Home » এক্সক্লুাসিভ খবর

এক্সক্লুাসিভ খবর

নুসরাত কি এবার যশকে বিয়ে করতে চলেছেন?

বিনোদন ডেস্ক মে ২৯, ২০২১
স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে ডিভোর্স না হলেও অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন টালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। দিন যত গড়াচ্ছে দুজনের প্রেম-ভালোবাসা ততই প্রকাশ্যে আসছে।

সাম্প্রতিককালে নুসরাত আর যশের অন্তরঙ্গতা আর নিখিলের সঙ্গে দূরত্ব দেখে নেটিজেনদের একটাই প্রশ্ন নুসরাত কি এবার যশকে বিয়ে করতে চলেছেন?

গতকাল শুক্রবার যশের সঙ্গে গাড়িতে করে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন নুসরাত। গাড়িতে একান্তে সময় কাটিয়েছেন এই তারকা যুগল।নুসরাত-শিক্ষাবার্তা

দুজনই ইনস্টা স্টোরিতে একই ছবি পোস্ট করেছেন। দুজনের ছবিতে জ্বলজ্বল করছে একটাই কথা, ‘আমাকে বিনোদনে ভরিয়ে দাও!’ তার নীচে নুসরাত-যশের নাম।

তবে তারা ‘এন্টারটেনড’ হতে কোথায় গিয়েছিলেন? সে বিষয়ে কোনো কিছু জানা যায়নি। তবে ছবির ক্যাপশন বলছে, নিজেদের মতো করে সময় কাটাতেই তারা গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন।

 

এর আগেও যশ-নুসরাত এক সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। আজমির শরিফের দরগায় প্রার্থনা জানাতে দেখা গেছে তাদের। পাহাড়ের কোলে, খাদের ধারে যশের ছবি তুলে দিয়েছেন নুসরাত।

নেটমাধ্যমে এক সঙ্গে ভালোমন্দ খাওয়াদাওয়ার ছবিও শেয়ার করে নিয়েছেন তারা। কিন্তু এভাবে এক সঙ্গে বেরিয়ে পড়ার ছবি এর আগে কখনও পোস্ট করেননি তারা।

স্বামীকে তালাক না দিয়ে যশের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা বাড়তে থাকায় নুসরাতের জীবনে এখন নিখিল জৈন ‘অতীত’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুই বছরের বেশি সময় আগে নিখিল জৈনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়েতে জড়ান নুসরাত জাহান। কিন্তু বিয়ের এক বছর পরই আচমকাই ছন্দপতন রূপকথার প্রেমকাহিনিতে। নিখিল-নুসরাতের দাম্পত্য সম্পর্কের চিড় এখন টালিগঞ্জের ওপেন সিক্রেট।

যদিও টালিউডের গুঞ্জন, স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রীর। তবে এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি নিখিল বা নুসরাত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ক্যালরি ঝরান এক ঘণ্টার সেক্সে

ডেস্ক,২০ এপ্রিল ২০২১:
মেনুতে আজ কী ছিল? আপনার প্রিয় মাটন চাপ? তাই বেশি খেয়ে ফেলেছেন! অপরাধী মন নিয়ে ঘুমোতে যাচ্ছেন। শেষমেশ ঠিক করে নিলেন কাল সকালে ট্রেডমিলে আধ ঘণ্টা বেশি দৌড়লেই কাজ হয়ে যাবে। আর কোনও দিন লোভে প়ড়ে বেশি খাবেন না ভেবে হয়তো নিয়েও নিলেন কঠিন রেজলিউশন। তবে, নিজেও জানেন এই রেজলিউশনের আয়ুকাল ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। এই রুটিন তো আপনার চলছে টানা এক বছর। কিন্তু ফল? রোগা হওয়া তো দূরের কথা বরং ইঞ্চিখানেক বেড়েই গিয়েছে কোমরের মাপ। ‘ট্রেডমিল খারাপ’ এই অজুহাতে রাগও দেখিয়েছেন কয়েক বার। তবে সমস্যা কি সত্যিই ট্রেডমিলে? নাকি আপনার হিসেবে? ভেবে দেখেছেন কখনও?

ঠিক কতটা ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে কতখানি শরীরচর্চার প্রয়োজন তার এক সহজ সমীকরণ করে দিয়েছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। হিসেব খুব সোজা। ক্যালরি ইন বনাম ক্যালরি আউট। কোন খাবার কতটা পরিমাণ খেলে আপনার কোন ধরনের শরীরচর্চা করা উচিত, কত ক্ষণ করা উচিত তার একটা তালিকা তৈরি করেছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। শরীরচর্চা বলতে কিন্তু শুধুই জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো নয়। সাঁতার, সাইক্লিং, দৌড়নো, নাচ, হাঁটা, কম্পিউটারে বসে কাজ, সেক্স, বই পড়া যে কোনও কিছুই সাহায্য করে মেদ ঝরাতে। তবে তার একটা নির্দিষ্ট হিসেব রয়েছে। যেমন—

এক ঘণ্টা সাঁতার কেটে ঝরানো যেতে পারে ৭৭২ ক্যালরি। যা প্রায় সাড়ে পাঁচ ক্যান কোল্ডড্রিঙ্কের সমান।

এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে ঝরে যাবে ৭০০ ক্যালরি। প্রায় তিনটি ডোনাটের সমান।

যদি আপনি এক টুকরো চিপ খান তবে অন্তত এক ঘণ্টা চিউইং গাম চিবিয়ে নিন। সারা দিন যত ক্ষণ জেগে থাকেন প্রতি ঘণ্টায় যদি একটা করে চিউইং গাম খান তবে এক বছরে পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো যেতে পারে।

বড় এক বাটি আলুভাজা খেলে এক ঘণ্টা দৌড়ে আসুন। এক বাটি আলুভাজা মানে অন্তত হাজার ক্যালরি।

পার্টিতে গিয়ে তিন গ্লাস ওয়াইন খেয়ে ফেলেছেন? এই ৪০০ ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে হলে কিন্তু অন্তত এক ঘণ্টা নাচতেই হবে।

আপনি কি জানেন, একটা চকোলেট বারের এক তৃতীয়াংশ খেলেও আপনার শরীরে ঢুকছে ১১ ক্যালরি? চিন্তা নেই। এক ঘণ্টা বসে কম্পিউটারে কাজ করলেই ঝরে যাবে।

বই পড়তে ভালবাসেন? জানলে খুশি হবেন যে এক ঘণ্টা পড়ে আপনি ২৮ ক্যালরি পর্যন্ত কমাতে পারেন।

পিজায় কি চিজ একটু বেশি ছিল? আপনার চিন্তার সমাধান করতে পারে এক ঘণ্টার সেক্স। পুরুষেরা এক ঘণ্টার সেক্সে কমাতে পারেন ১.৮ পাউন্ড চিজের সমান ক্যালরি। মহিলারা ১.২ পাউন্ড চিজের ক্যালরি কমাতে পারবেন।

এ বার তা হলে ভাবতে বসুন কী করবেন। খাওয়ার পর খাতা-পেন্সিল নিয়ে হিসেব কষে নিন— নাচবেন, দৌড়বেন নাকি শুধু বই পড়ে আর সেক্সের সময় বাড়িয়েই কমিয়ে ফেলবেন ক্যালরি!

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫০০ টাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের অ্যাম্বুলেন্স-ফ্রিজিং ভ্যান সুবিধা

অনলাইন রিপোর্টার॥ সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অ্যাম্বুলেন্স এবং মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের একটি নীতিমালা তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অ্যাম্বুলেন্স ও মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান কীভাবে, কত টাকা ভাড়ায় এবং কোন প্রক্রিয়ায় ভাড়া হবে তা নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন স্বাক্ষরিত ‘ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার নীতিমালা-২০২০’ জারি করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের বিদ্যমান মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যান ও অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো সুস্পস্ট নীতিমালা না থাকায় যানবাহনগুলোর যথাযথ ব্যবহারের জন্য একটি নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিবেচনায় এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে যোগ্য ব্যক্তির স্ত্রী-স্বামী, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ছেলে-মেয়ে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ভাই, অবিবাহিত/তালাকপ্রাপ্ত/বিধবা বোন, পিতামহ-পিতামহী এবং পুত্রের বিধবা স্ত্রী ও শিশু সন্তান ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্যবহারকারী:

ফ্রিজিং ভ্যান ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, সংসদ সদস্যরা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সব কর্মচারী ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন এবং ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার সব কর্মচারী, অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নবম বা তদুর্ধ গ্রেডের কর্মচারীরা ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য হবেন। ব্যবহারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া:

ফ্রিজিং ভ্যান কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী অথবা তার পরিবারের যেকোনো সদস্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন। সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে পরিবহন কমিশনার হট লাইন নম্বর চালু এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। পরিবহন কমিশনার এ সেবা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কর্মচারীকে দায়িত্ব দেবেন।

আবেদনকারীর সংখ্যা একই সময়ে একাধিক হলে অগ্রাধিকার বিষয়ে পরিবহন কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যবহার নির্দেশিকা:

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে দেশের যেকোনো অঞ্চলে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা যাবে। মরদেহ বা অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারবেন না। যেসব অঞ্চলের রাস্তায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগীর কারণে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে সেসব অঞ্চলে সাধারণভাবে যাতায়াতে করা যাবে না।

অনুমোদিত চলাচলের ক্ষেত্রে যানবাহনের কোনো ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন।

জ্বালানির ব্যবহার:

ফ্রিজিং ভ্যান ও অ্যাম্বলেন্স সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর থেকে বুঝে নেওয়ার পর সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত আসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানির ব্যয় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে।

ফেরি/সেতুর ব্যবহার:

যাতায়াত পথে ফেরি পারাপার বা সেতু ব্যবহারের প্রয়োজনে ফেরি ও সেতুর টোল ইত্যাদি ব্যবহারকারী পরিশোধ করবেন।

ব্যবহারজনিত ভাড়া:

ঢাকা শহর ও এর আশপাশের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার তিন টাকা হারে ভাড়া নেওয়া হবে।

পরিশোধ পদ্ধতি:

গাড়ি ব্যবহারের পর গাড়িতে সংযোজিত ভেহিকেল ট্রেকার অতিক্রান্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রকৃত দূরত্ব হিসেবে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোডে তিনদিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। চালানের মূলকপি সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে জমা দিয়ে না-দাবিপত্র সংগ্রহ করতে হবে। প্রাপ্ত আয় নন ট্যাক্স রেভিনিউ হিসেবে গণ্য হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন অনলাইনে

ডেস্ক রিপোর্ট,১৮ ডিসেম্বর:
২০০৮ সাল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই পরিচয়পত্রে বিভিন্ন রকম ভুলের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব তথ্যে একবার ভুল হলে নানা রকম হয়রানীতে পড়তে হয়। তবে আশার কথা হচ্ছে- জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া।

আপনারা জানেন, এখন অনলাইনের মাধ্যমেই ভুল তথ্য সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য শুরুতেই এনআইডি পোর্টালে ঢুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সেখানে এনআইডি নম্বর দিতে হবে। এরপর অ্যাকাউন্টে ঢুকলে সেখানে লিংক পাবেন অনলাইনে ফি পরিশোধের।

জানা যায়, ওকে ওয়ালেট বা রকেটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমেও পরিশোধ করতে পারবেন। পরিচয়পত্রে যে তথ্য আছে, তার যেকোনো একটি সংশোধন করতে চাইলে প্রথমবার আবেদনের জন্য ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যতবার আবেদন করবেন ৪০০ টাকা ফি দিতে হবে।

এ ছাড়া কিছু তথ্য আছে, যেগুলো পরিচয়পত্রে লেখা নেই। সেগুলোও সংশোধন করা যায়। সেক্ষেত্রে প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তীতে প্রতিবার ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। ফি পরিশোধ হয়ে গেলে এডিট করার লিংকে তথ্য চলে যাবে। এরপর তথ্য সংশোধন অপশনে যেতে পারবেন।

তবে সংশোধনের জন্য কিছু কাগজের কপি আপলোড করতে হবে। যেমন-
১. নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন
২. মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সনদপত্র
৩. পাসপোর্টের কপি
৪. ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কাগজ
৫. বিয়ের পর স্বামীর নাম যোগ করতে চাইলে নিকাহনামা
৬. স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে
৭. বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে তালাকনামা সংযুক্ত করতে হবে।

কোন ধরনের সংশোধনে কী কী কাগজ প্রয়োজন, তা ওয়েবসাইটেই দেওয়া আছে। তথ্য সংশোধন অনুমোদন হয়ে গেলে একটি মেসেজ পাবেন। ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেই সংশোধিত এনআইডি প্রিন্ট করে লেমিনেট করে নিতে পারবেন।

তবে যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সামর্থ নেই বা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না; তাদের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচন অফিস আছে। সেখানে দু’জন করে ‘ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’ রয়েছেন। তারাই সব ধরনের ডাটা এন্ট্রিতে সহযোগিতা করবেন। এটি পুরোটাই বিনা মূল্যে করবেন তারা।

এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে যে ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে; সেখানেও অনলাইনে এনআইডি সংক্রান্ত সেবা পাবেন। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনের জন্য অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে এ লিংকে প্রবেশ করবেন। আর ফি সম্পর্কে জানতে এ লিংকে প্রবেশ করবেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা ৩০ লাখ হতে ১০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ মে:
ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

এখন থেকে একক নামে কেউ ১০ লাখ টাকার বেশি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারবে না। এতদিন এই সীমা ছিল ৩০ লাখ টাকা।

আর যুগ্ম-নামে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৬০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ২০ লাখ টাকা।

সঞ্চয়পত্রের বিক্রির চাপ কমাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে মুনাফার উপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একইসঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে কোনো সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না মর্মে শর্ত আরোপ করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ফেব্রুয়ারিতে ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর ঘোষণা দেয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর দেয়ার সুযোগ

ডেস্ক,১৪ নভেম্বর:
এখন থেকে যেকোন সময় যেকোন স্থান থেকে বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-পেমেন্ট পোর্টালে গিয়ে বিকাশ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে আয়কর পরিশোধ সেবা নিতে পারবেন গ্রাহক।

এছাড়াও বিকাশ অ্যাপ এর হোম স্ক্রিনের সাজেশন বক্সে এনবিআর লোগো থাকবে, যেখানে ক্লিক করলেই গ্রাহক সরাসরি আয়কর পেমেন্ট গেটওয়ে পেজে চলে যেতে পারবেন।

১৪ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার বেইলী রোডের অফিসার্স ক্লাবসহ সারাদেশে এনবিআর কর্তৃক আয়োজিত আয়কর মেলাতেও সহজেই বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করা যাবে।

ঝামেলা এড়িয়ে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে www.nbrepayment.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অনলাইন আয়কর সেবা প্রদানে যারা নিবন্ধন করেছেন বা নিবন্ধন করেননি উভয় গ্রাহকই এখান থেকে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন। যাদের রেজিস্ট্রশন করা আছে তারা সাইন-ইন করে “পে ইনকাম ট্যাক্স” থেকে “ট্যাক্স” অপশন চেপে পরবর্তী পাতায় টিআইএন নম্বর দিলে পাশেই “ভেরিফাই টিআইএন” দেখতে পাবেন।

ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটন চাপলে “পেমেন্ট মেথড” পাওয়া যাবে।

এখানে মোবাইল পেমেন্ট অপশন থেকে বিকাশ সিলেক্ট করে একাউন্ট, ওটিপি কোড ও পিন নম্বর দিলেই আয়কর প্রদানের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং চলে আসবে কনফার্মেশন মেসেজ। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা নেই, তারা “আনরেজিস্টার্ড” অপশন সিলেক্ট করে একই প্রক্রিয়ায় আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন।

বিকাশে আয়কর পরিশোধে গ্রাহকদের জন্য ১.১% চার্জ প্রযোজ্য হবে।

বিকাশের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ ঝামেলামুক্ত করতে এনবিআর-কে প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে আইটি কনসালট্যান্টস লিমিটেড (আইটিসিএল)।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাকিবের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ডেস্ক,২৯ অক্টোবর: বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সমর্থকরা। মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সমানে বিক্ষোভ করেছেন তারা। ‘নো সাকিব নো ক্রিকেট’ স্লোগানে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করেছেন সাকিবভক্তরা। এ ছাড়া সাকিবের জন্মস্থান মাগুরায় বুধবার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানবন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটি প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনালকে না জানানোর কারণেই তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। তবে দোষ স্বীকার করায় শর্ত সাপেক্ষে এক বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। সেই শর্ত ভঙ্গ না করলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন সাকিব।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন সাকিব আল হাসান। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আবার ক্রিকেটে ফিরে আসতে দেশবাসী, সকল ভক্ত, সরকার এবং মিডিয়ার সহায়তা চেয়েছেন। আগে যেভাবে ভক্তরা তাকে সহায়তা করেছেন সেটা করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। সকলের সমর্থন পেলে আরও ভালো ও শক্তভাবে ফিরে আসতে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান যে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার মুখে- মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে তা প্রথম প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি দেশে-বিদেশে এখন আলোচনায়। মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে প্রতিবেদনটি প্রথম সংস্করণ ও নগর সংস্করণে পৃথক শিরোনামে প্রকাশিত হয়। নগর সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘১৮ মাস নিষিদ্ধ হচ্ছেন সাকিব’। আর প্রথম সংস্করণের শিরোনাম ছিল, ‘জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করেন সাকিব’।

সোমবার গভীর রাতে সমকালের প্রিন্ট সংস্করণ বাজারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে প্রতিবেদনটি। পত্রিকার ছবি তুলে পাঠকরা রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেশি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি জায়গা করে নেয় বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যা করলে আপনার সন্তান মানুষের মত মানুষ হবে।

১) আপনার সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।


৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।

৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।

৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।

৬) মাঝে মাঝে খারাপ সময় আসে জীবনের । খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সময়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন নিয়মিত
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।

৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যে পরিচয়ে হোয়াইট হাউসে যান সেই প্রিয়া সাহা

অনলাইন ডেস্ক,২০ জুলাই:

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ও গুরুতর মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের নাগরিক প্রিয়া সাহা। ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের নালিশ একেবারেই তার নিজস্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্ত।



জানা গেছে, সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে যেখানে তার নাম নেই। কিন্তু ওই সম্মেলনে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের একজন জেনারেল সেক্রেটারি পরিচয়েই গিয়েছেন প্রিয়া সাহা।

মার্কিন গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ফ্রিডম হাউস ২৭ প্রতিনিধির তালিকা তুলে ধরেছেন। তালিকার ১৮ নম্বরে প্রিয়া বিশ্বাস সাহার নাম রয়েছে।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, তার সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধিকে ওয়াশিংটনের ওই সম্মেলনে পাঠানো হয়েছিল। তারা হলেন, পরিষদের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অশোক বড়ুয়া ও নির্মল রোজারিও এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জী

তিনি বলেন, এর বাইরে আমাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। প্রিয়া সাহা আমাদের সংগঠনের ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদকের একজন। তবে তিনি ওই প্রতিনিধি দলে সদস্য ছিলেন না।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, প্রিয়া যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন, তা তিনি জেনেছেন শুক্রবার গণমাধ্যম থেকে।

এদিকে প্রিয়া সাহার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় চলছে। তার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

ফেসবুকে ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও আসার পর প্রিয়ার বক্তব্য নিয়ে শুরু হয় আলোচনার ঝড়। অনেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনেন।

ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে ওয়াশিংটনের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের ২৭ প্রতিনিধির সঙ্গে গত বুধবার হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে ওই অভিযোগ করেন প্রিয়া সাহা।

যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত ধর্মীয় স্বাধীনতায় অগ্রগতি শীর্ষক তিন দিনের ওই সম্মেলনের সমাপনীতে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনও বক্তব্য দেন।

তার আগে বুধবার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হোয়াইট হাউসে যান।

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ইয়াজিদি নারী নাদিয়া মুরাদসহ ওই প্রতিনিধি দলের অনেকেই নিজের দেশে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেন।

প্রিয়া সাহার বক্তব্য ছিল, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৌলবাদীদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়েছেন।

ট্রাম্পকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, প্লিজ আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখনও সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষ আছে। আমার অনুরোধ, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না

তিনি বলেন, তারা আমার বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে, আমার জমি কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু বিচার হয়নি।

তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতে চান- কারা তার বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে, জমি কেড়ে নিয়েছে। জবাবে প্রিয়া বলেন, তারা মুসলিম মৌলবাদী, তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ব্যথায় ঠাণ্ডা না গরম সেঁক দেবেন?

ব্যথা হলে সেঁক দেয়ার প্রথা সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। সেঁক রোগীর ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যথার স্থানে সেঁক দিলে অনেক ভালো লাগে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথাও কমে যায়।


কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ব্যথা হলে কোন ধরনের সেঁক দিতে হয় বা কোন সেঁক দেয়া উচিত এবং কোনটা কোথায় কিভাবে কাজ করে। অনেকে আবার ব্যথা হলেই গরম সেঁক দিয়ে থাকেন।

কিন্তু গবেষকরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা পেলে যেমন হঠাৎ আঘাত পেয়ে ফুলে গেলে, লাল হয়ে গেলে, মচকে গেলে ইত্যাদি স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হবে। অনেক দিনের ব্যথা অর্থাৎ ক্রোনিক ব্যথার স্থানে গরম সেঁক দিতে হবে।

ঠাণ্ডা সেঁক কিভাবে দেবেন:
ব্যথার স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিনে ১০ – ১৫ মিনিট প্রয়োজন অনুযায়ী সকালে ১ বার ও রাতে ১ বার দেবেন। কখনও কখনও ৩-৪ বার ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হতে পারে। সেঁক দেয়ার আগে নারিকেল তেল ও রসুন একসঙ্গে গরম করে (কিছুক্ষণ গরম করার পর লালচে রঙ হলে তা ঠাণ্ডা করুন) ওই স্থানে হালকা লাগিয়ে ঠাণ্ডা ভেজা সুতি কাপড়ের ওপর দিয়ে বরফ লাগিয়ে সেঁক দেবেন। অসুস্থ জয়েন্ট এবং টেনডনে রক্তের প্রবাহ, নার্ভ অ্যাক্টিভিটি, ব্যথা এবং ফোলা কমায় ঠাণ্ডা সেঁক।

ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:
যাদের বোধ কম আছে তারা ঠাণ্ডা সেঁক বাড়িতে ব্যবহার করবেন না। কারণ, লেস সেনসরির কারণে নার্ভ বা টিস্যু ডেমেজ হয়ে গেলে বুঝতে পারবে না। যাদের ডায়াবেটিক আছে তাদের ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার না করাই ভালো। কেননা, ঠাণ্ডা সেঁক সেনসেশন কমিয়ে দেয়। মাসেল এবং জয়েন্ট স্টিফ থাকলে ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও যাদের পুওর সারকুলেশন তাদের ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়া উচিত নয় ।

গরম সেঁক কিভাবে দেবেন:
বেশি দিনের ব্যথা হলে গরম সেঁক দিতে হবে। প্রথমে গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে নিংড়িয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। এরপর ভেজা টাওয়েল শুকনা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন তাড়াতাড়ি গরম ভাপ বের না হয়ে যায়। এভাবে ১০-১৫ মিনিট সেঁক দিন। এছাড়াও হট ওয়াটার ব্যাগে গরম সেঁক নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, গরম পানিতে টাওয়াল ব্যবহার করে সেঁক দেয়া বেশি কার্যকরী।গরম সেঁক ব্যথাযুক্ত স্থানে সারকুলেশন বাড়িয়ে মাসেল এর ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়, ডেমেজ টিস্যু সুস্থ করতে সাহায্য করে ।

গরম সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:

গরম সেঁক ফোলা এবং ক্ষত স্থানে ব্যবহার করা যাবে না। যদি আপনার হার্টের সমস্যা বা হাইপারটেনশন থাকে তাহলে গরম সেঁক ব্যবহারের আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দাত ঝকঝকে করতে যা করবেন

দাত-শিক্ষাবার্তা
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।

যা যা লাগবে

তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি।



-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।

ব্যবহার বিধি

এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গ্রামে গরীব তরুণীর সেলুনে শেভ করালেন শচীন!

সচিনডেস্ক,৪ মে: একবার দৃষ্টি দিলেই বোঝা যাবে, এটা দামি কোনো সেলুন নয়। অথচ ভারতের উত্তর প্রদেশের বনওয়ারি টোলা গ্রামের এই সেলুনেই বসে শেভ করাচ্ছেন ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার! অবাক করা ব্যাপার। শচীন নিজে ছবি না দিলে অনেকে হয়তো এটা বিশ্বাসই করতেন না।

এমন এক সেলুনে শচীনের সেভ করানোর পেছনে লম্বা গল্প আছে। আছে জীবনযুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করা দুই তরুণীর সাহসী পথচলার গল্প। প্রত্যন্ত এক গ্রামের সেলুন, এই সেলুনে কাজ করেন দুজন তরুণী। নেহা নামের তরুণী এই সেলুনের প্রধান। যে কি না তার বোনসহ নিজেদের পরিচয় গোপন করে পুরুষ সেজে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।



  নেহা তার পরিবারেরও প্রধান। ২০১৪ সালে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসারের হাল ধরতে হয় তাকে। সমাজ ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে নিজেদের পরিচয় গোপন করেন নেহা ও তার বোন। পুরুষের নাম নিয়ে চালিয়ে যেতে থাকেন কাজ। বাবার চিকিৎসা, সংসার ও নিজেদের পড়াশোনার খরচ এখান থেকেই যোগাড় করেছেন তারা।

কিছুদিন এভাবে যাওয়ার পর এই দুই বোনকে নিয়ে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। তাদের নিয়ে তৈরি হয় একটি বিজ্ঞাপনও। সংবাদমাধ্যমে এসব দেখে নেহা এবং তার বোনের সঙ্গে দেখা করতে যান ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচীন। নেহা ও তার বোনের সঙ্গে দেখা করে তাদেরকে জিলেটের পক্ষ থেকে বৃত্তি প্রদান করেন তিনি।

জিলেট ইন্ডিয়ার বৃত্তি নেহা ও তার বোনকে বুঝিয়ে দেন শচীন। ছবি: সংগৃহীত

নেহার কাছে সেভ করানোর একটি ছবি নিজের ইনস্টগ্রামে পোস্ট করেছেন ভারতের এই ব্যাটিং জিনিয়াস। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার একটি প্রথম। আপনারা নাও জানতে পারেন, তবে আমি কখনও অন্যকে দিয়ে সেভ করাইনি। সেই রেকর্ড আজ ভেঙে গেল। ‘বারবার গার্লসের’ সঙ্গে দেখা করে এবং জিলেট ইন্ডিয়ার বৃত্তি তাদেরকে দিতে পেরে সম্মানিতবোধ করছি।’

সুত্র: প্রিয়.কম Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আমার সাফল্যে প্রধান অবদান ধোনির, ক্যাপ্টেন কুলকে বিরাট সার্টিফিকেট

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ছিলেন বলেই বিরাট কোহালি তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন। ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বর জায়গা যে কোনও দলের মেরুদণ্ড।

ধোনি নেতৃত্বে থাকার সময়েই নাকি কোহালিকে তিন নম্বরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভারত অধিনায়কের সেই দিনগুলো ভালই মনে রয়েছে। নতুন কোনও ক্রিকেটারকে সাধারণত তিন নম্বর পজিশন ছাড়া হয় না। সেখানে ধোনি তিন নম্বরে পাঠিয়েছিলেন নবাগত কোহালিকে। অগ্রজর প্রতি কৃতজ্ঞতা উজাড় করে কোহালি বলছেন, ‘‘আমি যখন দলে প্রথম সুযোগ পাই, তখন ব্যাটিং অর্ডার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার সুযোগ ছিল। আমার সামনে সুযোগ আসায় তার সদ্ব্যবহার করি। কিন্তু, ধোনির কাছ থেকে যে সমর্থন পেয়েছিলাম, সেটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ আমাকে ধোনিই করে দিয়েছিল।’’

ধোনির কাছ থেকে শুরুর দিকে যে সমর্থন পেয়েছিলেন কোহালি, তার জন্য এখনও কৃতজ্ঞ তিনি। ইদানীং কালে ধোনিকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে। যা দেখে ব্যথিত কোহালি। তিনি বলছেন, ‘‘অনেকে ধোনিকে সমালোচনা করছেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার। আমার কাছে আনুগত্যটাই বড় ব্যাপার।’’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটির দিনেও অফিস করতে বড়ই ক্লান্ত

ডেস্ক: সপ্তাহে ছয় দিন ৮ ঘণ্টা অফিস। বাড়ি ফিরে ক্লান্ত শরীররটাকে কোনো মতে বিছানায় ছেড়ে দিলেই দিন শেষ। পরের দিন আবার সেই অফিস। বছরের পর বছর প্রতিদিনের এই রুটিন শুধু আমাদেরই ক্লান্ত করে না, অতিষ্ঠ করে আমাদের চারপাশের মানুষদেরও। আপনার সময়ের অভাবে তারা একলা বোধ করতে শুরু করেন। এর সঙ্গে যদি এসে যুক্ত হয় ছুটির দিনে অফিস পার্টি। তবে আর কি? অনেকেই বুঝতে পারেন না কী ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। আর প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় কারণে সম্পর্কও ভেঙে যায়। আর নিজের শান্তিও থাকে না।

অগ্রিম প্ল্যান করুন

পুরো সপ্তাহের একটা প্রাথমিক পরিকল্পনা করে লিখে রাখুন। যেন আপনি নিজেও দেখতে পারেন। পরিবারের সদস্যরাও পারেন। তবে আপনার থেকে বেশি প্রত্যাশা রাখবেন না কেউ। এই প্ল্যানের মধ্যেই যেন পরিবারের জন্য বরাদ্দ সময়ের উল্লেখ থাকে। এতে আপনার সন্তান, মা-বাবা স্ত্রী অনুভব করতে পারবে তাদের আপনি কতটা প্রাধান্য দেন।

সহকর্মীদের বাড়িতে ডাকুন

এমন পরিস্থিতিতেও পড়তে পারেন যখন হঠাৎ পার্টি কিছুতেই এড়ানো যাচ্ছে না। তখন পার্টিটা আপনার বাড়িতে করার প্রস্তাব দিতে পারেন। এতে আপনার পরিবারও একটা গেট-টুগেদারের সুযোগ পাবে।

সারপ্রাইজ ডিনার

মাঝে মাঝে তাড়াতাড়ি অফিস সেরে সারপ্রাইজ ডিনারে যেতে পারেন পরিবারের সদস্যদের সাথে। কোনো ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে অভিমান ভেঙে দিন। অনেক দিন যাননি এমন কোনো আত্মীয়ের বাড়ি কাটিয়ে আসুন কয়েক ঘণ্টা। কোনো কোনো দিন পছন্দের ছবি বা অনুষ্ঠান দেখে আসার পরিকল্পনাও করতে পারেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:আসন্ন ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ১৫ জনের মূল দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুপুর সাড়ে ১২টায় শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সম্মেলন কক্ষে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য এ স্কোয়াড ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter