Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিকে উপবৃত্তি : তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ মে, ২০২২
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির তথ্য অন্তর্ভুক্তি চলছে। গত ১৬ মে থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল বিভাগের তথ্য অন্তভুক্তি শুরু হয়ে ২২ মে পর্যন্ত চলার কথা ছিলো।

কিন্তু তথ্য অন্তর্ভুক্তির শুরুতে সার্ভার জটিলতা থাকায় অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বাবা মায়েরে জাতীয় পরিচয় পত্র ভ্যালিডেশনসহ কিছু সমস্য দেখা দেয়।

আরো পড়ুনঃ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাইম স্কেল নিয়ে আপিল খারিজ

এ পরিস্থিতিতে তিন বিভাগের উপবৃত্তির তথ্য অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়িয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২৫ মে (বুধবার) পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংগ ও বরিশাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের বিভাগগুলোর তথ্য অন্তর্ভুক্তি তিন দিন পরে শুরু হয়ে সাত দিন চলবে।

সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নতুন সূচি অনুসারে রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তি চলবে ২৬ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত। আর চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তি চলবে ২ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত।

আরো পড়ুনঃ আরও ২৩ হাজার স্কুল পাচ্ছে ওয়াইফাই ইন্টারনেট

অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির সুবিধাভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তথ্য আইবাস প্লাস প্লাস ও বিএসিএস স্কিমের প্রস্তুত করা পিইএসপি এমআইএস পোর্টালে এন্ট্রি শুরু হয়েছে, যা ২২ মের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পোর্টালে মা ও বাবার এনআইডির তথ্য বাধ্যতামূল থাকায় তা ভ্যালিডেশনসহ অন্যান্য কারণে প্রথম পর্যায়ের সমস্যা সমাধানে কিছুটা বাড়তি সময় আবশ্যক হওয়ায় আগামী ২৫ মে পর্যন্ত ডাটা এন্ট্রির সময় বৃদ্ধি করা হলো।

অধিদপ্তর আরও বলছে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের বিভাগগুলোর ডাটা এন্ট্রি তিন দিন পরে শুরু হয়ে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশিকা অনুসারে, নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি পাবেন। বিকাশসহ যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টেই শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির টাকা তুলতে পারবেন। উপবৃত্তি কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট প্রাক্কলন অনুসারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট অনুবিভাগ অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের নির্ধারিত কোডে টাকা বরাদ্দ করবে। অধিদপ্তর ত্রৈমাসিক চাহিদা মতো কিস্তিভিত্তিক টাকা অবমুক্ত করবে। অর্থ বিভাগ থেকে সময় সময়ে জারি করা জিটুপি পেমেন্ট পদ্ধতি অনুসারে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হবে। জিটুপি পেমেন্ট পদ্ধতির সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বিত ডিজিটাল পদ্ধতির সমন্বয় করা হবে।

আরও ২৩ হাজার স্কুল পাচ্ছে ওয়াইফাই ইন্টারনেট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ মে, ২০২২
আরও ২৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার স্কুলে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের এ ২৩ হাজার ২৭৫টি স্কুলের জন্য ওয়াইফাই সিস্টেম ও সিম কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাইম স্কেল নিয়ে আপিল খারিজ

স্কুলগুলোকে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহে দায়িত্বে থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীনফোন লিমিটেড এসব স্কুলে সিম ও ওয়াইফাই সিস্টেম সরবরাহ করবে।

এ সিম ওয়াইফাই সিস্টেম স্কুলে স্কুলে বিতরণে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

গতকাল রোববার অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি দেয়া হয়।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৬১টি জেলার ৩৯ হাজার ৭০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ওয়াই-ফাই সিস্টেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য গ্রামীনফোন লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। ১ম পর্যায়ে ১ হাজারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই সিস্টেমসহ সিম বিতরণ করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে গ্রামীনফোন লিমিটেড ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৫ হাজার ৪২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াই-ফাই সিস্টেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করেছে। ৩য় পর্যায়ে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২৩ হাজার ২৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই সিস্টেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করবে।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, ২৩ হাজার ২৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই সিস্টেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন গ্রামীনফোন লিমিটেড রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপজেলা শিক্ষা অফিসে ওয়াই-ফাই সিস্টেম ও সিম সরবরাহ করবে।

গ্রামীনফোন লিমিটেডের সরবরাহ করা ওয়াইফাই সিস্টেম ও সিম রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের নির্ধারিত ২৩ হাজার ২৭৫টি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণ এবং বিদ্যালয়গুলোতে বিতরণের রিসিভিং কপি সংরক্ষণ করতে চিঠিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলেছে অধিদপ্তর।

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাইম স্কেল নিয়ে আপিল খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ মে, ২০২২

সারাদেশে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেলের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম।

গত ১১ এপ্রিল সারাদেশে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেল বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য ২২ মে দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দিয়েছিলেন।

গত বছরের ১৪ জুন সারাদেশে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র নিয়ে জারি করা রুল খারিজের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়। ৪৮ হাজার শিক্ষকের পক্ষে ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম এ আবেদন দায়ের করেন।

গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র নিয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে রিটকারীরা চাইলে মামলা করতে পারবে বলে আদেশ দেন আদালত। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গত বছরের ১৩ জানুয়ারি সারাদেশে জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার শিক্ষকের টাইম স্কেলের রিট মামলা তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

উল্লেখ্য, ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জানুয়ারি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে প্রাথমিক শিক্ষক সমাবেশে দেশের ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ১ লাখ চার হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে পরিপত্র ও গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেই পরিপত্র ও গেজেটের পর জাতীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সরকারের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছিলেন।

কিন্তু গত বছর ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংক্ষুব্ধ শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পরিপত্র স্থগিত করে রুল জারি করেন। রুলে শিক্ষকের টাইম স্কেল ফেরত দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের চিহ্নিত করে শাস্তিযোগ্য বদলি

গাজীপুর প্রতিনিধি,২১ মে ২০২২ঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমার জানামতে গাজীপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় হাজার শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে চার থেকে পাঁচ শতাংশ স্কুলে সময়মতো আসেন না। স্কুলে তাদের করণীয় করেন না, কাজে ফাঁকি দেন। যাদের কারণে স্কুলের লেখাপড়ার মান নষ্ট হচ্ছে।

আরো খবরঃ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক ৩

তিনি বলেন, আমি বলবো তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক বদলি করা প্রয়োজন। আর ভালোদেরও মূল্যায়ন করা হোক। ভালো কাজের জন্য আমরা প্রশংসা করবো, আবার খারাপ কাজের জন্য আমরা নিন্দাও করবো।

শনিবার দুপুরে গাজীপুর শহরে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা (ঢাকা বিভাগ)-এর উপ-পরিচালক তাহমিনা খাতুন। অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অঞ্জন কুমার সরকার, জেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জয়দেবপুর পিটিআই’র সুপারিনটেন্ডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

অনুষ্ঠানে গাজীপুর সদর উপজেলার ১৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জয়দেবপুর প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাশেষে প্রধান অতিথি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ১০বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের অ্যাপ্লিক্যান্ট কপির সমস্যা সমাধানে কাজ চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ মে ২০২২ঃ সরকারি প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় যেসব প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। কিন্তু ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারায় অনেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তুলতে পারছেন না। খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি এন্ড অপারেশন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এটি নিয়ে হাজার হাজার প্রার্থীর সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। সার্ভার জটিলতায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। টেলিটক এটি নিয়ে কাজ করছে। খুব শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।

এর আগে গত শনিবার প্রকাশিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, প্রার্থীকে আসল সনদসহ অনলাইনে আবেদনের আপলোডকৃত ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদপত্র, জাতীয় পরিচয় পত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ পোষ্য সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে ২৩ মের মধ্যে (অফিস চলাকালীন) স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবশ্যিকভাবে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সকল সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি (সত্যায়িত) জমা প্রদানের সময় উক্ত কাগজপত্রের মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদর্শন করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীগণ ২৩ মে, ২০২২ তারিখের মধ্যে উপরে উল্লিখিত কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষার কার্ড ইস্যু করা হবে না।

মৌখিক পরীক্ষার সময় উপরে বর্ণিত সকল সনদপত্র, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগঃ দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৫ মে ২০২২
এবার তিন পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। প্রথম ধাপের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ হয়েছে ইতোমধ্যেই। তবে এবার দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২০ মে শুক্রবার ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, পরীক্ষার্থীরা admit.dpe.gov.bd- ওয়েবসাইটে Username এবং Password দিয়ে অথবা এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাশের সন দিয়ে লগ ইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

প্রার্থীদেরকে অবশ্যই প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এবং প্রবেশ পত্রে পাওয়া যাবে।

এর আগে ২২ এপ্রিল প্রাথমিকে নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা হয় ২২ জেলায়। এর মধ্যে ১৪ জেলায় সম্পূর্ণ এবং ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা নেয়া হয়।

এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাটে আবেদন করা পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসেন।

সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে পরীক্ষায় বসেন আবেদনকারীদের একটি অংশ।

মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডিপিইর জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ মে ২০২২ ঃ সরকারি প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় যেসব প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

শনিবার প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনিষ চাকমা।

এতে বলা হয়, প্রার্থীকে আসল সনদসহ অনলাইনে আবেদনের আপলোডকৃত ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, স্থায়ী ঠিকানার সপক্ষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্র, জাতীয় পরিচয় পত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ পোষ্য সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে ২৩ মে’র মধ্যে (অফিস চলাকালীন) স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবশ্যিকভাবে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সব সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি (সত্যায়িত) জমা প্রদানের সময় উক্ত কাগজপত্রের মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদর্শন করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীগণ ২৩ মে, ২০২২ তারিখের মধ্যে উপরে উল্লিখিত কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষার কার্ড ইস্যু করা হবে না।

মৌখিক পরীক্ষার সময় উপরে বর্ণিত সকল সনদপত্র, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd)-এ প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১২ মে ২০২২:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০-এর ২য় ও ৩য় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ মে এবং ৩ জুন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা হতে ১২টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জেলায় অনুষ্ঠিত হবে। এই নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সতর্ক করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম নিয়োগ বিধি অনুসরণপূর্বক সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা হয়। প্রার্থীদের রোল নম্বর, আসন বিন্যাস, প্রশ্নপত্র প্রেরণ ও মুদ্রণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রস্তুতসহ যাবতীয় কাজ সফটওয়ারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হয়। এ ছাড়া জেলা প্রসাশন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এ অবস্থায়, দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো। অর্থ লেনদেন বা অন্য কোনো অনৈতিক উপায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাবার কোনো সুযোগ নেই। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই চাকরি হবে। কেউ অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখালে তাকে নিকটস্থ থানায় সোপর্দ্দ করা অথবা থানা বা গোয়েন্দা সংস্থাকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১২ মে ২০২২:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রথম দফার ২২ জেলার ফল প্রকাশ করে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল http://www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।

গত ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে ঢাকাসহ ২২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষা নেয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে ছিল— চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা পরীক্ষা নেয়া হয়। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

ফলাফলের নির্দেশনায় বলা হয়— এই ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এ ফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০’ এর কোনো শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনো নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

প্রকাশিত ফলের যেকোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি/ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে, তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৯৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে। এই ধাপে ৩০ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে ৩ জুন ৩১ জেলায় এই নিয়োগ পরীক্ষা হবে।

প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১১ মে ২০২২ঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে সারাদেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে রাজধানীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হবে। এ জন্য একটি প্রকল্প কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তার আলোকে মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন আধুনিকরণের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। উত্তরা ও পূর্বাঞ্চলের আধুনিক মানের বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানের ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের কোন বিকল্প নেই। সে কারণে সারাদেশে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তিন ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জুলাইয়ের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষক হিসেবে যোগদান দেয়া হবে। শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষকদের পাঠদানে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুর আলম বলেন, আমরা শিক্ষকদের মর্যাদার কথা চিন্তা করে নতুন নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেটি কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে তৃতীয় গ্রেট মর্যাদায় উন্নীত হতে পারবে। নতুন করে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আমিনুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (শিক্ষা) আবু মো. শাহরিয়ার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রমুখ

প্রাথমিকে নতুন রুটিনে ক্লাস শুরু কাল থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ মে ২০২২ঃ  ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামীকাল ১২ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে খুলবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এদিন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সময়সূচি মেনে শ্রেণী কার্যক্রম শুরু হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কীভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান, মে দিবস, শবে-কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ১১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ১২ মে থেকে নতুন সময় অনুযায়ী সরাসরি শ্রেণী কার্যক্রম শুরুর জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

ক্লাস রুটিন

১. এক শিফট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার বিকেল ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

২. দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা এবং বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল ৯টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

৩. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী কার্যক্রম শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

৪. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল ৯টা থেকে সকাল ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করতে হবে।

৫. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে রুটিন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন নেবেন।

৬. ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়সূচির ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির পরিপত্র অনুসরণ করবেন।
৭. শিখন ঘাটতি পুরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
৮. পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা চলবে।

বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদন,কলকাতা ১০ মে ২০২২: বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো স্থাপনে ও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার ফলে এসব বিদ্যালয়ে সব শ্রেণি-পেশার অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পড়াতে আগ্রহী হবেন।

দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শুধু নিম্নবিত্তের সন্তানরাই পড়াশোনা করে। মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা এসব বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় না বললেই চলে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মহানগরীর ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৫৪টি বিদ্যালয়ের দুই হাজার ৯৭৫টি কক্ষ নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ১৭৭টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ১৬৭টি কক্ষের অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দন করা হবে।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বৃদ্ধিসহ ১০ দাবি

তিনি আরও জানান, এ প্রকল্পের আওতায় উত্তরায় ৩টি ও পূর্বাচলে ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

জানা যায়, চার বছর মেয়াদি এ প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৫৯ কোটি ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রকিউরমেন্ট) ও প্রকল্প পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, দেশের অন্যান্য জায়গার তুলনায় ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো নাজুক। এ কারণে সব শ্রেণি-পেশার অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এসব বিদ্যালয়ে পড়াতে আগ্রহী হন না। আমরা অভিভাবকদের এসব বিদ্যালয়ে সন্তানদের পাঠাতে উৎসাহিত করতে চাই। বিদ্যালয়গুলো দৃষ্টিনন্দন করার উদ্যোগ এর অন্যতম পদক্ষেপ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সব শ্রেণি-পেশার অভিভাবকের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পড়তে আগ্রহী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। এ জন্য ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বৃদ্ধিসহ ১০ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১০ মে ২০২২:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৯ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৮ম গ্রেডে উন্নীতকরণসহ সকল শিক্ষকের বেতন জটিলতা নিরসন এবং বদলি কার্যক্রম চালুসহ ১০ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

আরো পড়ুনঃ বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ওয়েছ আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা আবুল হোসেন ও আব্দুল হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. জাকারিয়া, আহমদুল কিবরিয়া বকুল, জামশেদা আক্তার লিপি, সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন, শহিদুল ইসলাম, নুরুচ্ছফা, আবুল কালাম আজাদ, আঞ্জুমানারা বেগম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল তালুকদার বলেন, দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে শিক্ষকদের শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু শিক্ষকদের আর্থ-সামাজিক কল্যাণ বাতিত জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি ও বদলী কার্যক্রমসহ ১০ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দাবিগুলো হলো-

১. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৯ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৮ম গ্রেডে উন্নীতকরণ পূর্বক পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অন্যান্য শিক্ষকদের মতো উন্নীত স্কেলে টাইম স্কেল প্রদান এবং সকল শিক্ষকের টাইমস্কেল প্রদানপূর্বক বেতন জটিলতা নিরসন করা।

২. সমন্বিত নিয়োগবিধিতে শুধুমাত্র সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা উক্ত পদ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত শর্তহীনভাবে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা।

৩. (ক) বর্তমান প্রধান শিক্ষকদের যোগ্যতা ও দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ৮ম গ্রেডে উন্নীত করা

(খ) সহকারি প্রধান শিক্ষকদের পদ সৃষ্টিসহ ৯ম গ্রেডে বেতন স্কেল নির্ধারণ করা।
(গ) স্নাতক/স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রেক্ষিতে সংগত কারণেই সহকারি শিক্ষকদের বেতনস্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা।

৪. চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।

৫. প্রাথমিক শিক্ষা সম্পৰ্কীয় বিভাগীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৬. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র-শনিসহ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের অবিলম্বে নন-ভোকেশনাল কর্মচারী হিসাবে ঘোষণা করে অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা, বিদ্যালয়ের সময়সূচী ও ছুটির তালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা।

৭. অবিলম্বে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর করা।

৮. অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের শর্তহীন ভাবে সারা বছর বদলী কার্যক্রম চালু করা।

৯. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধিদের নিয়ে অবিলম্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ড কার্যক্রম গতিশীল করা।

১০. শিক্ষকদের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রশিক্ষণে শর্তহীনভাবে শুধুমাত্র শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রশিক্ষক নির্বাচন করা।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে পদে পদে কোটা, যেভাবে পূরণ হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ মে ২০২২ঃ দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা চলছে। তিন ধাপের পরীক্ষার প্রথম ধাপ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে আগাশী ২০ মে ও তৃতীয় ধাপে ৩ জুন পরীক্ষা হবে। এবার মোট ৪৫ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯-তে বলা আছে, সরাসরি নিয়োগে পদের ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য ও ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা অনুসরণ করা হয়। এ তিন কোটায় ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তবে বিজ্ঞানের যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধায় নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের ৬৫ শতাংশ পদোন্নতি দিয়ে পূরণ করা হয়। ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। পদোন্নতির যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগ দিয়ে পূরণ করা হয়।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক পদে প্রশিক্ষণসহ সাত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। আর সরাসরি নিয়োগে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন। বয়সসীমা ২১-৩০ বছর। আর সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়। এ জন্য দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন। বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা পূরণে বলবৎ অন্য কোনো বিধি, সরকারি সিদ্ধান্তে বিশেষ শ্রেণির কোটা নির্ধারিত থাকলে সে বিধান অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়। পোষ্য কোটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা বা ছিলেন, এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী বা তালাকপ্রাপ্ত কন্যা, যারা শিক্ষকের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল প্রার্থীরা সুবিধা পাবেন।

আরো পড়ুনঃ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে পেল দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়

১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে পেল দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ মে ২০২২ঃ দেশের চারটি বিভাগের দেড় হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে খেলাধুলার সরঞ্জাম কিনতে এক লাখ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিদ্যালয়গুলোর জন্য এই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় চার বিভাগের ২৪৬টি উপজেলার দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিড বেসড প্লেয়িং এক্সেসরিজ কিনতে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ টাকা মঞ্জুরি ও ব্যয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এই অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তের মধ্যে মোট বিলের ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ জিওবি বাবদ ও আরপিএ বাবদ ৩৫ দশমিক ২০ শতাংশ ব্যয় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত ব্যয় করা যাবে না। অগ্রিম টাকা উত্তোলন করা যাবে না। টাকা ব্যয়ের বিবরণী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। অধিদপ্তরের তালিকা ও নির্দেশনা অনুযায়ী টাকা ব্যয় করতে হবে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter