Home » Tag Archives: প্রাথমিক শিক্ষা

Tag Archives: প্রাথমিক শিক্ষা

বদলে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম, সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন

ডেস্ক,১৫ সেপ্টেম্বর:

নতুন শিক্ষাক্রমে বদলে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম,সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ধারার এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কিন্তু প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী বছর নতুন শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলকভাবে শুরুর আগেই তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু করবে সরকার।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের আগেই সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এখন তাঁদের যেভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলেই আমরা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু করব।’

আরো পড়ুন: বিদ্যালয়ে আসার সময় আছে, যাওয়ার নেই

শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে চাপ কমিয়ে পড়াশোনার পরিবেশ আনন্দময় করতে গত সোমবার নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছে সরকার। এদিকে আগামী বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ধাপে ধাপে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। মাদ্রাসা ও কারিগরির শিক্ষার্থীদেরও নতুন এই শিক্ষাক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। তবে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা আগের মতোই ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিলেবাস অনুযায়ী পড়বে। কওমি মাদরাসা নিয়ে কোনো কথা নেই।

সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। এই চার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শুধু শিখনকালীন মূল্যায়ন করা হবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা দেবেন, বাকি ৬০ শতাংশ নম্বর আসবে তাদের শিখনকালীন মূল্যায়নের মাধ্যমে। নবম-দশমে ৫০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা, বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন এবং একাদশ-দ্বাদশে ৭০ শতাংশ নম্বর পরীক্ষা এবং ৩০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন মূল্যায়নে দেওয়া হবে। পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে শিখনকালীন মূল্যায়ন যোগ করে মূল ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক স্তর এবং নবম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর হওয়ার কথা থাকলেও নতুন শিক্ষাক্রম সেভাবে হয়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ধরে নতুন শিক্ষাক্রম করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগেই সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ জন্য শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় শিক্ষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী বছর থেকেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। নতুন করে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণেও নতুন পাঠ্যক্রমের বিষয়টি রাখা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের নাম বদলে ‘ভালো থাকা’ করা হবে। এই বইয়ে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখানো হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে। প্রাক-প্রাথমিকে ৫০০ ঘণ্টা, প্রথম-তৃতীয় শ্রেণিতে ৬৩০ ঘণ্টা, চতুর্থ-পঞ্চম শ্রেণিতে ৮৪০ ঘণ্টা, ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে ১০৫০ ঘণ্টা, নবম-দশম শ্রেণিতে ১১১৭.৫ ঘণ্টা এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১১৬৭.৫ ঘণ্টা শিখন সময় (বছরে) নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাকুরি প্রস্তুতি কোর্স করতে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকেও ছুটি বাড়লো

ডেস্ক,১ সেপ্টেম্বর ২০২১:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তির দিকে থাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটিও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ সেপ্টেম্বর:
করোনাকালীন দীর্ঘ বিরতির পর বিদ্যালয় খুলতে এমন একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আর এসব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটিকে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ছাত্র-ছাত্রীদের বসার পরিকল্পনা হিসেবে ৩ ফুট দূরত্ব রেখে বেঞ্চ স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে বসিয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুপাতে বসাতে হবে। যেমন শনি ও মঙ্গলবার প্রথম ও ২য় শ্রেণি। রবি ও বুধবার ৩য় ও চতুর্থ শ্রেণি। তবে এ বছর শিশু শ্রেণির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ও মাস্ক পরিধান

বিদ্যালয়ের সকল মোটরলাইন সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যেন পানির প্রবাহ ঠিকমতন থাকে। এছাড়াও শতভাগ মাস্ক পরিধান করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। বিদ্যালয়ে মাস্ক মজুদ, সাবান পানি, ব্লিচিং পাউডার, প্যারাসিটামল কিনতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ অক্টোবরে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মগ-জগ ও থার্মোমিটার

শরীরের তাপমাত্রা মাপতে বিদ্যালয়ের স্লিপ ফান্ড থেকে ইনফারেড থার্মোমিটার কেনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২টি বালতি ও জগ এবং ১২টি মগ কেনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
নির্দেশনার পর এসব জিনিস অধিকাংশ বিদ্যালয় ক্রয় করেছে। তবে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় অবশ্যই তাপমাত্রা মেপে এরপর ঢুকতে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি

টয়লেট পরিষ্কার ও নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা করতে বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ডিপিই। এজন্য বিদ্যালয়ে হারপিক, সাবান কিনতে ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহার নিশ্চিত করতে জানানো হয়।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরোও বলা হয়, বিদ্যালয়ে উপস্থিত সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য লিফলেট বিতরণ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা প্রচার করতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পরিমার্জিত পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ পরিমার্জিত পাঠ পরিকল্পনা সংগ্রহের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষকরা যেন পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঠদান করতে পারেন ও অভিভাবকদের যুক্ত করতে পারেন সে নির্দেশনাও বিদ্যালয় খোলার জন্য দেয়া হয়েছে।
ডিপিইর তথ্য থেকে জানা যায়, নতুন পাঠ পরিকল্পনা পাওয়ার সঙ্গেই বিদ্যালয়ে সংরক্ষণ ও প্রত্যেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অবগত করা হয়েছে।

শিক্ষাবর্ষের সমাপনী কার্যক্রম

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় সম্ভব হলে মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল প্রস্তুতের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণির ছাড়পত্র ও প্রশংসাপত্র প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, সরকার থেকে নির্দেশ দেয়া মাত্রই যেন বিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া যায় এজন্য স্কুল রিকভারি প্ল্যান অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না তা মনিটরিং করছেন থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা। গত ২৩ আগষ্ট থেকে সব শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে অফিস করছেন বলে তিনি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অক্টোবরে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ আগষ্ট ২০২১:

করোনাভাইরাস (কোভিড ১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজে সশরীরে পাঠদান শুরু হতে পারে। করোনা সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের নিচে নামার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় পরামর্শক কমিটির সম্মতি পাওয়ায় দ্রুত এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি চূড়ান্ত করতে আগামীকাল বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) উচ্চপর্যায়ে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা আসতে পারে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ কথা জানা গেছে।

করোনার কারণে বারবার বাড়ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। সেপ্টেম্বরের দিকে খুলে দেওয়ার আলাপ চলছিল। কিন্তু সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের নিচে না নামায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়িয়ে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছুটি আরও ১৫ দিন বাড়তে পারে। ১৮ বছরের ওপরের সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের যদি আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে টিকাদান সম্পন্ন হয়, তাহলে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পক্ষে শিক্ষা সম্পর্কিত দুই মন্ত্রণালয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামতের ওপর।

আরো পড়ুনঃ শিক্ষকদের আগস্ট মাসের এমপিওর চেক ছাড়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা অলস সময় পার করছে। তাদের মধ্যে অনেকে খারাপ কাজে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। কিশোর গ্যাং বাড়ছে, টিকটক, মাদকাসক্তিতে ঝুঁকছে। এতে করে সমাজে অপরাধ বাড়ছে। অনেক ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার হয়ে শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ছে। সমাজে অপরাধ ও শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার বন্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে হবে

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। প্রতিদিন অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মনিটরিং করবে মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে ১২ বছর পর্যন্ত বয়সের শিক্ষার্থীদের ফেসশিল্ড ব্যবহার করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই ধাপে ধাপে সশরীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শতভাগ টিকা নিয়েছেন কিংবা টিকাদান সম্পন্ন হবে তারা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে পাঠদান শুরু করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কতজন টিকার আওতায় এসেছেন, কতজন পাননি, কাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই সে তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দ্রুততার মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি কার্ড) নেই, স্বল্প সময়ের মধ্যে তাদের এনআইডি কার্ড তৈরির চেষ্টা করা হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তবে ভিন্ন পদ্ধতিতে টিকার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান  বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট সব বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে গত সোমবার (৩০ আগস্ট) চিঠি দেওয়া হয়েছে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে এ তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব তথ্য একত্রিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর বেশি দিন বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। আগে সিদ্ধান্ত ছিল করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। কোভিড-১৯ জাতীয় পরামর্শক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে ১০ শতাংশের নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে কমিটির সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। আগামী বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আন্তঃমন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ওই অতিরিক্ত সচিব বলেন, অক্টোবর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা-ভাবনা নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নতুন করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঠদানের উপযোগী করে তুলতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুরুতে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয়দিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস করানো হবে। একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ক্লাসে ভাগ করে ক্লাস নেওয়া হবে।

আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্তরের পঞ্চম ও চতুর্থ শ্রেণির সপ্তাহে ছয় দিন, অন্য স্তরে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেওয়া হবে।

বুধবার ফের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা
সংক্রমণের হার কত শতাংশ হলে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং ১২ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের মাস্ক না ফেসশিল্ড পরবে- এই দুটি বিষয় চূড়ান্ত করতে আগামী বুধবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা বসবে। পরদিন বৃহস্পতিবার সরকারের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতে পারে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter