Home » স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্বাস্থ্য চিকিৎসা

২৪ ঘন্টায় বাড়ল মৃত্যু ও শনাক্ত

ঢাকা, ৯মে ২০২১: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৬ জন।এনিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৪ জনের।

এ সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৮৬ জন।এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ জনে।

রোববার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। আর নতুন করে আক্রান্ত হন ১ হাজার ২৮৫ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত

ডেস্ক,৮মে:

দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত হয়েছে। শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীরা ভারত থেকে ফিরেছেন। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে যশোরে অবস্থান করছেন।

করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এ ধরন ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বা ধরন পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতের করোনা পরিস্থিতি মর্মান্তিক

ডেস্ক,২৭ এপ্রিল ২০২১:
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ভারতের বিদ্যমান পরিস্থিতিকে হৃদয় বিদারক বলে বর্ণনা করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রেয়িসাস। দেশটিতে দৈনিক করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ পার, অক্সিজেন সংকটের পাশাপাশি প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণে সোমবার তিনি এই মন্তব্য করেন। এনডিটিভি।

ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে আগেই। দেশজুড়ে চলছে অক্সিজেনের হাহাকার। ভেঙে পড়েছে খোদ রাজধানী নয়াদিল্লির চিকিৎসা সেবা। এমনকি মৃত্যুর পরেও মৃতদেহ দাহ করতে সৃষ্টি হয়েছে লম্বা লাইনের। কবরস্থানের দেখা দিয়েছে জায়গা সংকটের।

সোমবার ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘হৃদয় বিদারক’ উল্লেখ করে ডব্লিউএইচও’র প্রধান বলেন, ‘মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ভারতে অতিরিক্ত জনবল পাঠাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অনেক জায়গায় সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে অনেক দেশ এখনও কোভিড -১৯ এর কারণে তীব্র সংকটে রয়েছে। ভারতের পরিস্থিতি হৃদয় বিদারক।’

টেড্রোস অ্যাধানম বলেন, ‘আমরা যা যা করতে পারি তা করছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও সরবরাহ করা হচ্ছে। ভারতে অক্সিজেন কন্টেইনার, মোবাইল ফিল্ড হাসপাতাল এবং ল্যাবরেটরি পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও দেশটিতে ২ হাজার ৬০০ জন বিশেষজ্ঞকে পাঠিয়েছে ডব্লিউএইচও।’

গত ৯ সপ্তাহ ধরে বিশ্বব্যাপী করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার বাড়ছে। এর বেশিরভাগই ভারতে। দেশটিতে শনাক্ত করোনার নতুন ধরন নিয়ে চিন্তিত সারা বিশ্ব। ইতোমধ্যেই ভারতে করোনা টিকা তৈরির কাঁচামাল পাঠানোর ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া ভারতের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, পাকিস্তান, জার্মানি, ফ্রান্সসহ অনেক দেশ। সাহায্যের প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে গুগুল ও মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানও।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতে অক্সফোর্ডের টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের সংক্রমণের হার খুব কম

ডেস্ক,২২ এপ্রিল
ভারতে টিকা নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ কম। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দশমিক শূন্য ২ শতাংশ মানুষের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর যারা এই টিকার দুটি ডোজ নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে এ হার আরও কম, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন গ্রহণকারীদেরও সংক্রমণের হার কম।
আরো খবর

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে দিনে দুই লাখ আবেদন

বাংলাদেশেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ও সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা কোভিশিল্ডের প্রয়োগ চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ৫৭ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর ১৬ লাখের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন।
ভারতে টিকা নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ কম। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দশমিক শূন্য ২ শতাংশ মানুষের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর যারা এই টিকার দুটি ডোজ নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে এ হার আরও কম, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন গ্রহণকারীদেরও সংক্রমণের হার কম।

বাংলাদেশেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ও সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা কোভিশিল্ডের প্রয়োগ চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ৫৭ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর ১৬ লাখের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দৈনিক সংক্রমণে বিশ্ব রেকর্ড, মৃত্যু ছাড়াল দু’হাজার

ডেস্ক,২১ এপ্রিল:

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রীতিমতো কাঁপছে ভারত। দেশটিতে ভয়াবহভাবে বেড়েই চলেছে ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত কয়েকদিন ধরে দেশটির দৈনিক করোনা সংক্রমণ দুই লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বুধবার সেই সংখ্যা পৌঁছেছে তিন লাখের কাছাকাছি। এক দিনে আক্রান্তের এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এনডিটিভি, আনন্দবাজার।

একইসঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে গত কয়েকদিনে তা হাজারের ঘর পেরিয়েছে, কিন্তু বুধবার সেই সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজারের ঘর। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন রেকর্ড ২ হাজার ২৩ জন।

বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার ৪১ জন। যা মঙ্গলবারের তুলনায় প্রায় ৩৬ হাজার বেশি। সংক্রমণের এই রেকর্ড বৃদ্ধিতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখের ঘর। মোট আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে আমেরিকার পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

মঙ্গলবার দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হলেও বুধবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩ জনে। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৩ জনে।

দৈনিক বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভারতে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৬১ জন। দেশটিতে এখন মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে দেড় লাখের নিচে চলে এসেছিল।

কিন্তু এরপর রোগী বাড়তে বাড়তে তা সাড়ে ২১ লাখ ছাড়িয়েছে। ফলে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। অনেক জায়গায়ই অস্থায়ী করোনা সেন্টার তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্য সরকার।

এদিকে সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউনও জারি করা হয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও ‘করোনা কারফিউ’ চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কারফিউ জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মৃত্যু আরও বাড়ার আশঙ্কা!

ডেস্ক,২০ এপ্রিল:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১১২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। মহামারিকালে বাংলাদেশ একদিনে এত মৃত্যু আগে দেখেনি। সরকারি হিসেবে এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মারা গেছেন ১০ হাজার ৪৯৭ জন।

এর আগে টানা তিন দিন মারা যান— রবিবার ১০২ জন, শনিবার ১০১ জন এবং শুক্রবার ১০১ জন। তার আগে বৃহস্পতিবার ৯৪ জন এবং বুধবার ৯৬ জন মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদফতর গত ৩১ মার্চ ৫২ জনের মৃত্যুর কথা জানায়। তারপর থেকে সোমবার পর্যন্ত আর একদিনও মৃত্যুর সংখ্যা নিচে নামেনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামীতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, কোভিড-১৯ রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে। যে কারণে রোগীর মৃত্যুও হচ্ছে দ্রুত। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নাজুক অবস্থার কারণে রোগীরা সময় মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জন করোনা রোগী শনাক্তের খবর দেয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর খবর দেয় প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে এক হাজারের বেশি রোগী মারা যান। এরপর গত ১৫ এপ্রিল মারা যাওয়া ৯৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

গত শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, দেশে গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪৮ জন, আর চলতি সপ্তাহে মারা গেছেন ৬২২ জন। আগের সপ্তাহের চেয়ে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এরমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত বছরের চেয়ে এবার আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে।

আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের মার্চে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন, আর ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৪১ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।

আইইডিসিআর সংক্রমণ পরিস্থিতির বিষয়ে জানায়, এ বছরের এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ এবং ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের সঙ্গে চলতি বছরের তিন মাসের তুলনা করে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে— গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যাননি, মার্চে মারা গেছেন পাঁচ জন, আর এপ্রিলে মারা যান ১৬৩ জন। কিন্তু চলতি বছরের এই তিন মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর বলছে, এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৪৪ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ রোগী বাড়িতে এবং ৬ শতাংশ রোগী অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আইইডিসিআর জানায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং ১২ শতাংশ উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ রোগী।


হাসপাতাল উদ্বোধনের সময় মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া মানে মৃত্যু বেড়ে যাওয়া মন্তব্য করে আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সংক্রমণের যে গতি-প্রকৃতি তাতে রোগতাত্ত্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার ইফেক্ট পাওয়া যায় দুই সপ্তাহ পর। আর মৃত্যুহারের প্রভাব বোঝা যাবে তিন সপ্তাহ পরে। সেই হিসেবে এখন যেসব সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, তাতে গড়ে তারা দুই সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। আর এখন যাদের মৃত্যু হচ্ছে, তারা তিন সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। তবে সরকার যে কঠোর বিধিনিষেধের ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে করে মৃত্যুর হার খুবই ধীরে ধীরে নামবে, আরও তিন সপ্তাহ পরে। তবে যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয়, সেটা আবারও লাফ দিয়ে বাড়বে।

মৃত্যুর নিম্নগামীতা আমরা দেখতে পাবো ১৪ এপ্রিলের তিন সপ্তাহের মাথায়।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এটা অন্তত ২০০ (প্রতি দিনের মৃত্যু) পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি এভাবেই চলতে থাকে।’

‘‘যখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্যাপাসিটি রোগী ম্যানেজমেন্ট করতে না পারে, তখন মৃত্যু বাড়বেই”, বলেন এই চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘একজন রোগী হাসপাতালে আসার পর যদি ভালো কেয়ার পান, অনেক বেশি খারাপ না, আবার বেশি ভালো নয়— এধরনের রোগীদের যদি দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, আইসোলেট করে ফেলা যায়, তাহলে কমিউনিটি সংক্রমিত হবে না এবং রোগীও চিকিৎসা পাবেন। কিন্তু যখন সব হাসপাতাল ওভারলোডেড হয়ে যায়, ক্যাপাসিটি ওভারফ্লো হয়ে যায়, তখন মানুষ ঘুরতে থাকে বেড না পেয়ে।’

হেলথ সিস্টেমের এই ক্যাপাসিটি ইতোমধ্যেই ওভারফ্লো হয়ে গেছে। এ জন্য মৃত্যুও বাড়ছে জানিয়ে ঢামেক হাসপাতালের এই চিকিৎসক বলেন, ‘সেই সঙ্গে নতুন ভ্যারিয়েন্ট এসেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আর এসব ভ্যারিয়েন্ট কেবল দ্রুত সংক্রমণই ছড়ায় না, জটিলতাও বাড়ায়।’

পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তাই এখন একটা সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে। একইসঙ্গে বাসায় যারা মারা যাচ্ছেন, অথবা পরীক্ষা না করিয়ে মারা যাচ্ছেন, তাদের রিপোর্টিং হচ্ছে না। অনেকে উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছেন সেটাও রিপোর্টিং হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ শতাংশ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন শুধুমাত্র জ্বর এবং কাঁশি নিয়ে। এই মানুষগুলো যদি না ভর্তি হতেন, তাহলে ২১ শতাংশ বেড যেগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো খালি রাখা যেতো ক্রিটিক্যাল রোগীদের ভর্তি করার জন্য।’

তাতে করে করোনা রোগীরা চিকিৎসা পেতেন। ফলে চিকিৎসা পেলে মৃত্যু কমতো’, বলেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের নতুন রেকর্ড ভারতের

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল ২০২১:
ভারতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আরও দুই লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৬১৯ জনের। ভারতে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃতের ঘটনা।

গত ৫ দিন ধরেই দেশটিতে নতুন শনাক্তের সংখ্যা দুই লাখেরও বেশি। এর জেরে দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা এরইমধ্যে দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মোট শনাক্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ভারতের অবস্থান।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর হিসাব অনুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৫০ লাখ ৬১ হাজার ৯১৯। এর মধ্যে এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৩ জনের মৃত্যু হযেছে। বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৩০৫।

এতো বেশি সংখ্যক সক্রিয় রোগী এর আগে আর দেখা যায়নি। রোগী বৃদ্ধির জেরে হাসপাতাল, নার্সিংহোমগুলিতে শয্যা প্রায় ভর্তি। একই শয্যায় দুই রোগীকে শুয়ে থাকার দৃশ্য দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। এমনকি অক্সিজেন না পেয়ে কোভিড রোগীর মৃত্যুর খবর আসছে।

দৈনিক মৃত্যু এই পর্যায়ে চলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের বাইরে, শ্মশানে এবং কবরস্থানে মরদেহের সারি পড়ে থাকছে। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে তা দেখা যায়নি করোনার প্রথম পর্বেও। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, করোনার প্রথম তরঙ্গের মতো এর দ্বিতীয় ঢেউকেও পরাজিত করতে সক্ষম হবে ভারত। কোভিড পরিস্থিতি এবং টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কঠোরভাবে করোনাবিধি পালনের মাধ্যমে আরও দ্রুত গতিতে সমন্বয় সাধন করে কোভিডকে মোকাবিলা করা সম্ভব।

সংক্রমণের গতি রুখতে কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাদের চিকিৎসার ওপর জোর দিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তাদের চিকিৎসার কোনও বিকল্প নেই।’

কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডের ব্যবস্থা করারও তাগিদ দেন মোদি। পাশাপাশি রোগীদের জন্য রেমডেসিভির-সহ অন্যান্য ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেন তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শানাক্ত হয়েছে ৩৪৭৩ জন। এর আগে শুক্রবারও (১৬ এপ্রিল) করোনায় মারা যান রেকর্ড ১০১ জন।
আরো খবর

বাড়তে পারে লকডাউন

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৭ জন। চট্টগ্রামের ২৩, রাজশাহী ২, খুলনা ৩, বরিশাল ১, সিলেট ২ জন, রংপুর ০ ও ময়মনসিংহের ৩ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ, ৩২ জন নারী। ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬৩৫ জন এবং নারী ২ হাজার ৬৪৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৫৮ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৮ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৯ জনের। এছাড়াও হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একদিনে রেকর্ড ১০১ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪১৭

ডেস্ক,১৬ এপ্রিল:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে ১৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৪১৭ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৭০৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৯০৬টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জন। তাদের মধ্যে ১০ হাজার ১৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৫৯ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২০, রাজশাহীতে ৩, খুলনায় ৫, বরিশালে ৪, সিলেটে ১ জন, রংপুরে ৬ জন ও ময়মনসিংহে ৩ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৭ জন পুরুষ, বাকি ৩৪ জন নারী।

এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ১৮২ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৫৬৬ জন এবং নারী ২ হাজার ৬১৬ জন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ১২ ব্যাংকারের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,ডেস্ক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে কঠোর লকডাউন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন চলবে আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। এদিকে এবার সংক্রমণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার।
এবার কঠোর লকডাউনের মাঝে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণার পর আবার খোলে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও। কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত ১৫ দিনে প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন ব্যাংকার ও একটি ব্যাংকের গাড়ি চালক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি সেবা হিসেবে ব্যাংক খোলা থাকলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে অফিসে যাওয়া-আসা এবং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সময় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ পরিপালন করা হয় না। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন তারা, সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধিক কর্মী সমাগম ঠেকাতে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জোর দেয়া উচিত।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা ও অন্যজন চট্টগ্রামের সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল পর্যায়ের কর্মী।

গত ৮ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান যমুনা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার শরিফুল বারী মিল্টন। এর আগে গত ২১ মার্চ তার করোনার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮ সালে ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা। ব্যাংকের সেবা বিভাগে কর্মরত ওই কর্মকর্তার নাম আব্দুর রাজ্জাক ইউসুফজাই। ঢাকার এক হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

নিলফামারীতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন চালক মারা গেছেন একই সপ্তাহে। এছাড়া ব্যাংটির প্রধান কার্যালায়ের সহকারী-মহাব্যবস্থাপক জাকির হোসেনসহ আরো কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

সরকারি রূপালী ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কেউ মৃত্যুবরণ করেননি। তবে কয়েকজন কর্মকর্তা সংক্রমিত হয়ে রাজাধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

গত ৬ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহফুজুল ইসলাম (৪৮) নামে আরেক ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। মাহফুজুল ইসলাম উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নাজগ্রাম গ্রামের মৃত জাকের আলীর ছেলে।

৫ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের গোপালপুরে করোনায় মারা যান ফৌজিয়া জেসমিন নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ফৌজিয়া জেসমিন অগ্রণী ব্যাংক জামালপুর শাখায় এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন।

৫ এপ্রিল ভোরে অগ্রণী ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা মুহা. মুহিব্বুল্লাহ বাহার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি অগ্রণী ব‍্যাংক পাবনায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মহিদুল হক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অক্সিজেন সাপোর্টের জন্য তাকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে যান তার পরিবারের সদস্যরা। কোথাও আইসিইউ বেড খালি না থাকায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেননি তারা। পরে রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে বিনাচিকিৎসায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মারা যান তিনি।

৩ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সহকারী মহাব্যবস্থাপক শামীমা ফেরদৌস শিমুল। শামীমা ফেরদৌস শিমুল রাকাবের মনিটরিং শাখা প্রধানের দায়িত্বপালন করছিলেন। তিনি রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।

৩১ মার্চ ভোরে নাটোরে নিজ বাসায় মারা যান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ন্যাশনাল ব্যাংক নাটোর শাখার প্রথম নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম কনক। বেশকিছু দিন ধরেই কনকের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল। পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ আসে। এর পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

৩০ মার্চ করোনায় মারা যান সিটি ব্যাংকের মিরপুর শাখার সিনিয়র অফিসার আতিয়া খানম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আতিয়া খানম ১৮ বছর সিটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫৯

ডেস্ক,০১ এপ্রিল ২০২১:

দেশে করোনায় একদিনে রেকর্ড ৬ হাজার ৪৬৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ৫৯ রোগী। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৯ হাজার ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে করোনা শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়াদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩০ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৩ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ৪ জন এবং ২১-৩০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৮ হাজার ১৯১টি, আর গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ১৯৮টি। এর মধ্যে ৬ হাজার ৪৬৯ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন মোট ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৩৯ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩৮ জন।

দেশে প্রথম কভিড-১৯ সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ, মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু ৭ এপ্রিল

ডেস্ক,১৫ মার্চ:
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একজন নার্সকে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে বহু প্রতীক্ষিত টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। সেখানে কোনো জটিলতা দেখা না দেয়ায় ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় সারাদেশে গণ টিকাদান। যারা ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে দুই মাস পর জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান বলেন, যারা ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম টিকা নিয়েছেন, তাদের ৭ এপ্রিল দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে।

তবে প্রথম দিকে দ্বিতীয় ডোজের জন্য এক মাস পরের তারিখ লিখে দেয়া হয়েছিল, কিন্তু এই টিকার দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়লে কার্যকারিতাও বাড়ে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার সুপারিশ করে জাতীয় কারিগরী পরামর্শক কমিটি। এর জন্য মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে তাদের নতুন তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম ১৫ ফেব্রুয়ারি জানান, বাংলাদেশে দ্বিতীয় ডোজ দুই মাস পরেই দেয়া হবে।

এরপর থেকে যারা টিকার প্রথম ডোজ নিচ্ছেন, দ্বিতীয় ডোজের জন্য তাদের টিকা কার্ডে দুই মাস পরের তারিখই দেয়া হচ্ছে।

টিকা নিয়েছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেও একই তথ্য পাওয়া গেছে। মার্চের ১১ তারিখ টিকা নেন জুবায়ের আহমেদ নবীন তিনি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, টিকা নেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজের জন্য মে মাসের ১১ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে। দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘোষণা আসে ১৮ মার্চ।

২৬ জানুয়ারি থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয় করোনা টিকার। প্রথম দফায় দেশে করোনার টিকা দেয়া হবে ৫০ লাখ মানুষকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য আলাদা টিম গঠন করা হয়।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, এর আগে আমাদের জানানো হয়েছিল প্রথম ডোজ দেয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। তবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার নতুন তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ডোজ দেয়ার দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে।

তিনি আরো বলেন, আগে পরিকল্পনা ছিল প্রথম মাসে ৫০ লাখ টিকা ২৫ লাখ মানুষকে দিয়ে বাকিটা দ্বিতীয় ডোজের জন্য রেখে দেয়া হবে। কিন্তু পরিকল্পনার পরিবর্তনের কারণে প্রথম মাসেই একসঙ্গে ৫০ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে। দুই মাসের মধ্যে আরো টিকা চলে আসবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, ফাইজারের টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৪ লাখ সম্মুখসারির মানুষকে ফাইজারের টিকা দিতে হবে।

অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজ টিকা আনতে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে গত পাঁচ নভেম্বরে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার কথা বাংলাদেশের। আর কোভ্যাক্স থেকে ছয় কোটি ৮০ ডোজ টিকা আসবে আগামী মে থেকে জুন মাসের মধ্যে।

কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, সঠিক সময়ে করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে। তবে টিকা নিলেও সবাইকে আগের দেয়া নির্দেশনা গুলো মানতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রায় ২৫ লাখ ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ ফেব্রুয়ারী:
দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ভ্যাকসিন নিয়েছেন ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৫৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩ জন, নারী ৮ লাখ ৫৭ হাজার ২০ জন। তাদের মধ্যে ৬৩০ জনের মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, হালকা জ্বরের মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যা মোট গ্রহীতার শতকরা শূন্য দশমিক ০২৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর টিকাদান বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৮২ হাজার ৮৯৬ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেহেরপুরে পৌঁছেছে করোনার ভ্যাকসিন

সংবাদদাতা, মেহেরপুর,২৯ জানুয়ারী ॥ সারা দেশের ন্যায় মেহেরপুরে পৌঁছেছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রতিষেধক টিকা।
আজ শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জন অফিসে বেক্সিমকো ফার্মা লিঃ কোম্পানীর ডেপুটি ম্যানেজার কামরুল হাসান শীততাপ ভ্যান গাড়ীর মাধ্যমে ঢাকা থেকে ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটি কার্টুনে ১২’শ করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রতিষেধক (ভ্যাকসিন) টিকা ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির হাতে হস্তান্তর করেন।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, সহকারী কমিশনার রাকিবুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ আঃ আউয়াল মিয়া, সহকারী পরিচালক (ঔষধ প্রশাসন) কে, এম মুহসীনিন মাহবুব প্রমুখ।
এসময় মেহেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, বহুল প্রতিক্ষিত করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)-এর প্রতিষেধক (ভ্যাকসিন) টিকা মেহেরপুরে পৌঁছানোর জন্য আমরা আনন্দিত। এই কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আগামী ফেব্রুয়ারী মাসের ৭ তারিখের পর প্রথম স্বাস্থ্যকর্মী’র মাধ্যমে প্রয়োগ করে তা সাধারণ মানুষকে দেওয়া হবে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মেহেরপুর সদর, গাংনী ও মুজিবনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যায়ক্রমে একটি করে টিম গঠন করে একদিনে ১০০-১৫০ জনকে টিকা প্রদান করার প্রস্তুতি আমরা গ্রহণ করেছি। করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে কোন প্রকার ভয়-ভীতি না পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরীক্ষার জন্য টিকা উৎপাদনের অনুমতি পেলো বায়োটেক

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ জানু:

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা উৎপাদন করার অনুমোদন পেয়েছে গ্লোব বায়োটেক। এ মাসেই প্রতিষ্ঠানটির ‘বঙ্গভ্যাক্স’ ক্লিনিক্যালি ট্রায়াল হতে পারে।

গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষ যেকোন ওষুধ উৎপাদন করা হয়। গ্লোব বায়োটেককে এই টিকা উৎপাদনে অনুমতি দিয়েছে অধিদপ্তরটি। টিকা উৎপাদনের পর গ্লোব বায়োটেক টিকার ট্রায়ালের অনুমোদনের জন্য চেষ্টা চালাবে বলে আসিফ মাহমুদ জানান।

গেলো বছর ৩ জুলাই তেজগাঁওয়ে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গ্লোব বায়োটেকের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির চেষ্টার ঘোষণা দেয়া হয়েছিলো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের নাম আছে। যে ১৫৬টি টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পূর্বাবস্থায় আছে, তার মধ্যে গ্লোবের তিনটি টিকা আছে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রধান আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে তাদের ওই সম্ভাব্য টিকা ‘কার্যকর ও সম্পূর্ণ নিরাপদ’ প্রমাণিত হয়েছে।

করোনার টিকা প্রাপ্তি নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) গ্লোব এ অনুমোদন পেল।

বিশ্বের এগিয়ে থাকা টিকাগুলোর মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে টিকা কিনছে বাংলাদেশ সরকার। এই টিকা সরবরাহ করবে বেক্সিমকো ফার্মা। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বেক্সিমকো ফার্মা ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে চুক্তি হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter