Home » টপ খবর (page 136)

টপ খবর

৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্টের ১ হাজার ৫১৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল

60328_7485নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্টের ১ হাজার ৫১৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল করে তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন। রবিবার এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রকাশিত ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০১৩’র প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রেজি: নম্বরের ১ হাজার ৫১৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, প্রেস বিজ্ঞপ্তির ৪ নং অনুচ্ছেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মূল আবেদনপত্র (বিপিএসসি ফর্ম-২) জমা না দেয়া। একই সঙ্গে বাতিলকৃতদের আগামী ২৪ মার্চ হতে অনুষ্ঠিতব্য ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০১৩ এর লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না এবং তাদেরকে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘কোটাব্যবস্থা মেধার অবমূল্যায়ন’

নিজস্ব প্রতিবেদক : সমাজকল্mohsinযাণমন্ত্রী সৈয়দ মোহসীন আলী বলেছেন, কোটাব্যবস্থা মেধার অবমূল্যায়ন হয়। কোটাব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া উচিত।

শুক্রবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘উন্নয়ন নীতিমালা ও কার্যক্রমে হরিজন ও দলিত জনগোষ্ঠীর বিশেষ অগ্রাধিকার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদে কোনো কোটাপ্রথার পক্ষে আমি নই। কোটাব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া উচিত বলে মনে করি। সব ক্ষেত্রে মেধাকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কলেজের প্রভাষক নিয়োগে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে সপ্তম হয়েছে এমন ব্যক্তির জন্যও কোনো কোনো মন্ত্রী আমাকে অনুরোধ করেছেন। কোটা থাকলে এসব অযোগ্য ব্যক্তি ঢুকে যেত।

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অবশেষে সুপার টেনে বাংলাদেশ

ঢাকা: সব বাধা ঠেলে অবশেষেimage_82715_0 সুপার টেনে জায়গা করে নিয়েছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক বাংলাদেশ। গ্রুপের সবচেয়ে দুর্বল দলের সঙ্গে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর একটি বাধার সামনে পড়ে টাইগাররা। তাহলো প্রতিপক্ষ হংকং যদি ১৩ দশমিক ১ ওভারের মধ্যে জয় পায় তবে টাইগারদের হটিয়ে চূড়ান্ত পর্বে চলে যেতো নেপাল।

কারণ দুই ম্যাচ জিতে ৪ (+২.৬৮৬) পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ শীর্ষে থাকলেও হংকংয়ের সঙ্গে ব্যাটিং বিপর্যয়ে র‌্যাটিংয়ে হোঁচট খায়। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বাধাকে রুখে দেয় টাইগাররা।

এর আগে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপের প্রথম খেলায় আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে হারায় নেপাল। তিন ম্যাচ খেলে দুই ম্যাচে জয় নিয়ে নেপালের পয়েন্টও বাংলাদেশের সমান ৪। অবশ্য র‌্যাটিংয়ে (+০.৯৩৩) কিছুটা পেছনে ছিল।

এছাড়া নবাগত আফগানিস্তানকে তিন খেলায় এক জয়ে দুই পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। অবশ্য হংকং আগেই বিদায় নিয়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় ম্যাচ পর্যন্ত দুর্দান্ত খেলে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে উঠার মিশনটা আগেই একরকম নিশ্চিত করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু গ্রুপের সবচেয়ে দুর্বল দলের সঙ্গে প্রথম ইনিংসে ১৬.৩ ওভারে মাত্র ১০৮ রানেই গুটিয়ে যাওয়ায় নিজেদের মাঠের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার একটা সম্ভাবনা এসে দাঁড়ায় টাইগারদের সামনে।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফিরেন ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমান। জন্মদিনে নিজের মাঠে দর্শকদের হতাশ করেন তামিম। ওভারের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে হংকং পেসার তানভীরের বলে সরাসরি বোল্ড হন তিনি।

এছাড়া সাব্বির রহমান প্রথম ওভারের শেষ বলে ২ রান করে তানভীরের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তখন দুই উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ মাত্র ৩ রান।

এরপর ওপেনার আনামুল হক বিজয় ও সাকিব আল হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। এরপর দলীয় ৫১ রানের মাথায় আনামুল ১৭ বলে ২৬ রান করে নাদিম আহম্মেদের বলে বোল্ড হন। এরপর থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে মুশফিকরা। সাকিব ২৭ ও মুশফিক ২৩ রান করে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তবে আর কেউ উইকেটে দাঁড়াতে পারেনি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২ রান করে নাদিমের বলে বোল্ড হন। এরপর ফরহাদ রেজা (০) ও আব্দুর রাজ্জাককে (০) পরপর দুই বলে আউট করে হ্যাট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেন নিজাকাত খান। এরপর রুবেল হোসেন (০) রানে ও আল আমিন ১ রান করে নাদিমের বলে আউট হন।

নাদিম আহম্মেদ ৩.৩ ওভারে ২১ রান খরচ করে ৪টি এবং নিজাকাত খান ৪ ওভারে ১৯ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন।

এদিকে চূড়ান্ত পর্বে টাইগারদের প্রথম প্রতিপক্ষ ওয়েস্টইন্ডিজ। ২৫ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টায় মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৮ মার্চ ভারত, ৩০ মার্চ পাকিস্তান, ১ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রজন্মসেরা ক্রিকেটার শচিন

ক্রীড়া ডেস্ক: 181517-copyবর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারসহ সংবাদকর্মীদের নিয়ে গঠিত ৫০ সদস্যের জুরির ভোটে প্রজন্ম সেরা ক্রিকেটার হলেন ভারতীয় ব্যাটিং গ্রেট শচিন টেন্ডুলকার। গত শুক্রবার রাতে ইএসপিএনক্রিকইনফো প্রণীত প্রথম এই অ্যাওয়ার্ড জিতলেন তিনি।
দু’দশকে ২২ গজের মাঝে যেসব কীর্তি গড়েছেন তারই স্বীকৃতি পেয়ে গেলেন শচিন। এই অ্যাওয়ার্ড দখলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন শক্ত-অস্ট্রেলিয়ান স্পিন লিজেন্ড শেন ওয়ার্ন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিস।
১৯৯৩ সাল থেকে ইএসপিএন অনলাইন চালু করে। ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তন করে তারা। এই জুরিতে মাইকেল হোল্ডিং, ইয়ান চ্যাপেল, মার্টিন ক্রো, মার্ক টেলর, ইউনুস খান, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, ব্যারি রিচার্ডস, জন রাইট ও জেফ ডুজনের মতো খ্যাতনামা সদস্য ছিলেন।
এছাড়া ইএসপিএন ক্রিকইনফো অ্যাওয়ার্ডের বার্ষিক আয়োজনে ২০১৩ সালের টেস্ট বোলিং টাইটেল জিতেছেন মিচেল জনসন। অ্যাডিলেডে অ্যাশেজ টেস্টে ৪০ বলে সাত উইকেট নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার। ডেল স্টেইন, জেমস এন্ডারসন ও ভারনন ফিল্যান্দারকে টপকে গেছেন তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২ রান দিয়ে সাত উইকেট দখল করে ওয়ানডে বোলিং অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন শহীদ আফ্রিদি। ওই ম্যাচে ৫৫ বলে ৭৬ রানও করেন তিনি। ২০০৯ সালের পর দ্বিতীয়বার একই ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড জেতা পাকিস্তানি তারকা বলেন, ‘এই ম্যাচের কথা আমার মনে আছে, কারণ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমাকে নেওয়া হয়েছিল না। আর এটাই আমার প্রত্যাবর্তন হলো এবং ওটাই ছিল জর্জটাউনে আমার প্রথম খেলা। আমি পুরস্কার পেয়ে খুশি।’
ওয়ানডে ও টেস্টের ব্যাটিং পুরস্কার পেয়েছেন দুজন ভারতীয়। শিখর ধাওয়ান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকে ১৮৭ রান করে জিতলেন টেস্ট ব্যাটিং অ্যাওয়ার্ড। আর এই দলের বিপক্ষেই ব্যাঙ্গালুরুতে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সেরা ওয়ানডে ব্যাটিং পারফরমেন্সের পুরস্কার পেয়েছেন রোহিত শর্মা।
পারফরমেন্স অ্যাওয়ার্ডগুলোর জন্য জুরিতে ছিলেন মার্ক বাচার, সঞ্জয় মানজেরকার, ড্যারিল কুলিনান, রাসেল আরনল্ড, ইয়ান বিশপ, রাহুল দ্রাবিড়সহ ইএসপিএনক্রিকইনফোর কয়েকজন সিনিয়র লেখক। নতুন ক্যাটাগরি বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় পেসার মোহাম্মেদ সামি। গত বছর চার টেস্টে ১৭ উইকেট ও ৩০টি ওয়ানডে উইকেট দখলে নিয়েছিলেন। পাঠকদের ভোটে এই খ্যাতি পেলেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দ্রুত ইংরেজি শেখার কোর্স

আমার মোবাইল ফোনে খুব একটা কল আসেনা
My cell phone doesn’t have good reception.

আমার মুঠোফোন কাজ করছেনা
My cell phone doesn’t work.

আমার মেয়ে এখানে
My daughter is here.

আমার বাবা ওখানে ছিলেন
My father has been there.

আমার বাবা উকিল
My father is a lawyer.

আমার বন্ধুটি আমেরিকান
My friend is American.

ব্যংকের কাছেই আমার বাড়ি
My house is close to the bank.

আমার মালপত্র হারিয়ে গেছে
My luggage is missing.

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আত্মহত্যার হুমকি দেওয়া সেই রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলা

তারিকুল, ru---2_29210রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত ফি ও সান্ধ্যকোর্স বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা করেছে মুখোশধারীরা।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামের পিছনে ওই শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত ও বেধড়ক মারধর করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

আহত সাজু সরদার বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যসংগঠন সমকাল নাট্যচক্রের সদস্য।

এর আগে, গত ৯ মার্চ সাতক্ষীরার পাথরঘাটায় তার গ্রামের বাড়ি যায় পুলিশ। ওই সময় তার বাবা-মাকে হয়রানি ও তাকে ক্যাম্পাসে ফিরতে নিষেধ করা হয়। এতে করে ওই দিন আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখেছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি শিবু চন্দ্র অধিকারী জানান, সাজু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামের পিছনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তার ওপর হামলা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ছাদেকুল আরেফিন মাতিন বলেন, সে সামান্য আহত হয়েছে বলে শুনেছি। আমি বিস্তারিত এখনো জানি না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সমমান প্রস্তাবের প্রতিবাদে আন্দোলনে ঢাবি শিক্ষার্থীরা

সুজাউদ্দিন, ঢাবি প্রতিনিধিindex_25562: বিসিএসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে (বাংলা) প্রভাষক নেওয়ার ক্ষেত্রে ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমান কোটা প্রস্তাব করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। এর আগে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিলসহ ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিভাগের শিক্ষার্থী ৩০০০ নম্বরের সাহিত্য পড়ছি আর যারা ভাষাবিজ্ঞানে পড়ে তারা শুধু ১০০ নম্বরের সাহিত্য পড়াশোনা করে থাকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন প্রস্তাব প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়।

এ দাবিতে রোববার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা না হলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি দিয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে (বাংলা) প্রভাষক হওয়ার সুযোগ রয়েছে”। এ মর্মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ বরাবর একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি জানার পর বুধবার দুপুরে এর বিরোধিতা করে ভাষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত

ঢাকা : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিimages_28548ক্ষকদের পদমর্যাদা তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত স্কুল পুড়িয়েছে। এ সময় শিক্ষার উন্নয়নে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ডিগ্রি পর্যন্ত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে স্কুল ফান্ড তৈরির তাগিদ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘১০ টাকায় একাউন্ট খুলতে পারবে পথশিশুরা’

ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান জানিয়েছেন, আগামী সোমবার ১০ মার্চ থেকে সুবিধাবঞ্চিত ও অভিভাবকহীন শিশুরা ১০ টাকায় ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে পারবে।’১০ টাকায় একাউন্ট খুলতে পারবে পথশিশুরা’ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

112শনিবার চট্টগ্রামে স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেওয়ার সময় একথা জানান তিনি। এসময় তিনি আরো জানান, স্কুলের শিক্ষার্থীরা একশ’ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে হিসাব খুলতে পারবে। ড. আতিউর রহমান বলেন, “আগামী দুই দিনের মধ্যে পথশিশুদের হিসাব খোলার জন্য একটি সার্কুলার জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুরা যদি হিসাব খুলতে পারে তা হলে বাংলাদেশ হবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির এক নম্বর দেশ।” স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, “স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১০ সালের ২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে দেশের ৪৭ ব্যাংকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব খুলেছে দুই লাখ ৮৬ হাজার জন। আর তাদের এসব হিসাবে তিন বছরে জমা হয়েছে ৩০৪ কোটি টাকা। আর ৯৬ হাজার কোটি টাকা জমা হলে তারা নিজেরাই একটা ব্যাংক খুলতে পারবে।” দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান দুই নম্বর উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শ্রীলংকার পরেই ব্যাংকিং কার্যক্রমে আমাদের দেশের অবস্থান। পথ শিশুদের জন্যও হিসাব খোলার সুযোগ তৈরি হলে আমাদের অবস্থান চলে আসবে এক নম্বরে। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ রয়েছে ১৯ বিলিয়ন ডলার।” নারী দিবস উপলক্ষে ড. আতিউর রহমান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে মাত্র ১০ শতাংশ সুদের ঋণ সুবিধায় ডেলের কম্পিউটার (ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ) কিনতে পারবেন নারী উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা। মাত্র ২০ শতাংশ এককালীন অর্থ দিয়ে তারা এ কম্পিউটার কিনতে পারবেন। আর ৮০ শতাংশ অর্থ দেওয়া হবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে। নারী উদ্যোক্তারা ই -কমার্সের মাধ্যমেও নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারবে।” বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মাসুম কামাল ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক দেবাশীষ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক অধ্যাপক হান্নানা বেগম। কনফারেন্সের শুরুতে ৫২টি স্টল ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর। অনুষ্ঠানের পরে নৃত্য ও নাটক পরিবেশন করেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের শিল্পীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাংলাদেশে প্রথম জৈবসার উত্পাদন

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা :fertilizerদেশের সর্ববৃহত্ দর্শনা কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রথম জৈবসার উত্পাদন কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। ৭৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত দর্শনা কেরু চিনিকলের বর্জ্য পদার্থ মাথাভাঙ্গা নদী ও এলাকার পরিবেশ দূষণ করে আসছিল বলে এলাকাবাসীর নানা অভিযোগ ছিল। সে সময় পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষায় কর্তৃপক্ষ নানা ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেছিল। পরে সে বর্জ্য পদার্থ দিয়েই এখন তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব জৈবসার। এ উদ্যোগে সফল হয়েছে কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ। এলাকার চাহিদা ও জমির উর্বর ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা ভেবেই প্রতিষ্ঠা করেছে জৈবসার উত্পাদন কারখানা। কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে জৈবসার কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দ দেয় ৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। দর্শনার আকুন্দবাড়িয়া বীজ উত্পাদন খামারের নিজস্ব জমির ওপর সার কারখানা নির্মাণ কাজ শুরু করে। চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের সার্বিক সহযোগিতায় দ্রুত নির্মাণ কাজ সমপন্ন এবং ভারতের টরিক চিম টেকনো লিগাল সার্ভিস প্রা. লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় মেশিনারিজ স্থাপন করে। ২০১৩ সালের মে মাসে সার কারখানায় পরীক্ষামূলক উত্পাদন শুরু করা হয়। জানা গেছে, এ কারখানায় বছরে ৯ হাজার মেট্রিক টন জৈবসার উত্পাদন করতে পারবে। এ সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে চিনি কারখানার উপজাত প্রেসমাড ও ডিস্টিলারি কারখানার বর্জ্য পানি। কাঁচামাল হিসেবে প্রতিবছর ১৮ হাজার মেট্রিক টন প্রেসমাড ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্যপন্টওয়াস ব্যবহার করা যাবে। কেরুজ চিনিকল থেকেই প্রেসমার্ড পাওয়া যাবে ২ হাজার মেট্রিক টন, বাকি প্রেসমাড দেশের অন্যান্য চিনি কারখানা থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ দুটি বর্জ্য সার কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে অ্যারোবিক কম্পোসটিং পদ্ধতিতে পরিবেশবান্ধব জৈবসার উত্পাদন করা হচ্ছে। ইতিপূর্বের পরিবেশ দূর্ষণের কারণে এ বর্জ্য ফেলে দেয়া হতো মাথাভাঙ্গা নদীতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে হ্রাস পাবে জমির উর্বরতা। এ বিষয়ে চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক বলেন, প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠা পায় জৈবসার কারখানা। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি আলী আজগার টগর ইতিমধ্যেই মিলের আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা হচ্ছে

images_26022ডেস্ক রিপোর্ট : পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় বাঁচাতে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর কাজের চাপ কমাতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময় একদিন কিংবা সর্বোচ্চ দুই দিন ফাঁক বা গ্যাপ রাখা হবে। প্রয়োজনে একদিনে দুটি করে পরীক্ষাও নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই দুই স্তর থেকে অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো (সাবজেক্ট) বাদ দেয়া কিংবা একশ নম্বর থেকে কমিয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া যায় কিনা তা নিয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।

আগে এসএসসি ও একাদশ শ্রেণীর এইচএসসি- এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হতো। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই দুই পরীক্ষার সঙ্গে যোগ হয়েছে পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা। এতে ছাত্রছাত্রীদের ঘাঁড়ে পরীক্ষার বোঝা যেমন বেড়েছে, তেমনি খাতা মূল্যায়নে নাকাল হচ্ছেন পরীক্ষকরা। কাজের চাপ বেড়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর। এছাড়া ঘন ঘন পাবলিক পরীক্ষার কারণে ছাত্রছাত্রীদের যেমন মানসিক চাপে থাকতে হচ্ছে, তেমনি এই সময়ে স্কুলও বন্ধ থাকছে। এতে অন্য শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই অভিভাবকরা সন্তানদের প্রাইভেট কোচিংয়ে পাঠাচ্ছে। ফলে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বাড়ছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘আমাদের পাবলিক পরীক্ষা পদ্ধতি খুবই খারাপ। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে দেড় মাস করে সময় লাগে। এরপর আছে জেএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এসব পরীক্ষা সম্পন্ন করতে অনেক সময় লাগে’।

তিনি বলেন, ‘রাতারাতি এ পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন সম্ভবও নয়। এরপরও বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। তাছাড়া শিক্ষকরাও অনেক ক্ষেত্রেই ক্লাসে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পড়ান না। অথচ একই শিক্ষক কোচিং সেন্টারে গিয়ে ক্লাসের চেয়ে ভালোভাবে পড়ান। এটা খুবই হতাশাজনক’।

এ বিষয়ে আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তাসলিমা বেগম বলেছেন, ‘চারটি পাবলিক পরীক্ষা নিতেই বছরের প্রায় ছয় মাস চলে যায়। এই সময়ে স্কুল-কলেজের শ্রেণী কার্যক্রম প্রায় বন্ধই থাকে। তাই দীর্ঘ সময়ে পরীক্ষা না নিয়ে অল্প দিনে কীভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছি’।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় সকাল-বিকাল পরীক্ষা হতো। এখন দুই পরীক্ষার মাঝে কয়েকদিনের বন্ধ না দিলে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা আন্দোলন শুরু করে। এতো পরীক্ষার কারণে স্কুল-কলেজগুলোতে ঠিকমতো ক্লাস নেয়া যাচ্ছে না’।

চেয়ারম্যান জানান, ‘সময়সূচি কমানোর পাশাপাশি প্রতি উপজেলায় একটি করে মাল্টিপারপাস হল প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব করেছি, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরীক্ষার্থীরা এসব হলে পরীক্ষা দিতে পারে’।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও মিরপুর বাঙলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বদরউদ্দীন হাওলার বলেন, ‘আমরা যখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি, তখন টানা পরীক্ষা নিয়ে মাত্র ১৫/২০ দিনেই সব পরীক্ষা শেষ করা হতো। রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে এখন এই পরীক্ষা শেষ করতে সময় লাগছে দুই/তিন মাস। তবে হঠাৎ করে আগের অবস্থায় গিয়ে টানা পরীক্ষা নেয়া হলে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। বিষয়টি রাজনৈতিক ইস্যুতেও পরিণত হতে পারে’।

২০১৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি শুরু হয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২৭ মার্চ। এই সময়ে বড় ধরনের কোন কর্মসূচি না থাকলেও দু’পর্বে বিশ্ব এজতেমা এবং স্থানীয় নির্বাচনের কারণে এই পরীক্ষা গ্রহণে প্রায় দুই মাস সময় লাগছে। এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের ঘন ঘন হরতাল ও লাগাতার অবরোধের কারণে গত বছর এসএসসি ও এইচএসসির ২৬টি বিষয়ের পরীক্ষা পেছাতে হয়েছিল। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার সময়ও ছিল একই কর্মসূচি। ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে অনেক স্কুল বার্ষিক পরীক্ষাও পুরোপুরি শেষ করতে পারেনি।

এছাড়াও পরীক্ষাকালীন ছুটি ছাড়াও স্কুল কলেজগুলোতে বছরে ৫২ দিন রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। অন্য ছুটি রয়েছে প্রায় ৮৫ দিনের। সবমিলিয়ে বছরের আট মাস কোন না কোন কারণে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এতে পুরো সিলেবাস শেষ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ছুটতে হয় কোচিংয়ের পেছনে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর অভিভাবক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষার চাপে শ্রেণী কার্যক্রম হয় না বললেই চলে। কোচিং সেন্টার আর প্রাইভেট টিউটরদের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতেই মেয়ে ও মেয়ের মা’র জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।’

২০১৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। চলবে ৫ জুন পর্যন্ত। এর ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ৭ জুন শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত। এতো দীর্ঘদিন পরীক্ষা নেয়ার সময়সূচি ঘোষণার পরও সন্তুষ্ট নয় পরীক্ষার্থীরা। ওই পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী ২১ এপ্রিল পৌরনীতি দ্বিতীয়পত্র, ২২ এপ্রিল মনোবিজ্ঞান প্রথমপত্র, ২৩ এপ্রিল অর্থনীতি ও ২৪ এপ্রিল মনোবিজ্ঞান ২য়পত্রের পরীক্ষার সূচি থাকায় গত সপ্তাহে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা প্রতিটি পরীক্ষার একদিন হলেও ছুটি রাখার দাবি জানান। সংবাদ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার কাগজপত্র নেই ২৩৪ প্রার্থীর

ডেস্ক রিপোর্টbcs : ২৪ মার্চ থেকে অনুষ্ঠিতব্য ৩৪তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৩৪ জন পরীক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

মঙ্গলবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেয়া ২৩৪ পরীক্ষার্থীকে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

এদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) দপ্তরে ওইসব পরীক্ষার্থী কাগজপত্র দাখিল করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হবে। তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আদিবাসীদের বাদ দিয়ে ফল প্রকাশের পর একটি রিট আবেদন নিষ্পত্তি শেষে গত ১৬ ফেব্র“য়ারি উচ্চ আদালত ৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করে।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাদপড়া ২৮০ জন প্রার্থীকে যোগ্য ঘোষণা করে লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়।

ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট এবং রংপুর কেন্দ্রে একযোগে ৩৪তম বিসিএসে প্রতিদিন দুটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত বছরের ৮ জুলাই কোটার ভিত্তিতে ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ হয়। এতে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন।

প্রকাশিত ফলে মেধাবীদের অনেকেই বাদ পড়েছেন অভিযোগ তুলে আন্দোলন শুরু হলে ১৪ জুলাই পুনর্মূল্যায়িত ফল প্রকাশ করা হয়, যাতে উত্তীর্ণ হয় ৪৬ হাজার ২৫০ জন।

বাদপড়া আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ৩১ জুলাই আদালত পুনর্মূল্যায়িত ফল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল জারি করে।

গত ১১ ফেব্র“য়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ আদিবাসী কোটাভুক্ত বাদপড়াদের যোগ করে ফল প্রকাশের আদেশ দেয়। বাদপড়া ২৮০ আদিবাসী পরীক্ষার্থীকে যোগ্য ঘোষণা করায় লিখিত পরীক্ষায় মোট প্রার্থী ৪৬ হাজার ৫৩০ জনে দাঁড়ায়।

বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ৫২টি পদে নিয়োগের জন্য ২০১৩ সালের ৭ ফেব্র“য়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আফ্রিদি ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট : জয়ের জন্য সর্বোচ্চ স্কোর করেও হেরে গেল বাংলাদেশ। ৩২৬ রানের পাহাড় টপকে বাংলাদেশের পরাজয় নিশ্চিত করল পাকি¯ত্মান। পাকি¯ত্মানে22র জন্যও এটি সর্বোচ্চ কোনো রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ী হওয়া।

পাকি¯ত্মানের এই ঐতিহাসিক জয়ে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে আফ্রিদি ঝড় আর বাংলাদেশের ক্যাচ মিসের মহড়া। এর মধ্যে দুর্ভাগ্যক্রমে উইকেটে লেগেও বেল না পড়ে টিকে যায় আফ্রিদির উইকেট। টাইগারদের একটি শতক ও তিনটি অর্ধশতকও জয় নিয়ে আসতে পারেনি।

৩২৭ রানের লক্ষ্যে নেমে অপ্রতিরোধ্য ব্যাটিং শুরু করেছিল পাকি¯ত্মানের দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ও মোহাম্মদ হাফিজ। অবশেষে ৯৭ রানের এই জুটি ভেঙেছিলেন মুমিনুল। এরপর আরও ৮ রানের মধ্যে দুটি উইকেট হারায় পাকি¯ত্মান। দলকে চাপ থেকে মুক্তি দিতে শেহজাদ শতক হাঁকান। তাকে সাজঘরে পাঠিয়ে আবারও পাকি¯ত্মানকে চাপে ফেলেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। তবে শহীদ আফ্রিদি মাঠে নেমে ব্যাটে ঝড় তুলে উল্টো চাপে ফেলে দিয়েছিলেন। অবশেষে তাকে রান আউট করে ফেরাতে সমর্থ হল স্বাগতিকরা।

৪৭ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রান পাকি¯ত্মানের। ২৫ বলে  সাতটি ছয় ও দুটি চারে ৫৯ রানে আউট হন আফ্রিদি। এর আগে ৪৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শর্ট কভারে মুশফিক তার ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন। ৫৫ রানে অপরাজিত খেলছেন ফাওয়াদ আলম, মাঠে নেমেছেন উমর আকমল।

দলীয় ২১তম ওভারের চতুর্থ বলে হাফিজকে ৫২ রানে ইমরুল কায়েসের তালুবন্দি করতে বাধ্য করেন মুমিনুল। পরের ওভারে সাকিব আল হাসান তুলে নেন মিসবাহ উল হকের উইকেট। গত দুটি ম্যাচে টানা রান আউট হওয়া পাকি¯ত্মানি অধিনায়ক এদিন ৪ রানে বোল্ড হন। টানা দ্বিতীয় ওভারে মুমিনুল শিকার করেন সোহেব মাকসূদকে।

এরপর ফাওয়াদ আলমকে নিয়ে শতরানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন শেহজাদ। ১০৫ রানের এই জুটি রাজ্জাকের কাছে ভাঙার আগে এই ওপেনার ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক পান ১১৭ বলে। বোল্ড হওয়ার আগে ১২৩ বলে ১২ চার ও এক ছয়ে সাজানো তার ১০৩ রানের ইনিংস।

মাহমুদউল্লাহ পাকি¯ত্মানের পঞ্চম উইকেট পান আব্দুর রেহমানকে দিয়ে। কোনো বল না করে বাংলাদেশকে ৮ রান দেওয়া এই বোলার ব্যাট হাতেও করলেন ৮ রান। ফাওয়াদ ৫০ রানে খেলছেন।

গত কদিন ধরে যা হয়েছে তাতে দুঃখ ভারাক্রাšত্ম ছিল দেশের ক্রিকেট ভক্তরা। পাকি¯ত্মানের বিপক্ষে এক ম্যাচেই সেসব ভুলিয়ে দিল মুশফিকুর রহিমের দল। একদিনের ক্রিকেটে দ্বিতীয় সেরা উদ্বোধনী জুটি হলো এদিন এনামুল হক ও ইমরু“ল কায়েসের ব্যাটে। হলো একটি শতক ও তিনটি অর্ধশতক। টাইগারদের কাছে এমন ম্যাচই দেখার অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশের মানুষ। দুর্দাšত্ম এক দলগত অবদানে বাংলাদেশ মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ৩২৬ রান করেছে। টাইগাররা কেমন হতে পারে তা এবার পাকি¯ত্মানকে দেখিয়ে দিল তারা।

টস জিতে এদিন চতুর্থ বলেই জীবন পান ইমরুল কায়েস। মোহাম্মদ হাফিজের বলে তার শটটি লুফে নিতে ব্যর্থ হন আহমেদ শেহজাদ। এরপর চার ছক্কার ফুলঝুরি। বাংলাদেশের উপর যেন ভর করেছিল অতিমানবীয় শক্তি। একের পর এক বাউন্ডারি দর্শকসারিতে থাকা দর্শকদের উল্লাস থামতেই দেয়নি।

এমনকি ১৯৯৯ সালে মেহরাব হোসেন ও শাহরিয়ার হোসেনের ১৭০ রানের সেরা উদ্বোধনী জুটির রেকর্ডটি হুমকির মুখে পড়েছিল ইমরুল ও এনামুলের জুটিতে। কিন্তু সেটা হতে পারেনি। দ্বিতীয় সেরা উদ্বোধনী জুটি হিসেবেই থামে তাদের ১৫০ রানের জুটি। ৬৩ বলে চারটি চার ও দুটি ছয়ে দশমবারের মতো ৫০ ছুঁয়ে ফেলেন ইমরুল। এর আগে ৫৫ বলে পাঁচ চার ও তিন ছয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন এনামুল।

এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইমরুল। ৭৫ বলে পাঁচ চার ও দুই ছয়ে ৫৯ রানে মোহাম্মদ তালহার বলে বিতর্কিতভাবে উমর আকমলের গ্লাভসবন্দি হন এই বাঁহাতি। তবে থেমে যাননি এনামুল। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকটি তিনি পান ১৩১ বলে। ছয়টি চার ও চারটি ছয়ের মারে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে পরের বলে আউট হন তিনি। ততক্ষণে দলের স্কোর ২০৪ রান। মুমিনুলের সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ৫৪ রানের।

হাতে ছিল যথেষ্ট উইকেট, দলের স্কোরও দুর্দান্ত। ৪০ ওভারে ২০৫ রান। সময়ক্ষেপণ না করে শুরু থেকে পাকিস্তানি বোলারদের উপর চড়াও হন মুমিনুল ও অধিনায়ক মুশফিক। মাত্র পাঁচ ওভার এক বলে এই জুটিতে ৪৫ রান গড়েন তারা। ইতোমধ্যে ৪৪ বলে ছয়টি চারে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি পান মুমিনুল। কিন্তু তাকে ৫১ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় সাঈদ আজমলের বলে।

এরপর মুশফিকের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের ব্যাটিং ঝড়। তাদের জুটিতে ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশের এশীয় কাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় রানের মাইলফলকে পৌঁছায় দল। সেবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ৩০০ করেছিল টাইগাররা।

৩২ বলে আট চারে ১৪তম ফিফটি পান মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে সাকিবকে নিয়ে তিনি ৩৪ বলে হার না মানা ৭৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। ১৬ বলে ছয় চার ও দুই ছয়ে সাকিব ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। মুমিনুল, মুশফিক ও সাকিবের ব্যাটে শেষ ১০ ওভারেই বাংলাদেশ করে ১২১ রান।
তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এদিন ফিরে এসেছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে নাঈম ইসলামকে। বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন এসেছে আরও চারটি। শামসুর রহমানের জায়গায় ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ এসেছেন চোটাক্রান্ত সোহাগ গাজীর পরিবর্তে। স্পিনার আরাফাত সানিকে জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে পেসার শফিউল ইসলামকে। আর রুবেল হোসেনকে বাইরে রেখে নেওয়া হয়েছে আল-আমিন হোসেনকে।
আর পাকিস্তানে সারজীল খানের পরিবর্তে ফাওয়াদ আলম ও পেসার জুনাইদ খানের বদলে আব্দুর রেহমান জায়গা করে নিয়েছেন।
বাংলাদেশ দল: মুশফিকুর রহিম, আব্দুর রাজ্জাক, আল-আমিন হোসেন, এনামুল হক, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ, মুমিনুল হক, নাসির হোসেন, শফিউল ইসলাম, সাকিব আল হাসান ও জিয়াউর রহমান।
পাকিস্তান: আহমেদ শেহজাদ, মোহাম্মদ হাফিজ, সোহেব মাকসুদ, মিসবাহ উল হক, উমর আকমল, ফাওয়াদ আলম, শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মদ তালহা, উমর গুল, সাঈদ আজমল ও আব্দুর রেহমান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকুরেদের জন্য বড় সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্যবীমা

ডেস্ক রিপোর্ট : মাসিক ৭০০ টাকার চিকিৎসা ভাতা দেয়ার বর্তমান ব্যবস্থার পরিবর্তে সরকারি কর্মচারীদের আরও বড় সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্য বীমার অধীনে আনার কথা ভাবছে সরকার। বিদ্যমান যৌথ স্বাস্থ্য বীমার চাঁদা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার কথাও ভাবা হচ্ছে। বর্তমান চিকিৎসা ভাতা ও বর্তমান স্বাস্থ্য বীমাকে একীভূত করে নতুন সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালু করা গেলে একজন কর্মচারী বছরে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন। তবে নতুন পরিকল্পনায় এ দুটি পৃথক সুবিধা রাখা হবে, নাকি একীভূত করা হবে—তা নিয়ে পর্যালোচনা ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নতুন আরেকটি বেতনক্রম ঘোষণার আগেই সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের উদ্দেশ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সুবিধাকেই প্রথম বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। বিবেচনায় থাকছে গৃহঋণ ও গাড়ি কেনার ঋণ সুবিধাও।

প্রসঙ্গত, বিদ্যমান বেতনক্রমের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মাসিক ৭০০ টাকা করে চিকিৎসা ভাতা দেয়া হয়। বস্তুত এ টাকায় একটি পরিবারের চিকিৎসা সুবিধা খুব সামান্যই মেটানো সম্ভব। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে সরকার ভাবছে কীভাবে সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো যায়।
সূত্র জানায়, সরকারের দেয় ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা যৌথ স্বাস্থ্য বীমার বিপরীতে প্রিমিয়াম দাবি হিসাবে পরিশোধ করা হবে। এতে বছরে একজন চাকরিজীবী অন্তত এক লাখ টাকার চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত নির্ধারণ করে দেয়া হতে পারে। যেমন, এই অর্থ নেয়ার প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে চিকিৎসার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক  বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। সার্বিকভাবে কর্মচারীদের জন্য হিতকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক এবং সেক্ষেত্রে কালক্ষেপণও করা হবে না।
অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বর্তমানে যে যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালু আছে তাতে ৫০ টাকা করে চাঁদা নেয় সরকার। কর্মচারীদের বেতন দেয়ার সময় এ টাকা কেটে রাখা হয়। নতুন যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালুর ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভাতা ও যৌথ বীমা কর্মসূচিকে একীভূত করা হলে কর্মচারীদের দেয় ৭০০ টাকার চিকিৎসা ভাতার সঙ্গে ৫০ টাকা বীমার চাঁদার পরিবর্তে আরও ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হতে পারে। এই দুই খাতের টাকা এক করে প্রিমিয়াম দেয়া হলে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৯০০ টাকা। আর ৯০০ টাকা প্রিমিয়াম দেয়া হলে একজন কর্মচারী বছরে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন।

বর্তমানে চাকরিরত অবস্থায় কারো মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীকে বিদ্যমান যৌথ স্বাস্থ্য বীমার খাত থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা দেয়া হয়। যৌথ বীমা ব্যবস্থার সংস্কার করা হলে এ টাকার পরিমাণ দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে যাবে। আর এক্ষেত্রে সরকারকে অতিরিক্ত অর্থের যোগান দিতে হবে না।
গৃহঋণ ও গাড়ির ঋণ:বর্তমানে সরকারের যুগ্ম সচিব এবং তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য এককালীন ২০ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়। কিন্তু সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পর্যন্ত কর্মকর্তাদের জন্য এই ঋণের পরিমাণ মোটরসাইকেলের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং গাড়ির জন্য ১ লাখ ২০ টাকা।
কর্মকর্তারা বলছেন, এটি অত্যন্ত হাস্যকর ও লজ্জাকর। এই টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল হয় না। আর ১ লাখ ২০ টাকা দিয়ে কোন কোন গাড়ির সবচেয়ে কমদামি যন্ত্রাংশ কেনা যেতে পারে।
অপরদিকে গৃহঋণ বাবদ বর্তমানে দেয়া হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে ছোটখাট টিনের বাড়ি তৈরিও সম্ভব নয়। এর সংস্কার জরুরি বলে মনে করেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে এসব নিয়ে এক্ষণি সিদ্ধান্ত হচ্ছে না বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে।ইত্তেফাক

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘পরীক্ষা পদ্ধতি খুবই খারাপ’-নুরুল ইসলাম নাহিদ

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের শিNahid_1-todayক্ষা ক্ষেত্রে বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে দেড় মাস করে সময় লাগে, রাতারাতি এ পদ্ধতির পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে বিশ্বব্যাংক এডুকেশন সেক্টর রিভিউ (২০১৩) এর উপর গণস্বাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সোমবার সন্ধ্যায় তিনি এ সব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘শিক্ষকরা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সামর্থ্যানুযায়ী ক্লাসে পড়ান না। কিন্তু একই শিক্ষক কোচিং সেন্টারে গিয়ে ক্লাসের চেয়ে ভালোভাবে পড়ান। আমি খুবই হতাশ। শিক্ষকরা আন্তরিক না হলে এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করা যাবে না। তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই পরিবর্তন হবে।’

শিক্ষকতা মহান পেশা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যোগ্যতাসম্পূন্ন খুব কম লোকই শিক্ষকতা পেশায় আসতে চায়। ফলে এখানে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক পাওয়া যায় না। যারা আছেন তাদের অনেকেই আন্তরিকতার সঙ্গে পড়ান না।’

দেশের উন্নতির জন্য বিশ্বমানের শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দারিদ্র, দুর্নীতি ও নিরক্ষরতামূক্ত দেশ গড়াই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বমানের শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে না পারলে দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। আমাদের অনেক সমস্যা আছে, আমাদের শিক্ষার মান খুব ভালো নয়। তবে এ কথা সবার স্বীকার করতেই হবে যে, দিন দিন আমাদের শিক্ষার মান বাড়ছে। কোনো দিক থেকেই শিক্ষার মান কমছে না।’
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রদিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘প্রদিবেদনে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমরা অবশ্যই পরামর্শগুলো বিবেচনা করবো। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য যে কেউ আমাদের পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।’

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন গণস্বক্ষরতা অভিযানের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ। প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে উপস্থিত অনেকে উন্মূক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন ঝিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, গণস্বক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জেসকু হেনসেল, বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অমিত ধর ও আইনবিদ ড. শাহদীন মালিক প্রমূখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter