Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

অনিয়মের কারণে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করা যাবে না

ডেস্ক,১৬ জুন ২০২১:
কোনও অনিয়মের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করতে পারবেন না ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সেমেন্ট (ডিডিও) কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১৫ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ২০২১ সালের মে মাসের সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রয়োজনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে বেতন-ভাতা বন্ধ করা যাবে না।

সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিভিন্ন প্রকার অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে ডিডিও কর্তৃক কোনও শিক্ষকের বেতন-ভাতা বন্ধ করা যাবে না। অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়ে তা নিষ্পতি করতে হবে। অননুমোদিতভাবে কোনও শিক্ষক অনুপস্থিত থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। নিয়মিতকরণের পর ওই সময়ের বেতন-ভাতা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৫ জুন) ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপ-পরিচালকদেরকে মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ড্রয়িং অ্যান্ড ডিস ডিসবার্সেমেন্ট (ডিডিও) কর্মকর্তা হিসেবে শিক্ষকদের বেতন বিলে সুপারিশ করেন উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নিয়ে যা বলল ডিপিই

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ জুন ২০২১:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন জমা দেয়া শেষ হয়েছে প্রায় ৬ মাস হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা নেয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে সেটি আর আয়োজন করতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এ কারণে পরীক্ষা ধাপে ধাপে নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে অধিদপ্তরটি।

ডিপিই সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। সংক্রমণ কিছুটা কমলেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে লিখিত পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। একসঙ্গে ১৩ লাখ প্রার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করা কষ্টসাধ্য ফলে কয়েকটি ধাপে এ পরীক্ষা হওয়ায় ১৬ সেট প্রশ্ন তৈরির উদ্যোগও নিয়েছে ডিপিই।

এ বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম জানান, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষা নিতে আমরা প্রস্তুত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, এবারের পরীক্ষা আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহযোগিতা নিচ্ছে ডিপিই। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে। বুয়েটের কারিগরি সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সঠিক প্রার্থী চিহ্নিত করা এবং লটারীর মাধ্যমে কেন্দ্র সচিব নির্বাচন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, এবারের পরীক্ষা সংক্রান্ত কারিগরি সহায়তায় থাকবে বুয়েট। এছাড়া রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে, সেটিও আপডেট করা হয়েছে। আমরা কয়েকটি ধাপে এ পরীক্ষা নিতে পারি। এজন্য প্রশ্নের ১৬টি সেট তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭টি শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৫ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। যা শেষ হয় ২৪ নভেম্বর। এরপর দুই ধাপে ভুল সংশোধন করার সুযোগ দেয় ডিপিই। এতে মোট ১৩ লাখ ৫ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ১৩ জুন

ডেস্ক,২৯মে:
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির করা হয়েছে। ১৩ জুন খুলবে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বুধবার (২৬ মে) ভার্চুয়ালি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১৩ জুন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করে খোলা হবে।

তিনি বলেন, ১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আগামী জুন মানের ১২ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা জানা যাবে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ মে, ২০২১
টানা ১৪ মাস ধরে বন্ধ থাকা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে কিনা, তা আজ বুধবার জানা যাবে। পাশাপাশি এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আজ দুপুর ১২টায় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীদের জানাবেন।

করোনা পরিস্থিতিতে আগামী ২৯ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা থাকলেও চলমান লকডাউনের সময়সীমা ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ কারণে স্কুল-কলেজের ছুটি আরও এক সপ্তাহ বাড়তে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে। করোনা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত আজ জানিয়ে দেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, সরকার চেয়েছিল করোনা সংক্রমণের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নেমে এলে স্কুল-কলেজ খুলে দিতে। এ অবস্থা এখনও আসেনি। অন্যদিকে দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা বাধাগ্রস্ত হবে।

সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে তারা আন্দোলনেও নেমেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবিসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় স্কুল-কলেজ খুলতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, আগামী জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আগে নতুন করে আরও এক সপ্তাহ ছুটি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে যদি লকডাউন তুলে দেওয়া হয় তাহলে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু হবে। জুন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন তাদের ক্লাস নেওয়া হবে। অন্য স্তরের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে অফলাইনে একদিন ক্লাস নেওয়া হবে। এছাড়া অনলাইনে চলবে নিয়মিত ক্লাস।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে গত সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। তারা অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে বড় ধরনের আন্দোলনের হুমকি দেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। গতকাল মঙ্গলবার ঢাবি ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত সকল সিদ্ধান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের দাবির ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবগত আছে। এ মুহূর্তে কী করণীয়, তা দ্রুতই জানানো হবে।

বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান করোনাকালে শিক্ষার ক্ষতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি একটি জরিপ পরিচালনা করে। এর মধ্যে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) যৌথ গবেষণা জরিপের ফলাফলে বলা হয়, দেশের ৯৭ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, স্কুল খুললে তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন। আর মাধ্যমিকের ৯৬ শতাংশ অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৪ মে, ২০২১

দেশে করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ আরও এক দফায় বাড়ছে। মহামারি মোকাবিলায় চলমান লকডাউন তথা বিধিনিষেধের সময়সীমা বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।

রোববার (২৩ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে। এ বিষয়ে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আলাপ-আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে জানানো হবে।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু দেশের চলমান লকডাউনে ৩০ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী জুন মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে নতুন করে আরও এক সপ্তাহ ছুটি বৃদ্ধির চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে যদি লকডাউন তুলে দেওয়া হয় তাহলে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি শুরু করা হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন তাদের ক্লাস নেওয়া হবে। অন্য স্তরের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়া হলেও অনলাইন ও অফলাইনে চলবে নিয়মিত ক্লাস।

মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে দিশেহারা বিশ্ববাসী। বাংলাদেশেও প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন শত শত মানুষ। মৃত্যুর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এ ভাইরাস প্রতিরোধে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে। চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে কয়েক দফা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ২৯ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ মে ২০২১:

দেশে চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফা বাড়িয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্কুল-কলেজের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ মে) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ঊর্ধগতি দেখা দেয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এবং করোনা মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ছুটি চলাকালীন শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে।

এর আগে শনিবার বিকেলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ২৩ স্কুল-কলেজ ও ২৪ মে ইউনিভার্সিটি খোলা সম্ভব হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ৫০০ টাকা করার সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক মে ১০, ২০২১:
করোনা পরিস্থিতিতে ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাখরচ বেড়েছে ১২ গুণ। ফলে শিক্ষার সুযোগপ্রাপ্তিতে সংকট তৈরি হয়েছে। স্কুলগামী ছেলেশিশুদের ৮ শতাংশ এবং মেয়েশিশুদের ৩ শতাংশ কোনো না কোনো উপার্জন প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়েছে। গ্রামীণ অঞ্চলে যেখানে শহরের তুলনায় মানুষের আয় পুনরুদ্ধারের ও কাজের ভালো সুযোগ রয়েছে সেখানেও এই হার বেশি।

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক যৌথ গবেষণায় এটি উঠে এসেছে।

সোমবার (১০ মে) অনলাইনে এক অনুষ্ঠানে গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন।

শিক্ষাখাতে অভিভাবকদের ওপর খরচের চাপ কমাতে দেশে প্রচলিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বৃত্তিপ্রদান কর্মসূচিকে শিক্ষা খরচ হিসেবে ব্যবহার করার সুপারিশ করেছেন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তথ্য-বিবরণী থেকে প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে ২৯৬০ কোটি টাকা সরবরাহ করে সরকার বেশ দ্রুতই এই খাতে অর্থসংস্থান করতে পারে। এক্ষেত্রে একজন প্রাথমিকে একজন শিক্ষার্থীকে ১০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা উপবৃত্তি দেয়ার সুপারিশ করেন তিনি।

কোভিড-১৯ এর কারণে দেশে দরিদ্রতার রূপ কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা জানতে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি যৌথভাবে পুরো দেশজুড়ে তিনধাপে একটি টেলিফোন জরিপ করে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত এটি করা হয়।

এই গবেষণার তৃতীয় ধাপের দ্বিতীয় অংশ হলো ‘কোভিড ইমপ্যাক্ট অন এডুকেশন লাইফ অব চিলড্রেন’।

ফলাফলে দেখা গেছে, দূরবর্তী শিক্ষণের জন্য যে সুবিধা থাকা দরকার তা আছে বা ব্যবহার করছে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী। ফলে সরকারি ও বেসরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে এই বন্ধে লেখাপড়া শেখার হার খুব কম। অবশ্য যারা দরিদ্র নয় এবং শহরের বস্তিতে থাকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সেসব শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার একটু বেশি। একই সঙ্গে কোচিংয়ে বা প্রাইভেট টিউশনে যাওয়ার প্রবণতা মাধ্যমিক স্তরে ৬১ শতাংশ। যারা দরিদ্র নয়, তাদের মাঝে এই হার বেশি (৭৪ শতাংশ)।

আবার শহরের বস্তি এলাকায় খরচ বেশি হওয়ার কারণে কোচিংয়ে যুক্ত হওয়ার হার কম। পড়াশোনায় যুক্ত থাকার আরেকটি পদ্ধতি হলো বাবা-মা বা ভাই-বোনের সহায়তায় পড়া। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ের চেয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে এই সহায়তাপ্রাপ্তির হার কম। মাদরাসায় বদলি হওয়ার প্রবণতা বেড়ে আগের চেয়ে চার গুণ হয়েছে এবং মাধ্যমিকের চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। যদিও ৯৫ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানকে স্কুলে পুনরায় পাঠাতে আগ্রহী তবুও অর্থনৈতিক অবস্থাটি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

জরিপে দেখা যায়, শিক্ষণ ঘাটতির মুখে রয়েছে প্রাথমিক স্তরের ১৯ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। শহরের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষণ ঘাটতির ঝুঁকি বেশি বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। নারীদের ২৬ শতাংশ এবং পুরুষদের ৩০ শতাংশ রয়েছে এই ঝুঁকিতে। দরিদ্র শ্রেণির মানুষদের মাঝে যারা অতি দরিদ্র, সেইসব পরিবারের মাধ্যমিক স্কুলগামী ৩৩ শতাংশ পুরুষ শিক্ষার্থীর কোভিড-সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধাক্কায় স্কুল ছেড়ে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ মে, ২০২১
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগে শহীদ মিনার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত নকশা অনুসারে পাঁচ স্তম্ভ বা তিন স্তম্ভ বিশিষ্ট শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে। স্কুলের জায়গার সদ্ব্যবহার করে প্রাঙ্গনের উপযুক্ত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে।

রোববার (৯ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। একইসাথে সব স্কুলে শহীদ মিনার স্থাপনের নকশা মাঠপর্যায়ের শিক্ষা অফিসগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তর বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারের অভিন্ন নকশা প্রণয়ন করে মাঠ প্রাঙ্গনে স্থাপন উপযোহী দুইটি নকশা প্রেরণ করা হলো। পাঁচ স্তম্ভবিশিষ্ট ও তিন স্তম্ভবিশিষ্ট দুইটি অপশনের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন উচ্চতায় স্তম্ভের সাইজের ছক দেয়া আছ।

অধিদপ্তর আরও বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সরকার থেকে কোন টাকা বরাদ্দ করা হয় না। এটি স্থানীয় উদ্যোগে নির্মাণ করতে হবে।

তাই, এ নকশ দুটির মধ্যে স্থানীয় উদ্যোগে যেকোন একটি নকশা অনুসরণ করে সরকরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে বলেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর আরও বলছে, বিদ্যালয়ের জায়গার সদ্ব্যবহান করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের উপযুক্ত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এপ্রিলে করোনায় প্রাথমিকের ২৭ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮মে ২১:

এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাথমিক স্কুলের ১ হাজার ১৫৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৮৫ জন। মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৪৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৬১ জন। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫ জন এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ২ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হিসাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৪ জন, বাকিরা প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী।

শিক্ষক-কর্মকর্তারা বলছেন, সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরেও এত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী আক্রান্ত হওয়ার চিত্র উদ্বেগজনক। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ৯টি আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৪৯৮ জন। মারা গেছেন ১৮ জন। কুমিল্লায় আক্রান্ত ১০৯ জন, মৃত্যু ৫ জনের, বরিশালে আক্রান্ত ২০১, মৃত্যু ৩, ময়মনসিংহে আক্রান্ত ৭৫, মৃত্যু ৩, চট্টগ্রামে আক্রান্ত ৮৫, মৃত্যু ৫, রাজশাহীতে আক্রান্ত ৬৬, মৃত্যু ৭, সিলেটে আক্রান্ত ১০৪, মৃত্যু ১, রংপুরে আক্রান্ত ১৩৭, মৃত্যু ৭ এবং খুলনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৮ জন এবং মারা গেছেন ১২ জন।

করোনায় মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পাঁচজন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাও রয়েছেন। ওই কর্মকর্তারা হলেন- মাদারীপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর জীবন কৃষ্ণ সাহা, নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক চৌধুরী আশরাফুল আলম, রাজধানীর সরকারি বাংলা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল খায়ের সামাদী।

বাকি দুজন হলেন- কুমিল্লার লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ আলম এবং ময়মনসিংহের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক অজিত কুমার সরকার।

প্রাথমিকে মৃতদের মধ্যে শিক্ষক ২৩, কর্মকর্তা ৩, কর্মচারী একজন রয়েছেন। আর আক্রান্তের মধ্যে শিক্ষক ৯১৫, কর্মকর্তা ১৪৯, কর্মচারী ৬৮ ও ২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭, খুলনায় ৮, চট্টগ্রামে ৭, রাজশাহীতে ১, বরিশালে ১, সিলেটে ১ ও রংপুরে ২ জন রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগে প্রাথমিকের কোনো শিক্ষক-কর্মচারী করোনায় মারা যাননি।

উল্লেখ্য, সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং। আর প্রাথমিক স্তরের তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সেখান থেকেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে ১৩ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার প্রকোপে ১৩ মাস বন্ধ রয়েছে সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। টিভি-রেডিও ও অনলাইনে ক্লাশ কার্যক্রম চললেও শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখনফল অর্জন করেছে তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। তবে এবার ছুটির মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে আদেশে শিক্ষকদের উদ্দেশে ১৩ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, এবারই প্রথম গুগল মিট অনলাইন ক্লাস এর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত করে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করা হবে। ক্লাস্টারে একটি করে আইসিটি পুল গঠন করতে হবে এবং এইউও/এটিও নেতৃত্বে ক্লাস্টারে অন্তর্গত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থাকবেন যারা ইতোমধ্যে গুগল মিটে কাজ করেছেন। কোন শিক্ষক গুগোল মিটার উপর অরিয়েন্টেড না হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককে একদিনের অরিয়েন্টেশন দিতে হবে। তবে আইসিটি পুল সদস্যরা ক্লাস্টারের যত বেশি সংখ্যক সম্ভব শিক্ষকদের একদিনের অরিয়েন্টেশন দিবেন। আইসিটি পুলের সদস্যগণ এবং ইতোমধ্যে অরিয়েন্টেড শিক্ষকগণ সকল শিক্ষার্থী ও প্রয়োজনে তাদের অভিভাবকগণকে যাদের স্মার্ট ডিভাইস আছে তাদেরকে গুগল মিনিটে অরিয়েন্টেড করবেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষক প্রতি ভাগ করে নেবেন। শিক্ষকগণ প্রতিজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিতভাবে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীদের পাঠ অগ্রগতির খোঁজখবরব নিবেন। সংশ্লিষ্ট অনলাইন পাঠ দানকারী শিক্ষকের নিকট হতে মূল্যায়ন প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং আবশ্যিকভাবে রেকর্ড সংগ্রহ করবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১৫ দিনের মধ্যেই প্রাথমিকে উপবৃত্তির টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ এপ্রিল ২০২১:
নগদের মাধ্যমে প্রাথমিকে ১ কোটি ৪০ লাখ খুদে শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা পাঠাচ্ছে সরকার। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ছয় মাসের বকেয়া টাকা ১৫ দিনের মধ্যে মায়েদের কাছে পৌঁছে যাবে। প্রাথমিকে উপবৃত্তির প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব ইউসুফ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউসুফ আলী বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণার তথ্য আমাদের কাছে এসেছে। একারণে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ৫টি উপজেলায় পাইলটিং করা হবে। এতে যদি সব ঠিকঠাক থাকে, তবে পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে সারাদেশে উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে। মূলত প্রতারক চক্রের প্রতারণা এড়াতে এই কৌশল নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের সঙ্গেও আলাপ করেছি। সবার সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মায়েদের নগদ অ্যাকাউন্টে বকেয়া ৬ মাসের টাকা যাবে। অর্থাৎ ২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর, এই ছয় মাসের টাকা এই কিস্তিতে দেয়া হবে।’

প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, ‘এ বকেয়া ছয় মাসের অর্থ নিরাপদভাবে পাঠানোর পর পরবর্তী তিন মাসের অর্থ পাঠানো হবে। অর্থাৎ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের অর্থ পাঠানো হবে। এটি কার্যকর করা হবে আগামী মে থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে।’

প্রসঙ্গত, করোনার মধ্যে প্রাথমিকের উপবৃত্তি বিতরণের এই প্রকল্প বন্ধ ছিল প্রায় এক বছর। পরে গত ডিসেম্বরে ‘নগদ’র সঙ্গে চুক্তি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। চুক্তির তিন মাসের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের মায়ের তথ্যসহ ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, গত কয়েক বছর ধরে আরেক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘শিওর ক্যাশ’র মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করতো সরকার। এতে প্রতি হাজার টাকার উপবৃত্তি বিতরণে সাড়ে ২১ টাকা সার্ভিস চার্জ এবং ক্যাশ-আউট চার্জ লাগতো। এখন সব মিলিয়ে নগদে প্রতি হাজারে সরকারের লাগবে ৭ টাকা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষকদের উপবৃত্তির কন্টিজেন্সি বাড়লো

অনলাইন ডেস্ক ।।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি কন্টিজেন্সি ২৫০০ টাকার পরিবর্তে ৪০০০ টাকা করে পরিপত্র জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।গত ১৩ এপ্রিল ২০২১ খ্রিঃ তারিখে প্রকর্প পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলি স্বাক্ষরিত এ আদেশ জারি করেন্
প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ শিক্ষা বার্তা ডটকমকে জানান,প্রধান শিক্ষকরা উপবৃত্তির জন্য যে পরিমান সময় এবং অর্থ ব্যয় করেছেন এতদিন তা ছিল অপ্রতুল। উপবৃত্তির কন্টিজেন্সি ৪০০০ টাকা করায় তিনি মহাপরিচালককে ধন্যবাদ জানান ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরিচয়পত্র পাবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ এপ্রিল, ২০২১
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা আইডি কার্ড পাচ্ছেন। তাদের আইডি কার্ড দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের পরিচয়পত্র ইস্যু করবে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পদোন্নতির বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

মো. সিদ্দিকুর রহমান | ১৫ এপ্রিল, ২০২১

স্বাধীনতা ৫০বছর পেরিয়ে গেলেও প্রাথমিকে নেই কোন ক্যাডার সার্ভিস। হাঁস-মুরগী, গাছপালার জন্যও ক্যাডার সার্ভিস বিদ্যমান। বাংলাদেশে তৃণমূলের শিক্ষার ভিত মজবুত করার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা নামে বিশাল জনগোষ্ঠীর মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকের মতো এত জনবল আর কোনো মন্ত্রণালয়ে নেই। একটু গভীরভাবে উপলদ্ধি করলে দেখা যাবে, এ দেশের শিশু শিক্ষার ব্যাপক দায়িত্ব নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে এ মন্ত্রণালয়। সব মন্ত্রণালয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। সব পর্যায়ের শিক্ষাদার কার্যক্রমের মধ্যে কঠিন হলো অবুঝ শিশুকে শিক্ষা দিয়ে মানব শিশুতে রূপান্তরিত করা।

বাড়িতে একটা ছোট্ট শিশু থাকলে সবার নজর থাকে তার ওপর। প্রাথমিক শিক্ষকদের অনুরূপভাবে অনেক শিশুর জন্য সদা সতর্কতার সাথে দেখভাল করতে হয়। কর্মকর্তা-মন্ত্রী শিশুদের হইচইর মাঝে কতক্ষণ অবস্থান করতে পারবেন জানিনা? শিশুদের প্রতি ভালবাসায় আবদ্ধ হয়ে প্রাথমিক শিক্ষকরা এ কঠিন কাজটি করে যাচ্ছেন। প্রাথমিকের মন্ত্রণালয়ও এ বিশাল কর্মযজ্ঞ করেও মাঝে মাঝে নানা অবহেলা পরিলক্ষিত হয়। ভাবখানা এমন শিক্ষার সব দায়িত্ব যেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্যদের। এ মন্ত্রণালয়কে অনেকে অবুঝ মন্ত্রণালয়ের মতো কম গুরুত্বহীন মনে করে থাকেন। আমাদের সংশ্লিষ্টরা অবুঝ শিশুর মতো তাদের ভাবনার মাঝে আবদ্ধ।

শিক্ষক হিসেবে আমাদের উপলদ্ধি করতে হবে আমরা সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা দানের কাজটি করে থাকি। সংশ্লিষ্টদেরও ভাবতে হবে আমাদের মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব মন্ত্রণালয়ের মতো সমান সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির অধিকারী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। অথচ স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও প্রাথমিক শিক্ষা ক্যাডারবিহীন। প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষকের গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি অভিজ্ঞতাকে গুরুত্বহীন করে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বিঘ্ন সৃষ্টি করাও কাম্য নয়। একজন কৃষকের সন্তান বাবা-মায়ের সাহচর্যে থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে ভালভাবে পরবর্তীতে কৃষিকাজ করে থাকেন। অনুরূপভাবে একজন সহকারী শিক্ষক দীর্ঘসময় শিক্ষকতা করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন। যার ফলে তার পদোন্নতির পথ সুগম হলে তার পক্ষে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব।

এ বাস্তবতা শুধু বৃক্ততা-বিবৃতি ও কথার ফুল-ঝুড়ির মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে ভাবনা, সংশ্লিষ্টদের মাঝে দৃশ্যমান নয়। শুধু দৃশ্যমান হচ্ছে শিক্ষকরা তেল দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টদের। এভাবে ক্ষণিকের স্বার্থ রক্ষায় শেষ পর্যন্ত তেল গড়াচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপরও। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ। চলতি দায়িত্বে নিয়োজিত প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি না পেয়ে অবসর গ্রহণ বা মারা যাচ্ছেন। চলতি দায়িত্বে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের ক্যাডারবিহীন পদোন্নতি চালু আছে। অথচ প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস?

প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি নামক সোনার হরিন সীমাহীন আকাশের দিগন্ত রেখার মত পিছিয়ে যাচ্ছে। ডিজি, সচিব, প্রতিমন্ত্রী, মহোদয়ের বক্তব্যে আশার বাণী শুনলে মনে হয় শতভাগ সহকারী শিক্ষকের প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি অতি সন্নিকটে। সময়ক্ষেপন এমন এক পর্যায়ে যা সীমাহীন আকাশের মত দেখা যায়। এ বুঝি একটু পথ পেরুলেই আকাশকে স্পর্শ করা যাবে। শিক্ষকদের মনে প্রশ্ন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের চলতি দায়িত্ব খুব তাড়াতাড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়। অথচ চলতি দায়িত্বের প্রধান শিক্ষকরা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এ বৈষম্য বঞ্চনা প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কেন? শতকরা ৩৫ ভাগ প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ চলছে। যার ফলে শিক্ষকতায় যোগ্যতাসম্পূর্ণ নিয়োগ হয়ে অভিজ্ঞতাহীন প্রধান শিক্ষককে ভরপুর হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

যার ফলে অনেক বিদ্যালয়ে অভিজ্ঞতাবিহীন সাবেক ছাত্র প্রধান শিক্ষকের সাথে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক হৃদয়বিদারক শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। আরও ক্ষত বিক্ষত হয় শিক্ষকতায় অভিজ্ঞতাবিহীণ সহকারী উপজেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার নামে সাবেক শিক্ষার্থীর সাথে। অভিজ্ঞতা ছাড়া কর্মকর্তা শিক্ষকের শিক্ষক হিসেবে কাজ করে কতটুকু মানসস্মত প্রাথমিক বাস্তবায়নে সক্ষম হবে? শিক্ষকদের মানসিক যন্ত্রণা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ। ঢাকা শহর ব্যতিরেকে সারাদেশের শিক্ষকেরা তবু বুক ভরা আশা নিয়ে বেঁচে আছেন, একদিন তাদের পদোন্নতির সুযোগ হবে। ঢাকা শহরে শূন্যপদে প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষকের পদ বাহিরের জেলা থেকে বদলি করে ভরপুর করে রেখেছে।

বর্তমান করোনা সংক্রামিত হওয়ার মতো। হাসপাতালে রোগীর আই.সি.ইউ, অক্সিজেন ও সিটের সংকট। এ সংকট মোকাবিলা যেমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সংক্রমণরোধ করা প্রয়োজন। ঢাকা শহরের শিক্ষকদের সারাদেশের শিক্ষকদের মতো পদোন্নতির ও পোষ্যের কোটা পাওয়ার অধিকার আছে। সে প্রেক্ষাপটে নীতিমালা ভঙ্গ করে আর বাইরের জেলা থেকে বদলি করে ঢাকা শহরের শিক্ষকদের অধিকারকে সংক্রমিত করে নিঃশেষ না করার আহ্বান রইল। নীতিমালা ভঙ্গ করে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা ৩ বছরের স্থলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ৭-১০ বছর যাবৎ একই কর্মস্থল থেকে শিক্ষকদের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে চলেছেন।

তারা করোনার স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের জন্য তাপমাত্রা মাপাসহ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিদ্যালয় কেনার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিভিন্নস্থানে প্রাথমিকের কর্মকর্তরা বহু বছর বা ঘুরে ফিরে একই স্থানে থেকে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন একই স্থানে দীর্ঘ সময় থাকা কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করি। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষার সব অনিয়ম, দুর্নীতি, শূন্যের কোটায় নামিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্টি ধরে শতভাগ পদোন্নতি সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ক্যাডার সৃষ্টি করে শিক্ষার উন্নয়ন ও অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে। অভিজ্ঞতার আলোকে গড়ে উঠবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

জয় বাংলা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

লেখক : মো. সিদ্দিকুর রহমান, সভাপতি, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদ; সম্পাদকীয় উপদেষ্টা, দৈনিক শিক্ষাডটকম।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষাডটকম

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

তদন্ত চেয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’র মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এক কোটি ৪০ লাখ ক্ষুদে শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বিতরণ শুরু হয়েছে। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারক চক্র মায়েদের মোবাইলে ফোন করে নগদের পিন নাম্বার, ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) জালিয়াতি করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখনও এ প্রতারণা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
|আরো খবর

শনিবার এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রধান প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী বলেন, প্রতারক চক্র উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর জানার পরপরই আমরা নগদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে সবাইকে পিন ও ওটিপির ব্যাপারে সর্তক থাকতে বলেছি।

তিনি বলেন, এ ব্যপারে তদন্তের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) অনুরোধ জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে নগদের মাধ্যমে প্রথম ডিজিটিাল পদ্ধতিতে উপবৃত্তির টাকা মোবাইলে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই দেশের প্রতারকচক্র দেশের বিভিন্ন স্কুলে অভিভাবকদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে ফোন দেওয়া শুরু করে। কখনও নগদের এজেন্ট, কখনও শিক্ষা কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক পরিচয় দিয়ে পিন নাম্বার, ওটিপি বা উপবৃত্তির টাকা কম গেছে বলে তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য চায়। আরও টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে বলে ওটিপি চাওয়া হয়। অনেক অভিভাবক না বুঝে সব তথ্য প্রতারকদের দিয়ে দেন। এরপর অভিভাবকদের মোবাইল অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

প্রতারণার বিষয়টি উপবৃত্তি প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানায়। এছাড়া সবাইকে সর্তক থাকতে কিছু নির্দেশনা দিয়ে দুই দফা চিঠি জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, যেখানেই প্রতারণার খবর পাওয়া যাবে সেখানে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে এবং ‘নগদ’ কে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সচেতনামূলক প্রচারণা আরো বেশি করে চালানো নির্দেশ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter