Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ দাবি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশনপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাইমারির মতো জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি।

প্রেসক্লাবের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ কাজী ফয়েজুর রহমান। সঞ্চালনা করেন মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আল্লামা শায়েখ খন্দকার গোলাম মাওলা নকশাবন্দি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম ইয়াকুব হোসাইন।

সভায় কয়েকটি দাবি তোলা হয়। দাবিগুলো হলো-
প্রাইমারির মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা মুজিববর্ষে মহাসমাবেশের মাধ্যমে জাতীয়করণ ঘোষণা। কোডবিহীন মাদ্রাসাগুলোকে বোর্ড কর্তৃক কোড নম্বর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসা নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করতে হবে। অফিস সহায়ক নিয়োগ। শিক্ষকদের পিটিআই ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। আসবাবপত্রসহ ভবন নির্মাণ। মাদ্রাসার স্থায়ী রেজিষ্ট্রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আগামী সপ্তাহ থেকে প্রাথমিকের নতুন রুটিন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ সেপ্টেম্বর:
আগামী সপ্তাহ থেকে প্রাথমিকের নতুন রুটিন অনুযায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস হবে দুই দিন করে। এসব শ্রেণিতে এখন সপ্তাহে এক দিন করে ক্লাস হচ্ছে।

আরো খবরঃ প্রাথমিক শিক্ষকরা গাফিলতি করল ব্যবস্থা-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশের একটি পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল বলেন, আদেশ দিয়ে বিষয়টি জানানো হবে।

এর আগে গত সোমবার থেকে মাধ্যমিকের অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাস এক দিন করে বাড়িয়ে সপ্তাহে দুই দিন করা হয়। তখন থেকেই প্রাথমিক স্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসও এক দিন করে বাড়ানোর চিন্তা করছিলো মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। এখন চলতি বছরের ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে এক দিন করে হয়ে এলেও এখন তা পর্যায়ক্রমে বাড়ছে।

মাধ্যমিকে যেদিন যেসব শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাচ্ছে, সেদিন তাদের দুটি করে ক্লাস হচ্ছে। আর প্রাথমিকে হচ্ছে তিনটি করে ক্লাস। তবে শিশু শ্রেণি, নার্সারি ও কেজি শ্রেণির মতো প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিকক্ষের ক্লাস আপাতত বন্ধ রয়েছে।

Govt/Primary exclusive job course

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষকরা গাফিলতি করল ব্যবস্থা-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের প্রথামিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

আরো খবরঃপ্রাথমিকের শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত, ১৪ দিনের জন্য পাঠদান বন্ধ

বুধবার দুপুরে চিলমারী উপজেলার চরাঞ্চলের কয়েকটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সফরসঙ্গি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোজাহেদুল ইসলাম।

পরিদর্শন শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলায় গত কয়েকদিন ধরে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করে শিক্ষকদের অনুপস্থিতিসহ শিক্ষা কর্মকর্তাদের কিছু গাফলতি চোখে পড়েছে। এসব ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ উন্নয়নে শিক্ষকদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত নির্দেশনা জারি করা হয়।

১১ দফা নির্দেশনা গুলো হল-

অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণ করতে হবে। তাতে শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি, রোল, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, কী কারণে অনুপস্থিত, গৃহীত পদক্ষেপসহ অন্যান্য বিষয় উল্লেখ থাকবে।

অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করবেন শিক্ষকরা। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে হোম ভিজিট করতে হবে।

প্রতিটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির (শ্রেণিভিত্তিক) হার নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। উপস্থিতির ঘাটতি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

কোভিড-১৯ প্রভাবজনিত শিখন ঘাটতি পূরণে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীদের পারঙ্গমতা যাচাই করে বিভিন্ন দলে ভাগ করে শ্রেণিশিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নির্দেশিত পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সম্প্রচারিত ‘ঘরে বসে শিখি’র পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে।

বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষক ও শ্রেণি শিক্ষকরা শ্রেণিভিত্তিক প্রতিটি শিশুর শিখন যোগ্যতার প্রোফাইল (শিখন ঘাটতি পরিস্থিতি) প্রণয়ন করে এ সম্পর্কিত অগ্রগতির রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।

শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক মূল্যায়নে শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ (ওয়ার্ক শিট) যাচাইকরণে একই শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘাটতি নিরূপণে শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

প্রধান শিক্ষক, শ্রেণি শিক্ষক, বিষয় শিক্ষক এবং কর্মচারীদেরকে শিক্ষার্থীদের মনো-সামাজিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে সহনশীল ও মানবিক আচরণ করতে হবে।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ২টি শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী যে সব শিক্ষকের পাঠদান কার্যক্রম থাকবে না তারা বিদ্যালয়ে বসে অবশিষ্ট ৩টি শ্রেণির জন্য গুগল মিট-এ (যেখানে সম্ভব) কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

মাঠপর্যায়ের প্রত্যেক মেন্টরকে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ থেকে প্রেরিত মেন্টরিং গাইডলাইন (মেন্টরদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংক্রান্ত) ও মেন্টরিং টুলস অনুসরণ করে নিজ দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে।

সব ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত, ১৪ দিনের জন্য পাঠদান বন্ধ

ডেস্ক,২১ সেপ্টেম্বর:
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ ছিল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজের পাঠদান শুরু হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

এরই মধ্যে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত এই শিক্ষার্থী উপজেলার ৪নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ওই ছাত্রী আক্রান্ত হওয়ার পর স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।

মঙ্গলবার বিদ্যালয়টিতে গিয়ে ওই ছাত্রী আক্রান্ত হওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক আতঙ্কিত নয় বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেলী পারভীন পান্না।

তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিন ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে এসেছিল। সেই দিন তার মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়নি। এর পর সে বাড়িতে বসে জ্বরে আক্রান্ত হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দেওয়া হলে ১৭ সেপ্টেম্বর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই ছাত্রীর মাও করোনায় আক্রান্ত। আমার ধারণা, সে পরিবার থেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের আরও তিন শিক্ষার্থী জ্বরে আক্রান্ত। তারা বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছে।

বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক অর্পিতা মণ্ডল বলেন, প্রতিদিন আমরা শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মেপে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করাই। করোনার বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে কোনো আতঙ্ক নেই। আমাদের বিদ্যালয়ের উপস্থিতির হার সন্তোষজনক।

বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ইতি মধু ও মেঘা দাস বলেন, অনেক দিন পর বিদ্যালয় খুলেছে। আমরা বিদ্যালয়ে আসতে পেরে আনন্দিত। প্রতিদিন আমরা মাস্ক পরে বিদ্যালয়ে আসি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষকরা আমাদের পাঠদান করান। করোনা নিয়ে আমাদের কোনো আতঙ্ক নেই।

অভিভাবক আসমা বেগম ও সাইদুর সিকদার বলেন, আমাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে কোনো প্রকার কুণ্ঠাবোধ করছি না। দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা চাই না বিদ্যালয় আর বন্ধ থাকুক।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার অরুন কুমার ঢালী বলেন, তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর আমরা ওই বিদ্যালয়টির তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছি। সার্বক্ষণিকভাবে আমরা ওই ছাত্রীর খোঁজখবর নিচ্ছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুশান্ত বৈদ্য বলেন, আক্রান্ত ওই শিক্ষার্থী বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। আমরা তাকে করোনার চিকিৎসা দিয়েছি। বর্তমানে সে হোম আইসোলেশনে আছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, উপজেলা প্রতিটি বিদ্যালয়েই স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন পাঠদান চলছে। আমরা এসব বিদ্যালয় প্রতিনিয়ত মনিটরিং করছি। প্রতিটি বিদ্যালয়েই প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। কোনো শিক্ষার্থীর মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার নমুনা পরীক্ষা করা হবে। রিপোর্ট পজিটিভ এলে আমরা ওই শ্রেণি বা বিদ্যালয় বন্ধ করে দেব।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

রংপুর প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সরকার শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে সজাগ রয়েছে। এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও নেয়া হবে। এ জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

আরো খবর: ৮৪১ জন তৃতীয় শিক্ষকের এমপিওভুক্তি

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুরে পিটিআই সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। কিছুদিনের মধ্যে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবো এবং শিক্ষা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করতে পারবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহামারির ভয়াবহতার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। লেখাপড়ার এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরাসরি পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি ওয়ার্কশিট পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রমও চলবে।

‘করোনা অতিমারির কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ অনেক কর্মকর্তার কর্মস্থল বদলি স্থগিত রয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনলাইনে এর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে’ বলেও জানান গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

জাকির হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকলকেই সচেতন হতে হবে। শিক্ষার্থীদের শতভাগ সুরক্ষায় রাখতে হবে। শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের আগে প্রত্যেকের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করা ছাড়াও প্রতি বেঞ্চে ৩ ফুট দুরত্ব রেখে বসতে হবে।

এর আগে উত্তরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ও কর্মকর্তাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন তিনি।

জেলা প্রশাসক আসিব আহসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর পিটিআইয়ের সুপারিন্টেন্ডেন্ট খন্দকার ইকবাল হোসেন, বিভাগীয় উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুজাহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের রংপুর জেলা সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর চলতি বছরের ১১ নভেম্বর এসএসসি ও সমমান এবং ২ ডিসেম্বর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবে গতবারের মতো এবারের ৫ম ও ৮ম শ্রেণির সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রস্তুতি সারলেও এ বছর তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর নভেম্বরের শুরুতে জেএসসি ও জেডিসি এবং একই মাসের শেষের দিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে সেপ্টেম্বর মাস থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি, কেন্দ্র নির্ধারণী নানাবিধ সিদ্ধান্ত হয়। এবার এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রতিদিন সরাসরি পাঠদান করা হচ্ছে না। তাদের সপ্তাহে একদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা হচ্ছে।

তাছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখা অনুযায়ী নতুন কারিকুলামে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের দুই সমাপনী বাতিল হতে পারে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলতে নারাজ বোর্ড সংশ্লিষ্টরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিয়োগ ও সহায়ক জনবলের শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
প্রাথমিকে শিক্ষকসহ অন্যান্য পদের সংখ্যা বাড়ছে। সেই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ ও সহায়ক জনবলের শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

আরো খবরঃ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ‘অটোপাস’ নিয়ে সুখবর

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শূন্য পদের বিপরীতে এবং ছাত্র সংখ্যা্র অনুপাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকসহ অন্যান্য সহায়ক জনবলের পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, সংসদীয় কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে প্রতি ১৫টি বিদ্যালয়ের জন্য একজন করে সহকারী শিক্ষা অফিসারের পদ সৃষ্টি এবং বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে প্রধান শিক্ষকদের সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসেবে পদোন্নতির জন্য নিয়োগবিধি সংশোধন কার্যক্রম চলমান আছে।

আরো পড়ুনঃ ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জের গ্রাহকেরা যেভাবে টাকা ফেরত পাবেন

বৈঠকে ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২১ অর্থ বছরে যেসব বিদ্যালয়ে অবকাঠামো নির্মানের ক্ষেত্রে কোনও আইনি জটিলতা নেই, সেসব বিদ্যালয় নির্বাচিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দরপত্র প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভায় সরকারিকরণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক এখনও বেতন পাননি, শিগগিরই তাদের বেতন প্রাপ্তি নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়াও, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার পদে (এডিপিও) পদে কর্মরতদের মধ্যে যোগ্যদের দ্রুত পদোন্নতির সুপারিশ করে কমিটি।

কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মেহের আফরোজ, আলী আজম এবং মো. মোশারফ হোসেন বৈঠকে অংশ নেন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়াগ পেতে ক্লিক করুন

ঘরে বসে স্পেকেন ইংলিশ শিখতে ক্লিক করুন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এবার ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে দু’দিন

শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে একদিনের পরিবর্তে ২ দিন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, শনিবার ও বুধবার নবম শ্রেণি এবং রবিবার ও বুধবার অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়াও সোমবার সপ্তম শ্রেণি এবং মঙ্গলবার ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস হবে।

আর চলতি বছরের এবং আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন নিতে হবে বলে নির্দেশনায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ৭ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষার্থীদের একটি মৌলিক রুটিন প্রণয়ণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বদলে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম, সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন

ডেস্ক,১৫ সেপ্টেম্বর:

নতুন শিক্ষাক্রমে বদলে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম,সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ধারার এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কিন্তু প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী বছর নতুন শিক্ষাক্রম পরীক্ষামূলকভাবে শুরুর আগেই তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু করবে সরকার।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের আগেই সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এখন তাঁদের যেভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলেই আমরা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু করব।’

আরো পড়ুন: বিদ্যালয়ে আসার সময় আছে, যাওয়ার নেই

শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে চাপ কমিয়ে পড়াশোনার পরিবেশ আনন্দময় করতে গত সোমবার নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছে সরকার। এদিকে আগামী বছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ধাপে ধাপে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। মাদ্রাসা ও কারিগরির শিক্ষার্থীদেরও নতুন এই শিক্ষাক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। তবে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা আগের মতোই ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিলেবাস অনুযায়ী পড়বে। কওমি মাদরাসা নিয়ে কোনো কথা নেই।

সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। এই চার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শুধু শিখনকালীন মূল্যায়ন করা হবে। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা দেবেন, বাকি ৬০ শতাংশ নম্বর আসবে তাদের শিখনকালীন মূল্যায়নের মাধ্যমে। নবম-দশমে ৫০ শতাংশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা, বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন এবং একাদশ-দ্বাদশে ৭০ শতাংশ নম্বর পরীক্ষা এবং ৩০ শতাংশ নম্বর শিখনকালীন মূল্যায়নে দেওয়া হবে। পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে শিখনকালীন মূল্যায়ন যোগ করে মূল ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক স্তর এবং নবম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর হওয়ার কথা থাকলেও নতুন শিক্ষাক্রম সেভাবে হয়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর ধরে নতুন শিক্ষাক্রম করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের আগেই সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ জন্য শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় শিক্ষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী বছর থেকেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। নতুন করে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণেও নতুন পাঠ্যক্রমের বিষয়টি রাখা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের নাম বদলে ‘ভালো থাকা’ করা হবে। এই বইয়ে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখানো হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম চালু হলে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে। প্রাক-প্রাথমিকে ৫০০ ঘণ্টা, প্রথম-তৃতীয় শ্রেণিতে ৬৩০ ঘণ্টা, চতুর্থ-পঞ্চম শ্রেণিতে ৮৪০ ঘণ্টা, ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে ১০৫০ ঘণ্টা, নবম-দশম শ্রেণিতে ১১১৭.৫ ঘণ্টা এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ১১৬৭.৫ ঘণ্টা শিখন সময় (বছরে) নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাকুরি প্রস্তুতি কোর্স করতে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিদ্যালয়ে আসার সময় আছে, যাওয়ার নেই

প্রধান প্রতিবেদক,১৫ সেপ্টেম্বর:
সরকার স্কুল-কলেজ খোলার পর সরকারি প্রাথমিকে চলছে শ্রেণি পাঠ। শ্রেণি পাঠ দিতে শিক্ষকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুসরণ করতে হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৬ নির্দেশনা। এমনকি এসব বিদ্যালয়ে দুই শিফট ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা। তবে তাদের অভিযোগ বিদ্যালয়ের আসার সময় অধিদপ্তর থেকে বলা হলেও বিদ্যালয় ছেড়ে যাওয়ার কোন সময় নির্দেশনায় উল্লেখ নেই। শিক্ষকদের দাবি এর ফলে সব বিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন তারা। কিন্তু তারা কখন বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফিরবেন এ নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। নারী শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষা অফিস থেকে নির্দেশনা আছে বিদ্যালয়ে যখন-তখন পরিদর্শনে আসা হতে পারে। এর ফলে প্রধান শিক্ষক সারাদিনই সব ক্লাস নেয়ার পরও আমাদেরকে বসিয়ে রাখছেন।

আরো পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষিকার ১০ কোটি টাকা আত্মসাত

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিদিন এক শিফটে ক্লাস নেয়া হচ্ছে। কিছু বিদ্যালয় আছে যেখানে দুই শিফট ক্লাস চলছে। এক শিফট এর বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয় ৯.৩০ মিনিটে। আর শেষ হয় দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে আর শেষ হয় ৩টা ৪৫ মিনিট। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের স্কুলে আসার সময় নির্ধারণ করা হয় সকাল ৯টায়। তবে যাওয়ার কোনো সময় নির্ধারণ করেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। শিক্ষকরা বলছেন, এরপর আরও সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

মাঠ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অধিদপ্তরের আদেশ অস্পটার কারণে কিছু শিক্ষক সুযোগ নিচ্ছেন, আবার অনেক শিক্ষক স্কুলেই বসে থাকেন। কারণ এখানে আসার সময় বলা আছে কিন্তু যাওয়ার সময় উল্লেখ করা নেই।

অধিদপ্তর সূত্র বলছে, শিক্ষকদের অনুপস্থিতি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের উপস্থিতির তথ্যও পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অফিস আদেশে বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেয়। আদেশে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষার্থী সরাসরি পাঠদানে উপস্থিত রয়েছে সে সম্পর্কিত তথ্য সমন্বয় করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী পাঠাতেও বলা হয়েছে। এ নির্দেশের ফলে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দিন বলেন, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষকদের কোন কারণ ছাড়াই বিদ্যালয়ে বসে থাকতে হচ্ছে। অধিদপ্তর থেকে কোনো কাজ দেয়া হলে সেটিও মানা যেত। কিন্তু কোন কাজ ছাড়া একজন শিক্ষককে এভাবে বসিয়ে রাখা অযৌক্তিক।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরে কোন কথা বলেছেন কী না জানতে চাইলে মো. শামছুদ্দিন বলেন, এখনো কিছু বলা হয়নি। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা আমাদের করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি মুঠোফোনে কল ধরেননি। তবে অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, দেশের সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসওপি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি) বাস্তবায়নে তাদের পূর্ণ কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে আশরাফুল আলম নামের একজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অধিদপ্তর থেকে আমাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষকরা ৯ টায় বিদ্যালয়ে আসবেন ও দুপুর দেড়টায় বিদ্যালয় ছেড়ে যাবেন। তবে প্রয়োজনে সময় পরিবর্তন করার সুযোগও আমাদের দেয়া হয়েছে।
সুত্রঃ বাংলাদেশ জার্নাল

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের ৫ শিক্ষককে শোকজ

ভোলা প্রতিনিধি:
রাতে বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উড়তে থাকার অভিযোগে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম শিবপুর শরীফ সরদার বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষককে শোকজ করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উড়ার দৃশ্য দেখতে পান। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ভিড় জমান এবং ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

আরো পড়ুনঃ অবৈধভাবে টাইমস্কেল লাগিয়ে জাতীয়করণ প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন দিগুণ

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, তিনি একটু অসুস্থ থাকায় স্কুল ছুটির পর বের হয়ে যান বিদ্যালয় থেকে। বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের ভুলের কারণে জাতীয় পতাকা নামানো হয়নি। এছাড়া ভবিষ্যতে এমন ভুল যাতে না হয় সে ব্যাপারে সজাগ থাকবেন তিনি।

আরো পড়ুন : ৪ বছর চাকুরী জীবনে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকের টাইমস্কেল তিনটি

ভোলা সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্ত বলেন, বিষয়টি শোনার পর আজ সকালে প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদ উদ্দিনসহ ওই বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। আগামী তিনদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। এছাড়া তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অবৈধভাবে টাইমস্কেল লাগিয়ে জাতীয়করণ প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন দিগুণ

গাইবান্ধা হতে আনিসুর রহমানঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জাতীকরণকৃত ৩৭ জন প্রধান শিক্ষক ২০১৪ সাল থেকে সরকারি প্রায় দ্বিগুণ বেতন তুলছেন। আর এর ফলে এই সাত বছরে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানলেও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এখনো বাড়তি বেতনই তুলছেন এসব শিক্ষকরা।

২০০৭ সালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন মো. আনিছুর রহমান। ২০০৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শর্ত সুবিধায় হয়ে উঠেন প্রধান শিক্ষক।

আরো পড়ুন: ৪ বছর চাকুরী জীবনে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকের টাইমস্কেল তিনটি

আনিছুর রহমানের কপাল খুলে যায় ২০১৩ সালে। এসময় দেশের রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারি করা হয়। কপাল খুললেও আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ বছর। মাত্র চার বছর চাকরি জীবনে টাইমস্কেল লাগিয়েছেন তিনটি। আর এতেই তার বেতন হয়েছে মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা!

শুধু আনিছুর রহমান নয়, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এমন ৩৭ জন প্রধান শিক্ষক ২০১৪ সাল থেকে সরকারি প্রায় দ্বিগুণ বেতন তুলছেন। আর এর ফলে এই সাত বছরে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানলেও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এখনো বাড়তি বেতনই তুলছেন এসব শিক্ষকরা।

উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা জানান, সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন ৩০-৩২ হাজার টাকা। অন্যদিকে অবৈধ পন্থায় টাইমস্কেল লাগিয়ে এসব শিক্ষকরা বেতন তুলছেন ৪৮ হাজার ২৫৬ টাকা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৪ বছর চাকুরী জীবনে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকের টাইমস্কেল তিনটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১:
২০০৭ সালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন মো. আনিছুর রহমান। ২০০৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শর্ত সুবিধায় হয়ে উঠেন প্রধান শিক্ষক।

আনিছুর রহমানের কপাল খুলে যায় ২০১৩ সালে। এসময় দেশের রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারি করা হয়। কপাল খুললেও আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ বছর। মাত্র চার বছর চাকরি জীবনে টাইমস্কেল লাগিয়েছেন তিনটি। আর এতেই তার বেতন হয়েছে মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা!

আরো পড়ুনঃঅবৈধভাবে টাইমস্কেল লাগিয়ে জাতীয়করণ প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন দিগুণ

শুধু আনিছুর রহমান নয়, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এমন ৩৭ জন প্রধান শিক্ষক ২০১৪ সাল থেকে সরকারি প্রায় দ্বিগুণ বেতন তুলছেন। আর এর ফলে এই সাত বছরে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানলেও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এখনো বাড়তি বেতনই তুলছেন এসব শিক্ষকরা।

উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা শিক্ষাবার্তাকে জানান, সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন ৩০-৩২ হাজার টাকা। অন্যদিকে অবৈধ পন্থায় টাইমস্কেল লাগিয়ে এসব শিক্ষকরা বেতন তুলছেন ৪৮ হাজার ২৫৬ টাকা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল খুলতে গোপালগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে র্দীঘ প্রায় দেড় বছর পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস চালু করতে গোপালগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রস্তুতি সম্পন্ন প্রায়। শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষসহ বিদ্যালয় চত্বরে চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচ্ছন্নতার কাজ। চলছে বেঞ্চ সাজিয়ে রাখার কাজ।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি। দীর্ঘ দিন পর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে এমন প্রস্তুতির দৃশ্য।

গোপালগঞ্জ জেলার ১২শ’র বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকায় এসব বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল, ব্লাকবোর্ড, অফিস রুম ও খেলার মাঠসহ বিভিন্ন জায়গায় জমেছে ধুলাবালি ও আবর্জনার স্তুপ।

জেলার ৮৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০৩টি মাধ্যমিক ও ৮৯টি মাদ্রাসা ও শতাধিক কিন্ডারগার্ডেন স্কুল এখন ক্লাস নিতে প্রস্তুত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter