Home » দৈনিক শিক্ষা

দৈনিক শিক্ষা

সরকারি কর্মচারীদের বেতন ৬০ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি

ডেস্ক, ২১ মে ২০২২:
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান না করা পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের অন্তবর্তীকালীন ৬০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীরা। দাবি আদায়ে আগামী ২৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি দেবে সংগঠনটি।

আরো খবরঃ ফাঁকিবাজ শিক্ষকদের চিহ্নিত করে শাস্তিযোগ্য বদলি

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, কার্যকরী সভাপতি নূরুন্নবী ও রায়হান চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমিতির মহাসচিব মো. ছালজার রহমান বলেন, ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল প্রদানের পর বিগত সাত বছরে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ব্যয়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য প্রতিনিয়ত অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমিত আয়ের সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান অত্যাবশ্যক।

নিজেদের দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, বেতনের ১০০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ৪ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, দৈনিক ৫০ টাকা যাতায়াত ভাতা, দৈনিক ১০০ টাকা টিফিন ভাতা, সন্তান শিক্ষা ভাতা ন্যূনতম ২ হাজার টাকা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির বিল ভাতা হিসাবে প্রদান, ১০০ শতাংশ পেনশন, ১:৪০০ হারে গ্রাচুয়িটি, চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছর, সমুদয় পাওনা ছুটির বেতন প্রদান করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করে বলা হয়, দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২৪ মে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, ২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন দফতর ও প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলাগুলোতে দাবির সমর্থনে কর্মচারী সমাবেশ করা হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১১ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে।

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি: ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের এনটিআরসিএতে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ মে ২০২২: তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের আগামী ২৬ জুনের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

বুধবার (১৮ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয় এনটিআরসিএ।

নির্দেশনায় বলা হয়, ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় যারা এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছেন কিন্তু পদ সংক্রান্ত জটিলতা, জাতীয়করণ, ভুল চাহিদা ইত্যাদি কারণে এমপিওভুক্ত হতে পারেননি কিংবা সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারেননি, তাদেরকে আগামী ২৬ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে ছক অনুসারে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণসহ এনটিআরসিএ’র কার্যালয়ে সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, আবেদনপত্রের সাথে এনটিআরসিএ কর্তৃক ইস্যুকৃত নিয়োগ সুপারিশপত্র, যে আবেদনের ভিত্তিতে নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন সে আবেদনপত্র বা এপ্লিকেন্টস কপি এবং এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন সনদের কপি দাখিল করতে হবে। যারা উক্ত বিষয়ে ইতঃপূর্বে এনটিআরসি-তে আবেদন করেছেন, তাদেরকেও উল্লিখিত ছক অনুযায়ী তথা/প্রমাণসহ পুনরায় আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যারা নন-এমপিও পদে আবেদন করে নন-এমপিও পদে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এ ধরণের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। ২৬ জুনের পরে এ ধরনের কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

ডেস্ক,১৩ মে ২০২২:
মহামারীর খাঁড়া কাটিয়ে আগামী বছর স্বাভাবিক সময়ের মতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের এই দুই পাবলিক পরীক্ষা ২০২২ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

এসএসসিতে আইসিটি পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর থাকবে ৫০।অন্যান্য প্রতিটি বিষয়ে ৩ ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

এইচএসসি পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে চার মাস পিছিয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা ১৯ জুন থেকে এবং এইচএসসি পরীক্ষা ২২ অগাস্ট থেকে শুরুর কথা রয়েছে।
এ বছর এসএসসিতে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞানের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এ বিষয়গুলোর নম্বর সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

এইচএসসিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা না নিয়ে তা সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে নম্বর দেওয়া হবে।

এসএসসি ও এইচএসসিতে এবার ২ ঘণ্টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অষ্টম শ্রেণিতে ‘অতিরিক্ত ফি’ আদায়ের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১১ মে ২০২২ঃ অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত আদায় করলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বুধবার সাভারের আশুলিয়ায় ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইডিপি) রিভিউ সংক্রান্ত কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার নির্ধারিত যে ফি রয়েছে সেই ফি-এর বাইরে কেউ যদি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে, সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য-প্রমাণসহ আমাদের কাছে কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমরা সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

তিনি বলেন, অনলাইনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমাদের সব শিক্ষার্থী শেখার সুযোগ পায়নি। আবার যারা সুযোগ পেয়েছে, তাদেরও কিছু ঘাটতি রয়েই গেছে। সে ঘাটতি পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একইসঙ্গে সর্বস্তরে শিক্ষার মান অর্জনের জন্য কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের যতগুলো সংস্থা আছে, সবগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্ব মানের শিক্ষায় শিক্ষিত হোক। বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠুক।

এসময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বন্দী স্কুলঃ করোনাকালে শিল্প-শিক্ষায় অনন্য নজির

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ মে ২০২২:
পৃথিবীর এই ক্রান্তিলগ্নে, করোনার অভিঘাতের সময় যখন সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তখন বন্দী স্কুল মার্চ ২০২০ থেকে প্রথম অনলাইন ক্লাস শুরু করে। আর এপ্রিল মাস থেকে দেশ ও দেশের বাইরে ঘরে বন্দি শিক্ষার্থীদের জন্যে স্বল্প মেয়াদে অনলাইন শিক্ষাদান প্রক্রিয়া অনলাইনে শুরু করে। ধীরে ধীরে বন্দী স্কুল নবম ও দশম শ্রেণির জন্য সাধারন গণিত,উচ্চতর গণিত,পদার্থ বিজ্ঞান এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত ১ম পত্র ও গণিত ২য় পত্র অনলাইন কোর্স চালু করেছে। কোর্সগুলো ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে সারা ফেলেছে।

বন্দী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা স্বরুপ দাস বলেন,গ্রামের শিক্ষার্থীদের একজন ভালো শিক্ষকের কাছে পড়ার সুযোগ কম থাকে। আর একজন ভালো শিক্ষকের কাছে শিখতে গেলে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয় যা একজন দরিদ্র সন্তানের পক্ষে এ ভার বহন করা সম্বব না। সেই লক্ষে ৬৪০০০ গ্রামের শিক্ষা্থীদের কাছে গণিত এবং বিজ্ঞানকে সহজভাবে পৌছানোর জন্য তার এ ভাবনা।
তিনি আরো বলেন বর্তমানে যেসব অনরাইন স্কুল আছে তাতে শিক্ষকের মুখ দেখা যায় না। শুধু বোর্ড এবং শিক্ষকের কথা শুনে শিক্ষার্থীরা আনন্দ পায় না। তাই তিনি ফেস টু ফেস ক্লাসের মত অনলাইন ব্যবস্থা চালু করেন।

টেন মিনিট স্কুলের নতুন সিওও মির্জা সালমান

ডেস্ক,১১ মে ২০২২:

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেন মিনিট স্কুলের নতুন সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা সালমান হোসাইন বেগ। সম্প্রতি তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

টেন মিনিট স্কুলকে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার কাজ করবেন সালমান। তিনি প্রতিষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহ, ব্যবসার উন্নতি, দক্ষতা, পণ্য এবং প্রবৃদ্ধি নিয়ে কাজ করবেন।

টেলিনর থাইল্যান্তে সাড়ে তিন বছর কাজ করার পর টেন মিনিট স্কুলে যোগ দিলেন সালমান। টেলিনরে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও উদ্ভাবন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি গ্রামীণফোনের ডিজিটাল চ্যানেল বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি মাইজিপি অ্যাপ তৈরিতেও ভূমিকা রাখেন।

সালমান গত বছর থেকে টেন মিনিট স্কুলের উপদেষ্ঠা ও বোর্ড পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। টেন মিনিট স্কুল বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিষয়ক অ্যাপ। এর প্রায় ৩৬ লাখ অ্যাপ ব্যবহারকারী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই কোটি ৮০ লাখ সাবসক্রাইবার এবং ৪০ হাজার শিক্ষাবিষয়ক ভিডিওর লাইব্রেরি রয়েছে।

প্রাথমিকে নতুন রুটিনে ক্লাস শুরু কাল থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ মে ২০২২ঃ  ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামীকাল ১২ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে খুলবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এদিন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সময়সূচি মেনে শ্রেণী কার্যক্রম শুরু হবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কীভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান, মে দিবস, শবে-কদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ১১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ১২ মে থেকে নতুন সময় অনুযায়ী সরাসরি শ্রেণী কার্যক্রম শুরুর জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

ক্লাস রুটিন

১. এক শিফট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার বিকেল ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

২. দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা এবং বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী সকাল ৯টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) শ্রেণী পাঠদান চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

৩. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী কার্যক্রম শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।

৪. এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল ৯টা থেকে সকাল ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সকাল ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করতে হবে।

৫. বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে রুটিন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন নেবেন।

৬. ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়সূচির ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির পরিপত্র অনুসরণ করবেন।
৭. শিখন ঘাটতি পুরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
৮. পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা চলবে।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বৃদ্ধিসহ ১০ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১০ মে ২০২২:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৯ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৮ম গ্রেডে উন্নীতকরণসহ সকল শিক্ষকের বেতন জটিলতা নিরসন এবং বদলি কার্যক্রম চালুসহ ১০ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

আরো পড়ুনঃ বদলে যাচ্ছে রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ওয়েছ আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা আবুল হোসেন ও আব্দুল হান্নান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. জাকারিয়া, আহমদুল কিবরিয়া বকুল, জামশেদা আক্তার লিপি, সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন, শহিদুল ইসলাম, নুরুচ্ছফা, আবুল কালাম আজাদ, আঞ্জুমানারা বেগম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল তালুকদার বলেন, দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে শিক্ষকদের শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু শিক্ষকদের আর্থ-সামাজিক কল্যাণ বাতিত জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি ও বদলী কার্যক্রমসহ ১০ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দাবিগুলো হলো-

১. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৯ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৮ম গ্রেডে উন্নীতকরণ পূর্বক পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অন্যান্য শিক্ষকদের মতো উন্নীত স্কেলে টাইম স্কেল প্রদান এবং সকল শিক্ষকের টাইমস্কেল প্রদানপূর্বক বেতন জটিলতা নিরসন করা।

২. সমন্বিত নিয়োগবিধিতে শুধুমাত্র সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা উক্ত পদ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত শর্তহীনভাবে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা।

৩. (ক) বর্তমান প্রধান শিক্ষকদের যোগ্যতা ও দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ৮ম গ্রেডে উন্নীত করা

(খ) সহকারি প্রধান শিক্ষকদের পদ সৃষ্টিসহ ৯ম গ্রেডে বেতন স্কেল নির্ধারণ করা।
(গ) স্নাতক/স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রেক্ষিতে সংগত কারণেই সহকারি শিক্ষকদের বেতনস্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা।

৪. চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।

৫. প্রাথমিক শিক্ষা সম্পৰ্কীয় বিভাগীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৬. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র-শনিসহ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের অবিলম্বে নন-ভোকেশনাল কর্মচারী হিসাবে ঘোষণা করে অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা, বিদ্যালয়ের সময়সূচী ও ছুটির তালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা।

৭. অবিলম্বে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর করা।

৮. অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের শর্তহীন ভাবে সারা বছর বদলী কার্যক্রম চালু করা।

৯. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধিদের নিয়ে অবিলম্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ড কার্যক্রম গতিশীল করা।

১০. শিক্ষকদের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রশিক্ষণে শর্তহীনভাবে শুধুমাত্র শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রশিক্ষক নির্বাচন করা।

৩০৩ কোটি টাকা আত্মসাত, নর্থ সাউথের ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ মে ২০২২: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, ৪ সদস্য ও আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের এমডিসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

দুদকের উপপরিচালক আরেফ সাদেক বলেন, ‘১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ৫ মে মামলা রুজু হয়।’
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজ। বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমূখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থাৎ সরকারের সুপারিশকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের কিছু সদস্যের অনুমোদনে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস উন্নয়নের নামে ৯ হাজার ৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান বা গ্রহণ করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, আসামিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশী দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতাকে টাকা দেন। পরে বিক্রেতার থেকে নিজেদের লোকের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা নিয়ে নিজেদের নামে এফডিআর করেন। এরপর এফডিআর করা অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

অবৈধ এ আয়ের অবস্থান গোপনের জন্য এ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধও করেন তারা। সুতরাং আসামিরা মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেরা অন্যায়ভাবে লাভবান হয়েছেন বলে মন্তব্য করে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে পেল দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ মে ২০২২ঃ দেশের চারটি বিভাগের দেড় হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে খেলাধুলার সরঞ্জাম কিনতে এক লাখ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিদ্যালয়গুলোর জন্য এই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় চার বিভাগের ২৪৬টি উপজেলার দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিড বেসড প্লেয়িং এক্সেসরিজ কিনতে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ টাকা মঞ্জুরি ও ব্যয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এই অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তের মধ্যে মোট বিলের ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ জিওবি বাবদ ও আরপিএ বাবদ ৩৫ দশমিক ২০ শতাংশ ব্যয় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত ব্যয় করা যাবে না। অগ্রিম টাকা উত্তোলন করা যাবে না। টাকা ব্যয়ের বিবরণী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। অধিদপ্তরের তালিকা ও নির্দেশনা অনুযায়ী টাকা ব্যয় করতে হবে।

বিসিএস খুবই রিস্কি গেম, সঙ্গে প্ল্যান বি রেডি রাখতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ মে ২০২২ঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত নওশীন। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারের (এমটিও) চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ৪০তম বিসিএসের প্রস্তুতি।

সম্প্রতি এই বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। এতে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি, তার মেধাক্রম-৬৪। শিক্ষাবার্তার নিকট নিজের বিসিএস জয়ের গল্প শুনিয়েছেন নুসরাত নওশীন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডাঃ এস কে দাস।

ডাঃ দাস : বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন কবে থেকে দেখছেন?

নুসরাত নওশীন: আমি আমার মা-বাবার একমাত্র সন্তান। আমার মা ছিলেন মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষিকা, বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা। দুজনেই বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। একমাত্র সন্তান হওয়াতে তাদের সমস্ত স্বপ্ন আমাকে ঘিরেই ছিল। ঢাকার এ কে হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক আর হলিক্রস কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে ৫৫তম স্থান লাভ করে নিজ পছন্দে ভর্তি হই অর্থনীতি বিভাগে।
অর্থনীতি এমন একটা বিষয় যেখানে উচ্চতর শিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাওয়া, বিদেশে সেটেল হওয়ার সুযোগ অনেক বেশি। কিন্তু আমার সেই ইচ্ছা কখনো হয়নি, কারণ আম্মু আব্বুকে একা রেখে বিদেশে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। তাই শুরু থেকেই দেশের মধ্যে ক্যারিয়ার গুছানোর প্ল্যান ছিল আমার। আর এজন্য দেশের ভিতরে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ মর্যাদার চাকরি যেটা, অর্থাৎ বিসিএস, সেটাকেই টার্গেট করেছি। বিসিএস এর টার্গেট অনেক আগে থেকে থাকলেও আমি মূলত প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি মাস্টার্স পরীক্ষার পরে।

ডাঃ দাস: কখন থেকে বিসিএস প্রস্তুতি নেয়া উচিত বলে আপনার মনে হয়?

নুসরাত নওশীন: বর্তমানে একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েই বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করে দেয়া। আমি বলবো, যাদের টার্গেট বিসিএস তারা চাইলে তৃতীয় বর্ষ থেকে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে বিসিএস এর পড়া পড়তে গিয়ে একাডেমিক রেজাল্ট যেন কোনক্রমেই খারাপ না হয়। যেন বিসিএস হাত ফসকে গেলেও ভালো একাডেমিক রেজাল্ট দিয়ে আপনি অল্টারনেটিভ ক্যারিয়ার অপশনটি বেঁছে নিতে পারেন।

ডাঃ দাস : স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতি কীভাবে নিয়েছেন, এই ক্ষেত্রে পড়াশোনার রুটিন কেমন ছিলো?

নুসরাত নওশীন: আমার প্রস্তুতি একদমই নিজের মত গোছানো ছিল। আমি কোথাও কোচিং করিনি, মডেল টেস্টও দেইনি। নিজেই সিলেবাস এনালাইসিস করে টপিক ধরে ধরে পড়েছি। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলাম বিধায় গণিত আর বিজ্ঞানে ভালোই দখল ছিল। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই বাংলা আর ইংরেজিতে ছিল আমার শিক্ষক মায়ের দেয়া শক্ত হাতেখড়ি। অন্যান্য বিষয়গুলোও নিজের মত গুছিয়ে নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছি।

আমার পড়াশোনার রুটিন টাইম ওরিয়েন্টেড ছিল না, টার্গেট ওরিয়েন্টেড ছিল। অর্থাৎ আমি প্রতিদিন কয় ঘণ্টা পড়বো সেটা ঠিক করতাম না। কতটুকু পড়ে শেষ করবো, কোন সাবজেক্ট কবে শেষ করবো সেটা ঠিক করতাম। যেমন ধরলাম, আগামী দশ দিনে আমি বাংলা সাহিত্য শেষ করবো। তাহলে প্রতিদিন আমার কতটুকু পড়া লাগবে একটা টার্গেট ধরে সেইমত পড়তাম। প্রতিদিনের পড়ার টার্গেট শেষ করতাম, সেটা যতক্ষণই লাগুক না কেন।

ডাঃ দাস : এই সংগ্রামের পথে আপনার কোন স্মরণীয় কিংবা দুঃখের ঘটনা মনে পড়ে?

নুসরাত নওশীন: সংগ্রাম অনেক বড় একটা শব্দ। আমাকে বেশ কিছু ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। আমি এটাকে সংগ্রাম বলবো না, একটা জার্নি বলবো। চার বছরের জার্নিতে অনেক স্মরণীয় ঘটনাই আছে। একটা ঘটনার কথা বলি।

আমার বাবা স্ট্রোক করে গত তিন বছর ধরে শয্যাশায়ী। আমার বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল যেদিন দিল সেদিন, আমার ভাইভা যেদিন হয় তার আগের এক সপ্তাহ এবং আমার বিসিএস এর চূড়ান্ত ফলাফল যেদিন প্রকাশিত হয় সেদিন, কাকতালীয় ভাবে এই তিন সময়েই আব্বু হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আর আমি যথারীতি আব্বুর পাশে হাসপাতালে ছিলাম। বিসিএস এর চূড়ান্ত ফলাফল যেদিন দেয় সেদিন আম্মুও সাথে ছিল না, টানা দশ দিন হাসপাতালে আব্বুর সাথে হাসপাতালে থেকে আর না ঘুমিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আম্মুকে সেদিন জোর করে বাসায় পাঠিয়ে দেই। যেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের জন্য এত প্রতীক্ষা, আম্মুকে আমার সেই রেজাল্টটা ফোনে জানাতে হয়। মেয়ের সাফল্যে আম্মুর তাতক্ষণিক হাসিমুখটা দেখতে কেমন হয়েছিল আমার আর কোনদিন জানা হবে না। আর যে আমার সামনে ছিল, অর্থাৎ আব্বু, সে তো কিছু বুঝেই না। আব্বুর সারাজীবনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, তার মেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছে, অথচ তার কোন অভিব্যক্তি নেই। তার চোখ দিয়ে দুফোঁটা জল গড়িয়েছিল কেবল, সেটা কেন তাও বুঝার উপায় নেই। নিজেকে প্রচন্ড অসহায় লাগছিল সেই মুহূর্তে। এই আফসোস কাউকে বলে বুঝানো সম্ভব না।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ

ডেস্ক,২ মে ২০২২ঃ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী ৩১ মে’র মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) এনটিআরসিএর সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আরো পড়ুনঃ শিক্ষক নিয়োগে ঈদের পর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল

এতে বলা হয়, ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম গ্রহণ করার নিমিত্ত ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) প্রধানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। এ জন্য যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুনভাবে ই-রেজিস্ট্রেশন করবে তাদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন করা আছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ই-রেজিস্ট্রেশন ফর্মের এডিট অপশনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে। নতুন ই-রেজিস্ট্রেশন এবং প্রোফাইল হালনাগাদ করার সর্বশেষ তারিখ ৩১ মে। নির্ধারিত দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল হালনাগাদ করা না হলে পরবর্তীতে ওই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনলাইনে শিক্ষক চাহিদা (e-requisition) দেওয়া সম্ভব হবে না।

এতে আরও বলা হয়, সঠিকভাব এ কাজটি সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) প্রধানদের এনটিআরসিএ এর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) ই-রেজিস্ট্রেশন সেবা বক্সে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

শিক্ষক নিয়োগে ঈদের পর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩০ এপ্রিল ২০২২:
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজারের অধিক শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে ৬ মাসের আইসিটি সনদধারীরা এবং আগে থেকেই নিয়োগপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন করে নিয়োগের আবেদন করেন। তবে এমপিও নীতিমালা-২০১৮ অনুযায়ী ৬ মাসের সনদধারীদের নিয়োগ বন্ধ করা হয়। যা এমপিও নীতিমালা-২০২১ এও বহাল রাখা হয়েছে। এরপরও ৬ মাসের সনদধারীরা নিয়োগ পেতে রিট করেছেন। রিটের শুনানি ঈদের আগে হওয়ার কথা থাকলেও বেঞ্চ ভেঙে যাওয়া এবং নতুন বেঞ্চে মামলার শুনানি না হওয়ায় বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল আটকে গেছে।

নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি শিক্ষক ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আদালতের রায় নিয়ে ঈদুল ফিতরের পর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক্ষেত্রে আইসিটি সনদধারীদের বাদ দিয়েই বিশেষের ফল প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে এনটিআরসিএর সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। আশা করছি ঈদের পর আপিল বিভাগ এ বিষয়ে একটি মতামত দেবে। এরপর আমরা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করব।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজারের অধিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৭ জন।

১৪ নির্দেশনা দিয়ে এসএসসি ২০২২ এর রুটিন প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ এপ্রিল ২০২২ঃ

এসএসসি ২০২২ সালের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটি। আগামী ১৯ জুন সকাল ১০টায় বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে মাধ্যমিকের এই পাবলিক পরীক্ষা। চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত।

বুধবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর এস এম আমিরুল ইসলাম।

বিস্তারিত রুটিন জানতে ক্লিক করুন এখানে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীকে অবশ্যই ১৪টি নির্দেশনা মেনে পরীক্ষা দিতে হবে। নির্দেশনাগুলো হলো-

১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২. প্রশ্নপত্রের উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২০ মিনিট এবং সৃজনশীল পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।

৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিনদিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।

৫. সকল শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবি এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৬. পরীক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভটি করবে। কোন অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোন অবস্থারেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

৯. কোন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে বা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০. পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় নন-প্রোগ্রামাবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

১১. কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।

১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।

১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্ৰ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

১৪. পরীক্ষার ফল প্রকাশের ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন তোলা যাবে ঈদের পর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৬ এপ্রিল, ২০২২ :
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল (২০২২) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার এ চেক ছাড় হলেও এখনই টাকা তুলতে পারবেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা। ঈদের পর আগামী ৫ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত বেতনের টাকা তুলতে পারবেন তারা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ স্কুল-মাদরাসায় ৪৭১ ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদে নিয়োগের সুপারিশ

অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিলের এমপিওর আটটি চেক অনুদানবণ্টনকারী ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৫ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত বেতনভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।

জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ওয়েবসাইট (emis.gov.bd) থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের এমপিওর শিট ডাউনলোড করতে পারবেন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter