Home » এক্সক্লুাসিভ খবর

এক্সক্লুাসিভ খবর

ঘরে বসে যেভাবে পাবেন জমির খতিয়ান-ম্যাপ, পরিশোধ করবেন ভূমিকর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৮ জানুয়ারি ২০২২
ঘরে বসে জমির খতিয়ান (পর্চা) কিংবা ম্যাপ পাওয়া অনেক সহজ নিয়ম চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। খতিয়ান কিংবা ম্যাপ পেতে আবেদন করতে মোবাইল অ্যাপ কিংবা ওয়েব প্ল্যাটফর্মেও ঢুকতে হবে না। এ কাজের জন্য ডিজিটাল সার্ভিস গ্রহণে স্মার্টফোন থাকার বাধ্যবাধকতাও আর থাকছে না। যে কোনও ফোন থেকে শুধু ‘১৬১২২’ নম্বরে ফোন করলেই হবে।

আরো পড়ুনঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে রোববার

শনিবার (৮ জানুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমির খতিয়ান (পর্চা) কিংবা ম্যাপ পেতে ‘১৬১২২’ নম্বরে ফোন করলেই হবে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে ভূমিসেবা হটলাইন অপারেটরই গ্রাহকের কাজ করে দেবে। ফোন করার ৪ মিনিটেই খতিয়ান কিংবা মৌজা ম্যাপের আবেদন করা যাবে, দেওয়া যাবে এসবের ফিও। একইভাবে ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করা যাবে।

ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস যেমন নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায় এবং যেকোনও ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যাবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১৬১২২ নম্বরে ফোন করা ছাড়াও জমির মালিক নিজেই আবেদন করতে পারেন ভূমিসেবা ওয়েব(https://land.gov.bd) প্ল্যাটফর্মে গিয়ে মোবাইলের ভূমিসেবা অ্যাপ দিয়ে কিংবা ইউডিসি-এর সহায়তায়।

ফোন করে যেভাবে জমির খতিয়ান কিংবা জমির ম্যাপ যেভাবে পাবেন

১৬১২২ ফোন করে এনআইডিসহ জমির তথ্য প্রদান করার পর কল-সেন্টার আবেদনকারীর পক্ষে খতিয়ান কিংবা জমির ম্যাপের আবেদন দাখিল করবে। এরপর আবেদনকারী তার মোবাইলে একটি টোকেন পাবেন। টোকেন নম্বরটি দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে ফি প্রদান করলে তিনি মোবাইলে আবেদনের আইডি ও ডেলিভারির তারিখ পাবেন। নির্দিষ্ট তারিখে বাংলাদেশ ডাকবিভাগের প্রতিনিধি আবেদনকারীর ঠিকানায় খতিয়ান তথা পর্চা কিংবা জমির ম্যাপ পৌঁছে দেবে।

এছাড়া ভার্চুয়াল রেকর্ডরুম থেকে যে কোনও সময় যে কোনও স্থান থেকে যেকোনও নাগরিক খতিয়ান (পর্চা) দেখতে পারবেন। সার্টিফাইড কপি কাউন্টার থেকে ডেলিভারির জন্য কোর্ট ফি ৫০ টাকা। ডাকযোগে নিজ ঠিকানায় খতিয়ান ডেলিভারির জন্য অতিরিক্ত ৪০টাকা দিতে হবে।

আয়কর রিটার্ন দেবার সময় যে সাতটি বিষয় মনে রাখা জরুরি

অনলাইন ডেস্কঃ
আইন অনুযায়ী যাদের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা টিআইএন রয়েছে তাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। সেটি না করলে জরিমানা করার বিধান রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘সেকেন্ড টাইম’ না রাখার সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

তবে রিটার্ন দাখিল করলেই যে আয়কর দিতে হবে তা নয়। কারো আয় যদি করযোগ্য না হয় তাহলে কর দেবার প্রয়োজন নেই, শুধু রিটার্ন জমা দিলেই হবে। আয়কর রিটার্ন দাখিল করা জটিল কোন বিষয় নয়।
তবে কিছু বিষয়ে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তা না হলে আইনগত ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ এবার যশের অজানাকে জানবেন নুসরাত

ইনকাম ট্যাক্স আইন অনুযায়ী বেশ কিছু আয়, করের আওতায় পড়ে।

যেমন চাকরি থেকে পাওয়া বেতন, ব্যবসা থেকে আয়, বাড়ি ভাড়া থেকে পাওয়া অর্থ, কোন সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তর ফলে প্রাপ্ত অর্থ, জামানতের সুদ (সঞ্চয়পত্র, বন্ড, ব্যাংকের সুদ ইত্যাদি), কৃষি হতে আয়। আরযা আছে ‘অন্যান্য’ র মধ্যে পড়তে পারে অনেক কিছু।

সম্পদের স্বচ্ছ বিবরণ

আপনার ব্যক্তিগত আয়, ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, ডিবেঞ্চার এবং অন্যান্য স্থাবর সম্পদের বিবরণ আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

আরো পড়ুনঃ যেসব শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির নির্দেশ মাউশির

যদি আপনি কোন সম্পদের বিবরণ রিটার্নে তুলে না ধরেন, তাহলে সেটি বৈধ থাকবে না এবং আপনি আইনগত ঝামেলায় পড়েতে পারেন।

আয়কর কনসালট্যান্ট মো. কামরুল আলম বলেন, সম্পদের স্বচ্ছ বিবরণ না দিয়ে অনেকে বড় ধরনের ভুল করেন। সেক্ষেত্রে সম্পদ গোপনের অভিযোগে পরবর্তীতে আয়কর দাতাকে নানা ধরনের আইনগত ঝামেলা পোহাতে হয়।

যথাযথ কাগজপত্র দাখিল

যখন আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয় তখন তার সাথে কিছু প্রমাণ এবং কাগজপত্র দিতে হয়। চাকরিজীবী হলে বেতন এবং সুযোগ-সুবিধার বিবরণ, ব্যাংকে টাকা জমা থাকলে সুদ থেকে পাওয়া টাকার সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

এছাড়া সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা হলে সেটির ফটোকপি এবং মুনাফা বাবদ পাওয়া টাকার সার্টিফিকেট দিতে হবে। এজন্য সব ধরনের কাগজপত্র সর্বক্ষণ কপি করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

ভালোমতো রিটার্ন ফরম পূরণ

আপনি চাইলে নিজে রিটার্ন ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারেন অথবা একজন ভালো আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নিতে পারেন। ভালো আয়কর আইনজীবী থাকাটাও জরুরি। অনেক সময় আইনজীবীদের ভুলের কারণে করদাতা ঝামেলায় পড়তে পরেন।

আইনজীবী আপনার আয়, ব্যয় এবং সম্পদের পরিমাণ কিভাবে তুলে ধরছেন সেটি খেয়াল করবেন এবং বোঝার চেষ্টা করবেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, আয়কর আইনজীবীদের কারণে অনেক সময় আয়কর বিভাগ এবং করদাতাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা যদি নিজেই নিজের রিটার্ন দাখিল করতে পারেন, তাহলে সেটি সবচেয়ে ভালো।

প্রথমবার রিটার্নের ক্ষেত্রে সতর্কতা

যারা প্রথমবার রিটার্ন জমা দিচ্ছেন তারা ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। সম্পদের বিবরণ দাখিলের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ থাকুন। কোন কিছু লুকানোর চেষ্টা করবেন না।

অনেকে মনে করেন, প্রথমবার সব সম্পত্তির বিবরণ না দিয়ে ধাপে-ধাপে প্রতিবছর সেগুলো দেখানো হবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। বিষয়টি যদি আয়কর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে তাহলে আপনি আইনগত ঝামেলায় পড়তে পারেন।

আয়কর কনসালট্যান্ট মো. কামরুল আলম বলেন, পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে কোন ফাইল অডিট হতে পারে। সেক্ষেত্রে গরমিল পাওয়া গেলে বড় অংকের জরিমানা হতে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, “ধরুন, কারো দুই কোটি টাকা আছে। কিন্তু তিনি সেটা রিটার্ন দাখিলের সময় দেখালেন না। যদি তদন্তের মাধ্যমে এটি বেরিয়ে আসে, তাহলে আয়কর বিভাগ প্রশ্ন করেতে পারে, কেন এটা লুকানো হলো? এ প্রশ্নের জবাব দিয়ে বের হয়ে আসা সহজ নয়।”

আয়-ব্যয়ের সংগতিপূর্ণ রিটার্ন দাখিল

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আপনি আয় যেমন দেখাবেন, তেমনি ব্যয়ও দেখাবেন। আয়ের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকাটা জরুরি।

আপনার জীবনযাত্রার ব্যয়, আয়ের সাথে যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় তাহলে আপনি আইনগত ঝামেলায় পড়তে পারেন।

কৃষি আয় এড়িয়ে যাবেন না

কৃষিখাত থেকে আপনার কোন আয় থাকলে সেটি সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। কৃষি জমি থেকে শস্য বা মৎস্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিবছর আপনি যে আয় করেন, সেখান থেকে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বাকি টাকার উপর কর দিতে হবে। যদি কৃষি আপনার একমাত্র আয়ের উৎস হয়ে থাকে কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে।

বাড়ি ভাড়া থেকে আয়

আপনি যদি বাড়িভাড়া দিয়ে কোনো আয় করেন তাহলে সেটি আয়কর রিটার্নে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। সেক্ষেত্রে যে অংশটি আপনি ভাড়া দিয়েছেন, সেটির আয়তন কত তা উল্লেখ করতে হবে।

বাড়িভাড়া বাবদ প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকার বেশি আয় হলে বাড়ির মালিককে সেটি ব্যাংক হিসেবে জমা রাখতে হবে। সেটি না করলে জরিমানা করার বিধান রয়েছে।

১০ বছরে ১১ বার জাতীয় পুরস্কার পাওয়ায় নৈঋতাকে সম্মাননা

শিক্ষা জীবনের ১০ বছরে ১১ বার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় নৈঋতা হালদারকে সম্মাননা দিয়েছে টাঙ্গাইলের পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তিনি এবার এই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সঞ্চিত কুমার রায়।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইলের মতো মফস্বল শহরের একটি স্কুল থেকে ধারাবাহিকভাবে ১১টি জাতীয় পুরস্কার অর্জন বিরল ঘটনা। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এতগুলো পুরস্কার অর্জনকারী ছাত্রী দেশে আর কেউ আছে কি না আমাদের জানা নেই।

১২ বছর ও এর বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

১২ বছর ও এর বেশি বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা জানান।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর-পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসে যাতে এক কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্রমান্বয়ে দেশের ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণের ব্যবস্থা নেওয়া, ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব সব ছাত্র-ছাত্রীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসা, মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবন্ধীদের সুবর্ণকার্ডের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা ও অগ্রাধিকারভিত্তিকে শ্রমিকদের টিকা প্রদান করা হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা প্রদান সম্ভব হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রীদের বরণ করে পাঠদান শুরু করবেন ভিকারুননিসার শিক্ষকরা

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসার কারণে র্দীঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস কার্যক্রম। আর এরই ধারাবাহিকতায় আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে ছাত্রীদের ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ভিকারুননিসার একাধিক শিক্ষক জানান, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আবারও ক্লাসে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ক্লাসের শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে তারা কিছু পরিকল্পনার কথা ভাবছেন। ক্লাসের প্রথম দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বরণ করে নেবেন তারা।

তারা জানান, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর প্রথম দিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের চারটি ব্রাঞ্চের প্রবেশপথের সবগুলো ফটক বেলুন ও জরি কাগজ দিয়ে সাজানো হবে। তিন ফুট দূরত্ব রেখে শিক্ষকরা গেটের সামনে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবেন। শিক্ষার্থীরা যখন প্রবেশ করবে শিক্ষকরা তখন হাততালি ও ড্রাম বাজিয়ে সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে ছাত্রীদের ভেতরে প্রবেশ করানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কামরুন্নাহার বলেন, শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা বরণ করতে চাই। এ কারণে কিছু আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে প্রথমদিনের ক্লাস শুরু করা হবে। এজন্য প্রতিটি ব্রাঞ্চের ক্যাম্পাসে, শ্রেণিকক্ষে জরি কাগজ ও বেলুন লাগিয়ে সাজানো হবে। ক্লাসে প্রবেশ করে এসব দেখলে ছাত্রীরা আনন্দ পাবে।

তিনি বলেন, ছাত্রীরা গেটের ভেতরে প্রবেশ করার সময় প্রত্যেকের হাতে একটি করে ফুল দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা থাকলেও এতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষকরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গেটের সামনে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ভেতরে প্রবেশ করাবেন।

যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ড. মাহফুজুল

যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডে অবস্থিত এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল হক। এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা দলের সঙ্গে গত ৬ বছর যাবত কাজ করে আসছিলেন ড. মাহফুজুল হক। অতঃপর বাংলাদেশে অ্যাকোয়াকালচার বিজ্ঞানে তার অবদান, বিশেষ করে অ্যাকোয়াকালচার বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গত ২০ বছরে বাংলাদেশের মাটি-পানি, মাছ ও মানুষ নিয়ে তার চলমান গবেষণা ও প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক গবেষণা কলাবরেশন, গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা ও যোগ্যতা, দেশি-বিদেশি মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থী সুপারভাইজ করার অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ এবং অন্যান্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অবদানের উপর ভিত্তি করে এই নিয়োগ প্রদানে সুপারিশ করেছিল গবেষণা দলটি। ফলে এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে এই সম্মানসূচক নিয়োগ প্রদান করেছে।

যুক্তরাজ্যে শিক্ষকতার সুযোগ পেয়ে তিনি বলেন, একইসঙ্গে দেশের সেরা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের অন্যতম সেরা এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকার সুযোগের বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আমাকে এই সম্মানে ভূষিত করার জন্য এক্সেটার বিশ্বাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এই সম্মানের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান স্যার অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন এবং তিনি এজন্য এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে আমার প্রাণপ্রিয় বাকৃবি এবং এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয় এক মেলবন্ধনে যুক্ত হয়েছে। এই অর্জনের পেছনে আমার বাবা (প্রয়াত)-মা, পরিবারের সদস্য, প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব শিক্ষক মহোদয়, ছাত্র-ছাত্রী, মৎস্য চাষি ও এর সাথে যুক্ত স্টেকহোল্ডার, সাংবাদিক বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সেজন্য তাদের সবার প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা।

সংসদে চাকরিজীবী ছেলে-মেয়ের মধ্যে বিয়ে বন্ধের প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক,৪ সেপ্টেম্বর ২০২১:
চাকরিজীবী ছেলে বা মেয়ে কোনো চাকরিজীবীকে বিয়ে করতে না পারে সেই জন্য আইন করতে জাতীয় সংসদে প্রস্তাব করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু। বেকারত্ব কমানো ও গৃহকর্মীদের দ্বারা শিশু নির্যাতন বন্ধে তিনি এমন প্রস্তাব দিয়েছেন।

তবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এ ধরনের আইন সংবিধান বিরোধী। বাঁক স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যা কিছু তাই বলা যেতে পারে। কিন্তু জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি যা খুশি তাই গ্রহণ করতে পারব না।

আজ শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে `জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ বিল-২০২১’ এর সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় এই প্রস্তাব করেন সংসদ সদস্য বাবলু।

এ সময় তিনি বলেন, করোনার কারণে চার কোটি জনগোষ্ঠী বেকার হয়েছে। আমাদের দেশে প্রচলিত সামাজিক রেওয়াজ রয়েছে, চাকরিজীবী কোনো পুরুষ চাকরিজীবী নারীকে বিয়ে করতে চান। আবার চাকরিজীবী নারীও একজন চাকরিজীবী পুরুষকে বিয়ে করতে চান। এতে কিন্তু বেকার সমস্যার সমাধান হয় না। এখানে আইনমন্ত্রী আছেন তাকে নিবেদন করব এমন একটি আইন উনি সুবিধাজনকভাবে করবেন, যেন কোনো চাকরিজীবী নারী চাকরিজীবী পুরুষকে বিয়ে করতে পারবেন না এবং চাকরিজীবী পুরুষ চাকরিজীবী নারীকে বিয়ে করতে পারবেন না। তাহলে আমাদের বেকার সমস্যাটা অনেক পরিমাণে লাঘব হবে। এই প্রস্তাবটি আমলে নিয়ে চার কোটি বেকারের কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

প্রস্তাবের পেছনে যুক্তি তুলে ধরে স্বতন্ত্র এই সাংসদ বলেন, আমার প্রস্তাবের পেছনে আরও একটি কারণ আছে। যখন চাকরিজীবী দম্পতি অফিসে যান তাদের শিশু সন্তানরা গৃহকর্মীদের দ্বারা দারুণভাবে নির্যাতিত হয়।

এদিকে সংসদ সদস্য বাবলুর প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সংসদ সদস্য বললেন স্বামী চাকরি করলে চাকরিজীবী মেয়ের সঙ্গে তাকে বিয়ে দেওয়া যাবে না। এ রকম প্রস্তাব নিয়ে আমি এখান থেকে দুই কদমও হাটতে পারব না। এটা অসাংবিধানিক প্রস্তাব। কীভাবে এই প্রস্তাব এখানে এল বুঝতে পারলাম না। আমাদের বাক্‌স্বাধীনতা রয়েছে। উনি যা খুশি তাই বলতে পারেন। নিশ্চয় উনি যা খুশি তাই এর মধ্যে আছেন। কিন্তু আমি যা খুশি তাই গ্রহণ করতে পারব না। কারণ আমি জনগণের প্রতিনিধি।

নুসরাত কি এবার যশকে বিয়ে করতে চলেছেন?

বিনোদন ডেস্ক মে ২৯, ২০২১
স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে ডিভোর্স না হলেও অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন টালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। দিন যত গড়াচ্ছে দুজনের প্রেম-ভালোবাসা ততই প্রকাশ্যে আসছে।

সাম্প্রতিককালে নুসরাত আর যশের অন্তরঙ্গতা আর নিখিলের সঙ্গে দূরত্ব দেখে নেটিজেনদের একটাই প্রশ্ন নুসরাত কি এবার যশকে বিয়ে করতে চলেছেন?

গতকাল শুক্রবার যশের সঙ্গে গাড়িতে করে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন নুসরাত। গাড়িতে একান্তে সময় কাটিয়েছেন এই তারকা যুগল।নুসরাত-শিক্ষাবার্তা

দুজনই ইনস্টা স্টোরিতে একই ছবি পোস্ট করেছেন। দুজনের ছবিতে জ্বলজ্বল করছে একটাই কথা, ‘আমাকে বিনোদনে ভরিয়ে দাও!’ তার নীচে নুসরাত-যশের নাম।

তবে তারা ‘এন্টারটেনড’ হতে কোথায় গিয়েছিলেন? সে বিষয়ে কোনো কিছু জানা যায়নি। তবে ছবির ক্যাপশন বলছে, নিজেদের মতো করে সময় কাটাতেই তারা গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন।

 

এর আগেও যশ-নুসরাত এক সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। আজমির শরিফের দরগায় প্রার্থনা জানাতে দেখা গেছে তাদের। পাহাড়ের কোলে, খাদের ধারে যশের ছবি তুলে দিয়েছেন নুসরাত।

নেটমাধ্যমে এক সঙ্গে ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়ার ছবিও শেয়ার করে নিয়েছেন তারা। কিন্তু এভাবে এক সঙ্গে বেরিয়ে পড়ার ছবি এর আগে কখনও পোস্ট করেননি তারা।

স্বামীকে তালাক না দিয়ে যশের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা বাড়তে থাকায় নুসরাতের জীবনে এখন নিখিল জৈন ‘অতীত’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুই বছরের বেশি সময় আগে নিখিল জৈনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়েতে জড়ান নুসরাত জাহান। কিন্তু বিয়ের এক বছর পরই আচমকাই ছন্দপতন রূপকথার প্রেমকাহিনিতে। নিখিল-নুসরাতের দাম্পত্য সম্পর্কের চিড় এখন টালিগঞ্জের ওপেন সিক্রেট।

যদিও টালিউডের গুঞ্জন, স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রীর। তবে এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি নিখিল বা নুসরাত।

ক্যালরি ঝরান এক ঘণ্টার সেক্সে

ডেস্ক,২০ এপ্রিল ২০২১:
মেনুতে আজ কী ছিল? আপনার প্রিয় মাটন চাপ? তাই বেশি খেয়ে ফেলেছেন! অপরাধী মন নিয়ে ঘুমোতে যাচ্ছেন। শেষমেশ ঠিক করে নিলেন কাল সকালে ট্রেডমিলে আধ ঘণ্টা বেশি দৌড়লেই কাজ হয়ে যাবে। আর কোনও দিন লোভে প়ড়ে বেশি খাবেন না ভেবে হয়তো নিয়েও নিলেন কঠিন রেজলিউশন। তবে, নিজেও জানেন এই রেজলিউশনের আয়ুকাল ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। এই রুটিন তো আপনার চলছে টানা এক বছর। কিন্তু ফল? রোগা হওয়া তো দূরের কথা বরং ইঞ্চিখানেক বেড়েই গিয়েছে কোমরের মাপ। ‘ট্রেডমিল খারাপ’ এই অজুহাতে রাগও দেখিয়েছেন কয়েক বার। তবে সমস্যা কি সত্যিই ট্রেডমিলে? নাকি আপনার হিসেবে? ভেবে দেখেছেন কখনও?

ঠিক কতটা ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে কতখানি শরীরচর্চার প্রয়োজন তার এক সহজ সমীকরণ করে দিয়েছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। হিসেব খুব সোজা। ক্যালরি ইন বনাম ক্যালরি আউট। কোন খাবার কতটা পরিমাণ খেলে আপনার কোন ধরনের শরীরচর্চা করা উচিত, কত ক্ষণ করা উচিত তার একটা তালিকা তৈরি করেছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। শরীরচর্চা বলতে কিন্তু শুধুই জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো নয়। সাঁতার, সাইক্লিং, দৌড়নো, নাচ, হাঁটা, কম্পিউটারে বসে কাজ, সেক্স, বই পড়া যে কোনও কিছুই সাহায্য করে মেদ ঝরাতে। তবে তার একটা নির্দিষ্ট হিসেব রয়েছে। যেমন—

এক ঘণ্টা সাঁতার কেটে ঝরানো যেতে পারে ৭৭২ ক্যালরি। যা প্রায় সাড়ে পাঁচ ক্যান কোল্ডড্রিঙ্কের সমান।

এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে ঝরে যাবে ৭০০ ক্যালরি। প্রায় তিনটি ডোনাটের সমান।

যদি আপনি এক টুকরো চিপ খান তবে অন্তত এক ঘণ্টা চিউইং গাম চিবিয়ে নিন। সারা দিন যত ক্ষণ জেগে থাকেন প্রতি ঘণ্টায় যদি একটা করে চিউইং গাম খান তবে এক বছরে পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো যেতে পারে।

বড় এক বাটি আলুভাজা খেলে এক ঘণ্টা দৌড়ে আসুন। এক বাটি আলুভাজা মানে অন্তত হাজার ক্যালরি।

পার্টিতে গিয়ে তিন গ্লাস ওয়াইন খেয়ে ফেলেছেন? এই ৪০০ ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে হলে কিন্তু অন্তত এক ঘণ্টা নাচতেই হবে।

আপনি কি জানেন, একটা চকোলেট বারের এক তৃতীয়াংশ খেলেও আপনার শরীরে ঢুকছে ১১ ক্যালরি? চিন্তা নেই। এক ঘণ্টা বসে কম্পিউটারে কাজ করলেই ঝরে যাবে।

বই পড়তে ভালবাসেন? জানলে খুশি হবেন যে এক ঘণ্টা পড়ে আপনি ২৮ ক্যালরি পর্যন্ত কমাতে পারেন।

পিজায় কি চিজ একটু বেশি ছিল? আপনার চিন্তার সমাধান করতে পারে এক ঘণ্টার সেক্স। পুরুষেরা এক ঘণ্টার সেক্সে কমাতে পারেন ১.৮ পাউন্ড চিজের সমান ক্যালরি। মহিলারা ১.২ পাউন্ড চিজের ক্যালরি কমাতে পারবেন।

এ বার তা হলে ভাবতে বসুন কী করবেন। খাওয়ার পর খাতা-পেন্সিল নিয়ে হিসেব কষে নিন— নাচবেন, দৌড়বেন নাকি শুধু বই পড়ে আর সেক্সের সময় বাড়িয়েই কমিয়ে ফেলবেন ক্যালরি!

৫০০ টাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের অ্যাম্বুলেন্স-ফ্রিজিং ভ্যান সুবিধা

অনলাইন রিপোর্টার॥ সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অ্যাম্বুলেন্স এবং মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের একটি নীতিমালা তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অ্যাম্বুলেন্স ও মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান কীভাবে, কত টাকা ভাড়ায় এবং কোন প্রক্রিয়ায় ভাড়া হবে তা নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন স্বাক্ষরিত ‘ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার নীতিমালা-২০২০’ জারি করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের বিদ্যমান মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো সুস্পস্ট নীতিমালা না থাকায় যানবাহনগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য একটি নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিবেচনায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে যোগ্য ব্যক্তির স্ত্রী-স্বামী, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ছেলে-মেয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভাই, অবিবাহিত/তালাকপ্রাপ্ত/বিধবা বোন, পিতামহ-পিতামহী এবং পুত্রের বিধবা স্ত্রী ও শিশু সন্তান ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্যবহারকারী:

ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, সংসদ সদস্যরা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সব কর্মচারী ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন এবং ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার সব কর্মচারী, অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নবম বা তদুর্ধ গ্রেডের কর্মচারীরা ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন। ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া:

ফ্রিজিং ভ্যান কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী অথবা তার পরিবারের যেকোনো সদস্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন। সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিবহন কমিশনার হট লাইন নম্বর চালু এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। পরিবহন কমিশনার এ সেবা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কর্মচারীকে দায়িত্ব দেবেন।

আবেদনকারীর সংখ্যা একই সময়ে একাধিক হলে অগ্রাধিকার বিষয়ে পরিবহন কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যবহার নির্দেশিকা:

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে দেশের যেকোনো অঞ্চলে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা যাবে। মরদেহ বা অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারবেন না। যেসব অঞ্চলের রাস্তায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগীর কারণে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে সেসব অঞ্চলে সাধারণভাবে যাতায়াতে করা যাবে না।

অনুমোদিত চলাচলের ক্ষেত্রে যানবাহনের কোনো ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন।

জ্বালানির ব্যবহার:

ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বলেন্স সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর থেকে বুঝে নেওয়ার পর সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত আসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানির ব্যয় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে।

ফেরি/সেতুর ব্যবহার:

যাতায়াত পথে ফেরি পারাপার বা সেতু ব্যবহারের প্রয়োজনে ফেরি ও সেতুর টোল ইত্যাদি ব্যবহারকারী পরিশোধ করবেন।

ব্যবহারজনিত ভাড়া:

ঢাকা শহর ও এর আশপাশের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার তিন টাকা হারে ভাড়া নেওয়া হবে।

পরিশোধ পদ্ধতি:

গাড়ি ব্যবহারের পর গাড়িতে সংযোজিত ভেহিকেল ট্রেকার অতিক্রান্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রকৃত দূরত্ব হিসেবে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোডে তিনদিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। চালানের মূলকপি সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে জমা দিয়ে না-দাবিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রাপ্ত আয় নন ট্যাক্স রেভিনিউ হিসেবে গণ্য হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন অনলাইনে

ডেস্ক রিপোর্ট,১৮ ডিসেম্বর:
২০০৮ সাল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই পরিচয়পত্রে বিভিন্ন রকম ভুলের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব তথ্যে একবার ভুল হলে নানা রকম হয়রানীতে পড়তে হয়। তবে আশার কথা হচ্ছে- জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া।

আপনারা জানেন, এখন অনলাইনের মাধ্যমেই ভুল তথ্য সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য শুরুতেই এনআইডি পোর্টালে ঢুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সেখানে এনআইডি নম্বর দিতে হবে। এরপর অ্যাকাউন্টে ঢুকলে সেখানে লিংক পাবেন অনলাইনে ফি পরিশোধের।

জানা যায়, ওকে ওয়ালেট বা রকেটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমেও পরিশোধ করতে পারবেন। পরিচয়পত্রে যে তথ্য আছে, তার যেকোনো একটি সংশোধন করতে চাইলে প্রথমবার আবেদনের জন্য ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যতবার আবেদন করবেন ৪০০ টাকা ফি দিতে হবে।

এ ছাড়া কিছু তথ্য আছে, যেগুলো পরিচয়পত্রে লেখা নেই। সেগুলোও সংশোধন করা যায়। সেক্ষেত্রে প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তীতে প্রতিবার ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। ফি পরিশোধ হয়ে গেলে এডিট করার লিংকে তথ্য চলে যাবে। এরপর তথ্য সংশোধন অপশনে যেতে পারবেন।

তবে সংশোধনের জন্য কিছু কাগজের কপি আপলোড করতে হবে। যেমন-
১. নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন
২. মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সনদপত্র
৩. পাসপোর্টের কপি
৪. ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কাগজ
৫. বিয়ের পর স্বামীর নাম যোগ করতে চাইলে নিকাহনামা
৬. স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে
৭. বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে তালাকনামা সংযুক্ত করতে হবে।

কোন ধরনের সংশোধনে কী কী কাগজ প্রয়োজন, তা ওয়েবসাইটেই দেওয়া আছে। তথ্য সংশোধন অনুমোদন হয়ে গেলে একটি মেসেজ পাবেন। ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেই সংশোধিত এনআইডি প্রিন্ট করে লেমিনেট করে নিতে পারবেন।

তবে যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সামর্থ নেই বা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না; তাদের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচন অফিস আছে। সেখানে দু’জন করে ‘ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’ রয়েছেন। তারাই সব ধরনের ডাটা এন্ট্রিতে সহযোগিতা করবেন। এটি পুরোটাই বিনা মূল্যে করবেন তারা।

এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে যে ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে; সেখানেও অনলাইনে এনআইডি সংক্রান্ত সেবা পাবেন। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনের জন্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে এ লিংকে প্রবেশ করবেন। আর ফি সম্পর্কে জানতে এ লিংকে প্রবেশ করবেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা ৩০ লাখ হতে ১০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ মে:
ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

এখন থেকে একক নামে কেউ ১০ লাখ টাকার বেশি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারবে না। এতদিন এই সীমা ছিল ৩০ লাখ টাকা।

আর যুগ্ম-নামে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৬০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ২০ লাখ টাকা।

সঞ্চয়পত্রের বিক্রির চাপ কমাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে মুনাফার উপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একইসঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে কোনো সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না মর্মে শর্ত আরোপ করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ফেব্রুয়ারিতে ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর ঘোষণা দেয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর দেয়ার সুযোগ

ডেস্ক,১৪ নভেম্বর:
এখন থেকে যেকোন সময় যেকোন স্থান থেকে বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-পেমেন্ট পোর্টালে গিয়ে বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে আয়কর পরিশোধ সেবা নিতে পারবেন গ্রাহক।

এছাড়াও বিকাশ অ্যাপ এর হোম স্ক্রিনের সাজেশন বক্সে এনবিআর লোগো থাকবে, যেখানে ক্লিক করলেই গ্রাহক সরাসরি আয়কর পেমেন্ট গেটওয়ে পেজে চলে যেতে পারবেন।

১৪ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার বেইলী রোডের অফিসার্স ক্লাবসহ সারাদেশে এনবিআর কর্তৃক আয়োজিত আয়কর মেলাতেও সহজেই বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে।

ঝামেলা এড়িয়ে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে www.nbrepayment.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অনলাইন আয়কর সেবা প্রদানে যারা নিবন্ধন করেছেন বা নিবন্ধন করেননি উভয় গ্রাহকই এখান থেকে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন। যাদের রেজিস্ট্রশন করা আছে তারা সাইন-ইন করে “পে ইনকাম ট্যাক্স” থেকে “ট্যাক্স” অপশন চেপে পরবর্তী পাতায় টিআইএন নম্বর দিলে পাশেই “ভেরিফাই টিআইএন” দেখতে পাবেন।

ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটন চাপলে “পেমেন্ট মেথড” পাওয়া যাবে।

এখানে মোবাইল পেমেন্ট অপশন থেকে বিকাশ সিলেক্ট করে একাউন্ট, ওটিপি কোড ও পিন নম্বর দিলেই আয়কর প্রদানের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং চলে আসবে কনফার্মেশন মেসেজ। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নেই, তারা “আনরেজিস্টার্ড” অপশন সিলেক্ট করে একই প্রক্রিয়ায় আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন।

বিকাশে আয়কর পরিশোধে গ্রাহকদের জন্য ১.১% চার্জ প্রযোজ্য হবে।

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ ঝামেলামুক্ত করতে এনবিআর-কে প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেড (আইটিসিএল)।



সাকিবের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ডেস্ক,২৯ অক্টোবর: বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সমর্থকরা। মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সমানে বিক্ষোভ করেছেন তারা। ‘নো সাকিব নো ক্রিকেট’ স্লোগানে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করেছেন সাকিবভক্তরা। এ ছাড়া সাকিবের জন্মস্থান মাগুরায় বুধবার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানবন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটি প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনালকে না জানানোর কারণেই তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। তবে দোষ স্বীকার করায় শর্ত সাপেক্ষে এক বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। সেই শর্ত ভঙ্গ না করলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন সাকিব।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন সাকিব আল হাসান। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আবার ক্রিকেটে ফিরে আসতে দেশবাসী, সকল ভক্ত, সরকার এবং মিডিয়ার সহায়তা চেয়েছেন। আগে যেভাবে ভক্তরা তাকে সহায়তা করেছেন সেটা করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। সকলের সমর্থন পেলে আরও ভালো ও শক্তভাবে ফিরে আসতে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান যে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার মুখে- মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে তা প্রথম প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি দেশে-বিদেশে এখন আলোচনায়। মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে প্রতিবেদনটি প্রথম সংস্করণ ও নগর সংস্করণে পৃথক শিরোনামে প্রকাশিত হয়। নগর সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘১৮ মাস নিষিদ্ধ হচ্ছেন সাকিব’। আর প্রথম সংস্করণের শিরোনাম ছিল, ‘জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করেন সাকিব’।

সোমবার গভীর রাতে সমকালের প্রিন্ট সংস্করণ বাজারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে প্রতিবেদনটি। পত্রিকার ছবি তুলে পাঠকরা রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেশি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি জায়গা করে নেয় বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও।


যা করলে আপনার সন্তান মানুষের মত মানুষ হবে।

১) আপনার সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।


৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।

৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।

৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।

৬) মাঝে মাঝে খারাপ সময় আসে জীবনের । খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সময়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন নিয়মিত
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।

৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter