Home » লাইফ স্টাইল

লাইফ স্টাইল

চুল পড়ার জন্য দায়ী যেসব খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ সেপ্টেম্বর:
যেসব সমস্যা আমাদের জন্য ভীষণ কমন, তার একটি হলো চুল পড়া। এই সমস্যায় ভুগছেন না বা কখনো ভোগেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। চুল আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশ করে। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। এই চুল পড়া নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আবার নানারকম পদ্ধতির প্রয়োগ করেও মেলে না সমাধান।

ধুলোবালি কিংবা আবহাওয়ার প্রভাব কিংবা জীবনযাপনের ধরন তো আছেই, সেইসঙ্গে চুল পড়া সমস্যার জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসও অনেকটা দায়ী। চুল যদি ভেতর থেকে পুষ্টি না পায় তবে বাইরে থেকে যতই যত্ন নেয়া হোক না কেন, সমাধান মিলবে না। সেজন্য নজর রাখতে হবে খাবারের তালিকায়ও। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, চুল পড়া বন্ধ করতে হলে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে।

মিষ্টি খাবার লোভনীয়, তাতে সন্দেহ নেই। তাই অতিরিক্ত চিনি বা রিফাইন্ড ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। ব্লাড সুগার বাড়লে অ্যান্ড্রোজিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে হেয়ার ফলিকল নষ্ট করে দেয়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও হাইডারোজেনেটেড অয়েল রয়েছে, চেষ্টা করুন সেসব এড়িয়ে চলার। এই তেল স্ক্যাল্পে জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে, যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। এর বদলে ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে এমন খাবার রাখুন তালিকায়। বেকড খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।

খাবার তালিকা থেকে অতিরিক্ত পারদযুক্ত মাছ বাদ দিন। ভেটকি বা টুনা জাতীয় মাছ বেশি খাবেন না। তার বদলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুল বাড়তে সাহায্য করে।

জিঙ্ক আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতিরিক্ত বিয়ার বা ওয়াইন পান করলে জিঙ্ক হজম করতে অসুবিধে হয়। বেশি পরিমাণ মদ্যপান সাধারণভাবেই চুলের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

কী খাবেন?
আমাদের চুলের জন্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ খুবই প্রয়োজনীয়। ডিম, মাংস, বিনস, মাশরুম, ড্রাই ফ্রুটস, সবুজ শাক সবজি যেমন পালং শাক ইত্যাদি আয়রন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য আয়রন এবং জিঙ্ক প্রয়োজনীয় দুটি খনিজ পদার্থ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কমবে চুল পড়া, বাড়বে চুলের বৃদ্ধি

চুল ঝরে পড়ছে? ঘরোয়া যত্নে কমাতে পারেন চুল পড়া। নিয়মিত তেল ম্যাসাজের পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি প্যাক ব্যবহার করুন সপ্তাহে অন্তত একদিন।

হেয়ার প্যাকগুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে বাড়বে চুলের বৃদ্ধিও।

সপ্তাহে দুইবার অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন চুলে।

অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস সংগ্রহ করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে অপেক্ষা করুন।

বিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে।আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে তেল ম্যাসাজ করুন চুলে। এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কী ভাবে রুখবেন এই ভাইরাস?

নিজস্ব প্রতিবেদন০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
করোনাভাইরাসের হানা আটকাতে হিমশিম খাচ্ছে চিন সরকার। কাঁটাতার ছাপিয়ে সে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়া-ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে। ভারতেও ঢুকে পড়েছে করোনাভাইরাস। ভায়রোলজিস্ট ও চিকিৎসকদের মতে, এই ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক বা ওষুধ এখনও নেই। তাই তাকে রুখে দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোনও পথও নেই। মারণ এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে তাই সাবধানতাই একমাত্র অস্ত্র।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০দিনে ৫ কেজি ওজন কমাবেন যেভাবে

ডেস্কঃ

শুধু ওজন কমানোই নয়, হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সবটাই এই ডায়েটের অন্যতম কাজ। কম সময়ে বেশি ওজন কমাতে চাইলে ভেরি লো ক্যালোরি ডায়েট বা ‘ভিএলসিডি’ এর জুড়ি নেই। পুষ্টিবিদ রোগীর অবস্থা বুঝে খুব হিসেবনিকেশ করে এমন ডায়েট চার্ট বানিয়ে থাকেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনও জল বা অন্য লো ক্যালোরি তরলে কেনা পাউডার মিশিয়েও বানানো যায়।

তবে বর্তমান সময়ে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে মাসে ১০ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। পাশাপাশি হোমিও মেডিসিন ফাইটোলস নিয়মিত সেবন  করতে  হবে ।

ওজন কমানোর প্রথম দিন

প্রথম দিনটি ওজন কমানোর জন্য সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। কেননা এই প্রথম দিনের উপর নির্ভর করবে আপনার বাকী দুই দিন। প্রথম দিনে আপনাকে যা খেতে হবে তা হলো ফল। মোটামুটি সব ফলই আপনি চাইলে খেতে পারেন তবে কলা খাওয়া একদম যাবে না।

যখনই ক্ষুধা লাগবে আপনি ফল খেয়ে নিন, তবে এক সঙ্গে অনেকগুলো ফল খাবেন না। বিশেষ ভাবে যেই ফলে পানির পরিমান বেশী সেই ফল খেতে পারেন, এতে আপনার ডায়েটটি বেশী সফল হবে।

এ ছাড়া ফলের পাশাপাশি কম পক্ষে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পেট খালি না রেখে ফল ও পানি বেশী করে খান।

ওজন কমাতে সবজির কোন বিকল্প নেই

প্রথম দিনের ডায়েটে আর যা খাবেন-

সকালের নাশতাঃ একটি ডিম এবং অর্ধেক বাটি সবজি। (সবজিতে যত কম তেল দেওয়া যায় ততই ভাল)

দুপুরের খাবারঃ শুধু মাএ একটি সেদ্ধ ডিম। শাক , সবজি, মাছ, সাথে আপেল সিডার ভিনেগার।

রাতের খাবারঃ একটি গাজর বা আধা কাপ শসা, এবং অল্পকিছু ফল।

ওজন কমানোর ২য় দিন

২য় দিন সবজিময়। তবে আলু খাওয়া চলবে না। এ ছাড়া অল্প কিছু ফল খেতে পারেন। যেসকল সবজি কাঁচা খাওয়া যায় তা বেশী করে খেতে পারেন। যেমন গাজর, শসা ইত্যাদি। তবে সবজি রান্না করে খেতে চাইলে যত কম তেল ব্যবহার করবেন ততই ভাল।  ১ম দিনের মত ২য় দিনেও কম পক্ষে ১০ গ্লাস পানি খেতে হবে।

২য় দিনের ডায়েটে আর যা খাবেন-

সকালের নাশতাঃ একটি ছোট আপেল এবং আধা বাটি শসা।

দুপুরের খাবারঃ একটি সেদ্ধ ডিম এবং শাকসবজি, মাছ ও মাংশ।

রাতের খাবারঃ এক টুকরা মাছ এবং পরিমাণমতো সবজি (শসা+গাজর)

ডাঃএস কে দাস

ডিএইচএমএস (ঢাকা)

chamber: chuadanga

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দাত ঝকঝকে করতে যা করবেন

দাত-শিক্ষাবার্তা
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে

তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি।



-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

ব্যবহার বিধি

এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঠান্ডা-সর্দি দূরে রাখার ৫ উপায়

আবহাওয়া বদলের বিষয়টি নিশ্চয়ই টের পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ঠান্ডা ও সর্দির প্রকোপ বেড়ে যায়। ঠান্ডা লাগা ও সর্দি থেকে দূরে থাকতে আগে থেকেই সাবধান থাকতে হবে। অনেকের ধারণা, বেশিক্ষণ ঠান্ডায় থাকলে বা পানিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগে, সর্দি হয়। যদিও এসব রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস, তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম আছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা আমাদের শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুসখুস ভাব দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি আসে। ক্রমান্বয়ে মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। হালকা জ্বর ও শুকনা কাশিও হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫টি নিয়ম মানলে সর্দি-কাশি আপনার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না। জেনে নিন উপায়গুলো:

প্রচুর ভিটামিন ডি
গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ভিটামিন ডির অভাব হয়, তাদের সর্দি-কাশিতে কাবু করে বেশি। শরীরে ভিটামিন ডি থাকলে তা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। অনেক সময় শুধু খাবার থেকে যথেষ্ট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত। এর বাইরে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকা লাগতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে সপ্তাহে দুই দিন কেউ যদি অন্তত ৫ থেকে ৩০ মিনিট সূর্যালোক গায়ে মাখে, তবে তা যথেষ্ট।

হাত পরিষ্কার রাখুন
আপনি অনেক সময় মুখে হাত দেন। ২০১৬ সালে করা এক গবেষণায় দেখা যায়, একজন ব্যক্তি প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১৬ বার মুখে হাত দেন। মুখে হাত দেওয়ার পাশাপাশি হাতে অনেক জিনিস ধরা হয়। এতে হাত থেকে মুখে সহজেই ভাইরাস যেতে পারে। সেখান থেকে মুখে বা শরীরে ভাইরাস যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। তাই পরিষ্কার করে হাত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান ব্যবহার করে নিয়মিত হাত ধুয়ে নেবেন। তাহলে ঠান্ডা লাগা কমবে।

ফোন পরিষ্কার রাখুন
এখন প্রায় সবার হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে গেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন, আপনার ফোন কোথায় কোথায় রাখেন। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা যায়, টয়লেট সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে মোবাইল ফোনে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, স্মার্টফোনের পর্দায় থাকা এসব জীবাণু ত্বকের রোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এসব জীবাণু থেকে সর্দি-কাশি হতে পারে। তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

জিংক গ্রহণ করুন
শরীরে জিংকের ঘাটতি হলে ভাইরাসের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। তাই শরীরে জিংকের ঘাটতি হতে দেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে জিংক ট্যাব খেতে পারেন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ মো. শরিফুল ইসলামের ভাষ্য, আমাদের শরীরে তিন শর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়। গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে। সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজা, আটা-ময়দার রুটি, দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন ও ঝিনুকে জিংক পাওয়া যায়।

দই খান
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দরকারি কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রয়োজন। ২০১৪ সালে ‘জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন ইন স্পোর্টস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, যেসব রাগবি খেলোয়াড় সম্পূরক খাবার হিসেবে প্রোবায়োটিক গ্রহণ করেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় কম সর্দি–কাশি ও পেটের সমস্যায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে দই দারুণ কার্যকর। প্রোবায়োটিকস গ্রহণকারীদের সর্দি-কাশি খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে না বলেই গবেষণায় দেখা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নিয়মিত না হাঁটলে বয়স্ক নারীদের যে রোগ হয়

ডেস্ক: বয়স বাড়লে অনেক নারীই আছেন সংসারের হাল ছেড়ে দেন। ফলে তাঁদের দৈনন্দিন শারীরিক ক্রিয়া হঠাৎই অনেকটা কমে যায়।চিকিৎসকরা বলছেন, এর ফলে নানা রোগ দেখা দিতে পারে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সকালে বা বিকেলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস রাখা।

দীর্ঘকাল সংসারের চাপ সামলাতে হয় নারীদের। আবার যাঁরা চাকরিজীবী, তাঁদের ঘরে বাইরে দুই জায়গাতেই দায়িত্ব সামলাতে হয়। তাই অনেক সময়ই দেখা যায়, একটা বয়সের পর নারীরা আর সংসারের কাজকর্মের ভার সামলাতে পারেন না। আর বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে জিমে যাওয়া বা খেলাধূলার মতো শারীরিক ক্রিয়ার সুযোগও অনেক কম থাকে।

তাই নানা রোগ অচিরেই বাসা বাঁধে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক পরিণতিও হতে পারে। কারণ, হৃদযন্ত্র যত রক্ত বেশি পরিমাণে রক্ত পাম্প করতে পারবে, ততই তা ভালো থাকবে। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের মধ্যে সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে হাঁটার অভ্যাস রাখতেই হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মেনোপজ়ের পর যেসব নারীরা একটানা অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস রেখেছেন, তাঁদের হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সম্ভাবনা ২১-২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। আবার যাঁরা দ্রুত হাঁটেন, এমন নারীদের মধ্যে সেই সম্ভাবনা ২৬-৩৮ শতাংশ কমে গেছে।

অনেকেরই ধারণা, শুধু হাঁটায় শরীরের কোনও উপকার হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ধারণা একেবারেই ভুল। বরং তাঁরা বলছেন, হার্ট ভালো রাখতে যে যে এক্সারসাইজ়গুলি করতে বলা হয়, তার প্রায় সবকটিরই সমান কাজ করে হাঁটা। তাই বয়স ৫০ পেরোলেই নিয়ম করে হাঁটা অভ্যাস করুন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নখ খেলে শরীরের কি ক্ষতি হয় জানেন?

মাত্র খেয়ে উঠেছেন সোহাগ। একটু বিশ্রামের জন্য বসেছেন সোফায়। সামনে চলছে টিভি। এরপরও মুখে চলে গেছে ডান হাতের নখ। তার মতো অনেকেরই রয়েছে এমন অভ্যাস।

অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা এমনিভাবে নখ খেয়ে থাকেন। যতক্ষণে স্টক ফুরোয়, ততক্ষণে নখের হাল বেহাল। শুধু কী তাই, শরীরেরও একাধিক ক্ষতি হয়ে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে তো নখের ভেতর জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া দেহের ভেতর প্রবেশ করে এত মাত্রায় ক্ষতি করে যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন পরে।

আপনিও যদি ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ-ডিনারে শুধু নখই খেয়ে থাকেন, তাহলে সাবধান! কোনো এক অজানা কারণে বহু মানুষই হাতের নখ খেয়ে থাকেন। কেউ বলেন এমনটা করলে নাকি বুদ্ধির জোর বাড়ে, আবার কারও মতে নিছক অভ্যাসের বসেই আঙুলগুলো মুখের কাছে চলে আসে। এক্ষেত্রে স্ট্রেসকেও অনেকে দায়ী করে থাকেন। তবে এই সব শুনে ভাববেন না যে এই কু-অভ্যাসের জন্ম আধুনিক যুগে হয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা গেছে, আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে গ্রিসের এক দার্শনিক সিডোনিয়াস তার একাধিক লেখায় একজন মানুষের কথা বলেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন যখন সেই বিশেষ মানুষটি কিছু ভাবতে বসেন, তখনই হাতের নখ খান। তাহলে ভাবুন সেই কোন যুগ থেকে মানুষ এই কু-অভ্যাসের শিকার হয়ে আসছে। তবে নখ খাওয়ার কারণ যাই হোক না কেন, এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নখ খেলে একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরের ভেতর জটিল সংক্রমণ দানা বাঁধার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন, তাহলে আর অপেক্ষা না করে জেনে নিন নখ খেলে শরীরের কী কী ক্ষতি হতে পরে।

১. মুখের দুর্গন্ধ
গবেষণায় দেখা গেছে নখ খাওয়ার সময় হাতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখগহ্বরে প্রবেশ করে। ফলে একদিকে যেমন মুখের ভেতরে সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, তেমনি ব্যাকটেরিয়ার কারণে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে।

nokh

২. দাঁতের ক্ষতি
দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে দাঁতের ক্ষয় হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দাঁতের অবস্থানেও পরিবর্তন হয়। এমন অভ্যাসের কারণে দাঁত বেঁকে যায়। ফলে খাবার খাওয়ার সময় সমস্যা হতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে মাড়িতে সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

৩. ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ
নখের মধ্যে প্রতিদিনই হাজারো ব্যাকটেরিয়া নিজেদের ঘর বানিয়ে চলছে। এসব ব্যাকটেরিয়াদের নখ থেকে বের করা মোটও সহজ কাজ নয়। ভালো করে হাত এবং নখ ধোয়ার পরেও এরা নখের ভিতরে থেকে যায়। ফলে যে মুহূর্তে আপনি নখ খাওয়া শুরু করেন, এই জীবাণুগুলো মুখ দিয়ে শরীরের ভেতরে চলে যায়। ফলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা বেড়ে যায়।

 

৪. নখের সৌন্দর্য হ্রাস
যারা হাতের নখ খায়, দেখবেন তাদের নখগুলো এতটাই ছোট হয়ে যায় যে কেমন বাজে দেখতে লাগে। এতে যে শুধু নখের সৌন্দর্য হ্রাস পায়, তা নয়। সেই সঙ্গে সার্বিক হাতের সৌন্দর্যতাও কমে যেতে শুরু করে।

৫. নখ হারানো
বিশেষজ্ঞদের মতে দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে ‘নেল বেড’ এত মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে পুনরায় নখ বেড়ে ওঠে না। ফলে ধীরে ধীরে আঙুলে নখই থাকে না। এমনটা হলে হাতের সৌন্দর্য কমতে সময় লাগে না।

nokh

৬. নখের সংক্রমণ
নখ খাওয়ার সময় আঙুলের এই অংশে ছোট ছোট আঘাত লাগতে থাকে। ফলে নখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এসব ক্ষতস্থানের মধ্যে দিয়ে রক্তে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। একবার যদি এমনটা হয়ে যায়, তাহলে নখের সংক্রমণ, এমনকী রক্তের সংক্রমণ হওয়ার অশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ওজন কমানোর সহজ পথ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিন দিন দেহের ওজন ও পেটের মেদ বাড়ছে। মেদ ও ওজন কমানোর জন্য পছন্দের খাবার বাদ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তবে ওজন ও মেদ কমানের সহজ পথ বাতলে দিয়েছে জাপানের একদল গবেষক। সম্প্রতি ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে বেশি খাবার খেলেও ওজন ও মেদ বৃদ্ধি পায় না।

মেদ বাড়ে খাবার দ্রুত খাওয়ার কারণে। এতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, খাবার খেতে হবে ধীরে সুস্থে এবং ভালো করে চিবিয়ে। তা হলে পেটে মেদ তো জমবেই না, সেই সাথে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেক কমে যাবে।

গবেষণায় মানুষের অকাল বার্ধক্যের পেছনে তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করা হয়। কারণ তিনটি হলো পেটে মেদ জমা, রক্তে সুগার বৃদ্ধি পাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ হওয়া। আর এই তিনটি সমস্যা থেকেই মুক্ত থাকা যায় যদি খাওয়ার অভ্যাসটা একটু পরিবর্তন করে নেয়া যায়। অর্থাৎ খাবারটা যদি ধীরে ধীরে খাওয়া যায়।

জাপানের হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৬৪২ জন পুরুষ ও ৪৪১ জন মহিলাকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনেন। তাদের গড় বয়স ছিল ৫১.২ বছর এবং কারোরই পেটে কোনো মেদ ছিল না। পাঁচ বছর পর্যবেক্ষণের পর দেখা যায়, যারা দ্রুত খাবার খেয়েছেন তাদের অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের পেটে মেদ জমেছে এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও বেড়েছে। আর যারা ধীরে ধীরে খাবার খেয়েছেন তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়নি, পেটে মেদও জমেনি এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও ঠিক আছে।

গবেষকদলের প্রধান জানান, ‘মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। দ্রুত খাবার খেলে মনে হয় পর্যাপ্ত খাওয়া হলো না। ফলে খাওয়া বেশি পরিমাণে হয়ে যায়। এ ছাড়া দ্রুত খেলে গ্লুকোজ ফাংশনেও সমস্যা তৈরি হয় যে কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা যায় বেড়ে। ইন্টারনেট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ?

ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ? এই বিতর্ক ছিল এ চিরকালীন। অনেকেই ডিম নিরামিষ বলে দাবি করলেও এত দিন পর্যন্ত আমিষের দিকেই পাল্লা ছিল ভারী। এ বার কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানালেন, ভিন্ন কথা।

তার বলছেন, ডিম ভীষণভাবে নিরামিষ।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ডিমের মোট তিনটি অংশ রয়েছে। খোসা, কুসুম ও সাদা অংশ। ডিমের সাদা অংশের মধ্যে থাকে অ্যালবুমিন প্রোটিন। কুসুমও তৈরি প্রোটিন, কোলেস্টেরল ও ফ্যাট দিয়ে। যেই ডিম আমরা প্রতি দিন খাই তার মধ্যে ভ্রুণ থাকে না। তাই সেই ডিমকে কোনও ভাবেই পাখি বা পশুর পর্যায়ে ফেলা যায় না।

একটি মুরগি ৬ মাস বয়স হওয়ার পর থেকে প্রতি দেড় দিনে একটি করে ডিম পাড়তে পারে। ডিম পাড়ার আগে মুরগির যৌনমিলনেরও প্রয়োজন হয় না। তাই এই সব ডিম নিষিক্ত নয়। সাধারণত এই সব ডিমই আমরা বাজার থেকে কিনি। তাই ডিমকে কোনও ভাবেই আমিষ বলতে রাজি নন বিজ্ঞানীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কফির সাথে সাথে আপনি পান করছেন অসংখ্য পোকা!

অনলাইন ডেস্ক: কফিতেও থাকে পোকা! কী শুনে খুব অবাক হচ্ছেন! হ্যাঁ আমাদের চারপাশে অসংখ্য পোকামাকড় থাকে এটা আমরা জানি। এ কারণে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কিছু নির্দিষ্ট পোকা বা পোকার খন্ডকে খাবারের মধ্যে যোগ করার অনুমতি দিয়েছে। খাদ্যের অপরিহার্য ত্রুটি হিসেবেই তারা লেবেলে উল্লেখ থাকে এবং পিনাট বাটার, চকলেট এমনকি ফল ও সব্জিতেও পোকা থাকে প্রচুর পরিমাণে।

এফডিএ খাবারের মধ্যে কিছু সংখ্যক পোকা যোগ করার অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি এতোদিন পর্যন্ত যে খাবার খেয়েছেন তার যদি হিসাব করেন তাহলে এর সাথে সাথে আপনি প্রচুর পোকাও খেয়েছেন বলতে হয়।

পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের প্রতিষ্ঠান টেরো এই তথ্যের একটি তালিকা একত্র করেছে। তারা দেখেছে যে কত সংখ্যক ছারপোকা এবং পোকার খন্ড এফডিএ খাদ্যের সাথে প্যাকেটজাত করার অনুমতি দিয়েছে। এক বছরে একজন মানুষ কত সংখ্যক পোকা গ্রহণ করেন তার হিসাব করেছেন তারা। সবচেয়ে মজার তথ্যটি হচ্ছে আপনি আপনার সকালের এক কাপ কফির সাথে কী পরিমাণ পোকা গ্রহণ করছেন তা। এটি শুনলে আপনি হয়তো দাঁড়ানো থেকে বসে যেতে পারেন! এক বছর কফি পান করার ফলে আপনি ১,৩৬,০৮০ টি পোকার খন্ড গ্রহণ করছেন!

কফির মানের উপর কী পোকা প্রভাব ফেলছে? না আপনি এদের স্বাদ অনুভব করতে পারবেন না। বস্তুত অনেক মানুষই পোকামাকড় খাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন কারণ এরা টেকসই প্রোটিনের উৎস এবং এদের যখন আবাদ করা হয় তখন তা পরিবেশের উপর খুবই কম প্রভাব ফেলে। খাদ্য পণ্য থেকে একজন আমেরিকান প্রতিদিন গড়ে কতটি পোকা গ্রহণ করেন তার তালিকাটি হচ্ছে –

ফ্রোজেন বা ক্যানড জাম জাতীয় ফলে থাকে ৮৪ টি পোকা

ফ্রোজেন ব্রোকলিতে থাকে ১,৬৬০ টি পোকা

ছোট বাঁধাকপি বা ব্রাসেলস স্প্রাউট এ থাকে ৫৪ টি পোকা

চকলেট এ থাকে ৫,৯৮৮ টি পোকার দেহ খন্ড

কফির বীজে থাকে ১,৩৬,০৮০ টি পোকার দেহ খন্ড

ম্যাকারনি বা নুডুলস এ থাকে ৭,০৩১ টি পোকার দেহ খন্ড

মাশরুমে থাকে ২৫৪ টি পোকা

পিনাট বাটারে থাকে ৪০৮ টি পোকার দেহ খন্ড

ময়দায় থাকে ৯১,৬৫০ টি পোকার দেহখন্ড

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জিহ্বা নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে যা হয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক,২৮ এপ্রিল: সব সময় দিনে দুবার দাঁত মাজার গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করাও অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে মুখে দুর্গন্ধ, মাঢ়ীর সমস্যাসহ নানারকম অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মুখে দুর্গন্ধ: দীর্ঘদিন জিহ্বা অপরিষ্কার থাকার কারণে হতে পারে মুখে দুর্গন্ধের প্রধান কারণ। নিয়মিত পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সেখান থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

মাড়ির সমস্যা: জিহ্বা সঠিকভাবে পরিষ্কার করা না হলে মাড়িতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দাঁত মাজার সময় মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়। এ জন্য আমরা মাড়ির নানান সমস্যাকে দায়ী করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা নয়। অনেক সময় জিহ্বায় জন্মানো ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে মাড়ি লালচে হয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

দাঁত পড়ে যাওয়া: জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়। পরে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে অবশ্যই নিয়ম করে জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিত।

স্বাদগ্রন্থি দুর্বল হয়ে যাওয়া: জিহ্বার উপর পরত পড়ার কারণে খাবারের স্বাদ আস্বাদন ক্ষমতা দুর্বল হয়ে আসে। ব্যাক্টেরিয়ার বিস্তারের কারণে গ্রন্থিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া খাবারের অংশবিশেষ এবং মৃতকোষের কারণে এই সমস্যা গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে জিহ্বা পরিষ্কার করা আবশ্যক।

জিহ্বায় কালচে পরত: দীর্ঘদিন জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে এমন পরিস্থিতি হতে পারে। উপরে পরত জমতে থাকে, ফলে কালচে ছোপ পড়ে যা দেখতে মনে হতে পারে কালো লোমের মতো। আসলে খাবার ও পানীয় অংশ জিহ্বার উপর জমে পরত তৈরি করে এবং সেখানে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এসব মিলিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে এটি তেমন গুরুতর সমস্যা নয়। জিহ্বা পরিষ্কার করা হলেই এমন কালচে ছোপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ইস্ট ইনফেকশন: অপরিচ্ছন্নতার কারণে মুখের ভেতরেও ‘ইস্ট ইনফেকশন’ হতে পারে। দীর্ঘদিনে মুখে ব্যাক্টেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখান থেকে এক সময় ইস্ট জন্মায়। ফলে জিহ্বায় সাদা ছোপ পড়ে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পুরুষের শক্তি বৃদ্ধির চমৎকার ওষুধ, মধুর সাথে পেঁয়াজের রস

ডেক্স , ২৩ এপ্রিল : বয়স বাড়ার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই পুরুষের যৌনশক্তি কমতে থাকে। তিরিশের পর যেভাবে যৌনজীবন উপভোগ করেছেন, পঁঞ্চাশের পর তা সম্ভব নয়। আবার কাজের চাপ, স্ট্রেস, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণেও দ্রুত যৌন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন। বর্তমান লাইফস্টাইল ছাড়াও হস্তমৈথুনের অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে থাকলে পুরুষের লিঙ্গ শিথিল হয়ে যেতে পারে। লিঙ্গে ঋজুতার অভাবে ভুগছেন, এমন পুরুষ কিন্তু কম নেই। ভুক্তভোগীরা হতাশ না হয়ে, নীচে উল্লেখিত ঘরোয়া টোটকা করে দেখতে পারেন। উপকার পাবেনই।

কিছুই না এ জন্য লাগবে পেঁয়াজ আর খাঁটি মধু। মধুর উপকারিতা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর পেঁয়াজের মধ্যে আপনি নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলস ছাড়াও পাবেন ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ত্বকের ও চুলের সমস্যায় পেঁয়াজের ব্যবহার অনেকেই জানেন। কিন্তু পেঁয়াজ যে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনে, তা আমাদের অজানা। এমনকী অনিদ্রার ওষুধও হল পেঁয়াজের রস। আবার মধুর সংস্পর্শে এই পেঁয়াজ পুরুষের যৌনশক্তির জন্য চমত্‍‌কার ওষুধ।

কী করে খাবেন এই মিশ্রণ

প্রস্তুতি ১: লাগবে ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ ও ২৫০ গ্রাম মধু। পেঁয়াজের রস বের করে নিয়ে মধুর সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে হালকা আঁচে ফোটাতে থাকুন। পেঁয়াজের পুরো রস বেরিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত ফোটাতে হবে। এবার মিশ্রণটি ঠান্ডা করে কাচের শিশিতে তুলে রাখুন। রোজ ২ চামচ করে গরম দুধে রাতে খেয়ে শুয়ে পড়ুন। অন্তত ৪০ দিন খেতে হবে।

হাতে সময় না-থাকলে, এ ভাবেও মিশ্রণটি তৈরি করে নিতে পারেন-

প্রস্তুতি ২: একটি বড় লাল পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে, পেঁয়াজের রস চা-ছাকনিতে ছেকে নিন। পরিষ্কার এক টুকরো কাপড়ের মধ্য দিয়েও রস ছেকে বের করে নিতে পারেন। ক’চামচ রস বেরোল, তা দেখে নিয়ে তাতে সমপরিমাণ মধু দিন। অর্থাত্‍‌ চার চামচ রস হলে, চার চামচই মধু দিতে হবে। একটি কাচের ছোট পাত্রে মধু ও পেঁয়াজের রস ভালো করে মিশিয়ে, ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটি দু-চামচ করে, দিনে চার চামচ খান।

একমাসের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন। শিথিল, ঝিমিয়ে পড়া কুঞ্চিত লিঙ্গ আগের মতো চাঙ্গা ও পুরুষ্ট হয়ে উঠবে। যৌনমিলনের সময় শিথিলতার সমস্যা আর থাকবে না। তবে, ভালো ফল পেতে হলে ধীরে ধীরে হস্তমৈথুন ছাড়তেই হবে।

যা মাথায় রাখবেন: এই মিশ্রণটি যতদিন খাবেন, স্পাইসি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। টকও খাওয়া যাবে না। যৌন কার্যকলাপও বন্ধ রাখতে হবে।

পুরুষদের যৌন সমস্যা না থাকলেও, এই মিশ্রণটি খাওয়া যাবে। তাতে থাকবেন ইয়াং অ্যান্ড ফিট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গোপনাঙ্গে ঘনঘন সেভ করলে বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

সম্প্রতি এক গবেষণায় বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যারা গোপনাঙ্গে ঘনঘন সেভ করেন তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।

তবে, ঘনঘন সেভ করা ক্ষতিকর হলেও একেবারে যে সেভ করা যাবে না তা নয়। গবেষকরা বলছেন প্রতি বছর ১১ বার করে সেভ করা যেতে পারে গোপনাঙ্গের চুল। আর এর বেশি হলেই ক্ষতি হতে পারে। ঘনঘন সেভ করলে কী ক্ষতি হতে পারে? এ প্রসঙ্গে গবেষকরা বলছেন এসটিআই বা সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যেতে পারে।

সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে তাদের অনুসন্ধানের তথ্য সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন জার্নাল এ বিষয়ে তাদের গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন।
গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা ঘনঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের এসটিআই হওয়ার আশঙ্কা ৮০ শতাংশ বেশি।

এ গবেষণাতে ৭,৫৮০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের ওপর অনুসন্ধান পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, যারা ঘন ঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি।এক্ষেত্রে যারা যত বেশি সেভ করেন তাদের এ ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি।

সম্প্রতি যৌনাঙ্গের আশপাশের চুল সেভ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে তিনটি কারণে- খেলাধুলা, পর্নের প্রভাব ও যৌনতা। আর বর্তমানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থতার ক্ষেত্রে অনেকেই সেভ করাকে বেশ ভালো মনে করছেন। যদিও বিষয়টি বাস্তবে তেমন নয়। প্রতি বছর ১১ বারের কম সেভ করলেই যথেষ্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter