Home » মাধ্যমিক

মাধ্যমিক

প্রতিটি মাদ্রাসা ভবনে থাকতে হবে সাইনবোর্ড

ডেস্ক,১৭ মে ২০২২ঃ দেশের অধিকাংশ মাদ্রাসা ভবনে নাম-ঠিকানা সম্বলিত কোনো সাইনবোর্ড নেই। এছাড়াও রাস্তার পাশে ও দৃশ্যমান স্থানে দিক-নির্দেশক চিহ্ন না থাকায় মাদ্রাসাগুলোর অবস্থান বা পরিদর্শনে সমস্যা হয়। যে কারণে এসব মাদ্রাসায় নাম ঠিকানাসহ সাইনবোর্ড স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

আরো খবরঃ পদোন্নতি পাচ্ছেন মাধ্যমিকের ২৩৪ শিক্ষক

মঙ্গলবার প্রকাশিত মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে. এম. রুহুল আমীন এই নির্দেশনায় সই করেন।

এতে বলা হয়, মাদ্রাসাগুলো পরিদর্শন অথবাা দাপ্তরিক প্রয়োজনে সঠিক অবস্থান করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিক-নির্দেশক বা সাইনবোর্ড দৃশ্যমান স্থানে থাকলেও অধিকাংশ মাদ্রাসায় তা দেখা যায় না। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে সরকারি নির্দেশনাও রয়েছে।

একারণে দেশের সকল কামিল/কাজিল/আলিম/দাখিল/এবতেদায়ী মাদ্রাসার মূলভবন ও প্রবেশপথে নাম ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড এবং বড় রাস্তার পাশে কিংবা দৃশ্যমান স্থানে দিক-নির্দেশক চিহ্নসহ মাদ্রাসার নাম ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড (বাংলায়) স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পদোন্নতি পাচ্ছেন মাধ্যমিকের ২৩৪ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ মে ২০২২: সরকারি মাধ্যমিকের ২৩৪ জন শিক্ষককে পদোন্নতি দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক থেকেও প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র শিক্ষাবার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পদোন্নতিযোগ্য ৪২৩ জন শিক্ষকের তথ্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। তবে অনেকের চাকরি জীবনে সমস্যা ও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদনে (এসিআর) সমস্যা থাকায় ডিপিসি সভায় অনেকেই পদোন্নতিযোগ্য হতে পারেননি। সর্বশেষ সভায় ২৩৪ জনের পদোন্নতি দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষকদের পদোন্নতির ফাইলটি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি ফাইলে স্বাক্ষর করলেই জিও জারি করা হবে। তবে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় ফাইলটি এখনো সই করা হয়নি।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিদেশ থেকেও শিক্ষামন্ত্রীর ফাইলে সই করার সুযোগ রয়েছে। কারণ ফাইলটি অনলাইনেই সাবমিট করা হয়েছে। বিদেশে তিনি ব্যস্ত থাকতে পারেন যেকারণে ফাইলটি তার নজরে আসেনি। আজ (মঙ্গলবার) সাইন করলে কালই জিও জারি করা হবে।

সারাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে সরকারি বিদ্যালয় আছে ৩৫১টি। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক দিয়েই গোজামিলে চলছে কাজ। সম্প্রতি এই অচলাবস্থা দূর করতেই বিশেষ এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আগে সরকার ফিডারপদ পূর্ণ না হওয়ায় এ পদে পদোন্নতি দেয়া যায়নি।

নিয়ম অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হতে হলে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পাঁচ বছর কর্মরত থাকার বিধান ছিল। সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে এমন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন না থাকায় পদোন্নতি দেয়াও সম্ভব হচ্ছিলো না। কিন্ত ৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতার যে নিয়ম ছিলো তা প্রমার্জন করে পদোন্নতি দিতে চলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন সরকারি মাধ্যমিক চলছিলো ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকদের উপর ভর করে। এছাড়াও জেলা পর্যায়ে ছিলো না জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। আশা করা হচ্ছে সামনে নতুন শিক্ষকদের যোগদান ও এই পদোন্নতি সম্পন্ন হলে সরকারি মাধ্যমিকে গতি ফিরবে।

এ দিকে পদোন্নতিযোগ্য হওয়ার পরও অকারণেই অনেকেই পদোন্নতি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের একজন তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাহিদ সুলতানা। সর্বশেষ ডিপিসি সভায় তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তার এসিআর খারাপ।

নাহিদ সুলতানা জানান, আমার বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করে মাউশি। শিক্ষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ তদন্ত করা হয়। এ তদন্তের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও সম্পূর্ণ আক্রোশের বশবর্তী হয়ে প্রধান শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানা আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এসিআর খারাপ দেন। বিষয়টি আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাউশি মহাপরিচালক ও মাউশি উপ-পরিচালককে সাক্ষাৎ করে জানিয়েছি। এরপরও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এই সহকারী প্রধান শিক্ষক আক্ষেপ করে বলেন, আমার চাকরি জীবন শেষের দিকে। হয়তো প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ছাড়াই আমাকে অবসরে যেতে হবে।

জানতে চাইলে মাউশির উপ-পরিচালক আজিজ উদ্দিন  বলেন, কোনো শিক্ষক যদি তার অধিস্থন শিক্ষকের এসিআর খারাপ দেন সেক্ষেত্রে আরেকটি সুযোগ থাকে। সেটি হলো ওই এসিআরে যিনি প্রতিস্বাক্ষর করেছেন। আমার জানা মতে তার তিন বছরের এসিআরে দুজন ডিডির প্রতিস্বাক্ষর রয়েছে। কিন্তু তারাও তৎকালীন প্রধান শিক্ষকের এসিআরের বিষয়ে বিরুপ কোনো মন্তব্য করেননি। যেকারণে তাকে পদোন্নতি দেয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, সর্বশেষ বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির বৈঠকের পর ৩০ ডিসেম্বর পদোন্নতি ঘোষণার কথা ছিলো। এর আগেই কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে অনেক শিক্ষকের বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) হারিয়ে যায়। ফলে সর্বশেষ পদোন্নতি কমিটির যে বৈঠক ছিল তা স্থগিত করা হয়। কারণ হিসেবে জানা যায়, জানুয়ারি মাসেই অন্তত ৩০-৬০ জন শিক্ষক অবসরে যাবেন। যেকারণে নির্দিষ্ট সময়ে পদোন্নতির ঘোষণা না হওয়ায় পেছনের সিরিয়ালের একাধিক শিক্ষক পদোন্নতির সুযোগ পাবেন।

২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

ডেস্ক,১৩ মে ২০২২:
মহামারীর খাঁড়া কাটিয়ে আগামী বছর স্বাভাবিক সময়ের মতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের এই দুই পাবলিক পরীক্ষা ২০২২ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

এসএসসিতে আইসিটি পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর থাকবে ৫০।অন্যান্য প্রতিটি বিষয়ে ৩ ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

এইচএসসি পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে চার মাস পিছিয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা ১৯ জুন থেকে এবং এইচএসসি পরীক্ষা ২২ অগাস্ট থেকে শুরুর কথা রয়েছে।
এ বছর এসএসসিতে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞানের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এ বিষয়গুলোর নম্বর সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

এইচএসসিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা না নিয়ে তা সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে।

এসএসসি ও এইচএসসিতে এবার ২ ঘণ্টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃত্তি পেতে তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৩ মে ২০২২:

রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির অর্থ এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়ানো হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৯ মে পর্যন্ত সফটওয়্যারে বৃত্তির তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন করা যাবে।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (এক্সেস অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স ইউনিট) মো. নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

অফিস আদেশে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মতে ২০১৯-২০ অর্থবছর হতে রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির অর্থ জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৈশ্বিক অতিমারির কারণে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তথ্য এমআইএসে যথাসময়ে এন্ট্রি না করায়/এন্ট্রিকৃত তথ্যের মধ্যে বিভিন্ন ভুল (শিক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, পরীক্ষার নাম ও সাল, বৃত্তির ধরণ, ব্যাংক ও শাখার নাম, হিসাবে ও রাউটিং নম্বর ইত্যাদি) থাকায় ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবছরের সব শিক্ষার্থীর বৃত্তির টাকা তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

আরও বলা হয়, ২০১৯-২০, ২০২০-২১ এবং ২১-২২ অর্থবছরের বিভিন্ন শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত যে সব শিক্ষার্থীর তথ্য এমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি প্রদান করা হয়নি কিংবা ভূল তথ্য এন্ট্রির কারণে ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হয়নি তাদের তথ্য আগামী ১৯ মের মধ্যে সফটওয়্যারে এন্ট্রি/ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো।

তথ্য এন্ট্রিতে যেসব নির্দেশ মানতে হবে

১. বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী নিয়মিত অধ্যয়নরত রয়েছে নিশ্চিত হয়ে তথ্য এন্ট্রি করা;

২. বাংলাদেশের অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত যে কোন ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে। ১৮ বছরের কম শিক্ষার্থীদের পিতা/মাতার সাথে যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব/স্কুল

ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে;

৩. যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব/স্কুল ব্যাংক হিসাব খোলা হলে MIS-এ তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নামের স্থালে উভয়ের নাম এন্ট্রি করতে হবে;

৪. শিক্ষার্থীর নামীয় ব্যাংক হিসাৰ নম্বর ব্যতীত পিতা/মাতা/অন্য কারও ব্যাংক হিসাব নম্বর প্রদান করা যাবে না;

৫. শিক্ষার্থীর নাম ও অনলাইন ব্যাংক হিসাবের নাম অভিন্ন হতে হবে;

৬. অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর অবশ্যই ১৩-১৭ ডিজিটের মধ্যে হতে হবে এবং সঠিক ও নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে;

৭. বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর পরীক্ষার নাম ও সন, পরীক্ষার আইডি/রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এবং প্রাপ্ত সিজিপিএ সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে;

৮. বৃত্তির ক্যাটাগরি (মেধা/সাধারণ) সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে;

৯. ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, রাউটিং নম্বর এবং শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে;

১০. ব্যাংক হিসাবটি বর্তমানে অবশ্যই সচল থাকতে হবে;

১১. বিকাশ, শিউর ক্যাশ, নগদসহ এ ধরণের কোন এজেন্ট ব্যাংকের হিসাব নম্বর প্রদান না করা;
১২. শিক্ষার্থীদের তথ্য MIS Software-এ যথাযথভাবে এন্ট্রি হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য দুই জন শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।

১৩। তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান/দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

অষ্টম শ্রেণিতে ‘অতিরিক্ত ফি’ আদায়ের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১১ মে ২০২২ঃ অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত আদায় করলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বুধবার সাভারের আশুলিয়ায় ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইডিপি) রিভিউ সংক্রান্ত কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার নির্ধারিত যে ফি রয়েছে সেই ফি-এর বাইরে কেউ যদি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে, সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য-প্রমাণসহ আমাদের কাছে কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমরা সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

তিনি বলেন, অনলাইনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমাদের সব শিক্ষার্থী শেখার সুযোগ পায়নি। আবার যারা সুযোগ পেয়েছে, তাদেরও কিছু ঘাটতি রয়েই গেছে। সে ঘাটতি পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একইসঙ্গে সর্বস্তরে শিক্ষার মান অর্জনের জন্য কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের যতগুলো সংস্থা আছে, সবগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্ব মানের শিক্ষায় শিক্ষিত হোক। বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠুক।

এসময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন তোলা যাবে ঈদের পর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৬ এপ্রিল, ২০২২ :
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল (২০২২) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার এ চেক ছাড় হলেও এখনই টাকা তুলতে পারবেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা। ঈদের পর আগামী ৫ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত বেতনের টাকা তুলতে পারবেন তারা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ স্কুল-মাদরাসায় ৪৭১ ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদে নিয়োগের সুপারিশ

অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিলের এমপিওর আটটি চেক অনুদানবণ্টনকারী ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৫ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত বেতনভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ওয়েবসাইট (emis.gov.bd) থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের এমপিওর শিট ডাউনলোড করতে পারবেন।

শিক্ষকের মেয়ে হিসেবে আমি গর্বিত: দীপু মনি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৫ এপ্রিল ২০২২
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশকে আমরা যেখানে নিয়ে যেতে চাই তার জন্য প্রয়োজন শিক্ষা। আর এই কর্মযজ্ঞে প্রধান সহযোগী শিক্ষকরাই। আমি নিজেও একজন শিক্ষকের মেয়ে। যার জন্য আমি গর্বিত।

সোমবার ঢাকা কলেজের বিসিএস সাধারন সমিতি কর্তৃক আয়োজিত ইফতার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদ বলেন, আমাদের অনেক সমস্যা। অল্প কদিনের ডিজির অভিজ্ঞতায় দেখেছি। আমাদের অনেক অপ্রাপ্তি আছে। আমরা যে মিনিস্ট্রিতে যায়, আমার সরাসরি ছাত্র সেখানকার যুগ্ম সচিব। অথচ ডিজির গ্রেড ৩।

আরো পড়ুনঃ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এপ্রিল মাসের বেতন ছাড়

এর প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রথম গ্রেডে যাওয়ার সিড়ি নেই। ২য় গ্রেডের অল্প পদ দেয়া হয়েছে। তাও অনেক দূরে। আমরা চেষ্টা করছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যুক্তিনির্ভর মানুষ। তার কাছে দাবি তুলে ধরা হলে অবশ্যই তিনি ব্যবস্থা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে মাউশি ডিজি বলেন, আমাদের হেড মাস্টারদের গ্রেড ৩। আমাদের ডিজিরও গ্রেড ৩। অথচ ডিজির পদটা ১ নম্বর। আমাদের মগডাল দেখানো হলেও সিড়িটি রাখা হয়নি। অবশ্য শিক্ষামন্ত্রীর হাত ধরে সমস্যা সমাধানের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিসিএস সাধারন শিক্ষা সমিতির সভাপতি প্রফেসর শাহেদুল খবির। বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামাল হোসেনসহ প্রমুখ।

শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
বৈশাখী ভাতার চেক ছাড় করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। আজ বুধবার সকালে চেক ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে বলে অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষা বার্তাকে জানিয়েছে। ১৮ এপ্রিল টাকা তুলতে পারবেন। এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা পান।

স্মারক নং-৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০২০/৩০৯৩/৪, তারিখ: ১২/০৪/২০২২

২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ বা ১৪২৬ বঙ্গাব্দ থেকে বৈশাখী ভাতা পাওয়া শুরু করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তার আগের বছর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৮ নভেম্বর বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা ও ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে অনুযায়ী এবারও এমপিওভুক্ত সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মূল বেতনের ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা পাবেন।

অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ড নিয়ে বিপাকে ৩০ হাজার শিক্ষক কর্মচারী

ডেস্ক,১৩ এপ্রির ২০২২ঃ কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা পাওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অবসরে যাওয়া ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মচারী। যদিও ফান্ডে নতুন করে বড় অংকের টাকা জমা হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে কিন্তু কমিটি না থাকায় এই টাকা পাওয়া নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। গত ৯ এপ্রিল এ দুই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। ফলে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার টাকার অপেক্ষায় থাকা ৩০ হাজারের বেশি প্রবীণ শিক্ষক-কর্মচারী পড়েছেন চরম বিপাকে। কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডে প্রায় ২০০ কোটি টাকা থাকলেও লোকবলের অভাবে আবেদনকারীদের টাকা দিতে পারেনি। অন্যদিকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবসর ভাতার জন্য হাজার কোটি টাকা অনুদানের সম্মতি দিলেও কমিটি না থাকায় এসব শিক্ষকের পাওনা অর্থ প্রাপ্তির সময় সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না।

সূত্র আরো জানায়, এ দুই প্রতিষ্ঠানের অর্থাভাব ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা ঠিকমতো পাওয়া হয় না। অবসরের পর কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বোর্ডের টাকা পেতে সময় লেগে যায় তিন থেকে চার বছর। এ সময়ে অনেকের মৃত্যু হয়, কেউবা চিকিৎসার অর্থ যোগাড় করতে না পেরে মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকটে পতিত হন।

প্রসঙ্গত, অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের সুবিধা দিতে ২০০২ সালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড গঠন করা হয়। আর ১৯৯০ সালে কল্যাণ ট্রাস্ট। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর; মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা দেয়ার কাজ এই দুই প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত।

গত ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল তিন বছরের জন্য বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তখন কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব করা হয় কারিগরি শিক্ষক নেতা মো. শাহজাহান আলম সাজুকে। অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য সচিব করা হয় শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদীকে। শাহজাহান আলম সাজু চতুর্থবারের মত ও শরীফ আহমদ সাদী দ্বিতীয়বারের মত এ দুই পরিচালনা কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। নতুন কমিটি করার কথা থাকলেও কমিটির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য দুই প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিজেরাই। যদিও তা এখনও চূড়ান্তভাবে সরকারের অনুমোদন পায়নি।

জানা গেছে, পদাধিকারবলে এই দুই কমিটির প্রধান থাকেন শিক্ষাসচিব ও দ্বিতীয় প্রধান থাকেন বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্য থেকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। কমিটির অন্য সদস্যরাও বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদাসার শিক্ষক ও কর্মচারী।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বলছেন, এমনিতেই প্রতিষ্ঠান দুটিতে অর্থ সংকটের কারণে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় অবসর ও কল্যাণ ভাতা পেতে। তার ওপর দায়িত্বশীল প্রধান কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকলে আরও বেশি ভোগান্তি হবে। আমরা শুনেছি, প্রধানমন্ত্রীর অফিস এক হাজার কোটি টাকা অনুদান দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। কিন্তু কমিটি গঠন না হওয়ায় সেই টাকা কবে হাতে আসবে জানি না। আমরা চাই আমাদের টাকা দ্রুত দেয়া হোক।

সূত্র বলছে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ত্রিশ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর অবসর সুবিধার টাকার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে। এসব শিক্ষকের টাকা দিতে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। আর কল্যাণট্রাস্টের আবেদন জমা রয়েছে ১৯ হাজারের মতো।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতার টাকা দিতে শিক্ষামন্ত্রী চলতি বছরের শুরুতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কাছে ১ হাজার কোটি টাকা অনুদান ও জাতীয় বাজেটে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দসহ মোট ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন। অপরদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের সদ্য বিদায়ী সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক হাজার কোটি টাকা অনুদান চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সে আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গত ২৮ মার্চ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ টাকা ছাড়ের ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দেয়। কিন্তু অবসর সুবিধা বোর্ডের কমিটির মেয়াদ না থাকায় অনুদান পেলেও শিক্ষকরা কবে টাকা পাবেন তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী বলেন, প্রায় ৩০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তি বাকি। টাকা না থাকায় তাদের আবেদন নিষ্পত্তি করা যাচ্ছিলো না। এখন টাকার ব্যবস্থা হচ্ছে। কিন্তু বোর্ডের মেয়াদ নেই। আশা করি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে বোর্ড গঠন করবে।

উপবৃত্তি: শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ এপ্রিল ২০২২ঃ

সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২২ খ্রিস্টাব্দে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ও ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত উপবৃত্তি যোগ্য শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। এর আগে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে বিষয়টি জানিয়ে সব উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে নির্দেশনাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ২০২২ সালের ৬ষ্ঠ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তথ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এইচএসপি এমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি এবং উপজেলায় প্রেরণের সময়সীমা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। বিশেষ বিবেচনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে এইচএসপি এমআইএস সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং উপজেলায় প্রেরণ করার সময়সীমা আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

এতে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল রাত ১২টায় তথ্য এন্ট্রির অপশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। উপজেলায় প্রেরিত তথ্যাদি যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এইচএসপি বা পিএমইএটি তে পাঠানোর সময়সীমা ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো।

বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এইচএসপি এমআইএস সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করার পর উপজেলাতে পাঠাচ্ছে না উল্লেখ করে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সফটওয়্যারে প্রাথমিক নির্বাচন মেন্যু থেকে উপজেলা তালিকা জমাদান অপশন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে উপজেলাতে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার আওতাধীন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে উক্ত বিষয়টি অবহিতকরণসহ মনিটরিং করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে সৃষ্ট যেকোনো সমস্যার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি/পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা অন্য কোনো কারণে এইচএসপি এমআইএস সফটওয়্যারে লগ ইন করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে [email protected] ঠিকানায় ইমেইল আবেদন করা হলে ফিরতি ইমেইলে পাসওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

২০২২ সালের এসএসসির ফর্ম পূরণ শুরু বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১০ এপ্রিল ২০২২:

২০২২ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ আগামী বুধবার (১৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হবে। আর শিক্ষার্থীরা ফি জমা দিতে পারবেন ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

রোববার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬১৫ টাকা। ব্যাবসয়া শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৯৫ টাকা। শিক্ষার্থীদের তথ্য ও সম্ভাব্য তালিকা ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আজকালের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

সম্ভাব্য তালিকা থেকে আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবেন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেয়ার সময় ২৫ এপ্রিল শেষ হবে।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০২১ সালের পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ১ এপ্রিলের মধ্যে নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধান বরাবর সাদা কাগজে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

২৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা শিগগিরই

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ এপ্রিল ২০২২ঃ
সারাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে সাত হাজার স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ৫০০ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী সব শর্ত পূরণে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ঈদের পর অর্থাৎ, মে মাসের মধ্যে নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত এক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি উপস্থিত ছিলেন।

তালিকা দেখার পর মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। নীতিমালা অনুযায়ী যারা শর্ত পূরণ করবে তাদের নাম যুক্ত করতে নির্দেশ দেন তিনি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষ করে খসড়া তালিকা মন্ত্রীর কাছে তুলে দিতে বলা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য সাধারণ স্কুল-কলেজ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার আর কারিগরি ও মাদরাসা থেকে প্রায় তিন হাজার আবেদন আসে। সেখান থেকে শর্ত পূরণ ও যাচাই-বাছাইয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া গেছে এমন আড়াই হাজার প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্ত করছে কমিটির সদস্যরা।

তিনি আরো বলেন, তালিকায় যুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠান আবারও যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সব ঠিক হলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আবারও সভা করে শিক্ষামন্ত্রী তালিকায় স্বাক্ষর করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবেন। সেখান থেকে অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হবে।

কারিগরি শিক্ষকদের মার্চের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ এপ্রিল, ২০২২
এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ (২০২২) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন।

মঙ্গলবার কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষকদের বেতনের ১২টি চেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের এমপিও শাখার সহকারী পরিচালক বিমল কুমার মিশ্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের বেতনভাতার চেক ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত এমপিও তুলতে পারবেন।

জানা গেছে, শিক্ষকদের এমপিও শিটের কপি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ওয়েবসাইট থেকে এমপিও শিট ডাউনলোড করে শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করতে পারবেন।

হাইস্কুল-কলেজে রমজানের ছুটি বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ এপ্রিল, ২০২২
আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত হাইস্কুল-কলেজে ক্লাস চলবে। রমজান মাসে শুক্র-শনিবার হাইস্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। রমজানে আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত হাইস্কুল-কলেজে ক্লাস চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু পরে ছুটি বাড়িয়ে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস নেয়ার ঘোষণা আসলো।

সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের দৈনিক শিক্ষাবার্তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুনঃ প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মতের ভিত্তিতেই রমজানে ক্লাস : মহাপরিচালক

তিনি জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত হাইস্কুল ও কলেজের ক্লাস চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। রমজান মাসে শুক্র-শনিবার হাইস্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। এ নিয়ে শিগগিরই আদেশ হবে।

এর আগে আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস চালানোর নির্দেশনা দিয়েছিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। সে অনুসারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা আদেশে স্কুল-কলেজগুলোকে ২৬ এপ্রিল বা ২৪ রমজান পর্যন্ত ক্লাস চালানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো।

অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, এক শিফটের প্রতিষ্ঠান সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ক্লাস নেবে। দুই শিফটের প্রতিষ্ঠান প্রভাতী শিফটে সকাল সাড়ে আটটা থেকে বেলা ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত দিবা শিফটে সাড়ে ১১টা থেকে দুইটা ১০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাস চলবে। দুই শিফটের জন্য প্রতি শিফটে প্রতিদিন চারটি ক্লাস ও এক শিফটের জন্য প্রতিদিন পাঁচটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো স্ব স্ব রুটিন প্রণয়ন করবে।

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মতের ভিত্তিতেই রমজানে ক্লাস : মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ এপ্রিল, ২০২২
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মতের ভিত্তিতেই রমজানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ। রোববার দৈনিক শিক্ষাবার্তা‌কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারের এ মন্তব্য করেন তিনি।
মহাপরিচালক বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন অধ্যক্ষ এবং প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলাদা আলাদা সভা করেছি। সভায় তারাই মতামত দিয়েছেন ১ তারিখ পর্যন্ত ক্লাস নেয়া যায়। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই রমজানে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তাদের প্রতিষ্ঠানে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে৷ কারণ আমাদের সিলেবাস তো শেষ করতে হবে। বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের। তাদের সিলেবাস শেষ না করে পরীক্ষায় বসিয়ে দিলে আবার সংকট সৃষ্টি হবে। আমরা আশা করছি এ ক্লাসগুলো নিয়ে তাদের সিলেবাস শেষ করতে পারবো।

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস বন্ধ রাখার দাবি নিয়ে অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলতো, আমাদের সে অভিজ্ঞতা আছে৷ তারপরেও মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন যদি সম্ভব হয় (ক্লাস কয়েকদিন কমতে পারে)। দেখা যাক, কি নির্দেশনা আসে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter