Home » ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ মার্চ, ২০২১
ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে তা আর হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান দীপু মনি।

এর আগে বুধবার (২৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শবে বরাতের সরকারি ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন খুলছে না। বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৭৩৮ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
৩৮ তম বিসিএস পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৭৩৮ প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে এসব প্রার্থীকে সরকারি কলেজ ও মাদরাসার প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকদের মধ্যে বাংলায় ৪৩ জন, ইংরেজিতে ৫৯ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৩৬ জন, দর্শনে ৩৭ জন, অর্থনীতিতে ৩৪ জন, প্রাণিবিদ্যার ৩৬ জন, ইতিহাসের ২৬ জন, সমাজকল্যাণের ৮ জন, রসায়নের ২৩ জন, ইসলাম শিক্ষার ৪ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ৪১ জন,পদার্থবিজ্ঞানের ৪৫ জন, উদ্ভিদবিদ্যার ২৪ জন, সমাজবিজ্ঞনের ১১ জন, গণিতের ১২ জন, ভুগোলে ৫ জন, মৃত্তিকাবিজ্ঞানের ১ জন, হিসাববিজ্ঞানের ৪০ জন, ব্যবস্থাপনার ২৯ জন, মনোবিজ্ঞানের ৬ জন, কৃষিবিজ্ঞানের ৩ জন, পরিসংখ্যান ৫ জন, সংস্কৃত ২ জন, গার্হস্থ্য-অর্থনীতির ৫জন প্রভাষক পদে নিয়োগে পেয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গুচ্ছ পদ্ধতির ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে যা লাগবে

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী:
করোনার কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অটোপাস দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে প্রতিযোগীতা তীব্র হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বলেছে, দেশের উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে (বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি) আসনের ক্ষেত্রে কোন সংকট হবে না তবে পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিষয়ে ভর্তিতে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য গুচ্ছ পদ্ধতির ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে আসন-যোগ্যতা ও মানবন্টনের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।

এ বছর ১৯টি পাবলিক ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অনুষ্ঠিত বৈঠকে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন, আবেদনের যোগ্যতা সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়।

সে সময় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থ, রসায়ন এবং আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, অ্যাকাউন্টিং, বিজনেস অর্গানাইজেশন ও ম্যানেজমেন্ট এবং আইসিটি বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। আর মানবিক বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের বাংলা, ইংরেজি এবং আইসিটি বিষয়ের উপর করা প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে হবে।

১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের যোগ্যতা:
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মোট জিপিএর চতুর্থ বিষয় ছাড়া ৭। ব্যবসায় শিক্ষায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মোট জিপিএর চতুর্থ বিষয় ছাড়া সাড়ে ৬ এবং মানবিকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মোট জিপিএর চতুর্থ বিষয় ছাড়া ৬।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন:
বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে ২০ নম্বর, রসায়নে ২০, জীববিজ্ঞান-গণিত এবং আইসিটি মিলে ৪০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। জীববিজ্ঞান, আইসিটি ও গণিতের মধ্যে যে কোনো দুইটি বিষয়ের উত্তর দিতে হবে। আর বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ১০ নম্বর করে মোট ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে।

বাণিজ্য বিভাগের জন্য অ্যাকাউন্টিংয়ে ২৫ নম্বর, বিজনেস অর্গানাইজেশন ও ম্যানেজমেন্টে ২৫, আইসিটিতে ২৫, বাংলায় ১৩ এবং ইংরেজি বিষয়ে ১২ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। আর মানবিক বিভাগে বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ এবং আইসিটি বিষয়ে ২৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে।

আসন সংখ্যা:
১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন ২২ হাজার ৩৭৪ টি। নিচে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও আসন সংখ্যা দেয়া হলো।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়:
২ হাজার ৩০৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৫৫০টি, মানবিকে ১ হাজার ৪৭১টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৪৫০টি।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ৭০৩টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ১ হাজার ২১০টি, মানবিকে ৩১০টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৮৩টি।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ২১৭ টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৬৪৫টি, মানবিকে ৪৩৫টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৯১টি।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
২ হাজার ৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ১ হাজার ৩৬০টি, মানবিকে ৩৬৫টি এবং বাণিজ্য শাখায় ২৮০ টি।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
৮১৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৭৩৩টি, মানবিকে ২৮টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৫৪টি।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ২৮৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৯৭০টি, মানবিকে ১৮৬টি এবং বাণিজ্য শাখায় ১২৯টি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
২ হাজার ৭৬৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ১ হাজার ২৪৫টি, মানবিকে ৮৫০টি, বাণিজ্য শাখায় ৫২০টি এবং চারুকলা সবার জন্য ১৫০টি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ১৯০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৫১৫টি মানবিকে ২৭৩টি এবং বাণিজ্য শাখায় ২৫২টি।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ৬০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ২৭২টি, মানবিকে ৫৪০টি এবং বাণিজ্য শাখায় ২৪৮টি আসন রয়েছে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
৯১০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৬৮৫টি মানবিকে ১০০টি এবং বাণিজ্য শাখায় ১৪০টি।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ৩১৫টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৬৯২টি, মানবিক শাখায় ৩৯৮টি এবং বাণিজ্য শাখায় ২৮১টি।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
৯২০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞানে ৬৫০টি, মানবিকে ১৪৫টি এবং বাণিজ্য শাখায় ১২৫টি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
২ হাজার ৭৪৫টি আসনের মধ্যে এবার ১ হাজার ৬০০ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। পূর্বের হিসেব অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান শাখায় ১ হাজার ৪৬০টি মানবিকে ৩৮৫টি, বাণিজ্য শাখায় ৩১০টি এবং সম্মিলিত সবার জন্য ৫৯০টি আসন রয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়:
১ হাজার ৪৪০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৬৪৯টি, মানবিক শাখায় ৪৬৩টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৩০২টি আসন রয়েছে।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
১৫০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৭৫টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৭৫টি।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়:
১৫৫টি আসনের মধ্যে মানবিকে ১২০টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৩৫টি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি:
১০০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে সবগুলোই বিজ্ঞান শাখার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মানবিক শাখা ও নেই বাণিজ্য শাখায় আসন নেই।
শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়:
৯০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৩০টি, মানবিক শাখায় ৩০টি এবং সবার জন্য ৩০টি।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
১৫০টি আসনের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৯০টি মানবিক শাখায় ৩০টি এবং বাণিজ্য শাখায় ৩০টি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্কশিট পাবেন অটোপাস শিক্ষার্থীরা, বিতরণ শিগগিরই

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী:
পরীক্ষা না হলেও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় (অটোপাস) উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট (মার্কশিট) পাবেন। সেই সাথে তাদের সার্টিফিকেটও দেবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবদুস ছালাম সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা পূর্বের মতোই একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট পাবে। সেটি দিয়ে তারা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। অনেকেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। সেজন্য আমরা দ্রুত একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে দেব। আমরা প্রথমে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট দিবো। এর পর আমরা সার্টিফিকেটগুলো পাঠাবো বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত শনিবার (৩০ জানুয়ারি) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা না হওয়ায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করা সব শিক্ষার্থীই পাস করেছেন। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাবির হল খুলছে ১৩ মার্চ

ঢাবি প্রতিনিধি,৩১ জানুয়ারী:
সীমিত পরিসরে আগামী ১৩ মার্চ থেকে খোলা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল। তবে শুরুতে শুধু অনার্স শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির নিয়মিত সভায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্চের শুরুতে সীমিত পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলার সুপারিশ করা হয়।

ওই দিন প্রভোস্ট কমিটির সদস্য সচিব ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, যেহেতু সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই বিভিন্ন হলের প্রভোস্টগণও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধুমাত্র অনার্স শেষ বর্ষ এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল খোলার সুপারিশ করেছে। এটি এখন ডিনস কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলে যাবে। সেখানে এটি চূড়ান্ত করা হবে।

সে সময় তিনি আরও জানিয়েছিলেন, হল খোলা হলেও হলে যাদের রুম বরাদ্দ রয়েছে তাদের হলে নেওয়া হবে। এর বাইরে আর কেউ হলে উঠতে পারবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাত কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ জানুয়ারী:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের মাস্টার্স (১৭-১৮) শেষ পর্বের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি মাসে এবং অনার্স নতুন তৃতীয় বর্ষের (১৭-১৮) পরীক্ষা মার্চের প্রথম দিকে শুরু হবে।

শনিবার বিকেলে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের আগেই জানিয়েছি মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। ফরম পূরণ যখনই হোক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই হবে। অন্যান্য পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য পাঁচ থেকে ১০ দিন পেছাতে পারে। তবে পরীক্ষা অবশ্যই ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হবে। ফরম পূরণের তারিখও আশা করি এই সপ্তাহে দিয়ে দিবে।’

আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অনার্স তৃতীয় বর্ষের (পুরাতন) পরীক্ষা। ইতোমধ্যে গত ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা। যার ফলে অনার্স চতুর্থ বর্ষের মধ্যে যাদের তৃতীয় বর্ষে মানোন্নয়ন পরীক্ষা রয়েছে তারা পড়েছেন বিপাকে। তৃতীয় বর্ষের প্রকাশিত সময়সূচিতে দেখা যাচ্ছে, চলমান চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা যেদিন, তার ঠিক পরদিনই আবার তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা রয়েছে।

মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচিতে কোনো সমন্বয় করা হবে কিনা জানতে চাইলে আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘একইদিনে তো আর রেগুলার আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার তারিখ পড়েনি। শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করবে কিনা এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেচনার বিষয়।’

অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ (স্পেশাল), ডিগ্রি, অনার্সের নতুন সেশনগুলোসহ আমাদের ১৯টি পরীক্ষা নিতে হবে। কলেজ খোলার আগেই আমরা পরীক্ষাগুলো শেষ করার চেষ্টা করবো। অনার্স নতুন সেশনের পরীক্ষাগুলোও দ্রুত নেয়া হবে এছাড়া নতুন তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা আশা করি মার্চের প্রথম দিকেই শুরু করতে পারবো বলেও জানান এই সমন্বয়ক।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আগামীকাল এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক,২৯ জানুয়ারী ॥ আগামীকাল শনিবার এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ করা হবে । করোনা মহামারীর কারণে বিলম্বিত হয়েছে ফলাফল প্রকাশে। ফলাফলের অপেক্ষায় আছে দেশের পৌনে ১৪ লাখ শিক্ষার্থী।

আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “৩০ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২০ এর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।”

ফলাফল ঘোষণার এই আনুষ্ঠানিকতা হবে ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন।

১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল ১ এপ্রিল থেকে।

কিন্তু করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার আগে এসএসসি পরীক্ষা হয়ে গেলেও আটকে যায় এইচএসসি পরীক্ষা।

মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও পরীক্ষা নেওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি না হওয়ায় গত ৭ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনীর মত এইচএসসি পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না।

সেদিন তিনি জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে।

কিন্তু আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে, যা গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদের অনুমোদন পায়।

সংসদে পাস হওয়া তিনটি বিলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সই করার পর সোমবার রাতে‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১’ ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’, ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’ গেজেট আকারে জারি কর সরকার।

এরপর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রস্তুত, ঘোষণা ও সনদ বিতরণের জন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেভাবে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

ডেস্ক,১৯ ডিসেম্বর:
দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে। এই পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত প্রশ্নপত্র দিয়ে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান তিনটি ইউনিটে গুচ্ছে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে শনিবার সকাল ১১টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

গুচ্ছ পদ্ধতির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ (জবি) সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১৯ ও ২০২০ সালের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষায় পাশ ফেল থাকছে না, শূন্য থেকে ১০০ নম্বরপ্রাপ্তদের তালিকা দেয়া হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি করতে পারবে।

জবি উপাচার্য আরও বলেন, নিজ নিজ বিভাগ থেকে পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেক্ষেত্রে আসন নির্ধারণ করে রাখবে। যেমন বাংলা বিভাগে ১০০ আসন থাকলে তার মধ্যে মানবিকের জন্য ৮০, বাণিজ্য ১০ ও বিজ্ঞানের জন্য ১০টি আসন থাকে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম নম্বর নির্ধারণ থাকতে পারে। আবেদন যোগ্যতা হিসেবে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসিতে মোট পয়েন্ট ৬, বাণিজ্যে ৬.৫ এবং বিজ্ঞানে ৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। সব ক্ষেত্রেই উভয় পরীক্ষায় ৩ পয়েন্টের কম থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, পরীক্ষার মানবন্টনে মানবিক শিক্ষার্থীদের বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ২৫, বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ২৫, ভাষা জ্ঞান ২৫, বাংলা ১৩, ইংরেজি ১২ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভাষা ২০, বাংলা ১০, ইংরেজি ১০, রসায়ন ২০, পদার্থ ২০, আইসিটি/ম্যাথ/বায়োলজি এই তিনটি থেকে যে কোনো দুটিতে ২০ করে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দেবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত

অনলাইন ডেস্ক,১৮ ডিসেম্বর:

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বেড়েছে। দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।

শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সুযোগ নেই। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর বিকল্প নেই।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ছুটি বাড়াতেই হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হবে।’

এদিকে, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাত কলেজের প্রমোশনের নিয়ম বাতিল দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ ডিসেম্বর:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে প্রমোশনের যে নতুন নিয়ম হয়েছে, তা বাতিলের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে।

বুধবার দুপুরে ঢাকা কলেজের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে প্রমোশনের নতুন নিয়মটি বাতিলসহ ছয় দফা দাবি জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা এই দাবি মানতে তিন দিনের সময় বেঁধে দেন। এর মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নতুন এই নিয়মে পরীক্ষার খাতার যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ার ফলে তারা গণহারে অকৃতকার্য হচ্ছেন।

তাদের ছয় দফা দাবি হলো: ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সিজিপিএ ২/২.২৫/২.৫০ পয়েন্টে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশনের নিয়ম বাতিল করতে হবে এবং সর্বনিম্ন তিন বিষয় পর্যন্ত অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের প্রমোশনের দিতে হবে; স্নাতক ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নিতে হবে এবং তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অতি দ্রুত নিয়ে ফল প্রকাশ করতে হবে; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অতি দ্রুত পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করতে হবে; সব বর্ষের ফলাফল সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে, একটি শিক্ষাবর্ষে একাধিক বর্ষের শিক্ষার্থী রাখা যাবে না; ডিগ্রি ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের চলমান বিশেষ পরীক্ষা অতি দ্রুত নিয়ে এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে এবং সব মানোন্নয়ন পরীক্ষা অতি দ্রুত নিতে হবে ও ডিগ্রি-স্নাতক-স্নাতকোত্তরসহ সব বর্ষের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণসহ খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমাতে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্চে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিলম্বিত মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা মার্চ মাসে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

কর্মকর্তারা বলছেন, সব ঠিক থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত করে তারা হয়ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর বুধবার বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা নেব- এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। এটা মার্চের শুরুর দিকে হতে পারে। কীভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায় সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”

অন্যবছর ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। সেই ফলাফল প্রকাশের পর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সাধারণত অক্টোবরের মধ্যেই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করা হয়। ১০ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন শেষে পাঠদান শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার মহামারীর কারণে সবকিছুই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

বছরের শেষভাগে এসে জানানো হয়, মহামারীর মধ্যে এ বছর আর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এইচএসসি ও সমমানের ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা হবে জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে।

স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি শুরুর জন্য ডিসেম্বরের মধ্যেই এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এর আগে জানিয়েছিলেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন বলেন, এইচএসসির মূল্যায়ন ফলাফল হাতে পেলে তারা মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তার আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে।

“আমরা ফলাফলের অপেক্ষা করছি। হয়তো তাড়াতাড়িই রেজাল্ট দিয়ে দিবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে অফিসিয়ালি সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।”

কীভাবে এ ভর্তি পরীক্ষা হকে জানতে চাইলে এনায়েত হোসেন বলেন, “এখন পর্যন্ত আমরা চিন্তা করছি, পরীক্ষা আগের নিয়মে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করা দরকার, আমরা তা করব। আমরা এখনও ফাইনাল করিনি। মার্চের শুরুর দিকে চিন্তা করছি। ফাইনাল করে আপনাদের জানিয়ে দেব।”

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ৭২ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। আর ডেন্টলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল ২৫ হাজার ১১৬ জন।

এ বছর দেশের ৩৬টি সরকারি ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

আর সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ এবং মেডিকেল কলেজ সংযুক্ত ডেন্টাল ইউনিট মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৯৩৭ জন শিক্ষার্থী বিডিএস কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আহসান হাবিব জানান, মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানেই পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

“এখনও আমরা ফেইস টু ফেইস যে পরীক্ষার কথা চিন্তা করছি, মানে ফিজিক্যালি, এটা মোটামুটি চূড়ান্ত। ডিসেম্বরে বা জানুয়ারিতে শীতের প্রকোপের সময় পরীক্ষা না নেওয়ার একটা সিদ্ধান্ত আছে। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শুক্রবার প্রয়োজন হয়। আমরা হিসাব করে দেখেছি, যে মার্চ মাসের ৫ তারিখ শুক্রবার পরীক্ষাটা নেওয়া যায়।”

গত বছর সারাদেশে ১৯টি কেন্দ্রের আওতায় ৩২টি ভেন্যুতে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের দূরত্ব রেখে বসাতে গেলে এ বছর ভেন্যু বাড়াতে হবে।

অধ্যাপক হাবিব বলেন, “একেকটি কেন্দ্রের আওতায় অনেকগুলো ভেন্যু থাকবে। যেখানে আগে দুটি থাকত, সেখানে চারটি হবে।”

ভর্তিচ্ছুরা দুশ্চিন্তায়

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী, মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির আবেদন করার জন্য বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ হতে হয় কমপক্ষে ৯।

আদিবাসী ও পার্বত্য জেলার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮ পয়েন্ট হতে হয়। তবে এককভাবে কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫ এর কম হলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

এসএসসি এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় অবশ্যই পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান থাকতে হবে। জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে।

অন্যবছর এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফলের অপেক্ষার মধ্যেই স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি ভিন্ন; সে কারণে উদ্বেগ রয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

হুসাইন আরমান নামে একজন শিক্ষার্থী বলেন, “কীভাবে পরীক্ষা হবে এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নেই। কখন পরীক্ষা হবে তাও ঠিক নেই। এই করোনাকালে এমনিতেই অনেক সমস্যার মধ্যে আছি। ঠিকমত শিক্ষকদের সহায়তা নিতে পারি না। হঠাৎ করে পরীক্ষার তারিখ দিয়ে দিলে অনেক ঝামেলায় পড়ব। কোন পদ্ধতিতে, কোন সময়ে পরীক্ষা হবে সেটা আগে থেকে জানালে পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারব।”

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার উজিলাব গ্রামের নূরে জান্নাত ফাতেমা ভৈরব রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। তিনিও মেডিকেলে ভর্তি হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এসেছেন।

তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা দিতে না পারায় প্রস্তুতিতে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। ফলে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে তার।

“হাতে-কলমে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারিনি। এ কারণে কিছুটা পিছিয়ে আছি। এখন ভর্তি পরীক্ষার দেরি হলে প্রস্তুতিতেও তার প্রভাব পড়বে। সেকেন্ড টাইম যারা পরীক্ষা দেবে, তাদের ভালো করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।”

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সার্টিফিকেট জালিয়াতি

ডেস্ক,১ ডিসেম্বর: নকল সার্টিফিকেট তৈরির কারখানা নীলক্ষেত। এ তথ্য সবারই কমবেশি জানা। তবে এবার শিক্ষার্থী, বাবা-মা’র নাম পরিবর্তন করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নকল সার্টিফিকেট তুলে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। ফলে নকল ব্যক্তির কারণে আসল ছাত্রই বিপদে পড়েছে। ১৪ই নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন করতে গিয়ে ঘটনাটি ধরা পড়ে।

ভুক্তভোগী আবু সুফিয়ান বাংলাদেশ জার্নালকে জানান, চাকরির আবেদনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেয়ার পর সব ঠিক আছে, কিন্তু সেখানে আবু সুফিয়ানের নাম নাই, একই সঙ্গে আমার পিতা-মাতার নাম ও নাই। পরবর্তিতে বোর্ডে গেলে জালিয়াতির বিষয়টা পরিষ্কার হয়। পিতা-মাতার নাম পরিবর্তন করে আমার এসএসসি ও এইচএসসির ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট তুলে নেয়া হয়েছে।

যে পরিবর্তন হয়েছে- ছাত্র: Abu suphian এর পরিবর্তে Abu sufian, বাবা: Md Sonam uddin এর পরিবর্তে Md Sohidul islam, মা: Razia begum এর পরিবর্তে Zinnatun begum

আবু সুফিয়ান ঢাকা কলেজের (১০-১১) সেশনের পরিসংখ্যানের ছাত্র। সে ২০০৮ সালে মানিকগঞ্জ থেকে এসএসসি ও ২০১০ সালে ঢাকা রেসেডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি পিআরএল এ চলে যাওয়ায় এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি।

তবে বোর্ডের সচিব প্রফেসর তপন কুমার সরকার বলেন, আগামী সাত দিনের ভিতর এ সমস্যা সমাধান করা হবে। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তি প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে হবে না বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ নভেম্বর:

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত দেয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন। এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে এ নিয়ে সব মহলে চলছিলো নানা আলোচনা। এরপর অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নেয়ার সক্ষমতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মতো সক্ষমতা দেশে এখনো তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

মঙ্গলবার ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় তারা বলেন, এই সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। নেটওয়ার্ক এবং টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে বর্তমান অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়া ঠিক হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের কোন দেশে একটি মাত্র সফটওয়্যার দিয়ে বড় পরিসরে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় না। সফটওয়্যার দিয়ে যদি ভর্তি পরীক্ষা নিতে হয় সেক্ষেত্রে ইউজিসিকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে দিতে কমিটি সুপারিশ করে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এসব মতামত তারা তুলে ধরেন।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর তার উদ্ভাবিত ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়্যারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সফটওয়্যারটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমান অবস্থায় অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য উপযোগী নয়।

পর্যালোচনা সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এছাড়া, সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা আকবর, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক সোহেল নাদিম রহমান শুভ, এটুআই এর টেকনোলজি এক্সপার্ট মো. ফজলে মুনীম, ওরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শামীম হোসেন, ডিএসআই এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মুশরাফুল হক অনিক এবং হেড অব প্রোডাক্ট এন্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মইনুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষায় যে সফটওয়্যারটি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে ইউজিসি গত সপ্তাহে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এছাড়া, ইউজিসি চলতি শিক্ষাবর্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষারও উদ্যোগ গ্রহণ করে। সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে ১ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অস্বাভাবিক ‘সুবিধায়’ শিক্ষকদের পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৪ অক্টোবর ২০২০,
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা থাকলেই প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। সহযোগী অধ্যাপক হতেও রেয়াত সুবিধা।
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা বেরোতে হবে। তবেই পাওয়া যাবে দুই বছরের রেয়াত (ছাড়) সুবিধা। এই সুবিধায় মিলবে এক বছরের মধ্যে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন রেয়াত সুবিধা আছে অন্যান্য পদেও।

এরই মধ্যে কয়েকজন শিক্ষক এই সুবিধা নিয়ে পদোন্নতি পেয়েছেন। তবে শিক্ষকদেরই একটি অংশ বলছেন, এত অল্প সময়ে কারও পক্ষেই ভালো মানের সাতটি গবেষণা প্রবন্ধ কোনো স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। অনেকেই নিজ বিভাগের জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ করেও এই সুবিধা নিচ্ছেন, যা ভালো উদাহরণ নয়।

এই সুবিধায় নতুন করে অন্তত ছয়জন শিক্ষককে বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতির সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে আলোচনা করতে আজ শনিবার ডাকা হয়েছে সিন্ডিকেটের বৈঠক।
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষক প্রায় ২০০ এবং কর্মকর্তা প্রায় ১০০ জন।

উপাচার্য এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমানও মনে করেন, বিদ্যমান সুবিধা অনেক বেশি নমনীয়। তিনি বলেন, এই নিয়ম তাঁর আসার আগে থেকেই ছিল। এটি দেখে তিনিও অবাক হন। কারণ, বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সহজ নিয়ম নেই। তবে একবার সুবিধা দিয়ে সেটি বাদ দেওয়াও কঠিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি নীতিমালার সাধারণ নিয়মে বলা হয়েছে, পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারী ছাড়া কেবল স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী কোনো প্রভাষককে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য তিন বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম একটি প্রকাশনা থাকতে হবে। কিন্তু পরে আবার বলা হয়েছে, আপগ্রেডেশনের (পদোন্নতি) ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রকাশনার (প্রভাষকের ক্ষেত্রে একটি) বাইরে অতিরিক্ত তিনটি প্রকাশনার জন্য এক বছরের এবং অতিরিক্ত ছয়টি বা তার বেশি প্রকাশনার জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত ‘রেয়াত’ সুবিধা দেওয়া যাবে।
বিজ্ঞাপন

এর অর্থ হলো, কেউ প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়ে এক বছরের মধ্যে নির্ধারিত একটির সঙ্গে আরও ছয়টি (মোট সাতটি) প্রকাশনা কোনো জার্নালে প্রকাশ করতে পারলেই সহকারী অধ্যাপক হতে পারবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই সুবিধা নিয়ে ফিন্যান্স বিভাগের একজন শিক্ষক এক বছরের মাথায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। আর গত বছরের নভেম্বরেই সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। একইভাবে পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষকও এই সুবিধায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি তাঁর নিজ বিভাগ থেকে জার্নাল বের করে সেখানে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এমনকি একই বিষয়ে তাঁর দুটি প্রকাশনা বেরিয়েছে একই সংখ্যায়।

সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য সাধারণ নিয়ম হলো, শিক্ষকতার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সঙ্গে লাগবে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তিনটিসহ মোট চারটি প্রকাশনা। কিন্তু এখানেও সেই রেয়াত সুবিধা নিয়ে আট বছরের মধ্যেই সহযোগী অধ্যাপক হওয়া যায়। অবশ্য পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা।

এই প্রক্রিয়ায় এখন মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বাংলাসহ কয়েকটি বিভাগে অন্তত ছয়জন সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাছাই বোর্ডও হয়ে গেছে। এখন সিন্ডিকেটে সেটি অনুমোদন হলেই চূড়ান্ত হবে।
বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, একজন সহকারী অধ্যাপক পিএইচডি করে সাত বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হবেন। আরেকজন কোনোরকমে কয়েকটি প্রকাশনা প্রকাশ করেই রেয়াত সুবিধায় আট বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কার্যত পিএইচডি বা উচ্চতর গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এই রেয়াত সুবিধা সংশোধন করা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজ বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েই আপগ্রেডেশন নিয়ে এ ধরনের কিছু ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। এ জন্য ইউজিসি আগামী মাসেই একটি সাধারণ নির্দেশিকা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠাচ্ছে।

ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক নিয়ম। এ জন্য নিজেদের মতো এগুলো করা হচ্ছে। তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা দরকার। এ বিষয়ে ইউজিসি সমন্বিত নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালাও করেছিল, কিন্তু সেটি মানতে চায় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এটি হওয়া দরকার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৪ শর্ত মেনে শুরু হল ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেলের পরীক্ষা

ঢাকা,১ অক্টোবর : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া ৪ শর্ত মেনে আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। এতে ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বর (২০২০) সেশনের ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই, আইজিসিএসই, ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পর্যায়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

এতে বলা হয়, দেশে প্রায় ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী আছে, যারা অক্টোবর-নভেম্বরের পরীক্ষার জন্য জুলাই-আগস্টে রেজিস্ট্রেশন করেছে। সময়মতো এই পরীক্ষা দেয়া তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক পরিধান, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব, পরীক্ষাকেন্দ্র নিয়মিত পরিষ্কার, স্যানিটাইজেশনসহ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সুরক্ষা প্রোটোকলগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনার সব পরীক্ষা কেন্দ্রে মানা হবে।

এর আগে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী মে-জুন সেশনের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ কাউন্সিল।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালনায় ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা চার শর্তে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নেয়ার অনুমতি দিয়ে মন্ত্রণালয় সম্মতি জানিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্যবিধি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

২. সারা দেশের ৩৫টি ভেন্যুতে প্রতিদিন এক হাজার ৮০০ পরীক্ষার্থীর বেশি জনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরীক্ষার হলে প্রতিজন শিক্ষার্থীর মাঝে দূরত্ব থাকতে হবে ৬ ফুট।

৩. পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

৪. পরীক্ষার সময় কোনো শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার দায়দায়িত্ব নিতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলকেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter