Home » টপ খবর (page 20)

টপ খবর

যেভাবে দিন কাটছে সাবেক গণশিক্ষা সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই বছর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব পরবর্তীতে সিনিয়র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আকরাম-আল-হোসেন। কর্মজীবনে চৌকস আমলা হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকদের উন্নয়নে নানা যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এজন্য অধিকাংশ শিক্ষকের কাছে তিনি এখনো জনপ্রিয়।

গত ২৯ অক্টোবর আকরাম-আল-হোসেন সিনিয়র সচিব থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাকে আরো বেগবান করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে মাগুরা জেলার মেন্টরিংয়ের দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর থেকেই নিজ জেলা মাগুরায় অবস্থান করছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, আকরাম-আল-হোসেনের দিন কাটছে মাগুরায় নিজ বাড়িতে মুরগী পালন, সবজি চাষ ও বৃক্ষরোপন করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষকরা এখনো তার সঙ্গে সকাল বিকেল সাক্ষাৎ করতে তার বাড়িতে ভিড় জমায়।

এ বিষয়ে শিক্ষক শহিদুর রহমান বলেন, ‘এমন মেধাবী ও গুনী মানুষের সান্নিধ্য সবাই পেতে চাই৷ স্যার আমাদেরকে সব সময় নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন৷ এখন তিনি অবসরে রয়েছেন তাই সুযোগ পেলেই আমরা তার কাছে চলে আসি। এতে তিনিও বিরক্ত না হয়ে বরং খুশিই হন।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৮ মে থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন আকরাম আল হোসেন। এরপর তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে নিযুক্ত হন ও ৯ মে ২০১৮ হতে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সবশেষ ২০২০ সালের ৫ জুলাই বাংলাদেশ সরকার আকরাম আল হোসেন কে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্কিন নির্বাচন ৫ রাজ্যে তাকিয়ে বিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,৫ নভেম্বর:
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল কী হতে পারে তা নির্ধারণের জন্য আর হাতে গোনা মাত্র ৫টি রাজ্যের ফল বাকি রয়েছে। এখনো পর্যন্ত বাইডেন পেয়েছেন ২৬৪টি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট এবং ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি। হোয়াইট হাউজে যেতে তাদের ২৭০টি ভোট দরকার।

গুরুত্বপূর্ণ যে রাজ্যগুলো এখনো বাকি রয়েছে সেগুলো হলো জর্জিয়া, নেভাদা, পেনসিলভানিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং আলাস্কা। এ ৫ রাজ্যে মোট ভোট রয়েছে ৬০টি।

কয়েকটি উপায়ে বিজয়ী নির্ধারিত হতে পারে। ট্রাম্পকে ২৭০টি ভোট পেতে হলে জর্জিয়া(১৬টি ভোট), নর্থক্যারোলাইনা(১৫), পেনসিলভানিয়া(২০) এবং নেভাদায়(৬) জয় পেতে হবে। এখানে আছে ৫৭ ভোট, আর ট্রম্পের দরকার ৫৬ ভোট।

পেনসিলভানিয়ায় যার ফল আসতে দেরি হতে পারে। এখানে হারলেও জয় পেতে পারেন বাইডেন। তবে তার জন্য তাকে শুধুমাত্র নেভাদায় জয় পেতেই হবে। সেখানে রয়েছে ৬ ভোট। আর বাইডেনের দরকারও মাত্র ৬ ভোট। সেখানে সর্বশেষ খবর অনুয়াযী বাইডেন মাত্র ৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। খবর ফক্সনিউজের। গণনা চলছে এবং ধারণা করা হচ্ছে যে দিনের শেষের দিকে কর্তৃপক্ষ ফল ঘোষণা করবেন।

জর্জিয়ায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব ভোট গণনা না হওয়া পর্যন্ত রাতভর তারা গণনা চালিয়ে যাবেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বলছে, সেখানে ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার ব্যবধান কমে আসছে। সবশেষ এটি ২৪ হাজার ভোটে এসে ঠেকেছে।

নেভাদায় ফল সামান্য ব্যবধানে ঝুলে আছে। বাইডেন মাত্র ৮ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, পরবর্তী ফল বৃহস্পতিবার তিনটার দিকে ঘোষণা করা হবে। পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের ব্যবধান আরো কমে এসেছে। স্থানীয় সময় বুধবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৯০% ভোট গণনা শেষ হয়েছে। ট্রাম্প এক লাখ ৬৪ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। নর্থ ক্যারোলাইনায় বেশিরভাগ ভোটই গণনা শেষ হয়েছে কিন্তু এখনো অল্প কিছু বাকি আছে। ৭৭ হাজার ভোট নিয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প।

ফলে এ ৫ রাজ্যের ৬০ ভোটের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশ। পাশাপাশি আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ-সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১৫ দিনের জন্য হলেও খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়!

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ নভেম্বর:
মহামারী করোনা পরিস্থিতি বিবেচনার মধ্যে ১৫ দিনের জন্য হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য সংক্ষিপ্ত পরিসরের সিলেবাস তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের মৌলিক সক্ষমতা তৈরিতে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে গত ৩০ অক্টোবর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুন করে ১৪ দিন ছুটি বাড়ানোয় সেটি আর সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে নতুন করে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করা হয়। এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণের সক্ষমতা তৈরিতে এ সিলেবাসটি তৈরি করা হচ্ছে।

নেপ সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার চিন্তাভাবনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে নেপের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পাঠকার্যক্রম কার্যকর করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উর্ত্তীন্ন করা হবে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে পঞ্চম শ্রেণিসহ সব ক্লাসের সনদ বিতরণ করবে।

এ প্রসঙ্গে নেপ মহাপরিচালক মো. শাহ আলম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, করোনার মধ্যে প্রাথমিকের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার কাজ আমরা আগেই শুরু করেছিলাম। তবে নতুন করে কয়েক দফায় ছুটি বাড়ায় এখন আমরা ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করেছি। এখানে বিশেষজ্ঞ লোকজনরা কাজ করছে। আগামী সপ্তাহে নতুন সিলেবাসটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।

নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সবকিছু নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। আমরা ৩০ দিনের ও ১৫ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে শিক্ষার্থীদের সেটি পড়িয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অফিস ও প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রপাতি স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

আদেশে বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সকল পিটিআইয়ের সুপারিন্টেনডেন্ট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গত ১৯ অক্টোবরের সভায় মাঠ পর্যায়ের অফিস/প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগুন থেকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার জন্য অগ্নিনির্বাপক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় অধিদপ্তরের আওতাধীন অফিস/প্রতিষ্ঠানগুলো আগুন থেকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অবশেষে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ নভেম্বর:

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলতে চাইছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের মৌলিক সক্ষমতা তৈরিতে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। বিদ্যালয় খোলা গেলে ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে যে কদিন সময় পাওয়া যাবে সে কদিন পড়িয়ে পরবর্তী ক্লাসে নেয়া হবে। আমরা ৩০ দিনের ও ১৫ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে শিক্ষার্থীদের সেটি পড়িয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ দিন ছুটি বাড়ানোয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ)। শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের সক্ষমতা তৈরিতে এ সিলেবাসটি তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে সেটি কার্যকর করে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।

নেপের মহাপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, নতুন করে আমরা ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির কাজ শুরু করেছি। প্রাথমিকের প্রতিটি ক্লাসের সকল বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণের সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে এ সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। নতুন সিলেবাসটি আগামী সপ্তাহে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। আর যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হয়, তবে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পদ্ধতিতে পঞ্চম শ্রেণিসহ সকল ক্লাসের সনদ বিতরণ করবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে হবে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ নভেম্বর:

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন। এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে এ নিয়ে সব মহলে চলছিলো নানা আলোচনা। এরপর অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নেয়ার সক্ষমতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো সক্ষমতা দেশে এখনো তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

মঙ্গলবার ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় তারা বলেন, এই সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বর্তমান অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়া ঠিক হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের কোন দেশে একটি মাত্র সফটওয়্যার দিয়ে বড় পরিসরে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় না। সফটওয়্যার দিয়ে যদি ভর্তি পরীক্ষা নিতে হয় সেক্ষেত্রে ইউজিসিকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে দিতে কমিটি সুপারিশ করে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এসব মতামত তারা তুলে ধরেন।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর তার উদ্ভাবিত ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমান অবস্থায় অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য উপযোগী নয়।

পর্যালোচনা সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এছাড়া, সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক সোহেল নাদিম রহমান শুভ, এটুআই এর টেকনোলজি এক্সপার্ট মো. ফজলে মুনীম, ওরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শামীম হোসেন, ডিএসআই এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মুশরাফুল হক অনিক এবং হেড অব প্রোডাক্ট এন্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মইনুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষায় যে সফটওয়্যারটি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে ইউজিসি গত সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এছাড়া, ইউজিসি চলতি শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষারও উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে ১ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অক্টোবরের চেক ছাড়!

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ অক্টোবর, ২০২০
মপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের অক্টোবর মাসের বেতনের জিও জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে অধিদপ্তরগুলোতে জিও পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামী রোববার (১ নভেম্বর) তিন অধিদপ্তর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন চেক ছাড় করার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা।

শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এমপিওর চেকের জিও পেয়েছি। রোববার (১ নভেম্বর) ব্যাংকগুলোতে চেক পাঠানো হবে বলে আশা করছি।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত ১৮ অক্টোবর এ মাসের এমপিওর প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। আশা করছি রোববার চেক ছাড় হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এমপিও চেকের জিও পেয়েছি। রোববার অক্টোবর মাসের এমপিও চেক ছাড় হতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের আলোকে নিয়োগপত্র পেলেন প্রতিবন্ধী মো. রাসেল ঢালী।

ডেস্ক,১৪ অক্টোবর:
মহামান্য সুপ্রিম কোর্টেও হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রীট পিটিশন নং-৫০৬০/২০১৪ এর রায় এবং হাইকোর্ট বিভাগের কনটেম্পট পিটিশন নং-৭৬৩/২০১৯ এর রুল ও নির্দেশনা এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ০৮/১০/২০২০ ইং তারিখের পত্রের আলোকে ১৩/১০/২০২০ইং তারিখে নিয়োগপত্র পেলেন রাসেল ঢালী।
২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে মুন্সিগঞ্জ জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। একই বছর ২১ জুন লিখিত পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন থানার ৫৭ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন, যার মধ্যে রাসেলও ছিলেন। পরে ওই বছরেরই ১৫ ডিসেম্বর ১৯টি পদের মধ্যে ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিবন্ধী কোঠায় কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদিও রাসেল ঢালী প্রতিবন্ধী কোঠায় আবেদন করে উর্ত্তীন্ন হয়।
এ পরিস্থিতিতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়ন থেকে তৃতীয় শ্রেণির ওই পদে নিয়োগ বঞ্চিত রাসেল ঢালী হাইকোর্টে রিট করেন। রিট আবেদনে বলা হয়, শারীরিক প্রতিবন্ধী রাসেল ঢালী পরিকল্পনা পরিদর্শক পদে মৌখিক পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের মধ্যে ২৮ নম্বর পেয়েছেন। মৌখিক পরীক্ষায় ৯৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রতিবন্ধী কোটা থাকার পরেও তিনি চাকরি পাননি।
রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ২ জুন হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে ওই পদে প্রতিবন্ধী কোটায় রাসেলকে কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত একটি পদ সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিগত ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখ তাঁকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়ে রায় দেন।
প্রতিবন্ধী মো. রাসেল ঢালীর পক্ষে মামলাটি শুনানী করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
মহামন্য হাইকোর্টের উক্ত রায়ের পরে দির্ঘদিন অতিবাহিত হলেও বিবাদীগণ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করে তাকে নিয়োগ প্রদান করেন নাই। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাসেল ঢালীর পক্ষে আদালতে Contempt Petition No. ৭৬৩/২০১৯ দাখিল করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিগত ১০/১২/২০১৯ বিবাদীদের প্রতি রুল জারী করলে কর্তৃপক্ষ তাকে নিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ নেন। তারই ধারাবাহিকতায় আদালতের রায়ের আলোকে প্রতিবন্ধী মো. রাসেল ঢালী অদ্য ১১/১০/২০২০ ইং তারিখ আজিমপুর অফিস থেকে যোগদান পত্র গ্রহণ করেন।
নিয়োগপত্র প্রসঙ্গে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন প্রতিবন্ধী মো. রাসেল ঢালী আদালতের রায়ের আলোকে নিয়োগ পাওয়ায় প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো এবং দেরীতে হলেও রাসেল ঢালী ন্যায় বিচার পেয়েছে।
নিয়োগ পত্র গ্রহন করার পরে রাসেল ঢালী বলেন, আমি আনন্দিত। দীর্ঘ তিন বছর অনেক কষ্ট করেছি। আইনজীবী ছিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া আমাকে আইনি সহায়তা দিয়েছেন। তাঁর আমি প্রতিও কৃতজ্ঞ। আমার বাবার প্রত্যাশা ছিল আমি একটি সঠিক রায় পাব। তবে কিছুদিন আগে তিনি মারা যান। আদালতের রায়ের আলোকে আমার যোগদান তিনি দেখে যেতে পারলে আরও ভালো লাগত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবে : গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

ডেস্ক,১৩ অক্টোবর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হলেও আগের বিধিমালায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। আগের বিধিমালা অনুসারে এসএসসি বা এইচএসসি পাস করা শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন দেয়া হচ্ছিল না। এ জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন ও পুরাতন বিধিমালায় নিয়োগ পাওয়া সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সাথে সব শিক্ষককে ১৩তম গ্রেডে বেতন দিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিতে অর্থমন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। সম্প্রতি গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বিভাগে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত ১১ অক্টোবর অর্থসচিবের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধি জারি হওয়ার আগের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বেতন গ্রেড-১৩ এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠাতে চিঠিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, গতবছরের নভেম্বর মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করা হয়। কিন্তু অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ এর যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে।

এদিকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের বিধিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা স্নাতক পাস নির্ধারণ করা হয়। তবে, এ বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে অনেক শিক্ষক এইচএসসি নিয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৩’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি , সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৯১’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক।

অর্থ সচিবকে পাঠানো চিঠিতে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সব শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই আগের বিধিমালার আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত সকল সহকারী শিক্ষক ১৩ তম গ্রেডে বেতন পেতে পারেন বলে এ মন্ত্রণালয় মনে করে। এছাড়া ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধিমালা জারির পরে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধিমালা রহিত হবে। রহিতকরণ সত্ত্বেও ওই বিধিমালার অধীন যেসব কার্যক্রম নিষ্পন্ন হয়েছে তা এ বিধিমালার অধীন সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তাই, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধি জারি হওয়ার আগের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বেতন গ্রেড-১৩ এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠাতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গতবছরের বৃত্তির টাকা পেতে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সুযোগ ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ অক্টোবর, ২০২০
কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি না করায় ও ভুল তথ্য দেয়ায় বৃত্তিপাওয়া অনেক শিক্ষার্থীর বৃত্তির টাকা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়নি। বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য বকেয়া টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মেধা ও সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন করতে পারবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (১২ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আদেশ জারি করে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধন করতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে রাজস্বখাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে ইএপটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়। আগে বিভিন্ন সময় বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএসে (MIS) এন্ট্রি করতে বলেছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান বৃত্তিপাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করতে না পারায় ও কিছু প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে ব্যাংক হিসেব নম্বর, শাখার নাম, পরীক্ষার বছর ইত্যাদি তথ্য ভুল থাকায় ৩০ জুনের মধ্যে এসব টাকা শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারেনি শিক্ষা অধিদপ্তর। এসব শিক্ষার্থীর টাকা দ্রুত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজস্ব খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের সময় আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এমআইএস সফটওয়্যারে (http://103.48.16.248:8080/HSP-MIS/login) লগইন করে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করতে হবে।

সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থী নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়নরত আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে তথ্য এন্ট্রি করতে হবে। পাঠবিরতি রয়েছে এমন শিক্ষার্থীর তথ্য দেয়া যাবে না। মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করা যাবে না। দেশের অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একক বা বাবা-মা অথবা আইন সংগত অভিভাবকের সাথে যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব বা স্কুল ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, এমআইএসে এন্ট্রির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসারের অনুরূপ একক বা যৌথ নাম উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষার্থীর পরীক্ষার আইডি-রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম ও বছর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। বৃত্তির ক্যাটাগরি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন বিধিমালায় ক্ষুব্ধ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা।।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ অক্টোবর, ২০২০
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের জন্য ‘সমন্বিত নিয়োগবিধিমালা-২০২০’ এর খসড়াটি প্রত্যাখ্যান করেছে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা। এই বিধি বাস্তবায়িত হলে প্রধান শিক্ষকরা বয়সের বেরিক্যাড পার হয়ে কখনও অফিসার পদে পদোন্নতি পাবেন না। গত কয়েকদিনে তাই এই নিয়োগবিধি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা ।

খসড়া নিয়োগবিধিতে বলা হয়েছে, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ২৫৮৯টি পদে সরাসরি নিয়োগ হবে। নিয়োগে ৮০ শতাংশ পদ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং বাকি ২০ ভাগ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণযোগ্য। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বুঝাবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নূ্ন্যতম ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগে উন্মুক্ত প্রার্থীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অপর একটি পদ ‘ইনস্ট্রাক্টর’। উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টরের ৫০৫টি পদে নিয়োগে মোট পদের ৩৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৬৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার কথা বলা হয়েছে নতুন নিয়োগ বিধির খসড়ায়। তবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। পদোন্নতির জন্য উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টারের সহকারী ইনস্ট্রাক্টর/পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নূ্ন্যতম ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণির বিএডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। সরাসরি নিয়োগে বয়স ৩০ বছর, তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের বয়সের কোনো উল্লেখ নেই।

ইউআরসির সহকারী ইনস্ট্রাক্টরের ৫০৫টি পদে নিয়োগও একই নিয়মে হবে। তবে এখানেও বিভাগীয় প্রার্থী বলতে শুধু প্রধান শিক্ষকদের বোঝানো হয়েছে। দেশের ৬৭টি পিটিআইয়ে ইনস্ট্রাক্টর সাধারণ ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক ইনস্ট্রাক্টর পদেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভাগীয় পদোন্নতির বিধান রাখা হয়নি।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) পর্যন্ত হতে পারতেন। কিন্তু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগবিধি-১৯৮৫ এর ফলে শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পিএসসির নিয়োগবিধি ১৯৯৪ জারি হলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারতেন।

২০০৩ সালের সরকারি গেজেটেও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী বলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের কথা বলা হয়েছে এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের বোঝানো হয়েছে। সর্বশেষ নিয়োগ পর্যন্ত এভাবেই চলছে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদ্দোন্নতি শুধু প্রধান শিক্ষকদের মধ্য থেকে সিনিয়ারটির মাধ্যমে পাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে বয়সের যে বার দেয়া হয়েছে তাতে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি চিরতরে বন্ধ হওয়ার পথে। সহকারী শিক্ষক হতে যেমন শতভাগ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে ঠিক তেমনি প্রধান শিক্ষক হতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে শতভাগ পদোন্নতির জোর দাবী করেন।

তিনি আরও বলেন,সারা দেশের প্রধান শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ। ৪৫ বছর বয়সের বেড়াজাল হতে প্রধান শিক্ষকরা মুক্ত হতে চাই। আর এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে সকল প্রধান শিক্ষককে ঐক্যবদ্ধ হবার অনুরোধ করেন।

চট্রগ্রামের সিনিয়ার প্রধান শিক্ষক সবিনয় দেওয়া বলেন,৪৫ বছর বার মানিনা। রীট এর প্রস্থুতি নিন।

কুমিল্লার শিক্ষক নেতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন,১০০ ভাগ পদোন্নতি চাই।

মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,প্রধান শিক্ষকদের 100% পদোন্নতি চাই ।পঁয়তাল্লিশের বাধা মানিনা মানবোনা। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলছি দয়া করে আর আমাদের সাথে তামাশা করবেন না । এভাবেই 26 বছর গত হয়েছে। তবে আর নয়।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, মেধাবীদের ধরে রাখতে হলে তাদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পদোন্নতির সুযোগ দিতে হবে। সব পদে যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শতভাগ পদোন্নতি দেয়া উচিত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সমন্বিত নিয়োগ বিধি ২০২০ প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি পথ রুদ্ধ

২৫৮৯ AUEO পদে হবে সরাসরি নিয়োগ!!!!!!!।
ডেস্ক,১১ অক্টোবর:
সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ এ প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি র পথ রুদ্ধ হতে চলেছে। অনুমোদনের জন্য অপেক্ষারত প্রস্তাবিত নীতিমালায় ০৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং অনূর্ধ্ব
৪৫ বছর পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক বৃন্দ বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পেতে পারবেন।
আবারো ৪৫ বছর বয়সের ফ্রেমে বাঁধা পড়তে যাচ্ছে জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সকল প্রশিক্ষণ।
সূত্র মারফত জানা যায়” সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। যেকোনো সময় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে পারে বলে সূত্রে প্রকাশ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের সকল চাকরিজীবীদের ফিডারপোস্ট থেকে জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন পদে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন।
শুধুমাত্র এবং একমাত্র ব্যতিক্রম প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক বৃন্দ। সহকারী শিক্ষকবৃন্দ
চাকুরী শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। আবার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গন চাকরির শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদে। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদে চাকরি শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা এবং গ্রেডেশন এর মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কিন্তু কেন?!!!!!!!! আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের বিনীত প্রশ্ন কিন্তু কেন?
১৯৯৪ সালের একটি কালো আইনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকবৃন্দের সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে দিয়ে চালু করা হয়েছিল সরাসরি নিয়োগ পদ্ধতি।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালেরও পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হতে চলেছে। প্রধান শিক্ষকবৃন্দ ১৯৯৪ সাল থেকে
“অভিশপ্ত ব্লকপোষ্ট” নতুন নিয়োগ বিধিমালাও ব্লক পোষ্টই থেকে গেল।
সদাশয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের অনুরোধ সমূহ,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ প্রধান শিক্ষকসহ সর্বস্তরের শিক্ষকদের পদোন্নতির দ্বার
উম্মোচন করে দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, জাতীয় শিক্ষানীতিতে জ্যেষ্ঠতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে পদ্ধতির মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। সুতরাং নিয়োগ বিধিমালায় ৪৫ বছরের বাধা দূর করে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে পদন্নতির মুল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সদাশয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের বিনীত বিনীত অনুরোধ
১) রুদ্ধ পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত করে দিন
২) প্রধান শিক্ষকদের ২৬ বছরের বঞ্চনার যন্ত্রণা নিরসন করুন।
৩)ব্লক পোস্টকে উন্মুক্ত করে দিন।
৪) সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ নয় বরং উক্ত পদে শতভাগ পদোন্নতি প্রদান করুন।
৫) ব্লকপোষ্টের অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তকরেদিন।

লিপি খাতুন
প্রধান শিক্ষক
প্রতিভাময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দিঘলিয়া খুলনা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

ডেস্ক,৯ অক্টোবর:
করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া গুচ্ছ না কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা (ক্যাট) পদ্ধতিতে হবে তাও চূড়ান্ত হয়নি। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্যাটের পক্ষে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে বলে জানা গেছে।

তবে এসব আলোচনা ছাপিয়ে চলতি বছরের ভর্তি পরীক্ষার শর্ত বা নিয়ম কী হবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, করোনার কারণে এইচএসসি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবেই। তবে সামনে শীত থাকায় এত শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ কার্যকর নাও হতে পারে।

সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুর দুই মাসে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শীতের পর ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চে পরীক্ষাটি নেয়া হতে পারে। তবে এতে সময় নষ্ট হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অপেক্ষা করতে না চায়; সেক্ষেত্রে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত না থেকেই পরীক্ষাটি হতে পারে। অর্থ্যাৎ অনলাইনে পরীক্ষা হতে পারে। এবিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবর উপাচার্যদের নিয়ে ইউজিসির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯টিতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটে আসবে না বলে জানায়। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলেও এবরা অটোপাসের কারণে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জনে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৬০ হাজারের মতো আসনে ভর্তি হতে পরীক্ষা দেন ছয় লাখের মতো শিক্ষার্থী। এই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে। আগামী জানুয়ারিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলেও জানান তিনি।

তবে সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়ার বিষয়টি কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। জানা গেছে, ইতোমধ্যে এইচএসসি ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের জন্য কাজ শুরু করেছে টেকনিক্যাল কমিটি। জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা পিছিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতের পর ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। তবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষার আয়োজন হলে তা হবে অনলাইনে।

এ কারণে পরীক্ষার পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে সময়ক্ষেপণ করা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, করোনার সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনলাইনে নেওয়া যায় না। পরিস্থিতি ভালো হলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে চাই। এ ক্ষেত্রে কৃষি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুচ্ছ হবে। প্রথম দুটির জন্য দুটি পরীক্ষা নেয়া হবে। আর শেষেরটির জন্য বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজ- তিনটি পরীক্ষা হবে বলে তিনি জানান।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেছেন, কোন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অ্যাডমিশন কমিটি, ডিনস কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেবে। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, প্রতিটি বিষয়ই কাউন্সিল ও কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেছেন, পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় না এলেও বাকিদের নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ বলি আর ক্যাট বলি- সমন্বিতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি সময়ের দাবি। গোটা ভারতে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে আমাদেরও পারার কথা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুলেও পরীক্ষা ছাড়া ‘প্রমোশনের’ চিন্তা, আগামী সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,৯ অক্টোবর:

চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এরই মধ্যে এইচএসসি সহ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসএসি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবার স্কুলেও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ‘অন্য কোনো উপায়ে’ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে ‘প্রমোশনের’ চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুলের পরীক্ষা না নিয়ে ‘অন্য কোনো উপায়ে’ মূল্যায়ন করা হবে কি-না, বা হলে কীভাবে হবে, সেটি সামনের সপ্তাহেই জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, সরকারের চিন্তা ছিল যদি অক্টোবর-নভেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব হতো তাহলে পাঠ্যসূচি কাটছাঁট করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো রকম একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এর আগে গত বুধবার করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের জেএসসি, জেডিসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এদিন এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পরিস্থিতিতে নভেম্বরেও বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে না। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে কিছু বিষয়ের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত আড়াই মাসের ক্লাসসহ আরো কিছু বিষয় মূল্যায়ন করা হতে পারে।

এর আগে চলতি বছর করেনার কারণে উচ্চ মাধ্যমিকে (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বিগত জেএসসি এবং এইচএসসির ফল মূল্যায়ন করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়। এমন সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাধ্যমিকের দুই বছরের পড়াশোনার বিষয়ে কোনো মূল্যায়ন না থাকায় ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অনেকে। এ সিদ্ধান্তে অনেক পরীক্ষার্থী খুশি হলেও, কেউ কেউ অসন্তুষ্টও হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অস্বাভাবিক ‘সুবিধায়’ শিক্ষকদের পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৪ অক্টোবর ২০২০,
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা থাকলেই প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। সহযোগী অধ্যাপক হতেও রেয়াত সুবিধা।
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা বেরোতে হবে। তবেই পাওয়া যাবে দুই বছরের রেয়াত (ছাড়) সুবিধা। এই সুবিধায় মিলবে এক বছরের মধ্যে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন রেয়াত সুবিধা আছে অন্যান্য পদেও।

এরই মধ্যে কয়েকজন শিক্ষক এই সুবিধা নিয়ে পদোন্নতি পেয়েছেন। তবে শিক্ষকদেরই একটি অংশ বলছেন, এত অল্প সময়ে কারও পক্ষেই ভালো মানের সাতটি গবেষণা প্রবন্ধ কোনো স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। অনেকেই নিজ বিভাগের জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ করেও এই সুবিধা নিচ্ছেন, যা ভালো উদাহরণ নয়।

এই সুবিধায় নতুন করে অন্তত ছয়জন শিক্ষককে বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতির সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে আলোচনা করতে আজ শনিবার ডাকা হয়েছে সিন্ডিকেটের বৈঠক।
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষক প্রায় ২০০ এবং কর্মকর্তা প্রায় ১০০ জন।

উপাচার্য এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমানও মনে করেন, বিদ্যমান সুবিধা অনেক বেশি নমনীয়। তিনি বলেন, এই নিয়ম তাঁর আসার আগে থেকেই ছিল। এটি দেখে তিনিও অবাক হন। কারণ, বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সহজ নিয়ম নেই। তবে একবার সুবিধা দিয়ে সেটি বাদ দেওয়াও কঠিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি নীতিমালার সাধারণ নিয়মে বলা হয়েছে, পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারী ছাড়া কেবল স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী কোনো প্রভাষককে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য তিন বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম একটি প্রকাশনা থাকতে হবে। কিন্তু পরে আবার বলা হয়েছে, আপগ্রেডেশনের (পদোন্নতি) ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রকাশনার (প্রভাষকের ক্ষেত্রে একটি) বাইরে অতিরিক্ত তিনটি প্রকাশনার জন্য এক বছরের এবং অতিরিক্ত ছয়টি বা তার বেশি প্রকাশনার জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত ‘রেয়াত’ সুবিধা দেওয়া যাবে।
বিজ্ঞাপন

এর অর্থ হলো, কেউ প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়ে এক বছরের মধ্যে নির্ধারিত একটির সঙ্গে আরও ছয়টি (মোট সাতটি) প্রকাশনা কোনো জার্নালে প্রকাশ করতে পারলেই সহকারী অধ্যাপক হতে পারবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই সুবিধা নিয়ে ফিন্যান্স বিভাগের একজন শিক্ষক এক বছরের মাথায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। আর গত বছরের নভেম্বরেই সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। একইভাবে পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষকও এই সুবিধায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি তাঁর নিজ বিভাগ থেকে জার্নাল বের করে সেখানে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এমনকি একই বিষয়ে তাঁর দুটি প্রকাশনা বেরিয়েছে একই সংখ্যায়।

সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য সাধারণ নিয়ম হলো, শিক্ষকতার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সঙ্গে লাগবে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তিনটিসহ মোট চারটি প্রকাশনা। কিন্তু এখানেও সেই রেয়াত সুবিধা নিয়ে আট বছরের মধ্যেই সহযোগী অধ্যাপক হওয়া যায়। অবশ্য পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা।

এই প্রক্রিয়ায় এখন মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বাংলাসহ কয়েকটি বিভাগে অন্তত ছয়জন সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাছাই বোর্ডও হয়ে গেছে। এখন সিন্ডিকেটে সেটি অনুমোদন হলেই চূড়ান্ত হবে।
বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, একজন সহকারী অধ্যাপক পিএইচডি করে সাত বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হবেন। আরেকজন কোনোরকমে কয়েকটি প্রকাশনা প্রকাশ করেই রেয়াত সুবিধায় আট বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কার্যত পিএইচডি বা উচ্চতর গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এই রেয়াত সুবিধা সংশোধন করা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজ বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েই আপগ্রেডেশন নিয়ে এ ধরনের কিছু ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। এ জন্য ইউজিসি আগামী মাসেই একটি সাধারণ নির্দেশিকা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠাচ্ছে।

ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক নিয়ম। এ জন্য নিজেদের মতো এগুলো করা হচ্ছে। তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা দরকার। এ বিষয়ে ইউজিসি সমন্বিত নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালাও করেছিল, কিন্তু সেটি মানতে চায় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এটি হওয়া দরকার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter