Home » ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন নিয়ে নানা প্রশ্নোত্তর

ডেস্ক,২১ মে ২০২২: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন আগামী রোববার (২২ মে) বিকাল ৪টা থেকে শুরু হবে। এ আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৯ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।

এ ভর্তি আবেদন নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে প্রশ্ন জেগেছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সেসব প্রশ্নের বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস। জেনে নেওয়া যাক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনে কিছু প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন ১: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স (স্নাতক) ভর্তি আবেদনের শুরু ও শেষ কবে?

উত্তর: ২২ মে বিকাল ৪টা থেকে ৯ জুন রাত ১২.০০ টা পর্যন্ত।

প্রশ্ন ২: এ বছর আবেদনের যোগ্যতা কি বা আবেদন করতে কত পয়েন্ট লাগবে?

উত্তর: বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আলাদা আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫০ পয়েন্ট করে থাকতে হবে। এছাড়া মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষা জিপিএ ৩.৫০ পয়েন্ট ও এইচএসসি পরীক্ষা জিপিএ ৩.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে। এদিকে যে সকল শিক্ষার্থীরা ২০১৮/২০১৯ সালে এসএসসি ও ২০২০/২০২১ সালে এইচএসসি পাস করেছেন তারা ভর্তি আবেদন করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৩: আবেদন কিভাবে করবো বা আবেদন করার পদ্ধতি কি?

উত্তর: এক নজরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া

প্রশ্ন ৪: আবেদন করতে কত টাকা লাগবে?

উত্তর: আবেদন ফি ২৫০ টাকা

প্রশ্ন ৫: টাকা কি কলেজে গিয়ে জমা দিতে হবে?

উত্তর: না! কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করতে হবে। এরপর সেটার কপি প্রিন্ট করে আবেদন পত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

প্রশ্ন ৬: আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র লাগবে?

SSC+HSC পরীক্ষার রোল
রেজিস্ট্রেশন নম্বর
১ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
একটি সচল মোবাইল নম্বর

প্রশ্ন ৭: কাগজপত্র কিভাবে জমা দিতে হবে ??

উত্তর: যে কলেজের জন্য আবেদন করবেন সেই কলেজে গিয়ে জমা দিতে হবে।

প্রশ্ন ৮: এসএসসিতে জিপিএ ৩.৫০ পয়েন্ট এর নিচে আছে, এইচএসসিতে জিপিএ ৩.০০/৩.৫০ পয়েন্ট এর উপরে আমি কি আবেদন করতে পারবো?

উত্তর: না! সম্ভব না।

প্রশ্ন ৯: ২০২০ সালে এইচএসসি পাশ করেছি, আমি কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সের (স্নাতক) জন্য আবেদন করতে পারবো?

উত্তর: হ্যাঁ পারবেন, যদি এসএসসি পাসের সাল ২০১৮ হয়।

প্রশ্ন ১০: ২০১৭ সালে এসএসসি পাস করেছি, আমি কি আবেদন করতে পারবো?

উত্তর: না। অনার্সে (স্নাতক) আবেদন করতে পারবেন না।

প্রশ্ন ১১: যাদের পয়েন্ট উপর্যুক্ত শর্তের কম বা পাসের সাল কম তারা কি করবে?

উত্তর: তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।

প্রশ্ন ১২: আমার পয়েন্ট রয়েছে। পছন্দের কলেজ ও সাবজেক্টে ভর্তি হতে পারব?

উত্তর: এগুলো নিশ্চিতভাবে বলা যায় না, সম্ভাবনা বলা যায়। এটা নির্ভর করবে কোন কলেজে কেমন পয়েন্ট নিয়ে কোন সাবজেক্ট চয়েস দেওয়ার ওপরে।

প্রশ্ন ১৩: বিভাগীয়/জেলা/উপজেলা পর্যায়ের কলেজ কোনগুলো?

উত্তর: বিভাগের মূল শহরে যে কলেজগুলো রয়েছে, সেগুলো বিভাগীয় কলেজ। জেলার কলেজগুলো জেলা পর্যায়ের। আর উপজেলার কলেজগুলো উপজেলা পর্যায়ের কলেজ।

প্রশ্ন ১৪: কয়টি সাবজেক্ট চয়েস দেওয়া যায়?

উত্তর: যতগুলো সাবজেক্ট শো করবে তার সবগুলো।

প্রশ্ন ১৫: আমার পছন্দের কলেজে কি কি সাবজেক্ট আছে, কয়টি সীট আছে জানবো কিভাবে?

উত্তর: কলেজ ও সাবজেক্ট চয়েস দেওয়ার সময়ে দেখা যাবে।

প্রশ্ন ১৬: কয়টি কলেজ চয়েস দেওয়া যায়?

উত্তর: প্রথমে ১টি। চান্স না হলে প্রত্যেক রিলিজ স্লিপে ৫টি কলেজ।

প্রশ্ন ১৭: সাবজেক্ট চয়েস কিভাবে দেবো/কোন সাবজেক্ট ভালো হবে?

উত্তর: নিজের সবচেয়ে বেশি পছন্দের বিষয়গুলো প্রথম দিকে রাখবেন। মনে রাখবেন। যে সাবজেক্টে পড়বেন না, সেটা কখনোই চয়েস লিস্টে রাখবেন না।

প্রশ্ন ১৮: আবেদন করে ফেলেছি ভুল হয়েছে। চয়েস লিস্ট চেঞ্জ করতে চাচ্ছি, কি করবো?

উত্তর: একবার নিজের সংশোধন করতে পারবেন। তবে অবশ্যই কলেজে কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগে।
সুত্রঃ The Daily Campus

ভর্তির সুযোগ দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ মে ২০২২ ঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি আবেদনের সুযোগ দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন ২০২০ সালের এইচএসসি ইমপ্রুভমেন্টের শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপির সাথে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের একটি তালিকাও জমা দেওয়া হয়।

শনিবার (১৪ মে) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। ইমপ্রুভমেন্টের শিক্ষার্থীদের পক্ষে মো. সারফারাজ উদ্দীন ও মো. রাফিউ হাসান স্মারকলিপি জমা দেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা ২০১৭ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও অনেকেই অসুস্থতা, পারিবারিক, অর্থনৈতিকসহ নানা প্রতিকূলতার জন্য অনিয়মিত হয়ে এবং মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়ে ২০২০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। যারা অনিয়মিত তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষেই প্রথমবার ভর্তির জন্য আবেদন করে এবং যারা মানোন্নয়ন তারা ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হতে আবেদন করার যোগ্যতা না থাকায় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবার ভর্তির জন্য আবেদন করে। পূর্ববর্তী বছরগুলোর সার্কুলার অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয়বার ভর্তির আবেদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ইমপ্রুভমেন্টের শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, মেডিকেল-ডেন্টাল ও রাবির ভর্তি পরীক্ষায় মাধ্যমিকে তিন শিক্ষাবর্ষ বিবেচনা করে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঢাবি, বিইউপিসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই ভর্তি পরীক্ষায় অনেক বছর ধরে মাধ্যমিকে তিন-চার শিক্ষাবর্ষ বিবেচনা করে পরীক্ষার সুযোগ প্রদান করে আসছে।

তারা জানান, আমরা করোনাকালীন ব্যাচ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অনেকেই নিজের আপনজন হারিয়েছে, অনেকে আর্থিক সমস্যার কারণে আবেদন করতে পারেনি। আমাদের নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। আমাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা থাকলেও ২০১৭ সালে এসএসসি পাস করায় অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। নিজেদের ভবিষ্যত স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছি।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি হতে পারেনি বরং উচ্চশিক্ষার বদলে অনেকেই লেখাপড়া ছেড়ে বিভিন্ন কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে। এই অবস্থায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমিক ২০১৭ এবং উচ্চমাধ্যমিক ২০২০ সালে উত্তীর্ণ (অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন) শিক্ষার্থীদেরকে দ্বিতীয়বার ভর্তি আবেদনের সুযোগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসবেন বলেই আমাদের প্রত্যাশা।

বুয়েট ভর্তি: প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন যারা (তালিকা)

বুয়েট প্রতিনিধি,১৩ মে ২০২২ঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার যোগ্যপ্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাতে বুয়েটের ভর্তির ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিক আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মোট ১৭ হাজার ৩৩ জনকে প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ জুন দুই শিফটে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং এরপর মূল ভর্তি পরীক্ষা ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়াদের মধ্যে প্রথম শিফটে রয়েছে ৮ হাজার ৫১৭ জন এবং দ্বিতীয় শিফটে ৮ হাজার ৫১৬ জন শিক্ষার্থী।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল অনলাইনের মাধ্যমে প্রাথমিক ভর্তির আবেদনপত্র পূরণ ও সাবমিট শুরু হয়ে চলে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর মোবাইল বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান শেষ হয় ২৬ এপ্রিল বিকাল ৩টায়।

ভর্তির বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য আবেদনকারীদের নামের তালিকা প্রকাশের সর্বশেষ তারিখ ছিল ১৪ মে। তবে এর দুইদিন আগে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এদিকে, আগামী ৪ জুন প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শিফট-১ ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপ সকাল ১০টা থেকে সকাল ১১টা এবং শিফট-২ ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুট বিকেল ৩টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে।

মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য আবেদনকারীদের নামের তালিকা প্রকাশের সর্বশেষ তারিখ আগামী ১১ জুন শনিবার। আর মূল মূল ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ১৮ জুন।

শিফট-১ঃতালিকা দেখুন

শিফট-২তালিকা দেখুন

শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১০ মে ২০২২:
শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অসুস্থ প্রতিযোগিতায় না নামার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখা যায়। সবার প্রতি আহ্বান, এটাতে যেন কেউ না নামেন।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আফতাবনগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সকল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির আগে শিক্ষার মান অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করা অনেক বেশি জরুরি। অথচ প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ই ধারণক্ষমতা বিবেচনায় না নিয়ে শিক্ষার্থী বাড়ানোর অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নামছে। এর প্রত্যক্ষ কুফল আমরা দেখতে পারছি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার জায়গা নেই, খেলাধুলার জায়গা নেই, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্যও আলাদা জায়গা নেই। এছাড়া আরও অনেক সমস্যা তো রয়েছেই।

মন্ত্রী বলেন, কোভিড পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। তাই, চলমান পৃথিবীর সাথে তাল মেলানোর পাশাপাশি আগামী দিনের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে শিক্ষাখাতকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। এ জন্য মাস্টারপ্লান তৈরি করা হয়েছে। এই মাস্টারপ্ল্যানে ই-লার্নিংয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে যত বাধাই আসুক হতাশ হওয়া যাবে না। করোনার দুই বছরে দেখা গিয়েছে পৃথিবী আসলে কত নিষ্ঠুর, তবু পেশাগত জীবনে সততা, দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণও ফুটিয়ে তুলতে হবে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি প্রদান করেন। এ সমাবর্তনে আন্ডার গ্রাজুয়েট ও গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের এক হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থীকে সনদ দেওয়া হয়। এছাড়া অনন্য মেধাবী দুইজন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় স্বর্ণপদক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম।

সমাবর্তন বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমিরেটাস অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তার মন্ডল। আরও বক্তব্য রাখেন ইস্ট ওয়েস্ট ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ৩ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ এপ্রিল ২০২২ঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত অনলাইন প্রাথমিক আবেদন গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে। আজ বুধবার (২৭ এপ্রিল) ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।

আরো পড়ুনঃ ১৪ নির্দেশনা দিয়ে এসএসসি ২০২২ এর রুটিন প্রকাশ

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীদের প্রাথমিক আবেদন ফরম ১১ জুনের মধ্যে আবেদনকৃত কলেজে জমা দেয়ার এবং ১২ জুনের মধ্যে এ সকল আবেদন সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নিশ্চয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লিখিত শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে। ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের অনলাইন আবেদন গ্রহণের তারিখ পরে জানানো হবে।

জিএসটি গুচ্ছে যুক্ত হচ্ছে চাঁবিপ্রবি, আসন ৯০টি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল ২০২২ঃ প্রথমবারের মতো ২০২০-২১ সেশনে দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জিএসটি) স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০২১-২২ সেশনে এই গুচ্ছে যুক্ত হচ্ছে আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হচ্ছে-চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁবিপ্রবি) এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ।

গত বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণের সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২১-২২ সেশনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই বছর বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। শুরুর দিকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস/ভবনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানা গেছে।

তিনটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে চাঁবিপ্রবির। বিভাগগুলো হলো- কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন। প্রথমবার বিভাগ প্রতি আসন সংখ্যা ৩০টি, তিন বিভাগে মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাছিম আখতার শিক্ষাবার্তাকে বলেন, প্রথমবারের মতো ২০২১-২২ সেশনে আমরা শিক্ষার্থী ভর্তি করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। ৩০ জন করে তিনটা বিভাগে মোট ৯০ জনকে ভর্তি করা হবে।

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে রাবির সাবেক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

রাবি প্রতিনিধি,৯ এপ্রিল ২০২২ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক সাবেক শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় বাসার নিজ কক্ষে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

নিহতের নাম সোহাগ খন্দকার। তিনি রাবির চারুকলা অনুষদের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের (১৫তম ব্যাচ) প্রাচ্যকলা ডিসিপ্লিনের সাবেক শিক্ষার্থী। তার বাসা নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কয়ানিজ পাড়া গ্রামে।

আরো পড়ুনঃ ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আত্মহত্যার পূর্বে ৮ঘন্টার ব্যবধানে সোহাগ খন্দকার তার ফেসবুক ওয়ালে ৪টি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসগুলো হল- ‘ভালো থাকুক সেসব মানুষ যারা শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। যার কাছে অন্যের গুরুত্ব নাই বললেই চলে’ ‘যদি কেউ আমার উপর কষ্ট নিয়ে থাকেন। আল্লাহর দোহাই মাফ করে দিবেন’ ‘জীবনের কাছে হার মেনে গেলাম। আমি আর পারলাম না’ এবং ‘একটা মানুষ যখন আর জীবনের কাছে যখন হেরে যায় তখন আর করার কিছু থাকে না।’

সোহাগের সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, সোহাগের ফেসবুকের স্ট্যাটাস দেখে স্থানীয়রা তার বাসায় এসে তাকে ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে তার কক্ষে প্রবেশ করে এবং তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আত্মহত্যা কোনো সমাধানের পথ নয়। আমার সাবেক ও বর্তমান সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ থাকবে তারা যাতে কখনও আত্মহণনের পথ বেছে না নেয়।

গুচ্ছ নিয়ে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত!

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ এপ্রিল ২০২২ঃ দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শুরু হয়েছিল ভর্তি পরীক্ষা। আশা করা হয়েছিল, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও খরচ কমবে। তবে সেই উদ্দেশ্য পুরোপুরি পূরণ হয়নি।

গত বছর থেকে চালু হওয়া এই উদ্যোগ নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বেরও হয়ে যেতে চায়। যদিও তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও আগামী শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের দুটি সভা থাকায় এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গত বছর দেশের শীর্ষ চার বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে না আসলেও এবার আসবে বলে আশা করা হচ্ছিল। তবে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া জটিলতায় পড়ায় সে উদ্যোগ আর এগোয়নি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

এক্ষেত্রে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। বিশেষত কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে যেতে চায়। সেক্ষেত্রে তারা আবার নিজস্ব পদ্ধতির ভর্তি প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে পারে। সে জন্য তাদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও সেভাবে সাজানো হবে। তারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কিনা খোঁজ রাখতে হবে।

আর যদি গুচ্ছ আগের মতোই থেকে যায়, তাহলে প্রশ্নপত্র বা ভর্তি প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ গত বছরের ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের কিছু ত্রুটি ছিল। সেগুলো এবার সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ গুচ্ছের সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সে কারণে এ বিষয়ে আপডেট তথ্য রাখতে হবে।

আরো পড়ুন: মেডিকেলে প্রথম হওয়া মিমকে নিয়ে ৪ কোচিংয়ের টানাটানি

গত বছর ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসে। তবে সমন্বয়হীনতা ও নানা জটিলতার কারণে এ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় ত্রুটিগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেবে কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও পরশু শুক্রবার তথা ৭ ও ৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভা রয়েছে। সেখান থেকে এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসবে।

তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার নিয়মে পরিবর্তন আসলেও প্রশ্নপত্র নিয়ে পরিবর্তন আসার সম্ভবনা কম। সে কারণে প্রস্তুতি নিয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। শুধু কারা গুচ্ছে থাকছে বা কী ধরনের পরিবর্তন আসছে, সে বিষয়ে তথ্যগুলো আপডেট জেনে নিলেই হবে। এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তাতেও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গণমাধ্যমকর্মী

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অব্যাহত রাখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

বিশ্ববিদ্যারয় প্রতিবেদক,২৭ মার্চ ২০২২ঃ
শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আরো পড়ুনঃ রমজানে স্কুল-কলেজঃ ক্লাস চলবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত

সোমবার (২৮ মার্চ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টির মহানায়ক’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রথমবারের মতো আমরা ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছি। এখানে কিছু ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে। ভুল-ত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ঢাবিতে এ বছর বহাল থাকবে ‘ঘ’ ইউনিট

ঢাবি প্রতিনিধি, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২,
২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পূর্বের ন্যায় বিদ্যমান ৫টি ইউনিটেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বহাল থাকবে ‘ঘ’ ইউনিট। নতুনভাবে পুনর্গঠিত ইউনিটের আলোকে ভর্তি কার্যক্রম কার্যকর হবে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে দেয়া এক লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকালে অনুষ্ঠিত ডিন্স কমিটির বিশেষ সভার সুপারিশের আলোকে বিকেলে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সাধারণ ভর্তি কমিটির এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ‘ক, খ, গ, ঘ এবং চ’ এই ৫টি ইউনিটেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ভর্তি কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে আগামী ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা পুনর্গঠিত ৪টি ইউনিটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য পুনর্গঠিত ইউনিটগুলো হলো- কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট; বিজ্ঞান ইউনিট; ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং চারুকলা ইউনিট।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ও বিজনেস স্টাডিজ ইউনিটের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিভাগ/ইউনিট পরিবর্তনের জন্য ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এছাড়া মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বা বাণিজ্য বিষয়ে ভর্তির জন্য ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সাথেই গণিত/পরিসংখ্যান অথবা অর্থনীতি/হিসাব বিজ্ঞান অথবা পূর্বশর্তযুক্ত যে কোনো বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে পরিচালিত এই সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাম্পাসে ইবি ছাত্রীর গায়ে হলুদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
ভালোবাসা দিবসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে দেখা যায় হলুদ পাঞ্জাবি এবং হলুদ শাড়ি পরিহিত একদল ছাত্র-ছাত্রী দলবেধে আড্ডা দিচ্ছেন।

তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া ইয়াসমিন রিয়ার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হচ্ছে।

দেখা যায়, বন্ধুরা কেউ নববধূকে কেক খাওয়াচ্ছে, আবার কেউ কেউ পায়েস খাওয়াচ্ছে। অনেকেই দলবেধে আড্ডা দিচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে তাদের সব ভালোবাসা একাকার হয়ে গেছে। ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের খবরে সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট প্লাটফর্মগুলো। এমন আয়োজনে মুগ্ধ শিক্ষার্থীরা।
তার বন্ধুরা বলেন, ব্যস্ততার জন্য বন্ধুরা হয়ত সবাই বিয়েতে থাকতে পারবে না। তাই মজা করেই এই গায়ে হলুদের আয়োজন। এটা আসলে বন্ধুদের ভালোবাসার বন্ধন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পারিবারিকভাবে রিয়ার বিয়ে ঠিক হয়েছে। এ উপলক্ষে ভালোবাসা দিবস ও বসন্তের দিনে এই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের আয়োজন।

রিয়ার বান্ধবী শাপলা খাতুন বলেন, রিয়া আমাদের একজন ভালো বান্ধবী। আমরা সবাই ওকে ভালোবাসি। বসন্ত ও ভালাবাসা দিবসে বন্ধুত্বের ভালোবাসাকে স্মরণীয় করে রাখতে ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

সুমাইয়া ইয়াসমিন রিয়া বলেন, শহর থেকে এসে ক্যাম্পাসে আমার গায়ে হলুদ হবে। এটা কখনো ভাবতে পারিনি। আমার সহপাঠীদের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সিঙ্গেল পরিষদ স্কোয়াডের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ছাত্র ইউনিয়ন সংসদ ব্যতিক্রমী আয়োজনে ভালোবাসা দিবসটি পালন করেছে।

দিবসটির স্মরণে সোবমার দুপুর দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বর এলাকায় ভ্যানচালক, দোকানকার ও শ্রমজীবীদের মাঝে ফুল বিতরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়ন সংসদ। এসময় বাংলা বিভাগের জি কে সাদিক, আইন বিভাগের রুমি নোমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আজিজুল হক পিয়াসসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী এসব ফুল বিতরণ করেন।

ঢাবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ ডিসেম্বর ২০২১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষ এটাকে আত্মহত্যা বললেও পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

আরো খবর: ৩ দিনের সরকারি ছুটিতে দেশ

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বনানীতে স্বামীর বাসায় ঢাবি নৃত্যকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরী মেঘলার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর মেঘলাকে গুলশান ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ময়নাতদন্তের জন্য এখন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মেঘলার মা সিমথি চৌধুরী বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মেঘলার আরেক সহপাঠী মর্জিনা নাসরিন মুমু বলেন, আমাদের প্রথমে জানানো হয়েছে তিনি (মেঘলা) আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু আমরা হাসপাতালে গিয়ে দেখি তার শরীরে মারধরের আঘাত রয়েছে।

এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। এটি খুবই দুঃখজনক। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার কথা শুনেছি। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে মিলে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষে কাজ করবে। ন্যায়বিচারের জন্য যা যা করা দরকার তা করবে। হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা রয়েছেন বলে জানান তিনি।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আজম মিয়া বলেন, নিহতের স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সুযোগ হারাবে মেধাবীরা, সরকার বলছে সমতা

ডেস্ক,১৪ ডিসেম্বর ২০২১ঃ
এবারই প্রথম দেশের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল ভর্তি লটারির আয়োজন করছে সরকার। বুধবার বিকেল ৩টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে সরকারি বিদ্যালয়ের লটারি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আরো খবরঃ এসএসসির ফল যথা সময়ে

অন্যদিকে আগামী ১৯ ডিসেম্বর রাজধানীর নায়েমে অনুষ্ঠিত হবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি লটারির অনুষ্ঠান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধুমাত্র ডিজিটাল পদ্ধতির কারণে প্রথম সারির শিক্ষার্থীরা ভালো স্কুলে পড়ার সুযোগ হারাবে। যদিও সরকার বলছে, এই পদ্ধতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মেধার সমতা ফেরাবে।

সারাদেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী আসন রয়েছে ৮০ হাজার ১১৭টি। এখন পর্যন্ত এই আসনের বিপরীতে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৩ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। ফলে প্রতি আসনে ভাগ্য পরীক্ষা দিতে হচ্ছে ১৩ শিক্ষার্থীকে। এর ফলে শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীই নয়, দুর্বল শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারবে ভালো স্কুলে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ১০ লাখ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আবেদন পড়েছে ৮ লাখের কিছু বেশি। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমিকে ৮০ হাজার আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ১৫৩টি। তবে ব্যতিক্রম চিত্র বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বেসরকারি বিদ্যালয়ে ৯ লাখ ৩৫ হাজার আসন থাকলেও আবেদন পড়েছে মাত্র তিন লাখ। অর্থাৎ আবেদনের চেয়ে দুই লাখ আসন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফাঁকা থাকবে।

অধিদপ্তর বলছে, এই পদ্ধতির ফলে যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মেধার সমতা আসবে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপও কমবে। এছাড়াও বন্ধ হবে তদবির ও ঘুষ বাণিজ্য।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মালেক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, সব শিক্ষার্থীর সমান সুযোগ থাকা দরকার। আবার সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার পড়ার অধিকার আছে। এটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু আজ সমাজ বিভক্ত। যেকারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বিভিন্ন মান গড়ে উঠেছে। কোনটাকে আমরা বলছি ভালো স্কুল, আবার কোনোটাকে বলছি ভালো স্কুল নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পার্থক্যের সঙ্গে শিক্ষার মানের পার্থক্যও সৃষ্টি হয়েছে। সবাই মেধাবী ফলে সবারই শিক্ষার সমান সুযোগ থাকা দরকার। তা না হলে ভর্তি আর লটারি বিষয়টি একই থেকে যাবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা খাতে বাজেটের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগের কথা জানান তিনি।

অন্যদিকে গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক কে এম এনামুল হক বলেন, সব বাবা মাই মনে করেন আমি যা হতে পারিনি সন্তানকে তাই বানাবো। আবার অনেকে মনে করেন, আমার টাকা আছে। যদি সন্তানের পেছনে খরচই করতে না পারলাম তাহলে কী হলো! এ ধরনের মানসিকতা ক্ষুদে শিক্ষার্থীর জীবন বিষিয়ে তোলে। এতো অল্প বয়সে শিশুর মেধা যাচাইয়ের কিছু নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে যে যেই কমিউনিটির লোক তাদের বাচ্চারা সেখানেই পড়াশোনা করে। সমাজে মেধার সমতা নিশ্চিতে পরীক্ষার চেয়ে লটারি পদ্ধতিই বেশি বিজ্ঞানসম্মত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আগামীকাল শুরু হওয়া ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে। ডিজিটাল লটারি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান প্রধান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী এই ওয়েবসাইট থেকে টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি কমিটির সভা আহবান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক শিক্ষার্থীদের ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এর মধ্যে কিছু আত্তীকৃত বিদ্যালয় আছে যারা কেন্দ্রীয় লটারিতে অংশ নিতে পারছে না। এসব বিদ্যালয়ে পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। তবে কোনো অবস্থাতেই কোন ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে না। তবে এবারই সমঝোতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় পরিবর্তন করতে পারবেন। ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মধ্যে এক স্কুলের কোন শিক্ষার্থী অন্য স্কুলের শিক্ষার্থীর মধ্যে সমঝোতা হলে ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিবর্তন করতে পারবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা শহরে ভিকারুননিসা, মতিঝিল আইডিয়াল এছাড়াও বেশ কিছু মাফিয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনার মান যাই হোক না কেন, তারা সেরা শিক্ষার্থীদেরকে ছেকে নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করে। এরফলে সেখানে পড়ানো যাই হোক বা শিক্ষকের মান যেমনই হোক শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করে। সেই বিবেচনায় আমরাও এসব প্রতিষ্ঠানকে সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দিয়ে থাকি। তবে এই পদ্ধতি অনুসরণের ফলে চিরাচরিত ভালো প্রতিষ্ঠান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তারা যেমন ভালো শিক্ষার্থী পাবে, তেমনি দুর্বল শিক্ষার্থীও পবে। মেধার সমতার ভিত্তিতে তখন সেসব প্রতিষ্ঠান ভালো করলেই তাকে ভালো বলা হবে। যা আমাদেরকে একটি সুন্দর সমাজ ও সুন্দর দেশ বিনির্মাণে সহায়তা করবে।

মাউশি উপ-পরিচালক মো. আজিজ উদ্দিন এ বিষয়ে বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য ভালো মানুষ তৈরি করা। ভালো দেশ ও সমাজ তৈরি করা। টেলিটকের মাধ্যমে মাত্র ১১০ টাকায় ৫টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করতে পেরেছে। এক্ষত্রে তাদের একটি একটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ঘুরতে হয়নি। ভর্তিযুদ্ধের নামে যে মানসিক চাপ থাকতো শিক্ষার্থীদের, এবার সেই চাপ থেকেও তারা মুক্ত।

তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় ঘুষবাণিজ্য ও তদবির চলতো। কিন্তু ডিজিটাল ভর্তি লটারিতে এইসব সুযোগ আর থাকবে না।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ ইমামুল হোসেন হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমাদের সময়ে যাদের স্কুলে ১৭-১৮ রোল ছিলো সে আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু যার রোল ছিল এক সে পরবর্তীতে পিছিয়ে পড়েছে। আমরা চাই শিশুদের অল্প বয়সে যেন শ্রেণিবিন্যাস না করা হয়। আমরা চাই প্রত্যেকটা শিক্ষার্থীই ভালো হোক। আমাদের সব প্রতিষ্ঠানে যেন ভালো পাঠদান হয় এ বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। শুধুমাত্র ঢাকা কলেজে নয়; বরং একটি স্ট্যান্ডার্ড সব প্রতিষ্ঠানে অনুসরণ করা উচিৎ।

শিক্ষকের মৃত‌্যু: কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা || ৪ ডিসেম্বর ২০২১
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী সাদমান নাহিয়ান সেজানসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কার হওয়া অন্যান্য শিক্ষার্থী হলো- সিই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. তাহামিদুল হক ইশরাক, এলই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদমান সাকিব, এলই বিভাগের শিক্ষার্থী আ. স. ম. রাগিব আহসান মুন্না, সিই বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান, এমই বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান, সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রিয়াজ খান নিলয়, এমই বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ রিফাত ও এমএসই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাইমুর রহমান অন্তু।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার বিষয়টি গত ২ ও ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৭৬তম জরুরি সভায় উত্থাপন করা হলে সিসিটিভির ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যাদি পর্যালোচনা করে বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আলোকে অসদাচরণের আওতায় সিন্ডিকেট ৯ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

যে কারনে বন্ধ হলো কুয়েট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ ডিসেম্বর ২০২১ঃ

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুর জেরে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শুক্রবার বিকেল ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরো খবরঃ

নিয়োগ বাণিজ্য: মাউশির দুই পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

শুক্রবার দুপুর ১২টায় সিন্ডিকেটের ৭৬তম সভা শেষে কুয়েটের ভিসি অধ্যাপক কাজী সাজ্জাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বেলা ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে কুয়েট শাখা ছাত্রলীগ। এ সময় তারা তদন্ত ছাড়া কাউকে বহিষ্কার না করার দাবি তুলেছেন।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান কুয়েট শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেন। তিনি কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের একটি ক্যাডার গ্রুপ ক্যাম্পাসের রাস্তা হতে ড. সেলিম হোসেনকে জেরা করা শুরু করে। পরে তারা শিক্ষককে অনুসরণ করে তার ব্যক্তিগত কক্ষে (তড়িৎ প্রকৌশল ভবন) প্রবেশ করে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তারা আনুমানিক আধঘণ্টা ওই শিক্ষকের সঙ্গে রুদ্ধদার বৈঠক করে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে শিক্ষক ড. সেলিম হোসেন দুপুরে খাবারের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাস সংলগ্ন বাসায় যান। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তার স্ত্রী লক্ষ্য করেন তিনি বাথরুম থেকে বের হচ্ছেন না। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, ড. সেলিম একজন অত্যন্ত সজ্জন, সৎ ও মেধাবী শিক্ষক। ছাত্রবান্ধব হিসেবে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে৷ ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত অল্প বয়সে তিনি দেশের বাইরে থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ২০২০ সালে অধ্যাপক পদোন্নতি পান৷ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter