Home » Tag Archives: নন এমপিও

Tag Archives: নন এমপিও

ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল হচ্ছে

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না, তাদের জটিলতা কাটতে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল- তা শিথিল করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনটিআরসিএ এর শিক্ষাতন্ত্র ও শিক্ষামানের সদস্য (যুগ্ম সচিব) ড. কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, এনটিআরসিএ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃতদের সুপারিশপত্রে বলা ছিল, নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃত প্রার্থীরা কখনো এমপিও সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। তবে এ শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও প্রাপ্তিতে কোনো শর্ত লাগবে না।

জানা গেছে, সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। কারণ, তাদের সুপারিশ পত্রে শর্ত ছিল নন-এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা এমপিও দাবি করতে পারবেন না। যে কারণে শিক্ষকদের এমপিও আবেদন মাঠ পর্যায় থেকে গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এ জটিলতার সমাধান দিয়েছে এনটিআরসিএ।

গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত বলে ঘোষণা করেন। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পদ নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রচলিত এমপিও নীতিমালার আলোকে তাদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তর এ শর্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কেবল মাত্র নন-এমপিও চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে এবং এমপিও নীতিমালার আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত হবে) এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য মর্মে বিবেচিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য ১২৬ কোটি টাকা চায় মন্ত্রণালয়

ডেস্ক,২৯ মে:
করোনার প্রভাবে অসহায় জীবনযাপন করা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের এককালীন অনুদান দিতে ১২৬ কোটি টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সায় পেলে অর্থ বিভাগের অনুমতি চাইবে মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্কুল ও কলেজের জন্য আলাদা আলাদা থেকে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য আট হাজার অথবা পাঁচ হাজার কর্মচারীদের জন্য চার হাজার অথবা আড়াই হাজার টাকা করে দুটি বিকল্প রেখে প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রথম প্রস্তাবে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য এককালীন আট হাজার এবং কর্মচারীদের জন্য চার হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এতে কলেজ পর্যায়ে ৮৪ হাজার ৮১৮ জন শিক্ষককের জন্য প্রায় ৩৯ কোটি ৫৪ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং ৩৪ হাজার ৭৬২ জন কর্মচারীর জন্য প্রয়োজন ১৩ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার টাকা। স্কুল পর্যায়ে ৬৬ হাজার ৫০৭ জন শিক্ষকের জন্য প্রয়োজন ৫৩ কোটি ২০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার ৪৫৫ জন কর্মচারীদের জন্য প্রয়োজন ২০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রথম প্রস্তাবে মোট টাকা প্রয়োজন হবে ১২৬ কোটি ৩৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য এককালীন পাঁচ হাজার এবং কর্মচারীদের জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকার প্রয়োজন হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাব দুটি মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যেটার অনুমোদন দেবেন সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ বিভাগকে অনুরোধ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

করোনার প্রভাবে অসহায় জীবনযাপন করা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিসহ অন্যান্য খাত থেকে অর্থ আদায় করতে না পারায় অনেক শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ রয়েছে। এমনকি ঈদের বোনাসও হয় নি তাদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter