Home » বিশেষ সংবাদ (page 4)

বিশেষ সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এটুআই ICT4E জেলা এম্বাসেডর নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস ২০১৮ সালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এটুআই ICT4E জেলা এম্বাসেডর হিসাবে নিয়োগ পেয়েছে। শিক্ষায় আইসিটি উদ্যোগগুলোকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় ‘আইসিটি ফর এডুকেশন’ এম্বাসেডর নির্বাচন করা হয়েছে। উল্লেখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একমাত্র প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাসকে চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা এম্বাসেডর হিসাবে সিলেকশন করেছে।
এটুআই এর কারিগরি সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সারাদেশে প্রায় ২৩ হাজার ৩শ ৩০-টিরও বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা এবং ৮হাজার৯শ২৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে। সকল শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘শিক্ষক বাতায়ন’ তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে ২,৭০,০০০-এর অধিক শিক্ষক তাদের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট আপলোড এবং ডাউনলোড করার পাশাপাশি বন্টন ও কমেন্টের মাধ্যমে তাদের চিন্তাভাবনা ও মতামত বিনিময় করছেন। শিক্ষায় আইসিটি উদ্যোগগুলোকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় ‘আইসিটি ফর এডুকেশন’ এম্বাসেডর নির্বাচন করা হয়েছে। ‘শিখুন- যখন যেখানে ইচ্ছে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকারি- বেসরকারি অংশীদারদের নিয়ে বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বড় ই-লার্নিং প্লাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এটুআই প্রোগ্রাম। এরই ধারাবাহিকতায় দর্শনায় গণিত বিষয়ে প্রশিক্ষক এবং আইসিটিতে অত্যন্ত দক্ষ স্বরুপ দাসকে জেলা এম্বাসেডর হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারী কর্মচারীদের স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে ॥ মুহিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রযুক্তির কল্যাণে জ্ঞানের জগতও উন্মুক্ত। তাই জবাবদিহি করতে হবে বিষয়টি মাথায় রেখে সকল সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীকে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সোমবার বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের যৌথ উদ্যোগে ‘সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম, দুদক সচিব ড. মোঃ শামসুল আরেফিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার) এএনএম জিয়াউল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রেজোয়ান হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

অর্থমন্ত্রী সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের সকল কাজ হতে হবে জনকল্যাণমূলক এবং গোষ্ঠী স্বার্থ থাকলে কোন কাজই জনকল্যাণমূলক হবে না এটাও মাথায় রাখতে হবে। বর্তমানে দেশের সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ায় অনেক গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর কেউ গোপনীয়তার সংস্কৃতি অনুসরণ করে না। এখন দেশে তথ্য অধিকারসহ বিভিন্ন আইন রয়েছে যার মাধ্যমে যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তি সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ার যে কোন পর্যায়ের তথ্য চাইতে পারে। তাই প্রত্যেককেই আইন অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি কাজেই স্ববিবেচনার সুযোগ রয়েছে। আর এই স্ব-বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হলে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, সচিবালয় নির্দেশমালা না মানা দুর্নীতির একটি উৎস হতে পারে। কালক্ষেপণই দুর্নীতির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় নির্দেশমালা ২০১৪ অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে বিষয় (মামলা) নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে বলেন। একইসঙ্গে সময়াবদ্ধ সময়ে বিষয় নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান। বিজনেস প্রসেস রিইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, পদ্ধতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই দুর্নীতির অনেক উৎস বন্ধ করা যায়। দুদক চেয়ারম্যান, ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অথবা অধীন অধিদফতরের অন্তত একজন করে দুর্নীতির কুখ্যাতি রয়েছে এমন নোন টু বি করাপ্ট কর্মকর্তা চিহ্নিত করে তাদের তালিকা দুদকে প্রেরণ করুন। কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি : বিকল্প চিন্তা সরকারের

ডেস্ক,১৪ ফেব্রুয়ারী: তীব্র সমালোচনার মুখেও গত আট বছরের ধারাবাহিকতায় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে মূলধন সরবরাহে চলতি বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা। কিন্তু একের পর এক অনিয়ম, আর্থিক কেলেঙ্কারি আর চরম অব্যবস্থাপনায় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত সরকারি খাতের ছয় ব্যাংকে বর্তমানে মূলধন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা। এ কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি পূরণে এবার অর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প চিন্তাও করছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি খাতের ব্যাংকগুলো জনগণকে যেসব সেবা ফ্রি দিচ্ছে সেসব সেবায় ন্যূনতম চার্জ আরোপের চিন্তা চলছে। এসব ব্যাংকের মূলধন পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে এসব বিষয় আলোচিত হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিসহ সরকারি খাতের বাণিজ্যিক তিন ব্যাংক- সোনালী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত তিন ব্যাংক- কৃষি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন (রাকাব) ও গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, বৈঠকে ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের নিকট জানতে চাওয়া হয় তাদের ব্যাংকগুলোর মূলধনের অবস্থা এত খারাপ কেন?

এ বিষয়ে প্রতিনিধিরা জানান, বেসরকারি খাতের ব্যাংক যেসব সেবায় নির্দিষ্ট হারে ফি আদায় করে এমন ৪০টি সেবায় সরকারি ব্যাংকগুলো কোনো ফি নেয় না। এসব সেবায় ফি নেয়া হলে মূলধনের অবস্থা এতটা খারাপ হতো না। এ পরিপ্রেক্ষিতে ‘ওইসব সেবায় সর্বনিম্ন চার্জ ধরে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা যায় কিনা, তা ভেবে দেখতে বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিকে অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, মূলধন ঘাটতি পূরণে সরকারের নিকট অর্থ চাওয়া হয়েছে সে অর্থ পেলে তাদের কী সুবিধা হবে? তারা কতটুকু রিকভারি করতে পারবে অর্থাৎ তাদের টোটাল বিজনেস পলিসি প্রস্তুত করে পুনরায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ খাতে চলতি বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো তাদের টোটাল বিজনেস পলিসি পাঠালে সে অনুযায়ী দুই হাজার কোটি টাকা থেকে কিছু কিছু করে দেয়া হবে। সহায়তা পেতে অনেক বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে। এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুসুর রহমান বলেন, আজকের বৈঠকে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতির সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হল-মার্ক, বিসমিল্লার মতো বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়া রাষ্ট্রমালিকানার ব্যাংকগুলোর কাঁধে আনুপাতিক হারে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের বোঝা। একই সঙ্গে এসব ব্যাংক বছরের পর বছর ভুগছে বড় আকারের মূলধন ঘাটতিতে। খুঁড়িয়ে চলা এসব ব্যাংককে গত আট বছরে বাজেট থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এরপরও সরকারি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বছরের পর বছর মূলধন জোগান দিয়ে ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার তীব্র সমালোচনা করছেন অর্থনীতিবিদরা। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাংকগুলো করা হলেও এখন তা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন বলেন, ব্যাংকগুলোতে যা হয়েছে তা নিজেদের দোষে, তাদের দুর্নীতির কারণে। সব জায়গায় ছিল অব্যবস্থাপনা আর রাজনৈতিক প্রভাব। এখন যা হওয়া উচিত তা হলো ন্যারো ব্যাংকিং।

এ অর্থনীতিবিদ বলেন, অনিয়ম, দুর্নীতি আর চরম অব্যবস্থাপনার কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে, যা আদায় করা যাচ্ছে না। ফলে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে মূলধন ঘাটতি বাড়ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোকে জনগণের করের টাকা না দিয়ে খেলাপি ঋণ আদায় করে সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের তাগিদ দেয়া উচিত।

অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলোকে সহায়তার মাধ্যমে অপচেষ্টা, চুরি এবং দিনে-দুপুরে ডাকাতিকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। খুব বেশি হলে একটি ব্যাংক রেখে বাকিগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া উচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত মিলিয়ে সরকারি খাতের ছয় ব্যাংকে ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি সাত হাজার ৬২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের ঘাটতি আট হাজার ২৮২ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে সোনালী ব্যাংকের। এ ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ১৪০ কোটি টাকা। বেসিক ব্যাংকের ঘাটতি দুই হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। এছাড়া জনতা ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ৬৯০ কোটি টাকা। জনতা ব্যাংক প্রথমবারের মতো ঘাটতিতে পড়েছে।

সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের কৃষি ব্যাংকের ঘাটতি সাত হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ঘাটতি ৭৪২ কোটি টাকা।

সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ও অগ্রণী ব্যাংকে কোনো মূলধন ঘাটতি নেই।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৭ সাল থেকে ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে ৪০০ কোটি টাকা অর্থাৎ ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের বেশি পরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে ১০ শতাংশ ন্যূনতম মূলধনের পাশাপাশি দশমিক ৬২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দর্শনায় আন্তঃ প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হযবরল। দুপুর দুটাই বিদ্যালয় বন্ধ। তদন্তের দাবী

দর্শনা অফিসঃ দামুড়হুদা দর্শনার ১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বরামনগরের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের খামখেয়ালির কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে জানান শিক্ষকরা। রোববার সকাল ১০টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনকালে পতাকা উত্তেলনকে কেন্দ্র করে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এদিকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশকে অমান্য করে দুপুর ২টায় পূর্বরামনগর সরকারী প্রাথমিক বন্ধ ঘোষনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এতে সাধারন শিক্ষকদের মধ্যে আরো ক্ষোভ দেখা যায়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার আন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ত্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আজ ছিল উদ্ভোধন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মতিয়ার রহমান। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুৃল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরু হওয়া কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের একগুয়েমির কারনে তা হয়নি। সে সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তৎক্ষনাৎ প্রতিবাদ করলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কৌশলে অনুষ্ঠান কোনরকমে শুরু করে স্থান ত্যাগ করে। এমনকি সেমময় সহকারী উপজলো শিক্ষা অফিসারকে বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি।
এদিকে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাদে বাকীদের বিদ্যালয় অবস্থান করার কথা থাকলেও পূর্বরামনগর সরকারী প্র্থামিক বিদ্যালয় তা পালন করেনি। বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের দায়িত্ব থাকলেও বাকীরা ক্লাস না চালিয়ে মাঠে অবস্থান করে। বাকী ৯টি বিদ্যালয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা বাদে সবাই বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করলেও পূর্ব রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর দুটাই বন্ধ করে দেয়।
এর পূর্বে তিনি মাইকে ঘোষনা দেন পরবর্তী দিন অথাৎ ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় চালিয়ে ১টা পর মাঠে আসতে হবে। এতেও শিক্ষকরা তীব্র প্রতিবাদ করে। পরে পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সে সময় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ স্বীকার করেন তিনি না বুঝে এরকম একটা স্ধিান্ত দিয়েছেন। আমাকে কেউ বলতে বলেনি।
এ ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, আগামীকাল কখন শিক্ষকরা মাঠে আসবে তা তার জানা নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন, বিদ্যালয় পড়াশুনার স্বার্থে বিদ্যালয় খুলে রাখতে বলা হয়েছে। তবে আগামীকাল ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় থেকে মাঠে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে শিক্ষকদের মধ্যে। সাধারন শিক্ষকদের দাবী আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। পূর্ব রামনগর বিদ্যালয়ের এক আইন আর অন্য বিদ্যালয়ের জন্য আরেক আইন এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবে না। সাধারন শিক্ষকদের দাবী হারুন অর রশিদের কারনে দর্শনায় যত সমস্যার সৃষ্টি হয়।তিনি বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ভাল হন। বিষয়টি সুস্থ তদন্তের দাবী জানিয়েছে শিক্ষকরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জরুরি প্রয়োজনে ‘৯৯৯’ কাল চালু হচ্ছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার \ নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে উন্নত দেশগুলোর মতো জাতীয় ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক ‘৯৯৯’ নম্বরের সম্প্রসারিত ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল মঙ্গলবার।

সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে জরুরি পুলিশি সেবা, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারবেন। কেউ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহায়তা চাইলে সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহূর্তে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন।

দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে কল সেন্টারটি সার্বক্ষণিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ৯৯৯-এর ব্যবহার, প্রচার ও কমিউনিটি সেফটি অ্যাওয়ারনেস কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক ‘৯৯৯’ এর কাঠামো তৈরির কাজ শুরু করে। ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে জনগণকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সার্ভিসটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সোফিয়াকে নিয়ে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিভিত্তিক প্রদর্শনী ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল এ আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ যন্ত্রমানবী সোফিয়া।

বুধবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিনি এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আয়োজনের বিশেষ অতিথি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন নারী রোবট সোফিয়ার সঙ্গে কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধা-যোগ্যতার বলে তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের তরুণরা দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। তারা দেশের মর্যাদা বাড়িয়ে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

‘রেডি ফর টুমরো’ বলে আগামীর জন্য তৈরি হতে নতুন প্রজন্মের তরুণদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

‘প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজ আমরা বলতে পারি ডিজিটাল বাংলাদেশ’। অথচ দশম সংসদের নির্বাচনের পর আমাদের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইশতেহার নিয়ে অনেকে ঠাট্টা করেছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা।

উদ্বোধনের পর লেজার লাইট শোয়ের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে রোবট সোফিয়াও এই শো উপভোগ করেন।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন ও সক্ষমতা তুলে ধরতেই এ আয়োজন। আয়োজন করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এ ছাড়াও আয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্প।

এ ছাড়াও পার্টনার হিসেবে রয়েছে- বাক্য, বিসিএস, ই-ক্যাব, বিআইজেএফ, বিবিআইটি, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম এবং সিটিও ফোরাম।

আজ থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে প্রদর্শনী চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন লক্ষীপুরের সেই সিভিল সার্জন

লক্ষীপুরে ভ্রাম্যামাণ আদালতে ৩ মাসের সাজা আদেশের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শরীফ।

মঙ্গলবার ( ০৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় লক্ষীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক মীর শওকত হোসেন ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন মঞ্জুর করেন। দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে কারাগার থেকে স্থানীয় চিকিৎসকরা তাকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

এসময় সাবেক সিভিল সার্জন তার প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় এবং সিনিয়র চিকিৎসক যেন অসম্মানিত ও অপমানিত না হন এ জন্য জোর দাবী জানাই। একই সঙ্গে মোবাইল কোর্টের নামে যে তৎপরতা চালানো হচ্ছে অবশ্যই এটি বন্ধ করা সহ যারা এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডা. আশফাকুর রহমান মামুন, ডা. নিজাম উদ্দিন, ডা. জাকির হোসেন, ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. হামিদ প্রমুখ।

সালাউদ্দিনের আইনজীবি রাসেল মাহমুদ মান্না জানান. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ডা. সালাউদ্দিন শরীফের জামিন আবেদন করলে আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকা দিয়ে জামিন মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশ পথে আগে পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের বড় ছেলে মিনহাজের সঙ্গে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে এডিসিকে থাপ্পড় মারেন ডাক্তার।

বাবা ছেলে ও এডিসি’র মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ ডেকে ডাক্তারকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষনের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় ডাক্তারকে।

খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সকল সেবা কার্যক্রম ও সকল হাসপাতাল ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে নিঃশর্তভাবে ওই চিকিৎসকের মুক্তি দাবিকরেন।

জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘন্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন তারা। তবে বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়ি ঘড়ি করে সাজা দেয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসককের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এসময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন বলে জানান চিকিৎসকরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আপনার শিশুটি অটিজম কিনা বুঝে নিন!

ডেস্ক রিপোর্ট: অটিজম মস্তিষ্কজাত একটি জটিল স্নায়বিক সমস্যা। এর ফলে শিশু অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক সম্পর্ক তৈরিতে বাধাগ্রস্ত হয় এবং একই কাজ বা আচরণের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে।

শিশুর মানসিক বিকাশের এ প্রতিবন্ধকতা মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় বা জন্মের পর ঘটে। সাধারণত, এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় শিশুদের ১৮ থেকে ৩৬ মাস বয়সে।

জিনগত কারণ বা পরিবেশগত বিভিন্ন কারণকে দায়ী করা হলেও এখনো অটিজমের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশে অটিজম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সঠিক সময়ে অটিজম আক্রান্ত শিশুকে দরকারি প্রশিক্ষণ দেয়া যায় তাহলে এরাও অন্যান্য শিশুর মতো উন্নতি করতে পারে এবং তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সামাজিকভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা যেতে পারে।

বাবা-মা যাতে শিশুর অটিজম সমস্যা দ্রুত ধরতে পারেন সেজন্য অটিজম বিশেষজ্ঞরা কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। জেনে নিন এর লক্ষণগুলো কী।
১. শিশুর বিকাশ স্বাভাবিকভাবে না হওয়া বা ধীর গতিসম্পন্ন হওয়া।
২. চোখে চোখে না তাকালে বা অন্যের চোখের দিকে তাকানো পরিহার করলে।
৩. ৬ মাসের মধ্যে বা তার পরেও যদি শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে না হাসে।
৪. আঙুল দিয়ে কোনো কিছু না দেখানো বা নির্দেশ না করা।
৫. হাত দিয়ে কোনো কিছু শক্তভাবে না ধরলে।
৬. শব্দের উৎসের দিকে ফিরে না তাকালে।
৭. ১ বছরের মধ্যে শিশুর নাম ধরে ডাকলে, সাড়া না দিলে।
৮. ১ বছরের মধ্যে মুখে কোনো শব্দ না করলে।
৯. আনন্দময় কোনো অঙ্গভঙ্গি বা প্রকাশভঙ্গি না করলে।
১০. ২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুই শব্দের কোনো বাক্য না বললে।
১১. ১৮ মাসের মধ্যে কল্পিত খেলা না খেলতে না পারলে।
১২. শিশু একা একা থাকতে পছন্দ করলে।
১৩. অনবরত হাত নাড়ানো বা দোলানো, চক্রাকারে ঘুরতে থাকা, পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে হাঁটা, নখ কামড়ানো ইত্যাদি আচরণ করলে।
১৪. ৯ মাসের মধ্যে নিকটজনদের কথা, হাসি, মুখের ভাবভঙ্গি বা অঙ্গভঙ্গির সঙ্গে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ামূলক আচরণ না করলে। যেমন-বাইরে যাবার সময় বাবা বা অন্য কেউ যখন শিশুকে টাটা দেয় তখন শিশুটির তা না দেয়া বা হাত না নাড়ানো। সূত্র: আরটিভি

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সঙ্কটের মুখে ফারমার্স ব্যাংক ছাড়লেন মখা আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: ঋণ কেলেঙ্কারি ও অব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই চাপের মুখে ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পাশাপাশি অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীও পদত্যাগ করেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়।

বেসরকারি এই ব্যাংকটির এমডিকে অপসারণের নোটিস দেওয়ার পর সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের খবর জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের পদত্যাগপত্র পরিচালনা পর্ষদ গ্রহণ করেছে। নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ। একইসঙ্গে ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটি, অডিট কমিটি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠনের কথাও জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকটিতে সদ্য নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত সোমবার বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের তালিকা জমা দিলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

পুনর্গঠিত পর্ষদ ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকটির উপর ‘নজরদারি অব্যাহত’ থাকছে।

বেশ কিছু আমানতকারীর ব্যাংকটি থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার চেষ্টায় সঙ্কট আরো ঘনীভূত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চাঁদপুরের সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন আলমগীর বর্তমান সংসদে সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ফারমার্স ব্যাংকটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ২০১৩ সালে অনুমোদন পেয়েছিল।

ব্যাংকটিতে অনিয়ম ধরা পড়ার পর তখন বেসরকারি এই ব্যাংকটিতে কড়া নজরদারিতে আনতে পর্যবেক্ষক বসিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক যদিও পরে তা আদালতে আটকে যায়।

সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া এক প্রতিবেদনে ফারমার্স ব্যাংককে দেশের আর্থিক খাতের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে।

অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, ফারমার্স ব্যাংক সাধারণ আমানতকারী এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে উচ্চসুদে অর্থ নিয়ে চলছে। দায় পরিশোধের সক্ষমতাও নেই ব্যাংকটির। এর ফলে ব্যাংকটি সমগ্র আর্থিক খাতে ‘সিস্টেমেটিক রিস্ক’ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা না মেনে ফারমার্স ব্যাংকের নতুন ঋণ দেওয়ার বিষয়টিও প্রকাশ পায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানে।

অন্যদিকে ব্যাংকটির কলমানি ঋণের পরিমাণ ১৪৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ব্যাংকটির ক্রয়কৃত সরকারি সিকিউরিটিজের (বিল ও বন্ড) পরিমাণ ১ হাজার ৯ কোটি টাকা। ‘অর্থাৎ ব্যাংকটির দায় পরিশোধের সক্ষমতা নেই,’ বলা হয় প্রতিবেদনে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করন শিক্ষকরা কি উন্নিত বেতন স্কেলের সুবিধা পাচ্ছেন?

মুরাদ হোসেন,ঢাকা,২৭ নভেম্বর: সদ্য জাতীয়করণকৃত (রেজিঃ বেসরকারি ) প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১৪/৭/২০০৮ খ্রিঃ এর পূর্বে প্রধান শিক্ষকের কোন পদই বিদ্যমান ছিলোনা।

শুধুমাত্র দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ১৪-৭-২০০৮ খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮ জি-৭/৯৮ ( অংশ) ২৫৩ এর পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়কর) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।

সে হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ১৪/৭/২০০৮ তারিখে প্রধান শিক্ষকের পদটি হলেও মূলত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২/৫/২০১০ স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮এ-১/২০০৯ -৬৭৫ এর প্রজ্ঞাপন মোতাবেক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ ইউনিটের ১১-৫-২০১০ তারিখ স্মারক নং ১১৭/৬৪ এর প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর এসএমসির মাধ্যমে পদোন্নতি প্রদান, সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ ও যাছাই বাছাই কমিটির সুপারিশের নিরিখে পদোন্নতি প্রাপ্তদের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ ইউনিট ঢাকা পর্যায়ক্রমে ২০১০, ২০১১, ২০১২ ও ২৬/৬/২০১৩ পর্যন্ত পদোন্নতি প্রাপ্ত ( সদ্য জাতীয়করণকৃত) প্রধান শিক্ষকগণকে প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেলে (৫৫০০-১২০৯৫/-) এমপিও ভুক্তকরণ করেছিলেন|

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গননা করা শুরু করলে কারও টাইমস্কেল পাবার কথা নয়। কিন্তু এক শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তারা অসৎ উপায় অবলম্বন করে চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে জাতীয়করনকৃত শিক্ষকদের টাইমস্কেল সুবিধা দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে তারা

(খ) চাকুরীকাল গণনার ক্ষেত্রে পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বেলায় সহকারী শিক্ষকের ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক উভয়ের সমষ্টির ভিত্তিতে চাকুরীকাল গণনা করতে বলায় (যদিও শর্তটি কেবলমাত্র চাকুরি গণনা ও ইনক্রিমেন্ট সুবিধার প্রয়োজনে ) তবুও এ নির্দশনাকে নিজেদের সুবিধার মানসে ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং ৩৮.০০০৭. ০১৫.০০০.০৩.০০.২০১৩.৮১১০৫ তারিখঃ ০৯ নভেম্বর ২০১৪ এর টাইমস্কেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধান অনুসরনের নির্দেশনাকে গোপনে রেখে (উপজেলা শিক্ষা বিভাগ ও হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিধি ও নিয়ম বর্হিভূত ভাবে (১৪/৭/২০০৮ তারিখের পরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তির পরে ১/২/৩ বছরের সময় ব্যবধানে ) ১/২/৩ টি টাইমস্কেল সুবিধা প্রদান করেছেন।

শূধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন নির্ধারণ চিঠি ইস্যু হয়েছে । ১৫ নভেম্বর ২০১৭ সংক্রান্ত একটি জিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনু বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে যার নং ০৭.০০.০০০০ .১৬১.৩৮.০০.০০১.১৭.২৩১ । এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা এখন থেকে প্রধান শিক্ষক পদের উন্নীত স্কেলে বেতন পাবেন।

এটি ৯ মার্চ ২০১৪ থেকেই কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনু বিভাগের সহকারি সচিব মো: সামীম আহসান স্বাক্ষরিত সরকারি ওই আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের ফলে উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে সরকার নিন্মরৃপ নীতিমালা অনুসরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বেতন স্কেল উন্নীত হওয়ার আগে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা যিনি যে সংখ্যক টাইমস্কেল পেয়েছেন বা প্রাপ্য হয়েছেন, উন্নীত বেতন স্কেলের ওপরে সেই সংখ্যক টাইম স্কেল গণনা করে বেতন স্কেল উন্নীত করার অব্যবহিত আগে তার সর্বশেষ আহরিত বা প্রাপ্য মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের তারিখে সরাসরি নির্ণীত সর্বশেষ স্কেলের কোন ধাপে মিললে ওই ধাপে, ধাপে না মিললে বিএসআর প্রথম খণ্ডের ৪২(১)(২) বিধি অনুসরণে নিম্নধাপে বেতন নির্ধারণ করে অবশিষ্ট টাকা পিপি হিসেবে প্রদান করতে হবে এবং ওই পিপি পরবর্তী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিতে তা সমন্বয়যোগ্য হবে।

বেতনস্কেল উন্নীত হওয়ার আগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষক পদে যিনি যে-সংখ্যক টাইমস্কেল পেয়েছেন বা প্রাপ্য হয়েছেন, উন্নীত বেতন স্কেলের উপরে সেই সংখ্যক টাইম স্কেল গণনা করে বেতন স্কেল উন্নীত করার অব্যবহিত আগে তার সর্বশেষ আহরিত বা প্রাপ্য মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের তারিখে সরাসরি নির্ণীত সর্বশেষ স্কেলের কোন ধাপে মিললে ওই ধাপে, ধাপে না মিললে বিএসআর প্রথম খণ্ডের ৪২(১)(২) বিধি অনুসরণে নিন্মধাপে বেতন নির্ধারণ করে অবশিষ্ট টাকা পিপি হিসেবে প্রদান করতে হবে এবং ওই পিপি পরবর্তী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিতে তা সমন্বয়যোগ্য হবে।

গ) ওই পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণকালে মাঝখানে কোন বেতনস্কেল বা গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা যাবে না।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দু’ধাপ উন্নীত করে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদা ঘোষণা দেন। সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন স্কেল উন্নীত করার ঘোষণা দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদার ভিত্তিতে বেতন স্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে   প্রধানশিক্ষক সমিতির  দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের দাবি ও আন্দোলন এবং দফায় দফায় অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নেতাদের বৈঠকের প্রেক্ষিতেই এ আদেশ জারি হয়েছে।
পূর্বের প্রায় সাড় ৩৭০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১২০০০ বিদ্যালয়ে দায়িত্বপালন করছেন সিনিয়র সহকারি শিক্ষকবৃন্দ, আবার ২০০৯,২০১০,২০১৩ সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ৪৫০০ শিক্ষকবৃন্দ ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মরত প্রায় ১৭০০০ প্রধান শিক্ষক বাদ দিলে মাত্র সরাসরি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ ৪৫০০ থেকে ৫০০০ প্রধান শিক্ষক ক্রস্পন্ডিং সুবিধা পাবেন।

অথচ সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের নেতারা প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ করে চলেছেন ৩২০০০ প্রধান শিক্ষক ক্রস্পন্ডিং সুবিধা পাবেন। সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকদের প্রায় ১০০০০ প্রধান শিক্ষক ২/৩ টি

টাইমস্কেলের বিধি উপেক্ষা করে চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে জাতীয়করন শিক্ষকদের টাইমস্কেল সুবিধা গ্রহন করেছে ।

অনিয়মতান্ত্রিক টাইমস্কেলে বেতন ভাতাদি উত্তোলন করায় এখনিই প্রতি শিক্ষক প্রতিমাসে প্রায় ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করে আসছেন। তার উপরে সেই অবৈধ টাইমস্কেলগুলো গণনা করে যদি ক্রস্পন্ডিং সুবিধা নেয় তা হলে ঐ সকল প্রধান শিক্ষকের প্রতি মাসে প্রতিজনে প্রায় ১২০০০ থেকে ১৪০০০ টাকা বেতন ভাতাদিসহ অতিরিক্ত উত্তোলিত হবে।

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকেরা সেই অনিয়তান্ত্রিক সুবিধাদি নেয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে  জোর তদবির করে যাচ্ছেন।তাদের টাকার লোভে অনেক সৎ কর্মকর্তারা জরিয়ে পড়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সচিব বরাবর আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকগণের টাইমস্কেল সুবিধা নেয়া কোন ভাবে বিধিসম্মত নয় তবে যেহেতু অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ টাইমস্কেলগুলো মঞ্জুর করেছেন সেহেতু সেই কর্তৃপক্ষকেই এটি বাতিল করে পুণঃ বেতন নির্ধারণের আদেশ দিতে হবে । আর তবেই তাদের কর্তৃক অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। এখন জনমনে প্রশ্ন হচ্ছে এই বিপুল অর্থ লোপাটের দায় কার ? শিক্ষা বিভাগের নাকি , হিসাব রক্ষণ অফিসের ?

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উত্তরা ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস!

ঢাকা: উত্তরা ব্যাংকের অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় নির্ধারিত পরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই প্রশ্নফাঁস হয়ে যায় বলে অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের।
ফাঁস হওয়া কপিগুলো সাদা কাগজে হাতে লেখা। প্রশ্নের নম্বরের পাশাপাশি উত্তরও লেখা আছে বলে জানান পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষা শেষে চাকরিপ্রার্থীরা আরো জানান, তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন। পরীক্ষার প্রশ্ন ছিল ৩ সেট। যে উত্তরপত্রগুলো মিলেছে সেটি সেট-২।
এরআগে গত ২২ আগস্ট প্রবেশনারি অফিসার ও সহকারী অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উত্তরা ব্যাংক। এতে আবেদন করেন প্রায় ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী।
পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর অধীনে প্রিলিমিনারি (প্রাথমিক বাছাই) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাঁস হওয়া প্রশ্নের বিষয়ে ঢাবির অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর প্রধান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, এটি প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দুদকের হটলাইনে আসা শতকরা নিরানব্বই ভাগ অভিযোগই উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ডিবিসি নিউজ,২ নভেম্বর: দুদকের হটলাইনে আসা শতকরা নিরানব্বই ভাগ অভিযোগই উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ব্যক্তিগত স্বার্থে অন্যকে হয়রানি করার জন্যই এক শ্রেনীর মানুষ অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দিচ্ছেন দুদকের ওয়ান জিরো সিক্স নম্বরে। ভিত্তিহীন অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে তাই ব্যবস্থা নেয়ার পরার্মশ টিআইবির।

দুর্নীতির সঠিক তথ্য পেতে মাস তিনেক আগে চালু করা হয়েছিলো দুদকের হটলাইন সার্ভিস। অফিস সময়ে যে কেউ দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারছে ওয়ান জিরো সিক্স নম্বরে। ভয়েস রেকর্ডের মাধ্যমেও রয়েছে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ২৭শে জুলাই হটলাইন চালুর প্রথম দিন থেকে এ পর্যন্ত অভিযোগ এসেছে সাড়ে তিন লাখ। এরমধ্যে মাত্র ২০টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে দুদক।

ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক শত্রুতাবশত প্রতিপক্ষ’র বিরুদ্ধে অনেকেই  মনগড়া অভিযোগ দিচ্ছেন দুদকে। যার বেশিরভাগেরই সত্যতা পাওয়া পাচ্ছেন না। এসবের মধ্যে অন্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগই সবচেয়ে বেশি। তবে দুদকের সচিব জানালেন তাদের সতর্কতার কথা।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দুদকের হটলাইনের ভালো উদ্যোগ যেন হয়রানির হাতিয়ার না হয়। মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীদের সতর্ক করতে দুদকের প্রচারণা করা উচিত মনে করেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সন্ধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দল ঘোষণা, নেই নাসির

বিশেষ সংবাদদাতা: সবারই জানা নির্বাচক ও হেড কোচ হাথুরুসিংহে মিলে যে দলটি সাজান, তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন লাগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের। এমন নয় যে, বিসিবি সভাপতি পাপন দল চূড়ান্ত করার পর নিজ ক্ষমতা বলে অনুমোদন দেন। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের রীতি, নিয়মও। দীর্ঘদিন চলে আসছে এ ধারা। তিন সদস্যের নির্বাচক কমিটি তাদের খেলোয়াড় তালিকা জমা দেন বোর্ডে। তা সবার আগে যায় ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যানের কাছে। ক্রিকেট অপারেশন্সের মাধ্যমেই, দল চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চলে যায় বিসিবি প্রধানের কাছে।

কখনো কখনো চূড়ান্ত অনুমদনটা বিসিবি সভাপতি বোর্ডে বসেই দেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দল অনুমোদন পায় মেইলের মাধ্যমে। এবার দীর্ঘ দিনের ধারার ব্যতিক্রম ঘটছে। যতদূর জানা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দল চূড়ান্ত হবে বিসিবি বিগ বস নাজমুল হাসান পাপনের গুলশানের বাসায়। নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, দল অনুমোদনের জন্য বিসিবি সভাপতির বাসায় প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান আকরাম খান, ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন ও বোর্ড পরিচালক আই এইচ মল্লিক। বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের এক সূত্র নিশ্চিত করেছেন পাপনের বাসাতেই দল চূড়ান্ত হবে। এখন চলছে সেই দল নির্বাচনী সভা। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো আজ (শনিবার) সন্ধ্যা নাগাদ ঘোষিত হয়ে যেতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষের টেস্ট দল।

এই দল নিয়ে এরই মধ্যে নানা গুঞ্জন ও জল্পনা কল্পনা। বোর্ড সভাপতি আগের দিন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ‘কিপার মুশফিক’ ও তার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে সময়ালচনা করেন। পাপন বলেন, ‘মুশফিক কিপিং করবে কী করবে না, কত নম্বরে ব্যাটিং করবে সেটা তার ব্যাপার।’

যদিও গত পরশু চট্টগ্রামে টেস্ট শেষ হবার পর মুশফিক বলেছেন অন্য কথা। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, আমার কিপিং ও ব্যাটিং অর্ডার কী হবে তা উপরের কর্তাদের কাছে জিজ্ঞেস করুন। বোঝাই গেল মুশফিক, কোচ ও পাপনের দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাপন তার জবাব দিতে গিয়ে আকার ইঙ্গিতে মুশফিককে একহাত নিয়ে ছেড়েছেন।

পাপন বলেন, মাশরাফি কিংবা সাকিব ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল পরিচালনা করতে গিয়ে কখনো এমন কথা বলেনি। বোর্ড সভাপতির এমন মন্তব্যে পরিষ্কার তিনি মুশফিকের উপর অসন্তুষ্ট। এই অসন্তুষ্টির পরিনাম কী হবে? মুশফিকের অধিনায়ক্ব থাকবে কী থাকবে না, তা নিয়েই বিস্তর জল্পনা কল্পনা। তবে ধারণা করা হচ্ছে যেহেতু সময় কম, সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই (১৮ সেপ্টেম্বর) দল দক্ষিণ আফ্রিকা চলে যাবে, ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথম টেস্ট, তার আগে অধিনায়ক বদলের সম্ভাবনা কম।

তবে কিপার মুশফিকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তাকে কিপিং করতে দেখা নাও যেতে পারে। মুশফিক কিপিং না করলে বিকল্প একজনকে কিপিং করতেই হবে। বাংলাদেশ দলের যে গঠন বিন্যাস তাতে শুধু স্পেশালিষ্ট কিপারের টেস্ট দলে থাকার সম্ভাবনা খুব কম। তাই মুশফিক ইপিং না করলে লিটন দাস, নুরুল হাসান সোহান ও আনামুল বিজয়ের একজনকে গ্লাভস হাতে দেখা যেতে পারে।

যেহেতু টপ অর্ডার হঠাৎ নরবরে, তামিম ছাড়া দুই ও তিন নম্বরে সৌম্য, ইমরুল দুইজনেই অপ ফর্মে, চার নম্বরও স্থির নয়, তাই এনামুল হক বিজয়ের কথা উঠে এসেছে। যদিও প্রধান নির্বাচক জোড় দিয়ে জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট ও বাউন্স উইকেটে অনভিজ্ঞ কাউকে বিবেচনায় আনতে চান না তারা। দ্রুত গতির উইকেটে তুলনামূলক সাবলীল সৌম্যের দলে থাকা নিশ্চিত। ইমরুলের জায়গায় নতুন কাউকে নেয়া যায় কী না সে চিন্তা চলছে। তবে অভিজ্ঞতার বিচারে ইমরুল টিকে যেতে পারেন। আর যদি ইমরুল বাদ পড়েন তাহলেই কেবল বিজয়ের সম্ভাবনা থাকবে।

এদিকে এইচপির হয়ে ইংল্যান্ড সফরে এরই মধ্যে দুই সেঞ্চুরি করা নাজমুল হোসেন শান্তর কথাও ভাবা হচ্ছে। এই তরুণ দলে জায়গা পেলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দল থেকে অনিবার্যভাবেই বাদ পড়ছেন নাসির হোসেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভিড়ের মধ্যে নারী পুলিশের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত অফিসারের, ভিডিও ভাইরাল

ভিড় সামলাতে ব্যস্ত এক নারী পুলিশের স্পর্শকাতর অঙ্গে বার বার হাত দিচ্ছেন সহকর্মী সিনিয়র পুলিশ অফিসার। ভারতের কোয়েম্বাত্তুরে ৪ আগস্ট সোমবার শহরের কেন্দ্রে গাঁধীপুরম সিগন্যালের কাছে ভিড় সামলাচ্ছেন ওই নারী পুলিশ সদস্য। আর বার বার তার স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দিচ্ছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার জয়ারাম।

আর এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমালোচনাকারীরা বলছেন, ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই ভিডিও এক ভয়ঙ্কর সত্যিকে সামনে এনে দিয়েছে। পুলিশের পোশাক পরার পরেও মুক্তি পাননি ওই নারী। খাঁকি পোশাকেও ভারতে নারীরা নিরাপদ না। এই ভিডিও একাধারে প্রমাণ করে রক্ষকরাই ভক্ষক আর নারীরা লাঞ্চনার পাত্রী, সে যতই হোক পুলিশ কিংবা সাধারণ নারী

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘ধর্ষকগুরুর’ পালিত কন্যাকে গ্রেপ্তার!

ঢাকা, ০৪ সেপ্টেম্বর : ভারতের ধর্মগুরু ‘ধর্ষক’গুরমিত রাম রহিমের পালিত কন্যা হানিপ্রীত ইনসানকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। সোমবার বেশ কয়েকটি ভারতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

আমার উজালা নামে একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার নার্সের ছদ্মবেশ নিয়ে মুম্বাই বিমানবন্দর হয়ে ভারত ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন হানিপ্রীত। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

আরেকটি জনপ্রিয় দৈনিকও একই ধরণের সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে ডেরা সাচা সৌদা অথবা মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে এ খবরের সত্যতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

হানিপ্রীতের স্বামী কয়েক বছর আগে অভিযোগ করেছিলেন, তার স্ত্রীকে গুরমিত রাম রহিম পালিত কন্যা হিসেবে  ঘোষণা করলেও তাদের মধ্যে অবৈধ যৌন সম্পর্ক রয়েছে। নিজের কুকীর্তি ঢাকতেই ‘বাবা’এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।

হানিপ্রীতের বিরুদ্ধে অভিযোগ , যে দিন পঞ্চকুলা আদালত রাম রহিমকে ধর্ষণ মামলায় দোষী প্রমাণিত করে, সে দিনই আদালত চত্বর থেকে তাকে নিয়ে পালানোর ছক কষেছিলেন ‘বাবা’র পালিত কন্যা। সে অনুযায়ী, তিনি পুরো প্রস্তুতি নিয়েই আদালতে এসেছিলেন বলে সন্দেহ পুলিশের। যে দিন রাম রহিমের সাজা ঘোষণা হয়ে যায়, সে দিন থেকেই গা ঢাকা দেন হানিপ্রীত। গত শুক্রবার হরিয়ানার পুলিশ জানিয়েছিল, হানিপ্রীতের সন্ধানে বিমানবন্দরসহ রাজ্য থেকে বের হওয়ার বিভিন্ন চেক পয়েন্টগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter