Home » স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্বাস্থ্য চিকিৎসা

করোনায় আরও ১৮৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮ হাজার ৭৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ জুলাই, ২০২১
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও ১৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় ১৬ হাজার ১৮৯ জনের মৃত্যু হলো।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ৮ হাজার ৭৭২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে সর্বমোট ১০ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হলো। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০০ কিমি দূর থেকে এনেও বাঁচানো গেল না স্বপন হালদারকে

খুলনা প্রতিনিধি,৭ জুলাই:
খুলনার ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে এসে দাঁড়ায় একটি অ্যাম্বুলেন্স। সেখান থেকে তড়িঘড়ি নেমে এক তরুণ দৌড়ে ঢোকেন হাসপাতালের ভেতরে। আর অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে শুয়ে থাকা রোগীকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে থাকেন এক বয়স্ক নারী। অ্যাম্বুলেন্সে থাকা অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে তখনো ওই রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া চলছে। হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে রোগীর।

পাশে থাকা নারী পানির বোতল থেকে রোগীর মুখে বারবার পানি ঢালছিলেন আর কানের কাছে গিয়ে জোরে জোরে সৃষ্টিকর্তার নাম জপ করছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই তরুণের সঙ্গে কর্তব্যরত এক চিকিৎসক এসে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই হাতে পালস অক্সিমিটার দিয়ে পরীক্ষা করে বলেন, রোগী আর নেই। এরপর শুরু হয় ওই নারী ও ওই তরুণের আর্তনাদ।
আজ বুধবার বেলা পৌনে ১টার দিকের ঘটনা এটি। হঠাৎ করেই অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে থেকে ভেসে আসা আর্তনাদে পাল্টে যায় হাসপাতাল এলাকার চিত্র। মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম স্বপন হালদার (৬০)। বাড়ি খুলনা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নে। আর ওই নারী হলেন তাঁর স্ত্রী। ওই তরুণ তাঁদের ছেলে।

ষাটোর্ধ্ব স্বপন হালদারকে খুলনা করোনা হাসপাতালে আনা হয়েছিল খুলনা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়ন থেকে।

হাসপাতালে আগেই পৌঁছানো স্বপন হালদারের ভাইপো পল্টন হালদার বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে জ্বরে ভুগছিলেন স্বপন হালদার। গ্রামের চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ নিয়ে খাচ্ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ শরীর খারাপ হতে শুরু করে, বাড়তে থাকে শ্বাসকষ্ট। আজ সকালে তাঁকে প্রথমে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তাঁর করোনা উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা করানো হয়নি।
বিজ্ঞাপন

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে দাঁড়ানো অ্যাম্বুলেন্স থেকে আর নামানো হয়নি স্বপন হালদারকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার ওই অ্যাম্বুলেন্সে করেই বাড়ি দিয়ে যাওয়া হয় তাঁর লাশ। পুরো ঘটনা ঘটে যায় ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে।
স্বপন হালদারের মৃত্যুতে তাঁর ছেলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। খুলনা ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে, ৭ জুলাই
স্বপন হালদারের মৃত্যুতে তাঁর ছেলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। খুলনা ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে, ৭ জুলাইছবি: সাদ্দাম হোসেন

এ ঘটনার রেশ না কাটতেই বেলা ১টা ২৫ মিনিটের দিকে ওই হাসপাতালেই একটি প্রাইভেট কারে করে নিয়ে আসা হয় গীতা রানী বিশ্বাসকে (৫৫)। তড়িঘড়ি ধরাধরি করে স্ট্রেচারে তুলে হাসপাতালের মধ্যে নিয়ে যান স্বজনেরা। ১০ মিনিটের মধ্যেই আবার স্ট্রেচারেই ফেরত নিয়ে আসা হয় তাঁকে। তবে তখন আর জীবিত নেই গীতা রানী। তাঁদের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে। তাঁর ছেলে মদন বিশ্বাস আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘সকাল থেকে মায়ের অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রাইভেট কার ভাড়া করে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেছি। কিন্তু কেউই চিকিৎসা দেয়নি। সবাই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেছে। সেখানে নিয়ে এসেও মাকে বাঁচাতে পারলাম না।’

হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বলেন, এমন ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় রোগীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিয়ে আসায় তাঁদের বাঁচানো যাচ্ছে না। গ্রামাঞ্চলে কারও করোনার উপসর্গ থাকলেও প্রথম দিকে সেটিকে স্বজনেরা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। পরে অবস্থা খারাপ হলে তখন হাসপাতালে নিয়ে আসছেন। এ ধরনের রোগী হাসপাতালে ভর্তির আগেই মারা যান বলে এ ধরনের মৃত্যুর কোনো হিসাবও রাখা হয় না হাসপাতালে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ জুলাই, ২০২১

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে দৈনিক সংক্রমণের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে গত কয়েকদিনে।

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৫৯৩ জন। করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সবশেষ পরিসংখ্যান জানাতে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৬২ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬৮ জন। এ নিয়ে দেশে টানা ১১ দিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার করোনায় প্রাণ হারান ১৬৩ জন। এদিন রেকর্ড ১১ হাজার ৫২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬৩৯টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৩২ শতাংশ। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫০২ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯৮৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আরও ১৫৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮ হাজার ৬৬১

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ জুলাই, ২০২১

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপে দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ১৫৩ জনের প্রাণ, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৬৫ জনে।

এর আগ, ১ জুলাই সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২ জুলাই ১৩২ জন মারা যান। ৩ জুলাই ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন। এনিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জনে।

রোববার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি ৬০৩টি ল্যাবরেটরিতে ২৯ হাজার ৩১৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ২৯ হাজার ৮৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৬০টি।

নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৮ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯৭ জন। ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার হার ৮৮দশমিক ২৫ শতাংশ।

মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ এবং নারী ৫৭ জন। এদের মধ্যে ৯ জন বাসায় মারা গেছেন। ৩ জনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

মৃত ১৫৩ জনের মধ্যে বয়সের হিসাবে বিশোর্ধ্ব ৩ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১১ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৪ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৪৫ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৭০ জন মারা যান। বিভাগওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকায় ৪৬, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ১২, খুলনায় ৫১, বরিশালে ৩,সিলেটে ২, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জনের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সর্দি-কাশি সারানোর সহজ ঘরোয়া ওষুধ

স্বাস্থ্য ডেস্ক,৩ জুন:
সর্দি-কাশি, জ্বর মানেই করোনা সংক্রমণ নয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় এই উপসর্গগুলো অনেকেরই দেখা দেয়। কাজেই ভয় না পেয়ে, আগেভাগেই কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে সহজ ঘরোয়া উপায়ে মোকাবেলা করুন।

পেঁয়াজ
সর্দি-কাশি সারানোর সবচেয়ে সহজ ওষুধ পেঁয়াজ। একটা মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে নিন। একটা ছোট বাটিতে পানি নিয়ে পেঁয়াজ কুচি ফেলে ছয়-আট ঘণ্টা ভিজতে দিন। এর সঙ্গে দুই-তিন চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার করে খান। শিশুদের জন্যও খুব উপকারী এটি। সর্দি-কাশি তাড়ানোর পাশাপাশি শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ভাইরাসের আক্রমণ রুখে দেয়।

রসুন
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া কাঁচা রসুন আর কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান শরীরে তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে, রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বাড়ায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

মধুর মিশ্রণ
গরম পানিতে সামান্য মধু, লেবুর রস আর আদার রস মিশিয়ে দিনে দুইবার খান। কফ ও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

আদা
একটি আদার টুকরাকে ছোট ছোট করে কেটে লবণ মিশিয়ে নিন। এই লবণ মেশানো আদা মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চিবান। সর্দি-কাশিতে আরাম পাবেন!

আদা, তুলসী পাতা থেঁতো করে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এ ছাড়া হলুদ মেশানো গরম দুধ সর্দি-কাশি, জমা কফের সমস্যা দূর করে।

হলুদ চা
এটি হলুদ, মধু ও লেবু দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। হলুদে কারকিউমিন নামের একটি যৌগ রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং এর শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি যৌগ শরীরের ব্যথা উপশমেও সহায়তা করতে পারে। এই পানীয় তৈরি করতে ১৫-২০ মিনিট জ্বাল দিয়ে হলুদ সিদ্ধ করতে হবে। এরপর স্বাদমতো লেবু ও মধু দিয়ে গরম পরিবেশন করতে হবে।

মসলা চা
এই ইমিউনিটি বুস্টারটির উপাদানগুলো রান্নাঘরে সহজেই পাওয়া যায়। যেমন—আদা, দারচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, এলাচি, তুলসী পাতা মধু সহযোগে পরিমাণমতো পানিতে ৩০ মিনিট ধরে ফোটাতে হবে। এই পানীয়ে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাকে দ্বিগুণ করে তোলে।

গ্রিন স্মুদি
এই স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু সবুজ স্যুপটি বিশেষ করে গরমের সময় উপযুক্ত খাদ্য। এটি ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ফলিক এসিড ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। এই মিশ্রণ বানাতে প্রয়োজন পড়বে কিছু পালংশাক, আম, আনারস, লেবুর রস, তাজা কাটা আদা। আমন্ড মিল্ক ও দই দিয়ে মিশ্রণটি তৈরির পর ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

হানি লেমনেড
এই মিশ্রণ তৈরি করতে হবে চার কাপ পানিতে আদা, এক ইঞ্চি সমান দারচিনি, তিনটি রসুনের কোয়া, এক চা চামচ পুদিনার রস এবং লেবুর রস দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে। এরপর মধু দিয়ে গরম অবস্থায় পান করতে হবে। এই পানীয় গলা ব্যথা ও কাশির কষ্টে উপশম দেবে। গলায় অতিরিক্ত শ্লেষ্মা জমতে দেবে না।

কাড়া
একটি পাত্রে তুলসী, লবঙ্গ, দারচিনি, আদা, জোয়ান, হলুদ ও কালো মরিচ দিয়ে পানির মধ্যে সিদ্ধ করতে হয়। পরিমাণমতো মধু বা গুড় দেওয়া যেতে পারে। সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করতে অত্যন্ত উপকারী এই পানীয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রেকর্ড শনাক্তের দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ জুন ২০২১:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৫০৩ জনের।

একই সময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৮২২ জন, যা দেশে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এনিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেড় মাসের শিশু করোনায় আক্রান্ত, জায়গা না পেয়ে হাসপাতালের মেঝেতে মা

রাজশাহী প্রতিনিধি,২৯ জুন ২০২১:

রাজশাহীতে দেড় মাস বয়সী এক শিশু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে জায়গা না পেয়ে শিশুটির মা শেষ পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। তবে শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা না থাকায়- নিজে আক্রান্ত না হয়েও শনিবার থেকে সন্তানকে নিয়ে রামেকের কোভিড ইউনিটে থাকছেন এই মা।

রাজশাহী শহরের ছোট বনগ্রাম এলাকার আরিফুর রহমানের স্ত্রী মাহবুবা খাতুন জানান, মেয়ে আফরিনের জন্য হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে খুবই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে। ২০ জুন র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় তার মেয়ের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর মেয়েকে নিয়ে প্রথমে রাজশাহী রয়েল হাসপাতাল ও রাজশাহী খ্রিস্টান মিশন হাসপাতাল নামে দুটি বেসরকারি হাসপাতালে যান তিনি। তবে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেখানে জায়গা হয়নি আফরিনের।

শেষ পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হন মাহবুবা। তবে সেখানে করোনা আক্রান্ত শিশুদের জন্যে আলাদা কোনো ব্যবস্থা না থাকায়, অন্য রোগীদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে আফরিনকে। তার দেখাশোনা করার জন্য আক্রান্ত না হয়েও ঝুঁকি নিয়ে করোনা ইউনিটে থাকছেন মাহবুবা।

মাহবুবা খাতুনের স্বামী আরিফুর রহমানও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, একটি নকল কেএন-৯৫ মাস্ক পরে কোভিড ইউনিটের মেঝেতে বসে আছেন মাহবুবা। মেয়ে আফরিন তার কোলে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। মা-মেয়ের চারপাশেই চলছে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা।

মাহবুবা খাতুন বলেন, ও আমার বাচ্চা। আমি তো একা ছেড়ে যেতে পারি না। এখন কোভিড রোগীদের সঙ্গে থেকে আমি আক্রান্ত হলে কে দায় নেবে?

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানি বলেন, শিশুদের জন্য হাসপাতালে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়নি। কারণ শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ খুব বিরল। সংক্রমিত শিশু তেমন একটা দেখতে পাই না আমরা। গত মে মাসে একটি শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, আফরিনকে কোভিড ইউনিটে ভর্তি করা হলেও শিশু বিশেষজ্ঞরাই তাকে দেখছেন। শিশুটির মাকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। আরটি-পিসিআর পরীক্ষার জন্য শিশু ও তার মায়ের নমুনা নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরো মৃত্যু ৭৭, শনাক্ত ৪৩৩৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরো ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪ হাজার ৫৩ জনে।

একই সময়ে নতুন করে আরো চার হাজার ৩৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট লাখ ৮৩ হাজার ১৩৮ জনে।

শনিবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ২৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৪ হাজার ৩৩৪ জন শনাক্ত হন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৮ জন। পরীক্ষা বিবেচনায় এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩.৬২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৮ জন ও নারী ২৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৭ জন ও ষাটোর্ধ্ব ৩৮ জন রয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডেলটা ঠেকাতে সিডনিতে ৭ দিনের লকডাউন

ডেস্ক,২৬ জুন ২০২১,
করোনাভাইরাসের ডেলটা ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে স্থানীয় সময় আজ শনিবার থেকে এক সপ্তাহের লকডাউন জারি করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকার সীমান্তে বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়েও সতর্কতা জারি করেছে। খবর এএফপির।
বিমানবন্দর থেকে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখার পর ৮০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্রুর করোনা শনাক্ত হয়। সিডনিতে স্থানীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ খুবই কম ছিল। পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক হয়ে আসছিল, তখন হঠাৎ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অন্যতম সফল দেশগুলোর একটি হলো অস্ট্রেলিয়া। সেখানকার ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষের মধ্যে ৩০ হাজার করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৯১০ জনের।
Source: Prothom alo

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১০৮ জনের

ডেস্ক,২৫ জুন:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ১০৮ জন। এর আগে চলতি বছরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে গত ১৯ এপ্রিল মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১০৮ জনকে নিয়ে করোনাতে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মারা গেলেন ১৩ হাজার ৯৭৬ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আরও ৭৬ মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা,২২ জুন ২০২১
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে আরও ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ৪২ জন ও নারী ৩৪ জন।

এ সময় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৮৪৬ জনের। রোগী শনাক্তের এই সংখ্যা গত দুই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর চেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল গত ১৪ এপ্রিল, ৫ হাজার ১৮৫ জনের।
আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশে এ পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ৬১ হাজার ১৫০। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৭০২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৩৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। এরপর ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে ১৪ জন করে, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া রংপুর বিভাগে ৬ জন, বরিশালে ২ জন, সিলেটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সুখবর, ময়মনসিংহ বিভাগে এ সময়ের মধ্যে করোনায় কোনো মৃত্যু হয়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬০, শনাক্ত প্রায় ৪ হাজার

ডেস্ক,১৬ জুন ২০২১:
দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬০ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৬ জন। বুধবার (১৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মারা গেছেন ১৩ হাজার ২৮২ জন এবং মোট শনাক্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ জন এবং এ পর্যন্ত মোট সুস্থ ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৯৬৭টি, অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮০৭টি। এখন পর্যন্ত ৬২ লাখ ৪২ হাজার ৭৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০টি নমুনায় ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৪১ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় প্রতি ১০০ জনে সুস্থ হয়েছে ৯২ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং মারা গেছে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

টিকা না পাওয়ার শঙ্কায় ৯৩.৮৩ শতাংশ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জুন ২০২১

করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্ব। ইউরোপ আমেরিকাসহ প্রায় সব উন্নত দেশই রীতিমতো নাস্তানাবুদ। এই মহামারির ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। প্রতিবেশী ভারতে ভয়ানক সংক্রমণের পর নতুন করে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা। অথচ এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ টিকার আওতায় আসেনি।

দেশে চলমান ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এক কোটি ৬০ হাজার ৮৭১ জন টিকা পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৪০ হাজার ৮৫৬ জন। অথচ দেশের মোট জনসংখ্যা সবশেষ ১ জুলাই ২০১৯-এর হিসাবে ১৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৬ হাজার ১১৬ জন। মোট জনসংখ্যার হিসাবে টিকাগ্রহীতার সংখ্যা শতকরা ৬ দশমিক ১৭ ভাগ। এ হিসাবে দেখা যায় রীতিমতো ৯৩ দশমিক ৮৩ ভাগ লোক এখনো করোনার টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রয়েছেন।

তারা আদৌ টিকা পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে, দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তাও। এদিকে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ডেল্টা বা ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়্যান্ট ছড়িয়ে পড়ায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আবারো উদ্বেগ বাড়ছে। গত কয়েক দিন ধরে মৃত্যু ও সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে অর্ধেকের বেশি জেলা শহরে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণের উর্ধ্বগতির এ বাস্তবতায় প্রায় দেড় মাস ধরে গণটিকা কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া প্রায় ১৫ লাখ মানুষের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে চীনের কাছ থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনতে গিয়ে তার দাম প্রকাশ করে দেয়ায় আরেক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে এখন কোন ধরনের করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে- সেটি খুজে দেখতে সংক্রমিত বিভিন্ন এলাকার ৫০টি নমুনার জিনম সিকোয়েন্সিং করে চারটি ধরন পাওয়া গেছে। চারটি ধরনের মধ্যে ৮০ শতাংশই ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট।

রাশিয়া ও চীন থেকে টিকা আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে দেশ দুটিতে উদ্ভাবিত টিকা স্থানীয়ভাবে উৎপাদনেরও। তবে এ চুক্তির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি। কবে নাগাদ এসব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে আমদানি ও উৎপাদন শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় কেউই। ফলে অনিশ্চয়তা কাটছে না কভিড মোকাবিলায় গণটিকা কর্মসূচি পুরোদমে চালু করা নিয়েও।

এ পর্যন্ত দেশে পাঁচ উদ্যোগে উদ্ভাবিত কোভিড প্রতিরোধী টিকা জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগের অনুমতি পেয়েছে। এগুলো হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত টিকা, রাশিয়ার স্পুটনিক-৫, চীনের সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাক উদ্ভাবিত টিকা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির ফাইজার-বায়োএনটেকের উদ্ভাবিত টিকা। এর মধ্যে স্পুটনিক-৫, সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাকের টিকা ক্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের কথাও এখন ভাবা হচ্ছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা টিকা দিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর দেড় মাসের মাথায় সেরাম থেকে সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হলে হুমকিতে পড়ে যায় পুরো কার্যক্রমটি। সংকট মেটাতে চীন ও রাশিয়া থেকে টিকা ক্রয় ও স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে, দেশ দুটি থেকে টিকা কেনার চুক্তির বিষয়টি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করছে। তবে এ প্রক্রিয়া কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছেন না কেউই।

বর্তমান পরিস্থিতিতে অপেক্ষা করা ছাড়া বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্যমতে, মার্চে সেরাম ৫০ লাখের জায়গায় ২০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর পরই বাংলাদেশের টিকার জন্য অন্যান্য উৎসে যোগাযোগ করা প্রয়োজন ছিল। শুধু সেরামের ওপর নির্ভর করে বসে থাকাটা উচিত হয়নি। পরে যখন এ নিয়ে উদ্যোগ নেয়া হলো, তত দিনে দেরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা পাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে ঠিকই। তবে দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় অপেক্ষা ছাড়া অন্য কোনো উপায় আপাতত সরকারের হাতে নেই।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও পরিচালক (অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, টিকা নিয়ে সরকারের চেষ্টায় ঘাটতি নেই। আমরা বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। চীন ও রাশিয়া ছাড়া অন্যান্য উৎসেও টিকা চাওয়া হয়েছে।

এদিকে করোনার টিকার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক জোট কোভ্যাক্স থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ২০ ডোজ ফাইজারের টিকা দেশে এসেছে। এ জোট থেকে বাংলাদেশ করোনার টিকা পাবে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ। অন্যদিকে চীন থেকে উপহার পাওয়া সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা দিয়ে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চীন আরো ছয় লাখ ডোজ টিকা দেবে। ১৩ জুন ওই টিকা আসার কথা রয়েছে।

এদিকে দেশে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকার মজুত রয়েছে মোটে দেড় লাখ। যদিও টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে পৌনে ১৬ লাখ মানুষের এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়া বাকি। সংকটাপন্ন এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেসব দেশের কাছে অক্সফোর্ডের টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সেগুলোর সঙ্গেও জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ শুরু করেছে সরকার। এসব দেশের পক্ষ থেকে টিকাপ্রাপ্তির আশ্বাস মিলছে ঠিকই, তবে তা কবে নাগাদ আসবে, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

টিকা আমদানির জন্য গত বছরের নভেম্বরের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয় বাংলাদেশের। মূল্যও আগাম পরিশোধ করা হয়। কিন্তু গত মার্চের পর থেকে টিকা সরবরাহ করতে পারছে না সেরাম। প্রতিষ্ঠানটির সরবরাহে সংকটের আভাস মেলার পর থেকে এ পর্যন্ত দফায় দফায় টিকাদান কর্মসূচির পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছে সরকার। অনেকটা ঘাটতি নিয়েই গত ৮ এপ্রিল শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’ টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৬০ হাজার ৮৭১ জন নারী ও পুরুষ প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৪০ হাজার ৮৫৬ জন।

শুক্রবার পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়া বাকি ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ জনের। এর বিপরীতে দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মজুত রয়েছে এক লাখ ৩৯ হাজার ডোজের কিছু বেশি। ফলে প্রথম ডোজ নেয়া সাড়ে ১৪ লাখ ব্যক্তির সময়মতো দ্বিতীয় ডোজ প্রাপ্তি পুরোপুরি অনিশ্চিত। দ্বিতীয় ডোজের টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় গতকাল ৪২ জেলায় টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। রাজধানীতে ৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে বন্ধ হয়েছে ২৭টি কেন্দ্রে। এ মুহূর্তে হাতে যে মজুত রয়েছে, তা আগামী সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। ফলে বাধ্য হয়েই অক্সফোর্ডের টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

অক্সফোর্ড উদ্ভাবিত টিকার ঘাটতি সামাল দিতে বাংলাদেশ প্রথমে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। মে মাসের শুরুতে জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪০ লাখ ডোজ টিকা চায় বাংলাদেশ। গত ৬ মে বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলারের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এসব টিকা কবে নাগাদ দেশে আসবে, কেউই তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না। এছাড়া আরো কয়েকটি দেশের হাতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার বড় মজুত রয়েছে। সেসব উৎস থেকেও টিকা পাওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। সেসব টিকা হাতে আসা নিয়েও বড় ধরনের অস্পষ্টতা রয়ে গিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশকে টিকা পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে। সবাই বলে টিকা দেবে, কিন্তু হাতে আসছে না।

তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা হচ্ছে ২৫ মিলিয়ন। তারা টিকা সংগ্রহ করেছে ৯৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন। আমরা তাদের কাছে চেয়েছি। তারা বলেছে দেবে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকেও টিকা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তাদের কাছে টিকা চেয়েছি। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, আমাদের টিকা দেবে, তবে কবে দেবে সেটি এখনো বলেনি। তারা অক্সফোর্ড ও অন্যান্য টিকা কোভ্যাক্সের অধীনে দেবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটির সদস্য ড. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, অক্সফোর্ডের টিকার প্রথম ডোজ যারা নিয়েছেন, তাদের আরো অনেক সময় অপেক্ষা করা লাগবে। কত সময় লাগবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগের ব্যবধান যদি চার মাস বা পাঁচ মাসের হয়, তাহলেও চিন্তার কিছু নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় ৭টি উপায় ও উপসর্গ

ডেস্ক প্রকাশ: ২৫ মে ২০২১:

করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট’ রুখতে বাংলাদেশের সরকার যখন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, ঠিক সে সময় দেশটিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হাবার খবর অনেকের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আক্রান্ত একজন বর্তমানে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনদিন আগে আরো এক ব্যক্তি বারডেম হাসপাতালে মারা গেছেন। চিকিৎসকরা সন্দেহ করছেন তিনিও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব চিকিৎসক ও অধ্যাপক রশিদ-ই-মাহবুব বলেন, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হচ্ছে সেটির পরিসংখ্যান রাখা দরকার।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষার উপায় ও উপসর্গসমূহ প্রকাশ করেছে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী?

এটি একটি ছত্রাক-জনিত রোগ। মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এই ছত্রাক মাটি এবং বাতাসে এমনিতেই বিদ্যমান থাকে। এমনকি নাক ও সুস্থ মানুষের শ্লেষ্মার মধ্যেও এটা স্বাভাবিক সময়ে থাকতে পারে। এই ছত্রাক সাইনাস, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ফুসফুস যেহেতু দুর্বল থাকে, সেজন্য তাদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগীর চিকিৎসা করছেন ঢাকার বারডেম হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন। অধ্যাপক হোসেন বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস যেহেতু সংক্রামক নয়, সেজন্য এটা নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

কী ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়?

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগীদের সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয় তার মধ্যে রয়েছে:
•নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং নাক থেকে রক্ত পড়া
•চোখে ব্যথা এবং চোখ ফুলে যাওয়া
•চোখের পাতা ঝুলে পড়া
•চোখে ঝাপসা দেখা, যার থেকে পরে দৃষ্টিশক্তি চলে যায়
•নাকের চামড়ার চারপাশে কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয়া

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষার উপায়

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, যেসব জায়গায় ছত্রাকের উপস্থিতি আছে সেসব জায়গা এড়িয়ে যাওয়া খুবই কঠিন।
চিকিৎসকরা বলছেন, যেসব ছত্রাকের কারণে মিউকোরমাইকোসিস হয় সেটা পরিবেশে থাকা খুবই সাধারণ ঘটনা।
তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তারা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে করে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যেতে পারে। এগুলো তুলে ধরা হলো।

১. যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বা সিডিসি বলছে, যেসব জায়গায় অনেক বেশি ধুলোবালি রয়েছে সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা। যদি সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা সম্ভব না হয়, তাহলে এন৯৫ মাস্ক ব্যবহার করা।
২. প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেসব স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর সরাসরি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। সিডিসি বলছে এসব জায়গা থেকে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।
৩. শরীরের চামড়ায় যাতে কোন ইনফেকশন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা। কোথাও কেটে গেলে কিংবা চামড়া উঠে গেলে সেটি যাতে ধুলো-ময়লার সংস্পর্শে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৪. কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা
৫. রোগীর স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। বারডেম হাসপাতালে রেসপিরেটরি মেডিসিনের অধ্যাপক স্টেরয়েডের ব্যবহার ডায়াবেটিসকে অনিয়ন্ত্রিত করে তুলতে পারে। ফলে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমতি হবার ঝুঁকি বেশি ধাকে।
৬. রোগীকে অক্সিজেন দেবার সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
৭. মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, এসব সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিলেই যে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণ এড়ানো যাবে সেটি এখনো পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।

সূত্র: বিবিসি

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৪ ঘন্টায় বাড়ল মৃত্যু ও শনাক্ত

ঢাকা, ৯মে ২০২১: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৬ জন।এনিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৪ জনের।

এ সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৮৬ জন।এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ জনে।

রোববার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। আর নতুন করে আক্রান্ত হন ১ হাজার ২৮৫ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter