Home » টপ খবর (page 10)

টপ খবর

ফের বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

ডেস্ক,৯ ফেব্রুয়ারী:
আরেক দফা বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। চলমান ছুটি ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত যেতে পারে। এরপর মার্চে প্রথম সপ্তাহ থেকে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে।

আরো পড়ুন : যেকোনো সময় খুলবে স্কুল!

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, চলমান ছুটির মেয়াদ আরও পাঁচ দিন আছে। এরমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

ছুটি কি আরও বাড়ছে কি না সে বিষয়ে সচিব বলেন, করোনার পরিস্থিতি এখন ধীরে ধীরে ভালোর দিকে। টিকাদান শুরু হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন খুলে দেওয়া যায়। তবে প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যবেক্ষণ করার কথা বলেছেন। সেটি আমরা দেখতে চাই।

তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সম্মতির পেলেই আমরা খুলে দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক ॥ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটিতে ‘অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার-আইডেনটিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস ম্যানেজমেন্ট সিকিউরিটি, ইনফরমেশন সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট নামের পদে আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বেতন নির্ধারিত হবে আলোচনা সাপেক্ষে। আবেদনের শেষ তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনফরমেশন সিকিউরিটি, সাইবার সিকিউরিটি, কম্পিউটার সায়েন্স অথবা এ–জাতীয় যেকোনো বিষয়ে বিএসসি অথবা এমএসসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর ন্যূনতম চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আবেদনের পদ্ধতি

প্রার্থীরা অনলাইনে (https://bracbank.taleo.net/careersection/external/jobsearch.ftl?lang=en) আবেদন করতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫০০ টাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের অ্যাম্বুলেন্স-ফ্রিজিং ভ্যান সুবিধা

অনলাইন রিপোর্টার॥ সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অ্যাম্বুলেন্স এবং মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের একটি নীতিমালা তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অ্যাম্বুলেন্স ও মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান কীভাবে, কত টাকা ভাড়ায় এবং কোন প্রক্রিয়ায় ভাড়া হবে তা নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন স্বাক্ষরিত ‘ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার নীতিমালা-২০২০’ জারি করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের বিদ্যমান মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো সুস্পস্ট নীতিমালা না থাকায় যানবাহনগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য একটি নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিবেচনায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে যোগ্য ব্যক্তির স্ত্রী-স্বামী, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ছেলে-মেয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভাই, অবিবাহিত/তালাকপ্রাপ্ত/বিধবা বোন, পিতামহ-পিতামহী এবং পুত্রের বিধবা স্ত্রী ও শিশু সন্তান ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্যবহারকারী:

ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, সংসদ সদস্যরা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সব কর্মচারী ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন এবং ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার সব কর্মচারী, অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নবম বা তদুর্ধ গ্রেডের কর্মচারীরা ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন। ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া:

ফ্রিজিং ভ্যান কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী অথবা তার পরিবারের যেকোনো সদস্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন। সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিবহন কমিশনার হট লাইন নম্বর চালু এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। পরিবহন কমিশনার এ সেবা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কর্মচারীকে দায়িত্ব দেবেন।

আবেদনকারীর সংখ্যা একই সময়ে একাধিক হলে অগ্রাধিকার বিষয়ে পরিবহন কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যবহার নির্দেশিকা:

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে দেশের যেকোনো অঞ্চলে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা যাবে। মরদেহ বা অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারবেন না। যেসব অঞ্চলের রাস্তায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগীর কারণে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে সেসব অঞ্চলে সাধারণভাবে যাতায়াতে করা যাবে না।

অনুমোদিত চলাচলের ক্ষেত্রে যানবাহনের কোনো ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন।

জ্বালানির ব্যবহার:

ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বলেন্স সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর থেকে বুঝে নেওয়ার পর সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত আসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানির ব্যয় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে।

ফেরি/সেতুর ব্যবহার:

যাতায়াত পথে ফেরি পারাপার বা সেতু ব্যবহারের প্রয়োজনে ফেরি ও সেতুর টোল ইত্যাদি ব্যবহারকারী পরিশোধ করবেন।

ব্যবহারজনিত ভাড়া:

ঢাকা শহর ও এর আশপাশের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার তিন টাকা হারে ভাড়া নেওয়া হবে।

পরিশোধ পদ্ধতি:

গাড়ি ব্যবহারের পর গাড়িতে সংযোজিত ভেহিকেল ট্রেকার অতিক্রান্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রকৃত দূরত্ব হিসেবে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোডে তিনদিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। চালানের মূলকপি সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে জমা দিয়ে না-দাবিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রাপ্ত আয় নন ট্যাক্স রেভিনিউ হিসেবে গণ্য হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেকোনো সময় খুলবে স্কুল!

অনলাইন ডেস্ক ॥ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষককে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়ার কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেবো।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিকে করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এসময় সচিবালয় ক্লিনিকের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিকা নেওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হলো, আমরা অন্যান্য যে ইনজেকশন নেই, তার চেয়ে আমার কাছে অনেক আরামদায়ক মনে হলো।

প্রাথমিকের প্রায় চার লাখ শিক্ষক-কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক আগেই আমাদের দেশে টিকা নিয়ে আসার কারণে।

‘পাশাপাশি উনি এতোটাই আন্তরিক শিক্ষার প্রতি, উনি সোমবার এবং এর আগেও আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে যে তোমার সব শিক্ষককে টিকা দিয়ে নাও, আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেবো। যাতে আমার কোনো শিক্ষক আওতার বাইরে না থাকে। ’

শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য কবে থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে এমন প্রশ্নে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের জন্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, আমরা যেকোনো সময় মঙ্গলবার থেকে সাতদিনের মধ্যে টিকা নেওয়া শেষ করবো। সচিবালয় ক্লিনিকে এদিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলমও টিকা নেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও নিয়েছি, আমাদের সচিবসহ সবাই নিয়েছেন। তাদের কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমার এলাকায়ও নিয়েছেন, তাদেরও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমি অনুরোধ করবো আমার শিক্ষকদের, যারা টিকার আওতায় পড়বেন চল্লিশোর্ধ বয়সের; সবাইকে টিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবো।

‘আমার শিক্ষক-শিক্ষিকা সবাই যেন যথা সময়ে টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এগিয়ে আসে। আর মাস্ক ব্যবহার করতে হবে সবাইকে। ’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ছুটি বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়া এবং টিকা নেওয়া শুরু হওয়ায় ফেব্রুয়ারি বা মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার গুঞ্জন চলছে। কিন্তু বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘এক সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিন পাবে প্রাথমিকের সব শিক্ষক’

অনলাইন ডেস্ক ॥ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষককে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়ার কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেবো।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিকে করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এসময় সচিবালয় ক্লিনিকের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টিকা নেওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হলো, আমরা অন্যান্য যে ইনজেকশন নেই, তার চেয়ে আমার কাছে অনেক আরামদায়ক মনে হলো।

প্রাথমিকের প্রায় চার লাখ শিক্ষক-কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক আগেই আমাদের দেশে টিকা নিয়ে আসার কারণে।

‘পাশাপাশি উনি এতোটাই আন্তরিক শিক্ষার প্রতি, উনি সোমবার এবং এর আগেও আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে যে তোমার সব শিক্ষককে টিকা দিয়ে নাও, আমরা যেকোনো সময় স্কুল খুলে দেবো। যাতে আমার কোনো শিক্ষক আওতার বাইরে না থাকে। ’

শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য কবে থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে এমন প্রশ্নে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের জন্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন, আমরা যেকোনো সময় মঙ্গলবার থেকে সাতদিনের মধ্যে টিকা নেওয়া শেষ করবো। সচিবালয় ক্লিনিকে এদিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলমও টিকা নেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও নিয়েছি, আমাদের সচিবসহ সবাই নিয়েছেন। তাদের কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমার এলাকায়ও নিয়েছেন, তাদেরও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমি অনুরোধ করবো আমার শিক্ষকদের, যারা টিকার আওতায় পড়বেন চল্লিশোর্ধ বয়সের; সবাইকে টিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবো।

‘আমার শিক্ষক-শিক্ষিকা সবাই যেন যথা সময়ে টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এগিয়ে আসে। আর মাস্ক ব্যবহার করতে হবে সবাইকে। ’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ছুটি বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়া এবং টিকা নেওয়া শুরু হওয়ায় ফেব্রুয়ারি বা মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার গুঞ্জন চলছে। কিন্তু বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষক সমিতির খুলনা বিভাগীয় কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক,৭ ফেব্রুয়ারী:
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত খুলনা বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন হয়েছে। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) ১৫ সদস্যের এ বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়। প্রধান শিক্ষক সমিতির সমন্বয়ক প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাসের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্রধান শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। উপস্থিত শিক্ষকদের সর্বসম্মতিক্রমে প্রভাতী রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সভাপতি, মো: জাহাঙ্গীর আলম , আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাসকে সাধারণ সম্পাদক ও আমদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মতিনুল ইসলাম তালিমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আগামী ৩ বছরের জন্য ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। কমিটির অনান্য সদস্যবৃন্দ

1| সভাপতি, মো: জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শিক্ষক প্রভাতী রেলওয়ে সপ্রাবি,খুলনা সদর,খুলনা

2|সিনিয়ার সহসভাপতি, শেখ আল- মামুন প্রশি উত্তর বারাকপুর সপ্রাবি,দিঘলিয়া, খুলনা।

3| সিনিয়ার সহসভাপতি,মোঃ রবিউল হক,প্রধান শিক্ষক,বাহিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ভেড়ামাড়া,কুষ্টিয়া।

4| সহসভাপতি,  রকিবুস সালেহীন, প্রধানশিক্ষক,ইসলামপুর সপ্রাবি, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা ।

5| সাধারন সম্পাদক, স্বরুপ দাস,প্রধান শিক্ষক,আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,চুয়াডাঙ্গা।

6| সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, জি এম হুমায়ূন কবির প্রধান শিক্ষক হাজেরা মেমোরিয়াল সপ্রাবি,খুলনা সদর,খুলনা ।

৭| সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক,মোঃ কুতুব উদ্দিন,প্রধান শিক্ষক,দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,দামুড়হুদা।

৮| যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, মোঃ সামাউল ইসলাম,প্রধান শিক্ষক,স্বরুপদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,যশোর।

৯| সাংগাঠনিক সম্পাদক, কাজী মতিনুল ইসলাম তালিম, প্রধান শিক্ষক, আমদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মেহেরপুর সদর, মেহেরপুর।

১০| সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক, আদিত্য কুমার সরকার,প্রধান শিক্ষক,নিমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,সাতক্ষীরা।

১১| মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,আমাতুল হাফিজ,বাগেরহাট।

১২ |মিডিয়া সম্পাদক, লিপি আফরিন প্রশি প্রতিভাময়ী সপ্রাবি,দিঘলিয়া, খুলনা ।

১৩| অর্থ সম্পাদক, আব্দুল মোমিন,দোস্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,চুয়াডাঙ্গা সদর।

১৪| সহ অর্থ সম্পাদক,মোঃ জমির উদি্দন তালুকদার, প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদ নগর সপ্রাবি,খুলনা সদর,খুলনা|

১৫| নির্বাহী সদস্য (1) লক্সর মাহফুজ প্রশি,কয়রা খুলনা।

(2) সুলতানা রাজিয়া,প্রধান শিক্ষক,কালিগঞ্জ,ঝিনাইদাহ।

উল্লেখ্য এ কমিটি প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল,১০ম গ্রেড ও পদোন্নতি নিয়ে কাজ করবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আইবাস++ ও অনলাইনে হালনাগাদ নিয়ে ডিপিই’র সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭:
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে প্রদান করতে আইবাস++ এ অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও ইএফটির মাধ্যমে বেতন তুলতে অনলাইনে চলছে তথ্য হালনাগাদ। কিন্তু অনেক উপজেলায় শিক্ষকদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষক সমিতির নেতা ও উপজেলা থানা শিক্ষা অফিসের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনৈতিকভাবে আর্থিক লেনদেন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্ক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডাটা এন্ট্রির কাজে কোন প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো। এ সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে চারজন ফোকাল পয়েন্টারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। এই চারজন ফোকাল পয়েন্টারের একজন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও রাজস্ব) মো. নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আইবাসে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনরাত কাজ করা হচ্ছে। অথচ একটি শ্রেণি ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে ব্যস্ত আছে। এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেবো।’

কতগুলো অভিযোগ পেয়েছেন জানতে গতকাল চাইলে তিনি বলেন, ‘পটুয়াখালী জেলার মীর্জাগঞ্জের একটা অভিযোগ এসেছে। এ বিষয়ে আমাদের ডাইরেক্টর (পরিচালক) স্যার অবগত হয়েছেন। রোববার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ‘আগে এজি অফিসে পে ফিক্সেজনের জন্য ঘুষ দিতে লাগত। এখন যদি ইএফটিতেও ঘুষ দিতে লাগে তাহলে অনলাইনের কারণে কি উপকার হলো?’

তিনি অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহ জেলার অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দিন বলেন, ‘এমন একটি ঘটনার কথা শুনছি, ফেসবুকেও দেখছি। কিন্তু আমাদের সমিতি অনৈতিক কোন কার্যক্রমকে সমর্থন করে না। সমিতির কেউ যদি এমন কিছু করে থাকেন অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি‍‍`র ফল পরিবর্তনের জন্য ১৫ হাজার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১
করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। জেএসসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় ফলাফলের ভিত্তিতে বিশেষ মূল্যায়ন করে ফলাফল দেওয়া হয়েছে। এতে শতভাগ পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি। তারপরও ফলে সন্তুষ্ট নয় প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। তারা ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের রিভিউ আবেদন করেছেন।

গত ৩০ জানুয়ারি এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। পরের দিন ৩১ জানুয়ারি থেকে ফল রিভিউ করার সুযোগ দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো। শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল আবেদন করার সুযোগ।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত দশটা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, ফল রিভিউ করেছেন মোট ১৪ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি। বোর্ডভিত্তিক ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফোন রিভিউয়ের আবেদনে সবচেয়ে বেশি। তবে রিভিউ করা শিক্ষার্থীদের ফল কবে প্রকাশ করা হবে তা এখনো জানানো হয়নি।

এদিকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী। এ শিক্ষার্থীরা কেন জিপিএ পাননি তার ব্যাখ্যা লিখিতভাবে দেবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর। যারা বোর্ডের আবেদন করেছে তাদেরকে লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে।

বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার (৩০ জানুয়ারি) এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পর থেকেই বোর্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় বেড়েছে। এছাড়াও প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসছে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে। সবাই তার সন্তান কেন জিপিএ-৫ বা কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি তার ব্যাখ্যা চাচ্ছে। বিশেষ করে ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী যারা জিপিএ-৫ পায়নি তারা বেশি ফোন ও বোর্ডে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এইচএসসির ফলে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাননি এমন ১৭ হাজার ৪৩ জন শিক্ষার্থী এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ছিল কিন্তু এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি ৩৯৬ জন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য সাবজেক্ট ম্যাপিং করায় জেএসসি ও সমমান এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেও এবার ৩৯৬ জন জিপিএ-৫ পায়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা ২০২০ ফলাফল প্রণয়নে জেএসসি বা জেডিসি ও এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার বিষয় ম্যাপিং পদ্ধতি সম্পর্কে ফলাফলের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- সাধারণভাবে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ৭৫ শতাংশ বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষার আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসিতে আবশ্যিক এই তিন বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমানের গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ ও এসএসসি বা সমমানের পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনায় নিয়ে যথাক্রমে এইচএসসির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার গ্রুপ ভিত্তিক তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে পাওয়া গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফলের পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়, গ্রুপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশের সঙ্গে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছরের ১ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা ছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন শিক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষায়। তবে, করোনা মহামারির কারণে এই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল। এতে সবাই পাস করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেএসসি ও এসএসসিতে জিপিএ-৫ না পেয়ে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পায় আট হাজার ৫৭০ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল চার হাজার ১৫৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু

ঢাকা,৬ ফেব্রয়ারী : বেসরকারি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

এ বিষয়ে এনটিআরসিএ‘র চেয়ারম্যান মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘সারা দেশে ৫৭ হাজারের বেশি পদ শূন্য হলেও আইনি জটিলতায় আমরা নিয়োগ দিতে পারছি না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের পরামর্শে ২ হাজার পদ বাদ দিয়ে বাকি ৫৫ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। গত মাসের মাঝামাঝি আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়ে এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের পক্ষে মত ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে চলতি মাসে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫৭ হাজার ৩৬০টি শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করে তা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষ করা হলেও নিয়োগপ্রত্যাশীদের দায়ের করা একাধিক মামলার কারণে তা স্থবির হয়ে পড়ে।

অনুমোদিত বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬০টি পদ শূন্য পাওয়া গেলেও বর্তমানে এই সংখ্যা আরো বেড়েছে। ২০১৭ সালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মেধাতালিকা তৈরি করা হয়। নিবন্ধিত প্রার্থীদের ওই তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে এমপিও নীতিমালা-২০১৮ প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিল ডিভিশন ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সরাসরি নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দেয়।

এদিকে, এনটিআরসিএ’র তালিকাভুক্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৭ হাজার শূন্য পদের মধ্যে ৫৫ হাজার পদে নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যা রাখা হয়েছে বাংলা-ইংরেজি ও গণিতে

ঢাকা: ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তৈরি এই পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে এ সিলেবাসের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ

ডেস্ক,৫ ফেব্রুয়ারী
আগের নিয়মেই এবারও (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা নেবে দেশের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে আগামী ২ এপ্রিল দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস এবং ৩০ এপ্রিল ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটগুলোর বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (৬ ফ্রেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ বিষয়ে কথা বলা হলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব শনিবার সকালে বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে। অনলাইনে নির্ধারিত আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। চলবে ১ মার্চ পর্যন্ত।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০ থেকে ২৫ মার্চ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেয়া হবে।’

এছাড়া, বিডিএস কোর্সের আবেদন শুরু হবে ২৭ মার্চ। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে আর ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিতরণ করা হবে। ২ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দু-একদিনের মধ্যেই এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হবে।

মহামারি করোনার কারণে চলতি বছর এইচএসসিতে অটোপাস দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সে কারণে ভর্তি পরীক্ষায় নতুন কোনো নিয়ম হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আহসান হাবিব বলেন, ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে যেকোনো পরিবর্তন আনতে হলে তার প্রক্রিয়া এক থেকে দেড় বছর আগে শুরু করতে হয়। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রস্তাবের ভাল-মন্দ দিক বিবেচনায় নিয়ে তবেই প্রয়োজনে পরিবর্তন আনতে হয়ে।

তাই এ বছর আগের নিয়মেই অর্থাৎ ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা ও এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ১০০নম্বরসহ মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে জাতীয় মেধাভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সহকারী শিক্ষকদের তথ্য ওয়েবসাইটে দেয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিতে সহকারী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রণয়ন সহজ করতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ই-প্রাইমারি স্কুল সিস্টেম থেকে শিক্ষকদের নাম, পিন নম্বর ও স্কুলের নাম নিয়ে এ ওয়েবসাইট করা হয়েছে। এ ওয়েবসাইটে সহকারী শিক্ষকদের তথ্য এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিটি জেলার অন্তত একটি উপজেলার শিক্ষকদের তথ্য ওয়েবসাইটে অন্তভুক্ত করতে বলা হয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর বলছে, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী শিক্ষকদের সম্মিলিত পূর্ণাঙ্গ জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রস্তুত করে পাঠানোর জন্য গত মাসে দুইবার তাগিদ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে সম্মিলিত পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করতে অধিদপ্তর থেকে একাধিকবার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রণয়ন সহজ করতে ‘সমন্বিত গ্রেডেশন ব্যবস্থাপনা’ নামের একটি ওয়েবসাইট http://180.211.137.51:8088/gradation/

তৈরি করা হয়েছে। যাতে জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রি করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অধিদপ্তর আরও জানায়, উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশের আইডি, পাসওয়ার্ড ও ব্যবহারের নির্দেশিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ইমেইলে পাঠানো হয়েছে।

এ পরিস্থিতে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিটি জেলার অন্তত একটি উপজেলার শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য শুদ্ধভাবে সম্পন্ন করে ইমেইলে (teacherspromo.dpe@gmail.com) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা শিক্ষকদের জানুয়ারির এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি (২০২০) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলোতে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাদরাসার এমপিও আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.২০-৪২ তারিখ: ৪-২-২০২১

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের নামে অভিনব প্রতারণা

ডেস্ক,৪ ফেব্রুয়ারী:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ছবি ব্যবহার করে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করার জন্য নকল ওয়েবসাইট খুলে তথ্য আহ্বান করেছে একটি অসাধু চক্র। এই চক্রের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন করে কোনও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করার সুযোগ নেই।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করে। অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিটি বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,একটি অসাধু চক্র প্রধানমন্ত্রী এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের ছবি ব্যবহার করে www.bprimaryschool.org নামে একটি নকল (ফেক) ওয়েবসাইট খুলে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের জন্য তথ্য আহ্বান করেছে। এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কোনও সম্পর্ক নেই। এই নকল ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর মডেল থানায় গত মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে, যার নম্বর ১৪৫।

এছাড়া এই নকল ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। সর্বজনীন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনও এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রয়োজন হলে, সরকার নিজ উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনসহ শিক্ষক নিয়োগ করবে। বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের আর কোনও প্রস্তাব বিবেচনার সুযোগ নেই। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কোনও কোনও স্বার্থান্বেষী মহল বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে— এই মর্মে প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং অর্থ সংগ্রহ করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং অনভিপ্রেত। এ ধরনের ওয়েবসাইট (www.bprimaryschool.org) খোলা তারই বহিঃপ্রকাশ। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্ররোচিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করা হলো।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের এমপিও চেক ছাড়

ঢাকা,৩ ফেব্রুয়ারী:
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের এমপিওর চেক ছাড় করা হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি এ বেতন উত্তোলন করা যাবে।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বেতন-ভাতার সরকারি অংশের আটটি চেক ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অগ্রণী, রুপালী ও সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter