Home » Tag Archives: করোনা

Tag Archives: করোনা

প্রাথমিকের শিক্ষক দম্পতির করোনায় মৃত্যু

লালমনিরহাট প্রতিনিধি,২৬ জুন:
স্বামীর পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লালমনিরহাটের সদর উপজেলার সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা উম্মে কুলছুম হ্যাপী (৪৯) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় এ শিক্ষিকার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ৮ জুন এ শিক্ষিকার স্বামী জিয়াউল হায়দার মন্ডল (৫৪) ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার স্বামীও কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ মরানদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১০৮ জনের

ডেস্ক,২৫ জুন:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ১০৮ জন। এর আগে চলতি বছরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে গত ১৯ এপ্রিল মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১০৮ জনকে নিয়ে করোনাতে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মারা গেলেন ১৩ হাজার ৯৭৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬০, শনাক্ত প্রায় ৪ হাজার

ডেস্ক,১৬ জুন ২০২১:
দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬০ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৬ জন। বুধবার (১৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মারা গেছেন ১৩ হাজার ২৮২ জন এবং মোট শনাক্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ জন এবং এ পর্যন্ত মোট সুস্থ ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৯৬৭টি, অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮০৭টি। এখন পর্যন্ত ৬২ লাখ ৪২ হাজার ৭৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০টি নমুনায় ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় প্রতি ১০০ জনে সুস্থ হয়েছে ৯২ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং মারা গেছে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

করোনার মধ্যেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান ৯৭ শতাংশ অভিভাবক

ডেস্ক,১০ম ২০২১:
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চললেও এ মুহূর্তে স্কুল খুলে দিলে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী। প্রাথমিকের ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এমন মতামত দিয়েছেন।

গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি) এবং বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিজিআইডি) পরিচালিত এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠেছে।

সোমবার (১০ মে) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুইটি। ২০২০ সালের এপ্রিল এবং চলতি বছরের মার্চে ছয় হাজারের অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

মহামারির এ সময়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকার পরও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও সন্তানদের বাইরে যাওয়া বন্ধ নেই, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন তারা।

তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে সন্তানদের শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, যা তারা বাড়াতে চান না। বাধ্য হয়ে এ ক্ষতির কিছুটা কমাতে কোচিং সেন্টারে সন্তানদের পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নিয়মিত খরচের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষায় খরচ ১১-১৩ গুন পর্যন্ত বেড়েছে।

অভিভাবকা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের সন্তানদের শিক্ষায় আগ্রহ কমছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ‘অটো পাস’ এর কারণে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে গিয়ে সন্তানরা কোনো সমস্যায় পড়েন কি-না, তা নিয়েও তারা ভীষণ উদ্বিগ্ন।

এ সমীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিজিআইডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমীক্ষা প্রতিবেদনের মূল বার্তা হলো- স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলে ভবিষ্যত জীবনে সন্তান সমস্যায় পড়বে, এমন আশঙ্কা থেকে অতি দরিদ্র ৫৯ শতাংশ বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়ের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়েছেন। আবার স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে কওমি মাদ্রাসা খোলা থাকায় এখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেড়েছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি।

প্রাথমিকে ১৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক.১১ জুন:

করোনায় এখন পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী। এরমধ্যে গতকাল বুধবার ১০ জন শনাক্ত ও দুইজন সুস্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে শিক্ষকরা আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে ডিপিই’র ওয়েবসাইটে প্রতিদিন তথ্য আপডেট করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রাথমিকের ১১৭ জন শিক্ষক, ১৩ জন কর্মকর্তা, ৮ জন কর্মচারী ও ৭ জন শিক্ষার্থী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একজন শিক্ষক মারা গেছেন। পর্যাক্রমে ২৭ জন সুস্থ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২২ জন শিক্ষক, ২ জন কর্মকর্তা ও ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

দেখা গেছে, আক্রান্তকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫ জন, চট্টগ্রামে ৫১ জন, খুলনায় ৪ জন, বরিশালে ৮ জন, সিলেটে ১৪ জন, রংপুরে ৬ জন এবং ময়মনসিংহে ৬ জন রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কেউ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হচ্ছে। তার চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহায়তা দিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান মহামারি যতদিন স্বাভাবিক না হবে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি দেশের যেখানেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী আক্রান্ত হবে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বিক সহায়তা দেয়া হবে।

ডা. মঈনের পরিবারের দায়িত্ব নেবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫এপ্রিলঃ
bdjournal
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
×
হোম
বাংলাদেশ

ডা. মঈনের পরিবারের দায়িত্ব নেবে সরকার
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২০, ১৬:২৭ | আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২০, ১৭:০৩

অনলাইন ডেস্ক
0
Shares

Evaly

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া সিলেটের চিকিৎসক ডা. মঈন উদ্দিনের পরিবারের দায়িত্ব সরকার নেবে এবং একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ বীমার ভাতা খুব দ্রুত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনে তিনি এ তথ্য জানান।

বুলেটিনের শুরুতেই আবুল কালাম আজাদ ডা. মঈন উদ্দিনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘ডা. মঈন উদ্দিনের মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে তিনি কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হন। শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই চিকিৎসকের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মরহুমের স্ত্রীও একজন চিকিৎসক। ডা. চৌধুরী রিফাত জামান একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ফিজিওলোজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।’ তার দুটি সন্তানও রয়েছে বলে জানান তিনি।

এই চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন জানিয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন মরহুমের পরিবারের সকল দায়-দায়িত্ব সরকার নেবে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের জন্য যে বীমা ঘোষণা করা হয়েছে, মরহুমের পরিবার সেটা যেন দ্রুত পান প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়েও আশ্বস্ত করেছেন।’

একই সঙ্গে করোনারোগীদের চিকিৎসা নিয়োজিত সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে আছেন বলেও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষনা।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪এপ্রিলঃ
দেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে অঘোষিত লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল আরও তিন দিন। জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন রোববার দুপুরে সরকারি এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগে ১১ তারিখ পর্যন্ত ছুটি ছিল। নতুন করে ১২ ও ১৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ এপ্রিল আগে থেকেই নির্বাহী আদেশে ছুটি (বাংলা নববর্ষের) ছিল, সেই ছুটিও এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হবে। অর্থাৎ, নতুন করে ‘ছুটি’ বাড়ায় এখন তা বলবৎ থাকবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮, মোট ৮৮ জন

ডেস্ক,৫এপ্রিলঃ

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে।

 

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অনলাইন ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান। এতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস শাখার পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২০৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন প্রায় পৌনে ৬৫ হাজার জন। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিনে দিনে সংক্রমণ বেড়েছে। সবশেষ হিসাবে করোনায় বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জন। মারা গেছেন ৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৩০ জন।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এই ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ছুটির সময়ে অফিস-আদালত থেকে গণপরিবহন, সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, জরুরি সেবা এই বন্ধের বাইরে থাকছে। জনগণকে ঘরে রাখার জন্য মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।

বাম হাতে বিসিজি টিকার দাগ থাকলে পাচ্ছেন করোনার সুখবর

ডেস্ক,২এপ্রিলঃ
আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষের শরীরে দেয়া হয়েছে বিসিজি বা ব্যাসিলাস ক্যালমেট-গুউরিন টিকা। এ মুহূর্তে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান ভাবতে পারেন যদি আপনার বাম হাতে থাকে বিসিজি টিকার দাগ। এটি যক্ষার প্রতিষেধক হিসেবে শৈশবে দেয়া হয়েছিল। আর এই টিকাই প্রতিরোধ করতে পারে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। বিশ্বে বিভিন্ন দেশ থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অফ অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিনের এক গবেষণায় এমনটি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি কলেজ অফ অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পৃথিবীর যে সব দেশে বিসিজি টিকাদান কর্মসূচি নেই যেমন ইতালি, নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে দীর্ঘস্থায়ী টিকাদান কর্মসূচি যে সব দেশে চালু আছে ওইসব দেশের মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম।
গবেষণায় দাবি করা হয়, বিসিজি টিকা আসার পর থেকে বিশ্বে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা হয়, মৃত্যুর হার বেশি হওয়ায় ১৯৮৪ সালে বিসিজি কার্যক্রম শুরু করে ইরান। দেশটিতে বিসিজি টিকা দেয়া মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি তেমন একটা পাওয়া যায়নি। এছাড়া ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিসিজি টিকা না দেয়ার কারণে চীন এবং ভারতের চেয়ে করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে গবেষণায় দাবি কর হয়। কারণ চীন এবং ভারতে বহুকাল ধরে বিসিজি টিকার প্রচলন রয়েছে।

আর এমন দাবির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতিও । চীন থেকে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি হলেও এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে। আর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৩ হাজার ১৮০ জন। মারা গেছেন ৩৯ হাজার ৩৩ জন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে থাকতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ মার্চঃ
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ এবং এই অবস্থায় যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি থাকতে হবে।

আজ রোববার এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter