Home » নিউজ (page 8)

নিউজ

৫ ডায়েরি উদ্ধার, সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়

ডেস্ক,১৭ জুন্ : তিনদিন পরেও জট কাটল না বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের অপমৃত্যুর। ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট অনুযায়ী, গলায় ফাঁস দেওয়ায় শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পাশাপাশি, পোশাগত শত্রুতাও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না মহারাষ্ট্র প্রশাসন। যেহেতু ছয় মাসে সাতটি ছবি তাঁর হাত থেকে চলে গেছে।

অবসাদ না কাজের অভাব, দুইয়ের সাঁড়াশি চাপেই কি মাত্র ৩৪-এ ফুরিয়ে গেলেন প্রতিভাবান অভিনেতা? উত্তর খুঁজতে সুশান্তের ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ডায়েরি হেফাজতে নিয়েছে মুম্বই পুলিশ। যা পড়ে জানার চেষ্টা চলছে, শেষ দিকে কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন ‘কাই পো চে’ অভিনেতা।

সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাঁর কল লিস্ট। শেষ ১০ দিন অভিনেতা যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তাঁদের তালিকা বানাচ্ছে প্রশাসন। খুব শিগগিরিই জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডাকা হবে তাঁদের বলে জানা গেছে। যদিও ইতিমধ্যই পুলিশ রেকর্ড করেছে অভিনেতার শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’র পরিচালক মুকেশ ছাবরা, ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিকাশ গুপ্তা এবং বাঙালি প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর বয়ান।

আরো পড়ুন: নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিনেতার ভাই এবং পটনার বিজেপি বিধায়ক নীরজ কুমার সিং ইতিমধ্যেই সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যায় না পেশাগত চাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। সমস্ত সংবাদমাধ্যম এবং নীরজের বক্তব্য পুর্নবিবেচনার নির্দেশ টুইটে দিয়ে বিষয়টিতে মান্যতা দেওয়ার পরেই এই পুলিশি পদক্ষেপ বলে ধারণা সুশান্তের ঘনিষ্ঠ মহলের।

বুধবার অভিনেতার অবসাদের জন্য স্বজনপোষণকে দোষী করে বিহারের মজফফরপুর জেলা আদালতে বলিউডের চার তারকা সালমান খান, করন জোহর, একতা কাপূর, সঞ্জয় লীলা বানশালীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী সুধীর কুমার ওঝা।

সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই আইনজীবীর দাবি, সুশান্তের কাছ থেকে শুধু সাতটি ছবি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তাই-ই নয়, তাঁর একাধিক ছবি আজও মুক্তি পায়নি। এই সমস্ত ঘটনার চাপ দিনের দিনের পর দিন নিতে পারেননি মাত্র ৩৪ বছরের অভিনেতা। এই ঘটনাগুলিই তাঁকে আত্মহননের মতো চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।

একই বিষয় নিতে সম্প্রতি টুইট করেছেন কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম। তিনিও একই প্রশ্ন তুলেছেন, সুশান্তের মতো প্রতিভার হাত থেকে কী করে সাতটি ছবি চলে যায়! বলিউডের আসল চেহারা কি এতটাই ভয়াবহ? খবর: আনন্দবাজার।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ জুন:

সদ্য প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাজী জাহিদুর রহমান নামের ওই সহকারী অধ্যাপককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসা খেকে গ্রেপ্তার করা হয় কাজী জাহিদুর রহমানকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক।

আরো পড়ুন : স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

এর আগে রাজশাহীর সাগরপাড়ার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট তাপস কুমার সাহা ওইদিন রাতেইমতিহার থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। রাবি শিক্ষককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানা পুলিশের এএসআই আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকেআপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী জাহিদুর রহমান নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। মোহাম্মদ নাসিম অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ফেসবুকে নাসিমকে ইঙ্গিত করে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। এতে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ নাসিম মারা যাওয়ার পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষককেও একই ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জাহিদুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো সামনে আসে। এরপর তার শাস্তির দাবি জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। এর আগে স্ট্যাটাসের জেরে গত ১৬ জুন তাকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফের সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসছে যেসব এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪জুন:

সরকারি অফিস ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে খোলার যে ঘোষণা দিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সে সময়সীমা আরও বাড়ছে। জানা গেছে, আজ রবিবার অথবা আাগামীকাল সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস সাংবাদিকদেরকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। সে সিদ্ধান্ত জানানোর দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।

আর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সাধারণ ছুটি নতুন করে বাড়ানো হবে না। এখন যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে এলাকভিত্তিক লকডাউনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যেসব এলাকা রেড জোনে থাকবে সেখানকার সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা সাধারণ ছুটি পাবেন। এলাকাভিত্তিক লকডাউন করা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠকও করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গত শুক্রবার একাধিক মন্ত্রী ও মেয়রের মধ্যে ডিজিটাল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ইয়েলো ও গ্রিন জোনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি অফিস খোলা থাকবে। সীমিত পরিসরে গণপরিবহনও চলবে। তবে রেড জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, যা যেমন চলছে, সব সেভাবেই চলবে। নতুন ছুটি ঘোষণা করা হবে না। রেড জোনে থাকা এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা উপসর্গে প্রাথমিক শিক্ষকের মৃত্যু

হিলি প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নমুনা দেওয়ার একদিন পর করোনা উপসর্গ নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক প্রাথমিক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বিন্যাগাড়ি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.নুর নেওয়াজ আহম্মেদ জানান, দীর্ঘ দিন থেকে মোস্তাফিজুর রহমান শ্বাসকষ্ট রোগে ভুগছিলেন এছাড়াও তার মাঝে করোনার উপসর্গ ছিলো। গতকাল শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এবং রোববার ভোরে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন-কাফন করা হবে। নিহত মোস্তাফিজুর রহমান (৭২) উপজেলার বিন্যাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সীমিত পরিসরে ১৬ জুন থেকে চলবে অফিস-গণপরিবহন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হচ্ছে সোমবার (১৫ জুন)। গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে থেকে জানা গেছে, আগামী ১৬ জুন থেকেও এ ব্যবস্থা চলমান থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহনও। সরকার মূলত জোনভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা মোকাবিলা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। সাধারণ ছুটি থাকবে লকডাউন এলাকায়।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ’১৫ জুনের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মত অফিস এবং গণপরিবহন চলবে, সেজন্য একটি অর্ডার জারি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার এখন জোনিংয়ে যাচ্ছি। ঢাকাসহ যে জায়গাগুলো বেশি সংক্রমিত হয়েছে সেই জায়গাগুলোতে রেডজোন ঘোষণা করে বিশেষ ট্রিটমেন্টে আমরা চলে যাবো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাই বর্তমানে যে অবস্থায় চলছে সবকিছু সেভাবেই চলবে। নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হবে না। রেড জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে।’

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেশি করোনা আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা আক্রান্ত মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। লকডাউনের মেয়াদ হবে ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।

গত ৯ জুন দিবাগত রাত ১২টা থেকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেড জোন’ হিসাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৪ দিনের জন্য এই লকডাউন কার্যকর করা হবে সেখানে।

গত মার্চের শুরুতে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে ছুটি শেষ হয়।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কার মধ্যেই টানা ৬৬ দিনের ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশনা মানা সাপেক্ষে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ, ট্রেন) চালু হয়।

পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে জানানো হয়, সরকারি দফতরে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রেডজোন এলাকায় সাধারণ ছুটি

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম মারা গেছেন

ডেস্ক,১৩ জুন: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ইন্তেকাাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেলেন তিনি। মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তাানভির শাকিল জয় সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

লাইফ সাপোর্টে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর খবর জানিয়ে তানভীর শাকিল জয় সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আব্বা আর নেই।’ আর স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী আল ইমরান চৌধুরী তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তার মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার মোহাম্মদ নাসিমের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরপর দুটি নমুনা পরীক্ষায় তাঁর শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি করোনামুক্ত বলে জানান চিকিৎসকেরা।

সেদিক বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান চৌধুরী বলেন, গতকাল ও আজ করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। দুটোতেই ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। অন্যান্য অবস্থা আগের মতোই আছে। তিনি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুসারে পর্যবেক্ষণে আছেন।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে আছেন মোহাম্মদ নাসিম। চিকিৎসকেরা পরবর্তী পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত এ অবস্থাতেই তাঁর চিকিৎসা চলবে। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে বৈঠক করেছেন তাঁর মেডিকেল বোর্ডের ৭ চিকিৎসক। কিছু ওষুধ পরিবর্তন করে দিয়েছেন।

এর আগে রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে গত ১ জুন হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তাঁর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ৪ জুন তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ৫ জুন ভোরে তিনি স্ট্রোক করেন।মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যার কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে ঋণ ও শিক্ষকদের সহায়তা দেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক | :

শিশু শিক্ষার বিস্তারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে করোনার ক্রান্তিকালে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের বেতন দিতে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে সহজশর্তে ঋণ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের নেতারা। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায়। তাই, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের বেতন ভাতা দিতে পারছে না বলে দাবি প্রতিষ্ঠানগুলোর। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনা বা সহজশর্তে ঋণ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিষদের নেতারা। একইসাথে অসহায় এসব শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের জন্য রেশন কার্ড প্রচলনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (১২ জুন)  এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানান তারা।

পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত রায় স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশের অর্ধলক্ষ কিন্ডারগার্টেনের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী আজ বড় অসহায়। একমাত্র কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকরা কোন প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তা পাননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা ব্যবস্থা করা এবং রেশন কার্ড প্রচলন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তিতে নেতারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বেতন ও টিউশন ফি আদায় বন্ধ থাকায় বাড়ি ভাড়া প্রতিষ্ঠান খরচ পরিচালনা এবং শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কিন্ডারগার্টেনগুলোর মালিকরা। প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হয়ে রয়েছে। শিক্ষকদের বেতন দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পসুদে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার প্রয়োজন। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

তারা আরও বলেন, দেশে ৫০ হাজারের বেশি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্রমবর্ধমান ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারকে আরও ৫০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। এসব শিক্ষক যাতে হতাশ হয়ে না পড়েন সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি। তাই, শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মধ্যরাত থেকেই মোবাইলে বাড়তি টাকা কাটা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক |

মোবাইল ফোনের সিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরই মধ্যরাত থেকে এসএমএস, কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে গ্রাহকদের বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে। পাঁচ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গ্রাহকের কাছ থেকে এই বাড়তি অর্থ নেওয়া শুরু করেছে।

২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মোবাইল ফোনের সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক পাঁচ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেন।

পাঁচ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ফলে মোবাইল ফোনের সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট, এক শতাংশ সারচার্জ, ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং অন্যান্য খরচ মিলে ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, আগে ১০০ টাকা খরচ করলে সরকারকে ২১ টাকা ৫৭ পয়সা দিতে হতো। পাঁচ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ায় এখন তা হবে ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা। এই বাড়তি খরচ বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়েছে।

তবে ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে ভ্যাট পাঁচ শতাংশ হওয়ায় ডেটা ব্যবহারে কিছুটা কম খরচ হবে বলে জানায় অপারেটররা।

বিটিআরসির সর্বশেষ মার্চ মাসের হিসেবে, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার। আর ইন্টারনেট গ্রাহক ১০ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজার।

মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) বলছে, নিয়মিতভাবে করের বোঝা চাপিয়ে সরকার মোবাইল খাতকে ক্রমেই দুর্বল করে তুলছে। ফেলছে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ। এমটব এই বাড়তি কর পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে।

বাজেট উত্থাপনের পরই এমটব মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এসএম ফরহাদ এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে মোবাইল টেলিকম খাতের অবদান যত উল্লেখযোগ্যই হোক না কেন, সরকার নিয়মিতভাবে প্রতিবছর এই খাতের ওপর আরও বেশি করে করের বোঝা চাপিয়ে একে আরও দুর্বল করে তুলছে; গ্রাহকদের ওপর ফেলছে বাড়তি চাপ। ফলে দেশের জিডিপিতে মোবাইলের বর্তমান অবদান সাত শতাংশ থেকে যে দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল, তা আর অর্জিত না-ও হতে পারে।

‘এ বছর সরকার মোবাইলের মাধ্যমে প্রাপ্ত সব রকম সেবার ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছে। যা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর ফলে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে। এ বিষয়ে এসআরও জারি হওয়ায় তা আজ দিবাগত রাত ১২টার পর থেকেই কার্যকর হবে।’

এমটব মহাসচিব বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এমনিতেই মানুষের মধ্যে যখন নাভিশ্বাস উঠেছে, মোবাইল হয়ে উঠেছে সব যোগাযোগের মূল চালিকা ও দেশ ডিজিটাল ইকনোমির দিকে এগিয়ে চলছে; ঠিক সে সময় এ ধরনের করের বোঝা কোনোভাবেই দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হবে না। এ বোঝা দরিদ্র মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে পড়বে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় হয়ে উঠবে। যা করোনা ভাইরাস সংকটের কারণে আরও বাড়বে। এতে মোবাইল শিল্প খাত আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল হবে।

তিনি বলেন, আমরা মোবাইল খাতের পক্ষ থেকে অলাভজনক কোম্পানির জন্য বর্তমান ২ শতাংশ ন্যূনতম কর বিলোপ ও করপোরেট ট্যাক্স কমানোর জন্য পূর্বাপর অনুরোধ করলেও তা বিবেচনা করা হয়নি। যা চরম হতাশাজনক। আমরা সরকারকে টেলিকম খাতের বাজেটের বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবারও অনুরোধ করছি।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোও পৃথক বিবৃতিতে বাড়তি খরচ কমানোর অনুরোধ করেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা আক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করল অধিদপ্তর

সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। একইসঙ্গে অধিদপ্তরাধীন আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন থেকে এই ওয়েবসাইটে প্রতি ২৪ ঘন্টায পরপর তথ্য আপডেট করা হবে। আজ বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষার করোনা আপডেট পেতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের (www.dpe.gov.bd) ‘করোনা আপডেট’ এ ক্লিক করতে হবে। এছাড়াও এই লিংক থেকেও সরাসরি আপডেট পাওয়া যাবে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় তথ্য আপডেট করা হয় বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এদিকে, ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অধিদপ্তরাধীন ১৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ১১৭ জন শিক্ষক, ৭ জন শিক্ষার্থী, ১৩ জন কর্মকর্তা এবং ৮ জন কর্মচারী। এদের মধ্যে একজন শিক্ষক মারা গেছেন। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ২৭ জন। তাছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ১০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আর সুস্থ হয়েছেন ২ জন। এদিকে, ওয়েবসাইটে আক্রান্ত সবার নাম, পদবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঠিকানা এবং বর্তমান অবস্থা বিবরণও দেয়া রয়েছে।

এর আগে চলতি মাসে ২ তারিখে সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের তালিকা চেয়ে আট বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের চিঠি দেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ওই চিঠিতে বলা হয়, করোনা মহামারিতে অধিদপ্তরের আওতায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকরা আক্রান্ত হলে নির্দিষ্ট ছকে তাদের তথ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে প্রতিদিন।

উপ-পরিচালকরা প্রতিদিন বেলা ২টার মধ্যে মহাপরিচালক বরাবর নির্দিষ্ট তথ্যগুলো ই-মেইলে পাঠাবেন উল্লেখ করে আদেশে আরও জানানো হয়, আক্রান্ত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষকদের তথ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন প্রকাশ করা হবে। ওই চিঠি প্রেরণের এক সপ্তাহ পর ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে ১৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক.১১ জুন:

করোনায় এখন পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী। এরমধ্যে গতকাল বুধবার ১০ জন শনাক্ত ও দুইজন সুস্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে শিক্ষকরা আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে ডিপিই’র ওয়েবসাইটে প্রতিদিন তথ্য আপডেট করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রাথমিকের ১১৭ জন শিক্ষক, ১৩ জন কর্মকর্তা, ৮ জন কর্মচারী ও ৭ জন শিক্ষার্থী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একজন শিক্ষক মারা গেছেন। পর্যাক্রমে ২৭ জন সুস্থ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২২ জন শিক্ষক, ২ জন কর্মকর্তা ও ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

দেখা গেছে, আক্রান্তকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫ জন, চট্টগ্রামে ৫১ জন, খুলনায় ৪ জন, বরিশালে ৮ জন, সিলেটে ১৪ জন, রংপুরে ৬ জন এবং ময়মনসিংহে ৬ জন রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কেউ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হচ্ছে। তার চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহায়তা দিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান মহামারি যতদিন স্বাভাবিক না হবে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি দেশের যেখানেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী আক্রান্ত হবে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে সার্বিক সহায়তা দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করমুক্ত আয়ের সীমা তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকা বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত এই আয়ের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা’ শিরোনামে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য এই বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি ক্ষমতাসীন সরকারের চলতি মেয়াদের দ্বিতীয় এবং দেশের ৪৯তম বাজেট।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো আ হ ম মুস্তফা কামালের দেয়া এই বাজেটে কিছু পণ্যের শুল্ক ও করহার বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বাড়তে পারে এসব পণ্যের দাম।

করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছর হতে করমুক্ত আয়সীমা, করহার এবং কর ধাপ অপরিবর্তিত আছে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে করদাতাদের প্রকৃত আয় হ্রাস পাওয়ায় এবং অন্যদিকে করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত থাকায় প্রকৃতপক্ষে করদাতরা কর প্রদানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না।

‘এ বছর বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে করদাতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবং মুজিববর্ষের উপার হিসেবে আমি কোম্পানি ও স্থায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণির করদাতা বিশেষ করে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা কিছুটা বৃদ্ধি এবং করহার হ্রাসের প্রস্তাব করছি।’

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির কারদাতাদের জন্য তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর করহার শূন্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পরবর্তী এক লাখ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ, তার পরবর্তী তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, তার পরবর্তী চার লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, তার পরবর্তী পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ এবং তার বেশি টাকা আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ আয়কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাসায় কোচিং করানোর অপরাধে প্রধান শিক্ষককে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাসায় কোচিং করানোর কারণে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাইমহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার প্রধান শিক্ষক হোসনে আরার বাসায় হাজির হন। সেখানে তিনি দেখেন, একটি কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের বসিয়ে কোচিং করানো হচ্ছে। শিক্ষক ও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখে মাস্ক ছিল না। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই শিক্ষকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন।

এলাকাবাসী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকার করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার বন্ধ রেখেছে। কিন্তু নিয়ম না মেনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাসায় তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছিলেন। বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের হোসনে আরা নিজের বাসাতেই কোচিং করান। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী বেশি। এর মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর তাঁর কাছে বাধ্যতামূলকভাবে কোচিং করতে হয়। এ জন্য তিনি একেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা করে নেন। পঞ্চম শ্রেণিতে ৭১ শিক্ষার্থী আছে বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আমি বিল্ডিং করেছি। বেতন যা পাই, ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই চলে যায়। এ জন্য কয়েকজনকে প্রাইভেট পড়াচ্ছি।’

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক হোসনে আরাকে এই পরিস্থিতিতে কোচিং না করানোর অনুরোধ করেছিলাম। জরিমানা করার বিষয়টি আমাদের জন্য দুর্নামের।’

মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘সরকারি নিয়ম না মেনে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছিলেন। এ জন্য তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোচিং করানো বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুন, ২০২০
০১৯-২০ অর্থবছরে থেকে সব ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্যের বিভিন্ন রকম ভুল রয়েছে৷ ফলে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পাঠাতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা দূর করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করার সুযোগ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ৫ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হলেও সে কি সময় বাড়ানো হয়েছে। পুনঃনির্ধারিত সময়ে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। এ সময় শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সময় বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সব কলেজ ও স্কুলে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে প্রকাশিত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের খসড়া তালিকার ভুল সংশোধন করে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যসহ বাদ যাওয়া ও নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন-বিয়োজন করে সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা ইমেইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠাতে বলা হয়েছে সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। প্রিন্ট করা সংশোধিত তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল নিয়ে তার সফটকপি ইমেইলে (dshe.stipend.fl@gmail.com) পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নির্দেশনাটি দেভতে এখানে ক্লিক করুন।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটি না বাড়লেও রোববার থেকে কঠিন পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ জুন:
করোনা সংক্রমণ দেশে শনাক্ত হবার পর থেকেই এর বিস্তার রোধে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। দেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ২৬ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সঙ্গে শিথিল করা হয় লকডাউন। সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালুসহ খুলে দেয়া হয় সরকারি-বেসরকারি অফিস। এরপরই দেশে বাড়তে থাকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সঙ্গে মৃত্যুও। পরিস্থিতি সামাল দিতে সাধারণ ছুটির বাড়ানোর পরিকল্পনা আপাতত না থাকলেও রোববার থেকে ‘কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে যাচ্ছে সরকার।

আগামীকাল রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার কিছু স্থানে জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হবে। সারাদেশে পুরোদমে চালু হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব কথা জানা গেছে। এ জন্য সরকার একটি পরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছে।

করোনা সংক্রমণ আধিক্য থাকা এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউন করে দেবে সরকার। রেড জোনে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে, একান্ত প্রয়োজন না থাকলে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা আক্রান্তমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘যে এলাকা রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে রাখা এবং আক্রান্ত রোগীর পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখাও নিশ্চিত করা হবে। সর্বোচ্চ তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউন করা হবে। রেড জোনে থাকা মানুষ যাতে বাইরে যেতে না পারে এবং বাইরের লোকজন যাতে সেখানে ঢুকতে না পারে সে জন্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সড়কের মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেবেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রেড জোনে শুধু ফার্মেসি, হাসপাতাল, নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিটি রেড জোনে স্বেচ্ছাসেবক টিম থাকবে, জনপ্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত থাকবেন এসব টিমে। স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া ও মনিটরিংয়ের কাজ করা হবে।

রেড জোনে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে যাদের করোনা উপসর্গ দেখা দেবে তাদের নমুনা সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হবে। রোগী বেশি হলে একাধিক বুথ স্থাপন করা হবে। নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক দক্ষ টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেয়া হবে। তাদেরও রেড জোন থেকে বের হতে দেয়া হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter