Home » লাইফ স্টাইল

লাইফ স্টাইল

মাত্র ১০ মিনিট ব্যায়ামে থাকা যায় ভালো

ডেস্ক,১৪ ফেক্রুয়ারী ২০২২ঃ সময়ের অভাব যখন অজুহাত তখন না হয় মাত্র ১০ মিনিট ব্যয় করুন ব্যায়ামের জন্য।

নিয়মিত ব্যায়াম করা যে শরীরের জন্য উপকারী তা সবার জানা থাকলেও তা নিয়ে আলসেমির যেন শেষ নেই। এই আলসেমির সবচাইতে বড় অজুহাত হল সময় নেই।

হয়ত প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার পরিকল্পনা করেছেন কেউ। তবে মাত্র ১০ মিনিট ব্যায়াম করলেও যে উপকার পাওয়া সম্ভব তা কেউ ভেবে দেখে না।
অনলাইনে ব্যায়ামবিষয়ক প্রশিক্ষণমূলক ওয়েবসাইট যুক্তরাষ্ট্রের ‘সোয়েট ফ্যাক্টর’য়ের প্রতিষ্ঠাতা মাইক ডোনাভানিক ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “শারীরিক পরিশ্রম যতটুকুই করবেন ততটুকুই উপকারী। তা হোক ১০ মিনিট, ৩০ কিংবা এক ঘণ্টার বেশি। আর দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় শারীরিক পরিশ্রম যোগ করাটা বাড়তি ঝামেলার কাজ হওয়া উচিত নয় কখনই।”

‘ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস অ্যামহার্সট স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ অ্যান্ড হেল্থ সায়েন্সেস’য়ের সহকারী অধ্যাপক ও ‘কিনিসিওলজিস্ট’ ড. অ্যামান্ডা পালুচ বলেন, “মাত্র ১০ মিনিট ব্যায়াম করাটাই হতে পারে প্রতিদিন ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলার মুল ভিত্তি।”

লন্ডনের কিংস কলেজ’য়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও ‘সাইকোথেরাপিস্ট’ ব্রেন্ডন স্টাবস ২০১৮ সালের একটি জাপানিজ গবেষণার কথা উল্রেখ করে একই প্রতিবেদনে বলেন, “প্রতিদিন ১০ মিনিট সাইকেল চালানো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা যোগাতে ওই ১০ মিনিট ব্যায়ামই যথেষ্ট।”

“তাই যখনই ১০ মিনিট ব্যায়াম করে কী আর হবে এমনটা মনে হবে তখন আমার মতো ভাববেন, বাস্তব জগতে ১০ মিনিটেই কত কী বদলে যাচ্ছে। অর্থাৎ ১০ মিনিট ব্যায়াম মোটেও অবহেলার বস্তু নয়।”
“১০ মিনিটের ব্যায়াম আপনাকে পেটা শরীর দেবে না কখনই, তবে আপনার মন মেজাজ ফুরফুরে হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রতিদিন এই ১০ মিনিট সময় ব্যায়ামের জন্য ব্যয় করা একসময় অভ্যাসে পরিণত হবে। আর সেটাই হল ১০ মিনিট ব্যায়াম করার সবচাইতে উপকারী দিক। একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা।”

তার কথায়, “সারাজীবনের প্রতিটি দিনের এই ১০ মিনিটের বিনিয়োগ শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রশান্তি দেবে, দীর্ঘায়ু দেবে, সুস্বাস্থ্য দেবে। আর এসব যদি বিশ্বাস নাই হয়, তবে তাদেরকে বলতে চাই, আপনার তো হারানো কিছু নেই। মাত্র ১০ মিনিটিই তো। একটু ভালোলাগাই না হয় পেলেন। ক্ষতি তো নেই।”

শারীরিক সম্পর্কে কমবে ওজন!

অনলাইন ডেস্ক,১৯ ডিসেম্বর ২০২১
ওজন কমাতে অনেকে নানা কৌশলের আশ্রয় নেন। কেউ জিমে যান, খাওয়া কমান, কেউবা বাড়িতেই শরীরচর্চা করেন, অথচ তার পরেও কমতে চায় না ওজন।
আরো পড়ুনঃ মাহির নতুন পোস্ট ঘিরে নানা প্রশ্ন

অনেকে তো আবার হতাশ হয়েও পড়েন। কিন্তু এগুলো ছাড়াও ওজন কমানোর একটি সহজ উপায় রয়েছে। আর তা হলো ‘শারীরিক সম্পর্ক’। আপনি যদি প্রিয়জনকে একটি দীর্ঘ চুমু খান সেক্ষেত্রেও কমতে পারে ওজন।

কীভাবে?

লস অ্যাঞ্জেলেসের একজন সেক্সোলজিস্টের মতে, চুম্বন যদি খুব বেশি দীর্ঘ হয় এবং তাতে যদি গভীরতা থাকে এবং দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস চলে সেক্ষেত্রে ৯০ ক্যালোরি ওজন কমতে পারে। শুধু তাই নয়, দুজন মানুষ যদি পরস্পরকে ৩০ মিনিট ধরে চুমু খান, সেক্ষেত্রেও ঝরতে পারে ৬৮ ক্যালোরি।

এটা গেল প্রিয় মানুষকে চুম্বনের হিসাব। তবে শুধু চুম্বন নয়, দেহের অতিরিক্ত ওজন ঝরাতে সহায়ক হতে পারে ‘শারীরিক সম্পর্ক’।

ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক যদি খুব রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে, তা হলে আপনার অজান্তেই ২৩০ ক্যালোরি ওজন ঝরিয়ে ফেলছেন আপনি।

এতে মানসিক পরিতৃপ্তিও হলো, সেই সঙ্গে বাড়তি মেদ ঝরে গিয়ে আপনাকে করে তুলল ঝরঝরে

হাঁচি বন্ধ করার ঘরোয়া ৩ উপায়

শীত এলেই সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। কারও আবার ঠান্ডায় অ্যালার্জি থাকে। সে কারণে হঠাৎ হঠাৎ হাঁচি-কাশি শুরু হয়ে যায়। যেহেতু শীতের সময়ে বায়ুদূষণ বেড়ে যায়, নাকে ধুলোও যায় বেশি। তাই এই সময়ে হাঁচি-কাশির ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা জরুরি।

এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের এক বার হাঁচি শুরু হলে আর থামতে চায় না। এমন সময়ে কী যে করতে হবে, বোঝাও যায় না। তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে এই হাঁচিও থামাতে পারেন।

কী ভাবে হাঁচি থামানো যেতে পারে?

১) হাঁচি থামানোর ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগে মধু। প্রচণ্ড হাঁচির মধ্যেও এক চামচ মধু গলায় গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা থেমে যাবে।

২) ইউক্যালিপ্টাস তেলের গন্ধ নাকে গেলে হাঁচি থেমে যেতে পারে। হাঁচি হওয়ার প্রবণতা থাকলে রুমালে ২-৩ ফোঁটা ইউক্যালিপ্টাস তেল দিয়ে দিন। তা কিছু ক্ষণ নাকের সামনে ধরে রাখুন। হাঁচি থেমে যাবে।

৩) একটানা হাঁচি হলে জিভ দিয়ে টাকরায় টোকাও দেওয়া যেতে পারে। মুহূর্তের মধ্যে হাঁচি থেমে যাবে।সূত্র-আনন্দবাজার।

অতিরিক্ত ঘুম কি স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক,২৯ অক্টোবর ২০২১ঃ
সময় পেলেই যাদের একটু ঘুমিয়ে নেওয়ার অভ্যাস বা যারা দীর্ঘক্ষণ ঘুমাতে পছন্দ করেন, তাদেরকে এখনই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্যবিদরা। তারা বলছেন, বেশি ঘুম ডেকে আনতে পারে ঘোর বিপদ। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম নানা রকম শারীরিক জটিলতা তৈরির প্রধান কারণ হতে পারে। যা গড়াতে পারে স্ট্রোক পর্যন্ত।

আরো খবরঃ ডায়াবেটিকসকে নির্মূল করতে যা করবেন

যে কোনো প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন আট থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে হজমশক্তি, স্মৃতিশক্তি, হৃদ্‌যন্ত্র, এবং আরও নানা শারীরিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। শরীরের ক্লান্তি দূর করার জন্য এবং পর দিনের কাজের শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে এই ঘুমই। কিন্তু দিনে ৯ ঘণ্টার বেশি যারা ঘুমান, গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে।

মস্তিষ্কে যখন রক্ত চলাচল কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়, বা কমে যায়, তখনই স্ট্রোক হয়ে থাকে। অনেক সময়ে তার বাইরে কোনো রকম উপসর্গ টেরও পাওয়া যায় না। বেশি ঘুমের সঙ্গে স্ট্রোক হওয়ার সরাসরি কী রকম যোগ রয়েছে, তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়নি এই গবেষণাগুলোতে। তবে দেখা গেছে, যারা বেশি ঘুমান, তাদের শরীরে কোলেস্ট্রেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া বা স্থূলতার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকি, মানসিক অবসাদও বেশি ঘুমের কারণে হতে পারে। এসব রোগই স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

ডেঙ্গু হলে প্লাটিলেট বাড়াবে কিউই

অনলাইন ডেস্ক ॥ মশা বাহিত ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে এখন আর নতুন করে বলার কিছুই নেই। এখন সময় সচেতনতার ও ডেঙ্গু প্রতিরোধের। ডেঙ্গু হলে শরীরে রক্তের প্লাটিলেটের মাত্রা কমে যায়।

যা কিনা মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের তেমন কোনো ওষুধ নেই বাজারে। তাই পেঁপে পাতার রসের ওপর ভরসা করছি আমরা। তবে পেঁপে পাতার রস অনেকেই খেতে চায় না, টেস্ট না থাকার জন্য। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা।

জানেন কি পেঁপে পাতার রসের মতোই প্লাটিলেটের মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে কিউই ফল। চিকিৎসার পাশাপাশি দিনে অন্তত দু’টি কিউই খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলে কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ, ফোলেটসহ আরও অনেক উপাদান রয়েছে যা মানবদেহের পুষ্টি জোগায় ও রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

যারা অ্যানেমিয়া (রক্তসল্পতা) বা ভিটামিন বি এর ঘাটতি অথবা অন্য ভাইরাস ইনফেকশনে ভুগছেন তাদের জন্যও কিউই ফল উপকারী।
এছাড়াও

• কিউই ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে
কিউই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

• কিউইতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে

• কিউইতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও হার্ট সুস্থ রাখে।

এছাড়া একটি ছোট কিউই ফল ও ২ চামচ বাটা কাজু বাদাম মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হবে। কিউইতে রয়েছে সেরোটনিন ও ভিটামিন সি আর কাজুবাদামে আছে ট্রিপটোফেন।

বাজার করার সময় অন্য ফলের সঙ্গে তালিকায় এটিও যোগ করুন, নিয়মিত কিউই ফল খান। বড় বড় কাঁচাবাজার এবং সুপার শপগুলোতে খুঁজলেই অনায়াসে পাওয়া যায় চমৎকার টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি।

কয়েক মাসেই জিরো ফিগার

ভূমি পেডনেকরের ওয়েট লস নজর কেড়েছে সকলের। চার মাসেই কোন উপায়ে এতটা ওজন ঝরালেন তিনি? নিজেই শেয়ার করলেন পাঁচ টিপস।
ওয়ার্ক আউট.. ওয়ার্ক আউট.. and ওয়ার্ক আউট
৪ মাসে প্রায় ২১ কেজি ওজন ঝরিয়েছেন ভূমি। এই ওয়েট লসের জার্নিতে এতটুকু বিশ্রাম নেননি ভূমি। সদা ভরসা রেখেছেন কেবল ওয়ার্ক আউটের উপরেই। ফ্যানদেরকেও তাই অবিরত কার্ডিয়ো ও ওয়েট ট্রেনিংয়েই জোরদিতে বলছেন অভিনেত্রী।
ঘি-মাখনেই কেল্লাফতে
ক্র্যাশ ডায়েট তো দূর বরং বেশি করে ঘি, মাখন, দুধ ডায়েটে রেখেছিলেন ভূমি। ওজন ঝরানোর দিনগুলিতে এগুলোই বেশি করে খেয়েছেন বলে জানান ভূমি।

shikkha_bhumi
মায়ের হাতের রান্নায় ভরসা
শুধু ঘি-মাখনই নয়, ভরসা ফেরাতে হবে ঘরের খাবারেও। ভূমির সাজেশন যতটা সম্ভব বাইরের খাবার এড়িয়ে চলা। নিজেও ভরসা রেখেছেন মায়ের হাতে তৈরি ঘরের খাবারেই। একইসঙ্গে প্রচুর সবুজ শাকসবজি খেতেও বলছেন অভিনেত্রী।
চিনিকে দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে
শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে চিনি। ভূমি বলেছেন, চিনিকে একদম দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে। মিষ্টি যদি লাগেই তবে স্টেভিয়া, মিছরি, খেঁজুরের রস ইত্যাদি খেতে হবে।
দেহের টক্সিন দূর করতে অ্যালোভেরা জুস, শসার উপর নিয়মিত ভরসা রেখেছেন ভূমি। টানা পাঁচদিন ওয়ার্ক আউটের পর যাই ইচ্ছে হত তাই-ই খেতে বলছেন তিনি। এই পাঁচটি নিয়ম মেনে চললে কয়েক মাসেই হাতেনাতে জিরো ফিগার পাবেন আপনিও।

বুকে ব্যথা নিয়ে আবারও হাসপাতালে সৌরভ

ডেস্ক,২৭ জানুয়ারী:
আবারও বুকের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ও দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। এ নিয়ে চলতি মাসে দ্বিতীয়বার বুকের ব্যথায় হাসপাতালে যেতে হলো তাকে।

আজ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে তিনি বুকে ব্যথার কথা বললে পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সৌরভের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য জানায়নি।

এর আগে চলতি মাসের ২ জানুয়ারি সকালে জিমনেসিয়ামে গিয়ে ব্যায়াম করার সময় সৌরভ গাঙ্গুলি জানান, তার বুকে ব্যথা করছে। হার্ট অ্যাটাকের কথা বুঝতে পেরে এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর দেখা গেছে, সৌরভের হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী তিনটি ধমনীতে ‘ব্লক’ রয়েছে। ফলে শনিবার রাতেই এনজিওপ্লাস্টি করা হয়েছিল, বসানো হয়েছিল একটি স্টেন্ট।

হাসপাতালে ছয়দিন ভর্তি থেকে গত ৭ জানুয়ারি সকালে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন সৌরভ। ২০ দিনের মাথায় আবারও বুকের ব্যথা ওঠায় ফের হাসপাতালমুখী হতে হলো তাকে।

চুল পড়ার জন্য দায়ী যেসব খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ সেপ্টেম্বর:
যেসব সমস্যা আমাদের জন্য ভীষণ কমন, তার একটি হলো চুল পড়া। এই সমস্যায় ভুগছেন না বা কখনো ভোগেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। চুল আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশ করে। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। এই চুল পড়া নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আবার নানারকম পদ্ধতির প্রয়োগ করেও মেলে না সমাধান।

ধুলোবালি কিংবা আবহাওয়ার প্রভাব কিংবা জীবনযাপনের ধরন তো আছেই, সেইসঙ্গে চুল পড়া সমস্যার জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসও অনেকটা দায়ী। চুল যদি ভেতর থেকে পুষ্টি না পায় তবে বাইরে থেকে যতই যত্ন নেয়া হোক না কেন, সমাধান মিলবে না। সেজন্য নজর রাখতে হবে খাবারের তালিকায়ও। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, চুল পড়া বন্ধ করতে হলে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে।

মিষ্টি খাবার লোভনীয়, তাতে সন্দেহ নেই। তাই অতিরিক্ত চিনি বা রিফাইন্ড ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। ব্লাড সুগার বাড়লে অ্যান্ড্রোজিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে হেয়ার ফলিকল নষ্ট করে দেয়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও হাইডারোজেনেটেড অয়েল রয়েছে, চেষ্টা করুন সেসব এড়িয়ে চলার। এই তেল স্ক্যাল্পে জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে, যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। এর বদলে ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে এমন খাবার রাখুন তালিকায়। বেকড খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।

খাবার তালিকা থেকে অতিরিক্ত পারদযুক্ত মাছ বাদ দিন। ভেটকি বা টুনা জাতীয় মাছ বেশি খাবেন না। তার বদলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুল বাড়তে সাহায্য করে।

জিঙ্ক আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতিরিক্ত বিয়ার বা ওয়াইন পান করলে জিঙ্ক হজম করতে অসুবিধে হয়। বেশি পরিমাণ মদ্যপান সাধারণভাবেই চুলের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

কী খাবেন?
আমাদের চুলের জন্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ খুবই প্রয়োজনীয়। ডিম, মাংস, বিনস, মাশরুম, ড্রাই ফ্রুটস, সবুজ শাক সবজি যেমন পালং শাক ইত্যাদি আয়রন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য আয়রন এবং জিঙ্ক প্রয়োজনীয় দুটি খনিজ পদার্থ।

কমবে চুল পড়া, বাড়বে চুলের বৃদ্ধি

চুল ঝরে পড়ছে? ঘরোয়া যত্নে কমাতে পারেন চুল পড়া। নিয়মিত তেল ম্যাসাজের পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি প্যাক ব্যবহার করুন সপ্তাহে অন্তত একদিন।

হেয়ার প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে বাড়বে চুলের বৃদ্ধিও।

সপ্তাহে দুইবার অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন চুলে।

অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস সংগ্রহ করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে অপেক্ষা করুন।

বিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে।আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে তেল ম্যাসাজ করুন চুলে। এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে।

কী ভাবে রুখবেন এই ভাইরাস?

নিজস্ব প্রতিবেদন০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
করোনাভাইরাসের হানা আটকাতে হিমশিম খাচ্ছে চিন সরকার। কাঁটাতার ছাপিয়ে সে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া-ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে। ভারতেও ঢুকে পড়েছে করোনাভাইরাস। ভায়রোলজিস্ট ও চিকিৎসকদের মতে, এই ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক বা ওষুধ এখনও নেই। তাই তাকে রুখে দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোনও পথও নেই। মারণ এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে তাই সাবধানতাই একমাত্র অস্ত্র।

১০দিনে ৫ কেজি ওজন কমাবেন যেভাবে

ডেস্কঃ

শুধু ওজন কমানোই নয়, হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সবটাই এই ডায়েটের অন্যতম কাজ। কম সময়ে বেশি ওজন কমাতে চাইলে ভেরি লো ক্যালোরি ডায়েট বা ‘ভিএলসিডি’ এর জুড়ি নেই। পুষ্টিবিদ রোগীর অবস্থা বুঝে খুব হিসেবনিকেশ করে এমন ডায়েট চার্ট বানিয়ে থাকেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনও জল বা অন্য লো ক্যালোরি তরলে কেনা পাউডার মিশিয়েও বানানো যায়।

তবে বর্তমান সময়ে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে মাসে ১০ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। পাশাপাশি হোমিও মেডিসিন ফাইটোলস নিয়মিত সেবন  করতে  হবে ।

ওজন কমানোর প্রথম দিন

প্রথম দিনটি ওজন কমানোর জন্য সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। কেননা এই প্রথম দিনের উপর নির্ভর করবে আপনার বাকী দুই দিন। প্রথম দিনে আপনাকে যা খেতে হবে তা হলো ফল। মোটামুটি সব ফলই আপনি চাইলে খেতে পারেন তবে কলা খাওয়া একদম যাবে না।

যখনই ক্ষুধা লাগবে আপনি ফল খেয়ে নিন, তবে এক সঙ্গে অনেকগুলো ফল খাবেন না। বিশেষ ভাবে যেই ফলে পানির পরিমান বেশী সেই ফল খেতে পারেন, এতে আপনার ডায়েটটি বেশী সফল হবে।

এ ছাড়া ফলের পাশাপাশি কম পক্ষে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পেট খালি না রেখে ফল ও পানি বেশী করে খান।

ওজন কমাতে সবজির কোন বিকল্প নেই

প্রথম দিনের ডায়েটে আর যা খাবেন-

সকালের নাশতাঃ একটি ডিম এবং অর্ধেক বাটি সবজি। (সবজিতে যত কম তেল দেওয়া যায় ততই ভাল)

দুপুরের খাবারঃ শুধু মাএ একটি সেদ্ধ ডিম। শাক , সবজি, মাছ, সাথে আপেল সিডার ভিনেগার।

রাতের খাবারঃ একটি গাজর বা আধা কাপ শসা, এবং অল্পকিছু ফল।

ওজন কমানোর ২য় দিন

২য় দিন সবজিময়। তবে আলু খাওয়া চলবে না। এ ছাড়া অল্প কিছু ফল খেতে পারেন। যেসকল সবজি কাঁচা খাওয়া যায় তা বেশী করে খেতে পারেন। যেমন গাজর, শসা ইত্যাদি। তবে সবজি রান্না করে খেতে চাইলে যত কম তেল ব্যবহার করবেন ততই ভাল।  ১ম দিনের মত ২য় দিনেও কম পক্ষে ১০ গ্লাস পানি খেতে হবে।

২য় দিনের ডায়েটে আর যা খাবেন-

সকালের নাশতাঃ একটি ছোট আপেল এবং আধা বাটি শসা।

দুপুরের খাবারঃ একটি সেদ্ধ ডিম এবং শাকসবজি, মাছ ও মাংশ।

রাতের খাবারঃ এক টুকরা মাছ এবং পরিমাণমতো সবজি (শসা+গাজর)

ডাঃএস কে দাস

ডিএইচএমএস (ঢাকা)

chamber: chuadanga

জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



দাত ঝকঝকে করতে যা করবেন

দাত-শিক্ষাবার্তা
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে

তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি।



-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

ব্যবহার বিধি

এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

ঠান্ডা-সর্দি দূরে রাখার ৫ উপায়

আবহাওয়া বদলের বিষয়টি নিশ্চয়ই টের পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ঠান্ডা ও সর্দির প্রকোপ বেড়ে যায়। ঠান্ডা লাগা ও সর্দি থেকে দূরে থাকতে আগে থেকেই সাবধান থাকতে হবে। অনেকের ধারণা, বেশিক্ষণ ঠান্ডায় থাকলে বা পানিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগে, সর্দি হয়। যদিও এসব রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস, তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম আছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা আমাদের শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুসখুস ভাব দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি আসে। ক্রমান্বয়ে মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। হালকা জ্বর ও শুকনা কাশিও হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫টি নিয়ম মানলে সর্দি-কাশি আপনার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না। জেনে নিন উপায়গুলো:

প্রচুর ভিটামিন ডি
গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ভিটামিন ডির অভাব হয়, তাদের সর্দি-কাশিতে কাবু করে বেশি। শরীরে ভিটামিন ডি থাকলে তা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। অনেক সময় শুধু খাবার থেকে যথেষ্ট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত। এর বাইরে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকা লাগতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে সপ্তাহে দুই দিন কেউ যদি অন্তত ৫ থেকে ৩০ মিনিট সূর্যালোক গায়ে মাখে, তবে তা যথেষ্ট।

হাত পরিষ্কার রাখুন
আপনি অনেক সময় মুখে হাত দেন। ২০১৬ সালে করা এক গবেষণায় দেখা যায়, একজন ব্যক্তি প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১৬ বার মুখে হাত দেন। মুখে হাত দেওয়ার পাশাপাশি হাতে অনেক জিনিস ধরা হয়। এতে হাত থেকে মুখে সহজেই ভাইরাস যেতে পারে। সেখান থেকে মুখে বা শরীরে ভাইরাস যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। তাই পরিষ্কার করে হাত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান ব্যবহার করে নিয়মিত হাত ধুয়ে নেবেন। তাহলে ঠান্ডা লাগা কমবে।

ফোন পরিষ্কার রাখুন
এখন প্রায় সবার হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে গেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন, আপনার ফোন কোথায় কোথায় রাখেন। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা যায়, টয়লেট সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে মোবাইল ফোনে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, স্মার্টফোনের পর্দায় থাকা এসব জীবাণু ত্বকের রোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এসব জীবাণু থেকে সর্দি-কাশি হতে পারে। তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

জিংক গ্রহণ করুন
শরীরে জিংকের ঘাটতি হলে ভাইরাসের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। তাই শরীরে জিংকের ঘাটতি হতে দেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে জিংক ট্যাব খেতে পারেন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ মো. শরিফুল ইসলামের ভাষ্য, আমাদের শরীরে তিন শর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়। গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে। সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজা, আটা-ময়দার রুটি, দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন ও ঝিনুকে জিংক পাওয়া যায়।

দই খান
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দরকারি কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রয়োজন। ২০১৪ সালে ‘জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন ইন স্পোর্টস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, যেসব রাগবি খেলোয়াড় সম্পূরক খাবার হিসেবে প্রোবায়োটিক গ্রহণ করেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় কম সর্দি–কাশি ও পেটের সমস্যায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে দই দারুণ কার্যকর। প্রোবায়োটিকস গ্রহণকারীদের সর্দি-কাশি খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে না বলেই গবেষণায় দেখা গেছে।

নিয়মিত না হাঁটলে বয়স্ক নারীদের যে রোগ হয়

ডেস্ক: বয়স বাড়লে অনেক নারীই আছেন সংসারের হাল ছেড়ে দেন। ফলে তাঁদের দৈনন্দিন শারীরিক ক্রিয়া হঠাৎই অনেকটা কমে যায়।চিকিৎসকরা বলছেন, এর ফলে নানা রোগ দেখা দিতে পারে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সকালে বা বিকেলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস রাখা।

দীর্ঘকাল সংসারের চাপ সামলাতে হয় নারীদের। আবার যাঁরা চাকরিজীবী, তাঁদের ঘরে বাইরে দুই জায়গাতেই দায়িত্ব সামলাতে হয়। তাই অনেক সময়ই দেখা যায়, একটা বয়সের পর নারীরা আর সংসারের কাজকর্মের ভার সামলাতে পারেন না। আর বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে জিমে যাওয়া বা খেলাধূলার মতো শারীরিক ক্রিয়ার সুযোগও অনেক কম থাকে।

তাই নানা রোগ অচিরেই বাসা বাঁধে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক পরিণতিও হতে পারে। কারণ, হৃদযন্ত্র যত রক্ত বেশি পরিমাণে রক্ত পাম্প করতে পারবে, ততই তা ভালো থাকবে। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের মধ্যে সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে হাঁটার অভ্যাস রাখতেই হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মেনোপজ়ের পর যেসব নারীরা একটানা অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস রেখেছেন, তাঁদের হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সম্ভাবনা ২১-২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। আবার যাঁরা দ্রুত হাঁটেন, এমন নারীদের মধ্যে সেই সম্ভাবনা ২৬-৩৮ শতাংশ কমে গেছে।

অনেকেরই ধারণা, শুধু হাঁটায় শরীরের কোনও উপকার হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ধারণা একেবারেই ভুল। বরং তাঁরা বলছেন, হার্ট ভালো রাখতে যে যে এক্সারসাইজ়গুলি করতে বলা হয়, তার প্রায় সবকটিরই সমান কাজ করে হাঁটা। তাই বয়স ৫০ পেরোলেই নিয়ম করে হাঁটা অভ্যাস করুন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter