স্বাস্থ্য চিকিৎসা

অঙ্গ সংযোজন অনিয়মে জরিমানা বাড়ল, কমলো জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক: অঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রেখে মানবদেহে অঙ্গ-প্রতঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন- ২০১৭ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এর আগে এ আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল সাত বছরের কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সোমবারের বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, খসড়া আইনে অঙ্গ-প্রতঙ্গ বলতে কিডনি, হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, অগ্নাশয়, অস্থি, চক্ষু, অন্ত্র, যকৃত-কে বুঝাবে। এসব সংযোজন বা বিয়োজনের ক্ষেত্রে অনুমোদিত হাসপাতালগুলোতে বিশেষজ্ঞদের একটি মেডিকেল বোর্ড থাকবে এবং সরকারের অনুমতি নিতে হবে।

আশরাফ শামীম বলেন, কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। যাদের অনুমতি নেই তারা এ আইন কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে অনুমতির জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে পারবে বলেও জানান তিনি।

সংশোধিত আইনে নিকটাত্মীয়দের সংজ্ঞাও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব বলেন, আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা-নানী, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনী এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোন।

তিনি বলেন, আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রীকে বুঝানো হয়েছিল। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তবে চোখ ও অস্থিমজ্জা সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হওয়ার আবশ্যকতা নেই বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি নিকট আত্মীয় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে অথবা উক্ত তথ্য প্রদানে উৎসাহীত, প্ররোচিত বা ভীতি প্রদর্শন করলে উহা হবে একটি অপরাধ এবং অপরাধী অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

নিকট আত্মীয় ছাড়া অন্য যে কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অথবা লঙ্ঘনে সহায়তা করলে উহা হবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য অপরাধী অনধিক তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ আইনের অধীনে কোনো অপরাধের জন্য কোনো চিকিৎসক দণ্ডিত হলে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে। হাসপাতল কর্তৃক এ আইনের কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত হাসপাতালের মালিক, পরিচালক, ব্যবস্থাপক- যে নামেই পরিচিত হোক না কেন তিনি অপরাধী বলে গণ্য হবেন। তবে তিনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং উহা রোধ করার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন না।

কোনো হাসপাতাল কর্তৃক এ আইনের কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত হাসপাতালের মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অনুমোতি বাতিল হবে এবং উক্ত হাসপাতালে মালিককে অর্থ ও কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তিনি বলেন, আগের আইনে ঢালাওভাবে বলা ছিল, এ আইনের আলোকে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীর সর্বনিম্ন তিন বছর বা সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২০১১ সালে হাইকোর্টের একটি নির্দেশনার আলোকে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ১৯৯৯ নামে বর্তমান আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। মানব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনেরর ক্ষেত্রে অবৈধ ব্যবসা ও পাচার বন্ধে এ আইন সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

চিকুনগুনিয়ার ব্যথা হলে যা করবেন

ডাঃ এস কে দাস: চিকুনগুনিয়া নামক ভাইরাস জ্বরের ব্যাপক প্রকোপ দেখা যাচ্ছে এবার। ভাইরাসজনিত এ জ্বরটি প্রাণঘাতী না হলেও এ রোগে আক্রান্তরা তীব্র থেকে তীব্রতর অস্থিসন্ধি বা জয়েন্ট ব্যথায় ভুগে থাকেন।

সাধারণত এ জ্বর দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে গেলেও সন্ধির ব্যথা মাসব্যাপী রোগীকে কষ্ট দিতে থাকে। তাই ব্যথার কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে কিছু পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে- Read More »

এলার্জি চিরতরে বিদায় করার উপায়

ডেস্ক: এলার্জিতে ভুগে থাকেন অনেকেই। এলার্জির যন্ত্রণা ভুক্তভোগীরাই জানেন। এলার্জি দূর করতে নানারকম প্রচেষ্টা করেন অনেকেই। সুস্বাদু সব খাবার সামনে রেখেও খেতে পারেন না শুধু এলার্জির ভয়ে। যার কারণে ভুগতে হয় পুষ্টিহীনতায়। এটি দূর করা তবু যেন সম্ভব হয় না। তবে একটি উপায় মেনে চললে সহজেই আপনি এলার্জিকে দূর করতে পারবেন সারা জীবনের জন্য। চলুন জেনে নেই-

১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর গোশত, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গরুর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। আর সমস্যা হবে না।

রক্তের গ্রুপ জানাবে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা!

অনলাইন ডেস্ক,১০জুন:  সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে, রক্তের গ্রুপের ওপরই নির্ভর করে আপনার হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কতটুকু। নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টার গ্রোনিনজেনের একদল গবেষক জানিয়েছেন, যাদের রক্তের গ্রুপ ও, তাঁরা বাদে অন্য রক্তের গ্রুপ, যেমন এ, বি এবং এবি গ্রুপের রক্ত যাঁদের, তাঁদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

এ, বি এবং এবি রক্তের বিভাগ গুলিতে ১০ শতাংশ কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্ট এবং ১০ শতাংশ করোনারি ইভেন্টের সম্ভাবনা বেশি থাকে। গবেষণায় আরো জানানো হয়েছে, রক্ত তঞ্চনকারী প্রোটিন (ভন ইউলব্র্যান্ড ফ্যাক্টরের) ঘনত্ব বেশি থাকে এই গ্রুপ গুলোর রক্তে। সাধারণত এই প্রোটিনটি যুক্ত থাকে থ্রম্বটিক ইভেন্টের সাথে। যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

যাঁদের রক্তের গ্রুপ এ তাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। আর এই কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা।

গ্যালাকটিন ৩ এর মাত্রা ও গ্রুপের রক্ত ছাড়া অন্যসব গ্রুপের রক্তে এর পরিমাণ বেশি মাত্রায় থাকে। যা ইনফ্লামেশনের জন্য দায়ী। আর এই কারণেই এ, বি এবং এবি গ্রুপের রক্তে হার্ট অ্যাটাকের হার বেশি।

গবেষক কোলে তার ভাষায় বলেছেন, ও গ্রুপের রক্ত ছাড়া অন্যসব গ্রুপের রক্তের মানুষদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের পাশাপাশি করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেলিওর এবং কার্ডিওভাসকুলার মর্টালিটির হারও বেশি মাত্রায়। যা সাধারণত ও গ্রুপের রক্তের তুলনায় অনেক বেশি। সূত্রঃ মেডিকেল নিউজ টুডে।

সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি শুরু হয়েছে হার্টের রিং

ডেক্স : ২৩ এপ্রিল : অবশেষে সরকার নির্ধারিত মূল্যে রোগীদের হার্টের রিং দেওয়া শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যে হার্টের রিং পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হার্টের রিং নিয়ে নৈরাজ্যের অবসান হলো। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কাউকে রিং বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। আজ রোববার থেকে যেসব সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মোড়কে রিংয়ের নিবন্ধন, মূল্য, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ না থাকবে, তাদের রিং বিক্রি করা যাবে না। জনস্বার্থে নৈরাজ্য বন্ধে সবকিছু করা হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শরীয়তপুরের একরামুল হক বলেন, গত সপ্তাহে এনজিওগ্রাম করানোর পর তার হার্টের ব্লক ধরা পড়ে। দুটি রিং পরানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। ওই রিংয়ের মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল। এত টাকা না থাকায় তিনি রিং নিতে পারেননি। কিন্তু আজ (শনিবার) সেই রিং প্রায় অর্ধেক মূল্যে পেয়েছি। এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে সরকারকে তিনি ধন্যবাদ জানান। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অন্তত ২০ জন সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হার্টের রিংয়ের মূল্যের বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য সরকারের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন।

হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ১৭ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে হার্টের রিংয়ের সর্বোচ্চ খূচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ওই মূল্য তালিকা ইতিমধ্যে সব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, রিংয়ের ৪১ আইটেমের মূল্য তালিকা নির্ধারণ করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই তালিকা হাসপাতালের দৃশ্যমান জায়গায় সাঁটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রিংয়ের মূল্যের বিষয়ে পরিচালক বলেন, হার্টের রিং আমদানি করতে কোনো শুল্ক দিতে হয় না। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ১ টাকার কোনো পণ্য কিনলে তা ১ দশমিক ৫ গুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করতে পারবে। এভাবেই ৪১ আইটেমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রিং আমদানিকারকদের সংগঠন মেডিকেল ডিভাইসেস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে তারা সব হাসপাতালে রিং সরবরাহ করেছেন। তবে তিনি মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তা না হলে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়বেন। আজ রোববার সংশ্লিষ্ট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে তারা এ বিষয়টি তুলে ধরবেন বলে জানান।

একটি ওষুধে ওজন কমবে ১০ কেজি!

ডেস্ক,২২ এপ্রিল: স্বাস্থ্য বিষয়ে সবাই এখন সচেতন। ওজন বৃদ্ধি মোটেও ভালো লক্ষণ নয় তাও জানি।

ওজন বাড়তে থাকলে শরীর ভেতর থেকে ভাঙতে শুরু করে। আর চর্বি ডেকে আনে নানা রোগ। তাই নিজের ওজনের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন।

শুধু তাই নয়, এটা শরীরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর টক্সিনকে বের করে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই আয়ুর্বেদিক ওষুধে লেবুর প্রয়োজন পড়ে, যা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এ উপাদানটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়।

অন্যদিকে ওষুধটিতে উপস্থিত মরিচ শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপ কমে। সেই সঙ্গে লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

নিম্নে ওষুধ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী দেয়া হল;

উপকরণ: লেবু ১টা, মধু ১ চা চামুচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চিমটি, মরিচ গুঁড়া এক চিমটি ও পানি ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালী: একটা লেবুকে দুই টুকরো করে রসটা বের করে নিন। এবার লেবুর রসে নির্দেশনা অনুযায়ী উপরের উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এ মিশ্রণে এক কাপ গরম পানি মেশালেই তৈরি হয়ে যাবে ওষুধটি। এরপর ওষুধটি সাধারণ তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ রেখে খেতে পারেন।

তবে ওষুধটি নিয়ম মেনে খেতে হবে। সকালে এ ওষুধটি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন শরীরচর্চার পাশপাশি নিয়ম মেনে এই ওষুধটি খেলে তবেই চাহিদা অনুযার্য়ী আপনার ওজন কমবে।

আপনার বয়স ৩০+ হলে যা করবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের শরীরের ৯৯ শতাংশ ক্যালসিয়াম সংরক্ষিত হয় হাড় ও দাঁতে। বাকি ১ শতাংশ পাওয়া যায় রক্ত, পেশী এবং কোষীয় তরলে। ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয় পেশীর সংকোচনের মাধ্যমে অঙ্গের চলনে, হৃদপিন্ডের সংকোচনে, রক্ত জমাট বাঁধায়, হরমোনের নিঃসরণে এবং এনজাইম তৈরিতে। এবং স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে বার্তা পাঠাতেও কাজ করে ক্যালসিমায়। মোদ্দা কথা সুস্থ থাকতে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে মুশকিল।

বেশির ভাগ মানুষ শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে দুধ পান করেন। আবার অনেককে বিভিন্ন ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের সাহায্য নিতে হয়। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা দুধ এবং ক্যালসিমায় সাপ্লিমেন্ট দুই-ই পছন্দ করেন না। তাঁরা কিছু খাবার খেয়েই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটিয়ে ফেলতে পারেন। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ এমন কিছু খাবারের কথা জানুন।

১। তিল বীজ: তিলের বীজে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেলও থাকে। ১০০ গ্রাম কাঁচা তিল বীজে এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।

২। কমলালেবু: এই ফলেও ভিটামিন সি থাকে, যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।

৩। বাদাম: কাঠ বাদামে উচ্চমাত্র্রায় ক্যালসিয়াম থাকে। ১০০ গ্রাম কাঁচা অথবা নাট বাটারে ব্যবহৃত চূর্ণ করা কাঠ বাদামে ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।

৪। ভেন্ডি: এক কাপ ভেন্ডিতে প্রায় ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যাসিয়াম থাকে। যা আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

৫। ব্রোকলি: ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সব্জিও শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিকসকে নির্মূল করতে যা করবেন

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।
আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

প্রতিদিন থানকুনি পাতার রস খেলে যে যে উপকার পাবেন

থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি কাল থেকেই চলে আসছে। এটি দেখতে ছোট্ট ও গোলাকৃতি। পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সবগুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। থানকুনি আমাদের দেশে খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম ‘Centella Aciatica’। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। চিকিৎসায় থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

ভেষজের দুনিয়াতে থানকুনির স্থান রয়েছে অনেক উপরে। কারণ এর রয়েছে নানান গুণ। থানকুনি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই জন্মে। মাটির উপর লতার মতো বেয়ে ওঠে। পাতা গোলাকার ও খাঁজকাটা। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই থানকুনি গাছ বেশি জন্মে। তাই পুকুরপাড় বা জলাশয়ের পাশে থানকুনির দেখা মেলে বেশি।

থানকুনির ভেষজ গুণাবলি ছাড়াও অনেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি রোপণ করে, তাছাড়া থানকুনি দিয়ে অনেক সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার তৈরি করা যায়। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে। আমাদের দেশের অনেকে থানকুনি পাতার ভর্তা ও খায়।

আসুন জেনে নেই থানকুনি পাতার গুণাবলি:

১। লাবণ্যতা : যদি মুখ মলিন হয়, লাবণ্যতা কমে যায় তবে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।

২। দূষিত ক্ষত : মূলসহ সমগ্র গাছ নিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে। জ্বর ও আমাশয় : আমাশয়ের সঙ্গে জ্বর হলে থানকুনি পাতার রস গরম করে ছেঁকে খাওয়াতে হবে।

৩। মুখে ঘা : থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে।

৪। আঘাত : কোথাও থেঁতলে গেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাবেন।

৫। সাধারণ ক্ষত : থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে তা ক্ষত স্থানে লাগাতে হবে।

৬। নাক বন্ধ : ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে, সর্দি হলে থানকুনির শিকড় ও ডাঁটার মিহি গুঁড়ার নস্যি নিলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। বাক স্টম্ফুরণ : বাচ্চার দেরিতে কথা বললে অথবা পরিষ্কার কথা না বললে এক চামচ থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠাণ্ডা হলে ২০-২৫ ফোঁটা মধু, ঠাণ্ডা দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে।

৮। স্মরণশক্তি : মনে না থাকলে আধা কাপ দুধ, ২-৩ তোলা থানকুনি পাতার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে হবে।

৯। চুল পড়া : অপুষ্টির অভাবে, ভিটামিনের অভাবে চুল পড়লে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।

১০। পেটের দোষ : মলের সঙ্গে শ্লেষ্ণা গেলে, মল পরিষ্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে, কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমাণ গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।

যে পাতার রসে কিডনির পাথর গলে যাবে

 ডেস্ক: তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারী গুণ রয়েছে।

তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়।আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো: 

তুলসী পানি : 

উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।

প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন।এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন।ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন।এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।

তুলসী-চা:  

উপকরণ : ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন।এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান।মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন।এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

ভেষজ তুলসী-চা:

উপকরণ : এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন।

এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।
হার্বাল জুস:

উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করলে হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

কী কী উপকার হতে পারে এই কিশমিশে? জেনে নিন:

ডেস্ক ॥ আমাদের মধ্যে ধারণা রয়েছে কিশমিশ খেলে নাকি দাঁতের ক্ষতি হয়। এটি মোটেও ঠিক নয়, এই ধারণা একেবারে ভুল। কিশমিশ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে!

প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনি নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা হতে মুক্তি পেতে পারেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিশমিশ খাওয়া চলবে না।

১. অনেকেই ভেবে থাকেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে সেই ধারণা একেবারে মিথ্যা। কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যেটি মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের জুড়ি নেই। কারণ কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত হতে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে থাকে।

৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় কিশমিশ। এতে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। বোরন হলো মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ হতে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া যায়।

৪. চোখের সুরক্ষা করতে হলে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তাছাড়া বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে এই কিশমিশ। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

৫. কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে থাকে।

৬. রক্তস্বল্পতার সমস্যা একটি বড় সমস্যা। আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রণের অভাবে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম পরিমাণ আয়রণ যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রণের ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

৭. অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে কিশমিশের জুড়ি নেই। কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীতে যে অতিরিক্ত অ্যাসিড হয় বা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে কিশমিশ।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স কী?

অ্যান্টিবায়োটিক যত্রতত্র ব্যবহারের কারণে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৬১৮তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. আবু সাঈদ মো. মোসাদ্দেক। বর্তমানে তিনি উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স বলতে আমরা কী বুঝি?

উত্তর : অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স একটি সহজ জিনিস। যখন আমরা কোনো রোগ সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দিই, তখন ব্যাকটেরিয়া নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলে। পরিবর্তন করার কারণে সেই অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যায়। ব্যাকটেরিয়াটা অনেক দিন বেঁচে থাকে এবং নতুন নতুন রোগ সংক্রমণ করে থাকে, যা চিকিৎসা করা সত্যিই অনেক কঠিন হয়ে যায়। একে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স বলে।

স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির একটি মেয়েকে তার ক’জন পুরুষ সহপাঠী জিজ্ঞাসা করে – ‘বল তো স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?’ মেয়েটা মাথা নাড়ে৷ ‘এটাও জানিস না? উত্তর হলো – গিভ মি ব্লাড, আই উইল গিভ ইউ ফ্রিডম৷’

সে’দিনই মেয়েটা বুঝতে পারে, মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে ছেলেরা কতটা কৌতূহলী৷ আর কৌতূহলই কারণেই হয়ত তারা মেয়েদের নিয়ে মজা করে, টিটকিরি দেয়৷ অথচ একটু খুলে বললেই তো ছেলেরা বুঝতে পারতো, জানতে পারতো এ সময় মেয়েদের ঠিক কী হয়, কেন হয়…৷

সহজ করে বললে, ‘মুন ক্যালেন্ডার’ বা চন্দ্রমাস অনুয়ায়ী, মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে৷ এখনও বুঝতে পারলেন না?

মাসিক ব্যাপারটা নোংরা অথবা ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে, এমন ধারণাও আর থাকবে না আপনার৷ কখনোই মনে হবে না যে, ঋতুস্রাবের মধ্যে কোনো ‘অপবিত্রতা’ লুকিয়ে আছে৷ এটা ভুললে তো চোলবে না যে, এই ঋতুচক্রের ফলেই কিন্তু আপনি এই পৃথিবীতে এসেছেন৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে

কি কারনে নারীর তলপেটে ব্যাথা হয় জেনে নিন

ঋতুস্রাবের সময় নারীদের তলপেটে হালকা ব্যথা হতে পারে। এটা স্বাভাবিক। হটবাথ বা গরম ছ্যাক দিলে এটা কমে যায়। তবে এই ব্যথা যদি সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায় বা যখন তখন ব্যথা শুরু হয়, তাহলে বুঝবেন এটা খারাপ ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটা হতে পারে জীবানু সংক্রমন যাকে পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ বলা হয়।

সাধারণত ১৪-২৫ বছর বয়সের নারী পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। অপরিচ্ছন্ন ও অসচেতন নারীদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। নাইসেরিয়া, গনোকক্কাস, স্ট্রেকটোকক্কাস, ব্যাকটেরয়েড, বিশেষ করে কামাইডিয়া দ্বারা জরায়ু, ডিম্বাশয়, ডিম্বনালীসহ আশপাশের অন্যান্য অঙ্গ আক্রান্ত হয়ে এ প্রদাহের সৃষ্টি হয়।

প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে অশিক্ষিত ও অসচেতন নারীরা বিষয়টিকে স্বাভাবিক মনে করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না। অনেকে লজ্জ্বায় বিষয়টা এড়িয়ে যান। ফলে রোগ জটিল হতে থাকে। এক পর্যায়ে তা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। অথবা, সন্তান ধারণে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্ব।

এই প্রদাহ দুই রকম হতে পারে। প্রথমত জননাঙ্গের নিচের দিকের প্রদাহ, দ্বিতীয়ত জননাঙ্গের ওপরের দিকের প্রদাহ। এ রোগ হলে তলপেটে তীব্র ব্যথা হয়। এ ব্যথা কোমর ও বাহুতে বিস্তার করে। পেটে ভারী অনুভব করা, সহবাসে এবং জরায়ুমুখ স্পর্শ করলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা। যোনিপথে দুর্গন্ধযুক্ত সাদাস্রাব বা পুঁজ নির্গত ও জ্বালা-যন্ত্রণা হয়। এছাড়া শরীরে জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, খেতে অরুচি ও স্বাস্থ্য ক্ষীণ হয়ে যেতে পারে।

স্বামীর যদি যৌনরোগ থাকে তা থেকেও নারী এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। একাধিক যৌন সঙ্গীর কারণেও এ রোগ হতে পারে। গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণের কারণেও পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) হতে পারে। জননাঙ্গে যক্ষ্মা জীবাণুর সংক্রমণেও পিআইডি হতে পারে। এছাড়া অল্প বয়সে যৌন জীবন শুরু, মাসিকের সময় সহবাস, অস্বাস্থ্যকর ও অদক্ষ হাতে গর্ভপাত ও ডেলিভারি করানোর কারণে হতে পারে পিআইডি।

এ রোগ দেখা দিলে একেবারেই সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দিলে পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। তবে অবস্থা জটিল হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হবে।

পাকা পেঁপের প্রতিটা দানায় সর্বরোগ মুক্তির ‍উপায়

ডেস্ক: এখন থেকে পেঁপের দানাও আর ফেলবেন না। কারণ, পাকা পেঁপের মতো তার দানাও কিন্তু বহু গুণের অধিকারী। লিভার, কিডনি থেকে গর্ভনিরোধক– কী নয়! প্রতিদিন এক চামচ পেপে দানার গুঁড়াই যথেষ্ট। জেনে নিন এর গুণাগুণ

হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে:
হজমশক্তি বাড়াতে পেঁপের তুলনা নেই। পরিপাক নালিকে চনমনে রাখে। যার ফলে দ্রুত হজম হয়। পাকিস্থলির উপর কম চাপ পড়ে।

ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে:
পেঁপের মধ্যে ক্যানসার বিরোধী ধর্ম রয়েছে। ফলে ক্যানসারকে দূরে রাখতে নিয়মিত পেঁপে খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেঁপেতে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আইসোথিয়োসায়ানেট, যা স্তন, প্রস্টেট, ফুসফুস ও কোলন ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচায়।

লিভার পরিষ্কার করে:
পেঁপের মধ্যে যে ডিটক্সের গুণ রয়েছে, তা কমবেশি সবারই জানা। লিভারের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, বা না-ভুগলেও যাঁরা চান লিভার ভালো থাকুক, পাকা পেঁপে খেয়ে যান।

ফ্যাটি লিভারে পাকা পেপের দানা খেতে হবে:
বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফ্যাটি লিভার বা লিভার সিরোসিসে যারা ভুগছেন, তাদের জন্য পাকা পেঁপের দানা খুব ভালো ওষুধ। প্রতিদিন এক চামচ করে পেঁপে দানার গুঁড়া খান। লিভারকে ডিটক্সিফাই করবে। এর পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ায় ও লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ভালো ফল পেতে সবচেয়ে আগে ড্রিংক করা বন্ধ করতে হবে।

ফিট রাখে কিডনি:
লিভারের মতো কিডনি থেকেও ক্ষতিকারক জিনিস বের করে দেয় পাকা পেঁপের দানা।

রক্তের চাপ কমায়:
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পাকা পেঁপের পাশাপাশি পেঁপের দানাও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পেঁপেতে থাকা কারপেইন নামে বিশেষ এক যৌগ উচ্চ রক্তচাপও কমায়। ফলে যারা হাইপ্রেসারে ভুগছেন, বেশি করে পেঁপে খান।

গাঁটের যন্ত্রণা, হাঁপানি, আর্থরাইটিস:
এসব অসুখেও পেঁপে খুব উপকারী। বিশেষত, পেঁপে গাছের ডাল। এর মধ্যে থাকা বিশেষ উৎসেচকের উপস্থিতি আর্থরাইটিস, গাঁটের যন্ত্রণার পাশাপাশি হাঁপানিতে ভালো কাজ দেয়।

প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধকও:
প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক হিসেবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে পাকা পেঁপের দানার ব্যবহার বহুল প্রচলিত। গর্ভবতী হতে চাইলে, সেসেময় পেঁপের দানা খাওয়া যাবে না। আবার পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। ফলে, কোন পুরুষেরই যৌবনকালে খুব বেশি একটানা পেঁপে দানা খাওয়া অনুচিত।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter