স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে আমড়া

amra-1ডেস্ক : আমাদের দেশে আমড়া অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল। জনপ্রিয়তার দিক থেকেও কম নয়। বিশেষ করে বরিশালের আমড়া। ফলটি খেতেও সুস্বাদু। তবে কাঁচা আমড়াই খেতে ভালো।

লবণ ও মরিচ গুঁড়া মেখে ফলটি বেশি খাওয়া হয়। আচার, চাটনি, ভর্তা, ডালের মধ্যে দিয়েও আমড়া খাওয়া যায়।

ছোট্ট এই ফলটি আছে যাদুকরি উপকার। স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের ঝুঁকি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।

শুধুই কি স্ট্রোকের ঝুঁকি জেনে নেওয়া যাক কেন খাবেন আমড়া—

ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানসমৃদ্ধ আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

ফলটিতে প্রচুর আঁশ আছে। যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ

ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের চিকিৎসা সেভাবে এখনো চালু হয়নি। এই রোগটি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায় না তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। এ কারণে বেশি বেশি আমড়া খাওয়া খেতে হবে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অরুচি দূর

আমড়া খেলে অরুচি দূর হয়ে যায়। এটি ক্ষুধা বাড়েতে বেশ কার্যক্রর। এ কারণে শিশুদের বেশি করে আমড়ার ডাল খায়ানো উচিত। এতে শিশুর খাওয়ার রুচি বাড়বে।

সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি

বাহ্যিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতেও আমড়া বেশ কার্যকর। এর ভিটামিন সি ত্বক, নখ ও চুলের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

girl-drinking-bottled-waterস্বাস্থ্য ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩ মাস ধরে স্বপ্নদোষ না হলে যৌনাঙ্গের কোন ক্ষতি হবে?’

prostate-cancerপ্রশ্ন: আমার বয়স ২৩। অনেক বেশি হস্তমৈথুন করি। (সপ্তাহে ৩-৪ বার)। আগে নিয়মিত বিরতিতে স্বপ্নদোষ হত। (১৫ দিনে ১ বার )। প্রায় ৩মাস হয়ে গেল স্বপ্নদোষ হয়নি।। অন্য কোন যৌন সমস্যা নেই। শারীরিকভাবেও ফিট । শুধু এই ব্যাপারটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এটা না হওয়া কি কোনো সেক্স প্রব্লেম এর লক্ষণ ?

উত্তর: স্বাভাবিকভাবে স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। সাধারণত মাসে ৩-৪ বার স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কারও যদি একেবারেই স্বপ্নদোষ না হয় তবে তার শারীরিক কোনো সমস্যা আছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। কেননা এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা প্রতিটি সুস্থ মানুষের হ্ওয়াটা বাঞ্ছনীয়।

কিন্তু আপনি বলছেন যে আপনার আগে স্বপ্নদোষ হত কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে হচ্ছে না। আবার আপনার হস্তমৈথুনও করেন নিয়মিত। যেহেতু আপনি হস্তমৈথুন করেন সেহেতু আপনার স্বপ্নদোষ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা হস্তমৈথুনেই আপনি শারীরিকভাবে তৃপ্ত হচ্ছেন তাই স্বপ্নদোষ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তাই আপনি যেটিকে সমস্যা ভেবে চিন্তা করছেন এটি আসলে কোনো সমস্যা না। সুতরাং চিন্তিত হবার কোনো কারণ নেই।

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

dr.skdas76@gmail.com

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগের সমাধান

1470551098437স্বাস্থ্য ডেস্ক: মাড়ি ফোলা সমস্যা দাঁতের ব্যথার চেয়ে কম অস্বস্তিকর নয়। এ সমস্যা যন্ত্রণাদায়কও বটে। মাড়ি ফুললে খেতে সমস্যা তো হয়ই, পাশাপাশি দাঁত মাজতেও ব্যথা লাগে।

সাধারণত মাড়ির রঙ গোলাপী থাকার কথা। কিন্তু এ রোগে মাড়ির রং বদলে যেতে পারে। ফ্যাকাশে হওয়া থেকে শুরু করে কালচে লাল বা ধূসর রং ধারণ করতে পারে। মাড়ির সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অপুষ্টি, মুখের সংক্রমণ, দাঁতের যত্ন না নেওয়া, ভালো করে মুখের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার না করা প্রভৃতি।

সুতরাং জেনে নিন, দাঁতের মাড়ি ফোলা সমস্যা মোকাবেলায় উপকারী কিছু ঘরোয়া টোটকা।১ে, লবণ পানি: লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের সংক্রমণ বা জীবাণু নষ্ট হয়। ফলে অনেকটা আরাম মেলে। আর সংক্রমণ দূর হয় বলে মাড়ির ফোলাভাবটাও দ্রুত কমে যায়।

১ লবঙ্গ : দাঁতের সমস্যায় লবঙ্গ এককথায় সবচেয়ে উপকারি মসলা। দাঁতের ব্যথা হোক বা মাড়ির ফোলার সমস্যা- লবঙ্গ মুখে দিন। বেশ কিছুক্ষণ রেখে চিবুতে থাকুন। সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

২ বাবলা গাছের ডাল: এ ধরনের সমস্যা সমাধানে বাবলা গাছের ডাল খুব উপকারী। এই গাছের ডাল পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে পানি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর সেই পানি দিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ কুলকুচি করুন। উপকার পাবেন।

৩ আদা : মুখের সংক্রমণে আদা সেই প্রাচীনকাল থেকে ঔষুধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু সংক্রমণ নষ্ট করাই নয়, মুখে নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণও আদা অনেকটা রোধ করে।

৪ লেবু পানি : ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজার আগে লেবু পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মাড়ির সমস্যা অনেকাংশে রোধ করা যায়, এমনটাই অভিমত চিকিৎসকদের।

৫ অ্যালোভেরা: ত্বক, ক্ষতর পাশাপাশি দাঁতের বা বিশেষত মাড়ির সমস্যায় চমকপ্রদ সমাধান হলো, ভেষজ উপাদান অ্যালেভেরা।

৬ সরিষার তেল : সরিষার তেলে যন্ত্রণা উপশমকারী একাধিক দ্রব্য রয়েছে। তেলের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে তা মাড়িতে মালিশ করতে পারেন।

৭ চা পাতার তেল : মাড়ির সমস্যার আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপকরণ হলো চা পাতার তেল। এই তেল দাঁতের গোড়ায় মালিশ করলে ফোলা মাড়ির অস্বস্তির হাত থেকে অনেকটা নিস্তার পাওয়া যায়। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

এরপরও মাড়ি ফোলা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তরুণদের যৌন সমস্যায় নতুন সমাধান

sexual_problemসম্প্রতি যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যৌনতায় সক্রিয় দেশটির তরুণদের ১০ শতাংশই গত এক বছরে বেডরুমে ‘বেদনাদায়ক যৌন সমস্যায়’ ভুগেছেন।

গবেষকরা ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী ২৩৯২ জন তরুণের সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই বিষয়টি বের করে নিয়ে আসেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫১৭ জনই আবার যৌনজীবনে নিষ্ক্রিয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যৌনজীবনে সক্রিয় নারীদের ৪৪ শতাংশ এবং পুরুষদের ৩৪ শতাংশই গত একবছরে এক বা একাধিক যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা তাদেরকে এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভুগিয়েছে।

নারীদের ৯% এবং পুরুষদের ১৩% বলেছেন, তারা যে যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন, তা এতটাই তীব্র ছিল যে পরিণতিতে তারা পীড়িত বোধ করেছেন।

নারীদের জন্য প্রধান ‘পীড়াদায়ক’ অভিযোগ ছিল তারা অর্গাজম বা চূড়ান্ত যৌন সুখানুভূতি লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। আর পাঁচ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, তারা যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

যুবকদের প্রধান সমস্যা ছিল, দ্রুত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া (৫%) আর লিঙ্গোত্থান না হওয়া এবং তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে না পারা (৩%)।

ড. ক্রিস্টিন মিচেল যিনি লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনে গবেষণাটি শুরু করেছিলেন, তিনি বলেন, ”আমাদের গবেষণায় বিস্ময়কর যে তথ্যটি বেরিয়ে এসেছে তা হলো, শুধু ব্রিটেনের বুড়োরাই অবসাদমূলক যৌন সমস্যায় ভুগছেন না বরং অসংখ্য নব যৌবনপ্রাপ্তরাও এমন সমস্যায় ভুগছেন।”

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত পেশাদার লোকদের উচিত ‘যৌবনের শুরুতেই যৌন সমস্যা নিয়ে তরুণদেরকে খোলামেলা কথা বলা এবং এর সমাধানে চেষ্টা করার সুযোগ-সুবিধা সরবরাহের ব্যবস্থা করা’।

ড. মিচেল বলেন, ”আমরা যদি যুক্তরাজ্যের জনগণের যৌনজীবনকে সুখী করতে চাই তাহলে লোকে তাদের যৌনজীবন শুরু করার সময়ই আমাদেরকে তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। নয়ত যৌনতাসম্পর্কিত জ্ঞানের অভাব, উদ্বেগ বা লজ্জার কারণে অনেকেই জীবনভর যৌন সমস্যায় ভোগার ঝুঁকিতে পড়ে যাবেন। যা পরিণতিতে যৌন আনন্দ এবং নারী-পুরুষের সম্পর্ককেও ধ্বংস করবে।”

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যৌন সমস্যায় আক্রান্ত তরুণদের মাত্র এক তৃতীয়াংশ তাদের পরিবার, বন্ধুমহল, গণমাধ্যম বা ইন্টারনেটে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ চেয়েছেন। অন্যদিকে, পুরুষদের মাত্র ৪ শতাংশ এবং নারীদের ৮ শতাংশ যৌন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছেন।

একবছর ধরে যৌনতায় লিপ্ত হননি এমন নারী-পুরুষদের ১০% জানিয়েছেন, যৌন সমস্যার কারণেই তারা যৌনমিলন এড়িয়ে চলছেন।

লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর প্রফেসর কায়ে ওয়েলিংস বলেন, ”যুক্তরাজ্যের যৌন শিক্ষাব্যবস্থায় যৌনমিলনে তৃপ্তির বিষয়টি প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তরুণদের জন্য বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে খোলামেলা কথা বলা দরকার।”

তিনি আরও বলেন, ”যৌনশিক্ষার মাধ্যমে যৌনতাসম্পর্কিত প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণাগুলো খণ্ডানো, যৌন তৃপ্তির বিষয়ে আলোচনা এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কে লিঙ্গসমতা উৎসাহিতকরণে অনেক কিছুই করা সম্ভব। বিপরীত লিঙ্গের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহজ যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার গুরুত্ব সম্পর্কেও তরুণদেরকে শিক্ষা দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে তরুণরা তাদের যৌনজীবনের সমস্যাগুলো আরো সহজে বুঝতে এবং মোকাবিলা করতে পারবে।”
সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই

nasim2স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুর পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দরকার।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নগরীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ব্রেস্টফিডিং সপ্তাহ-২০১৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার মায়েদের জন্য বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি কর্মজীবি মায়েরা তাদের কর্মরত দুগ্ধদানরত মাতৃ তহবিল থেকেও ভাতা পাচ্ছে। তিনি প্রতিটি অফিসে ব্রেস্টফিডিং কর্নার করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যেই এধরণের কর্নার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো যতœশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।
এ বছরে ব্রেস্টফিডিং এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ব্রেস্টফিডিং টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি’।
স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুখসানা কাদের, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দ্বীন মুহাম্মদ নুরুল হক, বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) চেয়ারম্যান ড. এসকে রায়।
বক্তারা মায়ের কর্মস্থলে শিশুদের জন্য ব্রেস্টফিডিং এবং ঘরে তৈরি খাবারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, একজন মাতা তার কর্মস্থলে শিশুকে খাওয়াতে পারলে শিশুটি যেমন সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হয়ে বেড়ে উঠতে পারবে, তেমনি মা অফিসে তার কাজে অধিক মনযোগি হতে পারবেন।
তারা বলেন, বাংলাদেশ ৬ মাসের কম বয়সি শিশুদের মধ্যে ব্রেস্টফিডিং এর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তারা বলেন, বুকের দুধে বাড়তি সুবিধা আছে এবং শিশুর জন্মলাভের পরের মাসগুলোতে মায়ের বুকের দুধে শিশুর জীবন রক্ষা এবং তার স্বাভাবিক বেড়ে উঠা নিশ্চিত করে।
বক্তরা কর্মস্থলে শিশুদেরকে মার বুকের দুধ খাওয়াতে সহায়তা করার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান, কারখানা, শপিংমল, পেশাজীবি সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহবান জানান।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মানুষের নাক থেকে তৈরি হবে অ্যান্টিবায়োটিক

antibioticঅনলাইন ডেস্ক:

মানুষের নাকের ভেতর থেকে এক ধরণের অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নাকের ভেতরে থাকা মাইক্রোবস যে যৌগ তৈরি করে তা বেশ কিছু ভয়ঙ্কর প্যাথোজেন (ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া) হত্যা করতে পারে। এসব প্যাথোজেনের মধ্যে রয়েছে সুপারবাগ এমআরএসএ। খবর বিবিসির।

যেসব ব্যাকটেরিয়া থেকে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয় তার বেশীরভাগই মাটিতে বসবাস করে। কিন্তু যত বেশী সংখ্যক রোগের জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে বিজ্ঞানীরা তত বেশী করে নতুন নতুন উপশমের পথ খুঁজছেন।

এই আবিষ্কারের সাথে জড়িত জার্মান বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন জাতের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রথম উদাহরণ হবে নাক থেকে পাওয়া এই অ্যান্টিবায়োটিক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বয়স্কদের অতিমাত্রায় ভিটামিন ডি সেবনের প্রয়োজন নেই

mediডেস্ক : পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের চিকিৎসকরা সাধারণত ভিটামিন ডি সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ হিসেবে বলা হয় পোস্ট মেনোপজাল নারীদের হাড়ের ভঙ্গুরতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে অথবা হাড় মজবুত করতে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের কোনো ধরনের ভূমিকা নেই।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞগণ যাদের মেনোপজ হয়েছে এমন নারীদের তিন ধরনের চিকিৎসা দেন। একটি গ্রুপকে দৈনিক ৮০০ ইউনিট ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়া হয়। দ্বিতীয় গ্রুপকে প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর ৫০ হাজার ইউনিট ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়া হয়। শেষ গ্রুপকে কোনো ধরনের ভিটামিন ডি দেয়া হয় না।

গবেষকগণ বলছেন, হাইডোজ ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়ায় শুধু রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বাড়ে। কিন্তু হাড়ের ডেনসিটি ও হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি কোনো কাজেই আসেনি। এমনকি যারা ভিটামিন ডি সেবন করেছেন তাদের ব্যায়াম করার সামর্থ্যও বাড়েনি অথবা পড়ে যাবার হাত থেকেও রেহাই পাননি।

এ ব্যাপারে গবেষণার প্রধান অথার উইসকনসিন ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ক্যারেন ই হ্যানসেন বলছেন, রক্তে অতিমাত্রায় ভিটামিন ডি থাকাটা জরুরি নয়। রক্তে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা ২০ বা তার চেয়ে বেশি থাকলেই যথেষ্ট। যা একজন মেনোপজাল নারীর রক্তে থাকে। অর্থাৎ ড. হ্যানসেন বুঝাতে চেয়েছেন পোস্ট মেনোপজাল নারীদের অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট সেবনের প্রয়োজন নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

mobileস্বাস্থ্য ডেস্ক: একুশ দশকে মোবাইল ফোন একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার। আর সম্প্রতি কয়েক বছরে এটি বেশ প্রচলিতও হয়েছে। তবে অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমিডি জানিয়েছে মোবাইল ফোন বেশি ব্যবহারের কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা।

  • অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের অসুবিধা করে।
  • মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহার মানসিক চাপ বাড়ায়।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • হাসপাতাল, মার্কেট বা অন্যান্য জনসমাগমস্থলে মোবাইল ব্যবহার করলে ডিভাইসটি জীবাণুর সংস্পর্শে আসতে পারে। এ থেকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়।
  • শ্রবণক্ষমতা কমায়।
  • দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে।
  • মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি করে।
  • দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

 

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন

  • কথা বলার সময় ফোন কানে না ধরে অধিকাংশ সময় স্পিকার চালু করে কথা বলুন।
  • বেশিক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। বেশিক্ষণ কথা বলতে হলে ল্যান্ডফোনে ব্যবহার করুন।
  • মোবাইল ফোনে বেশি কথা বলার চেয়ে মেসেজ করুন।
  • ভ্রমণের সময় মোবাইল ফোন কম ব্যবহার করুন।
  • ঘুমানোর সময় বিছানার কাছে ফোন রাখবেন না।
  • যদি সম্ভব হয় রেডিয়েশনকে আটকাতে ইএমএফ প্রোটেকটিভ ক্লটিং ব্যবহার করুন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা খেলে ব্লাড সুগার কমবে

blood sugarস্বাস্থ্য ডেস্ক : ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা একটি ফলের নাম। ভাবছেন এটা আবার কী ফল? আরে এটা হল তার বিজ্ঞান সম্মত নাম। আসল নামটা হল আম।

ফলে আম খেলে ব্লাড সুগার কমবে। ভাবছেন তো এটা আবার কেমন কথা! আম তো মিষ্টি, এতে তো প্রচুর সুগার কনটেন্ট তাহলে আম কী করে সুগার কমাবে? ‘

নিউট্রিশন অ্যান্ড মেটাবলিক ইনসাইটস’ নামক একটি জার্নালের মতে এই সুস্বাদু ফলটিতে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে। তবে সেই আমকে হতে হবে ‘ফ্রিজ ড্রায়েড ম্যাঙ্গো’। জার্নালটিতে লেখা হচ্ছে, প্রত্যহ ১০ গ্রাম ফ্রিজ ড্রায়েড ম্যাঙ্গো (প্রায় ১০০ গ্রাম টাটকা আমের সমান) খেলে স্থূলকায় ব্যাক্তিদের ব্লাড সুগার কমবে।

বিষয়টা ব্যাখ্যা করে দেন ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশনাল সাইন্সের সহকারি অধ্যাপক এড্রালিনা লুকাস। এছাড়া আমে ভিটামিন সি, এ মিলিয়ে প্রায় ২০ রকমের বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। তাহলে জেনে গেলেন তো, তাহলে এবার যাদের ব্লাড সুগার রয়েছে তারা এই গরমে বেশী বেশী করে আম খান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করে যে খাবার

dentalডেস্ক: হলদেটে দাঁত বড়ই অস্বস্তিকর বিষয়। অনেক সময় প্রতিদিন ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করলেও দাঁতের হলদেটে ভাব কাটতে চায় না। এর মূল কারণ হচ্ছে কিছু খাবারে দাঁতে দাগ পড়ে যায় এবং প্রতিদিনের একটু একটু অবহেলায় দাঁতের হলদেটে ভাব স্থায়ী হয়ে যায়। তবে এমন তিনটি খাবার আছে যা দিয়ে দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করা যাবে খুব সহজেই। চলুন জেনে নেয়া যাক-

তেজপাতার ব্যবহার
তেজপাতা গুঁড়ো করে নিন। এই তেজপাতার সাথে মেশান লেবু বা কমলা লেবুর খোসার গুঁড়ো। ভালো করে মিশিয়ে পাউডারের মতো তৈরি করে নিন। এই পাউডার দিয়ে সাধারণ টুথপেস্টের মতো ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। কয়েক মিনিটেই পেয়ে যাবেন ঝকঝকে সাদা দাঁত।

হলুদের গুঁড়ো
অনেকের ধারণা হলুদের গুঁড়ো বা হলুদ দাঁতের রঙ হলদেটে করার জন্য দায়ী। আসলে কিন্তু তা নয়, বরং হলুদ দাঁত সাদা করতে খুবই কার্যকরী। বিশেষ করে হলুদের মূল। হলুদ বেটে নিয়ে কিংবা হলুদ গুঁড়োতে সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে এই পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। ব্যস, খুবই দ্রুত ঝকঝকে সাদা দাঁত পেয়ে যাবেন।

স্ট্রবেরি
খুবই সুস্বাদু এই ফলটি দিয়ে ঝকঝকে সাদা করে ফেলতে পারেন নিজের দাঁতগুলো। ২/৩ টি স্ট্রবেরি ভালো করে পিষে নিন। এই পিষে নেয়া স্ট্রবেরি দাঁতে ভালো করে ঘষে নিন। এভাবে দিনে দুইবার ২ সপ্তাহ ব্যবহার করুন। দেখবেন অনেক সাদা হয়ে উঠেছে দাঁত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনার হার্ট অ্যাটাক হলে কিভাবে বুঝবেন!

heart-attakস্বাস্থ্য ডেস্ক: হৃদরোগ সাধারণ আর দশটি রোগের মতো নয়। প্রথমে খুব সাধারণ কিছু লক্ষণ দেখা দিলেও পরবর্তীতে সেটি অবহেলার কারণে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিটি হার্ট অ্যাটাকের যে কিছু নিদিষ্ট ও সাধারণ কারণ থাকবে, তা কিন্তু নয়। webmd.com এর মতে সব সময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হিসেবে বুকে ব্যথা হবে, তা নয়। বুকে ব্যথা ছাড়াও কিছু লক্ষণ আছে যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে-

বুকে ব্যথা
হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হয় বুকে ব্যথা। সাধারণত বুকের মাঝখান থেকে প্রচন্ড চাপ ব্যথা অনুভূত হয়। আস্তে আস্তে সেই ব্যথা চোয়ালে অথবা বাম কাঁধ ও বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে থাকে। এই রকম ব্যথা দেখা দিলে অব্যশই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কাশি
আপনার যদি দীর্ঘদিন কাশির সমস্যা থাকে, এবং তার সাথে সাদা বা গোলাপি কফ বের হয়। তবে বুঝতে হবে আপনার হার্ট ঠিকমত কাজ করছে না। ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবে হ্যাঁ কাশি সবসময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নাও হতে পারে। কফের সাথে নিয়মিত রক্ত বের হলে এটি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
যদি কাজের মধ্যেই আপনি প্রায়ই হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যান, তাহলে বুঝবেন হার্টের সমস্যা রয়েছে। এটি যদি কোন দুশ্চিন্তার কারণে না হয়ে থাকে তবে দ্রুত কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শ্বাস কষ্ট ও দম ফুরিয়ে যাওয়া
যদি আপনার অ্যাজমা বা অন্য কোন সমস্যা না থাকে এবং হঠাৎ করে শ্বাস কষ্ট সমস্যা দেখা দেয় মূলত হৃদরোগ থেকে ফুসফুসে পানি জমা সহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঠান্ডা ছাড়াও শ্বাস কষ্ট এর সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। অল্পতেই দম ফুরিয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে নিঃ শ্বাস নেওয়াও ভবিষ্যত হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।

ঘাম হওয়া
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ। বিশেষ করে ডায়াবেটিকস রোগীর ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা ছাড়া অতিরিক্ত ঘাম, বুক ধড়ফড়, হঠাৎ শরীর খারাপ লাগা শুরু হলে অব্যশই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

মাথা ব্যথা
যখনই প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়, আমরা ওষুধ খেয়ে থাকি। কিন্তু জানেন কি, হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম লক্ষণ হল প্রতিদিনকার প্রচন্ড মাথা ব্যথা।

বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা ও ফুলে যাওয়া
আপনার বিভিন্ন অঙ্গে বিশেষ করে হাত-পায়ের গিঁট ব্যথা ও ফুলে যাওয়া সরাসরি হার্ট অ্যাটাক বা হার্টের সমস্যার সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। তবে দীর্ঘদিন হলে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। শরীরের অভ্যন্তরে পানি চলে আসার করণে শরীরের পানি চলে আসে, যার কারণে হাত-পায়ের গিঁট ফুলে যায়। বিশেষত অনেকক্ষণ কোথাও বসে থাকলে পায়ে পানি চলে আসে। নিয়মিত এটি ঘটলে অব্যশই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

খুব তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়া
আপনি কি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন? কিছুক্ষণ কাজ করলে বুক ধড়ফড় করে? তবে আপনি এখনই কোন হার্টের চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। বিশেষ করে মহিলাদের হার্টের সমস্যার প্রধান লক্ষণ এটি হয়ে থাকে।

অনিয়মিত পালস রেট
আপনি যদি অনেক বেশি নার্ভাস থাকেন বা কোথাও থেকে দৌড়ে আসেন আপনার পালস রেট উঠা নামা করতে পারে। তবে এটি যখন কোন কারণ ছাড়াই উঠা নামা করে সেটি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিয়মিতভাবে যদি এই সমস্যা দেখা দেয় তবে অতিসত্ত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ধূমপানে শুক্রাণু ক্ষতিগ্রস্ত হয়

494-1এতদিন বিশেষজ্ঞরা বলে আসছিলেন, যে সমস্ত নারী মা হবার পরিকল্পনা করছেন তাদের অবশ্যই ধূমপান বর্জন করা উচিত। কিন্তু সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, শুধু নারী নয়, সন্তান নিতে চান এমন বাবাদেরও ধূমপান বর্জন করা উচিত।

ব্রাজিলিয়ান বিশেষজ্ঞরা স্মোকারস ও নন স্মোকারদের শুক্রাণু পরীক্ষায় দেখেছেন স্মোকারের স্পার্ম বা শুক্রাণু ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, জন্ম নেয়া শিশুটির ওপরও বাবার ধূমপানজনিত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

ধূমপায়ীদের ডিএনএ টেস্ট করে দেখা গেছে, স্পার্ম অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও ভঙ্গুর থাকে। আর এ ধরনের ক্ষতি তৈরি হয় সিগারেটের ক্যাডমিয়াম ও নিকোটিনের কারণে। বিশেষজ্ঞরা আরো বিপজ্জনক খবর দিয়েছেন। আর তা হচ্ছে, বাবা-মা ধূমপায়ী হলে জেনেটিক সমস্যা হতে পারে। এমনকি সন্তানের ক্যান্সারের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

এ ছাড়া স্পার্মের এনার্জি সেন্টার হিসাবে বিবেচিত মাইটোকন্ড্রিয়া স্মোকারদের অত্যন্ত দুর্বল থাকে; যা ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হবার মত যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে না। বিজেইউ ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে আরো উল্লেখ করা হয়, স্মোকারের স্পার্মের হেড থেকে যে ধরনের এনজাইম নিঃসরিত হয় তার পরিমাণও কম থাকে।

আর এই গবেষণা তথ্যটি দিয়েছেন সাও পাওলো ফেডারেল ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ গবেষণার সিনিয়র অথার ড. রিকার্ডো পিমেন্টা বার্টোলা। এই গবেষকের মত বাবা হতে চান এমন পুরুষদের অবশ্যই ধূমপান বর্জন করা উচিত। নিউইর্য়ক টাইমস অবলম্বনে এই লেখাটি রচনা করা হয়েছে।

লেখক: চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৭ দিনে ৫ পাউন্ড ওজন কমানোর মহৌষধ!

9494964169ব্যায়াম ও কোন ধরণের ডায়েটের ঝামেলা ছাড়া ওজন কমানোর জন্য ব্যাকুল থাকে মানুষ। তবে এটা যেন একটি স্বপ্ন হয়ে রয়েছে অনেকের কাছে। তাহলে আপনারা খুশি হতে পারেন, কারণ ব্যায়াম আর ডায়েটের ঝামেলা ছাড়াই ওজন কমানোর মহৌষধ আবিষ্কার হয়ে গেছে।

মাত্র দুইটি উপকরণ দিয়ে আপনি ঘরে বসেই এই পানীয় তৈরি করে নিতে পারবেন। নিম্নে তৈরিকরণ নিয়ম জানানো হল-

প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিন। এবার এই পানিতে দারচিনী মিশিয়ে নাড়ুন। এরপর এই পানীয় ঠাণ্ডা করে নিন। ঠাণ্ডা হবার পর মধু মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন, মধু কখনও গরম পানিতে মেশাবেন না। এতে মধুর গুণাবলী নষ্ট হয়ে যায়।

এই পানীয়র অর্ধেক রাতে পান করে ঘুমাতে যাবেন। সকালে খালি পেটে বাকি অর্ধেক পানীয় পান করবেন। এভাবে, এক সপ্তাহ পানি পান করার পর নিজের ওজনের পরিবর্তন দেখে আপনি নিজেই আশ্চর্য হয়ে যাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!

pin-prickডেস্ক: চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।

যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি

কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10 আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।

কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।

এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।

তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।

জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free