স্বাস্থ্য চিকিৎসা

হাইপার টেনশন থেকে বাঁচতে হোমিও ৩টি ঔষধ

ডাঃ এস কে দাসঃ হাইপার টেনশনকে নীরব ঘাতক বলা হয়। কোনো বড় লক্ষণ ছাড়াই এটি আমাদের শরীরকে খারাপ করে দিতে পারে। এর থেকে দূরে থাকার কিছু উপায় দেওয়া হলো-
১। যারা দিনে ৫ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমান তারা হাইপার টেনশনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক।
২। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমতে সাহায্য করে। তাই খাবার সময় লবণ খাবার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিন।
৩। নিয়মিত ব্যায়ামও হাইপার টেনশন থেকে বাঁচাবে। তাই প্রত্যেকের উচিত সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করা।
৪। প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। নিজে না পারলে বই বা অডিও সিডির সাহায্য নিন।
৫। ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খেলেও হাইপার টেনশন কমবে।
৬। অতিরিক্ত ওজনও হাইপার টেনশনের কারণ। তাই ওজন কমাতে মনোযোগী হন।

৭। আমার উদ্ভাবনি হোমিও তিনটি ঔষধ সেবন  করলে হাপোরটেনশন এর মত কঠিন রোগ থেকে আপনি বাচতে পারেন।

ডাঃএস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

01811898061

পুরুষের নাকি নারীর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নারীরা সব সময় ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়েই চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু ব্রেস্ট  ক্যান্সারের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে নারীদের মৃত্যুর হার ৬ গুণ বেশি। এই রোগটির সম্ভাব্য কারণ নারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়ে থাকে। পুরুষের ক্ষেত্রে রক্তনালীর একটি স্থানেই ব্লকেজ হয়ে থাকে। এটি এঞ্জিওপ্লাস্টি বা বাইপাস গ্রাফট করে ঠিক করা যায়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এটি বিস্তৃত স্থানে হয়ে থাকে বা ছড়িয়ে যায়। তবে এই সমস্যাটির ও সমাধান করা সম্ভব। পুরুষের তুলনায় নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই চলুন।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, নারীদের মধ্যে প্রায়ই অ্যাজিনার (হৃদপিন্ডে রক্ত প্রবাহের অপ্রতুলতার জন্য অল্প পরিশ্রমেই বুকে যে ব্যথা হয়) লক্ষণ দেখা যায়, কিন্তু করোনারি ধমনীতে  কম বাঁধা দেখা যায়। এজন্যই এঞ্জিওগ্রাফির মাধ্যমে ধমনীর ব্লক চিহ্নিত করা কঠিন। এছাড়াও ৪০% নারীরই হার্ট অ্যাটাকের সময় বুকে ব্যথা থাকেনা। তাদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও প্রচণ্ড দুর্বলতার সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও সাধারণত হার্ট অ্যাটাকের সময় হাতে ব্যথা হয় কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের সময় পিঠে বা কাঁধে ব্যথা হয়।

সুস্থ নারীদের তুলনায় যে নারীদের ডায়াবেটিস আছে তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৩ গুণ বেশি। প্রেগনেন্সির সময় যে নারীরা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজে ভোগেন তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নারী ধূমপায়ীদের পুরুষদের তুলনায় হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৬ গুণ বেশি। ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) এর মাত্রা কম এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এর মাত্রা বেশি থাকলে নারীদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এইচডিএল এর মাত্রা ৫০ এর উপরে এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০০ এর নীচে রাখার চেষ্টা করুন।

অধিক ওজনের নারীদের হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি, যদি তাদের অন্য কোন রিস্ক ফ্যাক্টর নাও থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন।

হরমোন থেরাপি নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় না। আগে বিশ্বাস করা হত যে, নারীদের কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ কমে যায় মেনোপোজের পরে। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে যে, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT) স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় না।

নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর জন্য ৪ টি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আর তা হল – সঠিক খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান বাদ দেয়া (যদি ধূমপানের অভ্যাস থেকে থাকে) এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। এগুলো অনুসরণ করলে আপনি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৮২% পর্যন্ত কমাতে

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিসের চিরতরে মুক্তি

Diabetes cure in homeopathy

Diabetes cure in homeopathy

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।

আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

০১৮১১৮৯৮০৬১

 

গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে

বিকল্প দুধে সবসময়ই রোগজীবানু বহন করার ভয় থাকে। কারণ দুধ, নিপল এবং বোতলের সাথে অথবা বিকল্প দুধ তৈরীতে ব্যবহৃত পানির সাথে রোগজীবাণু থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়। তাই শিশুর ঘন ঘন অসুখ হয়। তাছাড়া এই সময় গরুর দুধ পান করানোটাও উচিত হয়। শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে সকল সমস্যা হতে পারে:-
রক্তাল্পতা :- গরুর দুধে আয়রন কম থাকায় এবং দুধের ক্যালসিয়াম ও ক্যাসিন আয়রন শোষণে বাধা দেওয়ায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের নিচের প্রায় সব শিশুই আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় ভোগে।
আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ :- গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের কম প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুর অন্ত্রে আণুবীক্ষণিক রক্তক্ষরণ হয়।
ডায়াবেটিস :- গরুর দুধে বোভাইন সেরাম এলবুমিন (বিএসএ) থাকে। তা শিশুর অপরিপক্ব অন্ত্রের ছিদ্র দিয়ে পরিপাক ছাড়াই সরাসরি রক্তে চলে যেতে পারে। রক্তে গেলে এই প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই প্রোটিনের গঠনের সঙ্গে শিশুর দেহে ইনসুলিন তৈরিকারী বিটা কোষের গাঠনিক প্রোটিন পি৬৯-এর মিল রয়েছে। ফলে অ্যান্টি-বিএসএ অ্যান্টিবডি বিটা কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে তাকে ধ্বংস করতে পারে। বিটা কোষ ধ্বংস হলে বড় হয়ে ওই শিশুই ইনসুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিসে ভুগতে পারে।
অ্যালার্জি :- গরুর দুধের প্রোটিন আকারে বড় হওয়ায় এবং ১ বছরের নিচের শিশুর পরিপাকতন্ত্রের অপরিপক্বতার কারণে এসব প্রোটিন অনেক সময় অ্যামাইনো এসিডে রূপান্তরিত না হয়ে ছোট-ছোট প্রোটিন অণুতে পরিণত হয়। এগুলো রক্তে গেলে ইমিউনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশনে বিভিন্ন অ্যালার্জির উপসর্গ তৈরি করে।
শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ :- ইমিউনোলজিক্যাল রি-অ্যাকশনের কারণে শিশুর শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হতে পারে। ফলে নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি-কাশি প্রায়ই লেগে থাকে, এমনকী হাঁপানিও হতে পারে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর শ্বাসতন্ত্রের অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১২০ গুণ বেশি।
পেটের অসুখ :- গরুর দুধের জটিল প্রোটিন হজম করতে না পারা ও অন্যান্য উপাদান, বিশেষত দুধের ল্যাকটোজের প্রতি সহনশীলতার অভাবে প্রায়ই পেটের অসুখ-বিসুখ যেমন- পেট ফাপা, ডায়রিয়া, বমি, বদহজম শিশুকে আক্রান্ত করে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর পেটের অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা প্রায় ৪০ গুণ বেশি।
হঠাৎ মৃত্যু :- গরুর দুধের ক্যাসিন প্রোটিন থেকে শিশুর পেটে বোভাইন বিটা ক্যাসোমরফিন-৫ তৈরি হতে পারে। রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গেলে শিশুর শ্বাস মাঝে-মাঝে আটকে যায়। এমনকী শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। ক্রিব রোগ বা হঠাৎ শিশু মৃত্যুর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ২ হাজার শিশুর একজন এভাবে মারা যায়।
পানিশূন্যতার আশঙ্কা :- গরুর দুধের অতিরিক্ত প্রোটিন ও খনিজ পদার্থের কারণে এর ওপর নির্ভরশীল শিশুদের মূত্র তুলনামূলক বেশি ঘন হয়ে থাকে। তা অসমোটিক ডাই-ইউরোসিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব আকারে বের করে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি করে। এসব শিশু জ্বর ও ডায়রিয়ার সময় অন্য শিশুর তুলনায় অতি দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তা তার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

বিষয়গুলো জানার পর আশাকরি আপনারা অন্তত একবার হলেও ভাববেন আগামী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া আমাদের দেশে মায়েরা তাদের বাচ্চাদের কৌটার দুধ পর্যন্ত খাওয়াতে দিধা করেন না। যে গুলো আরো ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে।

আরও বিস্তারিত জানতে
Dr. S.k.das
DHMS
01911334810

বুকের দুধ খাওয়ালে শুধু শিশুরাই নয়, মায়েরাও ঝুঁকিমুক্ত

bukar-milkডেস্ক ॥ শিশুকে বুকের পান করানো কেবল শিশুর জন্যেই উপকারী নয়, মায়ের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও প্রয়োজনীয়। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, যে মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তারা অকালে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান। এমনকি ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগসহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কম থাকে তাদের।

শিশু জন্মের এক বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। অন্তত ৬ মাস পর্যন্ত‌ বুকের দুধ খাওয়াতেই হবে। বুকের দুধ থেকে শিশুরা যেমন পুষ্টি পায়, তেমনি মায়েরাও অকাল মৃত্যু ও মারাত্মক সব রোগ থেকে রক্ষা পায়।

ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনার বিশেষজ্ঞ অ্যালিসন স্টুয়েবে জানান, এ গবেষণায় বুকের দুধ খাওয়ানো কতটা উপকারী তা বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মেডিসিনের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর মেলিসা বার্টিক জানান, রোগ প্রতিরোধে বুকের দুধ পানের উপকারিতা অনেক। নতুন মায়েদের রোগ থেকে দূরে থাকতে এবং শিশুর স্বাস্থ্যবানভাবে বেড়ে উঠতে প্রত্যের হাসপাতালের উচিত এ বিষয়ে তাদের সচেতন করে তোলা।

বিভিন্ন সরকারি তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, বুকের দুধ পান করানো হলে মা এবং শিশুর রোগের চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ অনেক কমে আসে। জন্মের পর শিশুরা অ্যাকুট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকোমিয়া, কানে সংক্রমণ, ক্রোহন্স ডিজিস, আলসেরেটিভ কোলিটিস, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সংক্রমণ, লোয়ার রেসপাইরেটরি ট্রাক্ট সংক্রমণ, স্থূলতা ইত্যাদি রোগের ঝুঁকিতে থাকে। আর মায়েরা স্তন ক্যান্সার, প্রি-মেনোপজাল ওভারিয়ান ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে থাকেন।

গবেষকরা জানান, আমেরিকায় বুকের দুধ পান না করানোর কারণে বছরে ৩৩৪০ জন মায়ের অকাল মৃত্যু ঘটে। এসব রোগের পেছনে ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে যায়।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক এলিয়ানর বিমলা সোয়ার্জ জানান, শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের প্রয়োজনীয়তা বহু আগেই থেকেই জানে মানুষ। তবে এটা যে মায়ের স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় সে সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নন।

ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন জার্নালে গবেষণপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে আমড়া

amra-1ডেস্ক : আমাদের দেশে আমড়া অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল। জনপ্রিয়তার দিক থেকেও কম নয়। বিশেষ করে বরিশালের আমড়া। ফলটি খেতেও সুস্বাদু। তবে কাঁচা আমড়াই খেতে ভালো।

লবণ ও মরিচ গুঁড়া মেখে ফলটি বেশি খাওয়া হয়। আচার, চাটনি, ভর্তা, ডালের মধ্যে দিয়েও আমড়া খাওয়া যায়।

ছোট্ট এই ফলটি আছে যাদুকরি উপকার। স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের ঝুঁকি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।

শুধুই কি স্ট্রোকের ঝুঁকি জেনে নেওয়া যাক কেন খাবেন আমড়া—

ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানসমৃদ্ধ আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

ফলটিতে প্রচুর আঁশ আছে। যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ

ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের চিকিৎসা সেভাবে এখনো চালু হয়নি। এই রোগটি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায় না তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। এ কারণে বেশি বেশি আমড়া খাওয়া খেতে হবে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অরুচি দূর

আমড়া খেলে অরুচি দূর হয়ে যায়। এটি ক্ষুধা বাড়েতে বেশ কার্যক্রর। এ কারণে শিশুদের বেশি করে আমড়ার ডাল খায়ানো উচিত। এতে শিশুর খাওয়ার রুচি বাড়বে।

সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি

বাহ্যিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতেও আমড়া বেশ কার্যকর। এর ভিটামিন সি ত্বক, নখ ও চুলের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে।

খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

girl-drinking-bottled-waterস্বাস্থ্য ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

৩ মাস ধরে স্বপ্নদোষ না হলে যৌনাঙ্গের কোন ক্ষতি হবে?’

prostate-cancerপ্রশ্ন: আমার বয়স ২৩। অনেক বেশি হস্তমৈথুন করি। (সপ্তাহে ৩-৪ বার)। আগে নিয়মিত বিরতিতে স্বপ্নদোষ হত। (১৫ দিনে ১ বার )। প্রায় ৩মাস হয়ে গেল স্বপ্নদোষ হয়নি।। অন্য কোন যৌন সমস্যা নেই। শারীরিকভাবেও ফিট । শুধু এই ব্যাপারটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এটা না হওয়া কি কোনো সেক্স প্রব্লেম এর লক্ষণ ?

উত্তর: স্বাভাবিকভাবে স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। সাধারণত মাসে ৩-৪ বার স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কারও যদি একেবারেই স্বপ্নদোষ না হয় তবে তার শারীরিক কোনো সমস্যা আছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। কেননা এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা প্রতিটি সুস্থ মানুষের হ্ওয়াটা বাঞ্ছনীয়।

কিন্তু আপনি বলছেন যে আপনার আগে স্বপ্নদোষ হত কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে হচ্ছে না। আবার আপনার হস্তমৈথুনও করেন নিয়মিত। যেহেতু আপনি হস্তমৈথুন করেন সেহেতু আপনার স্বপ্নদোষ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা হস্তমৈথুনেই আপনি শারীরিকভাবে তৃপ্ত হচ্ছেন তাই স্বপ্নদোষ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তাই আপনি যেটিকে সমস্যা ভেবে চিন্তা করছেন এটি আসলে কোনো সমস্যা না। সুতরাং চিন্তিত হবার কোনো কারণ নেই।

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

dr.skdas76@gmail.com

 

দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগের সমাধান

1470551098437স্বাস্থ্য ডেস্ক: মাড়ি ফোলা সমস্যা দাঁতের ব্যথার চেয়ে কম অস্বস্তিকর নয়। এ সমস্যা যন্ত্রণাদায়কও বটে। মাড়ি ফুললে খেতে সমস্যা তো হয়ই, পাশাপাশি দাঁত মাজতেও ব্যথা লাগে।

সাধারণত মাড়ির রঙ গোলাপী থাকার কথা। কিন্তু এ রোগে মাড়ির রং বদলে যেতে পারে। ফ্যাকাশে হওয়া থেকে শুরু করে কালচে লাল বা ধূসর রং ধারণ করতে পারে। মাড়ির সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অপুষ্টি, মুখের সংক্রমণ, দাঁতের যত্ন না নেওয়া, ভালো করে মুখের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার না করা প্রভৃতি।

সুতরাং জেনে নিন, দাঁতের মাড়ি ফোলা সমস্যা মোকাবেলায় উপকারী কিছু ঘরোয়া টোটকা।১ে, লবণ পানি: লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের সংক্রমণ বা জীবাণু নষ্ট হয়। ফলে অনেকটা আরাম মেলে। আর সংক্রমণ দূর হয় বলে মাড়ির ফোলাভাবটাও দ্রুত কমে যায়।

১ লবঙ্গ : দাঁতের সমস্যায় লবঙ্গ এককথায় সবচেয়ে উপকারি মসলা। দাঁতের ব্যথা হোক বা মাড়ির ফোলার সমস্যা- লবঙ্গ মুখে দিন। বেশ কিছুক্ষণ রেখে চিবুতে থাকুন। সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

২ বাবলা গাছের ডাল: এ ধরনের সমস্যা সমাধানে বাবলা গাছের ডাল খুব উপকারী। এই গাছের ডাল পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে পানি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর সেই পানি দিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ কুলকুচি করুন। উপকার পাবেন।

৩ আদা : মুখের সংক্রমণে আদা সেই প্রাচীনকাল থেকে ঔষুধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু সংক্রমণ নষ্ট করাই নয়, মুখে নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণও আদা অনেকটা রোধ করে।

৪ লেবু পানি : ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজার আগে লেবু পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মাড়ির সমস্যা অনেকাংশে রোধ করা যায়, এমনটাই অভিমত চিকিৎসকদের।

৫ অ্যালোভেরা: ত্বক, ক্ষতর পাশাপাশি দাঁতের বা বিশেষত মাড়ির সমস্যায় চমকপ্রদ সমাধান হলো, ভেষজ উপাদান অ্যালেভেরা।

৬ সরিষার তেল : সরিষার তেলে যন্ত্রণা উপশমকারী একাধিক দ্রব্য রয়েছে। তেলের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে তা মাড়িতে মালিশ করতে পারেন।

৭ চা পাতার তেল : মাড়ির সমস্যার আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপকরণ হলো চা পাতার তেল। এই তেল দাঁতের গোড়ায় মালিশ করলে ফোলা মাড়ির অস্বস্তির হাত থেকে অনেকটা নিস্তার পাওয়া যায়। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

এরপরও মাড়ি ফোলা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

তরুণদের যৌন সমস্যায় নতুন সমাধান

sexual_problemসম্প্রতি যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যৌনতায় সক্রিয় দেশটির তরুণদের ১০ শতাংশই গত এক বছরে বেডরুমে ‘বেদনাদায়ক যৌন সমস্যায়’ ভুগেছেন।

গবেষকরা ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী ২৩৯২ জন তরুণের সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই বিষয়টি বের করে নিয়ে আসেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫১৭ জনই আবার যৌনজীবনে নিষ্ক্রিয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যৌনজীবনে সক্রিয় নারীদের ৪৪ শতাংশ এবং পুরুষদের ৩৪ শতাংশই গত একবছরে এক বা একাধিক যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা তাদেরকে এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভুগিয়েছে।

নারীদের ৯% এবং পুরুষদের ১৩% বলেছেন, তারা যে যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন, তা এতটাই তীব্র ছিল যে পরিণতিতে তারা পীড়িত বোধ করেছেন।

নারীদের জন্য প্রধান ‘পীড়াদায়ক’ অভিযোগ ছিল তারা অর্গাজম বা চূড়ান্ত যৌন সুখানুভূতি লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। আর পাঁচ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, তারা যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

যুবকদের প্রধান সমস্যা ছিল, দ্রুত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া (৫%) আর লিঙ্গোত্থান না হওয়া এবং তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে না পারা (৩%)।

ড. ক্রিস্টিন মিচেল যিনি লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনে গবেষণাটি শুরু করেছিলেন, তিনি বলেন, ”আমাদের গবেষণায় বিস্ময়কর যে তথ্যটি বেরিয়ে এসেছে তা হলো, শুধু ব্রিটেনের বুড়োরাই অবসাদমূলক যৌন সমস্যায় ভুগছেন না বরং অসংখ্য নব যৌবনপ্রাপ্তরাও এমন সমস্যায় ভুগছেন।”

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত পেশাদার লোকদের উচিত ‘যৌবনের শুরুতেই যৌন সমস্যা নিয়ে তরুণদেরকে খোলামেলা কথা বলা এবং এর সমাধানে চেষ্টা করার সুযোগ-সুবিধা সরবরাহের ব্যবস্থা করা’।

ড. মিচেল বলেন, ”আমরা যদি যুক্তরাজ্যের জনগণের যৌনজীবনকে সুখী করতে চাই তাহলে লোকে তাদের যৌনজীবন শুরু করার সময়ই আমাদেরকে তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। নয়ত যৌনতাসম্পর্কিত জ্ঞানের অভাব, উদ্বেগ বা লজ্জার কারণে অনেকেই জীবনভর যৌন সমস্যায় ভোগার ঝুঁকিতে পড়ে যাবেন। যা পরিণতিতে যৌন আনন্দ এবং নারী-পুরুষের সম্পর্ককেও ধ্বংস করবে।”

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যৌন সমস্যায় আক্রান্ত তরুণদের মাত্র এক তৃতীয়াংশ তাদের পরিবার, বন্ধুমহল, গণমাধ্যম বা ইন্টারনেটে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ চেয়েছেন। অন্যদিকে, পুরুষদের মাত্র ৪ শতাংশ এবং নারীদের ৮ শতাংশ যৌন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছেন।

একবছর ধরে যৌনতায় লিপ্ত হননি এমন নারী-পুরুষদের ১০% জানিয়েছেন, যৌন সমস্যার কারণেই তারা যৌনমিলন এড়িয়ে চলছেন।

লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর প্রফেসর কায়ে ওয়েলিংস বলেন, ”যুক্তরাজ্যের যৌন শিক্ষাব্যবস্থায় যৌনমিলনে তৃপ্তির বিষয়টি প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তরুণদের জন্য বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে খোলামেলা কথা বলা দরকার।”

তিনি আরও বলেন, ”যৌনশিক্ষার মাধ্যমে যৌনতাসম্পর্কিত প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণাগুলো খণ্ডানো, যৌন তৃপ্তির বিষয়ে আলোচনা এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কে লিঙ্গসমতা উৎসাহিতকরণে অনেক কিছুই করা সম্ভব। বিপরীত লিঙ্গের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহজ যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার গুরুত্ব সম্পর্কেও তরুণদেরকে শিক্ষা দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে তরুণরা তাদের যৌনজীবনের সমস্যাগুলো আরো সহজে বুঝতে এবং মোকাবিলা করতে পারবে।”
সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট

শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই

nasim2স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুর পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দরকার।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নগরীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ব্রেস্টফিডিং সপ্তাহ-২০১৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার মায়েদের জন্য বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি কর্মজীবি মায়েরা তাদের কর্মরত দুগ্ধদানরত মাতৃ তহবিল থেকেও ভাতা পাচ্ছে। তিনি প্রতিটি অফিসে ব্রেস্টফিডিং কর্নার করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যেই এধরণের কর্নার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো যতœশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।
এ বছরে ব্রেস্টফিডিং এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ব্রেস্টফিডিং টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি’।
স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুখসানা কাদের, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দ্বীন মুহাম্মদ নুরুল হক, বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশনের (বিবিএফ) চেয়ারম্যান ড. এসকে রায়।
বক্তারা মায়ের কর্মস্থলে শিশুদের জন্য ব্রেস্টফিডিং এবং ঘরে তৈরি খাবারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, একজন মাতা তার কর্মস্থলে শিশুকে খাওয়াতে পারলে শিশুটি যেমন সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হয়ে বেড়ে উঠতে পারবে, তেমনি মা অফিসে তার কাজে অধিক মনযোগি হতে পারবেন।
তারা বলেন, বাংলাদেশ ৬ মাসের কম বয়সি শিশুদের মধ্যে ব্রেস্টফিডিং এর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তারা বলেন, বুকের দুধে বাড়তি সুবিধা আছে এবং শিশুর জন্মলাভের পরের মাসগুলোতে মায়ের বুকের দুধে শিশুর জীবন রক্ষা এবং তার স্বাভাবিক বেড়ে উঠা নিশ্চিত করে।
বক্তরা কর্মস্থলে শিশুদেরকে মার বুকের দুধ খাওয়াতে সহায়তা করার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান, কারখানা, শপিংমল, পেশাজীবি সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহবান জানান।

মানুষের নাক থেকে তৈরি হবে অ্যান্টিবায়োটিক

antibioticঅনলাইন ডেস্ক:

মানুষের নাকের ভেতর থেকে এক ধরণের অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নাকের ভেতরে থাকা মাইক্রোবস যে যৌগ তৈরি করে তা বেশ কিছু ভয়ঙ্কর প্যাথোজেন (ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া) হত্যা করতে পারে। এসব প্যাথোজেনের মধ্যে রয়েছে সুপারবাগ এমআরএসএ। খবর বিবিসির।

যেসব ব্যাকটেরিয়া থেকে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয় তার বেশীরভাগই মাটিতে বসবাস করে। কিন্তু যত বেশী সংখ্যক রোগের জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে বিজ্ঞানীরা তত বেশী করে নতুন নতুন উপশমের পথ খুঁজছেন।

এই আবিষ্কারের সাথে জড়িত জার্মান বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন জাতের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রথম উদাহরণ হবে নাক থেকে পাওয়া এই অ্যান্টিবায়োটিক।

বয়স্কদের অতিমাত্রায় ভিটামিন ডি সেবনের প্রয়োজন নেই

mediডেস্ক : পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের চিকিৎসকরা সাধারণত ভিটামিন ডি সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ হিসেবে বলা হয় পোস্ট মেনোপজাল নারীদের হাড়ের ভঙ্গুরতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে অথবা হাড় মজবুত করতে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টের কোনো ধরনের ভূমিকা নেই।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞগণ যাদের মেনোপজ হয়েছে এমন নারীদের তিন ধরনের চিকিৎসা দেন। একটি গ্রুপকে দৈনিক ৮০০ ইউনিট ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়া হয়। দ্বিতীয় গ্রুপকে প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর ৫০ হাজার ইউনিট ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়া হয়। শেষ গ্রুপকে কোনো ধরনের ভিটামিন ডি দেয়া হয় না।

গবেষকগণ বলছেন, হাইডোজ ভিটামিন ডি সেবন করতে দেয়ায় শুধু রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বাড়ে। কিন্তু হাড়ের ডেনসিটি ও হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি কোনো কাজেই আসেনি। এমনকি যারা ভিটামিন ডি সেবন করেছেন তাদের ব্যায়াম করার সামর্থ্যও বাড়েনি অথবা পড়ে যাবার হাত থেকেও রেহাই পাননি।

এ ব্যাপারে গবেষণার প্রধান অথার উইসকনসিন ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ক্যারেন ই হ্যানসেন বলছেন, রক্তে অতিমাত্রায় ভিটামিন ডি থাকাটা জরুরি নয়। রক্তে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা ২০ বা তার চেয়ে বেশি থাকলেই যথেষ্ট। যা একজন মেনোপজাল নারীর রক্তে থাকে। অর্থাৎ ড. হ্যানসেন বুঝাতে চেয়েছেন পোস্ট মেনোপজাল নারীদের অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট সেবনের প্রয়োজন নেই।

অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

mobileস্বাস্থ্য ডেস্ক: একুশ দশকে মোবাইল ফোন একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার। আর সম্প্রতি কয়েক বছরে এটি বেশ প্রচলিতও হয়েছে। তবে অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমিডি জানিয়েছে মোবাইল ফোন বেশি ব্যবহারের কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা।

  • অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের অসুবিধা করে।
  • মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহার মানসিক চাপ বাড়ায়।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • হাসপাতাল, মার্কেট বা অন্যান্য জনসমাগমস্থলে মোবাইল ব্যবহার করলে ডিভাইসটি জীবাণুর সংস্পর্শে আসতে পারে। এ থেকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়।
  • শ্রবণক্ষমতা কমায়।
  • দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে।
  • মেরুদণ্ডের ব্যথা তৈরি করে।
  • দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
  • মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

 

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন

  • কথা বলার সময় ফোন কানে না ধরে অধিকাংশ সময় স্পিকার চালু করে কথা বলুন।
  • বেশিক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। বেশিক্ষণ কথা বলতে হলে ল্যান্ডফোনে ব্যবহার করুন।
  • মোবাইল ফোনে বেশি কথা বলার চেয়ে মেসেজ করুন।
  • ভ্রমণের সময় মোবাইল ফোন কম ব্যবহার করুন।
  • ঘুমানোর সময় বিছানার কাছে ফোন রাখবেন না।
  • যদি সম্ভব হয় রেডিয়েশনকে আটকাতে ইএমএফ প্রোটেকটিভ ক্লটিং ব্যবহার করুন।

ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা খেলে ব্লাড সুগার কমবে

blood sugarস্বাস্থ্য ডেস্ক : ম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা একটি ফলের নাম। ভাবছেন এটা আবার কী ফল? আরে এটা হল তার বিজ্ঞান সম্মত নাম। আসল নামটা হল আম।

ফলে আম খেলে ব্লাড সুগার কমবে। ভাবছেন তো এটা আবার কেমন কথা! আম তো মিষ্টি, এতে তো প্রচুর সুগার কনটেন্ট তাহলে আম কী করে সুগার কমাবে? ‘

নিউট্রিশন অ্যান্ড মেটাবলিক ইনসাইটস’ নামক একটি জার্নালের মতে এই সুস্বাদু ফলটিতে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে। তবে সেই আমকে হতে হবে ‘ফ্রিজ ড্রায়েড ম্যাঙ্গো’। জার্নালটিতে লেখা হচ্ছে, প্রত্যহ ১০ গ্রাম ফ্রিজ ড্রায়েড ম্যাঙ্গো (প্রায় ১০০ গ্রাম টাটকা আমের সমান) খেলে স্থূলকায় ব্যাক্তিদের ব্লাড সুগার কমবে।

বিষয়টা ব্যাখ্যা করে দেন ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশনাল সাইন্সের সহকারি অধ্যাপক এড্রালিনা লুকাস। এছাড়া আমে ভিটামিন সি, এ মিলিয়ে প্রায় ২০ রকমের বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। তাহলে জেনে গেলেন তো, তাহলে এবার যাদের ব্লাড সুগার রয়েছে তারা এই গরমে বেশী বেশী করে আম খান।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter