Home » স্বাস্থ্য চিকিৎসা (page 5)

স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সম্ভাব্য সমস্যা

blood-groupস্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সাধারণত কোন সমস্যা হয় না। সমস্যা হয় মূলত, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ হলে। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে, বাচ্চা হলে বা গর্ভপাত হলে মাকে এন্টি-ডি ইঞ্জেকশন দিয়ে সম্ভাব্য বিপদ এড়ানো সম্ভব।
স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের অধিকারী হলে জন্মানোর সাথে সাথে বাচ্চার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন এবং সমস্যার সম্ভাবনা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মত ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে, পরিবার সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী, স্ত্রীকে রক্ত না দেওয়াই ভাল। কারণ সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সন্তানের সমস্যা হতে পারে। পরিবার পূর্ণ হলে বা জরুরি ক্ষেত্রে স্বামীর রক্ত স্ত্রীকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচ্য হতে পারে।
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(হোমিও)

ক্যানসার রোগের কিছু পূর্বাভাস

cancerডেস্ক: ক্যানসার নিঃসন্দেহে মরণ রোগ। কিন্তু সঠিক সময়ে ক্যানসারকে যদি চিহ্নিত করা যায়, এবং যথাযথ চিকিৎসার সুফল যদি মেলে তাহলে ক্যানসারকেও পরাজিত করা সম্ভব।

এর জন্য দরকার ক্যানসারের উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা। আসুন জেনে নিই কোন কোন শারীরিক পরিবর্তন ক্যানসারের পূর্বাভাস দেয়-

১. যদি চামড়ার নীচে কোন মাংসের দলা দেখা দেয়: 
এটা বোঝা যায় খুব সহজেই। হাত দিয়ে স্পর্শ করে যদি শরীরের কোন অংশে শক্ত মাংসের দলা অনুভব করেন তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান। স্তন, অণ্ডকোষ, গলা, তলপেট কিংবা বগলের মতো জায়গাগুলোতে বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন।

২. শরীরের কোন অংশ যদি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং চুলকানি দেখা দেয়: 
কোন অংশে ক্যানসার দেখা দিলে সাধারণত শরীরের স্বাভাবিক প্রতিষেধক ক্ষমতার প্রতিক্রিয়ায় ওই অংশে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। স্বভাবতই ওই অংশ লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে, এবং সেখানে চুলকানিও দেখা দিতে পারে।

৩. যদি শরীরের কোন অংশের কোন ঘা বা ক্ষত সারতে না চায়: 
দীর্ঘদিন ধরে যদি কোন ঘা বা ক্ষত না সারে, তাহলে ডাক্তারের কাছে অবশ্যই যেতে হবে।

৪. যদি মুখের ভিতরে সাদা মুখওয়ালা কোন গোটা দেখা দেয়: 
জ্বিহা, মুখের ভিতরের অংশ, কিংবা মাড়িতে যদি কোন গোটা দেখা দেয় এবং সেটির মুখ যদি সাদা হয়, তাহলে কালবিলম্ব না করে ডাক্তারের কাছে চলে যান।

৫. হঠাৎ করে খিদে চলে যাওয়া: 
ক্যানসারের প্রভাবে শরীরে নিউট্রিয়েন্টস কমে যায়। পরিণামে খিদেও হ্রাস পায়।

৬. মলত্যাগের অভ্যাসে কোন আকস্মিক পরিবর্তন‌ কিংবা মলের সঙ্গে রক্তপাত।

৭. মূত্রত্যাগের অভ্যাসে কোন পরিবর্তন: 
যদি মূত্রের রং, পরিমাণ বা গন্ধে কোন লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন আসে, কিংবা মূত্রের সঙ্গে রক্তপাত ঘটে, তা হলে তা ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

৮. ব্যাখ্যাহীন রক্তপাত: 
শরীরের কোন অংশ থেকে (যেমন যোনি কিংবা স্তনবৃন্ত) যদি আকস্মিকভাবে কোন সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই রক্তপাত শুরু হয়ে যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৯. কন্ঠস্বরে আকস্মিক পরিবর্তন হওয়া।

১০. একটানা কাশি: 
যদি টানা দু’সপ্তাহের উপর কাশি থাকে, তবে তা গলা, ফ‌ুসফুস, খাদ্যনালী এমনকী পাকস্থলীর ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

সূত্র: কলকাতা নিউজ ২৪

হার্ট অ্যাটাকের আগেই কিভাবে সিগন্যাল দেবে হৃদপিণ্ড জেনে নিন?

heart_attackস্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যেভাবে দূষণের মাত্রা বেড়ে চলছে তাতে আট থেকে আশি বছরের সকলের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা। যৌবনে প্রবেশ করার আগেই অনেকের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু গোবেষণা বলছে, হার্ট অ্যাটাক আসার আগে থেকেই আপনার শরীরকে ক্রমাগত সিগন্যাল দেয় হৃদপিণ্ড। জানেন কীভাবে?

এই ৬টি বিষয়ই আপনাকে বলে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক আসতে চলেছে-

১) দুর্বলতা- হার্টের সমস্যার জন্য ধমনীতে রক্তের প্রবাহ কমে যায়। আর তার ফলেই কমতে থাকে শরীরে জোর। দুর্বলা অনুভব করবেন আপনি।

২) ঝিমনি- অদ্ভূত ভাবে একটি ঝিমুনি অনুভব হবে প্রতি মুহূর্তে। সেই সঙ্গে রক্তের প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে শরীরে একটা শীতল ভাবও অনুভূত হবে হার্ট অ্যাটাক আসার আগেই।

৩) বুকে ব্যাথা- হার্ট অ্যাটাক আসার প্রায় এক মাস আগে থেকেই বুকে ব্যথা অনুভূত হতে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, বুকে থেকে ব্যথা শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়বে ক্রমাগত। বিশেষ করে পীঠ, হাত ও কাঁধে ছড়িয়ে বড়বে ব্যথা।

৪) ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা- হার্ট অ্যাটাক আসার আগে কিছুদিন আগে থেকেই ঠাণ্ডা লাগার একটা প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে আগে থেকেই সাবধান হয়ে যাওয়া অনেকটাই ভালো।

৫) ক্লান্তি- একটু কাজ করলে বা হাটাহাটি করলেই শরীরের মধ্যে ক্লান্তি অনুভব করা। সেই সঙ্গে হাপ ধরে যাওয়া। এমন সমস্যা দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হতে পারে আপনার হার্ট দুর্বল। যে কোনও মুহূর্তে অ্যাটাক আসতে পারে।

৬) নিশ্বাসে সমস্যা- এটিও একটি নির্দেশ হার্টের পক্ষ থেকে যে তা অত্যন্ত দুর্বল। ছোটো বড় যে কোনও কাজ করলেই নিশ্বাসে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তা হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

সাবধান! ভিটামিন-যুক্ত খাবার খেলে হতে পারে মৃত্যু !

bloodসাধারণভাবে ভিটামিন আমরা শরীরের পুষ্টির জন্যই সেবন করে থাকি। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এই ভিটামিনও যে আমাদের পক্ষে বিপজ্জনক আকার ধারণ করতে পারে, তা জানা নেই অনেকেরই। এমনকী, ভিটামিন কখনও কখনও প্রাণহানির কারণ পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্ন‌াল অফ নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি গবেষণাপত্রে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

হেলসিঙ্কির গবেষকরা একটি সমীক্ষা চালিয়েছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল মানবশরীরে ভিটামিন ই-এর প্রভাব সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি করা। বিশেষত বেশি বয়সের নিউমোনিয়া রোগীদের দেহে ভিটামিন কীভাবে ক্রিয়া করে, সেই বিষয়েই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চেয়েছিলেন তাঁরা। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে ৫০ থেকে ৬৯ বছর বয়সি যেসব মানুষ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদেরকে আনা হয়েছিল সমীক্ষার আওতায়। প্রকাশিত গবেষণাপত্রটি এই সমীক্ষা-রিপোর্টের ভিত্তিতেই রচিত। এবং রিপোর্টে যা দেখা গিয়েছে, তা বেশ উদ্বেগজনক।

দেখা যাচ্ছে, সাধারণভাবে ভিটামিন ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বলে মনে করা হলেও, কার্যক্ষেত্রে সবসময় তেমনটা হয় না। ভিটামিন ই কোনও মানুষের শরীরে কতটা কার্যকর হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে সেই মানুষটির জীবনযাপনের পদ্ধতির উপর। এমনিতে ভিটামিন ই যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, সেই কারণে অনেকেই আলাদা করে ভিটামিন ই সেবন করে থাকেন। কিন্তু সমীক্ষা রিপোর্ট জানাচ্ছে, যাঁরা বেশি পরিমাণে ভিটামিন ই সেবন করেন, তাঁদের যদি অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকে, তাহলে তাঁদের নিউমোনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা ৬৮ শতাংশ বেড়ে যায়।

বিশেষত এই মানুষরা যদি শারীরিকভাবে আলসে প্রকৃতির হন, তাহলে তাঁদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে। কিন্তু যাঁরা শারীরিকভাবে সক্রিয়, সেই সঙ্গে পরিমিত হারে মদ্যপান ও ধূমপান করেন অথবা একেবারেই এড়িয়ে চলেন মদ কিংবা সিগারেট-বিড়িকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ই সেবনের ফলে নিউমোনিয়ার সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশ হ্রাস পায়। যে কারণে গবেষকদলের প্রধান হারি হেমলিয়া বলছেন, ‘‘ভিটামিন ই সেবনের ফলাফল সম্পর্কে কোনও সর্বজনপ্রযোজ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছনো কঠিন।’’

নিউমোনিয়া কখনও কখনও প্রাণঘাতী আকারও নিতে পারে। কাজেই ভিটামিন ই-এর অপরিকল্পিত সেবন বাড়াতে পারে মৃত্যুর সম্ভাবনা। কাজেই বাদাম, পালং শাক, পেস্তা, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, জলপাই প্রভৃতি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার সময়ে সতর্ক থাকতে হবে।

ডায়াবেটিস ডায়েট নিয়ে ভুল ধারণা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ডায়াবেটিস থাকা অবস্থায় ওজন কমানোটা খুব কঠিন ব্যাপার। এ ছাড়া ডায়াবেটিস হলে খাবার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বেশি কিছু প্রচলিত ধারণা। যা আমরা যুগ যুগ ধরে মেনে চলে আসছি। তবে এই প্রচলিত ধারণাগুলো থেকে আপনি এবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

ডায়াবেটিস ডায়েটে থেকেও আপনি অনেক কিছু খেতে পারেন আবার অনেক খাবার খাচ্ছেন, যা আপনার খাওয়া ঠিক হচ্ছে না। আসুন জেনে নিই ডায়াবেটিস ডায়েট নিয়ে সঠিক কিছু তথ্য।

মিষ্টান্ন

যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের জন্য মিষ্টি এক প্রকার নিষিদ্ধ বলা চলে। কিন্তু ব্যাপারটি একেবারেই সে রকম নয়। এখন ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভিন্ন মিষ্টি পাওয়া যায়। যা খেলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়ে না। আপনি ডায়াবেটিসের রোগী হলে খাওয়ার পর এই মিষ্টান্ন খেতে পারেন। এ ছাড়া সারা দিনে আপনার খাবারে ক্যালরি এবং কার্বহাইড্রেটের পরিমাণ কম থাকলে রাতে খাওয়ার পর একটু মিষ্টি আপনি খেতে পারেন। তবে পরিমাণ ঠিক রাখবেন।

কোন খাবার কতটুকু খাচ্ছেন

একটি কথা প্রচলিত ছিল যে, আপনি কী খাচ্ছেন তা ব্যাপার নয় কিন্তু কতটুকু খাচ্ছেন সেটা ব্যাপার। আসলে দুটোই ব্যাপার। আপনি যদি বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিমাণে কম খান এবং কম ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিমাণে বেশি খান তাহলে তার পরিণাম কাছাকাছি। তাই আপনি কী খাচ্ছেন কতটুকু খাচ্ছেন তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য।

যত পরিশ্রম তত খাবার

আমাদের অনেকের মধ্যে এরকম ধারণা রয়েছে যে, বেশি বেশি করে পরিশ্রম করলে বেশি বেশি খাবার খাওয়া দরকার। তা নয়। আপনি যদি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে পরিশ্রমের পাশাপাশি আপনাকে খাবারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর ডায়াবেটিসের রোগীদের প্রতিদিন হাঁটা বাধ্যতামূলক। তাই বলে বেশি খাবার গ্রহণ করা যাবে না।

না খেয়ে ওজন কমানো

অনেকে মনে করেন, না খেয়ে থাকলে দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব। এটি একটি বড় ভুল ধারণা। যার ওজন যতই বেশি হোক না কেন, ডাক্তাররা বলেন কখনোই খাবার বন্ধ দেবেন না, বিশেষ করে সকালের খাবার। না খেয়ে থাকলে আপনার ওজন কমবে ঠিকই এর সঙ্গে সঙ্গে আপনি শারীরিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়বেন। তাই কখনো না খেয়ে ওজন কমানোর কথা ভাববেন না। আর ডায়াবেটিসের রোগীরা অবশ্যই পরিমাণ ঠিক রেখে তিনবারের খাবার নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করুন।

ফাস্ট ফুড

আমরা মোটামুটি সবাই এখন ফাস্ট ফুডের ব্যাপারে বেশ সচেতন। আমরা মনে করি ফাস্ট ফুড আমাদের ওজন বাড়িয়ে দেয়। এটি শুধু আমাদের শরীরের ক্ষতি করে। কিন্তু তা নয়। এর কিছু ভালো দিকও রয়েছে। যেমন আপনি কম ক্যালরি সসযুক্ত সালাদ খেতে পারেন, বার্গারের পরিবর্তে চিকেন পেটিস খেতে পারেন। কম ক্যালরিযুক্ত স্যান্ডউইচ খেতে পারেন। যা আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এ ছাড়া মেয়নিজ এড়িয়ে চলুন। চেষ্টা করুন চিনি ছাড়া চা বা কফি খাওয়ার।

তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

 

ডায়াবেটিস কমাতে খাওয়ার পর হাঁটা

ডাঃ এস কে দাস : খাওয়ার পর বিশেষত, কার্বোহাইড্রেইট-জাতীয় খাবার খাওয়ার পর সামান্য হাঁটাহাঁটি টাইপ টু ডায়বেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে অত্যন্ত উপকারী, বলছে এক নয়া গবেষণা।

গবেষণায় দেখা যায়, দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাঁটাহাঁটির তুলনায় খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটির কারণে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমেছে গড়ে প্রায় ১২ শতাংশ।

প্রধাণ গবেষক, নিউ জিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ ওটাগো’র অ্যান্ড্রিউ রেনল্ডস বলেন, “খাওয়ার পরে হাঁটার মাধ্যমে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমেছে সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত, যা পাওয়া গেছে রাতের খাবার খাওয়ার পর। রাতের খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ থাকে সবচাইতে বেশি আর এরপর সময়টা কাটে সবচাইতে অলসভাবে।”

খাওয়ার পর শরীরের যোগ হওয়া শর্করা টাইপ টু ডায়াবেটিস পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যে পরিণত হয়, যা সামগ্রিকভাবে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও ‘কার্ডিওভাসকুলার’ রোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান ইউনিভার্সিটি অফ ওটাগো’র অধ্যাপক জিম মান।

তিনি আরও বলেন, “খাওয়ার পর শারীরিক পরিশ্রম ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের পরিমাণ কমাতে সহায়ক। রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতেই ডাক্তাররা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ইনসুলিন গ্রহণের পরিমাণ বেশি হলে টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

গবেষণার জন্য ৪১ জন টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীকে খাওয়ার পর মাস ভিত্তিতে টানা দুই সপ্তাহ হাঁটার পরামর্শ দেন গবেষকরা।

ডায়াবেটোলজিয়া নামক জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়।

হাইপার টেনশন থেকে বাঁচতে হোমিও ৩টি ঔষধ

ডাঃ এস কে দাসঃ হাইপার টেনশনকে নীরব ঘাতক বলা হয়। কোনো বড় লক্ষণ ছাড়াই এটি আমাদের শরীরকে খারাপ করে দিতে পারে। এর থেকে দূরে থাকার কিছু উপায় দেওয়া হলো-
১। যারা দিনে ৫ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমান তারা হাইপার টেনশনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক।
২। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমতে সাহায্য করে। তাই খাবার সময় লবণ খাবার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিন।
৩। নিয়মিত ব্যায়ামও হাইপার টেনশন থেকে বাঁচাবে। তাই প্রত্যেকের উচিত সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করা।
৪। প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। নিজে না পারলে বই বা অডিও সিডির সাহায্য নিন।
৫। ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খেলেও হাইপার টেনশন কমবে।
৬। অতিরিক্ত ওজনও হাইপার টেনশনের কারণ। তাই ওজন কমাতে মনোযোগী হন।

৭। আমার উদ্ভাবনি হোমিও তিনটি ঔষধ সেবন  করলে হাপোরটেনশন এর মত কঠিন রোগ থেকে আপনি বাচতে পারেন।

ডাঃএস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

01811898061

পুরুষের নাকি নারীর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নারীরা সব সময় ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়েই চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু ব্রেস্ট  ক্যান্সারের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে নারীদের মৃত্যুর হার ৬ গুণ বেশি। এই রোগটির সম্ভাব্য কারণ নারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়ে থাকে। পুরুষের ক্ষেত্রে রক্তনালীর একটি স্থানেই ব্লকেজ হয়ে থাকে। এটি এঞ্জিওপ্লাস্টি বা বাইপাস গ্রাফট করে ঠিক করা যায়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এটি বিস্তৃত স্থানে হয়ে থাকে বা ছড়িয়ে যায়। তবে এই সমস্যাটির ও সমাধান করা সম্ভব। পুরুষের তুলনায় নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই চলুন।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, নারীদের মধ্যে প্রায়ই অ্যাজিনার (হৃদপিন্ডে রক্ত প্রবাহের অপ্রতুলতার জন্য অল্প পরিশ্রমেই বুকে যে ব্যথা হয়) লক্ষণ দেখা যায়, কিন্তু করোনারি ধমনীতে  কম বাঁধা দেখা যায়। এজন্যই এঞ্জিওগ্রাফির মাধ্যমে ধমনীর ব্লক চিহ্নিত করা কঠিন। এছাড়াও ৪০% নারীরই হার্ট অ্যাটাকের সময় বুকে ব্যথা থাকেনা। তাদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও প্রচণ্ড দুর্বলতার সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও সাধারণত হার্ট অ্যাটাকের সময় হাতে ব্যথা হয় কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের সময় পিঠে বা কাঁধে ব্যথা হয়।

সুস্থ নারীদের তুলনায় যে নারীদের ডায়াবেটিস আছে তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৩ গুণ বেশি। প্রেগনেন্সির সময় যে নারীরা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজে ভোগেন তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নারী ধূমপায়ীদের পুরুষদের তুলনায় হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৬ গুণ বেশি। ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) এর মাত্রা কম এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এর মাত্রা বেশি থাকলে নারীদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এইচডিএল এর মাত্রা ৫০ এর উপরে এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০০ এর নীচে রাখার চেষ্টা করুন।

অধিক ওজনের নারীদের হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি, যদি তাদের অন্য কোন রিস্ক ফ্যাক্টর নাও থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন।

হরমোন থেরাপি নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় না। আগে বিশ্বাস করা হত যে, নারীদের কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ কমে যায় মেনোপোজের পরে। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে যে, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT) স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় না।

নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর জন্য ৪ টি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আর তা হল – সঠিক খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান বাদ দেয়া (যদি ধূমপানের অভ্যাস থেকে থাকে) এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। এগুলো অনুসরণ করলে আপনি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৮২% পর্যন্ত কমাতে

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিসের চিরতরে মুক্তি

Diabetes cure in homeopathy

Diabetes cure in homeopathy

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।

আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

০১৮১১৮৯৮০৬১

 

গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে

বিকল্প দুধে সবসময়ই রোগজীবানু বহন করার ভয় থাকে। কারণ দুধ, নিপল এবং বোতলের সাথে অথবা বিকল্প দুধ তৈরীতে ব্যবহৃত পানির সাথে রোগজীবাণু থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়। তাই শিশুর ঘন ঘন অসুখ হয়। তাছাড়া এই সময় গরুর দুধ পান করানোটাও উচিত হয়। শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে সকল সমস্যা হতে পারে:-
রক্তাল্পতা :- গরুর দুধে আয়রন কম থাকায় এবং দুধের ক্যালসিয়াম ও ক্যাসিন আয়রন শোষণে বাধা দেওয়ায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের নিচের প্রায় সব শিশুই আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় ভোগে।
আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ :- গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের কম প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুর অন্ত্রে আণুবীক্ষণিক রক্তক্ষরণ হয়।
ডায়াবেটিস :- গরুর দুধে বোভাইন সেরাম এলবুমিন (বিএসএ) থাকে। তা শিশুর অপরিপক্ব অন্ত্রের ছিদ্র দিয়ে পরিপাক ছাড়াই সরাসরি রক্তে চলে যেতে পারে। রক্তে গেলে এই প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই প্রোটিনের গঠনের সঙ্গে শিশুর দেহে ইনসুলিন তৈরিকারী বিটা কোষের গাঠনিক প্রোটিন পি৬৯-এর মিল রয়েছে। ফলে অ্যান্টি-বিএসএ অ্যান্টিবডি বিটা কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে তাকে ধ্বংস করতে পারে। বিটা কোষ ধ্বংস হলে বড় হয়ে ওই শিশুই ইনসুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিসে ভুগতে পারে।
অ্যালার্জি :- গরুর দুধের প্রোটিন আকারে বড় হওয়ায় এবং ১ বছরের নিচের শিশুর পরিপাকতন্ত্রের অপরিপক্বতার কারণে এসব প্রোটিন অনেক সময় অ্যামাইনো এসিডে রূপান্তরিত না হয়ে ছোট-ছোট প্রোটিন অণুতে পরিণত হয়। এগুলো রক্তে গেলে ইমিউনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশনে বিভিন্ন অ্যালার্জির উপসর্গ তৈরি করে।
শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ :- ইমিউনোলজিক্যাল রি-অ্যাকশনের কারণে শিশুর শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হতে পারে। ফলে নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি-কাশি প্রায়ই লেগে থাকে, এমনকী হাঁপানিও হতে পারে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর শ্বাসতন্ত্রের অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১২০ গুণ বেশি।
পেটের অসুখ :- গরুর দুধের জটিল প্রোটিন হজম করতে না পারা ও অন্যান্য উপাদান, বিশেষত দুধের ল্যাকটোজের প্রতি সহনশীলতার অভাবে প্রায়ই পেটের অসুখ-বিসুখ যেমন- পেট ফাপা, ডায়রিয়া, বমি, বদহজম শিশুকে আক্রান্ত করে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর পেটের অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা প্রায় ৪০ গুণ বেশি।
হঠাৎ মৃত্যু :- গরুর দুধের ক্যাসিন প্রোটিন থেকে শিশুর পেটে বোভাইন বিটা ক্যাসোমরফিন-৫ তৈরি হতে পারে। রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গেলে শিশুর শ্বাস মাঝে-মাঝে আটকে যায়। এমনকী শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। ক্রিব রোগ বা হঠাৎ শিশু মৃত্যুর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ২ হাজার শিশুর একজন এভাবে মারা যায়।
পানিশূন্যতার আশঙ্কা :- গরুর দুধের অতিরিক্ত প্রোটিন ও খনিজ পদার্থের কারণে এর ওপর নির্ভরশীল শিশুদের মূত্র তুলনামূলক বেশি ঘন হয়ে থাকে। তা অসমোটিক ডাই-ইউরোসিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব আকারে বের করে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি করে। এসব শিশু জ্বর ও ডায়রিয়ার সময় অন্য শিশুর তুলনায় অতি দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তা তার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

বিষয়গুলো জানার পর আশাকরি আপনারা অন্তত একবার হলেও ভাববেন আগামী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া আমাদের দেশে মায়েরা তাদের বাচ্চাদের কৌটার দুধ পর্যন্ত খাওয়াতে দিধা করেন না। যে গুলো আরো ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে।

আরও বিস্তারিত জানতে
Dr. S.k.das
DHMS
01911334810

বুকের দুধ খাওয়ালে শুধু শিশুরাই নয়, মায়েরাও ঝুঁকিমুক্ত

bukar-milkডেস্ক ॥ শিশুকে বুকের পান করানো কেবল শিশুর জন্যেই উপকারী নয়, মায়ের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও প্রয়োজনীয়। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, যে মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তারা অকালে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান। এমনকি ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগসহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কম থাকে তাদের।

শিশু জন্মের এক বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। অন্তত ৬ মাস পর্যন্ত‌ বুকের দুধ খাওয়াতেই হবে। বুকের দুধ থেকে শিশুরা যেমন পুষ্টি পায়, তেমনি মায়েরাও অকাল মৃত্যু ও মারাত্মক সব রোগ থেকে রক্ষা পায়।

ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনার বিশেষজ্ঞ অ্যালিসন স্টুয়েবে জানান, এ গবেষণায় বুকের দুধ খাওয়ানো কতটা উপকারী তা বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে।

হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মেডিসিনের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর মেলিসা বার্টিক জানান, রোগ প্রতিরোধে বুকের দুধ পানের উপকারিতা অনেক। নতুন মায়েদের রোগ থেকে দূরে থাকতে এবং শিশুর স্বাস্থ্যবানভাবে বেড়ে উঠতে প্রত্যের হাসপাতালের উচিত এ বিষয়ে তাদের সচেতন করে তোলা।

বিভিন্ন সরকারি তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, বুকের দুধ পান করানো হলে মা এবং শিশুর রোগের চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ অনেক কমে আসে। জন্মের পর শিশুরা অ্যাকুট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকোমিয়া, কানে সংক্রমণ, ক্রোহন্স ডিজিস, আলসেরেটিভ কোলিটিস, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সংক্রমণ, লোয়ার রেসপাইরেটরি ট্রাক্ট সংক্রমণ, স্থূলতা ইত্যাদি রোগের ঝুঁকিতে থাকে। আর মায়েরা স্তন ক্যান্সার, প্রি-মেনোপজাল ওভারিয়ান ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে থাকেন।

গবেষকরা জানান, আমেরিকায় বুকের দুধ পান না করানোর কারণে বছরে ৩৩৪০ জন মায়ের অকাল মৃত্যু ঘটে। এসব রোগের পেছনে ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে যায়।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক এলিয়ানর বিমলা সোয়ার্জ জানান, শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের প্রয়োজনীয়তা বহু আগেই থেকেই জানে মানুষ। তবে এটা যে মায়ের স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় সে সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নন।

ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন জার্নালে গবেষণপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে আমড়া

amra-1ডেস্ক : আমাদের দেশে আমড়া অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল। জনপ্রিয়তার দিক থেকেও কম নয়। বিশেষ করে বরিশালের আমড়া। ফলটি খেতেও সুস্বাদু। তবে কাঁচা আমড়াই খেতে ভালো।

লবণ ও মরিচ গুঁড়া মেখে ফলটি বেশি খাওয়া হয়। আচার, চাটনি, ভর্তা, ডালের মধ্যে দিয়েও আমড়া খাওয়া যায়।

ছোট্ট এই ফলটি আছে যাদুকরি উপকার। স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের ঝুঁকি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।

শুধুই কি স্ট্রোকের ঝুঁকি জেনে নেওয়া যাক কেন খাবেন আমড়া—

ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানসমৃদ্ধ আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

ফলটিতে প্রচুর আঁশ আছে। যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ

ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের চিকিৎসা সেভাবে এখনো চালু হয়নি। এই রোগটি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায় না তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। এ কারণে বেশি বেশি আমড়া খাওয়া খেতে হবে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অরুচি দূর

আমড়া খেলে অরুচি দূর হয়ে যায়। এটি ক্ষুধা বাড়েতে বেশ কার্যক্রর। এ কারণে শিশুদের বেশি করে আমড়ার ডাল খায়ানো উচিত। এতে শিশুর খাওয়ার রুচি বাড়বে।

সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি

বাহ্যিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতেও আমড়া বেশ কার্যকর। এর ভিটামিন সি ত্বক, নখ ও চুলের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে।

খালি পেটে পানি পান করার উপকারিতা

girl-drinking-bottled-waterস্বাস্থ্য ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে আর তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

৩ মাস ধরে স্বপ্নদোষ না হলে যৌনাঙ্গের কোন ক্ষতি হবে?’

prostate-cancerপ্রশ্ন: আমার বয়স ২৩। অনেক বেশি হস্তমৈথুন করি। (সপ্তাহে ৩-৪ বার)। আগে নিয়মিত বিরতিতে স্বপ্নদোষ হত। (১৫ দিনে ১ বার )। প্রায় ৩মাস হয়ে গেল স্বপ্নদোষ হয়নি।। অন্য কোন যৌন সমস্যা নেই। শারীরিকভাবেও ফিট । শুধু এই ব্যাপারটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এটা না হওয়া কি কোনো সেক্স প্রব্লেম এর লক্ষণ ?

উত্তর: স্বাভাবিকভাবে স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। সাধারণত মাসে ৩-৪ বার স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কারও যদি একেবারেই স্বপ্নদোষ না হয় তবে তার শারীরিক কোনো সমস্যা আছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। কেননা এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা প্রতিটি সুস্থ মানুষের হ্ওয়াটা বাঞ্ছনীয়।

কিন্তু আপনি বলছেন যে আপনার আগে স্বপ্নদোষ হত কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে হচ্ছে না। আবার আপনার হস্তমৈথুনও করেন নিয়মিত। যেহেতু আপনি হস্তমৈথুন করেন সেহেতু আপনার স্বপ্নদোষ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা হস্তমৈথুনেই আপনি শারীরিকভাবে তৃপ্ত হচ্ছেন তাই স্বপ্নদোষ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তাই আপনি যেটিকে সমস্যা ভেবে চিন্তা করছেন এটি আসলে কোনো সমস্যা না। সুতরাং চিন্তিত হবার কোনো কারণ নেই।

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

dr.skdas76@gmail.com

 

দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগের সমাধান

1470551098437স্বাস্থ্য ডেস্ক: মাড়ি ফোলা সমস্যা দাঁতের ব্যথার চেয়ে কম অস্বস্তিকর নয়। এ সমস্যা যন্ত্রণাদায়কও বটে। মাড়ি ফুললে খেতে সমস্যা তো হয়ই, পাশাপাশি দাঁত মাজতেও ব্যথা লাগে।

সাধারণত মাড়ির রঙ গোলাপী থাকার কথা। কিন্তু এ রোগে মাড়ির রং বদলে যেতে পারে। ফ্যাকাশে হওয়া থেকে শুরু করে কালচে লাল বা ধূসর রং ধারণ করতে পারে। মাড়ির সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অপুষ্টি, মুখের সংক্রমণ, দাঁতের যত্ন না নেওয়া, ভালো করে মুখের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার না করা প্রভৃতি।

সুতরাং জেনে নিন, দাঁতের মাড়ি ফোলা সমস্যা মোকাবেলায় উপকারী কিছু ঘরোয়া টোটকা।১ে, লবণ পানি: লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের সংক্রমণ বা জীবাণু নষ্ট হয়। ফলে অনেকটা আরাম মেলে। আর সংক্রমণ দূর হয় বলে মাড়ির ফোলাভাবটাও দ্রুত কমে যায়।

১ লবঙ্গ : দাঁতের সমস্যায় লবঙ্গ এককথায় সবচেয়ে উপকারি মসলা। দাঁতের ব্যথা হোক বা মাড়ির ফোলার সমস্যা- লবঙ্গ মুখে দিন। বেশ কিছুক্ষণ রেখে চিবুতে থাকুন। সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

২ বাবলা গাছের ডাল: এ ধরনের সমস্যা সমাধানে বাবলা গাছের ডাল খুব উপকারী। এই গাছের ডাল পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে পানি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর সেই পানি দিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ কুলকুচি করুন। উপকার পাবেন।

৩ আদা : মুখের সংক্রমণে আদা সেই প্রাচীনকাল থেকে ঔষুধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু সংক্রমণ নষ্ট করাই নয়, মুখে নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণও আদা অনেকটা রোধ করে।

৪ লেবু পানি : ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজার আগে লেবু পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মাড়ির সমস্যা অনেকাংশে রোধ করা যায়, এমনটাই অভিমত চিকিৎসকদের।

৫ অ্যালোভেরা: ত্বক, ক্ষতর পাশাপাশি দাঁতের বা বিশেষত মাড়ির সমস্যায় চমকপ্রদ সমাধান হলো, ভেষজ উপাদান অ্যালেভেরা।

৬ সরিষার তেল : সরিষার তেলে যন্ত্রণা উপশমকারী একাধিক দ্রব্য রয়েছে। তেলের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে তা মাড়িতে মালিশ করতে পারেন।

৭ চা পাতার তেল : মাড়ির সমস্যার আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপকরণ হলো চা পাতার তেল। এই তেল দাঁতের গোড়ায় মালিশ করলে ফোলা মাড়ির অস্বস্তির হাত থেকে অনেকটা নিস্তার পাওয়া যায়। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

এরপরও মাড়ি ফোলা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter