Home » টপ খবর (page 5)

টপ খবর

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ১২ ব্যাংকারের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,ডেস্ক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে কঠোর লকডাউন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ লকডাউন চলবে আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। এদিকে এবার সংক্রমণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার।
এবার কঠোর লকডাউনের মাঝে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণার পর আবার খোলে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারাও। কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত ১৫ দিনে প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সংক্রমিত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন ব্যাংকার ও একটি ব্যাংকের গাড়ি চালক। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি সেবা হিসেবে ব্যাংক খোলা থাকলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে অফিসে যাওয়া-আসা এবং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সময় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ পরিপালন করা হয় না। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন তারা, সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধিক কর্মী সমাগম ঠেকাতে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জোর দেয়া উচিত।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা ও অন্যজন চট্টগ্রামের সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল পর্যায়ের কর্মী।

গত ৮ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান যমুনা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার শরিফুল বারী মিল্টন। এর আগে গত ২১ মার্চ তার করোনার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮ সালে ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা। ব্যাংকের সেবা বিভাগে কর্মরত ওই কর্মকর্তার নাম আব্দুর রাজ্জাক ইউসুফজাই। ঢাকার এক হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

নিলফামারীতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একজন চালক মারা গেছেন একই সপ্তাহে। এছাড়া ব্যাংটির প্রধান কার্যালায়ের সহকারী-মহাব্যবস্থাপক জাকির হোসেনসহ আরো কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

সরকারি রূপালী ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কেউ মৃত্যুবরণ করেননি। তবে কয়েকজন কর্মকর্তা সংক্রমিত হয়ে রাজাধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

গত ৬ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহফুজুল ইসলাম (৪৮) নামে আরেক ব্যাংক কর্মকর্তা মারা যান। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। মাহফুজুল ইসলাম উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নাজগ্রাম গ্রামের মৃত জাকের আলীর ছেলে।

৫ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের গোপালপুরে করোনায় মারা যান ফৌজিয়া জেসমিন নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ফৌজিয়া জেসমিন অগ্রণী ব্যাংক জামালপুর শাখায় এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন।

৫ এপ্রিল ভোরে অগ্রণী ব্যাংকের আরেক কর্মকর্তা মুহা. মুহিব্বুল্লাহ বাহার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি অগ্রণী ব‍্যাংক পাবনায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মহিদুল হক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে অক্সিজেন সাপোর্টের জন্য তাকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে যান তার পরিবারের সদস্যরা। কোথাও আইসিইউ বেড খালি না থাকায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেননি তারা। পরে রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে বিনাচিকিৎসায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মারা যান তিনি।

৩ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সহকারী মহাব্যবস্থাপক শামীমা ফেরদৌস শিমুল। শামীমা ফেরদৌস শিমুল রাকাবের মনিটরিং শাখা প্রধানের দায়িত্বপালন করছিলেন। তিনি রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা।

৩১ মার্চ ভোরে নাটোরে নিজ বাসায় মারা যান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ন্যাশনাল ব্যাংক নাটোর শাখার প্রথম নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম কনক। বেশকিছু দিন ধরেই কনকের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল। পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ আসে। এর পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।

৩০ মার্চ করোনায় মারা যান সিটি ব্যাংকের মিরপুর শাখার সিনিয়র অফিসার আতিয়া খানম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আতিয়া খানম ১৮ বছর সিটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আড়াই হাজার করে টাকা পাবে ৩৫ লাখ পরিবার

ডেস্ক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ লাখ গরিব পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। প্রত‌্যেক পরিবারকে ২৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ঈদের আগে মোবাইলের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে এ অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঈদ উপহার দেওয়ার পাশাপাশি আরও তিনটি প্রণোদনা প্যাকেজ খুব শিগগির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

গত বছরের ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার ও হতদরিদ্র গোষ্ঠীর প্রত্যেককে আড়াই হাজার টাকার নগদ আর্থিক সহায়তা দেন। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার পরিবারের মধ্যে ৮৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বিতরণ করেছে। আর বাকি ১০১ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংককে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এই ঢেউ নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘লকডাউন’ দেওয়া হয়েছে। এই লকডাউনের ফলে সমাজের দরিদ্র লোকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাদের এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে আবারো ৩৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত বছর মে মাসে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারকে এ ধরনের সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছিল। এখন আবার করোনা দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। দেশ কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই লকডাউনের মেয়াদ সাত দিন বলা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ১৪ দিন করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ সাধারণ মানুষ চলাচলেও বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই লকডাউনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমাজের দরিদ্র মানুষ। কারণ এই সময় তাদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে। এই মানুষদের কিছু সাশ্রয় দিতে গতবারের মতো এবার আড়াই হাজার করে নগদ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গতবার যারা এই সহায়তা পেয়েছে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তারা এবারো এই সহায়তা পাবেন। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা ৩৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, আর্থিক সহায়তা পাওয়ার তালিকা রয়েছে, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্রমিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকের পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষ।

জানা গেছে, পরিবারগুলোকে টাকা দেওয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো প্রতি হাজারে পাবে ৬ টাকা। এ টাকা সরকার বহন করবে। অর্থাৎ সুবিধাভোগীদের হাতে ২৫০০ টাকা পৌঁছবে।

উল্লেখ্য, গত বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ৫০ লাখ দুস্থ মানুষের তালিকা চাওয়া হয়। কিন্তু তাদের পাঠানো ৫০ লাখ দুস্থ মানুষের মধ্যে ২৮ লাখ মানুষের তালিকাই ছিল ভুলে ভরা ও ভুয়া। ফলে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৩৫৬ পরিবারে নগদ সহায়তা পাঠাতে সক্ষম হয়। এতে সরকারের খরচ হয়েছে ৪০৪ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ভুল তালিকার জন্য বাকি ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪৪ পরিবারে নগদ সহায়তা পাঠানো স্থগিত রাখা হয়েছিল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সকল পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করলো পিএসসি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

মহামারি করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলমান বিসিএস পরীক্ষা থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিতের পর এবার নন-ক্যাডার আরো দু’টি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন নার্সিং এবং মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স পদের আগামী ১০ এপ্রিলের লিখিত পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানিয়েছে, উক্ত পদের লিখিত পরীক্ষার পুননির্ধারিত তারিখ ও সময় পরবর্তীতে কমিশনের ওয়েবসাইট এবং জাতীয় পত্রিকার মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বস্ত্র অধিদপ্তরের ২য় শ্রেণির (১০ম গ্রেড) ফটো টেকনিশিয়ান পদে প্রার্থীদের ৬ এপ্রিলের লিখিত পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার ৪০তম বিসিএসের চলমান মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করে পিএসসি। পরীক্ষার তারিখ পরে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানায় পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ইশরাত শারমিন।

সম্প্রতি ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে পিএসসি। ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ২৭৭ জন। ২০১৮ সালের আগস্টে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

পিএসসির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশনা মেনে অফিস পরিচালনা করছে পিএসসি। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পরীক্ষা কার্যক্রম আপাতত স্থগিত থাকছে। পরিস্থিতি উন্নতি হলে পরীক্ষার বিষয়াদি নিয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল ২০২১:

এসএসসির ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগের প্রমাণ পেলে হাইকোর্টের রুল অনুসারে স্কুলের পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের হুঁশিয়ার করেছে শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের পাঠানো এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

গত ১২ এপ্রিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা দিয়ে সব প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো স্কুল ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নিয়ে থাকলে সে টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোনো প্রতিষ্ঠান ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলে তা শিক্ষার্থীদের ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেয়া হলো। ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে মহামান্য হাইকোর্টের সুয়োমোটো রুল ২৫/২০১৪ মোতাবেক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি বাতিলসহ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, এসএসসির ফরম পূরণ ১ এপ্রিল থেকে শুরু হলেও লকডাউনের কারণে তা আপাতত স্থগিত আছে। লকডাউনের পর সভা করে ফের জরিমানা ছাড়াই এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

তদন্ত চেয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’র মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে এক কোটি ৪০ লাখ ক্ষুদে শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বিতরণ শুরু হয়েছে। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারক চক্র মায়েদের মোবাইলে ফোন করে নগদের পিন নাম্বার, ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) জালিয়াতি করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখনও এ প্রতারণা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
|আরো খবর

শনিবার এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রধান প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী বলেন, প্রতারক চক্র উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর জানার পরপরই আমরা নগদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে সবাইকে পিন ও ওটিপির ব্যাপারে সর্তক থাকতে বলেছি।

তিনি বলেন, এ ব্যপারে তদন্তের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) অনুরোধ জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে নগদের মাধ্যমে প্রথম ডিজিটিাল পদ্ধতিতে উপবৃত্তির টাকা মোবাইলে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই দেশের প্রতারকচক্র দেশের বিভিন্ন স্কুলে অভিভাবকদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে ফোন দেওয়া শুরু করে। কখনও নগদের এজেন্ট, কখনও শিক্ষা কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক পরিচয় দিয়ে পিন নাম্বার, ওটিপি বা উপবৃত্তির টাকা কম গেছে বলে তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য চায়। আরও টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে বলে ওটিপি চাওয়া হয়। অনেক অভিভাবক না বুঝে সব তথ্য প্রতারকদের দিয়ে দেন। এরপর অভিভাবকদের মোবাইল অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

প্রতারণার বিষয়টি উপবৃত্তি প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানায়। এছাড়া সবাইকে সর্তক থাকতে কিছু নির্দেশনা দিয়ে দুই দফা চিঠি জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, যেখানেই প্রতারণার খবর পাওয়া যাবে সেখানে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে এবং ‘নগদ’ কে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সচেতনামূলক প্রচারণা আরো বেশি করে চালানো নির্দেশ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক,১২ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

|আরো খবর

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিধিনিষেধগুলো হলো-

১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একদিনে সর্বোচ্চ ৭৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৩৪৩

ডেস্ক,১০ এপ্রিল ২০২১

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে ৮ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৭৪ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৩৪৩ জন।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা আবেদন শুরু ১৫ এপ্রিল থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল ২০২১

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে এ আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে আগামী ২৪ এপ্রিল বেলা ৩টা পর্যন্ত।

এতে বলা হয়েছে, এবার কোভিড-১৯ মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাক-নির্বাচনী ও মূল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চারটি ধাপে। এতে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়ে এমন ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আবেদনের যোগ্যতা: প্রার্থীকে দেশের যে কোনো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ- ৪.০০ পেতে হবে। এইচএসসিতে জিপিএ -৫.০০ পেতে হবে। মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ ও রসায়ন এর ৩০০ নম্বরের মধ্যে ২৭০ নম্বর পেতে হবে। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সমমানের গ্রেড/নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।

আবেদনকারীদের থেকে ১ম থেকে ২৪,০০০তম পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীকে প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মাধ্যমিক পরীক্ষার গণিত, পদার্থ ও রসায়ন পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বর, গনিতে প্রাপ্ত নম্বর এবং পদার্থবিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরকে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৭ দিনের লকডাউন শুরু

ডেস্ক,

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকে সারাদেশে ৭ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হচ্ছে। চলবে আগামী ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত।

এদিকে রাজধানীর বেশ কিছু জায়গা ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। গণপরিবহন বেশি একটা দেখা না গেলেও রাস্তায় অসংখ্য ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি ও রিক্সা চলতে দেখা গেছে। এছাড়া ছিল পণ্য পরিবহনের কিছু ট্রাক ও কাভারভ্যান। জায়গায় জায়গায় চলছে পুলিশি তল্লাশী।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের চলাচলও দেখা গেছে। কেউ অফিস কেউ ব্যক্তিগত কাজে ঘর থেকে বের হয়েছেন। অনেকে আবার সকালের নাস্তা ও বাজার করতে বের হয়েছেন।

এর আগে রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউনে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১টি নির্দেশনা হলো-

১. সব প্রকার গণপরিবহন সড়ক, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন উৎপাদন ব্যবস্থার জরুরি সেবা দানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী ও বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

২. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ স্বাস্থ্যসেবা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের স্থলবন্দর, নৌবন্দর ও সমুদ্রবন্দর কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবার জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এবং তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

৩. সব সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিস-আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেওয়া করতে পারবে। শিল্প-কারখানা ও নির্মাণকার্য চালু থাকবে। শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া করতে হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএকে শিল্প-কারখানা এলাকায় নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে তাদের শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল/চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ঔষধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।

৫. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার খাওয়া যাবে না।

৬. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দোকানগুলো পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং অন্য কোনো শহরে যেতে পারবে না।

৭. কাঁচা বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৮. ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

৯. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় সুবিধাজনক স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিবন্ধন মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২১,
লকডাউনের কারণে চলমান ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন মৌখিক পরীক্ষা রোববার (৪ এপ্রিল) থেকে স্থগিত করা হয়েছে। লকডাউন যতদিন থাকবে ততদিন এ পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সচিব (উপসচিব) ড. এ.টি.এম. মাহবুব-উল করিম বলেন, আজ (শনিবার) মৌখিক পরীক্ষা চলছে। রোববার যাদের মৌখিক পরীক্ষা ছিল তাদেরটা স্থগিত করা হয়েছে। যতদিন লডডাউন থাকবে ততদিন এ পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে শিক্ষক নিবন্ধনের অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দুপুরে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে।

জানা গেছে, গত বছর নভেম্বরে ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ২২ হাজার ৩৯৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয় ২ ডিসেম্বর থেকে। চলতি মাসের মধ্যে এ মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে মে মাসের মধ্যে ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা কথা রয়েছে। তবে লকডাউনে দীর্ঘায়িত হলে এ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল পিছিয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তির প্রাথমিক আবেদন শুরু

ডেস্ক,৩ এপ্রিল ২০২১:
দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। এরপরই গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তির আবেদন শুরু হয়।

ওয়েবসাইটে ঢুুকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের নগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে এ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকনিক্যাল সাব কমিটির ৫ম সভায় ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভর্তির ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাজ্জাদ ওয়াজিদ প্রমুখ। এছাড়াও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহসান-উল-আম্বিয়া, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের সিনিয়র সিম্টেম এনালিস্ট মুহাম্মদ শাহীনূল কবীর, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এসিস্ট্যান্ট নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার মেরাজ আলী, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম প্রমুখ।
বিজ্ঞাপন

ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক আবেদনে শিক্ষার্থীদের কোনো ফি দিতে হবে না। ২০১৯ ও ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন। তবে শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির মোট জিপিএ বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম ৮.০০, বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম জিপিএ-৭.৫০ ও মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম জিপিএ-৭.০০ থাকতে হবে। প্রতিটি শাখার শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫ থাকতে হবে। প্রাথমিক আবেদনকারীদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফলাফল এবং চূড়ান্ত আবেদন পরে ভর্তির ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হবে।
পরীক্ষা কবে

আগামী ১৯ জুন এ ইউনিটের (বিজ্ঞান), ২৬ জুন বি ইউনিটের (মানবিক) ও ৩ জুলাই সি ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক ঘণ্টার পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

গুচ্ছ পদ্ধতির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন আসছে

করোনাভাইরাস

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৩ এপ্রিল ২০২১

এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে সাত দিন এই লকডাউন বলবৎ থাকবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।

আজ শনিবার নিজের বাসায় গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন ছয় হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার একদিনে শনাক্ত সাত হাজারের কাছাকাছি পৌঁছায়।
প্রথম আলো

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এ বছর আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,২এপ্রিল:
বরাদ্দ না থাকায় চলতি অর্থবছরে (২০২০-২০২১) নতুন করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আওতায় আনা হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বুধবার (৩১ মার্চ) সাংবাদিকদের বলেন, নীতিমালা জারি হলেও চলতি অর্থবছরে নতুন করে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে না। কারণ নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হলে অর্থের প্রয়োজন, বর্তমানে সেই অর্থ নেই। তবে এমপিওভুক্তির জন্য আগামী অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ চেয়ে দেন দরবার করছি। যদি অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দেয় তবে নতুন করে এমপিওভুক্তি হবে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা গেছে, নীতিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনায় নতুন সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে। তবে এবারের নীতিমালায় এমপিওভুক্তিতে পাসের হার,পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো হয়েছে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়, এমপিও পেতে হলে প্রতিষ্ঠানের নামে জমির হালনাগাদ খাজনাসহ নাম জারি থাকতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের নামে ও ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামের প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে না। শিক্ষকদের এমপিও নিষ্পত্তি নিয়ে অযথা হয়রানি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়।

নীতিমালায় এমপিওভুক্তির আবেদনের বিষয়ে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। নিজস্ব জমি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে খতিয়ানভুক্ত ও নামজারিকৃত নিজস্ব জমিতে অবকাঠামো এবং হালনাগাদ একাডেমিক স্বীকৃতি বা অধিভুক্তি থাকলে এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। তবে যুদ্ধাপরাধীদের নামে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে না। ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নামে কোনো প্রতিষ্ঠানও এমপিও করা হবে না। নেতিবাচক নামের কারণে সমাজে প্রভাব পড়তে পারে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত করা হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক,২এপ্রিল:

মহামারি করোনার মধ্যেই দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা চলবে বেলা ১১টা পর্যন্ত।

পরীক্ষাকেন্দ্রে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ করানো হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এক লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ ভর্তিচ্ছু। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ২৮ জন। আর, গত বছর এমবিবিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। ফলে গতবারের তুলনায় এবার দ্বিগুণ পরীক্ষার্থী।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতে পরীক্ষা কেন্দ্রে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পানির বোতল নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্যের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুর জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চারজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়া তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য থার্মাল স্ক্যানার, জীবাণুনাশক অটো স্প্রে মেশিনসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

তবে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরের পরিবেশের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ বাইরে। পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বাইরে অপেক্ষা করছেন। সেখানে প্রচণ্ড ভিড় হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো চিত্র পরিলক্ষিত হয়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫৯

ডেস্ক,০১ এপ্রিল ২০২১:

দেশে করোনায় একদিনে রেকর্ড ৬ হাজার ৪৬৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ৫৯ রোগী। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৯ হাজার ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে করোনা শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়াদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩০ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৩ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ৪ জন এবং ২১-৩০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৮ হাজার ১৯১টি, আর গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ১৯৮টি। এর মধ্যে ৬ হাজার ৪৬৯ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন মোট ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৩৯ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩৮ জন।

দেশে প্রথম কভিড-১৯ সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ, মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter