Home » নিউজ

নিউজ

বুধবারও সরকারি অফিস চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
বুধবারও চলবে সরকারি অফিস। রমজান মাস ৩০ দিন ধরে সরকারি যে ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছে, বিশেষ পরিস্থিতিতে সেটাই অনুসরণ করছে সরকার। তবে ২৯ রোজায় সাধারণত অফিস খোলা থাকে না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, মূলত করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ২৯ রোজায় বিশেষভাবে অফিস খোলা রাখা হচ্ছে। কারণ ঈদের ছুটিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তো কর্মস্থলেই থাকতে হচ্ছে।

জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামীকাল অফিস খোলা থাকবে।’

দীর্ঘদিন ধরে ঈদের ছুটির ক্ষেত্রে অনুসরণীয় নিয়ম হচ্ছে, ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দিন ছুটি থাকে। রমজান মাস কখনো ২৯, কখনো ৩০ দিনে শেষ হয়। ২৯ রমজান ধরেই ঈদের ছুটি দেয়া হয়। যদি রমজান মাস ৩০ দিনে শেষ হয় সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চারদিন ছুটি পেয়ে থাকেন। ৩০ রমজানের ক্ষেত্রে ঈদের আগে দুদিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন-এই চারদিন ছুটি থাকে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বৃহস্পতি বা শুক্রবার (১৩ বা ১৪ মে) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এবার সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩, ১৪ ও ১৫ মে (বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলের চাকা ঘুরল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
স্বপ্নের মেট্রোরেল যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। দেশে প্রথমবারের মতো চালানো হয়েছে মেট্রোরেল। রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য (পারফরমেন্স রান) চালানো হয় বিদ্যুৎচালিত এ ট্রেনটি। এ ধরনের আরও ১৮টি পরীক্ষা চালানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দি‌কে দিয়াবা‌ড়ি‌তে ডি‌পোর ভেত‌রে চালা‌নো হয় মেট্রোরেলের প্রথম ট্রেন। ওয়ার্কশপ থেকে চালিয়ে ছয় ব‌গির (‌কোচ) ট্রেন‌টি আনলোডিং জোনে নিয়ে আসা হয়।

আরও পড়ুন : দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিবারের প্রিন্ট পত্রিকা ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’

মে‌ট্রো‌রে‌লের এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠা‌নে ভার্চুয়া‌লি যোগ দেন সড়ক প‌রিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ট্রেন‌টি আন‌লো‌ডিং জো‌নে আনার পর বাংলা‌দে‌শে নিযুক্ত জাপা‌নি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোচগুলোর ভেতরে প্রবেশ করে ঘুরে দেখেন।

দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন

এর আগে গত ২১ এপ্রিল মেট্রোরেলের প্রথম সেট ঢাকায় এসে পৌঁছে। এতে মোট ছয়টি কোচ আসে। তখন মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিকিএমএএন সিদ্দিকি জানান, কোচগুলো ডিপোতে নেওয়া হবে। এরপরে ট্রায়াল রান শুরুর আগে এগুলোর একটি সমন্বিত পরীক্ষা করা হবে।

এদিকে দ্বিতীয় সেটও গত রোববার মোংলাবন্দ‌রে এসে পৌঁ‌ছে‌ছে। কোচগু‌লো‌কে ১৯ ধর‌নের

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার মধ্যেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান ৯৭ শতাংশ অভিভাবক

ডেস্ক,১০ম ২০২১:
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চললেও এ মুহূর্তে স্কুল খুলে দিলে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী। প্রাথমিকের ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এমন মতামত দিয়েছেন।

গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি) এবং বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিজিআইডি) পরিচালিত এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠেছে।

সোমবার (১০ মে) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুইটি। ২০২০ সালের এপ্রিল এবং চলতি বছরের মার্চে ছয় হাজারের অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

মহামারির এ সময়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকার পরও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও সন্তানদের বাইরে যাওয়া বন্ধ নেই, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন তারা।

তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে সন্তানদের শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, যা তারা বাড়াতে চান না। বাধ্য হয়ে এ ক্ষতির কিছুটা কমাতে কোচিং সেন্টারে সন্তানদের পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নিয়মিত খরচের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষায় খরচ ১১-১৩ গুন পর্যন্ত বেড়েছে।

অভিভাবকা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের সন্তানদের শিক্ষায় আগ্রহ কমছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ‘অটো পাস’ এর কারণে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে গিয়ে সন্তানরা কোনো সমস্যায় পড়েন কি-না, তা নিয়েও তারা ভীষণ উদ্বিগ্ন।

এ সমীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিজিআইডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমীক্ষা প্রতিবেদনের মূল বার্তা হলো- স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলে ভবিষ্যত জীবনে সন্তান সমস্যায় পড়বে, এমন আশঙ্কা থেকে অতি দরিদ্র ৫৯ শতাংশ বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়ের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়েছেন। আবার স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে কওমি মাদ্রাসা খোলা থাকায় এখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেড়েছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও ১৪ দিন বাড়ল সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ

ঢাকা,৮ মে ২০২১ : ভারতের করোনাভাইরাস (কোভিড–১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে দেশটির সঙ্গে স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বেড়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধ রয়েছে।

স্থলপথে ভারত থেকে যাত্রী আসা যাওয়া বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (৮ মে) পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রথম দফার মত এবারও বাংলাদেশের যে নাগরিকেরা চিকিৎসার জন্য ভারতে আছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিনের কম—শুধু তারাই বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারি সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

হেফাজতের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ এপ্রিল, ২০২১

আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। রোববার রাত তিনটার দিকে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে এ কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে রাত ১১টার দিকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন বাবুনগরী।

এ কমিটিতে প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে। এতে মহাসচিব হয়েছেন নুরুল ইসলাম। এ তিন সদস্যের কমিটি শিগগির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করবে।

হেফাজতে ইসলামের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শেক্রমে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটি বিলুপ্ত করে বাবুনগরী বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেতার পরামর্শে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। আগামীতে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে সংগঠন পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ-সহিংসতার পর হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ১৯ জন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অন্তত ৭৭টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৬৯ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এসব মামলায় প্রতিদিনই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠনটির কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দেন বাবুনগরী।

এদিকে রাতেই হেফাজতে ইসলামের সহিংসতার পর চলমান গ্রেপ্তার-মামলা পরিস্থিতিতে দেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতিতে জড়ানো নিষিদ্ধ করে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। রোববার বোর্ডটির স্থায়ী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ এপ্রিল ২০২১ খ্রিঃ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সোমবার থেকে আগামী ১৪ দিনের জন্য বন্ধ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ থাকবে।

রোববার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে, কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেছিলেন, ভারতের ডাবল ভ্যারিয়েন্ট যেন দেশে না ঢুকে সে জন্য জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারতের সঙ্গে যাতায়াত বন্ধ করা দরকার। জাতীয় কমিটি এ নিয়ে আলোচনা করেছে। দ্রুতই সরকারকে এ বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।

উল্লেখ্য, ভারতে আশঙ্কাজনক হারে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়াচ্ছে। ডাবল ও ট্রিবল মিউট্যান্ট ভাইরাসের কথা শোনা যাচ্ছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে চলে আসার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর যদি এ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে চলেই আসে তাহলে সেটা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতে কুলাবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়া সমীচীন হয়নি: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ এপ্রিল, ২০২১
লকডাউনের মধ্যে রাজধানীতে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও নারী চিকিৎসকের বাগবিতণ্ডার ঘটনায় দুই পেশাজীবী সংগঠনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতিতে উষ্মা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।
আরো খবর:

দুই নারী সঙ্গীর বিষয়ে পুলিশকে যা বললেন মামুনুল

আদালত বলেছেন, ওই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়া সমীচীন হয়নি। তাদের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়।

১৮ এপ্রিল রাজধানীর নিউ এ্যালিফেন্ট রোডের একটি চেকপোস্টে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও নারী চিকিৎসকের বাগবিতণ্ডার এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ফেসবুকে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

চেকপোস্টে আইডি কার্ড দেখতে চাওয়া হলে চিকিৎসক আইডি প্রদর্শন করতে পারেন নি। উল্টো বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন তিনি। নিজেকে বীর বিক্রমের কন্যাও দাবি করেন। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকদের কাছে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ও ম্যাজিস্ট্রেট তখন বলেন, ‘আপনাকে হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনাকে তো খারাপ কিছু বলা হয়নি। আইডি কার্ড চাওয়া হয়েছে। আপনি এ রকম ব্যবহার করছেন কেন? আমরা তো আইনের কাজই করছি।’

এ পর্যায়ে গাড়িতে উঠে পরেন চিকিৎসক। তখন আবারও উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বাগবিতন্ডায় জড়ান তিনি। এসময় তিনি ডাক্তারদের আন্দোলনের ভয় দেখান পুলিশ সদস্যদের। সাংবাদিকদের কাছে নালিশ করেন ওই চিকিৎসক। মোবাইল ফোনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেনকে যুক্ত করে কথা বলার জন্য ফোনটি ধরিয়ে দেন ঝগড়ারত পুলিশ সদস্যসের হাতেেই।

এসময় উপস্থিত একজন সাংবাদিককে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘সাংবাদিক ভাই শুনেন, দেখেন ডাক্তারদের সাথে কি করতেসে এই হারামজাদা পুলিশ।’ এসময় ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও কয়েকবার চিৎকার করেন ওই চিকিৎসক।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আপনি আমাদের তুই তুকারি করতে পারেন না।’

এসময় ওই নারী চিকিৎসক পুলিশের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন, ‘এই শোন আমি মেডিকেলে চান্স পাইছি বলেই আমি ডাক্তার, তুই চান্স পাসনাই বলেই তু্ই পুলিশ। আমি ডাক্তার, ডাক্তার, ডাক্তার।’ আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক, যুগ্মসচিব লেভেলের ডাক্তার। আমি ডাক্তারদের নেতা।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের লোক। আমাদের আইডি কার্ডও সাথে আছে।’

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি তার পরিচয়পত্র বাসায় রেখে এসেছেন।
ডাক্তার জেনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করে পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করে বলেন, করোনায় জীবন গেছে কয়জন ডাক্তারের, আর আপনারা কতজন মরছেন। আমার কাছে আবার চান মুভমেন্ট পাস।
এ সময় নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম কাইয়ুম ওই নারীকে বলেন, আপনি আমাদের ধমক দিচ্ছেন কেন? জবাবে ডাক্তার বলেন, আমি বীর বিক্রম শওকত আলীর মেয়ে। জবাবে ওসি বলেন, আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আপনি আমাকে শোনাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার কথা।

একপর্যায়ে ডাক্তারের অন্য সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে বিষয়টি সমাধান হয়। প্রায় আধা ঘন্টা পরে ডাক্তার জেনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দুই নারী সঙ্গীর বিষয়ে পুলিশকে যা বললেন মামুনুল

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল:
গ্রেফতারের পর হেফাজত নেতা মামুনুল হককে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি তিনটি বিয়ে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল বলেছেন প্রথম স্ত্রী বাদে বাকি দুই স্ত্রীকে তিনি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ করেছিলেন। স্ত্রীর পূর্ণ অধিকার দিতে পারবেন না মৌখিক এই শর্তেই তাদের বিয়ে করেছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে দাবি করেন তিনি। মামুনুল হকের দাবি, তার দেওয়া শর্ত মেনেই দুই নারী তার সঙ্গে শরীয়তের বিধান মতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় হেফাজত নেতা মামুনুল হককে, যিনি সম্প্রতি এক নারীসঙ্গীসহ নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন।

এর আগে গত ২৬-২৮ মার্চ মোদীবিরোধী আন্দোলনের জের ধরে রাজধানী ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ব্যপক তান্ডব চালায় হেফাজতের নেতাকর্মীরা। পুলিশ বলছে, বেপরোয়া এই তান্ডবের নেপথ্যে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের উস্কানি ছিল, যার মধ্যে মামুনুল হক ছিলেন অন্যতম। যদিও এসব ঘটনায় একাধিক মামলা দায়ের করা হলেও মামলায় হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের কারও নাম ছিল না।

গত ৩ এপ্রিল রিসোর্টকাণ্ডের পর হেফাজতের বেপরোয়া উত্থান ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা দেয় সরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাও নড়েচড়ে বসে, নতুন করে দায়ের করা মামলায় আসামী করা হয় হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের। শুরু হয় গ্রেফতার অভিযান। একই সঙ্গে হেফাজতের শীর্ষ নেতা মামুনুল হকের একাধিক নারীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ থাকার বিষয়টিও সামনে চলে আসে।

গত ১১ এপ্রিল থেকে হেফাজতের মধ্যমসারির ৮ জন নেতাকে গ্রেফতারের পর গতকাল গ্রেফতার করা হয় মামুনুল হককে। গ্রেফতারের পর তাকে প্রথমে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনারের কার্যালয় এবং পরে তেজগাঁও থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। রাতে তাকে হস্তান্তর করা হয় গোয়েন্দা পুলিশের কাছে।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা তাকে মামলা, জিডিসহ সহিংসতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তাকে তিন তিনটি বিয়ে করা নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিয়ে দাবি করলেও প্রথমটি বাদে বাকি দুই বিয়ের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।

এদিকে রাতে মামুনুল হককে থানা পুলিশের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে আরেক দফা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এসময়ও তাকে সহিংসতার পাশাপাশি তিন বিয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রথম স্ত্রীকে তিনি শরীয়ত সম্মত ও প্রচলিত আইন মেনে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বাকি দুই নারীকে বিয়ের দাবি করলেও কাবিননামা নেই বলে জানান তিনি। এই দুই নারীকে তিনি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ করেছিলেন বলে দাবি করেন মামুনুল হক।

জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হকের দাবি, জান্নাত আরা ঝর্ণার বিচ্ছেদ হওয়ার পর তিনি তার অভিভাবকত্ব নেন। এসময় তিনি জান্নাতকে পূর্ণ স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবেন না এমন মৌখিক শর্তে বিয়ে করেন বলে দাবি করেন। মামুনুল হকের দাবি, তার শর্ত জান্নাত আরা মেনে নিয়েছিল। দুই বছর ধরে তিনি জান্নাত আরার ভরণ-পোষণ ছাড়াও ব্যবসা করার জন্য মূলধন দিয়েছেন এবং কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদকারী গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে রিসোর্টকাণ্ডের ঘটনারও বর্ণনা দেন। মামুনুল বলেন, ব্যস্ততার কারণে জান্নাতের সঙ্গে তার নয় মাস ধরে দেখা-সাক্ষাত হচ্ছিল না। জান্নাত তাকে সময় দেয়ার জন্য বারবার বলছিল। ৩ এপ্রিল তার বি. বাড়িয়া যাবার কথা ছিল। কিন্তু বি. বাড়িয়া যাওয়া বাতিল হলে তিনি ওই দিন জান্নাতকে নিয়ে কোথাও একটু একান্ত সময় কাটাতে চেয়েছিলেন। ঘটনার দিন সকালে গ্রিন রোডের গ্রিন লাইফ হাসপাতালের সামনে থেকে জান্নাতকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের দিকে রওয়ানা দেন তিনি।

স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে কেন বিয়ে করেছিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়ার শর্ত দিয়েই তিনি বিয়ে করেছিলেন। ইসলামে এটা জায়েজ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। প্রথম স্ত্রীর কাছে দ্বিতীয় স্ত্রীকে ‘শহীদুল ভাইয়ের ওয়াইফ’ বলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মামুনুল হক জানান, বিষয়টি জানার পর তার প্রথম স্ত্রী যদি স্ট্রোক বা খারাপ কিছু একটা করে ফেলে সেই আতঙ্ক থেকে মিথ্যা বলেছিলেন তিনি।

তৃতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস লিপিকে বিয়ে করা নিয়েও একই বক্তব্য ছিল মামুনুল হকের। তৃতীয় স্ত্রী দাবি করা জান্নাতুল ফেরদৌস সম্পর্কে মামুনুল বলেন, এশিয়ান ইউনিভার্সিট অব বাংলাদেশে একসঙ্গে অনার্স ও মাস্টার্স করার সময় তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে। এরপর জান্নাতুলের বিয়ে হয়ে যায়। কিন্তু প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাকেও স্ত্রীর অধিকার না দেয়ার মৌখিক শর্তে তাকে বিয়ে করেন তিনি। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্ত্রী দাবি করা নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তার প্রথম স্ত্রী কিছুই জানতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গোয়েন্দা পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, মামুনুল হককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডে আনা হবে। রিমান্ডে তাকে সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও ৭ দিন বাড়লো লকডাউন

শিক্ষাবার্তা রিপোর্ট,১৯ এপ্রিল ২০২১,
চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ ছিল লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ালে বর্তমান চেইনটা ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে এবং সংক্রমণ নিম্নগামী হবে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে ২২-২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়িয়ে সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সই করার পরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাড়তে পারে লকডাউন

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:
চলমান লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে আগামী সোমবার (১৯ এপ্রিল) সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই লকডাউনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।
আরো খবর

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ শিবলী সাদিক বলেন, করোনায় দেশে আশঙ্কাজনকহারে মৃত্যু-আক্রান্ত বাড়ছে, যা লকডাউন ছাড়া রোধ করা সম্ভব নয়। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ এপ্রিলের সভার পর ওই দিন বা ২০ এপ্রিল কী হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। কয়েক দফায় বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

একপর্যায়ে করোনার সংক্রমণ কমেও গিয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে ৯ দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। তবে এই লকডাউন আরও বাড়বে কি না, সেটি নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিকল্পনা হলো, চলমান লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়িয়ে শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেওয়া। এভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলতে পারে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া। লকডাউন ৭ দিন যদি বাড়ে, তাহলে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শানাক্ত হয়েছে ৩৪৭৩ জন। এর আগে শুক্রবারও (১৬ এপ্রিল) করোনায় মারা যান রেকর্ড ১০১ জন।
আরো খবর

বাড়তে পারে লকডাউন

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৭ জন। চট্টগ্রামের ২৩, রাজশাহী ২, খুলনা ৩, বরিশাল ১, সিলেট ২ জন, রংপুর ০ ও ময়মনসিংহের ৩ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ, ৩২ জন নারী। ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬৩৫ জন এবং নারী ২ হাজার ৬৪৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৫৮ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৮ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৯ জনের। এছাড়াও হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ১২ ব্যাংকারের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,ডেস্ক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে কঠোর লকডাউন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন চলবে আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। এদিকে এবার সংক্রমণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার।
এবার কঠোর লকডাউনের মাঝে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণার পর আবার খোলে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও। কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত ১৫ দিনে প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন ব্যাংকার ও একটি ব্যাংকের গাড়ি চালক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি সেবা হিসেবে ব্যাংক খোলা থাকলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে অফিসে যাওয়া-আসা এবং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সময় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ পরিপালন করা হয় না। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন তারা, সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধিক কর্মী সমাগম ঠেকাতে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জোর দেয়া উচিত।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা ও অন্যজন চট্টগ্রামের সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল পর্যায়ের কর্মী।

গত ৮ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান যমুনা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার শরিফুল বারী মিল্টন। এর আগে গত ২১ মার্চ তার করোনার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮ সালে ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা। ব্যাংকের সেবা বিভাগে কর্মরত ওই কর্মকর্তার নাম আব্দুর রাজ্জাক ইউসুফজাই। ঢাকার এক হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

নিলফামারীতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন চালক মারা গেছেন একই সপ্তাহে। এছাড়া ব্যাংটির প্রধান কার্যালায়ের সহকারী-মহাব্যবস্থাপক জাকির হোসেনসহ আরো কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

সরকারি রূপালী ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কেউ মৃত্যুবরণ করেননি। তবে কয়েকজন কর্মকর্তা সংক্রমিত হয়ে রাজাধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

গত ৬ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহফুজুল ইসলাম (৪৮) নামে আরেক ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। মাহফুজুল ইসলাম উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নাজগ্রাম গ্রামের মৃত জাকের আলীর ছেলে।

৫ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের গোপালপুরে করোনায় মারা যান ফৌজিয়া জেসমিন নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ফৌজিয়া জেসমিন অগ্রণী ব্যাংক জামালপুর শাখায় এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন।

৫ এপ্রিল ভোরে অগ্রণী ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা মুহা. মুহিব্বুল্লাহ বাহার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি অগ্রণী ব‍্যাংক পাবনায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মহিদুল হক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অক্সিজেন সাপোর্টের জন্য তাকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে যান তার পরিবারের সদস্যরা। কোথাও আইসিইউ বেড খালি না থাকায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেননি তারা। পরে রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে বিনাচিকিৎসায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মারা যান তিনি।

৩ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সহকারী মহাব্যবস্থাপক শামীমা ফেরদৌস শিমুল। শামীমা ফেরদৌস শিমুল রাকাবের মনিটরিং শাখা প্রধানের দায়িত্বপালন করছিলেন। তিনি রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।

৩১ মার্চ ভোরে নাটোরে নিজ বাসায় মারা যান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ন্যাশনাল ব্যাংক নাটোর শাখার প্রথম নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম কনক। বেশকিছু দিন ধরেই কনকের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল। পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ আসে। এর পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

৩০ মার্চ করোনায় মারা যান সিটি ব্যাংকের মিরপুর শাখার সিনিয়র অফিসার আতিয়া খানম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আতিয়া খানম ১৮ বছর সিটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আড়াই হাজার করে টাকা পাবে ৩৫ লাখ পরিবার

ডেস্ক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ লাখ গরিব পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। প্রত‌্যেক পরিবারকে ২৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ঈদের আগে মোবাইলের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে এ অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঈদ উপহার দেওয়ার পাশাপাশি আরও তিনটি প্রণোদনা প্যাকেজ খুব শিগগির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

গত বছরের ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার ও হতদরিদ্র গোষ্ঠীর প্রত্যেককে আড়াই হাজার টাকার নগদ আর্থিক সহায়তা দেন। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার পরিবারের মধ্যে ৮৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বিতরণ করেছে। আর বাকি ১০১ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংককে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এই ঢেউ নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘লকডাউন’ দেওয়া হয়েছে। এই লকডাউনের ফলে সমাজের দরিদ্র লোকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাদের এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে আবারো ৩৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত বছর মে মাসে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারকে এ ধরনের সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছিল। এখন আবার করোনা দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। দেশ কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই লকডাউনের মেয়াদ সাত দিন বলা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ১৪ দিন করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ সাধারণ মানুষ চলাচলেও বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই লকডাউনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমাজের দরিদ্র মানুষ। কারণ এই সময় তাদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে। এই মানুষদের কিছু সাশ্রয় দিতে গতবারের মতো এবার আড়াই হাজার করে নগদ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গতবার যারা এই সহায়তা পেয়েছে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তারা এবারো এই সহায়তা পাবেন। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা ৩৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, আর্থিক সহায়তা পাওয়ার তালিকা রয়েছে, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষ।

জানা গেছে, পরিবারগুলোকে টাকা দেওয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো প্রতি হাজারে পাবে ৬ টাকা। এ টাকা সরকার বহন করবে। অর্থাৎ সুবিধাভোগীদের হাতে ২৫০০ টাকা পৌঁছবে।

উল্লেখ্য, গত বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ৫০ লাখ দুস্থ মানুষের তালিকা চাওয়া হয়। কিন্তু তাদের পাঠানো ৫০ লাখ দুস্থ মানুষের মধ্যে ২৮ লাখ মানুষের তালিকাই ছিল ভুলে ভরা ও ভুয়া। ফলে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৩৫৬ পরিবারে নগদ সহায়তা পাঠাতে সক্ষম হয়। এতে সরকারের খরচ হয়েছে ৪০৪ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ভুল তালিকার জন্য বাকি ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪৪ পরিবারে নগদ সহায়তা পাঠানো স্থগিত রাখা হয়েছিল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

এসএসসির ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগের প্রমাণ পেলে হাইকোর্টের রুল অনুসারে স্কুলের পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের হুঁশিয়ার করেছে শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের পাঠানো এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

গত ১২ এপ্রিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা দিয়ে সব প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো স্কুল ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নিয়ে থাকলে সে টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোনো প্রতিষ্ঠান ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে তা শিক্ষার্থীদের ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেয়া হলো। ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে মহামান্য হাইকোর্টের সুয়োমোটো রুল ২৫/২০১৪ মোতাবেক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি বাতিলসহ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, এসএসসির ফরম পূরণ ১ এপ্রিল থেকে শুরু হলেও লকডাউনের কারণে তা আপাতত স্থগিত আছে। লকডাউনের পর সভা করে ফের জরিমানা ছাড়াই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক,১২ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

|আরো খবর

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিধিনিষেধগুলো হলো-

১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter