Home » চাকুরি

চাকুরি

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে দিনে দুই লাখ আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ এপ্রিল:

গত ৪ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ৩৪ লাখ ৭০ হাজার নিবন্ধিত চাকরিপ্রত্যাশীর আবেদন জমা হয়েছে। অনেকে নিয়োগ নিশ্চিত করতে ৫০০টি পর্যন্ত আবেদন করেছেন। প্রতিটি আবেদন বাবদ ১০০ টাকা করে মোট ৩৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা আয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এনটিআরসিএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আরো খবর

দৈনিক সংক্রমণে বিশ্ব রেকর্ড, মৃত্যু ছাড়াল দু’হাজার

এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিন বলেন, অনেকে চাকরি নিশ্চিত করতে অনেকগুলো করে আবেদন করেছেন। যারা নম্বরে কিছু পিছিয়ে রয়েছেন তারা কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, তারা চাকরি নিশ্চিত করতে বেশি আবেদন করেছেন। যারা নম্বরে এগিয়ে রয়েছেন তারা বেশি আবেদন করছেন না।

তিনি আরো বলেন, ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় তাদের তৃতীয় ধাপে নিয়োগ কার্যক্রমে যোগদানের সুযোগ দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তারা লিখিতভাবে এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে একাধিক আবেদন জানিয়ে চলমান নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছেন।

নিয়োগ কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে আশফাক উদ্দিন বলেন, আমরা চাইলেও এ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারি না। বিষয়টি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আগামী তিন/চার মাস পর চতুর্থ ধাপে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে তাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার ৩০৪টি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ। শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ৩০ মার্চ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পিএসসির মাধ্যমে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক,০১ মার্চ, ২০২১
সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

রোববার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০ পেশকালে তিনি এ পরামর্শ দেন। কমিশনের অন্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানান, সাক্ষাৎকালে পিএসসি চেয়ারম্যান বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক এবং করোনাকালে কর্ম কমিশন পরিচালনায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পিএসসিকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এতে সময় সাশ্রয় হবে এবং চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি অনেকটা লাঘব হবে। রাষ্ট্রপতি সরকারি কর্ম কমিশনের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ূয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন, সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তারিখ জানালেন ডিপিই মহাপরিচালক

ডেস্ক,১০ ফেব্রুয়ারী: প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ করা হয়েছে। ৪১ ও ৪২তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়ার পর জুন-জুলাই মাসে প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। এ দুটি বিসিএস পরীক্ষায় পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) যেসব কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ করবে সেগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আসন নির্ধারণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

তবে এরমধ্যে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয় তবে পরীক্ষা হল ও আসনের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আনা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রীতিমত মহাযজ্ঞ হয়। এতো বেশি পরীক্ষার্থী থাকে যাদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে হিমশিম খেতে হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলা পর্যন্ত এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না। তবে বিসিএস পরীক্ষাগুলো হলে আমরা ধীরে ধীরে পরীক্ষা নেওয়া প্রস্তুতি শুরু করব।

বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এম মনসুরুল আলম বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলামাত্রই পরীক্ষা নিতে পারব। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে যদি দেরি হয় তবে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করব। তারা যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার আয়োজন করবে সেখানে ধাপে ধাপে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার আসন নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে জুন-জুলাইয়ে আমরা পরীক্ষার প্রথম ধাপ শুরু করতে করতে পারব।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ করা হয়েছে। পরীক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সঙ্গে চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা আয়োজনে নিয়োগ পরিচালনা কমিটি একাধিক সভা করে সব প্রস্তুতিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু পরীক্ষা শুরুর অপেক্ষা।

এবার প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার। যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবে ২৫ হাজার ৬৩০ জন। এই নিয়োগে ১৩ লাখ পাঁচ হাজারের বেশি আবেদন জমা হয়। অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে নানা ধরনের ভুল সংশোধন করার সুযোগ দেয় ডিপিই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক ॥ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটিতে ‘অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার-আইডেনটিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস ম্যানেজমেন্ট সিকিউরিটি, ইনফরমেশন সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট নামের পদে আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বেতন নির্ধারিত হবে আলোচনা সাপেক্ষে। আবেদনের শেষ তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনফরমেশন সিকিউরিটি, সাইবার সিকিউরিটি, কম্পিউটার সায়েন্স অথবা এ–জাতীয় যেকোনো বিষয়ে বিএসসি অথবা এমএসসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর ন্যূনতম চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আবেদনের পদ্ধতি

প্রার্থীরা অনলাইনে (https://bracbank.taleo.net/careersection/external/jobsearch.ftl?lang=en) আবেদন করতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়: ডিপিই’র ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ জানুয়ারী:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এম মনসুরুল আলম জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সরকারের সবুজ সংকেত পেলে পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।
শনিবার মুঠোফোনে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রাথমিকের মহাপরিচালক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলা পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব নয়। তবে প্রার্থীদের আবেদনপত্র, পরীক্ষার প্রশ্নসহ সবকিছু গুছিয়ে রাখার কাজ চলছে।

তিনি আরো বলেন, এখনো স্কুল-কলেজ খোলেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না হলে আমরা পরীক্ষা নিতে পারবো না। কেননা আমাদের প্রায় ১৪ লাখ প্রার্থীর পরীক্ষা নিতে হবে। এত বিপুল সংখ্যক চাকরি প্রত্যাশীর পরীক্ষা নিতে গেলে অনেকগুলো কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এবার প্রায় সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৮০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি আসছে

ডেস্ক,৩০ ডিসেম্বর:
সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের অধিক শূন্য আসনে দ্রুত সময়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গত এক বছর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের অধিক শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করলেও নিয়োগ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএর সাবেক চেয়ারম্যান চলে যাওয়ার পর অনেকদিন এ পদটি শূন্য ছিল। এ জন্য বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শূন্য থাকলেও নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এনটিআরসির নিয়োগসহ নানা বিষয়ে আদালতে অসংখ্য মামলা রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়ন করতে বিলম্ব হয়ে যাচ্ছে। আমরা সব সমস্যাগুলো পেরিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কীভাবে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেব।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল (তালিকা)

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডিসেম্বর ১৬, ২০২০:
বাংলাদেশ পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরবিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ওয়েবসাইট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়।

পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে কৃতকার্য প্রার্থীদের মেধাক্রম উল্লেখ করে নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের (মেধাক্রম অনুসারে) তালিকা দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল (তালিকা)

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ট্রেইনি অফিসার পদে চাকরি

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডে ‘ট্রেইনি অফিসার টু এক্সিকিউটিভ অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
রিজিওনের নাম: সিলেট

পদের নাম: ট্রেইনি অফিসার টু এক্সিকিউটিভ অফিসার
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
দক্ষতা: উচ্চমানসম্পন্ন আইটি পরিবেশে কাজের দক্ষতা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: সিলেট
বয়স: ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে ৩৫ বছর

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা app.dutchbanglabank.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ ডিসেম্বর ২০২০

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আজ শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা পরীক্ষা যাদের

ডেস্ক,২ ডিসেম্বর:
বুধবার (২ ডিসেম্বর) ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রথম দিনের ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন স্কুল পর্যায়-২ এর ভাষা বিষয়ের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভাইভা শুরু সকাল দশটায়। মোট ২৪০ জনের পরীক্ষা নেয়া হবে।

ভাইভা পরীক্ষা নিতে প্রার্থীদের ৮টি গ্রুপে ভাগ করেছে এনটিআরসিএ। গ্রুপ ভিত্তিক প্রার্থীদের কে কোন বোর্ডে পরীক্ষা দেবেন তা পরীক্ষা কেন্দ্র পৌঁছানোর পর জানানো হবে। আর কোন কর্মকর্তা কোন বোর্ডের দায়িত্ব পাবেন তা পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল বেলা নির্ধারণ করা হবে।

প্রার্থীদের রোলভিত্তিক গ্রুপ বিন্যাস দৈনিক শিক্ষাবার্তা  পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

জার্নাল ডেস্ক,৩০ নভেম্বর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে ৭টি পদে ৩৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

বোর্ডের নাম: বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এই লিঙ্কে ক্লিক করে এখানে ক্লিক করুন আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদন ফি: আবেদনের জন্য টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে ১-৫ নং পদের জন্য ৩৩৬ টাকা, ৬-৭ নং পদের জন্য ২২৪ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ নভেম্বর, ২০২০:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এক চাকরি প্রত্যাশীর পক্ষে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানা যায়, যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পয়ত্রিশ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পিইডিপি-৪ এর আওতায় নেয়া হবে। কিন্তু ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ অক্টোবর জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোটা প্রথা বাতিল করা হয়।

রিট আবেদনে দাবি করা হয়, পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর ৬০ শতাংশ নারী কোটা ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাদের নিজেদের স্বার্থে ওই প্রজ্ঞাপনের ৮ম অনুচ্ছেদে এ বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৪ এপ্রিল কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র এবং সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।

রিটে আরও বলা হয়, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন তাদের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা রাখা হয়েছে। অন্যকোনো অনগ্রসর কিংবা প্রতিবন্ধিদের সম্পর্কে কিছু উল্লেখ নাই। এ কোটা বন্টনের ফলে সমাজের নিন্মশ্রেণির তথা দিনমজুর শ্রমিক রিকসাচালক, কৃষকের সরকারি চাকরি প্রত্যাশী ছেলে সন্তানের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। যা তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মের নিয়োগ লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।

রিটে বিবাদী করা হয়, মন্ত্রীপরিষদের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক নভেম্বর ১১, ২০২০ ঢাকা:

গত মাসেই প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সহকারী শিক্ষকেরা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫–এর ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া সব জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন।

এদিকে এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিকের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বলে জানা গেছে। নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো নারী প্রার্থীরা স্নাতক পাস ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না। আর পুরুষ প্রার্থীদের আবেদনের যোগ্যতা আগের মতোই স্নাতক পাস থাকছে।

আবেদন করবেন যেভাবে

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে https://dpe.teletalk.com.bd অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আবেদন গ্রহণ শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। এ পদে প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদনের ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা করার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট নিতে হবে। সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। একবার আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থায়ই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা এই সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক পদে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা

আবেদনকারী একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাবেন। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সব সময়ের জন্য প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ সার্ভিস চার্জসহ ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আবেদনকারীকে যেকোনো টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।

বয়সসীমা

আবেদনকারী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ বছর পূর্ণ হওয়া প্রার্থীরাও আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। কারণ, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ বছর ২৫ মার্চ যাঁদের ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে, সরকারি চাকরিতে তাঁদের আবেদনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আবেদনকারীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

আবেদন ফি

মোট আবেদন ফি ১১০ টাকা। যার মধ্যে অফেরতযোগ্য ১০০ টাকা আবেদন ফি ও ১০ টাকা টেলিটকের সার্ভিস চার্জ।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিল করা আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সব মূল বা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেতন

সহকারী শিক্ষক পদে বেতন ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) (জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী)।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কারিগরি শিক্ষায় ১২ হাজার ৬০০ পদে নিয়োগ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ অক্টোবর:

দেশের টেকনিক্যাল ও পলিটেকনিক কলেজগুলোতে তিন অর্থবছরে প্রায় ১২ হাজার ৬০০ পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারিগরি শিক্ষা খাতে ১ হাজার ৬১টি ক্যাডার পদ এবং ১১ হাজার ৫৪৬টি নন-ক্যাডার পদসহ মোট ১২ হাজার ৬০৭টি পদ সৃষ্টির সরকারি আদেশ জারির জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ১১৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৯টি পলিটেকনিক এবং ৬৪টি টেকনিক্যাল কলেজের জনবলের ঘাটতি সমাধান করা। এরমধ্যে ১ হাজার ৬১টি স্থায়ী ক্যাডার পদে ২০ জন উপাধ্যক্ষ (জাতীয় বেতন- স্কেল, ২০১৫-এ গ্রেড-৫), ১৬৯ জন চিফ ইনস্ট্রাক্টর (টেকনিক্যাল, গ্রেড-৬), ৫৭ জন চিফ ইনস্ট্রাক্টর (নন-টেকনিক্যাল, গ্রেড-৬), ৫১০ জন ইনস্ট্রাক্টর (টেকনিক্যাল, গ্রেড-৯) এবং ৩০৫ ইনস্ট্রাক্টর (নন-টেকনিক্যাল, গ্রেড-৯)।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজগুলোতে বর্তমানে এক তৃতীয়াংশ কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত তীব্র জনবল সঙ্কটের সমাধানের জন্য সরকার এই পদ সৃষ্টি করছে। নিয়োগের পরে শিক্ষার মান ও তালিকাভুক্তির হার বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাল সনদ: এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার অভিযোগ

ডেস্ক,২৯ সেপ্টেম্বর:
জাতীয়করণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বেসরকারি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সনদ যাচাইয়ে জাল চিহ্নিত হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের ১০টি প্রতিবেদনে ২০ জন শিক্ষকের জাল শিক্ষা সনদ চিহ্নিত করা হয়। মূল সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করে এসব জাল সনদ তৈরি করা হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। আর কয়েকটি সনদের রোল নম্বর যাচাই করে ফলাফলের তালিকায় তা পাওয়া যায়নি।
এই সনদ জালিয়াতির ঘটনায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই জালিয়াতি নিয়ে শিক্ষকদের অভিমত, শুধু শিক্ষকরাই জড়িত নন, জালিয়াতির সঙ্গে এক শ্রেণির এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও জড়িত। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জালিয়াত চক্রের অনুসন্ধান করে তাদের দোষীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। ’

শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির ঘটনায় এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আকরাম হোসেন বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাল শিক্ষক সনদ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস) কেন্দ্রীয় সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিঁয়াজো ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘জাল সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনুসন্ধান করতে হবে কিভাবে তারা জাল সনদ সংগ্রহ করলেন? কোথায় থেকে সংগ্রহ করেছেন? সংশ্লিষ্ট এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী এই জাল সনদের সঙ্গে জড়িত। নিরীহ শিক্ষকদের বেকায়দা বুঝে জাল সনদের ব্যবস্থা করেছে একটি চক্র। সনদ জালের উৎসে অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
জানতে চাইলে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার উত্তর মেরামতপুর স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘সনদ জালিয়াতির সঙ্গে এনটিআরসিএ-এর এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কাছ থেকে দালালদের মাধ্যমে শিক্ষকরা সনদ কিনেছেন টাকা দিয়ে। দেশে ৪০ থেকে ৫০ হাজার শিক্ষক জাল সনদে চাকরি করছেন। এ জন্য এনটিআরসিএ দায়ী। ২০০৫ সালের আগে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নিয়েছেন কিন্তু নিয়োগপত্র পেয়েছেন পরে তাদের অনেকেই এমপিওভুক্তির জন্য জাল সনদ কিনেছেন। শিক্ষকতার জন্য জরুরিভিত্তিতে সনদের প্রয়োজনে শিক্ষকরা যখন দিশেহারা, তখন সনদ কিনতে পাওয়া গেছে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায়।’

মো. মোখলেসুর আরও রহমান বলেন, ‘রংপুরের জাল সনদে দূরের জেলার অন্য বিষয়ের সনদের রোল নম্বর হুবহু মিলিয়ে শিক্ষকরা জাল সনদ তৈরি করতে পারবেন না। এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত না থাকলে সম্ভব নয়। জাল চক্র খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এনটিআরসিএ প্রকাশিত চলতি সেপ্টেম্বরের ১০টি প্রতিবেদনে ২০টি জাল সনদ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ সেপ্টেম্বরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জাতীয়করণ করা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের আট জন প্রভাষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ভুয়া বা জাল। শিক্ষক আত্তীকরণে সনদ যাচাই করলে ভুয়া বলে প্রমাণ পায় এনটিআরসিএ। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে একই কলেজের আরও একজন শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত হয়।

কলেজটির আটজন শিক্ষকের মধ্যে সমাজ বিজ্ঞানের প্রভাষক সুরাইয়া বেগমের জমা দেওয়া সনদে রুজিনা আক্তার নামের অন্য এক জনের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মোসা. হাসিনা আক্তারের জমা দেওয়া সনদের জাহাঙ্গীর আলম নামের অন্য এক জনের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক দিল রওশন আরার জমা দেওয়া সনদে বদরুল আমিনের সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বরের অন্য একটি প্রতিবেদনে আরও দুই জন শিক্ষকের সনদ জাল চিহ্নিত করা হয়েছে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. লতিফুজ্জামান ও মনিকা রানী রায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল। মো. লতিফুজ্জামানের জমা দেওয়া সনদটি সাইফুল ইসলাম নামের এক জনের সনদ জাল করা হয়েছে। আর মনিকা রানী রায়ের জমা দেওয়া সনদটি মিজানুর রহমান নামের একজনের সনদ জাল করে করা হয়েছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী জাতীয়করণ করা রংপুরের বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক শামীম আল মামুনের সনদটি রাজবাড়ী জেলার ভূগোল বিষয়ের সহকারী শিক্ষকের সনদ জাল করে করা হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বরে প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জাতীয়করণ করা নওগাঁর নিয়ামত সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো. আসাদ আলীর জমা দেওয়া সনদে মো. আব্দুল খালেকের সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আরেক প্রভাষক সুরুজ কুমারের জমা দেওয়া সনদে আব্দুস সালামের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বরের আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সরকারি মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের ইতিহাসের প্রভাষক ফাতেমা খাতুনের জমা দেওয়া সনদে আব্দুল লতিফের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

এই সব সনদ জালিয়াতির ঘটনায় জালিয়াত চক্রকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন শিক্ষকরা। কারণ এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ জড়িত থাকলেও এতদিন পর তা প্রমাণ করার সুযোগ নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়স পাঁচ মাস ছাড়, প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বয়স ৩০ বছর পেরিয়ে যাওয়া প্রার্থীদের চাকরির আবেদনে পাঁচ মাসের বেশি সময় ছাড় দিয়েছে সরকার। ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হবে তারা আগস্ট পরবর্তী সময়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত বা জাতীয়কৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরি সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ব্যতীত) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৫ মার্চের আগে নিয়ােগের ছাড়পত্র গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সে সকল দপ্তরের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫ মার্চ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সার্বিক চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। পর্যায়ক্রমে অফিস-আদালত-গণপরিবহন চালু হয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে চলছে জনজীবন। এ অবস্থায় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর দিলো সরকার।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ মার্চের পর মার্চ-এপ্রিল-মে-জুন-জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত যে সমস্ত মন্ত্রণালয় চাকরির জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারেনি তারা আগস্টের পর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী যারা থাকবে তাদের জন্য আবেদন চাইবে যে ২৫ মার্চ তাদের বয়স ৩০ বছর হতে হবে। এটুকু দিলে তারা (চাকরি প্রত্যাশী) কনসেশনটা পেয়ে গেল। আবেদনকারীদের জন্য এ সুবিধা গত আগস্ট মাস পর্যন্ত থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগস্টের পর তো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে যে বিজ্ঞপ্তিগুলো যাচ্ছে ২৫ মার্চ তার ৩০ বছর হয়ে যাবে। তাহলে আর কোনো সমস্যা হবে না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter