Home » টপ খবর

টপ খবর

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে নির্দেশ-ডিপিই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ নভেম্বর:
প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করতে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার দেয়া চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের আগে এ বছরের ১৬ মার্চ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান অব্যাহত ছিলো। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংসদ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং শিক্ষকগণ স্ব স্ব উদ্যোগে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সম্পৃক্ত ছিলেন।

চলমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষকগণ তাদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কিভাবে মূল্যায়ন করা এবিষয়ে মাঠ পর্যায়ে একাধিক শিক্ষক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছে বাংলাদেশ জার্নাল।

মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে বলেন, এযাবতকাল শিক্ষার্থীদের জন্য যে কার্যক্রম চলেছে পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে কতটা দুর্বল মূল্যায়নের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে। এরপর পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে স্ব স্ব বিদ্যালয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আসছে দুটি বিসিএস

ডেস্ক,২৩ নভেম্বর:
একটি বিশেষ ও একটি সাধারণ মিলিয়ে দুটি বিসিএসের প্রজ্ঞাপন খুব শিগগির প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে ৪২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক ২ হাজার চিকিৎসক নেয়া হবে। আর ৪৩তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে নেয়া হবে ১ হাজার ৮১৪ জন ।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা যায়, বুধবার পিএসসি বিশেষ সভা আহ্বান করেছে। সেখানে ৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত হবে। আর এর পরের সপ্তাহে ৪৩তম বিসিএসের বিষয়ে আলোচনা করবে পিএসসি।

জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পিএসসিতে ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের চাহিদা পাঠিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মোট ১ হাজার ৮১৪ পদের চাহিদা পাঠিয়েছে। এতে শিক্ষায় নেয়া হবে সবচেয়ে বেশি। এখানে পদসংখ্যা ৮৪৩টি। এ ছাড়া প্রশাসনে ৩০০, পুলিশে ১০০, পররাষ্ট্রে ২৫, অডিটে ৩৫, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪, সমবায়ে ২০, ডেন্টাল সার্জন ৭৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারে ৩৮৩ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

৪২তম বিশেষ বিসিএসে ২ হাজার চিকিৎসকের নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে পিএসসি। সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ দিতে হলে বিধিমালা সংশোধন করতে হয়। তারা সেই প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

এদিকে ৪১তম বিসিএসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার অপেক্ষায় আছেন সাড়ে চার লাখের বেশি প্রার্থী। গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এতে বিভিন্ন পদে ২ হাজার ১৩৫ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নিয়েছে পিএসসি। এখন মৌখিক পরীক্ষার দিন ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন প্রার্থীরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে পরবর্তী শ্রেণিতে একই রোল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ নভেম্বর ২০২০:
করোনা পরিস্থিতিতে এবার প্রাথমিকে হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের সুযোগও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবার পরীক্ষা ছাড়াই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে পরের ক্লাসে তোলা হবে। এবার শিক্ষার্থীদের যার যে রোল নম্বর আছে, সেই রোল নম্বর নিয়েই পরের শ্রেণিতে উঠবে।

তবে চলতি বছরের প্রথম আড়াই মাসের ক্লাস এবং কোভিড-১৯ এর সময় যেসব শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে সেগুলোর ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।

জানা যায়, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ১৬ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস হয়েছে। সেই সময় তাদের ক্লাস টেস্ট নেয়া হয়েছে, শিক্ষকরা পড়িয়েছেন, এখন সেসব মূল্যায়নে আনা হবে। এছাড়াও মহামারীর এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির মধ্যে সংসদ টেলিভিশন, বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং জুম প্ল্যাটফর্মে যেসব শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, সেগুলোও মূল্যায়ন করা হবে। তবে এসব মূল্যায়ন পরবর্তী শ্রেণিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এবার আনুষ্ঠানিক কোনো পরীক্ষা হচ্ছে এটা মাথায় রেখেই মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের আগের (এবারের) রোল নম্বরই ফলো করবেন, সবাই পরের ক্লাসে প্রমোশন পাবে।’

বাংলাদেশে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হয়েছে। মহামারী পরিস্থিতির ততটা উন্নতি না হওয়ায় এবার পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা নিচ্ছে না সরকার। তবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বয়স বিবেচনা করে মাধ্যমিকের মত অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হচ্ছে না বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল ভর্তিতে ধামাকা অফার, তবুও সাড়া নেই

ঢাকা,২২ নভেম্বর: শিক্ষকদের মাসিক বেতন, প্রতিষ্ঠানের ভাড়া পরিশোধ, শিক্ষার্থী হারানোর শঙ্কাসহ করোনা মহামারিতে নাভিশ্বাস উঠেছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর। বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও কিন্ডারগার্টেন এখনও বন্ধ রয়েছে। কবে খোলা হবে এবং খুললে পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে তা নিয়ে দিনরাত বিশ্লেষণ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। স্কুল বন্ধ থাকায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাজধানীর ব্যক্তি মালিকানাধীন বেশিরভাগ কিন্ডারগার্টেন ইতোমধ্যেই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। অনেক কিন্ডারগার্টেন স্কুল এখন আবাসিক বাসা ভাড়া দেয়া হয়েছে। আবার কেউ কেউ স্কুলের টেবিল চেয়ারসহ শিক্ষা উপকরণগুলো বিক্রি করে সাইনবোর্ড সরিয়ে দোকান দিয়েছেন। আবার নতুন করে কিছু কিছু কিন্ডারগার্টেন খোলার চেষ্টা চলছে। তারা ব্যানার ফ্যাস্টুন লাগিয়ে অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণের করেছেন।

উত্তরার একটি স্কুল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ‘ধামাকা অফার’ দিয়েছে। একই এলাকার কয়েকটি স্কুল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় স্কুলই ভর্তিতে ছাড় দিয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেই ছাড়া ৫০ থেকে ১০০ পারসেন্ট পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে।

স্কুলের পরিচালক মনিরুজ্জামানের কাছে তাদের ‘ধামাকা অফার’ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই ‘ধামাকা অফার’। করোনার কারণে স্কুল দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বিপুল লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার ঠিক পরের বছরেই একটি বড় ধাক্কা খেয়েছি। করোনার কারণে এবছর স্কুল বন্ধ থাকলেও সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে আমরা অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস চালু রেখেছি। বর্তমানে আমাদের এখানে ১২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে অনলাইন মাত্র ২০জন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করছে।

এদিকে করোনা সংকটে টিভি, অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে তাদের শিক্ষার মান নিয়ে খোদ শিক্ষামন্ত্রীই প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাসাইনমেন্টের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সুযোগ নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের চলতি বছরের টিউশন ফি’র বিষয়ে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিস্কার নির্দেশনা দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না, শুধুমাত্র টিউশিন ফি-ই আদায় করবে বিদ্যালয়।

চলতি শিক্ষাবর্ষ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার কোনো পরিকল্পনা নেই শিক্ষামন্ত্রণালয়ের। তবে এরই মধ্যে আগাম শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় নেমেছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

এবিষয়ে উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তারেকুজ্জামান খান বলেন, দীর্ঘদিন করোনার কারণে স্কুল বন্ধ। আয় কমে যাওয়ায় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। এতে স্কুলগুলো শিক্ষার্থী হারাবে এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে নতুন শিক্ষার্থী টানতে ‘ধামাকা অফার’ মত শব্দ ব্যবহার করে স্কুলগুলো ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। এমন অফার নির্ভর বিজ্ঞাপন দিয়ে কতখানি সুশিক্ষা পাওয়া যাবে তা নিয়ে সংশয় থাকলেও বৈশ্বিক সংকটের এই সময় সংশ্লিষ্ঠদের রুটি-রুজির সংস্থান করতে এবং মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে এমনটা করা দোষণীয় কিছু নয়।

অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিভাবকরা চায় সুশিক্ষা। নিজের সন্তানরা মানুষের মত মানুষ হোক, বাবা-মা ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক এ চাওয়া প্রায় সব অভিভাবকের। কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খোলা হবে তার ঠিক নাই। একদিকে স্কুল শিক্ষকরা বেতন চাইছে। অন্যদিকে সন্তানের লেখাপড়ায় চরম ধস নেমেছে। এখন স্কুলের পুরনো বেতন দিবে না নতুন ভর্তির কথা চিন্তা করবেন তা নিয়ে দো টানা অবস্থায় রয়েছেন স্বজনরা।

এবিষয়ে খোকন, ফারুক, সোহেল, ফেরদৌসী, বনানী মল্লিক, তাজুল ইসলাম, আশরাফসহ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, করোনাকালে আয় রোজগার বন্ধ ছিল। অফিস খোলার পর বেতন নেমে গেছে অর্ধেকে। অথচ সন্তানের স্কুলের বেতন শতভাগ। আয় বুঝে ব্যয় করতে গেলে সন্তানের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। তাই মন্ত্রণালয়ের কাছে টিউশন ফি কমানোর জোর দাবি জানান তিনি।

এদিকে গত ১৭ নভেম্বর রাতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, করোনার কারণে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমস্ত প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তা ছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাই না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই বদলে যাচ্ছে

ঢাকা,২২ নভেম্বর: ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বদলে যাচ্ছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে নবম এবং ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই হাতে পাবে শিক্ষার্থীরা। এতে আগের মতো মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ থাকবে না। মাধ্যমিকে সব শিক্ষার্থীকে সমান দক্ষতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে একাদশ থেকে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম রেজাউল হাসান বলেন, ‘করোনার কারণে পরিমার্জন পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সালে অষ্টম এবং ২০২৪ সালে দশম শ্রেণির পরিমার্জিত বই দেওয়া হবে। এসব বইয়ে বিভাগ বিভাজন থাকবে না।’

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় সব কার্যক্রমই এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে পরিমার্জিত কারিকুলাম চালু শুরু হবে। ২০২২ সাল থেকে মাধ্যমিকের নবম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, বাণিজ্য বিভাগ উঠিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারিকুলাম পিছিয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সাল থকে নবম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে। আর ২০২৪ সালে দশম শ্রেণিতে বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হবে।
তবে নতুন পাঠ্যক্রমে কনটেন্ট পড়ার চাপ কমিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। নম্বর ও সময় কমিয়ে আনা হবে পরীক্ষায়। কারিগরি শিক্ষাকে করা হবে জীবনমুখী।

২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পাঠ্যবই পরিমার্জন শেষ করা কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে পরিমার্জন করা হচ্ছে ২০২২ সাল থেকে। উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বাদশ শ্রেণির বই পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে পরিমার্জন শেষ হবে ২০২৬ সালে।

এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির পরিমার্জিত বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছর প্রাক-প্রাথমিকের ৪ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে ২০২৩ সালে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে তৃতীয়, চতুর্থ অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই পাবে শিক্ষার্থীরা। এ বছরই ৫ বছরের বেশি বয়সী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে ২০২৪ সালে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে সারাদেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু করা হবে। ২০২১ সাল থেকে দুই বছরের পাইলটিং শুরু হচ্ছে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর সারাদেশে ২০২২ সালে চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৪ সালে সম্ভব হলে একাদশ ও ২০২৫ সালে দ্বাদশ শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই দেওয়া হবে। যদি সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একাদশ এবং ২০২৬ সালে দ্বাদশ শ্রেণির বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

২০২১ সালে ২ হাজার ৬৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক পাইলটিং শুরুর কথা রয়েছে। বর্তমানে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক চালু রয়েছে। পাইলটিং করা হবে ৪ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ভর্তি করে। এসব শিশুর জন্য নতুন কারিকুলামের বই দেওয়ার কথা ছিল ২০২১ সাল থেকে। তা পিছিয়ে ২০২৩ সালে যেতে পারে। একইভাবে পরের বছর দেওয়া হবে ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের পরিমার্জিত পাঠ্যবই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একদিনে মৃত ৯ হাজার, সংক্রমিত প্রায় ৬ লাখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,২২ নভেম্বর:
প্রাণঘাতী করোনার তাণ্ডবে আবারও বিপর্যস্ত বিশ্ব। শীতের মৌসুম শুরু হতে না হতেই করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। যদিও সুস্থতার সংখ্যাও বাড়ছে উল্লেখযোগ্যহারে।

এদিকে গত একদিনে করোনায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার জনের। একই সময়ে অজানা এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন প্রায় ৬ লাখ মানুষ। যার ফলে নতুন করে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বেশ কয়েকটি দেশ।

করোনা নিয়ে আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫ কোটি ৮৪ লাখ 88 হাজার ৫১৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৩ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩৪ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৪ জন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৯০ জনের।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ৯০ লাখ ৯৫ হাজার ৯০৮ জন এবং মারা গেছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৬৩ জন।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৬০ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ জনের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৬ জনের।

চতুর্থ অবস্থানে থাকা ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২১ লাখ ২৭ হাজার ৫১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ হাজার ৫১৮ জন।

পঞ্চম স্থানে থাকা রাশিয়ায় করোনায় সংক্রমণের সংখ্যা ২০ লাখ ৬৪ হাজার ৭৪৮ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ হাজার ৭৭৮ জনের।

প্রাণঘাতী ভাইরাসটির সংক্রমণ বাড়ছে বাংলাদেশেও। ২৪ নম্বর অবস্থানে থাকা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৫ হাজার ২৮১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৩৫০ জনের। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫২ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরেকটি ধাক্কা আসছে, সতর্ক থাকুন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ নভেম্বর ২০২০:
বৈশ্বিক মহামারি করোনার আরেকটি ধাক্কা আসছে। প্রথমবারের অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্বিতীয় ঢেউও মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাগুরা, যশোর ও নারায়ণগঞ্জে তিনটি সেতু উদ্বোধনকালে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সবাইকে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘মহামারির এই প্রকোপের মধ্যে মানুষকে সুরক্ষা দেয়াই সরকারের লক্ষ্য। সেভাবেই সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে অর্থনীতির চাকা যেন সচল থাকে সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দ্বিতীয় ধাক্কাও সরকারের পক্ষে সামলানো সম্ভব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য সরকার আগাম বুকিং দিয়ে রেখেছে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ পাবে।’

‘আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সারাদেশে যোগাযোগব্যবস্থার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এর দ্বারা সচল হয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে’ বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলসহ সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। এতে অর্থনীতির চাকা আরও সচল হবে। পদ্মা সেতুর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন যেন সহজ হয় সে লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন এলাকায় নতুন নতুন সেতু নির্মাণ করছে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঘুষ দিয়েও পাননি পেনশন, প্রাথমিক শিক্ষকের করুণ মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,২০ নভেম্বর:
ঘুষ দিয়েও পাননি পেনশনের টাকা। টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন কিশোরগঞ্জের কালটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সানাউল করীম।

ওই শিক্ষকের স্ত্রী ও কন্যার দাবি, পেনশনের টাকা না পাওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক মো. সানাউল করীম উপযুক্ত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারেননি। এ কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। গত ১২ নভেম্বর রাতে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ভোর ৪টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তির পর ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চিলাকারা গ্রামের মো. সানাউল করীম পার্শ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কালটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২০ মে তার অবসরোত্তর ছুটিও (পিআরএল) শেষ হয়।

নিয়মানুযায়ী পিআরএল শুরু থেকেই পেনশন ফাইল প্রস্তুতির কাজ শুরু করার কথা কিন্তু পিআরএল শেষ হওয়ার পরও পেনশন ফাইল প্রস্তুতির কাজ শুরু না হওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক দিশেহারা হয়ে পড়েন। তার চিকিৎসাসেবার জন্য বিপুল অঙ্কের টাকার প্রয়োজনে দ্রুত পেনশন ফাইল নিষ্পত্তির ব্যবস্থার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কামরুল হাসানের কথামতো ধার দেনা করে তার হাতে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ তুলে দেন তিনি। এরপর আরও টাকার জন্য টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করে ফাইলটি আটকে রাখেন।

এ পরিস্থিতিতে হৃদরোগে আক্রান্ত শিক্ষক সানাউল করীম গুরুতর অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। গত বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাতে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তির পর শুক্রবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

তার মৃত্যুর খবরে দীর্ঘদিন পর তড়িঘড়ি করে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফিক্সেশন রিভাইজের জন্য জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসারের কার্যালয়ে পেনশন ফাইল পাঠান ওই অফিস সহকারী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান দাবি করেন, নানা জটিলতার কারণে ফাইলটি চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা যাচ্ছিল না। এসব শেষ করে চলতি সপ্তাহে ফাইলটি জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ সময় ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামূল হক খান জানান, তিনি সময়মতো ওই পেনশন ফাইলে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। এতদিন আটকে রাখার এবং ঘুষ নেয়ার বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না।

শিক্ষক মো. সানাউল করীমের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে স্মৃতি আক্তার জানান, কেন জানি কামরুল হাসান ঘুষের ওই ৫০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে গেছেন। আগামী রোববার আবার অফিসে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, এ ঘটনা নজিরবিহীন। আজকাল কয়েক দিনের মধ্যেই পেনশন কেস নিষ্পত্তি করা হয়। এ সময় ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখার বিষয়ে তদন্ত করে জড়িত অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পেনশন ফাইল নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৭, শনাক্ত ২২৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ নভেম্বরঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৭৫ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন চার লাখ ৪৩ হাজার ৪৩৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৭ জনের। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ছয় হাজার ৩২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭০৯ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন তিন লাখ ৫৮ হাজার ৪৩১ জন।

শুক্রবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোভিড-১৯ সংক্রমণের সর্বশেষ এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৫৯৫টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৫ হাজার ৬০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৬ লাখ ২২ হাজার ৫৫৯টি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১৪ দশমিক শূন্য ৫৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ৮৩ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।

মারা যাওয়া ১৭ জনের মধ্যে পুরুষ ১১ জন এবং নারী ছয় জন। করোনায় দেশে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেলেন চার হাজার ৮৬৩ জন, আর নারী এক হাজার ৪৫৯ জন। শতকরা হিসেবে পুরুষ ৭৬ দশমিক ৯২ শতাংশ, নারী ২৩ দশমিক শূন্য আট শতাংশ।

বয়স বিবেচনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুই জন, বাকি ১০ জন ষাটোর্ধ্ব।

বিভাগীয় হিসেব অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৭ জনের মধ্যে- ঢাকায় ১২জন, চট্টগ্রামে একজন, রাজশাহীতে একজন, সিলেটে একজন এবং রংপুর বিভাগের দুইজন রয়েছেন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৮ মার্চ প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক হতে ৯ লাখ আবেদন

ডেস্ক,২০ নভেম্বর: গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এরই মধ্যে ৯ লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) আশা করছে, এবার সবমিলিয়ে কমপক্ষে ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়বে।

সাধারণরা বলছেন, দেশের সব চাকরিপ্রত্যাশীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চায়। এ কারণে শিক্ষক পদে চাকরি পেতে কোমড় বেঁধে নেমেছেন সবাই। আবার কেউ বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে বেতন-ভাতার সঙ্গে সঙ্গে মর্যাদাও এখন আগের তুলনায় বেড়েছে। এর ফলে তরুণদের মধ্যে প্রাথমিকে শিক্ষকতা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

তবে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন চাকরির পরীক্ষা বন্ধ থাকায় আবেদনের এই ‘কাড়াকাড়ি’। আর চাকরিপ্রত্যাশীরা বলছেন, গ্রেড উন্নীত হওয়ার কারণেই সহকারি শিক্ষকের পদে চাকরিতে আগ্রহী হচ্ছেন তারা।

মোসাদ্দেক নামে এক চাকরিপ্রত্যাশী বলেন, ‘এবারই প্রথম প্রাথমিকের শিক্ষক পদে পরীক্ষা দিচ্ছি। করোনার কারণে একটা বছর বসেছিলাম, কোথাও পরীক্ষা দিতে পারিনি। এ সময়ে শিক্ষকদের গ্রেডও বাড়িয়েছে সরকার। পরবর্তীতে হয়তো আরো বাড়ানো হতে পারে। এজন্যই আবেদন করেছি।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সিনিয়র সহকারি সচিব আতিক এস বি সাত্তার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৯ লাখ ৬০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখের বেশি আবেদন আসতে পারে। শেষের দুই সপ্তাহে বেশি আবেদন হতে পারে।’

‘আবেদন শেষে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরুর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে’ বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিকে এবার সব মিলিয়ে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। দেশের ইতিহাসে সরকারি কোনো চাকরিতে এটিই বৃহত্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। শূন্য আসনের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা বেশি হলে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারি শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

প্রাথমিকের শিক্ষক পদে আবেদন করতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।

এবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ছয় হাজার ৯৪৭টি শূন্য পদে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯নভেম্বর |
দীর্ঘ বন্ধের কারণে সেশনজট থেকে মুক্তি পেতে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন 10 minute live school এর এডমিন স্বরুপ দাস
এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, সারা পৃথিবী আজ করোনার কবলে পড়েছে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে পুরো জাতি সাফল্যের সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী 10 minute live school ও সাহসিকতার সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে।
10 minute live school এর ফেসবুক পেজ

ফেসবুক পেজে যেতে ক্লিক করুন।
এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ নভেম্বর, ২০২০:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক চাকরি প্রত্যাশীর পক্ষে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানা যায়, যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পয়ত্রিশ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পিইডিপি-৪ এর আওতায় নেয়া হবে। কিন্তু ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ অক্টোবর জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোটা প্রথা বাতিল করা হয়।

রিট আবেদনে দাবি করা হয়, পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর ৬০ শতাংশ নারী কোটা ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাদের নিজেদের স্বার্থে ওই প্রজ্ঞাপনের ৮ম অনুচ্ছেদে এ বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ এপ্রিল কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র এবং সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।

রিটে আরও বলা হয়, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন তাদের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখা হয়েছে। অন্যকোনো অনগ্রসর কিংবা প্রতিবন্ধিদের সম্পর্কে কিছু উল্লেখ নাই। এ কোটা বন্টনের ফলে সমাজের নিন্মশ্রেণির তথা দিনমজুর শ্রমিক রিকসাচালক, কৃষকের সরকারি চাকরি প্রত্যাশী ছেলে সন্তানের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। যা তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মের নিয়োগ লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।

রিটে বিবাদী করা হয়, মন্ত্রীপরিষদের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফের রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ নভেম্বর, ২০২০
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফের রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। দুই দফায় সময় শেষ হলেও আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশনের সময় ফের বৃদ্ধি করা হয়েছে। আর এ সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণ ও শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করা যাবে।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে এসব তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি। এ অবস্থায় ১৮ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধন করা যাবে। এক্ষেত্রে বিলম্ব ফি ছাড়া নির্ধারিত খাতে সোনালী সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টাকা জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্ধিত তারিখের পর আর কোন বাদপড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন বা সংশোধন করা যাবে না। এ সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বা সংশোধনের কার্যক্রম সম্পন্ন না করলে দায়-দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চলে গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

অনলাইন ডেস্ক
না ফেরার দেশে চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার বেলভিউ নার্সিং হোমে আজ ১৫ নভেম্বর রোববার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। তার মৃত্যুর বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা।

গত ৬ অক্টোবর করোনা আক্রান্ত হয়ে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রায় ৪১ দিন এখানেই ভর্তি ছিলেন তিনি। করোনা নিয়ে ভর্তি হলেও তিনি পরে করোনা নেগেটিভ হয়েছিলেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তার প্রস্টেট ক্যানসার নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে ফুসফুস এবং মস্তিষ্কে। তার মূত্রথলিতেও সংক্রমণ হয়েছিলো।

উল্লেখ্য, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমহার্স্ট স্ট্রিট সিটি কলেজে সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৯ সালে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় ‘অপুর সংসার’ ছবিতে অভিনয় করেন। সত্যজিতের ৩৪টি সিনেমার ১৪টিতে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সিনেমা ছাড়াও নাটক ও যাত্রায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয় ছাড়াও লেখালেখি ও আবৃত্তি করেন গুণী এই শিল্পী।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে- অশনিসংকেত, সোনার কেল্লা, দেবদাস, নৌকাডুবি, গণদেবতা, হীরক রাজার দেশে, আতঙ্ক, গণশত্রু, সাত পাকে বাঁধা, ক্ষুধিত পাষাণ, তিন কন্যা, পারমিতার একদিন, আগুন, শাস্তি, জয় বাবা ফেলুনাথ, অলীক সুখ, নোবেল চোর, আবার অরণ্যে, বেলাশেষে, প্রাক্তন ইত্যাদি।

তিনি ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ ২০০৪ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মান পদ্মভূষণ সম্মানিত হন। ২০১২ সালে ভারতের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘দাদা সাহেব ফালকে’ পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়া, ২০১৮ সালে ফ্রান্সের ‘লেজিয়ঁ দ্য নর’ পুরস্কার পান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ক্লাসে যেভাবে উন্নীত হবে

অনলাইন ডেস্ক,১৫ নভেম্বর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ভিত্তিতেই তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরের ক্লাসে উঠবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রত্যেককে সনদ দেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেল। এখন তারপরে ১১ দিনের মতো আমাদের হাতে সময় আছে। তারপরে যদি খোলার মতো অবস্থা না হয়, তাহলে আমরা বলে দিয়েছি স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করবে। এটা ঠিক অটোপাস বলতে চাচ্ছি না মূল্যায়ন করেই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে প্রাথমিকের সমাপনী, জেএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করাহয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও।

তবে টেলিভিশন ও রেডিওতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে শ্রেণি পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter