Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে নির্দেশ-ডিপিই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ নভেম্বর:
প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার দেয়া চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের আগে এ বছরের ১৬ মার্চ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান অব্যাহত ছিলো। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংসদ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং শিক্ষকগণ স্ব স্ব উদ্যোগে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সম্পৃক্ত ছিলেন।

চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষকগণ তাদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কিভাবে মূল্যায়ন করা এবিষয়ে মাঠ পর্যায়ে একাধিক শিক্ষক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছে বাংলাদেশ জার্নাল।

মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে বলেন, এযাবতকাল শিক্ষার্থীদের জন্য যে কার্যক্রম চলেছে পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে কতটা দুর্বল মূল্যায়নের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে। এরপর পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে স্ব স্ব বিদ্যালয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে পরবর্তী শ্রেণিতে একই রোল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ নভেম্বর ২০২০:
করোনা পরিস্থিতিতে এবার প্রাথমিকে হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের সুযোগও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবার পরীক্ষা ছাড়াই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে পরের ক্লাসে তোলা হবে। এবার শিক্ষার্থীদের যার যে রোল নম্বর আছে, সেই রোল নম্বর নিয়েই পরের শ্রেণিতে উঠবে।

তবে চলতি বছরের প্রথম আড়াই মাসের ক্লাস এবং কোভিড-১৯ এর সময় যেসব শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে সেগুলোর ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।

জানা যায়, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ১৬ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস হয়েছে। সেই সময় তাদের ক্লাস টেস্ট নেয়া হয়েছে, শিক্ষকরা পড়িয়েছেন, এখন সেসব মূল্যায়নে আনা হবে। এছাড়াও মহামারীর এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির মধ্যে সংসদ টেলিভিশন, বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং জুম প্ল্যাটফর্মে যেসব শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, সেগুলোও মূল্যায়ন করা হবে। তবে এসব মূল্যায়ন পরবর্তী শ্রেণিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এবার আনুষ্ঠানিক কোনো পরীক্ষা হচ্ছে এটা মাথায় রেখেই মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের আগের (এবারের) রোল নম্বরই ফলো করবেন, সবাই পরের ক্লাসে প্রমোশন পাবে।’

বাংলাদেশে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হয়েছে। মহামারী পরিস্থিতির ততটা উন্নতি না হওয়ায় এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা নিচ্ছে না সরকার। তবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বয়স বিবেচনা করে মাধ্যমিকের মত অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে না বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই বদলে যাচ্ছে

ঢাকা,২২ নভেম্বর: ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বদলে যাচ্ছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে নবম এবং ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই হাতে পাবে শিক্ষার্থীরা। এতে আগের মতো মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ থাকবে না। মাধ্যমিকে সব শিক্ষার্থীকে সমান দক্ষতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে একাদশ থেকে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম রেজাউল হাসান বলেন, ‘করোনার কারণে পরিমার্জন পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সালে অষ্টম এবং ২০২৪ সালে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত বই দেওয়া হবে। এসব বইয়ে বিভাগ বিভাজন থাকবে না।’

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় সব কার্যক্রমই এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলাম চালু শুরু হবে। ২০২২ সাল থেকে মাধ্যমিকের নবম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, বাণিজ্য বিভাগ উঠিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সাল থকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে। আর ২০২৪ সালে দশম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে।
তবে নতুন পাঠ্যক্রমে কনটেন্ট পড়ার চাপ কমিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নম্বর ও সময় কমিয়ে আনা হবে পরীক্ষায়। কারিগরি শিক্ষাকে করা হবে জীবনমুখী।

২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পাঠ্যবই পরিমার্জন শেষ করা কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে পরিমার্জন করা হচ্ছে ২০২২ সাল থেকে। উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বাদশ শ্রেণির বই পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে পরিমার্জন শেষ হবে ২০২৬ সালে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির পরিমার্জিত বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছর প্রাক-প্রাথমিকের ৪ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে ২০২৩ সালে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে তৃতীয়, চতুর্থ অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছরই ৫ বছরের বেশি বয়সী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে ২০২৪ সালে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে সারাদেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু করা হবে। ২০২১ সাল থেকে দুই বছরের পাইলটিং শুরু হচ্ছে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর সারাদেশে ২০২২ সালে চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৪ সালে সম্ভব হলে একাদশ ও ২০২৫ সালে দ্বাদশ শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই দেওয়া হবে। যদি সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একাদশ এবং ২০২৬ সালে দ্বাদশ শ্রেণির বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

২০২১ সালে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক পাইলটিং শুরুর কথা রয়েছে। বর্তমানে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু রয়েছে। পাইলটিং করা হবে ৪ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ভর্তি করে। এসব শিশুর জন্য নতুন কারিকুলামের বই দেওয়ার কথা ছিল ২০২১ সাল থেকে। তা পিছিয়ে ২০২৩ সালে যেতে পারে। একইভাবে পরের বছর দেওয়া হবে ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের পরিমার্জিত পাঠ্যবই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঘুষ দিয়েও পাননি পেনশন, প্রাথমিক শিক্ষকের করুণ মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,২০ নভেম্বর:
ঘুষ দিয়েও পাননি পেনশনের টাকা। টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন কিশোরগঞ্জের কালটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সানাউল করীম।

ওই শিক্ষকের স্ত্রী ও কন্যার দাবি, পেনশনের টাকা না পাওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক মো. সানাউল করীম উপযুক্ত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারেননি। এ কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। গত ১২ নভেম্বর রাতে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ভোর ৪টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তির পর ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চিলাকারা গ্রামের মো. সানাউল করীম পার্শ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কালটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২০ মে তার অবসরোত্তর ছুটিও (পিআরএল) শেষ হয়।

নিয়মানুযায়ী পিআরএল শুরু থেকেই পেনশন ফাইল প্রস্তুতির কাজ শুরু করার কথা কিন্তু পিআরএল শেষ হওয়ার পরও পেনশন ফাইল প্রস্তুতির কাজ শুরু না হওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক দিশেহারা হয়ে পড়েন। তার চিকিৎসাসেবার জন্য বিপুল অঙ্কের টাকার প্রয়োজনে দ্রুত পেনশন ফাইল নিষ্পত্তির ব্যবস্থার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কামরুল হাসানের কথামতো ধার দেনা করে তার হাতে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ তুলে দেন তিনি। এরপর আরও টাকার জন্য টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করে ফাইলটি আটকে রাখেন।

এ পরিস্থিতিতে হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক সানাউল করীম গুরুতর অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। গত বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাতে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তির পর শুক্রবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

তার মৃত্যুর খবরে দীর্ঘদিন পর তড়িঘড়ি করে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফিক্সেশন রিভাইজের জন্য জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসারের কার্যালয়ে পেনশন ফাইল পাঠান ওই অফিস সহকারী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান দাবি করেন, নানা জটিলতার কারণে ফাইলটি চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা যাচ্ছিল না। এসব শেষ করে চলতি সপ্তাহে ফাইলটি জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামূল হক খান জানান, তিনি সময়মতো ওই পেনশন ফাইলে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। এতদিন আটকে রাখার এবং ঘুষ নেয়ার বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না।

শিক্ষক মো. সানাউল করীমের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে স্মৃতি আক্তার জানান, কেন জানি কামরুল হাসান ঘুষের ওই ৫০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে গেছেন। আগামী রোববার আবার অফিসে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, এ ঘটনা নজিরবিহীন। আজকাল কয়েক দিনের মধ্যেই পেনশন কেস নিষ্পত্তি করা হয়। এ সময় ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখার বিষয়ে তদন্ত করে জড়িত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পেনশন ফাইল নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক হতে ৯ লাখ আবেদন

ডেস্ক,২০ নভেম্বর: গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এরই মধ্যে ৯ লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) আশা করছে, এবার সবমিলিয়ে কমপক্ষে ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়বে।

সাধারণরা বলছেন, দেশের সব চাকরিপ্রত্যাশীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চায়। এ কারণে শিক্ষক পদে চাকরি পেতে কোমড় বেঁধে নেমেছেন সবাই। আবার কেউ বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে বেতন-ভাতার সঙ্গে সঙ্গে মর্যাদাও এখন আগের তুলনায় বেড়েছে। এর ফলে তরুণদের মধ্যে প্রাথমিকে শিক্ষকতা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

তবে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন চাকরির পরীক্ষা বন্ধ থাকায় আবেদনের এই ‘কাড়াকাড়ি’। আর চাকরিপ্রত্যাশীরা বলছেন, গ্রেড উন্নীত হওয়ার কারণেই সহকারি শিক্ষকের পদে চাকরিতে আগ্রহী হচ্ছেন তারা।

মোসাদ্দেক নামে এক চাকরিপ্রত্যাশী বলেন, ‘এবারই প্রথম প্রাথমিকের শিক্ষক পদে পরীক্ষা দিচ্ছি। করোনার কারণে একটা বছর বসেছিলাম, কোথাও পরীক্ষা দিতে পারিনি। এ সময়ে শিক্ষকদের গ্রেডও বাড়িয়েছে সরকার। পরবর্তীতে হয়তো আরো বাড়ানো হতে পারে। এজন্যই আবেদন করেছি।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সিনিয়র সহকারি সচিব আতিক এস বি সাত্তার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৯ লাখ ৬০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখের বেশি আবেদন আসতে পারে। শেষের দুই সপ্তাহে বেশি আবেদন হতে পারে।’

‘আবেদন শেষে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে’ বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিকে এবার সব মিলিয়ে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। দেশের ইতিহাসে সরকারি কোনো চাকরিতে এটিই বৃহত্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। শূন্য আসনের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা বেশি হলে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারি শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

প্রাথমিকের শিক্ষক পদে আবেদন করতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।

এবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ছয় হাজার ৯৪৭টি শূন্য পদে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ নভেম্বর, ২০২০:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক চাকরি প্রত্যাশীর পক্ষে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানা যায়, যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পয়ত্রিশ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পিইডিপি-৪ এর আওতায় নেয়া হবে। কিন্তু ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ অক্টোবর জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোটা প্রথা বাতিল করা হয়।

রিট আবেদনে দাবি করা হয়, পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর ৬০ শতাংশ নারী কোটা ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাদের নিজেদের স্বার্থে ওই প্রজ্ঞাপনের ৮ম অনুচ্ছেদে এ বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ এপ্রিল কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র এবং সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।

রিটে আরও বলা হয়, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন তাদের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখা হয়েছে। অন্যকোনো অনগ্রসর কিংবা প্রতিবন্ধিদের সম্পর্কে কিছু উল্লেখ নাই। এ কোটা বন্টনের ফলে সমাজের নিন্মশ্রেণির তথা দিনমজুর শ্রমিক রিকসাচালক, কৃষকের সরকারি চাকরি প্রত্যাশী ছেলে সন্তানের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। যা তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মের নিয়োগ লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।

রিটে বিবাদী করা হয়, মন্ত্রীপরিষদের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ক্লাসে যেভাবে উন্নীত হবে

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ভিত্তিতেই তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরের ক্লাসে উঠবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রত্যেককে সনদ দেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেল। এখন তারপরে ১১ দিনের মতো আমাদের হাতে সময় আছে। তারপরে যদি খোলার মতো অবস্থা না হয়, তাহলে আমরা বলে দিয়েছি স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করবে। এটা ঠিক অটোপাস বলতে চাচ্ছি না মূল্যায়ন করেই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে প্রাথমিকের সমাপনী, জেএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করাহয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও।

তবে টেলিভিশন ও রেডিওতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে শ্রেণি পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৬০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।আবেদন শেষে পরবর্তী ৬০ দিনের শুরু হবে নিয়োগ পরীক্ষা।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা। প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।

শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, এক মাস ধরে আবেদন প্রক্রিয়া চলার পর ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষার সময় জানিয়ে দেয়া হবে। নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শেষে ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এর পর ফল প্রকাশ করে পদায়ন শুরু হবে।

এ বছর সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও শূন্য আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। তবে এ নিয়োগটিতে তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। তাদের জন্য আলাদা নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ১১, ২০২০ ঢাকা:

গত মাসেই প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সহকারী শিক্ষকেরা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫–এর ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া সব জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন।

এদিকে এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিকের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বলে জানা গেছে। নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো নারী প্রার্থীরা স্নাতক পাস ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না। আর পুরুষ প্রার্থীদের আবেদনের যোগ্যতা আগের মতোই স্নাতক পাস থাকছে।

আবেদন করবেন যেভাবে

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে https://dpe.teletalk.com.bd অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আবেদন গ্রহণ শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। এ পদে প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদনের ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা করার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট নিতে হবে। সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। একবার আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থায়ই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা এই সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক পদে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা

আবেদনকারী একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাবেন। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সব সময়ের জন্য প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ সার্ভিস চার্জসহ ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আবেদনকারীকে যেকোনো টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।

বয়সসীমা

আবেদনকারী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ বছর পূর্ণ হওয়া প্রার্থীরাও আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। কারণ, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ বছর ২৫ মার্চ যাঁদের ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে, সরকারি চাকরিতে তাঁদের আবেদনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আবেদনকারীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

আবেদন ফি

মোট আবেদন ফি ১১০ টাকা। যার মধ্যে অফেরতযোগ্য ১০০ টাকা আবেদন ফি ও ১০ টাকা টেলিটকের সার্ভিস চার্জ।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিল করা আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সব মূল বা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেতন

সহকারী শিক্ষক পদে বেতন ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) (জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী)।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড নিয়ে সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ১১, ২০২০
ঢাকা: টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে আসছেন সরকারি কর্মচারীরা। তবে এবার সুখবরটি পেলেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মতো সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রেশন চেয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ নভেম্বর এ চিঠি দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামাল ২১ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে দুটি বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন। এর মধ্যে একটি ছিল রেশন প্রদান এবং অপরটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা। দুটি দাবিই যৌক্তিক হওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা আমলে নেয়।

এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে রেশনের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়। এতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসনিক কল্যাণ সমিতির রেশন সুবিধার আবেদনটি পর্যালোচনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির চিঠিতে বলা হয়, সচিবালয় প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র।

এখানে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কার্যাদিসহ প্রজাতন্ত্রের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। এক্ষেত্রে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও ইতিবাচক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিস সময়ের পরও অফিস করতে হয়। কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত কাজ হয়।

এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিসে এসে কাজ করতে হয়। কিন্তু বাড়তি কাজের জন্য কোনো ওভারটাইম বিল কিংবা অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেয়া হয় না। অথচ প্রায় একই ধরনের কাজ করেও সরকারের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বিশেষ বা ঝুঁকিভাতা পাচ্ছেন।

এ তালিকায় দুদক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনাসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদফতর এবং কোস্টগার্ডসহ ১৫টি দফতরের বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ থেকে ৭০% হারে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ ভাতা পাচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকে বিশেষ ভাতার সঙ্গে রেশনও পাচ্ছেন।

কল্যাণ সমিতির আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বাড়তি সুবিধাভোগী এবং আমরা সবাই একই বাজারে বাজার করছি। থাকছি একই শহরে। প্রত্যেকের জীবনযাত্রার স্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবও একই। অথচ বেতন ভাতা দেয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে পার হতে চলেছে ৬টি বছর।

এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যসহ সার্বিক ব্যয় বেড়েছে বহুগুণ। নানারকম বিলের হিসাবও বেড়েছে। কিন্তু বাড়েনি বেতন। তাই অন্তত রেশন সুবিধা দিয়ে হলেও কিছুটা বৈষম্য কমানোর জোরালো দাবি তাদের।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজের অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর:
তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় কিন্ডারগার্টেন স্কুল কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজ অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচিতে ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. আহসান সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সব কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে ভাড়াবাড়িতে পরিচালনা করে আসছি। সারাদেশে প্রায় ৬৫ হাজারের মতো কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। এতে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োজিত। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শতকরা ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে।

সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করে তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যদি শিক্ষকদের দাবি না মানা হয় তাহলে আমাদের আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। এ সময় তাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে বক্তারা বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতির দুর্যোগকালীন কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের উদ্যোক্তা ঘোষণার মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা, ২০২১ সালের ভর্তির সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা, বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পিটিআই’র নাম পরিবর্তনে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ‘নবাবগঞ্জ পিটিআই’ এর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে এর নাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পিটিআই করা হয়েছে।

রোববার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।

আদেশে জনস্বার্থে এ জারি করতে এবং অবিলম্বে তা কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর:
করোনাভাইরাসের কারণে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খোলা হবে নাকি ছুটি আরো বাড়বে- সেই সিদ্ধান্ত আগামী দু-এক দিনের মধ্যে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

১৪ নভেম্বরের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপনাদের জানাবে।’

প্রধানমন্ত্রী কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খুলনা ডিভিশন থেকে একটা স্ট্রং অ্যাকশন (ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা) করা হচ্ছে, আমরাও চারদিকে সবাইকে বলেছি। প্রধানমন্ত্রীও এগ্রি করছেন, গুড এপ্রিশিয়েট করেছেন। কিছু স্ট্রিক ভিউতে যেতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা কম্ফোর্টেবল জোনের মধ্যে আছি।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক পদে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা

ঢাকা: আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ থাকলেও গত দু’সপ্তাহে অনলাইনে আবেদন জমা পড়েছে প্রায় চার লক্ষ। আবেদন শেষে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হলে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

চলমান আবেদনের মাধ্যমে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। শূন্য পদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে। তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এর প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

প্রার্থীর বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ছয় হাজার ৯৪৭টি শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার শনিবার (৭ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘গত ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে গতকাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পর্যন্ত তিন লাখ ৮০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। আজ শনিবার এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি জানান, ‘আবেদন কার্যক্রম শেষে প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করা হবে। এরপর লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হবে। এ প্রস্তুতি শেষে সময় ঘোষণা করে লিখিত পরীক্ষা শুরু করা হবে।’ডিপিইর সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত চার লক্ষাধিক অনলাইনে আবেদন জমা হয়েছে। আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখের বেশি আবেদন আসতে পারে। শেষের দুই সপ্তাহে বেশি আবেদন হতে পারে। আবেদন শেষে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেভাবে দিন কাটছে সাবেক গণশিক্ষা সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই বছর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব পরবর্তীতে সিনিয়র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আকরাম-আল-হোসেন। কর্মজীবনে চৌকস আমলা হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে নানা যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এজন্য অধিকাংশ শিক্ষকের কাছে তিনি এখনো জনপ্রিয়।

গত ২৯ অক্টোবর আকরাম-আল-হোসেন সিনিয়র সচিব থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাকে আরো বেগবান করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে মাগুরা জেলার মেন্টরিংয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর থেকেই নিজ জেলা মাগুরায় অবস্থান করছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, আকরাম-আল-হোসেনের দিন কাটছে মাগুরায় নিজ বাড়িতে মুরগী পালন, সবজি চাষ ও বৃক্ষরোপন করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষকরা এখনো তার সঙ্গে সকাল বিকেল সাক্ষাৎ করতে তার বাড়িতে ভিড় জমায়।

এ বিষয়ে শিক্ষক শহিদুর রহমান বলেন, ‘এমন মেধাবী ও গুনী মানুষের সান্নিধ্য সবাই পেতে চাই৷ স্যার আমাদেরকে সব সময় নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন৷ এখন তিনি অবসরে রয়েছেন তাই সুযোগ পেলেই আমরা তার কাছে চলে আসি। এতে তিনিও বিরক্ত না হয়ে বরং খুশিই হন।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৮ মে থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন আকরাম আল হোসেন। এরপর তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে নিযুক্ত হন ও ৯ মে ২০১৮ হতে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সবশেষ ২০২০ সালের ৫ জুলাই বাংলাদেশ সরকার আকরাম আল হোসেন কে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter