Home » মাধ্যমিক

মাধ্যমিক

শিক্ষক নিয়োগ: ফের শুনানি ২৭ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জুন, ২০২১
আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) বিরুদ্ধে রিট করেছেন প্রায় আড়াই হাজার চাকরিপ্রার্থী। রিটের প্রেক্ষিতে আদালত এই আড়াই হাজার প্রার্থীকে নিয়োগের আদেশ দিলেও তার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল করেছিল এনটিআরসিএ। ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার চাকরিপ্রার্থীকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেনি আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি। এনটিআরসিএর করা আবেদনে ওপর শুনানি করে এ আদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

আদেশের বিষয়টি জানান চাকরি প্রত্যাশীদের আইনজীবী ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া। তারা বলেন, আগামী ২৭ জুন এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে। আদালতে এনটআরসিএর পক্ষে শুনানি করেন ফিদা এম কামাল। চাকরি প্রত্যাশদের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার চাকরিপ্রার্থী যারা আদালত অবমাননার মামলা করেছেন, তাদের বিষয়ে গত ৩১ মে আদেশ দিয়েছিল আদালত। রিটকারীদের আইনজীবীরা বলছেন, এ প্রার্থীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে এনটিআরসিএর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

যদিও এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা কাছে দাবি করেছেন, এসব ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ের একটি অংশে বলা ছিল, এনটিআরসিএকে রিটকারী ও অন্যান্য আবেদনকারীদের অর্জিত সনদ ও নিয়োগের জাতীয় মেধাতালিকা অনুসরণ করে শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ করতে হবে। সে রায় ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে রায় অনুসারেই এনটিআরসিএ চলমান ৩য় চক্রে ও ২য় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করেছে। তাই, আদালত অবমাননা হয়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি-এইসএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত শিগগির : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জুন, ২০২১
শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেছেন, আমরা জানি এসএসসি ও এইসএসসি পরীক্ষার্থীরা ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছে। আমরা এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছি। আমরা খুব শিগগিরই সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেবো। আর বেশি দিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হবে না। তিনি আরও বলেন, ‘২০২০ খ্রিষ্টাব্দে এসএসসি পরীক্ষা হয়েছিল সেটার ফল আমরা প্রকাশ করেছি। এইচএসসি বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করেছি।

মঙ্গলবার (২২ জুন) ৪৩ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি প্রদান সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

২০২১ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ মোট ১ হাজার ৭৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৮ হাজার ১০ টাকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে উপবৃত্তি বাবদ ২৯ হাজার ৩০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৮ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৮৮২ কোটি ৯৩ লাখ৫০ হাজার ৬০০ টাকা দেয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বাবদ দেয়া হয় ১৯৫ কোটি ৯৯ লাখ ২২ হাজার ৪১০ টাকা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এই অর্থ ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যাবে।’

উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো যুক্ত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরীন আফরোজ, ট্রাস্ট ফান্ডের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির স্কিম পরিচালক শরীফ মোর্তজা মামুন এবং সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।

ভার্চুয়াল উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে দেশের চারটি উপজেলা থেকে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অ্যাসাইনমেন্টের ফল যাচাই : ৩ জুনের মধ্যে প্রশ্নমালা পূরণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২১

করোনা অতিমারির কারণে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গতবছর ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমের ফলপ্রসূতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। এজন্য ১হাজার ৯০০ টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সমীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু ৭০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমীক্ষা পরিচালনার প্রশ্নমালা পূরণ করেনি। তাই, আগামী ৩ জুনের মধ্যে সমীক্ষা পরিচালনার প্রশ্নমালা পূরণ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আদেশে অধিদপ্তর বলছে, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমের ফলপ্রসূতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলার ১ হাজার ৯০০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক এবং তাদের সহায়তায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমীক্ষা পরিচালনার প্রশ্নমালা ২০ মের মধ্যে পূরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মনোনিত ১ হাজার ৯০০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭০০টি প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত সমীক্ষা পরিচালনার প্রশ্নমালা পূরণ করেনি।

অধিদপ্তর আরও বলেছে, যেসব প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত সমীক্ষার প্রশ্নমালা পূরণ করেননি সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩ জুনের মধ্যে সমীক্ষা পরিচালনার প্রশ্নমালা পূরণের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকতারা।

এদিকে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ও মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। গতবছরের মত এ বছরও ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ও নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশে আর বাধা নেই : এনটিআরসিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২১
৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করতে এনটিআরসিএ আবেদন গ্রহণ করেছে। এসব পদে নিয়োগ সুপারিশ করতে প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে আদালতের দেয়া স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। আদেশটি ‘রিকল’ করা হয়েছে। তাই ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করতে আর কোন আইনি বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা। সোমবার (৩১ মে) ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার চাকরিপ্রার্থীর করা আদালত অবমাননার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের দেয়া রায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা এসব কথা বলেছেন।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার চাকরিপ্রার্থী যারা আদালত অবমাননার মামলা করেছেন, তাদের বিষয়ে রায় দিয়েছেন আদালত। রিটকারীদের আইনজীবীরা বলছেন, এ প্রার্থীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে এনটিআরসিএর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আর এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা বলছেন, এসব ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ের একটি অংশে বলা ছিল, এনটিআরসিএকে রিটকারী ও অন্যান্য আবেদনকারীদের অর্জিত সনদ ও নিয়োগের জাতীয় মেধাতালিকা অনুসরণ করে শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ করতে হবে। সে রায় ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা বলছেন, সে রায় অনুসারেই এনটিআরসিএ চলমান ৩য় চক্রে ও ২য় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করেছে। তাই, আদালত অবমাননা হয়নি।

কর্মকর্তারা আরও বলছেন, আদালত আদেশ দেয়ার পর গণবিজ্ঞপ্তিতে দেয়া স্থগিতাদেশ তুলে নেয়া হয়েছে। তাই ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশে আর কোন বাধা নেই।

সোমবার (৩১ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে চাকরি প্রত্যাশিদে পক্ষে অংশ নেন খুরশিদ আলম খান, মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও অন্যান্যরা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। এনটিআরসিএর পক্ষে ছিলেন কামরুজ্জামান। পরে, বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ আদেশ দেন।

জানা গেছে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল হাইকোর্ট।

এ রায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর আইন শাখার একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের দেয়া রায়ের একটি অংশে বলা ছিল, এনটিআরসিএকে রিটকারী ও অন্যান্য আবেদনকারীদের অর্জিত সনদ ও নিয়োগের জাতীয় মেধাতালিকা অনুসরণ করে শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ করতে হবে। সে রায় ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ রায়ের ৭ দফা নির্দেশনা অনুসারেই এনটিআরসিএ চলমান ৩য় চক্রে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন গ্রহণ ও ২য় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করেছে। এনটিআরসিএ আদালত অবমাননা করেনি। প্রার্থীরা জাতীয় মেধাতালিকা অনুসারে আবেদন করে নিয়োগ না পাওয়ায় আদলত অবমাননার আবেদন করেছিলেন। এনটিআরসিএ আদালতের নির্দেশনা অনুসারেই নিয়োগ সুপারিশ করছে।

এনটিআরসিএ’র আইনজীবী কামরুজ্জামান বলেন, ১ম থেকে ১২তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিবন্ধনধারীদেরকে নিয়োগ দিতে গণবিজ্ঞপ্তি স্থগিতের আদেশ রি-কল করা হয়েছে। এ আদেশটি মডিফাই করে রিকল করেছেন আদালত। তাই নিয়োগ সুপারিশ করতে কোন বাধা নেই।

ফিরে দেখা যাক, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর আদালতের দেয়া ৭ দফা নির্দেশনার ৫ নম্বর দফায় কি বলাছিল। এ নির্দেশনায় বলা ছিল, The NTRCA is derected to purpose/recommend the names of the writ petioners and the other prospective applicants pursuant to the Non-Goverment Educational Institutions. However after appointment the Education Ministry or the Education Board on the application of the appointed teachers may allow the interchange of the teachers to their respective native school.

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ১৩ জুন

ডেস্ক,২৯মে:
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির করা হয়েছে। ১৩ জুন খুলবে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বুধবার (২৬ মে) ভার্চুয়ালি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৩ জুন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করে খোলা হবে।

তিনি বলেন, ১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আগামী জুন মানের ১২ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা জানা যাবে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ মে, ২০২১
টানা ১৪ মাস ধরে বন্ধ থাকা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে কিনা, তা আজ বুধবার জানা যাবে। পাশাপাশি এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আজ দুপুর ১২টায় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীদের জানাবেন।

করোনা পরিস্থিতিতে আগামী ২৯ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা থাকলেও চলমান লকডাউনের সময়সীমা ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ কারণে স্কুল-কলেজের ছুটি আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। করোনা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত আজ জানিয়ে দেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, সরকার চেয়েছিল করোনা সংক্রমণের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নেমে এলে স্কুল-কলেজ খুলে দিতে। এ অবস্থা এখনও আসেনি। অন্যদিকে দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা বাধাগ্রস্ত হবে।

সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে তারা আন্দোলনেও নেমেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবিসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় স্কুল-কলেজ খুলতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, আগামী জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আগে নতুন করে আরও এক সপ্তাহ ছুটি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে যদি লকডাউন তুলে দেওয়া হয় তাহলে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু হবে। জুন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন তাদের ক্লাস নেওয়া হবে। অন্য স্তরের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে অফলাইনে একদিন ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়া অনলাইনে চলবে নিয়মিত ক্লাস।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে গত সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। তারা অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে বড় ধরনের আন্দোলনের হুমকি দেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। গতকাল মঙ্গলবার ঢাবি ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত সকল সিদ্ধান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের দাবির ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবগত আছে। এ মুহূর্তে কী করণীয়, তা দ্রুতই জানানো হবে।

বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান করোনাকালে শিক্ষার ক্ষতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি একটি জরিপ পরিচালনা করে। এর মধ্যে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) যৌথ গবেষণা জরিপের ফলাফলে বলা হয়, দেশের ৯৭ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, স্কুল খুললে তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন। আর মাধ্যমিকের ৯৬ শতাংশ অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৪ মে, ২০২১

দেশে করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ আরও এক দফায় বাড়ছে। মহামারি মোকাবিলায় চলমান লকডাউন তথা বিধিনিষেধের সময়সীমা বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

রোববার (২৩ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে। এ বিষয়ে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আলাপ-আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে জানানো হবে।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু দেশের চলমান লকডাউনে ৩০ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে নতুন করে আরও এক সপ্তাহ ছুটি বৃদ্ধির চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে যদি লকডাউন তুলে দেওয়া হয় তাহলে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু করা হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন তাদের ক্লাস নেওয়া হবে। অন্য স্তরের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়া হলেও অনলাইন ও অফলাইনে চলবে নিয়মিত ক্লাস।

মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে দিশেহারা বিশ্ববাসী। বাংলাদেশেও প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন শত শত মানুষ। মৃত্যুর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এ ভাইরাস প্রতিরোধে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে। চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে কয়েক দফা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এনটিআরসিএর শিক্ষক নিয়োগ : পরবর্তি শুনানি ৩১ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ মে, ২০২১
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় দেড় হাজার চাকরিপ্রার্থীকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশের বিষয়ে পরবর্তী শুনানি ৩১ মে। পাশাপাশি ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তির স্থগিতাদেশ বহাল রাখা হয়েছে।

রোববার (২৩ মে) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এআদেশ দেন। এদিন সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে চাকরি প্রত্যাশিদে পক্ষে অংশ নেন খুরশিদ আলম খান, মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। এনটিআরসিএর পক্ষে ছিলেন কামরুজ্জামান।

এর আগে এ মামলার শুনানি করা হয় গত ২৩ মে রোববার। সেদিন পরবর্তী শুনানির জন্য ২৩ মে দিন নির্ধারণ করে আদালত। শুনানির সময় আদালতে এ মামলার আইনজীবী ছাড়া অন্য কাউকে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়নি।

আদালত থেকে বেরিয়ে নিবন্ধনধারী চাকরি প্রত্যাশিদের আইনজীবী মোহাম্মাদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ আদেশের বিষয়টি দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, স্টে কন্টিনিউ করা হয়েছে। পরবর্তি শুনানি হবে ৩১ মে।

তাঁরা আরও জানান, আদালত বলেছেন আগামীকাল সোমবার অ্যাটর্নি জেনারেল এ মামলার সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদেরকে নিয়ে বসে নিয়োগের ব্যাপারে আলোচনা করবেন।

এর আগে গত ৬ মে হাইকোর্টের একই ভার্চুয়াল বেঞ্চ এনটিআরসিএ কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় দেড় হাজার চাকরি প্রত্যাশীকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য ৭ দিন সময় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগ দিয়ে জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। তারই ধারাবাহিকতায় আজ শুনানি হয়।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী প্রায় দেড় হাজার জনকে এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছিলেন আদালত। আজ সেটা শুনানির জন্যে ধার্য ছিল।

চলতি বছরের ৭ মার্চ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। আদালতের ওই আদেশ বাস্তবায়ন না করায় পুনরায় এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। সে আবেদনের শুনানি করে আজ আদালত এ আদেশ দিলেন।
সুত্রঃ দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ: সুপারিশের কাজ চলমান রেখেছে এনটিআরসিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ মে ২০২১ :

দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় নিয়োগে সুপারিশ করতে পারছে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে সুপারিশ সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যমতে, গত ৩০ মার্চ ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। গত ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। ৫৪ হাজার পদের বিপরীতে এবার রেকর্ড ৯০ লাখ আবেদন জমা পরে। এরপর চলতি মাসে নিয়োগ কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

গত ৬ মে হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি মো. দিলিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই স্থগিতাদেশ দেন। স্থগিতাদেশে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। এতে করে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে। আগামী ১৮ মে আদালতে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পর সুপারিশ বন্ধ রেখেছে এনটিআরসিএ। তবে সুপারিশ সংক্রান্ত অন্যান্য কাজ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৮ এপ্রিল আদালতের রায় এনটিআরসিএর পক্ষে গেলে শিগগিরই সুপারিশ সম্পন্ন করবে কর্তৃপক্ষ।

এ প্রসঙ্গে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আশরাফ উদ্দিন শনিবার (১৫ মে) দুপুরে বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর আমরা সুপারিশ বন্ধ রেখেছি। তবে আমাদের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো আমরা গুছিয়ে নিচ্ছি। যেন আদালতের রায় পাওয়ার পর দ্রুত গতিতে সুপারিশ শেষ করা যায়।

সুপারিশ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় হতাশ জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ার পর থেকে আমি হতাশ। কেননা নিয়োগ সম্পন্ন হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদ পূরণ হত৷ এতে করে মান-সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যেত।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, মামলার কাজ গতিশীল রাখতে আমাদের আইনজীবীর পাশাপাশি আরও একজন এডিশনাল লয়্যার নিয়োগ দিয়েছি। আমরা যেকোনো মূল্যেই হোক দ্রুত সুপারিশ করতে চাই। আশা করছি ১৮ তারিখে আদালতের রায় আমাদের পক্ষে আসবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ২৯ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ মে ২০২১:

দেশে চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফা বাড়িয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্কুল-কলেজের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ মে) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ঊর্ধগতি দেখা দেয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এবং করোনা মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ছুটি চলাকালীন শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে।

এর আগে শনিবার বিকেলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ২৩ স্কুল-কলেজ ও ২৪ মে ইউনিভার্সিটি খোলা সম্ভব হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) রোববার (৯ মে) এ নির্দেশনা দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো বাস্তবায়নাধীন ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্টিগ্রেটেড অ্যাডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সরকারের সিআরভিএস ব্যবস্থার আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের যষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর ডেটাবেজ প্রস্তুত ও ইউনিক আইডি দেওয়ার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থী তথ্য ছক (হার্ডকপি) পূরণের কাজ চলমান রয়েছে।

যে সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর অনলাইনের মাধ্যমে দেওয়া হয়নি সে সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর অনলাইনের মাধ্যমে করে ফরমে লিপিবদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কেননা শিক্ষার্থীর জন্ম সনদ নম্বর ও জন্ম তারিখ অনলাইনে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের ডাটাবেজে যাচাই করার পর ইউআইডি দেওয়া হবে। হাতে লেখা জন্ম সনদের নম্বর অনলাইনে ভেরিফাই করা যাবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি-সমমানের ২৩ লাখ পরীক্ষার্থী দুশ্চিন্তায়, আগস্টে পরীক্ষার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ এপ্রিল, ২০২১:
সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রায় ২৩ লাখ মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার্থী দিশেহারা। কবে নাগাদ স্কুল খোলা হবে, কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে- এসব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ অবস্থায় গত রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমদের সঙ্গে কথা বলেছে শিক্ষাবার্তা ডটকমকে। তিনি জানিয়েছেন, যখনই বিদ্যালয় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে, তার পর থেকে ৬০ কর্মদিবস ক্লাস নেয়া হবে। এর পর আরও ১৫ দিন সময় দিয়ে তবেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, এরই মধ্যে এ বছরের পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ওই সিলেবাসের ওপরই এসএসসির প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, ক্লাস না নিয়ে কোনোভাবেই পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সারাদেশে এবার প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবে। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের রয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ। এখনও ফরম পূরণ চলছে। লকডাউনের কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২৩ মে স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। এর পর ৬০ কর্মদিবস পাঠদান শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা নিতে চায় সরকার। সব মিলিয়ে আগস্টের শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, যেভাবে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে নতুন করেও ভাবতেও হতে পারে ছুটির বিষয়ে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এর আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এবারের এসএসসি ও এইচএসসির একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। তা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোও হয়েছে। বিদ্যালয় যখনই খোলা সম্ভব হবে, ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে শেষ করে, আরও অন্তত দু’সপ্তাহ সময় দিয়ে তবেই পরীক্ষা নেয়া হবে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেনও একই কথা বলেন। তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ঘরে বসেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। অনলাইন ক্লাসগুলো ঠিকভাবে করতে হবে।

পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডর চেয়ারম্যান অধ্যাপক প্রদীপ চক্রবর্তীও। শতভাগ প্রস্তুত রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের ফল দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্কুল খোলার পর ৬০ কর্মদিবস ক্লাস করিয়ে তাদের পরীক্ষা গ্রহণের কথা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা এখনও সেই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আছি। লকডাউনের পর এ ব্যাপারে মন্ত্রীর সঙ্গে বোর্ডপ্রধানদের বৈঠকের কথা রয়েছে।’

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রমা বিজয় সরকার সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যথাসময়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে। সিলেট বোর্ডে এসএসসিতে আনুমানিক সোয়া লাখ এবং এইচএসসিতে ৮০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষা দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসির ফলে বৃত্তি, তালিকা প্রকাশ

ডেস্ক,২২ এপ্রিল:

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ‘অটোপাস’ দেওয়া হয় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের। পাবলিক এ পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড থেকে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ১০ হাজার ৫০১ শিক্ষার্থী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডর ওয়েবসাইটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা, সিলেট, বরিশাল ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বাকি শিক্ষা বোর্ডগুলোও আজকের মধ্যে তাদের ওয়েবসাইটে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।

মাউশি জানিয়েছে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় মেধাবৃত্তি পেয়েছেন মোট এক হাজার ১২৫ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৭৬ শিক্ষার্থী।

মেধাবৃত্তি পাওয়াদের মধ্যে- ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৪২৭, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭২, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১৯৪, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৯, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৩১, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪১, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৯৪, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৮৬ ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১১১ শিক্ষার্থী রয়েছেন।

আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে- ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৭০০, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৬৫৯, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এক হাজার ২৬২, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৮৯৬, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৯২, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৭০, যশোর শিক্ষা বোর্ডে এক হাজার দুই, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৭২৯, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৯৬৬ শিক্ষার্থী রয়েছেন।

যারা মেধা বৃত্তি পেয়েছেন তাদের মাসিক ৮২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ১ হাজার ৮০০ টাকা দেওয়া হবে। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ৩৭৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা দেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বৃত্তি পেলো সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:

২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ১০ হাজার ৫০১ জন।
আরো খবর

লকডাউনের মধ্যেই ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ

শুক্রবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় মেধাবৃত্তি পেয়েছেন ১ হাজার ১২৫ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৭৬ জন।

মেধাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৪২৭ জন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭২ জন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১৯৪ জন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৯ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৩১ জন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪১ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৮৬ জন এবং দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১১১ জন।

সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৭০০ জন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৬৫৯ জন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২৬২ জন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৮৯৬ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৯২ জন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৭০ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৭২৯ জন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৯৬৬ জন।

মেধাবৃত্তি হিসেবে মাসিক ৮২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ১৮০০ টাকা দেওয়া হবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসিক ৩৭৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা দেওয়া হবে। বৃত্তির টাকা ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের বৃত্তি-মেধা বৃত্তি খাত থেকে নির্বাহ করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লকডাউনের মধ্যেই ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে বন্ধ সরকারি-বেসরকারি অফিস। চলছে না কোন ধরণের দূরপাল্লার গণপরিবহন। এমন পরিস্থিতিতে ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
|আরো খবর

একদিনে রেকর্ড ১০১ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪১৭

বুধবার এ সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। তবে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) আরও একটি প্রজ্ঞাপনে একজন কর্মকর্তার স্ট্যান্ড রিলিজ প্রত্যাহার করা হয়।

স্ট্যান্ড রিলিজ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (বিএমটিটিআই) কর্মরত অধ্যাপক (প্রাণিবিদ্যা) ইসমাৎ আরা জেবিন, সহযোগী অধ্যাপক (আরবি) মাহমুদুল হক, সহযোগী অধ্যাপক (অর্থনীতি) দিলরুবা ফৌজিয়া খান, সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মুর্শিদা করিম, সহযোগী অধ্যাপক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) মিয়া নাদির হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এ কে এম সেলিম চৌধুরী, প্রভাষক (শিক্ষা) মজিবুর রহমান এবং প্রভাষক (ইংরেজি) এ এফ এম সাদ্দাতুল আনোয়ার। স্ট্যান্ড রিলিজ করা কর্মকর্তাদের কঠোর লকডাউনচলাকালে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাৎক্ষণিক বদলী হওয়া এক শিক্ষক বলেন, মহামারী পরিস্থিতিতে এমন ধরণের সিদ্ধান্ত সত্যিই ভোগান্তিকর। যখন দেশ এক অর্থে অচল তখন মাদ্রাসা অধিদপ্তরের এমন সিদ্ধান্তকে শিক্ষা ক্যাডারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter