Home » দৈনিক শিক্ষা

দৈনিক শিক্ষা

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে নির্দেশ-ডিপিই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ নভেম্বর:
প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার দেয়া চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের আগে এ বছরের ১৬ মার্চ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান অব্যাহত ছিলো। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংসদ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং শিক্ষকগণ স্ব স্ব উদ্যোগে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সম্পৃক্ত ছিলেন।

চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষকগণ তাদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কিভাবে মূল্যায়ন করা এবিষয়ে মাঠ পর্যায়ে একাধিক শিক্ষক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছে বাংলাদেশ জার্নাল।

মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে বলেন, এযাবতকাল শিক্ষার্থীদের জন্য যে কার্যক্রম চলেছে পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে কতটা দুর্বল মূল্যায়নের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে। এরপর পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে স্ব স্ব বিদ্যালয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আসছে দুটি বিসিএস

ডেস্ক,২৩ নভেম্বর:
একটি বিশেষ ও একটি সাধারণ মিলিয়ে দুটি বিসিএসের প্রজ্ঞাপন খুব শিগগির প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে ৪২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক ২ হাজার চিকিৎসক নেয়া হবে। আর ৪৩তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে নেয়া হবে ১ হাজার ৮১৪ জন ।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা যায়, বুধবার পিএসসি বিশেষ সভা আহ্বান করেছে। সেখানে ৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত হবে। আর এর পরের সপ্তাহে ৪৩তম বিসিএসের বিষয়ে আলোচনা করবে পিএসসি।

জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পিএসসিতে ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের চাহিদা পাঠিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মোট ১ হাজার ৮১৪ পদের চাহিদা পাঠিয়েছে। এতে শিক্ষায় নেয়া হবে সবচেয়ে বেশি। এখানে পদসংখ্যা ৮৪৩টি। এ ছাড়া প্রশাসনে ৩০০, পুলিশে ১০০, পররাষ্ট্রে ২৫, অডিটে ৩৫, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪, সমবায়ে ২০, ডেন্টাল সার্জন ৭৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারে ৩৮৩ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

৪২তম বিশেষ বিসিএসে ২ হাজার চিকিৎসকের নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে পিএসসি। সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ দিতে হলে বিধিমালা সংশোধন করতে হয়। তারা সেই প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

এদিকে ৪১তম বিসিএসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার অপেক্ষায় আছেন সাড়ে চার লাখের বেশি প্রার্থী। গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এতে বিভিন্ন পদে ২ হাজার ১৩৫ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নিয়েছে পিএসসি। এখন মৌখিক পরীক্ষার দিন ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন প্রার্থীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই বদলে যাচ্ছে

ঢাকা,২২ নভেম্বর: ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বদলে যাচ্ছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে নবম এবং ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই হাতে পাবে শিক্ষার্থীরা। এতে আগের মতো মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ থাকবে না। মাধ্যমিকে সব শিক্ষার্থীকে সমান দক্ষতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে একাদশ থেকে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম রেজাউল হাসান বলেন, ‘করোনার কারণে পরিমার্জন পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সালে অষ্টম এবং ২০২৪ সালে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত বই দেওয়া হবে। এসব বইয়ে বিভাগ বিভাজন থাকবে না।’

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় সব কার্যক্রমই এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলাম চালু শুরু হবে। ২০২২ সাল থেকে মাধ্যমিকের নবম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, বাণিজ্য বিভাগ উঠিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সাল থকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে। আর ২০২৪ সালে দশম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে।
তবে নতুন পাঠ্যক্রমে কনটেন্ট পড়ার চাপ কমিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নম্বর ও সময় কমিয়ে আনা হবে পরীক্ষায়। কারিগরি শিক্ষাকে করা হবে জীবনমুখী।

২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পাঠ্যবই পরিমার্জন শেষ করা কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে পরিমার্জন করা হচ্ছে ২০২২ সাল থেকে। উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বাদশ শ্রেণির বই পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে পরিমার্জন শেষ হবে ২০২৬ সালে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির পরিমার্জিত বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছর প্রাক-প্রাথমিকের ৪ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে ২০২৩ সালে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে তৃতীয়, চতুর্থ অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছরই ৫ বছরের বেশি বয়সী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে ২০২৪ সালে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে সারাদেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু করা হবে। ২০২১ সাল থেকে দুই বছরের পাইলটিং শুরু হচ্ছে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর সারাদেশে ২০২২ সালে চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৪ সালে সম্ভব হলে একাদশ ও ২০২৫ সালে দ্বাদশ শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই দেওয়া হবে। যদি সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একাদশ এবং ২০২৬ সালে দ্বাদশ শ্রেণির বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

২০২১ সালে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক পাইলটিং শুরুর কথা রয়েছে। বর্তমানে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু রয়েছে। পাইলটিং করা হবে ৪ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ভর্তি করে। এসব শিশুর জন্য নতুন কারিকুলামের বই দেওয়ার কথা ছিল ২০২১ সাল থেকে। তা পিছিয়ে ২০২৩ সালে যেতে পারে। একইভাবে পরের বছর দেওয়া হবে ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের পরিমার্জিত পাঠ্যবই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯নভেম্বর |
দীর্ঘ বন্ধের কারণে সেশনজট থেকে মুক্তি পেতে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন 10 minute live school এর এডমিন স্বরুপ দাস
এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, সারা পৃথিবী আজ করোনার কবলে পড়েছে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে পুরো জাতি সাফল্যের সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী 10 minute live school ও সাহসিকতার সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে।
10 minute live school এর ফেসবুক পেজ

ফেসবুক পেজে যেতে ক্লিক করুন।
এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ক্লাসে যেভাবে উন্নীত হবে

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ভিত্তিতেই তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরের ক্লাসে উঠবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রত্যেককে সনদ দেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেল। এখন তারপরে ১১ দিনের মতো আমাদের হাতে সময় আছে। তারপরে যদি খোলার মতো অবস্থা না হয়, তাহলে আমরা বলে দিয়েছি স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করবে। এটা ঠিক অটোপাস বলতে চাচ্ছি না মূল্যায়ন করেই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে প্রাথমিকের সমাপনী, জেএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করাহয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও।

তবে টেলিভিশন ও রেডিওতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে শ্রেণি পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লটারির মাধ্যমে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
করোনা সংক্রমণের মুখে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ভর্তি পরীক্ষা না প্রতিটি শ্রেণিতেই শূন্য আসনের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করে ভর্তি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব পত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়। এতে এ বছরের জন্য ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি ছাড়াও বিকল্প আরও দুটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আসছে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্নিষ্টদের নিয়ে সভা করা হয়। সেখানে একাধিক প্রস্তাব এসেছিল। এর মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রস্তাব আমরা সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে আছে ৪২টি। আর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সারাদেশে আছে ১৯ হাজার ৪২১টি। বেসরকারি স্কুলগুলোর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনার কারণে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলে মাউশির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে গৃহীত হলে সারাদেশের এসব বিদ্যালয়ে এ বছর কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

অবশ্য মিশনারি পরিচালিত কোনো কোনো বিদ্যালয় এবং কলেজ তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। সে সংখ্যা অবশ্য হাতেগোনা। বর্তমানে শুধু প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। নবম শ্রেণিতে জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। করোনার কারণে এ বছর জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক সমাপনী ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। সে ধারাবাহিকতায় স্কুলগুলোর ভর্তি পরীক্ষাও বাতিলের বিষয়টি এবার আলোচনায় এলো।

মাউশি সূত্র জানায়, মাউশির পাঠানো প্রস্তাবে আরও দুটি বিকল্প চিন্তা রাখা হয়েছে। বাতিলের প্রস্তাব গৃহীত না হলে দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষার ভেন্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে প্রতি বছর কমবেশি দুই হাজার পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। করোনা বাস্তবতা মাথায় রেখে একটি মাত্র বিদ্যালয়ে দুই হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষা না নিয়ে ৪০০ জন করে অন্তত পাঁচটি ভেন্যুতে এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মাউশি। তৃতীয় বিকল্প হিসেবে মাউশি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তাতে বর্তমানের ছোট প্রশ্ন (শর্ট কোয়েশ্চেন) পদ্ধতি বাতিল করে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) চালুরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা নিজ বাসায় বসেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. এনামুল হক হাওলাদার সমকালকে বলেন, রাজধানীর সরকারি হাই স্কুলগুলো এবারও তিনটি পৃথক গুচ্ছে (ক্লাস্টার) ভাগ করা হচ্ছে। ক, খ ও গ এই তিন গুচ্ছে আগে শিক্ষার্থীরা প্রতিটি গুচ্ছ থেকে একটি মাত্র স্কুল পছন্দ করার সুযোগ পেত। আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজ গুচ্ছের অন্তত পাঁচটি স্কুল পছন্দ করার সুযোগ পাবে। এতে ভর্তি নিয়ে ভর্তিচ্ছুদের দুশ্চিন্তা কমবে।

জানা গেছে, রাজধানীর ৪২টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি নেই। এবার ঢাকায় ১৪টি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। হাই স্কুলে সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এক হাজার ২৬০টি আসন রয়েছে। লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা যে মাধ্যমেই ভর্তি নেওয়া হোক, আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে ভর্তি ফরম ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে মাউশির। মাউশি জানায়, নতুন শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

অন্যদিকে, রাজধানীর বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি এরই মধ্যে ভর্তি ফরম ছাড়তে শুরু করেছে। বাকিগুলোও ভর্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অবশ্য, ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ মনে করেন এটি করলে ভালো হবে, কেউ আবার তা মনে করেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটি বাড়ছেই, সঙ্কটে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ নভেম্বর:
মারণ ভাইরাস করোনার কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বেড়েই চলেছে। চলমান এই ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ছিলো এ ছুটি।

এদিকে ছুটি বৃদ্ধির ফলে আগামী বছরের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্কট আরো বেড়ে গেছে। সাধারণত প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা হয়।

প্রতি বছর নভেম্বরে এসএসসির শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কাজ হয়ে থাকে। আর ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের একই কাজ হয়ে থাকে। ছুটি বাড়ানোর কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এ দুটি কাজ। সেই সঙ্গে তৈরি হয়েছে আগামী বছরের পরীক্ষা দুটিও পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কাও।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এ সময়ে বোর্ডগুলো পরবর্তী এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে কাজ করে থাকে। নতুন ছুটির বিষয়টি সামনে আসায় আগামী বছরের এ দুটি পরীক্ষা নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা করা হবে। এক্ষেত্রে তাদের অসম্পূর্ণ শ্রেণিকাজ, লেখাপড়া, বিভিন্ন পরীক্ষা ইত্যাদি বিবেচনায় আসবে।

তবে পরীক্ষা পেছানো হবে কিনা সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো চিন্তা করা হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।

ইতোমধ্যে চলতি বছরের পিইসি, জেএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা। পিইসি এবং জেএসসি পরীক্ষার্থীসহ অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিশেষ মূল্যায়নে নতুন ক্লাসে পদোন্নতির পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের গ্রেড দেয়া হবে তাদের জেএসসি ও এসএসসিতে অর্জিত ফলের ভিত্তিতে। এসব শিক্ষার্থীর ফল তৈরির কাজ চলছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে না হওয়ার শঙ্কা আছে। কেননা, দীর্ঘ ছুটির কারণে সংকট তৈরি হয়েছে আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে। আরো ৩৫ দিন ছুটি ঘোষণা করায় এসব শিক্ষার্থীর শ্রেণি কার্যক্রমের সময় দাঁড়াল ৯ মাস।

একাদশ শ্রেণিতে কলেজ পর্যায়ে নেয়া বিভিন্ন ক্লাস টেস্ট আর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে তাদের ‘অটো পাস’ দেয়া হয়েছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবীর দুলু বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের ভালোর দিকটি বিবেচনা করে ছুটি বাড়িয়েছে। আমরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে আমরা এটাও চাই যে, এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষ করেই যেন পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।’

এর আগে বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেললে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আমরা এ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছি। ১৫ তারিখ থেকে খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটিটি আরও বাড়বে নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারবো- এসব বিষয় নিয়ে এখনও কাজ চলামান। তবে ১৪ তারিখের আগে চেষ্টা করব সিদ্ধান্ত আপনাদের জানিয়ে দিতে। কারণ, ১৪ তারিখের আগে তো আমাদের একটা সিদ্ধান্ত দিতেই হবে।

৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। করোনায় প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড নিয়ে সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ১১, ২০২০
ঢাকা: টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে আসছেন সরকারি কর্মচারীরা। তবে এবার সুখবরটি পেলেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মতো সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রেশন চেয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ নভেম্বর এ চিঠি দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামাল ২১ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে দুটি বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন। এর মধ্যে একটি ছিল রেশন প্রদান এবং অপরটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা। দুটি দাবিই যৌক্তিক হওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা আমলে নেয়।

এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে রেশনের বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়। এতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসনিক কল্যাণ সমিতির রেশন সুবিধার আবেদনটি পর্যালোচনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির চিঠিতে বলা হয়, সচিবালয় প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র।

এখানে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কার্যাদিসহ প্রজাতন্ত্রের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। এক্ষেত্রে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও ইতিবাচক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিস সময়ের পরও অফিস করতে হয়। কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত কাজ হয়।

এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিসে এসে কাজ করতে হয়। কিন্তু বাড়তি কাজের জন্য কোনো ওভারটাইম বিল কিংবা অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেয়া হয় না। অথচ প্রায় একই ধরনের কাজ করেও সরকারের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বিশেষ বা ঝুঁকিভাতা পাচ্ছেন।

এ তালিকায় দুদক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনাসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদফতর এবং কোস্টগার্ডসহ ১৫টি দফতরের বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ থেকে ৭০% হারে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ ভাতা পাচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকে বিশেষ ভাতার সঙ্গে রেশনও পাচ্ছেন।

কল্যাণ সমিতির আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের বাড়তি সুবিধাভোগী এবং আমরা সবাই একই বাজারে বাজার করছি। থাকছি একই শহরে। প্রত্যেকের জীবনযাত্রার স্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবও একই। অথচ বেতন ভাতা দেয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন স্কেল জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে পার হতে চলেছে ৬টি বছর।

এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যসহ সার্বিক ব্যয় বেড়েছে বহুগুণ। নানারকম বিলের হিসাবও বেড়েছে। কিন্তু বাড়েনি বেতন। তাই অন্তত রেশন সুবিধা দিয়ে হলেও কিছুটা বৈষম্য কমানোর জোরালো দাবি তাদের।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাধ্যমিকে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর:
আগামী বছর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এ প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এছাড়াও ২০২১ শিক্ষাবর্ষে রাজধানীর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

জানা যায়, করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৭ অক্টোবর মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে রাজধানীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের নিয়ে এক ভার্চুয়াল সভা হয়। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা ভর্তি পরীক্ষাসহ বেশকিছু পরামর্শ দেন। তার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে নতুন করে চারটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে মাউশি।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় রাজধানীর সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে তিনটি ক্লাস্টারে (ক, খ, গ) বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটিতে তিনদিন করে মোট ৯টি পরীক্ষা গ্রহণে প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তঃজেলা/উপজেলায় বদলির কারণে নতুন কর্মস্থলের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা উপপরিচালক অথবা যে জেলায় উপপরিচালক নেই সেখানে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যায়নক্রমে তাদের সন্তানের ভর্তির জন্য মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত সংরক্ষিত থাকবে। এ ক্ষেত্রে আগে আবেদন করলে আগে ভর্তির সুযোগ পাবে।

সংশোধিত ২০২০ ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণির ভর্তির পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ পূর্ণমান নম্বর নির্ধারণ করে এক ঘণ্টা এবং চতুর্থ থেকে অষ্টম পূর্ণমান-১০০ নম্বরের মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হলে এ সময় কমিয়ে আনা হবে।

মাউশির পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, ‘আগামী বছর শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর বিষয়ে একটি পূর্ব প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের মতামতের ভিত্তিতে আমরা একটি প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত করা হলে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর:
করোনাভাইরাসের কারণে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খোলা হবে নাকি ছুটি আরো বাড়বে- সেই সিদ্ধান্ত আগামী দু-এক দিনের মধ্যে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

১৪ নভেম্বরের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপনাদের জানাবে।’

প্রধানমন্ত্রী কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খুলনা ডিভিশন থেকে একটা স্ট্রং অ্যাকশন (ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা) করা হচ্ছে, আমরাও চারদিকে সবাইকে বলেছি। প্রধানমন্ত্রীও এগ্রি করছেন, গুড এপ্রিশিয়েট করেছেন। কিছু স্ট্রিক ভিউতে যেতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা কম্ফোর্টেবল জোনের মধ্যে আছি।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত সব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনলাইনে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ নভেম্বর, ২০২০
এমপিভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব তথ্য অনলাইনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এসব তথ্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে দেয়া ফরমে পূরণ করতে হবে সব এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্প প্রণয়নে এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সবে এমপিওভুক্ত বিএম কলেজ, ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট ও এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো রয়েছে।

জানা গেছে, এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তিনটি ফরম পূরণ করতে হবে। এগুলোর একটিতে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ তথ্য, ট্রেড ও শিক্ষার্থীদের তথ্য এবং অপরটিতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এসব তথ্য অনলাইনে পূরণ করতে প্রতিষ্ঠানগুলোবকে নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর বলছে, এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ প্রকল্প প্রণয়নে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলের তথ্য প্রয়োজন। তাই এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এছাড়া অনলাইনে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য পাঠানোর সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্দেশনা অনুসারে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে তিনটি আলাদা ফরমে তথ্য পূরণ করতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা এমপিওভুক্তির নামে ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা প্রতারক চক্র

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি | ০৭ নভেম্বর, ২০২০
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাধবকাঠী আল আমিন মহিলা দাখিল মাদরাসার শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির নামে ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র।

গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এ টাকা ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে প্রতারক চক্রটি গ্রহণ করেছে। অথচ এমপিওভুক্তি দূরের কথা, চক্রটি এ টাকা এখন ফেরতও দিচ্ছে না।

এরই মধ্যে টাকা ফেরত পাওয়ার লক্ষে মাদরাসা সুপার ও অন্য শিক্ষকরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে অভিযোগ করেছেন। সেখানে কোনো ফল না পেয়ে তারা সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য।

মাদরাসা সুপার গোলাম রসুল তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সদর উপজেলার চুপড়িয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেন এ চক্রের প্রধান।

তার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তার বাবা মুজিবর রহমান ও বোন নাহার। তিনি জানান, মোশাররফ নিজেকে সরকারের কাছের লোক দাবি করে জানিয়েছেন, ‘তার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব এবং অর্থ উপদেষ্টার আলোচনা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ৩০ লাখ টাকা দিলে এমপিওভুক্ত হবেন ওই মাদরাসার ১১ জন শিক্ষক।’

তিনি জানান, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাইম ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং বিকাশের মাধ্যমে এ টাকা গ্রহণ করেছেন মোশাররফ ও তার বোন।

এখন টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেছেন। মোশাররফ নিজেকে কখনও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক, কখনও বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির পরিচালক এবং কখনও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব পরিচয় দিয়ে এ প্রতারণা চালিয়েছেন।

চুপড়িয়া গ্রামের মোশাররফের বাবা মুজিবর রহমান ঢাকা সচিবালয়ে চাকরি করেন এ মিথ্যা তথ্য দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তবে চুপড়িয়া গ্রামের অধিবাসীরা জানান, মোশাররফ ঢাকায় সবজির ব্যবসা করেন। সচিবালয়ের আশপাশে তিনি থাকেন বলেও জানান তারা।

মাদ্রাসা সুপার গোলাম রসুল অভিযোগ করে বলেন, টাকা চাওয়ার পর তিনি তা ফেরত দেবেন বলেও কেবল তারিখ দিয়ে যাচ্ছেন।

গত ৩০ অক্টোবর টাকা পরিশোধের সর্বশেষ দিন নির্ধারণ করেও মোশাররফের বাবা মুজিবর রহমান এখন গ্রাম থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

অপরদিকে তার বোন নাহারও রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা বলেন, মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবক এখানে কিছুদিনের জন্য খণ্ডকালীন কাজ করেছেন।

এরপর তিনি আর এখানে আসেন না। তবে এখানে বসে নিজের নানা পরিচয় দিয়ে মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করেছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন।

এখন প্রতিদিন তার খোঁজে এ ইনস্টিটিউটে প্রতারিত লোকজন আসছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতারক মোশাররফ হোসেন মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির নামে ২১ লাখ টাকা ছাড়াও চুপড়িয়া গ্রামের মো. আবু তাহেরকে বিদেশে পাঠানোর নামে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

মাধবকাঠীর আকলিমা খাতুন নামের এক নারীকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেয়ার নামে হাতিয়ে নিয়েছেন আরও দুই লাখ টাকা। এ ধরনের অনেকের কাছ থেকেই মোশাররফ প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন তা আর ফেরত দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে জানার জন্য মোশাররফের বাবা মুজিবর রহমানকে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার বোন নাহারও গ্রামের বাইরে চলে গেছেন।

অপরদিকে মোশাররফের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। আল আমিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খলিল সানা জানান, মোশাররফ সবার চোখে ধুলো দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে এ টাকা আদায় করেছেন।

তিনি বলেন, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসার শিক্ষকরা প্রায় সবাই দরিদ্র। তারা তাদের এমপিওভুক্তির জন্য সহায়সম্পদ বিক্রি করে প্রতারক মোশাররফ হোসেনের হাতে তুলে দিয়েছেন।

তিনি অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করে দরিদ্র শিক্ষকদের কাছ থেকে নেয়া টাকা আদায় এবং তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেয়ার দাবি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেভাবে দিন কাটছে সাবেক গণশিক্ষা সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই বছর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব পরবর্তীতে সিনিয়র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আকরাম-আল-হোসেন। কর্মজীবনে চৌকস আমলা হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে নানা যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এজন্য অধিকাংশ শিক্ষকের কাছে তিনি এখনো জনপ্রিয়।

গত ২৯ অক্টোবর আকরাম-আল-হোসেন সিনিয়র সচিব থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাকে আরো বেগবান করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে মাগুরা জেলার মেন্টরিংয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর থেকেই নিজ জেলা মাগুরায় অবস্থান করছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, আকরাম-আল-হোসেনের দিন কাটছে মাগুরায় নিজ বাড়িতে মুরগী পালন, সবজি চাষ ও বৃক্ষরোপন করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষকরা এখনো তার সঙ্গে সকাল বিকেল সাক্ষাৎ করতে তার বাড়িতে ভিড় জমায়।

এ বিষয়ে শিক্ষক শহিদুর রহমান বলেন, ‘এমন মেধাবী ও গুনী মানুষের সান্নিধ্য সবাই পেতে চাই৷ স্যার আমাদেরকে সব সময় নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন৷ এখন তিনি অবসরে রয়েছেন তাই সুযোগ পেলেই আমরা তার কাছে চলে আসি। এতে তিনিও বিরক্ত না হয়ে বরং খুশিই হন।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৮ মে থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন আকরাম আল হোসেন। এরপর তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে নিযুক্ত হন ও ৯ মে ২০১৮ হতে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সবশেষ ২০২০ সালের ৫ জুলাই বাংলাদেশ সরকার আকরাম আল হোসেন কে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অবশেষে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ নভেম্বর:

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে চাইছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের মৌলিক সক্ষমতা তৈরিতে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। বিদ্যালয় খোলা গেলে ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে যে কদিন সময় পাওয়া যাবে সে কদিন পড়িয়ে পরবর্তী ক্লাসে নেয়া হবে। আমরা ৩০ দিনের ও ১৫ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে শিক্ষার্থীদের সেটি পড়িয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ দিন ছুটি বাড়ানোয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ)। শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের সক্ষমতা তৈরিতে এ সিলেবাসটি তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে সেটি কার্যকর করে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।

নেপের মহাপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, নতুন করে আমরা ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করেছি। প্রাথমিকের প্রতিটি ক্লাসের সকল বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে এ সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। নতুন সিলেবাসটি আগামী সপ্তাহে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। আর যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হয়, তবে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পদ্ধতিতে পঞ্চম শ্রেণিসহ সকল ক্লাসের সনদ বিতরণ করবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে হবে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ নভেম্বর:

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন। এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে এ নিয়ে সব মহলে চলছিলো নানা আলোচনা। এরপর অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নেয়ার সক্ষমতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো সক্ষমতা দেশে এখনো তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

মঙ্গলবার ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় তারা বলেন, এই সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বর্তমান অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়া ঠিক হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের কোন দেশে একটি মাত্র সফটওয়্যার দিয়ে বড় পরিসরে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় না। সফটওয়্যার দিয়ে যদি ভর্তি পরীক্ষা নিতে হয় সেক্ষেত্রে ইউজিসিকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে দিতে কমিটি সুপারিশ করে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এসব মতামত তারা তুলে ধরেন।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর তার উদ্ভাবিত ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমান অবস্থায় অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য উপযোগী নয়।

পর্যালোচনা সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এছাড়া, সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক সোহেল নাদিম রহমান শুভ, এটুআই এর টেকনোলজি এক্সপার্ট মো. ফজলে মুনীম, ওরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শামীম হোসেন, ডিএসআই এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মুশরাফুল হক অনিক এবং হেড অব প্রোডাক্ট এন্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মইনুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষায় যে সফটওয়্যারটি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে ইউজিসি গত সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এছাড়া, ইউজিসি চলতি শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষারও উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে ১ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter