স্বাস্থ্য চিকিৎসা

সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি শুরু হয়েছে হার্টের রিং

ডেক্স : ২৩ এপ্রিল : অবশেষে সরকার নির্ধারিত মূল্যে রোগীদের হার্টের রিং দেওয়া শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যে হার্টের রিং পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হার্টের রিং নিয়ে নৈরাজ্যের অবসান হলো। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কাউকে রিং বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। আজ রোববার থেকে যেসব সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মোড়কে রিংয়ের নিবন্ধন, মূল্য, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ না থাকবে, তাদের রিং বিক্রি করা যাবে না। জনস্বার্থে নৈরাজ্য বন্ধে সবকিছু করা হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শরীয়তপুরের একরামুল হক বলেন, গত সপ্তাহে এনজিওগ্রাম করানোর পর তার হার্টের ব্লক ধরা পড়ে। দুটি রিং পরানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। ওই রিংয়ের মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল। এত টাকা না থাকায় তিনি রিং নিতে পারেননি। কিন্তু আজ (শনিবার) সেই রিং প্রায় অর্ধেক মূল্যে পেয়েছি। এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে সরকারকে তিনি ধন্যবাদ জানান। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অন্তত ২০ জন সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হার্টের রিংয়ের মূল্যের বিষয়টি নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য সরকারের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন।

হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ১৭ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে হার্টের রিংয়ের সর্বোচ্চ খূচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ওই মূল্য তালিকা ইতিমধ্যে সব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, রিংয়ের ৪১ আইটেমের মূল্য তালিকা নির্ধারণ করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই তালিকা হাসপাতালের দৃশ্যমান জায়গায় সাঁটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রিংয়ের মূল্যের বিষয়ে পরিচালক বলেন, হার্টের রিং আমদানি করতে কোনো শুল্ক দিতে হয় না। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ১ টাকার কোনো পণ্য কিনলে তা ১ দশমিক ৫ গুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করতে পারবে। এভাবেই ৪১ আইটেমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রিং আমদানিকারকদের সংগঠন মেডিকেল ডিভাইসেস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে তারা সব হাসপাতালে রিং সরবরাহ করেছেন। তবে তিনি মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তা না হলে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়বেন। আজ রোববার সংশ্লিষ্ট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে তারা এ বিষয়টি তুলে ধরবেন বলে জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একটি ওষুধে ওজন কমবে ১০ কেজি!

ডেস্ক,২২ এপ্রিল: স্বাস্থ্য বিষয়ে সবাই এখন সচেতন। ওজন বৃদ্ধি মোটেও ভালো লক্ষণ নয় তাও জানি।

ওজন বাড়তে থাকলে শরীর ভেতর থেকে ভাঙতে শুরু করে। আর চর্বি ডেকে আনে নানা রোগ। তাই নিজের ওজনের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন।

শুধু তাই নয়, এটা শরীরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর টক্সিনকে বের করে দিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই আয়ুর্বেদিক ওষুধে লেবুর প্রয়োজন পড়ে, যা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এ উপাদানটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়।

অন্যদিকে ওষুধটিতে উপস্থিত মরিচ শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপ কমে। সেই সঙ্গে লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

নিম্নে ওষুধ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী দেয়া হল;

উপকরণ: লেবু ১টা, মধু ১ চা চামুচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চিমটি, মরিচ গুঁড়া এক চিমটি ও পানি ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালী: একটা লেবুকে দুই টুকরো করে রসটা বের করে নিন। এবার লেবুর রসে নির্দেশনা অনুযায়ী উপরের উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এ মিশ্রণে এক কাপ গরম পানি মেশালেই তৈরি হয়ে যাবে ওষুধটি। এরপর ওষুধটি সাধারণ তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ রেখে খেতে পারেন।

তবে ওষুধটি নিয়ম মেনে খেতে হবে। সকালে এ ওষুধটি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন শরীরচর্চার পাশপাশি নিয়ম মেনে এই ওষুধটি খেলে তবেই চাহিদা অনুযার্য়ী আপনার ওজন কমবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনার বয়স ৩০+ হলে যা করবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের শরীরের ৯৯ শতাংশ ক্যালসিয়াম সংরক্ষিত হয় হাড় ও দাঁতে। বাকি ১ শতাংশ পাওয়া যায় রক্ত, পেশী এবং কোষীয় তরলে। ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয় পেশীর সংকোচনের মাধ্যমে অঙ্গের চলনে, হৃদপিন্ডের সংকোচনে, রক্ত জমাট বাঁধায়, হরমোনের নিঃসরণে এবং এনজাইম তৈরিতে। এবং স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে বার্তা পাঠাতেও কাজ করে ক্যালসিমায়। মোদ্দা কথা সুস্থ থাকতে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে মুশকিল।

বেশির ভাগ মানুষ শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে দুধ পান করেন। আবার অনেককে বিভিন্ন ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের সাহায্য নিতে হয়। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা দুধ এবং ক্যালসিমায় সাপ্লিমেন্ট দুই-ই পছন্দ করেন না। তাঁরা কিছু খাবার খেয়েই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটিয়ে ফেলতে পারেন। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ এমন কিছু খাবারের কথা জানুন।

১। তিল বীজ: তিলের বীজে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেলও থাকে। ১০০ গ্রাম কাঁচা তিল বীজে এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।

২। কমলালেবু: এই ফলেও ভিটামিন সি থাকে, যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।

৩। বাদাম: কাঠ বাদামে উচ্চমাত্র্রায় ক্যালসিয়াম থাকে। ১০০ গ্রাম কাঁচা অথবা নাট বাটারে ব্যবহৃত চূর্ণ করা কাঠ বাদামে ২৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।

৪। ভেন্ডি: এক কাপ ভেন্ডিতে প্রায় ১৭২ মিলিগ্রাম ক্যাসিয়াম থাকে। যা আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

৫। ব্রোকলি: ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই সব্জিও শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডায়াবেটিকসকে নির্মূল করতে যা করবেন

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার  এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ; তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।
আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন
ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রতিদিন থানকুনি পাতার রস খেলে যে যে উপকার পাবেন

থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি কাল থেকেই চলে আসছে। এটি দেখতে ছোট্ট ও গোলাকৃতি। পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সবগুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। থানকুনি আমাদের দেশে খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম ‘Centella Aciatica’। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। চিকিৎসায় থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।

ভেষজের দুনিয়াতে থানকুনির স্থান রয়েছে অনেক উপরে। কারণ এর রয়েছে নানান গুণ। থানকুনি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই জন্মে। মাটির উপর লতার মতো বেয়ে ওঠে। পাতা গোলাকার ও খাঁজকাটা। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই থানকুনি গাছ বেশি জন্মে। তাই পুকুরপাড় বা জলাশয়ের পাশে থানকুনির দেখা মেলে বেশি।

থানকুনির ভেষজ গুণাবলি ছাড়াও অনেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি রোপণ করে, তাছাড়া থানকুনি দিয়ে অনেক সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার তৈরি করা যায়। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে। আমাদের দেশের অনেকে থানকুনি পাতার ভর্তা ও খায়।

আসুন জেনে নেই থানকুনি পাতার গুণাবলি:

১। লাবণ্যতা : যদি মুখ মলিন হয়, লাবণ্যতা কমে যায় তবে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।

২। দূষিত ক্ষত : মূলসহ সমগ্র গাছ নিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে। জ্বর ও আমাশয় : আমাশয়ের সঙ্গে জ্বর হলে থানকুনি পাতার রস গরম করে ছেঁকে খাওয়াতে হবে।

৩। মুখে ঘা : থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে।

৪। আঘাত : কোথাও থেঁতলে গেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাবেন।

৫। সাধারণ ক্ষত : থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে তা ক্ষত স্থানে লাগাতে হবে।

৬। নাক বন্ধ : ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে, সর্দি হলে থানকুনির শিকড় ও ডাঁটার মিহি গুঁড়ার নস্যি নিলে উপকার পাওয়া যায়।

৭। বাক স্টম্ফুরণ : বাচ্চার দেরিতে কথা বললে অথবা পরিষ্কার কথা না বললে এক চামচ থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠাণ্ডা হলে ২০-২৫ ফোঁটা মধু, ঠাণ্ডা দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে।

৮। স্মরণশক্তি : মনে না থাকলে আধা কাপ দুধ, ২-৩ তোলা থানকুনি পাতার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে হবে।

৯। চুল পড়া : অপুষ্টির অভাবে, ভিটামিনের অভাবে চুল পড়লে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।

১০। পেটের দোষ : মলের সঙ্গে শ্লেষ্ণা গেলে, মল পরিষ্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে, কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমাণ গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে উপকার পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যে পাতার রসে কিডনির পাথর গলে যাবে

 ডেস্ক: তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারী গুণ রয়েছে।

তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়।আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো: 

তুলসী পানি : 

উপকরণ : দুই কাপ পানি ও কয়েকটি পাতা।

প্রস্তুত প্রণালী : একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিন।এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসিপাতা সিদ্ধ করুন।ফুটে উঠলে নামিয়ে পান করতে পারেন।এই মিশ্রণটি গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি কমিয়ে আপনাকে আরাম দেবে।

তুলসী-চা:  

উপকরণ : ১০-১৫টি তুলসীপাতা, গুড়, পানি ও লেবুর রস।

প্রস্তুত প্রণালী : প্রথমে গুড় ও তুলসীপাতা বেটে নিন।এর মধ্যে দেড় কাপ পানি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলায় বসান।মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন।এই চা পান করলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

ভেষজ তুলসী-চা:

উপকরণ : এক টুকরো আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসীপাতা, দারুচিনি, এলাচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : পরিমাণমতো পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে জ্বাল দিন।১০ মিনিট পর নামিয়ে ছেকে পান করতে পারেন।

এই ভেষজ তুলসী-চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে।
হার্বাল জুস:

উপকরণ : আজওয়াইন, তুলসীপাতা, জিরা, আমচুর গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালী : চার কাপ পানিতে উপরের উপকরণগুলো মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর পান করুন। এই জুস প্রতিদিন পান করলে হজমশক্তি বাড়বে এবং পানিশূন্যতা থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কী কী উপকার হতে পারে এই কিশমিশে? জেনে নিন:

ডেস্ক ॥ আমাদের মধ্যে ধারণা রয়েছে কিশমিশ খেলে নাকি দাঁতের ক্ষতি হয়। এটি মোটেও ঠিক নয়, এই ধারণা একেবারে ভুল। কিশমিশ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে!

প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনি নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা হতে মুক্তি পেতে পারেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিশমিশ খাওয়া চলবে না।

১. অনেকেই ভেবে থাকেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে সেই ধারণা একেবারে মিথ্যা। কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যেটি মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের জুড়ি নেই। কারণ কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত হতে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে থাকে।

৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় কিশমিশ। এতে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। বোরন হলো মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ হতে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া যায়।

৪. চোখের সুরক্ষা করতে হলে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তাছাড়া বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে এই কিশমিশ। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

৫. কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে থাকে।

৬. রক্তস্বল্পতার সমস্যা একটি বড় সমস্যা। আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রণের অভাবে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম পরিমাণ আয়রণ যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রণের ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

৭. অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে কিশমিশের জুড়ি নেই। কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীতে যে অতিরিক্ত অ্যাসিড হয় বা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে কিশমিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স কী?

অ্যান্টিবায়োটিক যত্রতত্র ব্যবহারের কারণে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৬১৮তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. আবু সাঈদ মো. মোসাদ্দেক। বর্তমানে তিনি উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স বলতে আমরা কী বুঝি?

উত্তর : অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স একটি সহজ জিনিস। যখন আমরা কোনো রোগ সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দিই, তখন ব্যাকটেরিয়া নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলে। পরিবর্তন করার কারণে সেই অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যায়। ব্যাকটেরিয়াটা অনেক দিন বেঁচে থাকে এবং নতুন নতুন রোগ সংক্রমণ করে থাকে, যা চিকিৎসা করা সত্যিই অনেক কঠিন হয়ে যায়। একে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স বলে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির একটি মেয়েকে তার ক’জন পুরুষ সহপাঠী জিজ্ঞাসা করে – ‘বল তো স্যানিটারি ন্যাপকিন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মধ্যে মিল কোথায়?’ মেয়েটা মাথা নাড়ে৷ ‘এটাও জানিস না? উত্তর হলো – গিভ মি ব্লাড, আই উইল গিভ ইউ ফ্রিডম৷’

সে’দিনই মেয়েটা বুঝতে পারে, মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে ছেলেরা কতটা কৌতূহলী৷ আর কৌতূহলই কারণেই হয়ত তারা মেয়েদের নিয়ে মজা করে, টিটকিরি দেয়৷ অথচ একটু খুলে বললেই তো ছেলেরা বুঝতে পারতো, জানতে পারতো এ সময় মেয়েদের ঠিক কী হয়, কেন হয়…৷

সহজ করে বললে, ‘মুন ক্যালেন্ডার’ বা চন্দ্রমাস অনুয়ায়ী, মেয়েদের জরায়ু যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের যোনিপথ দিয়ে যে রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে৷ এখনও বুঝতে পারলেন না?

মাসিক ব্যাপারটা নোংরা অথবা ঋতুস্রাবের সময় মেয়েরা দুর্বল হয়ে পড়ে, এমন ধারণাও আর থাকবে না আপনার৷ কখনোই মনে হবে না যে, ঋতুস্রাবের মধ্যে কোনো ‘অপবিত্রতা’ লুকিয়ে আছে৷ এটা ভুললে তো চোলবে না যে, এই ঋতুচক্রের ফলেই কিন্তু আপনি এই পৃথিবীতে এসেছেন৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কি কারনে নারীর তলপেটে ব্যাথা হয় জেনে নিন

ঋতুস্রাবের সময় নারীদের তলপেটে হালকা ব্যথা হতে পারে। এটা স্বাভাবিক। হটবাথ বা গরম ছ্যাক দিলে এটা কমে যায়। তবে এই ব্যথা যদি সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায় বা যখন তখন ব্যথা শুরু হয়, তাহলে বুঝবেন এটা খারাপ ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটা হতে পারে জীবানু সংক্রমন যাকে পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ বলা হয়।

সাধারণত ১৪-২৫ বছর বয়সের নারী পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। অপরিচ্ছন্ন ও অসচেতন নারীদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। নাইসেরিয়া, গনোকক্কাস, স্ট্রেকটোকক্কাস, ব্যাকটেরয়েড, বিশেষ করে কামাইডিয়া দ্বারা জরায়ু, ডিম্বাশয়, ডিম্বনালীসহ আশপাশের অন্যান্য অঙ্গ আক্রান্ত হয়ে এ প্রদাহের সৃষ্টি হয়।

প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে অশিক্ষিত ও অসচেতন নারীরা বিষয়টিকে স্বাভাবিক মনে করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন না। অনেকে লজ্জ্বায় বিষয়টা এড়িয়ে যান। ফলে রোগ জটিল হতে থাকে। এক পর্যায়ে তা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। অথবা, সন্তান ধারণে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্ব।

এই প্রদাহ দুই রকম হতে পারে। প্রথমত জননাঙ্গের নিচের দিকের প্রদাহ, দ্বিতীয়ত জননাঙ্গের ওপরের দিকের প্রদাহ। এ রোগ হলে তলপেটে তীব্র ব্যথা হয়। এ ব্যথা কোমর ও বাহুতে বিস্তার করে। পেটে ভারী অনুভব করা, সহবাসে এবং জরায়ুমুখ স্পর্শ করলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা। যোনিপথে দুর্গন্ধযুক্ত সাদাস্রাব বা পুঁজ নির্গত ও জ্বালা-যন্ত্রণা হয়। এছাড়া শরীরে জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, খেতে অরুচি ও স্বাস্থ্য ক্ষীণ হয়ে যেতে পারে।

স্বামীর যদি যৌনরোগ থাকে তা থেকেও নারী এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। একাধিক যৌন সঙ্গীর কারণেও এ রোগ হতে পারে। গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণের কারণেও পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) হতে পারে। জননাঙ্গে যক্ষ্মা জীবাণুর সংক্রমণেও পিআইডি হতে পারে। এছাড়া অল্প বয়সে যৌন জীবন শুরু, মাসিকের সময় সহবাস, অস্বাস্থ্যকর ও অদক্ষ হাতে গর্ভপাত ও ডেলিভারি করানোর কারণে হতে পারে পিআইডি।

এ রোগ দেখা দিলে একেবারেই সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দিলে পেলভিক ইনফামেটরি ডিজিজ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। তবে অবস্থা জটিল হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাকা পেঁপের প্রতিটা দানায় সর্বরোগ মুক্তির ‍উপায়

ডেস্ক: এখন থেকে পেঁপের দানাও আর ফেলবেন না। কারণ, পাকা পেঁপের মতো তার দানাও কিন্তু বহু গুণের অধিকারী। লিভার, কিডনি থেকে গর্ভনিরোধক– কী নয়! প্রতিদিন এক চামচ পেপে দানার গুঁড়াই যথেষ্ট। জেনে নিন এর গুণাগুণ

হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে:
হজমশক্তি বাড়াতে পেঁপের তুলনা নেই। পরিপাক নালিকে চনমনে রাখে। যার ফলে দ্রুত হজম হয়। পাকিস্থলির উপর কম চাপ পড়ে।

ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে:
পেঁপের মধ্যে ক্যানসার বিরোধী ধর্ম রয়েছে। ফলে ক্যানসারকে দূরে রাখতে নিয়মিত পেঁপে খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেঁপেতে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট আইসোথিয়োসায়ানেট, যা স্তন, প্রস্টেট, ফুসফুস ও কোলন ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচায়।

লিভার পরিষ্কার করে:
পেঁপের মধ্যে যে ডিটক্সের গুণ রয়েছে, তা কমবেশি সবারই জানা। লিভারের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, বা না-ভুগলেও যাঁরা চান লিভার ভালো থাকুক, পাকা পেঁপে খেয়ে যান।

ফ্যাটি লিভারে পাকা পেপের দানা খেতে হবে:
বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফ্যাটি লিভার বা লিভার সিরোসিসে যারা ভুগছেন, তাদের জন্য পাকা পেঁপের দানা খুব ভালো ওষুধ। প্রতিদিন এক চামচ করে পেঁপে দানার গুঁড়া খান। লিভারকে ডিটক্সিফাই করবে। এর পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ায় ও লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ভালো ফল পেতে সবচেয়ে আগে ড্রিংক করা বন্ধ করতে হবে।

ফিট রাখে কিডনি:
লিভারের মতো কিডনি থেকেও ক্ষতিকারক জিনিস বের করে দেয় পাকা পেঁপের দানা।

রক্তের চাপ কমায়:
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পাকা পেঁপের পাশাপাশি পেঁপের দানাও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পেঁপেতে থাকা কারপেইন নামে বিশেষ এক যৌগ উচ্চ রক্তচাপও কমায়। ফলে যারা হাইপ্রেসারে ভুগছেন, বেশি করে পেঁপে খান।

গাঁটের যন্ত্রণা, হাঁপানি, আর্থরাইটিস:
এসব অসুখেও পেঁপে খুব উপকারী। বিশেষত, পেঁপে গাছের ডাল। এর মধ্যে থাকা বিশেষ উৎসেচকের উপস্থিতি আর্থরাইটিস, গাঁটের যন্ত্রণার পাশাপাশি হাঁপানিতে ভালো কাজ দেয়।

প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধকও:
প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক হিসেবে ভারতীয় সংস্কৃতিতে পাকা পেঁপের দানার ব্যবহার বহুল প্রচলিত। গর্ভবতী হতে চাইলে, সেসেময় পেঁপের দানা খাওয়া যাবে না। আবার পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। ফলে, কোন পুরুষেরই যৌবনকালে খুব বেশি একটানা পেঁপে দানা খাওয়া অনুচিত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রক্তের চর্বি কমানোর ছয় নিয়ম

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বয়স ৩০ বছরের বেশি হলে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর একবার রক্তের চর্বির মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।চর্বির মাত্রা বেশি হলে তা হৃদ্রোগ ও পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

জীবনাচরণ পরিবর্তন করে ও প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করে রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।এবার জেনে নিন কীভাবে রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।

হাঁটুন এবং হাঁটুন: কায়িক শ্রম ও ব্যায়াম ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমায়, আর উপকারী চর্বি এইচডিএলের মাত্রা বাড়ায়।নৈশভোজের পর কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটুন।যাঁরা অফিসে সারা দিন বসে কাজ করেন, তাঁরা প্রতি ঘণ্টায় একবার পাঁচ মিনিট হাঁটা বা চলাফেরা করুন।

লাল মাংস ও চর্বি বাদ: সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, যেমন: ঘি, মাখনের তৈরি খাবার, গরু ও খাসির লাল মাংস বাদ দিন।আমিষের উৎস হিসেবে মাছ বেছে নিন।

আঁশযুক্ত খাবার চাই: প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ৩৫ গ্রাম আঁশ খাওয়া উচিত।এই আঁশ পাবেন তাজা খোসাসহ ফলমূল, সবজি, গোটা শস্যের তৈরি খাবারে।এই আঁশ রক্তের চর্বি কমাবে।

বেশি বেশি মাছ: মাছ ও মাছের তেল কোলেস্টেরল কমায়।এতে থাকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার মাছ খাওয়া উচিত।

ধূমপানকে না: ধূমপান চিরতরে ছেড়ে দিন।নিকোটিন রক্তনালির আরও ক্ষতি করে ও উপকারী চর্বি কমায়।

শর্করা রাখুন নিয়ন্ত্রণে: অনিয়ন্ত্রিত শর্করা রক্তে ও যকৃতে চর্বি হিসেবে জমা হতে থাকে।তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঁচ লক্ষণে বুঝবেন আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ক্যানসার নিঃসন্দেহে মরণব্যাধি। কিন্তু সঠিক সময়ে ক্যানসারকে যদি চিহ্নিত করা যায় এবং যথাযথ চিকিৎসার সুফল যদি মেলে তাহলে ক্যানসারকেও পরাজিত করা সম্ভব।এর জন্য দরকার ক্যানসারের উপসর্গ সম্পর্কে সচেতনতা। ‘জার্নাল অফ ক্যানসারে’ প্রকাশিত গবেষণাপত্রে ডাক্তার রেণু ওয়াধা ও নূপুর নিগম জানিয়েছেন কোন কোন শারীরিক পরিবর্তন ক্যানসারের পূর্বাভাস দেয়।

১. শরীরের কোনো অংশ যদি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং চুলকানি দেখা দেয় : কোনো অংশে ক্যানসার দেখা দিলে সাধারণত শরীরের স্বাভাবিক প্রতিষেধক ক্ষমতার প্রতিক্রিয়ায় ওই অংশে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। স্বভাবতই ওই অংশ লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে এবং সেখানে চুলকানিও দেখা দিতে পারে।

২. যদি চামড়ার নীচে কোনো মাংসের দলা দেখা দেয় : এটা বোঝা যায় খুব সহজেই। হাত দিয়ে স্পর্শ করে যদি শরীরের কোনো অংশে শক্ত মাংসের দলা অনুভব করেন তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের দ্বারস্থ হন। স্তন, অণ্ডকোষ, গলা, তলপেট কিংবা বগলের মতো জায়গাগুলোতে বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন।

৩. যদি শরীরের কোনো অংশের কোনো ঘা বা ক্ষত সারতে না চায় : দীর্ঘদিন ধরে যদি কোনো ঘা বা ক্ষত না সারে, তাহলে ডাক্তারের কাছে অবশ্যই যেতে হবে।

৪. ব্যাখ্যাহীন রক্তপাত: শরীরের কোনো অংশ থেকে (যেমন যোনি কিংবা স্তনবৃন্ত) যদি আকস্মিকভাবে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই রক্তপাত শুরু হয়ে যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. এক টানা কাশি: যদি টানা দুই সপ্তাহের উপর কাশি থাকে, তবে তা গলা, ফ‌ুসফুস, খাদ্যনালী এমনকী পাকস্থলীর ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রক্তের সুগার কমাতে সাহায্য করে ডিম আর ভিনেগার!

বর্তমানে ডায়াবেটিস বেশ মহামারি আকার ধারণ করেছে। কায়িক শ্রম না করা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে না চলা ইত্যাদি রক্তের সুগার বাড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম কিছু কারণ। ডায়াবেটিস হলে তো চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অবশ্যই জীবনযাপন করবেন, তবে একটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যেটি রক্তের সুগারকে কমাতে কাজ করবে। আর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এটি বাতলে দিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম।

ডিম তো আমরা প্রায় সবাই খাই। এই ডিম খাওয়ার একটি ভিন্ন পদ্ধতি রক্তের সুগার কমাতে কাজে দেবে। আসুন জানি পদ্ধতিটি কী।

বিকেল বেলা একটি ডিম সেদ্ধ করুন। খোসা ছাড়িয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে ডিমের গায়ে কিছু ছিদ্র করুন। এরপর একটি পাত্রে ডিম নিন এবং এতে ভিনেগার মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে উষ্ণ পানির সঙ্গে এই ডিমটি খান। প্রতিদিন এটি করুন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন এভাবে ডিম খেলে রক্তের সুগার কমবে।

তবে যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, শরীরের অবস্থা বুঝে খাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিভ দেখে রোগ ধরতে কি করবেন!

ডেস্ক: শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ জিভ। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। প্রতি সকালে দাঁত মাজার সময়ই জিভ ভাল করে পরিষ্কার উচিত।

শরীর খারাপ হলে চিকিৎসকরা আগে রোগীর জিভটা দেখেন। তার রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানেন। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল। আপনারাও বাড়িতে বসেই শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজেদের জিভ দেখেই।

জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ :জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।

মোটা সাদা আস্তরণ :এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।

হলুদ আস্তরণ :মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।

উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া: এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে।

এ বার দেখে নিন জিভের রং কী রকম হলে শরীরে কোথায় সমস্যা দেখা যায়।

ফ্যাকাশে : জিভের রং যদি ফ্যাকাশে হয়ে যায় বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তার সঙ্গে ইনসমনিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে।

উজ্জ্বল লাল রং : এ রকম রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।

জিভের পাশে লাল রং : খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সংস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।

নীল রং : শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকৎসকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।

কালো রং: সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাৎ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।

হলুদ রং : জিভের রং সাধারণ এমন হয় না। যখন হবে, তখন বুঝবেন লিভারে বড় সমস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গেছে। দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

পার্পল রং : দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিভের রং পার্পল হতে শুরু করে। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free