Home » টপ খবর » করোনার মধ্যেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান ৯৭ শতাংশ অভিভাবক

করোনার মধ্যেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান ৯৭ শতাংশ অভিভাবক

ডেস্ক,১০ম ২০২১:
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চললেও এ মুহূর্তে স্কুল খুলে দিলে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী। প্রাথমিকের ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিভাবক এমন মতামত দিয়েছেন।

গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি) এবং বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিজিআইডি) পরিচালিত এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠেছে।

সোমবার (১০ মে) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠান দুইটি। ২০২০ সালের এপ্রিল এবং চলতি বছরের মার্চে ছয় হাজারের অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

মহামারির এ সময়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকার পরও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও সন্তানদের বাইরে যাওয়া বন্ধ নেই, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন তারা।

তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে সন্তানদের শিক্ষায় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, যা তারা বাড়াতে চান না। বাধ্য হয়ে এ ক্ষতির কিছুটা কমাতে কোচিং সেন্টারে সন্তানদের পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে নিয়মিত খরচের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষায় খরচ ১১-১৩ গুন পর্যন্ত বেড়েছে।

অভিভাবকা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের সন্তানদের শিক্ষায় আগ্রহ কমছে। আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ‘অটো পাস’ এর কারণে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে গিয়ে সন্তানরা কোনো সমস্যায় পড়েন কি-না, তা নিয়েও তারা ভীষণ উদ্বিগ্ন।

এ সমীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং বিজিআইডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন।

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সমীক্ষা প্রতিবেদনের মূল বার্তা হলো- স্কুল বন্ধ থাকলেও প্রাথমিকের ৫১ শতাংশ এবং মাধ্যমিকের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, শিক্ষায় পিছিয়ে থাকলে ভবিষ্যত জীবনে সন্তান সমস্যায় পড়বে, এমন আশঙ্কা থেকে অতি দরিদ্র ৫৯ শতাংশ বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়ের কোচিং সেন্টারে পাঠিয়েছেন। আবার স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে কওমি মাদ্রাসা খোলা থাকায় এখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেড়েছে।

এ অবস্থায় আগামী বাজেটে প্রাথমিকের শিক্ষার্থী প্রতি মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পিপিআরসি এবং বিআইজিডি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinby feather
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
Advertisements

Leave a Reply

x

Check Also

ভালোলাগা প্রথম দেখায়, ২০ দিন পর বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ জুন ২০২১ আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে হাইকোর্টে এক সিনিয়রের সঙ্গে প্র্যাকটিস করছেন শাম্মী আকতার মনি। পাশাপাশি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার হিসেবে চাকরি করছেন ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে। আইনি পরমার্শ ...

student-shikkhabarta

অ্যাসাইনমেন্টের ফল যাচাই : ৩ জুনের মধ্যে প্রশ্নমালা পূরণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২১ করোনা অতিমারির কারণে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গতবছর ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমের ফলপ্রসূতা যাচাইয়ের উদ্যোগ ...

ntrc1_shikkha

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশে আর বাধা নেই : এনটিআরসিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২১ ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করতে এনটিআরসিএ আবেদন গ্রহণ করেছে। এসব পদে নিয়োগ সুপারিশ করতে প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে আদালতের দেয়া স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ...

নুসরাত-শিক্ষাবার্তা

নুসরাত কি এবার যশকে বিয়ে করতে চলেছেন?

বিনোদন ডেস্ক মে ২৯, ২০২১ স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে ডিভোর্স না হলেও অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন টালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। দিন যত গড়াচ্ছে ...

hit counter