Home » টপ খবর

টপ খবর

বুধবারও সরকারি অফিস চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
বুধবারও চলবে সরকারি অফিস। রমজান মাস ৩০ দিন ধরে সরকারি যে ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছে, বিশেষ পরিস্থিতিতে সেটাই অনুসরণ করছে সরকার। তবে ২৯ রোজায় সাধারণত অফিস খোলা থাকে না বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, মূলত করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ২৯ রোজায় বিশেষভাবে অফিস খোলা রাখা হচ্ছে। কারণ ঈদের ছুটিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তো কর্মস্থলেই থাকতে হচ্ছে।

জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামীকাল অফিস খোলা থাকবে।’

দীর্ঘদিন ধরে ঈদের ছুটির ক্ষেত্রে অনুসরণীয় নিয়ম হচ্ছে, ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দিন ছুটি থাকে। রমজান মাস কখনো ২৯, কখনো ৩০ দিনে শেষ হয়। ২৯ রমজান ধরেই ঈদের ছুটি দেয়া হয়। যদি রমজান মাস ৩০ দিনে শেষ হয় সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চারদিন ছুটি পেয়ে থাকেন। ৩০ রমজানের ক্ষেত্রে ঈদের আগে দুদিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিন-এই চারদিন ছুটি থাকে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বৃহস্পতি বা শুক্রবার (১৩ বা ১৪ মে) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এবার সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩, ১৪ ও ১৫ মে (বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলের চাকা ঘুরল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
স্বপ্নের মেট্রোরেল যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। দেশে প্রথমবারের মতো চালানো হয়েছে মেট্রোরেল। রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য (পারফরমেন্স রান) চালানো হয় বিদ্যুৎচালিত এ ট্রেনটি। এ ধরনের আরও ১৮টি পরীক্ষা চালানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দি‌কে দিয়াবা‌ড়ি‌তে ডি‌পোর ভেত‌রে চালা‌নো হয় মেট্রোরেলের প্রথম ট্রেন। ওয়ার্কশপ থেকে চালিয়ে ছয় ব‌গির (‌কোচ) ট্রেন‌টি আনলোডিং জোনে নিয়ে আসা হয়।

আরও পড়ুন : দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিবারের প্রিন্ট পত্রিকা ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’

মে‌ট্রো‌রে‌লের এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠা‌নে ভার্চুয়া‌লি যোগ দেন সড়ক প‌রিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ট্রেন‌টি আন‌লো‌ডিং জো‌নে আনার পর বাংলা‌দে‌শে নিযুক্ত জাপা‌নি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোচগুলোর ভেতরে প্রবেশ করে ঘুরে দেখেন।

দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন

এর আগে গত ২১ এপ্রিল মেট্রোরেলের প্রথম সেট ঢাকায় এসে পৌঁছে। এতে মোট ছয়টি কোচ আসে। তখন মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিকিএমএএন সিদ্দিকি জানান, কোচগুলো ডিপোতে নেওয়া হবে। এরপরে ট্রায়াল রান শুরুর আগে এগুলোর একটি সমন্বিত পরীক্ষা করা হবে।

এদিকে দ্বিতীয় সেটও গত রোববার মোংলাবন্দ‌রে এসে পৌঁ‌ছে‌ছে। কোচগু‌লো‌কে ১৯ ধর‌নের

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২১
ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) রোববার (৯ মে) এ নির্দেশনা দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো বাস্তবায়নাধীন ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্টিগ্রেটেড অ্যাডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সরকারের সিআরভিএস ব্যবস্থার আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের যষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর ডেটাবেজ প্রস্তুত ও ইউনিক আইডি দেওয়ার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থী তথ্য ছক (হার্ডকপি) পূরণের কাজ চলমান রয়েছে।

যে সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর অনলাইনের মাধ্যমে দেওয়া হয়নি সে সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর অনলাইনের মাধ্যমে করে ফরমে লিপিবদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কেননা শিক্ষার্থীর জন্ম সনদ নম্বর ও জন্ম তারিখ অনলাইনে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের ডাটাবেজে যাচাই করার পর ইউআইডি দেওয়া হবে। হাতে লেখা জন্ম সনদের নম্বর অনলাইনে ভেরিফাই করা যাবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ৫০০ টাকা করার সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক মে ১০, ২০২১:
করোনা পরিস্থিতিতে ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাখরচ বেড়েছে ১২ গুণ। ফলে শিক্ষার সুযোগপ্রাপ্তিতে সংকট তৈরি হয়েছে। স্কুলগামী ছেলেশিশুদের ৮ শতাংশ এবং মেয়েশিশুদের ৩ শতাংশ কোনো না কোনো উপার্জন প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়েছে। গ্রামীণ অঞ্চলে যেখানে শহরের তুলনায় মানুষের আয় পুনরুদ্ধারের ও কাজের ভালো সুযোগ রয়েছে সেখানেও এই হার বেশি।

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক যৌথ গবেষণায় এটি উঠে এসেছে।

সোমবার (১০ মে) অনলাইনে এক অনুষ্ঠানে গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন।

শিক্ষাখাতে অভিভাবকদের ওপর খরচের চাপ কমাতে দেশে প্রচলিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বৃত্তিপ্রদান কর্মসূচিকে শিক্ষা খরচ হিসেবে ব্যবহার করার সুপারিশ করেছেন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তথ্য-বিবরণী থেকে প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে ২৯৬০ কোটি টাকা সরবরাহ করে সরকার বেশ দ্রুতই এই খাতে অর্থসংস্থান করতে পারে। এক্ষেত্রে একজন প্রাথমিকে একজন শিক্ষার্থীকে ১০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা উপবৃত্তি দেয়ার সুপারিশ করেন তিনি।

কোভিড-১৯ এর কারণে দেশে দরিদ্রতার রূপ কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা জানতে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি যৌথভাবে পুরো দেশজুড়ে তিনধাপে একটি টেলিফোন জরিপ করে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত এটি করা হয়।

এই গবেষণার তৃতীয় ধাপের দ্বিতীয় অংশ হলো ‘কোভিড ইমপ্যাক্ট অন এডুকেশন লাইফ অব চিলড্রেন’।

ফলাফলে দেখা গেছে, দূরবর্তী শিক্ষণের জন্য যে সুবিধা থাকা দরকার তা আছে বা ব্যবহার করছে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী। ফলে সরকারি ও বেসরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে এই বন্ধে লেখাপড়া শেখার হার খুব কম। অবশ্য যারা দরিদ্র নয় এবং শহরের বস্তিতে থাকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সেসব শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার একটু বেশি। একই সঙ্গে কোচিংয়ে বা প্রাইভেট টিউশনে যাওয়ার প্রবণতা মাধ্যমিক স্তরে ৬১ শতাংশ। যারা দরিদ্র নয়, তাদের মাঝে এই হার বেশি (৭৪ শতাংশ)।

আবার শহরের বস্তি এলাকায় খরচ বেশি হওয়ার কারণে কোচিংয়ে যুক্ত হওয়ার হার কম। পড়াশোনায় যুক্ত থাকার আরেকটি পদ্ধতি হলো বাবা-মা বা ভাই-বোনের সহায়তায় পড়া। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ের চেয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে এই সহায়তাপ্রাপ্তির হার কম। মাদরাসায় বদলি হওয়ার প্রবণতা বেড়ে আগের চেয়ে চার গুণ হয়েছে এবং মাধ্যমিকের চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। যদিও ৯৫ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানকে স্কুলে পুনরায় পাঠাতে আগ্রহী তবুও অর্থনৈতিক অবস্থাটি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

জরিপে দেখা যায়, শিক্ষণ ঘাটতির মুখে রয়েছে প্রাথমিক স্তরের ১৯ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। শহরের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষণ ঘাটতির ঝুঁকি বেশি বলে পরিলক্ষিত হয়েছে। নারীদের ২৬ শতাংশ এবং পুরুষদের ৩০ শতাংশ রয়েছে এই ঝুঁকিতে। দরিদ্র শ্রেণির মানুষদের মাঝে যারা অতি দরিদ্র, সেইসব পরিবারের মাধ্যমিক স্কুলগামী ৩৩ শতাংশ পুরুষ শিক্ষার্থীর কোভিড-সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধাক্কায় স্কুল ছেড়ে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার মধ্যেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান ৯৭ শতাংশ অভিভাবক

ডেস্ক,১০ম ২০২১:
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চললেও এ মুহূর্তে স্কুল খুলে দিলে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী। প্রাথমিকের ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এমন মতামত দিয়েছেন।

গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি) এবং বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিজিআইডি) পরিচালিত এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠেছে।

সোমবার (১০ মে) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুইটি। ২০২০ সালের এপ্রিল এবং চলতি বছরের মার্চে ছয় হাজারের অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

মহামারির এ সময়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকার পরও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও সন্তানদের বাইরে যাওয়া বন্ধ নেই, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন তারা।

তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে সন্তানদের শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, যা তারা বাড়াতে চান না। বাধ্য হয়ে এ ক্ষতির কিছুটা কমাতে কোচিং সেন্টারে সন্তানদের পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নিয়মিত খরচের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষায় খরচ ১১-১৩ গুন পর্যন্ত বেড়েছে।

অভিভাবকা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের সন্তানদের শিক্ষায় আগ্রহ কমছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ‘অটো পাস’ এর কারণে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে গিয়ে সন্তানরা কোনো সমস্যায় পড়েন কি-না, তা নিয়েও তারা ভীষণ উদ্বিগ্ন।

এ সমীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিজিআইডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমীক্ষা প্রতিবেদনের মূল বার্তা হলো- স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলে ভবিষ্যত জীবনে সন্তান সমস্যায় পড়বে, এমন আশঙ্কা থেকে অতি দরিদ্র ৫৯ শতাংশ বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়ের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়েছেন। আবার স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে কওমি মাদ্রাসা খোলা থাকায় এখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেড়েছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ মে, ২০২১
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগে শহীদ মিনার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্ধারিত নকশা অনুসারে পাঁচ স্তম্ভ বা তিন স্তম্ভ বিশিষ্ট শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে। স্কুলের জায়গার সদ্ব্যবহার করে প্রাঙ্গনের উপযুক্ত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে।

রোববার (৯ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। একইসাথে সব স্কুলে শহীদ মিনার স্থাপনের নকশা মাঠপর্যায়ের শিক্ষা অফিসগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তর বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারের অভিন্ন নকশা প্রণয়ন করে মাঠ প্রাঙ্গনে স্থাপন উপযোহী দুইটি নকশা প্রেরণ করা হলো। পাঁচ স্তম্ভবিশিষ্ট ও তিন স্তম্ভবিশিষ্ট দুইটি অপশনের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন উচ্চতায় স্তম্ভের সাইজের ছক দেয়া আছ।

অধিদপ্তর আরও বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সরকার থেকে কোন টাকা বরাদ্দ করা হয় না। এটি স্থানীয় উদ্যোগে নির্মাণ করতে হবে।

তাই, এ নকশ দুটির মধ্যে স্থানীয় উদ্যোগে যেকোন একটি নকশা অনুসরণ করে সরকরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে বলেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর আরও বলছে, বিদ্যালয়ের জায়গার সদ্ব্যবহান করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের উপযুক্ত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা পেছালো

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ মে, ২০২১
করোনা পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হল। রোববার (৯ মে) দুপুরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

বুয়েট জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে ঠিক করা হবে।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ মে, ১ জুন এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তির প্রাথমিক বাছাই ও ১০ জুন লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিলো। তবে সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারণে এ সময় পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৪ ঘন্টায় বাড়ল মৃত্যু ও শনাক্ত

ঢাকা, ৯মে ২০২১: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৬ জন।এনিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৪ জনের।

এ সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৮৬ জন।এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ জনে।

রোববার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। আর নতুন করে আক্রান্ত হন ১ হাজার ২৮৫ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও ১৪ দিন বাড়ল সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ

ঢাকা,৮ মে ২০২১ : ভারতের করোনাভাইরাস (কোভিড–১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে দেশটির সঙ্গে স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বেড়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধ রয়েছে।

স্থলপথে ভারত থেকে যাত্রী আসা যাওয়া বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (৮ মে) পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, প্রথম দফার মত এবারও বাংলাদেশের যে নাগরিকেরা চিকিৎসার জন্য ভারতে আছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিনের কম—শুধু তারাই বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারি সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এপ্রিলে করোনায় প্রাথমিকের ২৭ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮মে ২১:

এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাথমিক স্কুলের ১ হাজার ১৫৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৮৫ জন। মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৪৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৬১ জন। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫ জন এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ২ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হিসাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৪ জন, বাকিরা প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী।

শিক্ষক-কর্মকর্তারা বলছেন, সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরেও এত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী আক্রান্ত হওয়ার চিত্র উদ্বেগজনক। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ৯টি আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৪৯৮ জন। মারা গেছেন ১৮ জন। কুমিল্লায় আক্রান্ত ১০৯ জন, মৃত্যু ৫ জনের, বরিশালে আক্রান্ত ২০১, মৃত্যু ৩, ময়মনসিংহে আক্রান্ত ৭৫, মৃত্যু ৩, চট্টগ্রামে আক্রান্ত ৮৫, মৃত্যু ৫, রাজশাহীতে আক্রান্ত ৬৬, মৃত্যু ৭, সিলেটে আক্রান্ত ১০৪, মৃত্যু ১, রংপুরে আক্রান্ত ১৩৭, মৃত্যু ৭ এবং খুলনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৮ জন এবং মারা গেছেন ১২ জন।

করোনায় মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পাঁচজন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাও রয়েছেন। ওই কর্মকর্তারা হলেন- মাদারীপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর জীবন কৃষ্ণ সাহা, নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক চৌধুরী আশরাফুল আলম, রাজধানীর সরকারি বাংলা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল খায়ের সামাদী।

বাকি দুজন হলেন- কুমিল্লার লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ আলম এবং ময়মনসিংহের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক অজিত কুমার সরকার।

প্রাথমিকে মৃতদের মধ্যে শিক্ষক ২৩, কর্মকর্তা ৩, কর্মচারী একজন রয়েছেন। আর আক্রান্তের মধ্যে শিক্ষক ৯১৫, কর্মকর্তা ১৪৯, কর্মচারী ৬৮ ও ২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭, খুলনায় ৮, চট্টগ্রামে ৭, রাজশাহীতে ১, বরিশালে ১, সিলেটে ১ ও রংপুরে ২ জন রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগে প্রাথমিকের কোনো শিক্ষক-কর্মচারী করোনায় মারা যাননি।

উল্লেখ্য, সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং। আর প্রাথমিক স্তরের তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সেখান থেকেই আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত

ডেস্ক,৮মে:

দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত হয়েছে। শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীরা ভারত থেকে ফিরেছেন। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে যশোরে অবস্থান করছেন।

করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এ ধরন ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বা ধরন পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

হুমকির মুখে ভারত ছাড়লেন সিরাম সিইও

ডেস্ক:

করোনা টিকার জন্য নানা ধরণের হুমকির মুখে ভারতের টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা দেশ ছেড়ে ব্রিটেনে পাড়ি জমিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে কর্পোরেট কর্মকর্তাসহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির চাপের কারণে ভারতীয় ফ্লাইটগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার আগেই দেশ ছেড়ে ব্রিটেনে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

দ্য টাইমস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোভিশিল্ড টিকার জন্য পুনাওয়ালাকে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং অন্যান্যরা ফোন করতেন। দ্রুত টিকা পাওয়ার দাবি জানাতেন তারা।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমটিকে পুনাওয়ালা বলেছেন, হুমকি বললে কম বলা হয়। মানুষের আশা এবং আগ্রাসন অভূতপূর্ব। এটা আশ্চর্যজনক। প্রত্যেকেই মনে করছেন, তার টিকা পাওয়া উচিত। তারা এটা বুঝতে চাইছেন না, কেন অন্যদেরও তাদের আগে টিকা পাওয়া উচিত।

পুনাওয়ালা ওই ব্রিটিশ সংবাদপত্রটিকে আরো বলেন, ওরা বলছে, তুমি যদি টিকা না দাও তা হলে ফল ভালো হবে না, এটা খারাপ ভাষা নয়। কিন্তু বলার ধরনটা খারাপ। এমন হুমকি আসছেই এবং তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত কোনো কাজই করতে দিচ্ছে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী পুনাওয়ালা বলেন, সব ভার আমার কাঁধে। কিন্তু আমি একা তা বহন করতে পারব না।

তবে পুনাওয়ালা যে হঠাৎই দেশ ছেড়েছেন মোটেই এমন দাবি করছে না ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো। তাদের দাবি, অনেক দিন ধরেই ভারত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সিরাম সিইও। লন্ডনের মেফেয়ার এলাকায় ২৫ হাজার স্কয়ার ফুটের বাড়িও ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার ভাড়া সপ্তাহে ৫১ লাখ রুপি।

দ্য টাইমস এর দাবি, পুনাওয়ালা ব্রিটেনে কিছুদিন কাটাবেন বলে জানিয়েছেন। তবে ঠিক কারা পুনাওয়ালাকে ‘হুমকি’ দিয়ে আসছিলেন কিংবা তিনি কবে ভারত ছেড়েছেন এ বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে লিখিত পরীক্ষা সম্ভব নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অনলাইনে সর্বোচ্চ এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। রচনামূলক সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।

শনিবার মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা আরো বৈঠক করে বিকল্প উপায়ে পড়ালেখা চালুর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পরামর্শ পাঠাবো।

এদিকে দীর্ঘ ১৩ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই সময় হয়নি একাধিক পাবলিক পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে এসএসসি-এইচএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া যায় কি-না এর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুটি কমিটি করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ক্লাস করিয়েই নিতে চাই। সে লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করা হয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে আজকের সিদ্ধান্ত হয়তো কাল বদলাতে হচ্ছে। ফলে কবে পরীক্ষা নিতে পারব, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। করোনা পরিস্থিতির দিকেই আমরা তাকিয়ে আছি।

জানা গেছে, এবারের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ সব শ্রেণির ক্লাস-পরীক্ষা নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে বিকল্প উপায় খুঁজতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারা এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করবেন।

এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি এবং ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এসএসসির জন্য ৬০ কর্মদিবস এবং এইচএসসির জন্য ৮৪ কর্মদিবসের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করা হয়েছিল। এ ক্লাস করিয়ে দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে দুটি পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে ২২ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোয় ক্লাস-পরীক্ষা নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা দুটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছি। অন্যান্য দেশে কী উপায়ে পড়ালেখা চলছে, কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে তা পর্যালোচনা করছি। কোনো দেশই করোনার সময়ে সরাসরি পাবলিক পরীক্ষা নেয়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে ১৩ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার প্রকোপে ১৩ মাস বন্ধ রয়েছে সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। টিভি-রেডিও ও অনলাইনে ক্লাশ কার্যক্রম চললেও শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখনফল অর্জন করেছে তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। তবে এবার ছুটির মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে আদেশে শিক্ষকদের উদ্দেশে ১৩ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, এবারই প্রথম গুগল মিট অনলাইন ক্লাস এর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত করে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করা হবে। ক্লাস্টারে একটি করে আইসিটি পুল গঠন করতে হবে এবং এইউও/এটিও নেতৃত্বে ক্লাস্টারে অন্তর্গত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থাকবেন যারা ইতোমধ্যে গুগল মিটে কাজ করেছেন। কোন শিক্ষক গুগোল মিটার উপর অরিয়েন্টেড না হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককে একদিনের অরিয়েন্টেশন দিতে হবে। তবে আইসিটি পুল সদস্যরা ক্লাস্টারের যত বেশি সংখ্যক সম্ভব শিক্ষকদের একদিনের অরিয়েন্টেশন দিবেন। আইসিটি পুলের সদস্যগণ এবং ইতোমধ্যে অরিয়েন্টেড শিক্ষকগণ সকল শিক্ষার্থী ও প্রয়োজনে তাদের অভিভাবকগণকে যাদের স্মার্ট ডিভাইস আছে তাদেরকে গুগল মিনিটে অরিয়েন্টেড করবেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষক প্রতি ভাগ করে নেবেন। শিক্ষকগণ প্রতিজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিতভাবে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীদের পাঠ অগ্রগতির খোঁজখবরব নিবেন। সংশ্লিষ্ট অনলাইন পাঠ দানকারী শিক্ষকের নিকট হতে মূল্যায়ন প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং আবশ্যিকভাবে রেকর্ড সংগ্রহ করবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি-সমমানের ২৩ লাখ পরীক্ষার্থী দুশ্চিন্তায়, আগস্টে পরীক্ষার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ এপ্রিল, ২০২১:
সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রায় ২৩ লাখ মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার্থী দিশেহারা। কবে নাগাদ স্কুল খোলা হবে, কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে- এসব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ অবস্থায় গত রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমদের সঙ্গে কথা বলেছে শিক্ষাবার্তা ডটকমকে। তিনি জানিয়েছেন, যখনই বিদ্যালয় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে, তার পর থেকে ৬০ কর্মদিবস ক্লাস নেয়া হবে। এর পর আরও ১৫ দিন সময় দিয়ে তবেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, এরই মধ্যে এ বছরের পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ওই সিলেবাসের ওপরই এসএসসির প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, ক্লাস না নিয়ে কোনোভাবেই পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সারাদেশে এবার প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবে। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের রয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ। এখনও ফরম পূরণ চলছে। লকডাউনের কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২৩ মে স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। এর পর ৬০ কর্মদিবস পাঠদান শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা নিতে চায় সরকার। সব মিলিয়ে আগস্টের শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, যেভাবে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে নতুন করেও ভাবতেও হতে পারে ছুটির বিষয়ে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এর আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এবারের এসএসসি ও এইচএসসির একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। তা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোও হয়েছে। বিদ্যালয় যখনই খোলা সম্ভব হবে, ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে শেষ করে, আরও অন্তত দু’সপ্তাহ সময় দিয়ে তবেই পরীক্ষা নেয়া হবে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেনও একই কথা বলেন। তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ঘরে বসেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। অনলাইন ক্লাসগুলো ঠিকভাবে করতে হবে।

পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডর চেয়ারম্যান অধ্যাপক প্রদীপ চক্রবর্তীও। শতভাগ প্রস্তুত রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের ফল দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্কুল খোলার পর ৬০ কর্মদিবস ক্লাস করিয়ে তাদের পরীক্ষা গ্রহণের কথা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা এখনও সেই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আছি। লকডাউনের পর এ ব্যাপারে মন্ত্রীর সঙ্গে বোর্ডপ্রধানদের বৈঠকের কথা রয়েছে।’

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রমা বিজয় সরকার সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যথাসময়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে। সিলেট বোর্ডে এসএসসিতে আনুমানিক সোয়া লাখ এবং এইচএসসিতে ৮০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষা দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter