Home » কলেজ

কলেজ

এসএসসি-সমমানের ২৩ লাখ পরীক্ষার্থী দুশ্চিন্তায়, আগস্টে পরীক্ষার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ এপ্রিল, ২০২১:
সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রায় ২৩ লাখ মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার্থী দিশেহারা। কবে নাগাদ স্কুল খোলা হবে, কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে- এসব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন না শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ অবস্থায় গত রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমদের সঙ্গে কথা বলেছে শিক্ষাবার্তা ডটকমকে। তিনি জানিয়েছেন, যখনই বিদ্যালয় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে, তার পর থেকে ৬০ কর্মদিবস ক্লাস নেয়া হবে। এর পর আরও ১৫ দিন সময় দিয়ে তবেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, এরই মধ্যে এ বছরের পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ওই সিলেবাসের ওপরই এসএসসির প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

চেয়ারম্যান বলেন, ক্লাস না নিয়ে কোনোভাবেই পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সারাদেশে এবার প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবে। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের রয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ। এখনও ফরম পূরণ চলছে। লকডাউনের কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২৩ মে স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে। এর পর ৬০ কর্মদিবস পাঠদান শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা নিতে চায় সরকার। সব মিলিয়ে আগস্টের শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, যেভাবে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে নতুন করেও ভাবতেও হতে পারে ছুটির বিষয়ে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এর আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এবারের এসএসসি ও এইচএসসির একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। তা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোও হয়েছে। বিদ্যালয় যখনই খোলা সম্ভব হবে, ওই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে শেষ করে, আরও অন্তত দু’সপ্তাহ সময় দিয়ে তবেই পরীক্ষা নেয়া হবে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেনও একই কথা বলেন। তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ঘরে বসেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। অনলাইন ক্লাসগুলো ঠিকভাবে করতে হবে।

পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডর চেয়ারম্যান অধ্যাপক প্রদীপ চক্রবর্তীও। শতভাগ প্রস্তুত রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের ফল দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্কুল খোলার পর ৬০ কর্মদিবস ক্লাস করিয়ে তাদের পরীক্ষা গ্রহণের কথা মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা এখনও সেই সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আছি। লকডাউনের পর এ ব্যাপারে মন্ত্রীর সঙ্গে বোর্ডপ্রধানদের বৈঠকের কথা রয়েছে।’

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রমা বিজয় সরকার সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যথাসময়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে। সিলেট বোর্ডে এসএসসিতে আনুমানিক সোয়া লাখ এবং এইচএসসিতে ৮০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষা দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার কারণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ মার্চ:

আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে না পারার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমরা স্কুল-কলেজ খুলে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেশে হঠাৎ করেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াতে এখন আর খোলা হচ্ছে না।

রোববার (২৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আগামী ৩০ মার্চ দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো এক দফায় বাড়িয়ে ২৩ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজ ঠিক এখন না খুলে আসন্ন রোজার ঈদের পরেই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। ইতিমধ্যে স্কুল-কলেজ এবং বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরানো হলগুলো মেরামত করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সুযোগে এসব কাজ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এসব কাজ আগামীতেও চলতে থাকবে।

সরকারপ্রধান বলেন, করোনার টিকা দেয়া অব্যাহত থাকবে। তবে কেউ যাতে মাস্ক ছাড়া বাইরে না যায়। নিরাপদ দূরত্ব মেনে বসতে হবে। সভা-সেমিনার-কর্মশালা স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরো বেশি দেখা দেয়।

সভায় সূচনা বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডয়াম সদস্য আবদুর রাজ্জাক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ মার্চ, ২০২১
ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে তা আর হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান দীপু মনি।

এর আগে বুধবার (২৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শবে বরাতের সরকারি ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন খুলছে না। বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঈদের আগে খুলছে না স্কুল-কলেজ!

‌ডেস্ক,২৫ মার্চ
পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ। তাই, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। তবে, কবে নাগাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে সে সিদ্ধান্তও এখনো হয়নি। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে শিগগিরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেই স্কুল-কলেজ খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।
করোনা মোকাবিলায় গঠিত সরকারের জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, যখন সরকার স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তখন সংক্রমণ অনেক কম ছিল। এখন বেড়েছে। এখন খোলার পরিবেশ নেই। পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে খোলা যায়। এখন ১৩ শতাংশ, অনেক বেশি। এখন করোনা ‘এপিডেমিক’ লেভেলে আছে, ৫ শতাংশের নিচে গেলে ‘এনডেমিক’ লেভেলে চলে যাবে। তখন খোলা যাবে। স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সরকারের অপেক্ষা করা উচিত। কমলে তখন খুলবে। খোলার আগে শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি, দু-একদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৪ মার্চ:
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথা স্কুল-কলেজের ছুটি ফের বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

গতবছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ সময়ে অনলাইনে এবং সংসদ টিভিতে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখে সরকার।

তবে করোনা সংক্রমণ কমে আসায় আগামী ৩০ মার্চ স্কুল-কলেজ এবং ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নির্দেশনার আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতিরও নির্দেশ দিয়েছে।

অপরদিকে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করেছে সরকার। এছাড়া করোনা রোগী শনাক্তের হার তিন হাজার ছাড়িয়েছে মঙ্গলবার (২৩ মার্চ)।

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে কিনা- প্রশ্নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বুধবার (২৪ মার্চ) সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে দুই-এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমরা সববিষয় মাথায় রাখছি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, করোনা রোগী বাড়ার কারণে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কারণ এ পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের স্কুল-কলেজে পাঠানো ঠিক হবে না। ঈদের পর পর্যন্ত এ ছুটি আপাতত বাড়তে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্চের শেষ দিকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক,৪ মার্চ:
এ মাসের শেষ দিকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে সুরক্ষা দিতেই একবছর ধরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে- এ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষাকে সবসময় গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার, অতীতে শিক্ষাখাতে বিজ্ঞানে উৎসাহ ছিল না শিক্ষার্থীদের, তবে বিজ্ঞান ও গবেষণা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তাই জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে আধুনিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে সরকার।

তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষাখাত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে আর শিক্ষাকে বহুমুখী করে দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় এক বছরের মতো আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে। এটা মানুষের জীবনকে সুরক্ষা করার জন্যই করা হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা ভ্যাকসিন (দেয়া) শুরু করেছি। এই টিকা দেওয়ার কর্মসূচিতে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।’

প্রাইমারি থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের টিকা দেয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ভ্যাকসিন দেয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ইনশাআল্লাহ এই মার্চ মাসের শেষ দিকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সক্ষম হব।’

এ বছরের বিশেষ গবেষণা অনুদান-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে গবেষণা কাজের জন্য চার হাজার ১৮২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৮ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান কয়েকজন গবেষকের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরেক দফা বাড়ছে ছুটি!

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১:
আরেক দফা বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। চলমান ছুটি রয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর স্কুল-কলেজ খোলা হবে কি না সে জন্য পরিবেশ পর্যালোচনা করছে সরকার। স্কুল-কলেজ খোলার জন্য পরিবেশ পর্যালোচনা করতে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আগামী শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ পর্যালোচনা সভা ডেকেছে।

তবে সেই সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুলে ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হতে পারে বলে সূত্রে খবর মিলেছে।

এর আগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে এমন ধারণা দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে সরকারি বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ২৪ মের পর খোলা হবে এমন ঘোষণার পর স্কুল-কলেজ না খোলার সম্ভাবনাই বেশি মনে হচ্ছে।

শিক্ষাবোর্ড ও এনসিটিবি কর্মকর্তারা বলছেন, মার্চ মাসেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কি না তাও অনিশ্চিত।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এক লাখ ৩০ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৫২৪ জন শিক্ষককেও ভ্যাকসিনের আওতায় এনেই হল ও ক্যাম্পাস খোলা হবে। আর ১৭ মের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও করোনার টিকা নিতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষকের সংখ্যা চার লাখ ছয় হাজার ৪৭৯ জন। আর কর্মচারীর সংখ্যা এক লাখ ৬২ হাজার ৮৬১ জন। শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ জন। এর সঙ্গে মাধ্যমিকের যেসব শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন তা যোগ করলে পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩০ জন।

মন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার টিকা না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না এটা বলা যায়। অন্যদিকে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের টিকা নিশ্চিত করা নিয়ে চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফের বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
কোভিড নাইনটিন মহামারির কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ২৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ ২০২০ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ২৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাড়লো। ছুটি চলাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফের বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

ডেস্ক,৯ ফেব্রুয়ারী:
আরেক দফা বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। চলমান ছুটি ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত যেতে পারে। এরপর মার্চে প্রথম সপ্তাহ থেকে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে।

আরো পড়ুন : যেকোনো সময় খুলবে স্কুল!

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, চলমান ছুটির মেয়াদ আরও পাঁচ দিন আছে। এরমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

ছুটি কি আরও বাড়ছে কি না সে বিষয়ে সচিব বলেন, করোনার পরিস্থিতি এখন ধীরে ধীরে ভালোর দিকে। টিকাদান শুরু হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন খুলে দেওয়া যায়। তবে প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যবেক্ষণ করার কথা বলেছেন। সেটি আমরা দেখতে চাই।

তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সম্মতির পেলেই আমরা খুলে দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি‍‍`র ফল পরিবর্তনের জন্য ১৫ হাজার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১
করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। জেএসসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় ফলাফলের ভিত্তিতে বিশেষ মূল্যায়ন করে ফলাফল দেওয়া হয়েছে। এতে শতভাগ পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি। তারপরও ফলে সন্তুষ্ট নয় প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। তারা ফল পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের রিভিউ আবেদন করেছেন।

গত ৩০ জানুয়ারি এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। পরের দিন ৩১ জানুয়ারি থেকে ফল রিভিউ করার সুযোগ দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো। শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল আবেদন করার সুযোগ।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত দশটা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, ফল রিভিউ করেছেন মোট ১৪ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি। বোর্ডভিত্তিক ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফোন রিভিউয়ের আবেদনে সবচেয়ে বেশি। তবে রিভিউ করা শিক্ষার্থীদের ফল কবে প্রকাশ করা হবে তা এখনো জানানো হয়নি।

এদিকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী। এ শিক্ষার্থীরা কেন জিপিএ পাননি তার ব্যাখ্যা লিখিতভাবে দেবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর। যারা বোর্ডের আবেদন করেছে তাদেরকে লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে।

বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার (৩০ জানুয়ারি) এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পর থেকেই বোর্ডে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় বেড়েছে। এছাড়াও প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসছে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে। সবাই তার সন্তান কেন জিপিএ-৫ বা কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি তার ব্যাখ্যা চাচ্ছে। বিশেষ করে ৩৯৬ জন শিক্ষার্থী যারা জিপিএ-৫ পায়নি তারা বেশি ফোন ও বোর্ডে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এইচএসসির ফলে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাননি এমন ১৭ হাজার ৪৩ জন শিক্ষার্থী এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ছিল কিন্তু এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি ৩৯৬ জন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য সাবজেক্ট ম্যাপিং করায় জেএসসি ও সমমান এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেও এবার ৩৯৬ জন জিপিএ-৫ পায়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা ২০২০ ফলাফল প্রণয়নে জেএসসি বা জেডিসি ও এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার বিষয় ম্যাপিং পদ্ধতি সম্পর্কে ফলাফলের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- সাধারণভাবে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ৭৫ শতাংশ বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষার আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির আবশ্যিক বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের নম্বরের ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসিতে আবশ্যিক এই তিন বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমানের গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ ও এসএসসি বা সমমানের পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনায় নিয়ে যথাক্রমে এইচএসসির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার গ্রুপ ভিত্তিক তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের তিনটি সমগোত্রীয় বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে পাওয়া গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফলের পরিসংখ্যানে আরও বলা হয়, গ্রুপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশের সঙ্গে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার গ্রুপভিত্তিক পরপর তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে যথাক্রমে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য গ্রুপের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছরের ১ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা ছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন শিক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষায়। তবে, করোনা মহামারির কারণে এই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল। এতে সবাই পাস করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেএসসি ও এসএসসিতে জিপিএ-৫ না পেয়ে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পায় আট হাজার ৫৭০ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল চার হাজার ১৫৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্কশিট পাবেন অটোপাস শিক্ষার্থীরা, বিতরণ শিগগিরই

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী:
পরীক্ষা না হলেও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় (অটোপাস) উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট (মার্কশিট) পাবেন। সেই সাথে তাদের সার্টিফিকেটও দেবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবদুস ছালাম সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা পূর্বের মতোই একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট পাবে। সেটি দিয়ে তারা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। অনেকেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। সেজন্য আমরা দ্রুত একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে দেব। আমরা প্রথমে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট দিবো। এর পর আমরা সার্টিফিকেটগুলো পাঠাবো বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত শনিবার (৩০ জানুয়ারি) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা না হওয়ায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করা সব শিক্ষার্থীই পাস করেছেন। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসির ফলে আপত্তি থাকলে রিভিউ করবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ জানুয়ারী:
২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফল রিভিয়ের আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম জানান, শুধু টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল থেকে ফল রিভিউয়ের আবেদন করা যাবে।

এজন্য মোবাইলে এসএমএস অপশনে গিয়ে REV লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: REV Dha 123456 send 16222.

এরপর ফিরতি এসএমএসে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। তারপর এসএমএস অপশনে গিয়ে REV লিখে স্পেস দিয় YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর টাইপ করে কনটাক্ট (যেকোনো মোবাইল নম্বর) দিয়ে পুনরায় ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: REV YES পিন নম্বর মোবাইল নম্বর দিয়ে send ১৬২২২।

শিক্ষার্থী প্রতি আবেদন ফি ১২৫ টাকা। ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

শনিবার সকালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রতি বছর বিষয়ভিত্তিক আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশ করা হয়। এক্ষেত্রে জেএসসি এবং এসএসসির ফলের ওপর মূল্যায়ন করে সরকার। এজন্য বিষয়ভিত্তিকের পরিবর্তে শিক্ষার্থীভিত্তিক আবেদন নেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাত কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ জানুয়ারী:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের মাস্টার্স (১৭-১৮) শেষ পর্বের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারি মাসে এবং অনার্স নতুন তৃতীয় বর্ষের (১৭-১৮) পরীক্ষা মার্চের প্রথম দিকে শুরু হবে।

শনিবার বিকেলে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের আগেই জানিয়েছি মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। ফরম পূরণ যখনই হোক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই হবে। অন্যান্য পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য পাঁচ থেকে ১০ দিন পেছাতে পারে। তবে পরীক্ষা অবশ্যই ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হবে। ফরম পূরণের তারিখও আশা করি এই সপ্তাহে দিয়ে দিবে।’

আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অনার্স তৃতীয় বর্ষের (পুরাতন) পরীক্ষা। ইতোমধ্যে গত ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা। যার ফলে অনার্স চতুর্থ বর্ষের মধ্যে যাদের তৃতীয় বর্ষে মানোন্নয়ন পরীক্ষা রয়েছে তারা পড়েছেন বিপাকে। তৃতীয় বর্ষের প্রকাশিত সময়সূচিতে দেখা যাচ্ছে, চলমান চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা যেদিন, তার ঠিক পরদিনই আবার তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা রয়েছে।

মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচিতে কোনো সমন্বয় করা হবে কিনা জানতে চাইলে আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘একইদিনে তো আর রেগুলার আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার তারিখ পড়েনি। শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করবে কিনা এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেচনার বিষয়।’

অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ (স্পেশাল), ডিগ্রি, অনার্সের নতুন সেশনগুলোসহ আমাদের ১৯টি পরীক্ষা নিতে হবে। কলেজ খোলার আগেই আমরা পরীক্ষাগুলো শেষ করার চেষ্টা করবো। অনার্স নতুন সেশনের পরীক্ষাগুলোও দ্রুত নেয়া হবে এছাড়া নতুন তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা আশা করি মার্চের প্রথম দিকেই শুরু করতে পারবো বলেও জানান এই সমন্বয়ক।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফরম পূরণের কিছু টাকা শিক্ষার্থীরা পাবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ জানুয়ারী:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এইচএসসির ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া টাকার কিছু অংশ ব্যয় হয়েছে, বাকি টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়া হবে। ফলাফল প্রকাশের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি ও সমমানের মূল্যায়নের ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরীক্ষা নেয়ার পরিবর্তে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসএসসি ও জেএসসির রেজাল্ট নিয়ে এইচএসসির ফল প্রকাশ করার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এসএসসির ফলের ৭৫ শতাংশ এবং জেএসসির ২৫ শতাংশ গুরুত্ব দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এ জটিলতা নিরসনে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশ করতে ২৪ জানুয়ারি আইন পাস করে জাতীয় সংসদ। করোনাকালে পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে সংসদে উত্থাপিত আইনগুলো পাস করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সবাই পাস, জিপিএ-৫ এক লাখ ৬১ হাজার

ডেস্ক,৩০ জানুয়ারী ।।

পরীক্ষা ছাড়াই ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ পাস করেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন শিক্ষার্থী। গত বার এই সংখ্যা ছিল ৪৭ হাজার ২৮৬। তার আগের বছর ছিল ২৯ হাজার ২৬২।

শনিবার একযোগে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এবার মহামারীর মধ্যে পরীক্ষা ছাড়া সব শিক্ষার্থীকে পাস করানো হলো।

এইচএসসি ও সমমানে গত বার পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। তার আগের বছর ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এর আগে বেলা পৌনে ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

প্রসঙ্গত, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল ১ এপ্রিল থেকে। কিন্তু করোনার প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার আগে এসএসসি পরীক্ষা হয়ে গেলেও আটকে যায় এইচএসসি পরীক্ষা।

তারপর পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশে আইন সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করে গত সপ্তাহে জাতীয় সংসদে আইন সংশোধন করতে হয়।

এরপর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রস্তুত, ঘোষণা ও সনদ বিতরণের জন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter