Home » ভর্তি ও পরীক্ষা

ভর্তি ও পরীক্ষা

স্কুল ভর্তিতে ধামাকা অফার, তবুও সাড়া নেই

ঢাকা,২২ নভেম্বর: শিক্ষকদের মাসিক বেতন, প্রতিষ্ঠানের ভাড়া পরিশোধ, শিক্ষার্থী হারানোর শঙ্কাসহ করোনা মহামারিতে নাভিশ্বাস উঠেছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর। বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও কিন্ডারগার্টেন এখনও বন্ধ রয়েছে। কবে খোলা হবে এবং খুললে পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে তা নিয়ে দিনরাত বিশ্লেষণ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। স্কুল বন্ধ থাকায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাজধানীর ব্যক্তি মালিকানাধীন বেশিরভাগ কিন্ডারগার্টেন ইতোমধ্যেই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। অনেক কিন্ডারগার্টেন স্কুল এখন আবাসিক বাসা ভাড়া দেয়া হয়েছে। আবার কেউ কেউ স্কুলের টেবিল চেয়ারসহ শিক্ষা উপকরণগুলো বিক্রি করে সাইনবোর্ড সরিয়ে দোকান দিয়েছেন। আবার নতুন করে কিছু কিছু কিন্ডারগার্টেন খোলার চেষ্টা চলছে। তারা ব্যানার ফ্যাস্টুন লাগিয়ে অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণের করেছেন।

উত্তরার একটি স্কুল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ‘ধামাকা অফার’ দিয়েছে। একই এলাকার কয়েকটি স্কুল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় স্কুলই ভর্তিতে ছাড় দিয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেই ছাড়া ৫০ থেকে ১০০ পারসেন্ট পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে।

স্কুলের পরিচালক মনিরুজ্জামানের কাছে তাদের ‘ধামাকা অফার’ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই ‘ধামাকা অফার’। করোনার কারণে স্কুল দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বিপুল লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার ঠিক পরের বছরেই একটি বড় ধাক্কা খেয়েছি। করোনার কারণে এবছর স্কুল বন্ধ থাকলেও সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে আমরা অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস চালু রেখেছি। বর্তমানে আমাদের এখানে ১২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে অনলাইন মাত্র ২০জন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করছে।

এদিকে করোনা সংকটে টিভি, অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে তাদের শিক্ষার মান নিয়ে খোদ শিক্ষামন্ত্রীই প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সুযোগ নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের চলতি বছরের টিউশন ফি’র বিষয়ে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিস্কার নির্দেশনা দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না, শুধুমাত্র টিউশিন ফি-ই আদায় করবে বিদ্যালয়।

চলতি শিক্ষাবর্ষ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার কোনো পরিকল্পনা নেই শিক্ষামন্ত্রণালয়ের। তবে এরই মধ্যে আগাম শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় নেমেছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

এবিষয়ে উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তারেকুজ্জামান খান বলেন, দীর্ঘদিন করোনার কারণে স্কুল বন্ধ। আয় কমে যাওয়ায় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। এতে স্কুলগুলো শিক্ষার্থী হারাবে এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে নতুন শিক্ষার্থী টানতে ‘ধামাকা অফার’ মত শব্দ ব্যবহার করে স্কুলগুলো ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। এমন অফার নির্ভর বিজ্ঞাপন দিয়ে কতখানি সুশিক্ষা পাওয়া যাবে তা নিয়ে সংশয় থাকলেও বৈশ্বিক সংকটের এই সময় সংশ্লিষ্ঠদের রুটি-রুজির সংস্থান করতে এবং মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে এমনটা করা দোষণীয় কিছু নয়।

অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিভাবকরা চায় সুশিক্ষা। নিজের সন্তানরা মানুষের মত মানুষ হোক, বাবা-মা ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক এ চাওয়া প্রায় সব অভিভাবকের। কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খোলা হবে তার ঠিক নাই। একদিকে স্কুল শিক্ষকরা বেতন চাইছে। অন্যদিকে সন্তানের লেখাপড়ায় চরম ধস নেমেছে। এখন স্কুলের পুরনো বেতন দিবে না নতুন ভর্তির কথা চিন্তা করবেন তা নিয়ে দো টানা অবস্থায় রয়েছেন স্বজনরা।

এবিষয়ে খোকন, ফারুক, সোহেল, ফেরদৌসী, বনানী মল্লিক, তাজুল ইসলাম, আশরাফসহ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, করোনাকালে আয় রোজগার বন্ধ ছিল। অফিস খোলার পর বেতন নেমে গেছে অর্ধেকে। অথচ সন্তানের স্কুলের বেতন শতভাগ। আয় বুঝে ব্যয় করতে গেলে সন্তানের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। তাই মন্ত্রণালয়ের কাছে টিউশন ফি কমানোর জোর দাবি জানান তিনি।

এদিকে গত ১৭ নভেম্বর রাতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, করোনার কারণে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমস্ত প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তা ছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাই না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লটারির মাধ্যমে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
করোনা সংক্রমণের মুখে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ভর্তি পরীক্ষা না প্রতিটি শ্রেণিতেই শূন্য আসনের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করে ভর্তি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব পত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়। এতে এ বছরের জন্য ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি ছাড়াও বিকল্প আরও দুটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আসছে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্নিষ্টদের নিয়ে সভা করা হয়। সেখানে একাধিক প্রস্তাব এসেছিল। এর মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রস্তাব আমরা সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে আছে ৪২টি। আর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সারাদেশে আছে ১৯ হাজার ৪২১টি। বেসরকারি স্কুলগুলোর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনার কারণে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলে মাউশির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে গৃহীত হলে সারাদেশের এসব বিদ্যালয়ে এ বছর কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

অবশ্য মিশনারি পরিচালিত কোনো কোনো বিদ্যালয় এবং কলেজ তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। সে সংখ্যা অবশ্য হাতেগোনা। বর্তমানে শুধু প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। নবম শ্রেণিতে জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। করোনার কারণে এ বছর জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক সমাপনী ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। সে ধারাবাহিকতায় স্কুলগুলোর ভর্তি পরীক্ষাও বাতিলের বিষয়টি এবার আলোচনায় এলো।

মাউশি সূত্র জানায়, মাউশির পাঠানো প্রস্তাবে আরও দুটি বিকল্প চিন্তা রাখা হয়েছে। বাতিলের প্রস্তাব গৃহীত না হলে দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষার ভেন্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে প্রতি বছর কমবেশি দুই হাজার পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। করোনা বাস্তবতা মাথায় রেখে একটি মাত্র বিদ্যালয়ে দুই হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষা না নিয়ে ৪০০ জন করে অন্তত পাঁচটি ভেন্যুতে এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মাউশি। তৃতীয় বিকল্প হিসেবে মাউশি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তাতে বর্তমানের ছোট প্রশ্ন (শর্ট কোয়েশ্চেন) পদ্ধতি বাতিল করে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) চালুরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা নিজ বাসায় বসেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. এনামুল হক হাওলাদার সমকালকে বলেন, রাজধানীর সরকারি হাই স্কুলগুলো এবারও তিনটি পৃথক গুচ্ছে (ক্লাস্টার) ভাগ করা হচ্ছে। ক, খ ও গ এই তিন গুচ্ছে আগে শিক্ষার্থীরা প্রতিটি গুচ্ছ থেকে একটি মাত্র স্কুল পছন্দ করার সুযোগ পেত। আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজ গুচ্ছের অন্তত পাঁচটি স্কুল পছন্দ করার সুযোগ পাবে। এতে ভর্তি নিয়ে ভর্তিচ্ছুদের দুশ্চিন্তা কমবে।

জানা গেছে, রাজধানীর ৪২টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি নেই। এবার ঢাকায় ১৪টি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। হাই স্কুলে সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এক হাজার ২৬০টি আসন রয়েছে। লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা যে মাধ্যমেই ভর্তি নেওয়া হোক, আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে ভর্তি ফরম ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে মাউশির। মাউশি জানায়, নতুন শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি এরই মধ্যে ভর্তি ফরম ছাড়তে শুরু করেছে। বাকিগুলোও ভর্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অবশ্য, ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ মনে করেন এটি করলে ভালো হবে, কেউ আবার তা মনে করেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রোববার থেকে শুরু যাদের পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ নভেম্বর ২০২০:
২০১৮ সালের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স চতুর্থ বর্ষের (বিশেষ) মৌখিক/ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ নভেম্বর (রোববার) থেকে শুরু হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে পরীক্ষা সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত হওয়া বিষয়ভিত্তিক মৌখিক পরীক্ষা ভিডিও কনফারেন্সের (জুম অ্যাপস) এর মাধ্যমে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষা চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (http://www.nu.ac.bd/)-এ পাওয়া যাবে। পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কলেজের মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জানুয়ারিতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ নভেম্বর:
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আসন্ন ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস আগে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবেন তবে অন্য কোনো শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবেন না।

সোমবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপিতে বলা হয়, দেশে বর্তমানে ৩৬টি সরকারি ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে৷ গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু ভিন্নতা রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীদের ত্বাত্তিক পাঠদানের সাথে প্রতিক্ষেত্রে ব্যবহারিক শিক্ষার আবশ্যিকতা রয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষায় এমবিবিএস/বিডিএস শিক্ষার্থীদের বছরে মে ও নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি ও আগস্ট এ দু’টি টার্মে প্রফেশনাল পরীক্ষা হয়ে থাকে। একজন ছাত্রকে চিকিৎসক হওয়ার পূর্বে চারটি প্রফেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়৷

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হওয়ার প্রেক্ষিতে ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সেশনজট মুক্ত রাখতে পরীক্ষা নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই৷ চিকিৎসা শিক্ষা ভিন্নধর্মী হওয়ায় বিদ্যমান বিধিতে পরীক্ষা ব্যতিত অন্য কোনোভাবে একজন শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হওয়ারও সুযোগ নেই৷

সকল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ ও বিএমডিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একাধিক সভার মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় ৷ এতে সকলের সম্মতিক্রমে আগামী ২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ হতে সকল ব্যাচের প্রফেশনাল পরীক্ষাসমূহ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের গাইড লাইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

ডেস্ক,৯ অক্টোবর:
করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া গুচ্ছ না কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা (ক্যাট) পদ্ধতিতে হবে তাও চূড়ান্ত হয়নি। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্যাটের পক্ষে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে বলে জানা গেছে।

তবে এসব আলোচনা ছাপিয়ে চলতি বছরের ভর্তি পরীক্ষার শর্ত বা নিয়ম কী হবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, করোনার কারণে এইচএসসি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবেই। তবে সামনে শীত থাকায় এত শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ কার্যকর নাও হতে পারে।

সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুর দুই মাসে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শীতের পর ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চে পরীক্ষাটি নেয়া হতে পারে। তবে এতে সময় নষ্ট হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অপেক্ষা করতে না চায়; সেক্ষেত্রে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত না থেকেই পরীক্ষাটি হতে পারে। অর্থ্যাৎ অনলাইনে পরীক্ষা হতে পারে। এবিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবর উপাচার্যদের নিয়ে ইউজিসির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯টিতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটে আসবে না বলে জানায়। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলেও এবরা অটোপাসের কারণে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জনে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৬০ হাজারের মতো আসনে ভর্তি হতে পরীক্ষা দেন ছয় লাখের মতো শিক্ষার্থী। এই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে। আগামী জানুয়ারিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলেও জানান তিনি।

তবে সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়ার বিষয়টি কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। জানা গেছে, ইতোমধ্যে এইচএসসি ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের জন্য কাজ শুরু করেছে টেকনিক্যাল কমিটি। জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা পিছিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতের পর ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। তবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষার আয়োজন হলে তা হবে অনলাইনে।

এ কারণে পরীক্ষার পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে সময়ক্ষেপণ করা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, করোনার সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনলাইনে নেওয়া যায় না। পরিস্থিতি ভালো হলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে চাই। এ ক্ষেত্রে কৃষি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুচ্ছ হবে। প্রথম দুটির জন্য দুটি পরীক্ষা নেয়া হবে। আর শেষেরটির জন্য বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজ- তিনটি পরীক্ষা হবে বলে তিনি জানান।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেছেন, কোন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অ্যাডমিশন কমিটি, ডিনস কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেবে। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, প্রতিটি বিষয়ই কাউন্সিল ও কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেছেন, পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় না এলেও বাকিদের নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ বলি আর ক্যাট বলি- সমন্বিতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সময়ের দাবি। গোটা ভারতে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে আমাদেরও পারার কথা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পলিটেকনিক ভর্তির ফল প্রকাশ

ডেস্ক,৩০ আগষ্ট:

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রথম দফায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচিত আবেদনকারীদেরকে আগামীকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে ৩৮৫ টাকা প্রদান করে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে তারা আবেদন করতে পারবে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে ৩৮৫ টাকা ফি জমা দিয়ে মনোনয়ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি : মনোনীত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন ৮টার মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ আগস্ট , ২০২০
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরুর প্রথম ধাপে সারাদেশের ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৭২১ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছে। ১৩ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছিলেন। সে হিসেবে প্রথম দফায় আবেদন করেও ৬৪ হাজার ৯৭২ জন ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনয়ন পায়নি। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে আজ রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার মধ্যে। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে ২০০ টাকা ফি জমা দিয়ে সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে। এছাড়া সোনালী সেবা ও সোনালী ওয়েব পেমেন্টের মাধ্যমে ২০০ টাকা ভর্তি নিশ্চায়ন ফি দেয়া যাবে।

গত ৯ আগস্ট সকাল সাতটা থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে।

একাদশ শ্রেণিতে এইচএসসি ও আলিম শিক্ষার্থীদের ভর্তির ১ম দফায় অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২০ আগস্ট শেষ হয়।
দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৩১ আগস্ট থেকে চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পছন্দক্রম অনুসারে ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবদনের ফল প্রকাশ হবে একই দিন (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টাতেই।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থেীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল এবং ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে আর কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল ৯৫ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আলাদাভাবে এইচএসসি ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করছে।
সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নটর ডেম কলেজে গুগল ক্লাসরুমের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ আগষ্ট:

২০২০-২১ শিক্ষার্বষে নটর ডেম কলেজে একাদশ শ্রেণি ভর্তিতে ভার্চুয়ালি লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ) তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে শিগগির শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে পরীক্ষার তারিখ ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এ ভর্তি পরীক্ষা গুগল ক্লাসরুমের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মিনিটের এ পরীক্ষায় ২৫টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। আর প্রতিটি ভুলের জন ০ দশমিক ৫০ নম্বর কাটা যাবে। পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীর সবকিছু পর্যবেক্ষণ ও রেকর্ডিং করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভার্চুয়ালি এ পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সংশয় দূর করার জন্য ডেমো টেস্টের ব্যবস্থা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ডেমো টেস্টের পর চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময় শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রে প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৯ আগস্ট ডেমো টেস্টের আয়োজন করলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। এদিকে, আজ ডেমো ও চূড়ান্ত পরীক্ষার নিদের্শনাবলি প্রকাশ করলেও তারিখ ও সময় জানাতে পারেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, কলেজটিতে এবারও বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে বাংলা মাধ্যমে ১ হাজার ৭৮০টি এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৩০০টি আসনে, মানবিক বিভাগে ৪০০টি ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৭৫০ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি: আবেদনকারীদের ৭ নির্দেশনা দিল শিক্ষা বোর্ড

ডেস্ক,৪আগষ্ট:

আগামী ৯ আগস্ট থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে। এ কার্যক্রম চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এবারও অনলাইনে ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে। এদিকে, আবেদনকারী ভর্তিচ্ছুদের সাধারণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-

১) ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে, তবে ১৫ আগস্ট জাতীয় শােক দিবসে অনলাইন সার্ভিস ও কল সেন্টার বন্ধ  থাকবে।

২) নগদ/সােনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওর ক্যাশ/রকেট এর মাধ্যমে সার্ভিস চার্জসহ আবেদন ফি ১৫০ টাকা প্রদান করতে হবে।

৩) একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি কলেজে এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। তবে একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সন/গ্রুপে আবেদন করা যাবে।

৪) আবেদন ফি পরিশােধ করার সময় এবং প্রথমবার আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে একটি মােবাইল নম্বর (নিজের/অভিভাবকের) দিতে হবে, যেটি শিক্ষার্থীর যোগাযোগ নম্বর হিসেবে বিবেচিত হবে। যোগাযোগ নম্বরটি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ কেননা পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সকল যােগাযােগ ও আবেদনের জন্য এটির প্রয়ােজন হবে।

৫) আবেদন করার সময় কলেজের পছন্দক্রম বিশেষ বিবেচনা পূর্বক সাবধানে পূরণ করতে হবে।

৬) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। সমান জিপিএপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) ব্যতীত মােট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

৭) ভর্তির ফলাফল তিনটি পর্যায়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। একজন শিক্ষার্থীকে তার মেধা, কোটা (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দ ক্রমানুযায়ী একটি মাত্র কলেজের জন্য নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অনলাইনে বাের্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ২০০ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ দুইবার স্বয়ংক্রিয়ভাবেকৃত মাইগ্রেশনের জন্য বিবেচিত হবে, এক্ষেত্রে মাইগ্রেশন সর্বদাই শিক্ষার্থীর পছন্দ ক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা-কালে ভর্তি পরীক্ষা: ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ জুনঃ

করোনা-কালে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘটনায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৯ জুন) বোর্ডের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি নেয়া হবে তা ঠিক করতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষাবোর্ডের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে শোকজের জবাব পর্যালোচনা এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

শোকজের জবাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের জবাব পেয়েছি। মঙ্গলবার তাদের জবাব পর্যালোচনা করে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

গত শনিবার (২৮ জুন) ভর্তি পরীক্ষা নেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ শাখা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরের দিন শিক্ষাবোর্ড স্কুল কর্তৃপক্ষকে এক দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। আজ সোমবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে শোকজের জবাব দেয় কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উচ্চ মাধ্যমিকে ক্লাসের সময় বাড়ছে ১৫ মিনিট, ভর্তি শুরু জুলাইয়ে

ডেস্ক,১৫ জুন ২০২০:

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশ হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এখনও উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়নি। কবে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে তাও অনিশ্চিত। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ক্লাসের সময়সূচি বৃদ্ধি ও বাড়তি ক্লাস করার মতো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, একাদশের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে গত ১৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। সেখানে গত ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার জন্য এক মাস ২০ দিনে তিন ধাপের কথা তাতে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি মন্ত্রণালয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। আর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্লাস শুরুর আশা করছেন তারা। তবে তা বিলম্ব হলে একাদশের ক্লাসের সময় এবং বন্ধের দিনগুলোয় বাড়তি ক্লাস করে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি। গত ৭ জুন থেকে ভর্তি আবেদন শুরুর প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

কলেজ পরিদর্শক বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও ক্লাস শুরু হতে বিলম্ব হলেও এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে আগে ক্লাসের সময় ৪৫ মিনিট থাকলেও এক ঘণ্টা করা হবে। আর সপ্তাহিক বন্ধ ও ছুটির দিনগুলোয় অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে একাদশ ও দ্বাদশের সিলেবাস শেষ করা হবে। ফলে সেশনজট হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল প্রকাশ করা হয়, পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়ায় ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে।

জানা গেছে, দেশে সরকারি-বেসরকারি প্রায় সাড়ে আট হাজার কলেজে আসন রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে ভালো হিসেবে বিবেচিত ২০০ কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস খোলার আদেশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ জুন, ২০২০
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সীমিত আকারে খুলেছে সরকারি অফিসগুলো । এ পরিস্থিতিতে ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মত প্রশাসনিক কাজে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস সীমিত আকারে খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অসুস্থ ও গর্ভবতী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশ বলা হয়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধুমাত্র প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যেমন ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তান সম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদেরক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

আদেশে আরও বলা হয়, পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সব অবস্থায় মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারনি। গতবছর শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১০৭টি। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্য ৪৮টি মাদরাসা রয়েছে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১১টায় ফেসবুক লাইভে এসে ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। গতবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পরীক্ষার্থী ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন।

জানা গেছে, ৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া এখনই নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
প্রতিবছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফল প্রকাশের এক সপ্তাহ পরে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভর্তি সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে না। সামাজিক দূরত্ব কার্যকরের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র শনিবার রাতে জানায়, আন্ত:শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রস্তাব এসেছে ৬ জুন অনলাইনে আবেদন শুরু করার কিন্তু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিষয়ে মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাছাড়া ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা আছে। এর আগেই আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাব।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, প্রতি বছর দেখা যায় ভর্তির ফল প্রকাশের পর বোর্ডে দৈনিক ৪-৫ হাজার শিক্ষার্থীর আসা-যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। পরিস্থিতির দিকে আমরা নজর রাখছি।

ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত যে ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৭২৬ জন নিবন্ধন করেছে। এসব শিক্ষার্থীর ফল সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী মনজুরুল কবীর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরুর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ মে, ২০২০

ঈদের আগে অথবা ঠিক পরপরই প্রকাশিত হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। সে লক্ষ্যে সাধারণ ছুটির মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ফলাফল প্রকাশের পর জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অনলাইনে একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

শিক্ষাবোর্ড সূত্রগুলো জানায়, চলতি মাসেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আর এসএসসির ফল প্রকাশের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে অনলাইনে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। সেটা ৬ তারিখ হতে পারে বা দুচারদিন পেছাতেও পারে।’ অন্যান্য বছরের মতো এবার ফল প্রকাশে তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকবে না। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফল জানার সুযোগ থাকবে না। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করে তা-ও করা হবে না। শিক্ষার্থীদের ফল জানতে হবে মূলত এসএমএস এবং শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। ফল প্রকাশের আগেই শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করারও সুযোগ থাকবে। এই রেজিস্ট্রেশন যারা করে রাখবে, তাদের মোবাইলে ফল প্রকাশের পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল পৌঁছে যাবে।

সূত্র আরও জানায়, যদি ৬ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় তাহলে শেষ ধাপে ২৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। ১৬ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এতে প্রথম ধাপের ভর্তি আবেদন আগামী ৬ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত গ্রহণ করা হতে পার।

২৩ থেকে ২৭ জুন যাচাই-বাছাই, আপত্তি ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম চলতে পারে। ৫ জুলাই প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে পুনঃনিরীক্ষায় এসএসসি পরীক্ষার ফল পরিবর্তনকারীদের প্রথম ধাপে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হতে পারে।

দ্বিতীয় ধাপের আবেদন ১৪ জুলাই শুরু হয়ে চলতে পারে ১৭ জুলাই পর্যন্ত। একই দিন রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তৃতীয় ধাপের আবেদন ২২ জুলাই শুরু হয়ে চলতে পারে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। ২৪ জুলাই রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন আর রশিদ মঙ্গলবার বলেন, ‘যদি চলতি মাসে ফল প্রকাশ করতে পারি তাহলে ৬ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে একদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হবে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter