিতীয় শ্রেণির সকল কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা রুজু ও পরিচালনার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন শিক্ষাবার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ খোলার পর যে মাসে বন্ধ হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২ মার্চ থেকে স্বাভাবিক সময়ের মতো প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির সব ক্লাস নেওয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

এদিকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক স্তরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে। সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা হচ্ছে।

১লা মার্চ খুলছে না প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ঃ দেশের করোনা সংক্রমণ কমায় প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ১ মার্চ থেকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস চলার ঘোষণা এলেও ১লা মার্চ খুলছে না প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঐদিন সরকার ঘোষিত নির্ধারিত ছুটি শব-ই-মিরাজ/শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত থাকায় ১লা মার্চ খুলছে না প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক খুললেও বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই অফিস আদেশ জারি করা হবে।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া শুরু মার্চে

করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংক্রমণ কমায় দেড় বছর পর ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু ফের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


২০২৩ সাল থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই দিন ছুটি

ডেস্ক,১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২
২০২৩ সাল থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) নতুন জাতীয় কারিকুলাম পাইলটিংয়ের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন পাঠ্যবই বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক খুললেও বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এখনই সাপ্তাহিক দুদিন ছটি আছে। মাধ্যমিকে ও উচ্চ মাধ্যমিকে কোথাও কোথাও এখন দুদিন আছে। আমরা যখন কারিকুলামের রূপরেখা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম তখনই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় দুদিন ছুটি করতে চাই। পাঁচ দিন খুব মনোযোগ করে পড়বে তারপর দুদিন ছুটি থাকা দরকার। প্রাথমিক একদিন প্রস্তাব করেছিল। প্রধানমন্ত্রী তখন প্রাথমিকের পক্ষ নিয়ে বললেন—আমাদেরও দুদিন লাগে। আমরা ঠিক করেছি সবারই দুদিন হবে। এখন যারা ট্রাইআউটে (পাইলটিংয়ে) যাবে তাদের দুদিন ছুটি থাকবে। আশা করি ২০২৩ সাল থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন থাকবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে বিশাল আকারের বিনিয়োগ করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতি অবকাঠামোগত বড় পরিবর্তন আনতে হবে। সমস্ত সরঞ্জাম দিতে হবে, শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে ল্যাবরেটরি অ্যাসিটেন্ট নিয়োগ করতে হবে। এটা একটি বড় বিনিয়োগ। শিক্ষায় আমাদের বড় বিনিয়োগ করতেই হবে।
মন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে। ২০২৩ সালে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি বাস্তবায়ন হবে। আর প্রাথমিকে কোনও অসুবিধা নেই মার্চ থেকেই তারা শুরু করতে পারবে। এরই মধ্যে সংক্রমণ আরও হয়তো কমে যাবে। শিক্ষার্থীরা যখন ক্লাসে ফিরবে তখন পাইলটিং শুরু হবে।
শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে নতুন কারিকুলাম করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) নতুন জাতীয় কারিকুলাম পাইলটিংয়ের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বই বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। নতুন কারিকুলামের পাইলটিং আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক স্তরের ৬২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা শুধু জ্ঞান অর্জন নয় একইসঙ্গে দক্ষতা, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ শিখতে পারবে। সব কিছুর সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীরা দক্ষ মানুষ হবে। নিজেরা চিন্তা করতে শিখবে, চিন্তার জগত প্রসারিত হবে, শিক্ষার্থীরা যা শিখবে তা প্রয়োগ করা শিখবে, সমস্যা চিহ্নিত করতে পারবে, তার সমাধান খুঁজে বের করতে পারবে। আমরা শিক্ষার্থীদের সেভাবে গড়ে তুলতে চাই। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে যে গন্তব্য আমরা ঠিক করেছি, সেই গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে গতানুগতিক যে পড়াশোনা সেটি যথেষ্ট নয়। আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশের হাল ধরবে এবং দেশকে প্রত্যাশার সেই জায়গায় নিয়ে যাবে। সেই প্রত্যাশায় নতুন কারিকুলামের জন্য সবাই আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রাথমিক খুললেও বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

অনলাইন ডেস্ক, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২
দেশের করোনা সংক্রমণ কমায় প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ১ মার্চ থেকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস চলার ঘোষণা এলেও বন্ধই থাকছে প্রাক-প্রাথমিক ক্লাস। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ কমায় আপাতত স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হবে। আর প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা আপাতত বন্ধই থাকবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের এক বছরমেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক নামে শিক্ষার একটি স্তর আছে। যা শিশুশ্রেণি নামেও পরিচিত। এছাড়া ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল এবং কিন্ডারগার্ডেনে প্লে, নার্সারি, কেজি ইত্যাদি শ্রেণি আছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই অফিস আদেশ জারি করা হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে।

করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংক্রমণ কমায় দেড় বছর পর ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু ফের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এখনই খুলছে না প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক,১৭ ফ্রেবুয়ারী ২০২২: চলতি মাসেই দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২২ ফেব্রুয়ারি

পূর্ণ দুই ডোজ করোনা প্রতিরোধী টিকা নেওয়া থাকলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে পাঠ নিতে পারবেন, অন্যরা অনলাইন কিংবা টেলিভিশনের মাধ্যমেই ক্লাস করবেন। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনই খুলছে না বলে নিশ্চিত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে আরও পরে, ১০ বা ১৪ দিন দেখা হবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে খুলে দেওয়া হবে।’

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান অনলাইনে: শিক্ষামন্ত্রী

মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থীর দুই ডোজ টিকা নেওয়া হয়েছে, তারাই শুধু ক্লাসে আসবেন। আর যাদের টিকা নেওয়া বাদ রয়েছে, তারা অনলাইন এবং টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস করবে।’ তবে যাদের টিকা এখনও নেওয়া হয়নি তাদেরও ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টিকা নিয়ে নিতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস কীভাবে চলবে- এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘ছুটির আগে যেভাবে সীমিত পরিসরে যেভাবে ক্লাস চলছিল, সেভাবে পরিচালিত হবে।’

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে আরও সময় লাগবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে আরও পরে। ১০ দিন বা ১৪ দিন দেখা হবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে খুলে দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত তারিখ বলতে না পারলেও, আমরা আশা করছি চলতি মাসেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জাতীয় পরামর্শ কমিটির সঙ্গে সভায় করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একটি সিদ্ধান্ত নেবো। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হবে।’

নতুন বছরে ক্লাস হবে যে প্রক্রিয়ায়

ডেস্ক,৩১ জানুয়ারী ২০২১ঃ
নতুন বছরে স্কুলে কোন রুটিনে ক্লাস হবে তা নির্দিষ্ট করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি শুরু!

বৃহস্পতিবার রাতে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সই করা অফিস আদেশে নতুন বছরের রুটিনের বিস্তারিত জানানো হয়।

আরো পড়ুনঃ এবারও হচ্ছে না পাঠ্যপুস্তক উৎসব

এতে বলা হয়, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে প্রতিদিন ৪টি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে।

১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে প্রতিদিন ৩টি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়া ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে দুই দিন (প্রত্যেক দিন) ৩টি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে।

আরো পড়ুনঃ এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষা শুরু: আবেদন করবেন যেভাবে

আর ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে এক দিন ৩টি বিষয়ের ক্লাস নেওয়া হবে।

নতুন রুটিনে প্রাথমিকের শ্রেণি কার্যক্রম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসারে পরিচালনা করার কথাও বলা হয়।

আরও বলা হয়, স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইন শ্রেণি কার্যক্রম চলমান রাখবে। চলতি শিক্ষাবষেও সীমিত পরিসরে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।


প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১

কোটা প্রথা বাতিল করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

নিয়োগ প্রত্যাশী এক প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রত্যাশী মো. তারেক রহমান গত বছর এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদি করা হয়েছে।

আবেদনকারীর আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে। কিন্তু ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোটা প্রথা বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর গত ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা আর পুরুষ প্রার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা তাদের নিজেদের স্বার্থে উক্ত প্রজ্ঞাপনের ৮ম অনুচ্ছেদে বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র এবং সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। গতকাল সোমবার হাইকোর্ট রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন বলে জানান একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।

পরবর্তী ক্লাসে যেভাবে উঠবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক,২৪ নভেম্বর ২০২১ঃ
গত বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের আগের রোল নম্বর নির্ধারণ রেখে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরো খবরঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

জানা গেছে, সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হাসিবুল আলম বলেছেন,২০২০ সালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন যেভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী এবারও সেভাবে মূল্যায়ণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই গত বছরের মতো এবারো শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করা যেতে পারে। সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীসহ সকলে এ প্রস্তাবে সম্মতি দেন।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা সমাপনী হবে বলে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। বর্তমানে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা যেতে পারে বলে প্রস্তাব করা হয়। সভা শেষে চলতি বছর বর্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বা স্ব শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে সেই সিদ্ধান্ত দেশের সকল জেলার মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে তা বাস্তাব করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

জানতে চাইলে ডিপিই’র মহাপরিচালক মনসুরুল আলম বলেন, চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন স্তরে ঘোষণা দিয়ে বা প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে না, তবে বিদ্যালয় শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে তুলবেন। আগের রোল নম্বর নির্ধারণ রেখে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণের যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সেসব সকল পদ্ধতি শিক্ষকরা অনুসরণ করতে পারবেন। কেউ যদি শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা নেয়া প্রয়োজন মনে করেন তারা সেটি নিতে পারবেন।

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ চুড়ান্ত হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ নভেম্বর ২০২১ঃ

আগামী ১৭ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সঠিক নয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) একাধিক কর্মকর্তা শিক্ষাবার্তাকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে ১৭ ডিসেম্বর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে খবর প্রচার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। আমরা পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছ। ডিসেম্বরে এই পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

এদিকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।

ডিপিই সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর অক্টোবরের শেষ দিকে প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ২৪ নভেম্বর রাতে। এতে আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। ফলে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৪০ জন।

সূত্র আরও জানায়, মোট ৩২ হাজার ৭৭টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদে ৬ হাজার ৯৪৭ জনকে নিয়ােগ দেওয়া হবে।

ডিসেম্বরেই হচ্ছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

ডেস্ক, ২০ নভেম্বর ২০২১
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি। এছাড়া পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

আরো খবর:

এদিকে প্রশ্নপত্র তৈরি, ওএমআর শিট প্রস্তুত, কেন্দ্র নির্ধারণসহ প্রায় সব কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলেও জানা গেছে।

ডিপিই সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত বছর অক্টোবরের শেষ দিকে প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ২৪ নভেম্বর রাতে। এতে আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। ফলে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৪০ জন।

সূত্র আরও জানায়, মোট ৩২ হাজার ৭৭টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদে ৬ হাজার ৯৪৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি: `পঁয়তাল্লিশের কাঁটা’

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর ২০২১ঃ
বেতন গ্রেড নিয়ে অসন্তোষের পর এবার বিভাগীয় পদোন্নতির বিষয়ে তৈরি খসড়া বিধিমালা নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা। অথচ তাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০২১।

শিক্ষক নেতাদের ভাষ্য- চূড়ান্ত হতে যাওয়া নতুন বিধিতে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে পদোন্নতি চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতিতেও ৪৫ বছরের বয়সসীমা পদোন্নতি না দেওয়ার অপকৌশল বলে মনে করছেন তারা।

জানা গেছে, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) পর্যন্ত হতে পারতেন; কিন্তু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগবিধি ১৯৮৫ সেই পথ রুদ্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে পিএসসির নিয়োগবিধি ১৯৯৪ জারি হলে সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (এটিইও) পদে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারতেন। ২০০৩ সালে সরকারি গেজেটেও সেই পদে বিভাগীয় প্রার্থী বলতে প্রাথমিকের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের কথা বলা ছিল এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে তাদের সঙ্গে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বোঝানো হয়েছে। সর্বশেষ নিয়োগ পর্যন্ত এভাবেই চলছে। তবে খসড়া নিয়োগবিধি ২০২১ অনুযায়ী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা আর বিভাগীয় প্রার্থীর সুযোগ পাবেন না।

আরো পড়ুনঃ প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল। মহাপরিচালক যা বললেন
নিয়োগবিধিতে আরও বলা আছে- সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদে নিয়োগে ৮০ শতাংশ পদ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য

সংরক্ষিত থাকবে এবং ২০ শতাংশ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বোঝাবে। তাদেরও আবার প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো পূরণ হবে উন্মুক্ত প্রার্থীদের মাধ্যমে। সরাসরি নিয়োগে উন্মুক্ত প্রার্থীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। আর বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকে উন্নীত স্কেলে বেতন নিশ্চিত করতে ডিপিই’র নির্দেশনা

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘১৯৯৪ সালে একটি আইনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে চালু হয়েছিল সরাসরি নিয়োগ পদ্ধতি। এর আগে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে সিনিয়র প্রধান শিক্ষকরা সরাসরিই পদোন্নতি পেতেন। এখন প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির পথও কৌশলে রুদ্ধ করে সরাসরি এটিইও নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘এটা (বিধিমালায় যুক্ত শর্ত) প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি না দেওয়ার অপকৌশল। শিক্ষকদের দাবি, ওপরের শতভাগ পদ পূরণ করতে হবে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা রাখা যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকরা চান অনূর্ধ্ব-৪৫ বছর বয়সের কোনো বাধা না থাকুক। সেই সঙ্গে প্রাথমিকের যেসব পদে সরাসরি নিয়োগ চালু রয়েছে, সেগুলোতে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ নয়; বরং শতভাগ পদোন্নতি দেওয়ার দাবি আমাদের।’ রিয়াজ পারভেজ জানান, সহকারী উপজেলা, থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই), উপজেলা রিসোর্স সেন্টার (ইউআরসি), থানা রিসোর্স সেন্টারসহ বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্নিষ্ট ঊর্ধ্বতন সব পদেই পদোন্নতির দাবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মুনসুরুল আলম শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘শিক্ষকদের নিয়োগ বিধিমালা এর আগেও কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক পদটি আগে থেকেই ব্লক ছিল। আমরা এবার এটাকে ব্লক পদ করিনি। একসময় তো বিভাগীয় প্রার্থিতার সুযোগই তাদের ছিল না। বিভাগীয় প্রার্থী হতে বয়স একসময় ৪০ বছর ছিল, ১৯৯৪ সালে তা ৪৫ বছর করা হয়। তার পরও বয়স বাড়ানোর বিষয়ে আমরা চেষ্টা করেছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এতে সায় দেয়নি। তারা বলেছে- অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বয়স এমনটাই নির্ধারিত।’

কয়েক প্রধান শিক্ষক জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮৫-এর অধীনেও প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধান ছিল। প্রধান শিক্ষকরা সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতি পেতেন; কিন্তু ১৯৯৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিধিমালাটি সংশোধনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি রহিত করা হয়। তাই প্রধান শিক্ষকদের দাবি- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮৫ (সংশোধনী ২০২১)-এ বিভাগীয় পদোন্নতি পুনর্বহাল করতে হবে। কারণ এই বিধিমালা সংশোধন না করলে প্রধান শিক্ষকদের আর পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব হবে না।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য পৃথক দুটি নিয়োগ বিধিমালা তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। এরই মধ্যে তা প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে অনুমোদন হয়েছে। এতে প্রধান শিক্ষক থেকে সহকারী থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিসার (এটিইও) পদে পদোন্নতির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে, এটিইও পদে পদোন্নতির জন্য পরীক্ষায় বসতে প্রধান শিক্ষকের বয়স হবে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর। এ ছাড়া কমপক্ষে তিন বছরের প্রধান শিক্ষক পদের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রস্তাবিত এই ‘সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা বলছেন- এ বিধিমালায় প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির সুযোগ রাখা হলেও শর্তের বেড়াজালে পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষকরা আরও জানান, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেতেই বয়স হয়ে যায় ৪৭-৪৮ বছর। আরও তিন বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হলে বয়স হবে কমপক্ষে ৫০-৫১ বছর। এতে প্রধান শিক্ষকদের আর কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ থাকবে না। প্রধান শিক্ষকদের একই পদে চাকরি করে অবসরে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে ব্লক পোস্টে পরিণত হবে প্রধান শিক্ষক পদটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে শিক্ষকরা সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

আপনি কি পুত্র/কন্যা সন্তান চান তাহলে জেনে নিন কি করবেন?

চলতি বছর প্রাথমিকের সব পরীক্ষা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৮ নভেম্বর ২০২১:
চলতি বছরের শুধু পিইসি (প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষা) পরীক্ষাই নয়, প্রাথমিক স্কুলের সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষাও বাতিল করা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো ক্লাসেই এ বছর কোনো পরীক্ষা হবে না। শিক্ষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের ওপরের ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেয়া হবে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া চূড়ান্ত

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষার বার্ষিক ও সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। চলতি শিক্ষাবর্ষের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক মূল্যায়ন করে তাদেরকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

গত ২৬ অক্টোবরের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

অবশ্য এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এ বছর প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে হবে না। সম্ভব হলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর করোনার কারণে এবং শিক্ষার্থীদের পুরোমাত্রায় শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে না পারায় পাথমিকের কোনো ক্লাসেই পরীক্ষা নেয়া হবে না। মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।

এদিকে গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী সার-সংক্ষেপে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। স্ব স্ব বিদ্যায়ের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন করা যেতে পারে। আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ক্লাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ডিসেম্বরের শেষে বিগত শিক্ষাবর্ষের ন্যায় বর্তমান শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

যেসব শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ অক্টোবর ২০২১

প্রাথমিকে যেসব শিক্ষক এসএসসি পাস তাদের ২০২২ শিক্ষাবর্ষে সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সিইনএড) প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

গত বৃহস্পতিবার ডিপিই মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণহীন এসব শিক্ষকদের তালিকা আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাতে জেলা শিক্ষা অফিসারদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরো খবর:পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

জানা গেছে, নতুন জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পাস শিক্ষকদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য সময় নির্ধারিত থাকলেও তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেনি। বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়ার পরও সিইনএড কোর্স সম্পন্ন করেননি। এ কারণে যোগ্যতাবিহীন শিক্ষক হিসেবে তাদের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও পেনশন মঞ্জুরের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে সারাদেশে এসএসসি পাস প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ৩৪৮ জন। তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্নের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক পিটিআইয়ে ডিপিএড কোর্সের পাশাপাশি সিইনএড কোর্স চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক সুবিধাসহ পেনশন মঞ্জুরের ক্ষেত্রে জটিলতা এড়াতে ২০২২ শিক্ষাবর্ষে শেষবারের মতো এসএসসি পাস শিক্ষকদের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক পিটিআইয়ে সিইনএড প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। এসএসসি পাস প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের জন্য এই কার্যক্রমে অংশ নেয়া আবশ্যক। এক্ষেত্রে বয়সের কারণে প্রশিক্ষণ গ্রহণে কোনও বাধা নেই।

অ্যালার্জি সারাতে হোমিও মেডিসিন

গাজীপুরে প্রাথমিকের ১২ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত

মাসুদ রানা, গাজীপুর
করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। টানা দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকায় অনেকেই যেমন স্কুলমুখী হয়েছে, তেমনি অনেকেই ঝরে পড়েছে।

আরো পড়ুনঃ ১২০০ বিদ্যালয়ে আবেদন করেও শিক্ষক হতে পারেননি তিনি

প্রায় এক মাস ক্লাস শেষে প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি পাওয়া গেছে ৭৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ ২০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। তাদের খোঁজ মিলছে না। এসব শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে গাজীপুরে মাধ্যমিকেও ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে।

১০ অক্টোবর গাজীপুর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক অফিস থেকে পাওয়া হিসাব বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পুরো খবর পড়ুন

যেসব প্রাথমিক শিক্ষক নজরদারিতে

নিউজ ডেস্ক।।

সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্যোশাল মিডিয়ায়ও নজরদারিতে আনতে মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। গত ৭ অক্টোবর অধিদফতর, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে তিনিটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়।

আরো পড়ুনঃ বুধবার ব্যাংক বন্ধ থাকবে

মনিটরিং কমিটি গঠনের অফিস আদেশে জানানো হয়, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের ৭ মে’র পরিপত্র মোতাবেক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হলো।’

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকে বার্ষিক পরীক্ষা ডিসেম্বরে

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter