স্বাস্থ্য চিকিৎসা

বিবর্তনকেই বদলে দিচ্ছে সিজারিয়ান!

সন্তান জন্মদানে সিজারিয়ান অর্থাৎ অস্ত্রোপচার পদ্ধতির ঘন ঘন প্রয়োগ মানব বিবর্তন প্রক্রিয়াকেই প্রভাবিত করছে বলে ভিয়েনার একদল বিজ্ঞানী মত দিয়েছেন। তাঁদের নতুন এক গবেষণা বলছে, শ্রোণি সরু হওয়ার কারণে এখন আগের চেয়ে বেশি প্রসূতির সন্তান জন্মদানের জন্য অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে। শ্রোণি হচ্ছে তলপেট ও ঊরুর মাঝের অংশ।
অস্ট্রিয়ার গবেষকেরা বলছেন, মায়ের শরীরের সন্তান প্রসবের পথের সঙ্গে বাচ্চার আকৃতি না মেলার ঘটনা ১৯৬০ সালে হাজারে ৩০টি ঘটত, বর্তমানে তা ঘটছে হাজারে ৩৬টি। অতীতে এসব ক্ষেত্রে সাধারণত মা ও সন্তান উভয়েরই মৃত্যু হতো। কাজেই এ জিনগুলো মায়ের থেকে সন্তানে যেতে পারত না।
ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞান বিভাগের ফিলিপ মিত্তেরোএকার বলেন, শ্রোণি সরু হওয়াজনিত জটিলতার এই হার এত বেশি কেন, তা মানুষের বিবর্তনের গবেষণায় এক পুরোনো প্রশ্ন। অত্যন্ত সরু শ্রোণির নারীরা ১০০ বছর আগে সন্তান জন্মদানের সময় সাধারণত বাঁচতেনই না। আর বিবর্তনের তত্ত্ব অনুযায়ী এটাই ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন’। খুব সরু শ্রোণির নারীরাও এখন অস্ত্রোপচারের সহায়তায় সন্তান জন্ম দিচ্ছেন এবং তাঁদের জিন মেয়েসন্তানদের মধ্যে অতিবাহিত হচ্ছে।
অস্ট্রিয়ার এই গবেষকেরা বলছেন, এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। তবে এত বেশি মাত্রায় নয় যে অস্ত্রোপচার ছাড়া সন্তানের জন্ম দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
এই গবেষণাপত্রটি প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়মিত হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর

আমাদের বিভিন্ন কাজে বেশিরভাগ সময় ঘরের বাইরে থাকতে হয়। বাইরে আমরা দুই হাত দিয়ে কত কাজই না করে থাকি। এতে অনেক জীবাণু আক্রমণ করে অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এই অসুস্থতাকে দূরে রাখার জন্য হাত ধোয়ার পরামর্শ দেন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা। তবে অনেকেই হাত ধোয়ার জন্য সাবান ব্যবহার করতে চান না বা সম্ভব হয় না। তখন হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করে হাত পরিষ্কার করেন। কিন্তু হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করা ভালো না মন্দ এটা কি জানেন?

হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহারে জীবাণু ধ্বংস হয় ঠিকই কিন্তু অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে যার কারণে স্বাস্থ্যের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

তবে চলুন জেনে নেই অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে যেসব সমস্যা হয়-

শুষ্ক ত্বক
হ্যান্ডওয়াশে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয় তাতে আইসোপ্রোপাইল, ইথানল এবং এন-প্রোপানল থাকে। এগুলো ত্বককে শুষ্ক করে দেয়। এরা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে দূর করে দেয়, কোষকে পানিশূন্য করে এবং ডার্মাটাইটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ত্বকের বাহিরের সুরক্ষা স্তরকে নষ্ট করে।

হরমোনের কাজে বাধার সৃষ্টি
অনেক হ্যান্ডওয়াশে ট্রাইক্লোসান থাকে। এই উপাদানটি হরমোনের কাজে বাধার সৃষ্টি করে। সুপার বাগের বৃদ্ধিতেও এর সম্পর্ক বিদ্যমান। সুপার বাগ হচ্ছে এমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস যা অ্যান্টিবায়োটিককে রেজিস্ট বা প্রতিহত করতে পারে।

ত্বকে অ্যালার্জির সৃষ্টি
অনেক হ্যান্ডওয়াশে রাসায়নিক সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। প্রস্তুতকারকরা হ্যান্ডওয়াশের লেবেলে উল্লেখ করেন না যে এতে কি ধরণের সুগন্ধি উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। তাই আপনি জানতেও পারছেন না যে কি ধরণের উপাদান আপনার ত্বকের সংস্পর্শে আসছে। অনেক সুগন্ধি উপাদানই ত্বকের জন্য যন্ত্রণাদায়ক হয় এবং অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়।

ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে
আমরা অনেকেই মনে করি যে, হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করলে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমে। কিন্তু আসলে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়। এক গবেষণায় জানা গেছে যে, হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহারের ফলে শিশুদের ইমিউনিটি মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়। গবেষণা প্রতিবেদনটি সাইন্স ডেইলিতে প্রকাশিত হয়। শিশু অবস্থায় অতিরিক্ত পরিষ্কার পরিবেশ শিশুর ইমিউনিটিকে এমন মাত্রায় কমিয়ে দেয় যে তাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বক্ষণ যুদ্ধরত অবস্থায় থাকে, ফলে তাদের ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়ে। এই শিশুরা বড় হলেও তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে এবং ইনফ্লামেটরি প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত রকমের সংবেদনশীল হয় বলে বিভিন্ন ধরণের রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওষুধের কাজ করে কলা

bananaকলা দেখে যতই মুখ বাঁকান, শরীর সুস্থ রাখতে এর জুড়ি নেই।

❏ সুযোগ পেলেই কলা খান খেলোয়াড়রা। কেন জানেন? কলা দেহের শক্তিবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

❏ কলায় অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকায় বিষণ্ণতাও দূর হয়।

❏ হৃদরোগ সারিয়ে তুলতে কলা বেশ উপকারী। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। লবণ অত্যন্ত কম, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

❏ প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে স্মৃতিশক্তি প্রখর হবে।

❏ রক্তশূন্যতায় ভুগলে কলা খেতে পারেন। এতে প্রচুর আয়রন রয়েছে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

❏ কলাতে উচ্চমাত্রার আঁশ রয়েছে। প্রতিদিন খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

❏ গর্ভবতী নারীদের জন্য কলা উপকারী। রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে। মর্নিং সিকনেসও কমে।

Dr. S.K.Das

DHMS

Consultant(Homeo)

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যে লক্ষণ বলছে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত

diabeঅনেক সময় লক্ষণগুলোকে ক্ষতিহীন বা স্বাভাবিক মনে করার ফলে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হয় না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে

প্রায়ই মূত্রত্যাগ: আপনি কি প্রায়ই বাথরুমে যান বা দিনভরই মূত্র ত্যাগ করতে থাকেন? মূত্রত্যাগ বাড়তে থাকে যদি রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। যদি ইনসুলিন অকার্যকর বা অপর্যাপ্ত হয় তাহলে কিডনি অতিরিক্ত গ্লুকোজ পরিশোধিত করে রক্তে ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

বাড়তি তৃষ্ণা: আপনি যদি প্রায়ই তৃষ্ণার্ত বোধ করেন বা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি পান করেন তার মানে হতে পারে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষকরে যদি ঘন ঘন মুত্র ত্যাগ করেন।

তীব্র ক্ষুধা: আপনার দেহ যেহেতু যথেষ্ট গ্লুকোজ হজম করে না ফলে আরো বেশি গ্লুকোজ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হতে পারে। আর এর ফলে মস্তিষ্কে অনবরত ক্ষুধার সঙ্কেত পাঠাতে থাকে।

অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা: দেহ নিদারুণভাবে শক্তির উৎসের সন্ধান করে। কারণ কোষগুলো যথেষ্ট গ্লুকোজ পায় না। এটি শক্তির জন্য মাংসপেশির টিস্যু এবং চর্বি ভাঙ্গতে শুরু করে।

বাড়তি অবসাদ: গ্লুকোজের সদ্ব্যবহার না হওয়ায় কোষগুলো শক্তির উপবাসে থাকে। ফলে আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন এবং ভেঙ্গে পড়েন।

রোষপ্রবণতা: ঝাপসা দৃষ্টি; হাত, পা বা পায়ের পাতায় রণন বা অসাড়তা, ত্বকে শুষ্ক অনুভূতি বা ফাটল; নিরাময়ের অযোগ্য ক্ষত বা জখম; এবং ঘনঘন সংক্রমণ। আপনি যদি নিজের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে এসব লক্ষণ দেখতে পান তাহলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করান।

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস

01811898061

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দাগি কলায় নাকি ক্যানসার রোধ

bananaস্বাস্থ্য ডেস্ক: কলা খাওয়া তো ভাল, কিন্তু কেমন কলা কিনবেন বলুন তো? আপনার উত্তর নিশ্চয় দাগহীন, টাটকা ফল। তাহলে আজ থেকেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে নিন। এবার থেকে বাজারে গিয়ে বেছে বেছে দাগি কলা কিনুন।

কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, দাগি কলাই নাকি বেশি উপকারি। দাগি কলা নাকি ক্যানসার রোধ করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।

কলা যত দাগি হবে তার নাকি ততই পুষ্টিগুন। লন্ডনের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করে এই তথ্য জানিয়েছেন এক দল বিজ্ঞানী। তাঁরা জানান, কলার খোসার উপরে যে বাদামি ছোপ থাকে তা আসলে টিএনএফ (টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর)। টিএনএফ অ্যান্টি ক্যানসার উপাদান। যা দেহে কোনো অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা টিউমার রোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে।

এ ছাড়াও কলা অ্যাসিডিটি দূর করে। রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে, রক্তাল্পতা কমিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখে।
তা হলে আর নিশ্চয় দাগি কলা দেখে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবেন না। আনন্দবাজার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সম্ভাব্য সমস্যা

blood-groupস্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে সাধারণত কোন সমস্যা হয় না। সমস্যা হয় মূলত, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ ও স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ হলে। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে, বাচ্চা হলে বা গর্ভপাত হলে মাকে এন্টি-ডি ইঞ্জেকশন দিয়ে সম্ভাব্য বিপদ এড়ানো সম্ভব।
স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের অধিকারী হলে জন্মানোর সাথে সাথে বাচ্চার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন এবং সমস্যার সম্ভাবনা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ মত ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে, পরিবার সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী, স্ত্রীকে রক্ত না দেওয়াই ভাল। কারণ সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সন্তানের সমস্যা হতে পারে। পরিবার পূর্ণ হলে বা জরুরি ক্ষেত্রে স্বামীর রক্ত স্ত্রীকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচ্য হতে পারে।
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(হোমিও)

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ক্যানসার রোগের কিছু পূর্বাভাস

cancerডেস্ক: ক্যানসার নিঃসন্দেহে মরণ রোগ। কিন্তু সঠিক সময়ে ক্যানসারকে যদি চিহ্নিত করা যায়, এবং যথাযথ চিকিৎসার সুফল যদি মেলে তাহলে ক্যানসারকেও পরাজিত করা সম্ভব।

এর জন্য দরকার ক্যানসারের উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা। আসুন জেনে নিই কোন কোন শারীরিক পরিবর্তন ক্যানসারের পূর্বাভাস দেয়-

১. যদি চামড়ার নীচে কোন মাংসের দলা দেখা দেয়: 
এটা বোঝা যায় খুব সহজেই। হাত দিয়ে স্পর্শ করে যদি শরীরের কোন অংশে শক্ত মাংসের দলা অনুভব করেন তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান। স্তন, অণ্ডকোষ, গলা, তলপেট কিংবা বগলের মতো জায়গাগুলোতে বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন।

২. শরীরের কোন অংশ যদি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং চুলকানি দেখা দেয়: 
কোন অংশে ক্যানসার দেখা দিলে সাধারণত শরীরের স্বাভাবিক প্রতিষেধক ক্ষমতার প্রতিক্রিয়ায় ওই অংশে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। স্বভাবতই ওই অংশ লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে, এবং সেখানে চুলকানিও দেখা দিতে পারে।

৩. যদি শরীরের কোন অংশের কোন ঘা বা ক্ষত সারতে না চায়: 
দীর্ঘদিন ধরে যদি কোন ঘা বা ক্ষত না সারে, তাহলে ডাক্তারের কাছে অবশ্যই যেতে হবে।

৪. যদি মুখের ভিতরে সাদা মুখওয়ালা কোন গোটা দেখা দেয়: 
জ্বিহা, মুখের ভিতরের অংশ, কিংবা মাড়িতে যদি কোন গোটা দেখা দেয় এবং সেটির মুখ যদি সাদা হয়, তাহলে কালবিলম্ব না করে ডাক্তারের কাছে চলে যান।

৫. হঠাৎ করে খিদে চলে যাওয়া: 
ক্যানসারের প্রভাবে শরীরে নিউট্রিয়েন্টস কমে যায়। পরিণামে খিদেও হ্রাস পায়।

৬. মলত্যাগের অভ্যাসে কোন আকস্মিক পরিবর্তন‌ কিংবা মলের সঙ্গে রক্তপাত।

৭. মূত্রত্যাগের অভ্যাসে কোন পরিবর্তন: 
যদি মূত্রের রং, পরিমাণ বা গন্ধে কোন লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন আসে, কিংবা মূত্রের সঙ্গে রক্তপাত ঘটে, তা হলে তা ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

৮. ব্যাখ্যাহীন রক্তপাত: 
শরীরের কোন অংশ থেকে (যেমন যোনি কিংবা স্তনবৃন্ত) যদি আকস্মিকভাবে কোন সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই রক্তপাত শুরু হয়ে যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৯. কন্ঠস্বরে আকস্মিক পরিবর্তন হওয়া।

১০. একটানা কাশি: 
যদি টানা দু’সপ্তাহের উপর কাশি থাকে, তবে তা গলা, ফ‌ুসফুস, খাদ্যনালী এমনকী পাকস্থলীর ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

সূত্র: কলকাতা নিউজ ২৪

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হার্ট অ্যাটাকের আগেই কিভাবে সিগন্যাল দেবে হৃদপিণ্ড জেনে নিন?

heart_attackস্বাস্থ্য ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যেভাবে দূষণের মাত্রা বেড়ে চলছে তাতে আট থেকে আশি বছরের সকলের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা। যৌবনে প্রবেশ করার আগেই অনেকের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু গোবেষণা বলছে, হার্ট অ্যাটাক আসার আগে থেকেই আপনার শরীরকে ক্রমাগত সিগন্যাল দেয় হৃদপিণ্ড। জানেন কীভাবে?

এই ৬টি বিষয়ই আপনাকে বলে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক আসতে চলেছে-

১) দুর্বলতা- হার্টের সমস্যার জন্য ধমনীতে রক্তের প্রবাহ কমে যায়। আর তার ফলেই কমতে থাকে শরীরে জোর। দুর্বলা অনুভব করবেন আপনি।

২) ঝিমনি- অদ্ভূত ভাবে একটি ঝিমুনি অনুভব হবে প্রতি মুহূর্তে। সেই সঙ্গে রক্তের প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে শরীরে একটা শীতল ভাবও অনুভূত হবে হার্ট অ্যাটাক আসার আগেই।

৩) বুকে ব্যাথা- হার্ট অ্যাটাক আসার প্রায় এক মাস আগে থেকেই বুকে ব্যথা অনুভূত হতে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, বুকে থেকে ব্যথা শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়বে ক্রমাগত। বিশেষ করে পীঠ, হাত ও কাঁধে ছড়িয়ে বড়বে ব্যথা।

৪) ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা- হার্ট অ্যাটাক আসার আগে কিছুদিন আগে থেকেই ঠাণ্ডা লাগার একটা প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে আগে থেকেই সাবধান হয়ে যাওয়া অনেকটাই ভালো।

৫) ক্লান্তি- একটু কাজ করলে বা হাটাহাটি করলেই শরীরের মধ্যে ক্লান্তি অনুভব করা। সেই সঙ্গে হাপ ধরে যাওয়া। এমন সমস্যা দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হতে পারে আপনার হার্ট দুর্বল। যে কোনও মুহূর্তে অ্যাটাক আসতে পারে।

৬) নিশ্বাসে সমস্যা- এটিও একটি নির্দেশ হার্টের পক্ষ থেকে যে তা অত্যন্ত দুর্বল। ছোটো বড় যে কোনও কাজ করলেই নিশ্বাসে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তা হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাবধান! ভিটামিন-যুক্ত খাবার খেলে হতে পারে মৃত্যু !

bloodসাধারণভাবে ভিটামিন আমরা শরীরের পুষ্টির জন্যই সেবন করে থাকি। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এই ভিটামিনও যে আমাদের পক্ষে বিপজ্জনক আকার ধারণ করতে পারে, তা জানা নেই অনেকেরই। এমনকী, ভিটামিন কখনও কখনও প্রাণহানির কারণ পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্ন‌াল অফ নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি গবেষণাপত্রে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

হেলসিঙ্কির গবেষকরা একটি সমীক্ষা চালিয়েছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল মানবশরীরে ভিটামিন ই-এর প্রভাব সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি করা। বিশেষত বেশি বয়সের নিউমোনিয়া রোগীদের দেহে ভিটামিন কীভাবে ক্রিয়া করে, সেই বিষয়েই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চেয়েছিলেন তাঁরা। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে ৫০ থেকে ৬৯ বছর বয়সি যেসব মানুষ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদেরকে আনা হয়েছিল সমীক্ষার আওতায়। প্রকাশিত গবেষণাপত্রটি এই সমীক্ষা-রিপোর্টের ভিত্তিতেই রচিত। এবং রিপোর্টে যা দেখা গিয়েছে, তা বেশ উদ্বেগজনক।

দেখা যাচ্ছে, সাধারণভাবে ভিটামিন ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বলে মনে করা হলেও, কার্যক্ষেত্রে সবসময় তেমনটা হয় না। ভিটামিন ই কোনও মানুষের শরীরে কতটা কার্যকর হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে সেই মানুষটির জীবনযাপনের পদ্ধতির উপর। এমনিতে ভিটামিন ই যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, সেই কারণে অনেকেই আলাদা করে ভিটামিন ই সেবন করে থাকেন। কিন্তু সমীক্ষা রিপোর্ট জানাচ্ছে, যাঁরা বেশি পরিমাণে ভিটামিন ই সেবন করেন, তাঁদের যদি অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকে, তাহলে তাঁদের নিউমোনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা ৬৮ শতাংশ বেড়ে যায়।

বিশেষত এই মানুষরা যদি শারীরিকভাবে আলসে প্রকৃতির হন, তাহলে তাঁদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে। কিন্তু যাঁরা শারীরিকভাবে সক্রিয়, সেই সঙ্গে পরিমিত হারে মদ্যপান ও ধূমপান করেন অথবা একেবারেই এড়িয়ে চলেন মদ কিংবা সিগারেট-বিড়িকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ই সেবনের ফলে নিউমোনিয়ার সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশ হ্রাস পায়। যে কারণে গবেষকদলের প্রধান হারি হেমলিয়া বলছেন, ‘‘ভিটামিন ই সেবনের ফলাফল সম্পর্কে কোনও সর্বজনপ্রযোজ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছনো কঠিন।’’

নিউমোনিয়া কখনও কখনও প্রাণঘাতী আকারও নিতে পারে। কাজেই ভিটামিন ই-এর অপরিকল্পিত সেবন বাড়াতে পারে মৃত্যুর সম্ভাবনা। কাজেই বাদাম, পালং শাক, পেস্তা, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, জলপাই প্রভৃতি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার সময়ে সতর্ক থাকতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডায়াবেটিস ডায়েট নিয়ে ভুল ধারণা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ডায়াবেটিস থাকা অবস্থায় ওজন কমানোটা খুব কঠিন ব্যাপার। এ ছাড়া ডায়াবেটিস হলে খাবার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বেশি কিছু প্রচলিত ধারণা। যা আমরা যুগ যুগ ধরে মেনে চলে আসছি। তবে এই প্রচলিত ধারণাগুলো থেকে আপনি এবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

ডায়াবেটিস ডায়েটে থেকেও আপনি অনেক কিছু খেতে পারেন আবার অনেক খাবার খাচ্ছেন, যা আপনার খাওয়া ঠিক হচ্ছে না। আসুন জেনে নিই ডায়াবেটিস ডায়েট নিয়ে সঠিক কিছু তথ্য।

মিষ্টান্ন

যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের জন্য মিষ্টি এক প্রকার নিষিদ্ধ বলা চলে। কিন্তু ব্যাপারটি একেবারেই সে রকম নয়। এখন ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভিন্ন মিষ্টি পাওয়া যায়। যা খেলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়ে না। আপনি ডায়াবেটিসের রোগী হলে খাওয়ার পর এই মিষ্টান্ন খেতে পারেন। এ ছাড়া সারা দিনে আপনার খাবারে ক্যালরি এবং কার্বহাইড্রেটের পরিমাণ কম থাকলে রাতে খাওয়ার পর একটু মিষ্টি আপনি খেতে পারেন। তবে পরিমাণ ঠিক রাখবেন।

কোন খাবার কতটুকু খাচ্ছেন

একটি কথা প্রচলিত ছিল যে, আপনি কী খাচ্ছেন তা ব্যাপার নয় কিন্তু কতটুকু খাচ্ছেন সেটা ব্যাপার। আসলে দুটোই ব্যাপার। আপনি যদি বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিমাণে কম খান এবং কম ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিমাণে বেশি খান তাহলে তার পরিণাম কাছাকাছি। তাই আপনি কী খাচ্ছেন কতটুকু খাচ্ছেন তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য।

যত পরিশ্রম তত খাবার

আমাদের অনেকের মধ্যে এরকম ধারণা রয়েছে যে, বেশি বেশি করে পরিশ্রম করলে বেশি বেশি খাবার খাওয়া দরকার। তা নয়। আপনি যদি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে পরিশ্রমের পাশাপাশি আপনাকে খাবারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর ডায়াবেটিসের রোগীদের প্রতিদিন হাঁটা বাধ্যতামূলক। তাই বলে বেশি খাবার গ্রহণ করা যাবে না।

না খেয়ে ওজন কমানো

অনেকে মনে করেন, না খেয়ে থাকলে দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব। এটি একটি বড় ভুল ধারণা। যার ওজন যতই বেশি হোক না কেন, ডাক্তাররা বলেন কখনোই খাবার বন্ধ দেবেন না, বিশেষ করে সকালের খাবার। না খেয়ে থাকলে আপনার ওজন কমবে ঠিকই এর সঙ্গে সঙ্গে আপনি শারীরিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়বেন। তাই কখনো না খেয়ে ওজন কমানোর কথা ভাববেন না। আর ডায়াবেটিসের রোগীরা অবশ্যই পরিমাণ ঠিক রেখে তিনবারের খাবার নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করুন।

ফাস্ট ফুড

আমরা মোটামুটি সবাই এখন ফাস্ট ফুডের ব্যাপারে বেশ সচেতন। আমরা মনে করি ফাস্ট ফুড আমাদের ওজন বাড়িয়ে দেয়। এটি শুধু আমাদের শরীরের ক্ষতি করে। কিন্তু তা নয়। এর কিছু ভালো দিকও রয়েছে। যেমন আপনি কম ক্যালরি সসযুক্ত সালাদ খেতে পারেন, বার্গারের পরিবর্তে চিকেন পেটিস খেতে পারেন। কম ক্যালরিযুক্ত স্যান্ডউইচ খেতে পারেন। যা আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এ ছাড়া মেয়নিজ এড়িয়ে চলুন। চেষ্টা করুন চিনি ছাড়া চা বা কফি খাওয়ার।

তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডায়াবেটিস কমাতে খাওয়ার পর হাঁটা

ডাঃ এস কে দাস : খাওয়ার পর বিশেষত, কার্বোহাইড্রেইট-জাতীয় খাবার খাওয়ার পর সামান্য হাঁটাহাঁটি টাইপ টু ডায়বেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে অত্যন্ত উপকারী, বলছে এক নয়া গবেষণা।

গবেষণায় দেখা যায়, দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাঁটাহাঁটির তুলনায় খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটির কারণে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমেছে গড়ে প্রায় ১২ শতাংশ।

প্রধাণ গবেষক, নিউ জিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ ওটাগো’র অ্যান্ড্রিউ রেনল্ডস বলেন, “খাওয়ার পরে হাঁটার মাধ্যমে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমেছে সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত, যা পাওয়া গেছে রাতের খাবার খাওয়ার পর। রাতের খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ থাকে সবচাইতে বেশি আর এরপর সময়টা কাটে সবচাইতে অলসভাবে।”

খাওয়ার পর শরীরের যোগ হওয়া শর্করা টাইপ টু ডায়াবেটিস পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যে পরিণত হয়, যা সামগ্রিকভাবে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও ‘কার্ডিওভাসকুলার’ রোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান ইউনিভার্সিটি অফ ওটাগো’র অধ্যাপক জিম মান।

তিনি আরও বলেন, “খাওয়ার পর শারীরিক পরিশ্রম ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের পরিমাণ কমাতে সহায়ক। রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতেই ডাক্তাররা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ইনসুলিন গ্রহণের পরিমাণ বেশি হলে টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

গবেষণার জন্য ৪১ জন টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীকে খাওয়ার পর মাস ভিত্তিতে টানা দুই সপ্তাহ হাঁটার পরামর্শ দেন গবেষকরা।

ডায়াবেটোলজিয়া নামক জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হাইপার টেনশন থেকে বাঁচতে হোমিও ৩টি ঔষধ

ডাঃ এস কে দাসঃ হাইপার টেনশনকে নীরব ঘাতক বলা হয়। কোনো বড় লক্ষণ ছাড়াই এটি আমাদের শরীরকে খারাপ করে দিতে পারে। এর থেকে দূরে থাকার কিছু উপায় দেওয়া হলো-
১। যারা দিনে ৫ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমান তারা হাইপার টেনশনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক।
২। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমতে সাহায্য করে। তাই খাবার সময় লবণ খাবার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিন।
৩। নিয়মিত ব্যায়ামও হাইপার টেনশন থেকে বাঁচাবে। তাই প্রত্যেকের উচিত সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করা।
৪। প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। নিজে না পারলে বই বা অডিও সিডির সাহায্য নিন।
৫। ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খেলেও হাইপার টেনশন কমবে।
৬। অতিরিক্ত ওজনও হাইপার টেনশনের কারণ। তাই ওজন কমাতে মনোযোগী হন।

৭। আমার উদ্ভাবনি হোমিও তিনটি ঔষধ সেবন  করলে হাপোরটেনশন এর মত কঠিন রোগ থেকে আপনি বাচতে পারেন।

ডাঃএস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

01811898061

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের নাকি নারীর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নারীরা সব সময় ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়েই চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু ব্রেস্ট  ক্যান্সারের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে নারীদের মৃত্যুর হার ৬ গুণ বেশি। এই রোগটির সম্ভাব্য কারণ নারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়ে থাকে। পুরুষের ক্ষেত্রে রক্তনালীর একটি স্থানেই ব্লকেজ হয়ে থাকে। এটি এঞ্জিওপ্লাস্টি বা বাইপাস গ্রাফট করে ঠিক করা যায়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এটি বিস্তৃত স্থানে হয়ে থাকে বা ছড়িয়ে যায়। তবে এই সমস্যাটির ও সমাধান করা সম্ভব। পুরুষের তুলনায় নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই চলুন।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, নারীদের মধ্যে প্রায়ই অ্যাজিনার (হৃদপিন্ডে রক্ত প্রবাহের অপ্রতুলতার জন্য অল্প পরিশ্রমেই বুকে যে ব্যথা হয়) লক্ষণ দেখা যায়, কিন্তু করোনারি ধমনীতে  কম বাঁধা দেখা যায়। এজন্যই এঞ্জিওগ্রাফির মাধ্যমে ধমনীর ব্লক চিহ্নিত করা কঠিন। এছাড়াও ৪০% নারীরই হার্ট অ্যাটাকের সময় বুকে ব্যথা থাকেনা। তাদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও প্রচণ্ড দুর্বলতার সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও সাধারণত হার্ট অ্যাটাকের সময় হাতে ব্যথা হয় কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের সময় পিঠে বা কাঁধে ব্যথা হয়।

সুস্থ নারীদের তুলনায় যে নারীদের ডায়াবেটিস আছে তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৩ গুণ বেশি। প্রেগনেন্সির সময় যে নারীরা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজে ভোগেন তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নারী ধূমপায়ীদের পুরুষদের তুলনায় হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি ৬ গুণ বেশি। ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) এর মাত্রা কম এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এর মাত্রা বেশি থাকলে নারীদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এইচডিএল এর মাত্রা ৫০ এর উপরে এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০০ এর নীচে রাখার চেষ্টা করুন।

অধিক ওজনের নারীদের হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি, যদি তাদের অন্য কোন রিস্ক ফ্যাক্টর নাও থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন।

হরমোন থেরাপি নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় না। আগে বিশ্বাস করা হত যে, নারীদের কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ কমে যায় মেনোপোজের পরে। নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে যে, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT) স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় না।

নারীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর জন্য ৪ টি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আর তা হল – সঠিক খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান বাদ দেয়া (যদি ধূমপানের অভ্যাস থেকে থাকে) এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। এগুলো অনুসরণ করলে আপনি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৮২% পর্যন্ত কমাতে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিসের চিরতরে মুক্তি

Diabetes cure in homeopathy

Diabetes cure in homeopathy

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।

আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন

ডাঃ এস কে দাস

ডিএইচএমএস(ঢাকা)

০১৮১১৮৯৮০৬১

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গরুর দুধ পান করালে যে যে সমস্যাগুলো হতে পারে

বিকল্প দুধে সবসময়ই রোগজীবানু বহন করার ভয় থাকে। কারণ দুধ, নিপল এবং বোতলের সাথে অথবা বিকল্প দুধ তৈরীতে ব্যবহৃত পানির সাথে রোগজীবাণু থাকার সম্ভাবনা রয়ে যায়। তাই শিশুর ঘন ঘন অসুখ হয়। তাছাড়া এই সময় গরুর দুধ পান করানোটাও উচিত হয়। শিশুর এক বছর বয়সের মধ্যে গরুর দুধ পান করালে যে সকল সমস্যা হতে পারে:-
রক্তাল্পতা :- গরুর দুধে আয়রন কম থাকায় এবং দুধের ক্যালসিয়াম ও ক্যাসিন আয়রন শোষণে বাধা দেওয়ায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের নিচের প্রায় সব শিশুই আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতায় ভোগে।
আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ :- গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল ১ বছরের কম প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুর অন্ত্রে আণুবীক্ষণিক রক্তক্ষরণ হয়।
ডায়াবেটিস :- গরুর দুধে বোভাইন সেরাম এলবুমিন (বিএসএ) থাকে। তা শিশুর অপরিপক্ব অন্ত্রের ছিদ্র দিয়ে পরিপাক ছাড়াই সরাসরি রক্তে চলে যেতে পারে। রক্তে গেলে এই প্রোটিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই প্রোটিনের গঠনের সঙ্গে শিশুর দেহে ইনসুলিন তৈরিকারী বিটা কোষের গাঠনিক প্রোটিন পি৬৯-এর মিল রয়েছে। ফলে অ্যান্টি-বিএসএ অ্যান্টিবডি বিটা কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে তাকে ধ্বংস করতে পারে। বিটা কোষ ধ্বংস হলে বড় হয়ে ওই শিশুই ইনসুলিন নির্ভরশীল ডায়াবেটিসে ভুগতে পারে।
অ্যালার্জি :- গরুর দুধের প্রোটিন আকারে বড় হওয়ায় এবং ১ বছরের নিচের শিশুর পরিপাকতন্ত্রের অপরিপক্বতার কারণে এসব প্রোটিন অনেক সময় অ্যামাইনো এসিডে রূপান্তরিত না হয়ে ছোট-ছোট প্রোটিন অণুতে পরিণত হয়। এগুলো রক্তে গেলে ইমিউনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশনে বিভিন্ন অ্যালার্জির উপসর্গ তৈরি করে।
শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ :- ইমিউনোলজিক্যাল রি-অ্যাকশনের কারণে শিশুর শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হতে পারে। ফলে নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি-কাশি প্রায়ই লেগে থাকে, এমনকী হাঁপানিও হতে পারে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর শ্বাসতন্ত্রের অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১২০ গুণ বেশি।
পেটের অসুখ :- গরুর দুধের জটিল প্রোটিন হজম করতে না পারা ও অন্যান্য উপাদান, বিশেষত দুধের ল্যাকটোজের প্রতি সহনশীলতার অভাবে প্রায়ই পেটের অসুখ-বিসুখ যেমন- পেট ফাপা, ডায়রিয়া, বমি, বদহজম শিশুকে আক্রান্ত করে। মায়ের দুধ খাওয়া শিশুর তুলনায় গরুর দুধের ওপর নির্ভরশীল শিশুর পেটের অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা প্রায় ৪০ গুণ বেশি।
হঠাৎ মৃত্যু :- গরুর দুধের ক্যাসিন প্রোটিন থেকে শিশুর পেটে বোভাইন বিটা ক্যাসোমরফিন-৫ তৈরি হতে পারে। রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গেলে শিশুর শ্বাস মাঝে-মাঝে আটকে যায়। এমনকী শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যেতে পারে। ক্রিব রোগ বা হঠাৎ শিশু মৃত্যুর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ২ হাজার শিশুর একজন এভাবে মারা যায়।
পানিশূন্যতার আশঙ্কা :- গরুর দুধের অতিরিক্ত প্রোটিন ও খনিজ পদার্থের কারণে এর ওপর নির্ভরশীল শিশুদের মূত্র তুলনামূলক বেশি ঘন হয়ে থাকে। তা অসমোটিক ডাই-ইউরোসিসের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব আকারে বের করে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি করে। এসব শিশু জ্বর ও ডায়রিয়ার সময় অন্য শিশুর তুলনায় অতি দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তা তার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

বিষয়গুলো জানার পর আশাকরি আপনারা অন্তত একবার হলেও ভাববেন আগামী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া আমাদের দেশে মায়েরা তাদের বাচ্চাদের কৌটার দুধ পর্যন্ত খাওয়াতে দিধা করেন না। যে গুলো আরো ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে।

আরও বিস্তারিত জানতে
Dr. S.k.das
DHMS
01911334810
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free