স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্বাস্থ্যবান পুরুষ হতে পরিবর্তন নিয়ে আসুন প্রতিদিনের খাবারে!

ঢাকা : সাধারণভাবে মনে করা হয় মেদহীন হালকা-পাতলা গড়নের নারী-পুরুষদের সবাই পছন্দ করেন। এরা যা ইচ্ছে তা-ই খেতে পারেন, যা ইচ্ছা তা-ই পরতে পারেন! কিন্তু এরা কি নিজেদের শরীর নিয়ে সন্তুষ্ট? এরা কি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী? বাস্তব হল এমন মানুষদের অনেকেই নিজেদের হালকা-পাতলা শরীরটা নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকেন।

আবার কেউ কেউ তো দিনমান ‘রোগা-পটকা’, ‘তালপাতার সেপাই’ ইত্যাদি শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ। যে যা-ই বলুক, শরীরটা ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা বোঝার একটা ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাতের হিসাব। সে অনুযায়ী ওজন কম হলে বিষয়টা ভাবা প্রয়োজন।

কেননা অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক তেমনি অতিরিক্ত ওজনহীনতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে। হালকা-পাতলা শরীরটায় বাসা বেঁধে থাকতে পারে রক্তশূন্যতা, ঝামেলা থাকতে পারে পরিপাকের। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি ও হাড়ের দুর্বলতাও চিন্তার বিষয়। ফলে ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে এই ছয় পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

পুষ্টিকর খাবার
ওজন বাড়াতে হলে খেতে হবে। যা খুশি তা-ই খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের যথাযথ সমন্বয় থাকতে হবে খাবারে। মাংসপেশি গঠন আর ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ। নানা ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।

পানির পরিমাণ
ওজন বাড়াতে হলে আগে খিদে বাড়াতে হবে। খিদে বাড়ানোর জন্য হজমে সহায়ক পানি পান করুন। সারা দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করুন। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি পান করবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি পান করবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

হাবিজাবি কম খান
সকাল-দুপর-রাতের ভারী খাবারের মাঝে বারবার এটা-সেটা খাবেন না। কেউ কেউ বলেন দিনে তিন থেকে পাঁচ বেলা ভারী খাবার খাওয়াটাই ভালো। বেছে বেছে পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরাতে হবে। হালকা-পাতলা শরীরে বারবার হাবিজাবি ভাজাপোড়া বা ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

শর্করায় সতর্কতা
আপনার হালকা-পাতলা শরীর দেখে কাছের মানুষেরা হয়তো কেক-পেস্ট্রিসহ নানা অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের বিষয়ে সাবধান। ভিসেরাল ফ্যাট বা স্কিনি ফ্যাটের খপ্পরে পড়ে যেতে পারেন আপনি। এটা এমন চর্বিযুক্ত উপাদান যা হঠাৎ মেদ বাড়িয়ে না দিলেও দেহের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শর্করা খেতে হবে বেছে বেছে।

শরীরচর্চা শুরু করুন
সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যত হালকা-পাতলাই হন না কেন ব্যায়ামে আপনিও দারুণ উপকৃত হবেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমিয়ে পড়া আর সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার মতো অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শরীরচর্চাটাও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে সাধারণ ক্ষুধা মন্দা কাটিয়ে উঠে আপনি খেতে পারবেন। নিয়মিত শরীরচর্চায় আপনার পেশি সুগঠিত হবে এবং শারীরিক শক্তি বাড়বে। যোগব্যায়ামের অনেক আসন চর্চা করেও আপনি উপকৃত হতে পারেন।

ধূমপান ছেড়ে দিন
যত বেশি ধূমপান করবেন আপনার খিদে না লাগার সমস্যা তত বাড়তেই থাকবে। অবশ্য জগতে অতিরিক্ত ওজনের মোটাসোটা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন এবং হাড় জিরজিরে রোগা-পটকা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন। কিন্তু কথাটা হলো ধূমপান কারও স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না। আর ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর সবারই প্রথম যে উপকার হয় তা হলো খিদে বাড়তে থাকা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুর কৃমি?

ডা. সজল আশফাক: সারা পৃথিবীতেই শিশুদের বিভিন্ন ধরনের কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশেও অধিকাংশ শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে কেঁচো বা লম্বাকৃতি (এসকারিস লুমব্রিকয়েডস), বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্ম, সুতাকৃমি, ট্রাইচুরিস ট্রাইচুরা (টিটি), স্ট্রংগিলয়েড স্টারকোরালিস ও ডিম কোনোভাবে পেটে ঢুকলে তা থেকে পেটের মধ্যে কৃমি সৃষ্টি হয়।

বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্মের লার্ভা (ডিম থেকে বৃদ্ধি পাওয়া শিশু কৃমি) পায়ের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশ করে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে তার হুক আঁকশি দিয়ে রক্ত চোষে। এতে কিছুকাল পর রোগীর রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। সুতাকৃমি পায়খানার রাস্তায় এসে কিলবিল করে এবং ডিম ছাড়ে। চুলকানোর সময় এসব ডিম হাতের আঙুল ও নখে লেগে থাকে। এটি খাবার ও পানির সঙ্গে পেটে ঢুকে কৃমিতে রূপান্তরিত হয়। ফিতাকৃমি অল্প সেদ্ধ বা অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস বা শূকরের মাংস খেলে হতে পারে। এগুলোর দৈর্ঘ্য ৫ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এ জাতীয় কৃমি গরু, শূকর ইত্যাদি পশুর মাংসে বাসা বাঁধে।

ওপরে বর্ণিত কৃমিগুলোর মধ্যে লম্বাকৃতি বা এসকারির লুমব্রিকয়েডসের প্রাদুর্ভাব আমাদের দেশে বেশি। বাংলাদেশে একটি সমীক্ষায় গ্রামাঞ্চল ও শহরের শিশুদের মধ্যে যথাক্রমে ৯২ ভাগ ও ২৮ ভাগ ক্ষেত্রে এই কৃমি দেখা গেছে। পেটে কৃমি থাকলে :

  • রোগীর পেটব্যথা হয়
  • ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়
  • পেট ফাঁপা থাকে
  • শরীর অজীর্ণ হয়
  • বমি হতে পারে
  • এমনকি কৃমি ক্ষুদ্রান্ত্রকে বন্ধ করে দিয়ে প্রচণ্ড পেটব্যথার সৃষ্টি করতে পারে
  •  এ ছাড়া অন্ত্রনালিকে ছিদ্র করে দিতে পারে
  • কৃমি পিত্তনালিতে ঢুকে পিত্তনালির পথ বন্ধ করে দিয়ে জন্ডিসের সৃষ্টি করার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে।

চিকিৎসা

  • কৃমির চিকিৎসা দেওয়ার আগে কৃমি হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য পায়খানা পরীক্ষা করার দরকার রয়েছে। পায়খানা বা স্টুলের রুটিন পরীক্ষায় এটি ধরা পড়ে।
  • যেকোনো কৃমির ক্ষেত্রে যে ওষুধ সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেটি হচ্ছে মেবেনডাজল। এ ওষুধের উল্লেখযোগ্য বাজারজাত নাম হচ্ছে আরমক্স/মেবেন। বয়স্কদের বেলায় মেবেন/আরমক্স ট্যাবলেট ১০০ মিলিগ্রাম একটা করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে হবে। শিশুদের বেলায় আরমক্স/মেবেন সিরাপ চা চামচের এক চামচ করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে দেওয়া যেতে পারে।
  • এ ছাড়া কৃমির জন্য অন্য একটি ওষুধ এলবেনডাজল। বাজারে এটি আলবেনসহ অনেক নামে পাওয়া যায়। বয়স্ক ও শিশু উভয়ের বেলায় দুটি আলবেন রাতে শোয়ার সময় খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের বেলায় ২০০ মিলিগ্রামের একটি আলবেন ট্যাবলেট খাওয়ালেই চলবে। তবে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ জানেন?

হার্ট অ্যাটাক একটি গুরুতর সমস্যা। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। পাশাপাশি আরো কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় সে সময়। হার্ট অ্যাটাক কী এবং এর লক্ষণ কী, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৮৬৮তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. উম্মে সালমা খান। বর্তমানে তিনি এমএইচ শমরিতা হসপিটাল অ্যান্ড মেডিকেল কলেজে কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাক বলতে কী বুঝি?

উত্তর : পুরো শরীরেই যেমন রক্তনালি রয়েছে, হার্টেরও নিজস্ব একটি রক্তনালি রয়েছে। হার্টের বেঁচে থাকার জন্য তার কিছু পরিবহন দরকার। সেই জন্য হার্টের ওপরে কিছু রক্তনালি দেওয়া থাকে। সেই রক্তনালিতে প্রথমেই কোনো ব্লক বা পার্শিয়াল ব্লক হয়, সে ক্ষেত্রে রক্তনালি দিয়ে হার্টের পেশিতে সম্পূর্ণ রক্ত পরিবহন হয় না। এটা যখন ব্যাহত হয়,তখনই রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাকের সময় তাৎক্ষণিকভাবে কী কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়?

উত্তর : হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক কিছুই হতে পারে। অনেকভাবে হতে পারে, যেমন—রোগী বলতে পারে আমার বুকটা ভারী ভারী লাগে। অনেক সময় রোগী বলতে পারে, আমি একটু হাঁটলেই আমার খারাপ লাগে। অথবা সিঁড়ি দিয়ে আমি আগে তিনতলা পর্যন্ত উঠতে পারতাম, এখন হয়তো উঠতে পারছি না। একতলা উঠলেই আমার খারাপ লাগছে, বুকে খারাপ লাগছে অথবা প্যালপিটিশন অনেক বেশি হচ্ছে বা আমি অনেক দুর্বল বোধ করি। যেকোনো কাজ করলে আমি কাজটা শেষ করতে পারি না। এই যে পরিবর্তনগুলো, তার যে কর্মক্ষমতা আস্তে আস্তে একটু সংকুচিত হয়ে আসছে, সেগুলো দেখলেই অনেক সময় বোঝা যায়। হার্ট অ্যাটাকের এগুলো সবই পূর্ব লক্ষণ।

আর হার্ট অ্যাটাক যদি হয়ে যায়, ঠিক বুকের মাঝখানে, খুব চেপে ধরা তীব্র ব্যথা হবে। সেই ব্যথা অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন—চোয়ালে যেতে পারে বা হাতে যেতে পারে, পেছনের দুই কাঁধের মাঝখানে হতে পারে অথবা পেটেও হতে পারে। এর সঙ্গে রোগী ঘেমে যাবে, রোগীর বমি বমি লাগবে, রোগী বলবে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গলার কাঁটা বের করার কিছু পদ্ধতি

ডা: এস কে দাস: বাজারে ইলিশ মাছ ভরপুর ৷ আর আপনিও রোজ ভাতের পাতে ইলিশের রসনায় ডুব দিচ্ছেন৷ আর ঠিক এমন সময়ই গলায় আটকে গেল কাঁটা ! তারপর তা নিয়ে নানা অস্বস্তি৷ গলা থেকে কাঁটা বের করতে কত না হুজ্জতি৷ কলা খেলেন, শুকনো ভাত খেলেন ৷ কিন্তু লাভ কিছুই হল না ৷ বলি কি নিচে লেখা উপায় গুলো একবার ট্রাই করুন ৷ দেখবেন গলায় আটকানো মাছের কাঁটা দিব্যি দূর হবে!

গলায় আটকে যাওয়া কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোল্ডড্রিঙ্ক। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোল্ডড্রিঙ্ক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়।

গলায় আটকে যাওয়া মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এ জন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর জল দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না।

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে জল পান করুন। পারলে হালকা গরম জলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ নুন মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু নুন মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে যাবে।

গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।

জলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।

ডাঃ এস কে দাস
এমএসসি,ডিএইচএম এস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কীভাবে বুঝবেন আপনার রক্তচাপ বেড়েছে

ডা: এস কে দাস:
বহু মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বুঝতে না পারার জন্য রক্তচাপের পরিমান অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিত্‌সকের কাছে না গেলে তা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো জেনে রাখা খুব দরকার। যদিও উচ্চ রক্তচাপের তেমন কোনও লক্ষণ বোঝা যায় না। একে তাই সাইলেন্ট কিলার ও বলা হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মাপা হচ্ছে, ততক্ষণ বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না যে, তাঁর রক্তচাপবেড়েছে। তাও যে যে লক্ষণগুলি শরীরে অনুভব করলেই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া দরকার সেগুলো জেনে নিন-

১) মাথার যন্ত্রণা।

২) চোখে ঝাপসা দেখা।

৩) বমি এবং মাথা ঘোরা।

৪) বুকে ব্যথা এবং শ্বাস নিতে সমস্যা।

যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা ফ্রি হোমিও চিকিৎসা নিন এবং উচ্চ রক্তচাপ কমান। নিশ্চিত আপনি উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত হবেন।
ডাঃ এস কে দাস
এমএসসি,ডিএইচএম এস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোরিয়াসিস(psoriasis) রোগের চিকিৎসা সফলতা অর্জন

সোরিয়াসিস বা Psoriasis  ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ। জনসংখ্যার ২-৪% এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সী এ রোগে আক্তান্ত হতে পারেন। তবে তিরিশোর্ধ্ব  ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হন। তবে, এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়। কাজেই সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় না। কিভাবে হয় : সাধারণত আমাদের ত্বকের কোষসমূহ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর পর ঝরে যায় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। প্রক্রিয়াটি খুবই সমন্বিতভাবে হয়ে থাকে বিধায় স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় না। সোরিয়াসিস রোগে ত্বকের ইপিডারমিস এ অবস্থিত কোষসমূহ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের উপরে এক ধরনের প্লাক তৈরি করে। লক্ষণ অনুযায়ী এ রোগ কয়েক ধরনের হতে পারে।
লক্ষণ কি : আক্রান্ত অংশে রুপালি সাদা আঁশ দ্বারা আবৃত, উজ্জ্বল লালচে বর্ণের প্লাক বা ক্ষত দেখা যায়। সাধারণত মৃদু চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এ রোগের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ধরন অনুযায়ী তারতম্য হতে পারে।

কোন অংশ আক্রান্ত হয় : সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথা, হাত ও পায়ের নখ আক্রান্ত হয়। তবে ধরন ভেদে বিভিন্ন অংশ এমনকি পুরো শরীর আক্রান্ত হতে পারে।
কি কারণে হয় : আক্রান্তদের এক তৃতীয়াংশের মধ্যে বংশগত কারণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া বাকিদের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নির্ণয় করা যায় না। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে দ্রুত ছড়াতে পারে। যেমন কোনো ধরনের সংক্রমণ, ত্বকে আঘাতজনিত কারনে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, আবহাওয়াজনিত কারণ যেমন শীতে বেড়ে যেতে পারে আবার কিছু ওষুধ সেবনের কারণেও দ্রুত ছড়াতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে এ রোগের সম্পর্ক রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
জটিলতা : আক্রান্তদের মধ্যে ৩০-৩৫% আরথ্রাইটিস বা হাড়-জোড়ার প্রদাহে ভুগে থাকেন। শরীরের বেশির ভাগ অংশ এ রোগের কারণে প্রদাহ ছড়িয়ে পড়লে অনেক সময় মৃত্যুঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। আক্রান্তরা সামাজিকভাবে গুটিয়ে ফেলতে চান এবং বিষণ্নতায় ভোগেন।
চিকিৎসা : রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে, অল্প অংশ আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ক্রিম, লোশন, জেল ইত্যাদি রূপে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। অনেক বেশি অংশে ছড়িয়ে পড়লে মুখে খাবার ওষুধ, আল্ট্রা-ভায়োলেট-রে, পুভা থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মনে রাখবেন, ত্বকের অন্য রোগেও সোরিয়াসিসের মতো প্লাক দেখা দিতে পারে। এ রোগ কখনো পুরোপুরি ভালো হয় না বা জীবনহানির কারণও হয় না। তবে নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। করা যায় সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন।

এ সকল ক্ষেত্রে সঠিক হোমিও চিকিৎসা করালে রোগ নিরাময় হবার সম্ভাবনা ৯০%।
সেজুতি হোমিও হল এক্ষেত্রে একাধিক সোরিয়াসিস রোগির চিকিৎসা করে সফলতা অর্জন করেছে।

ডা: এস কে দাস
এম এসসি, ডিএইচএমএস
০১৮১১৮৯৮০৬১
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫ টাকার টিকিটে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : পাঁচ টাকা মূল্যের নির্ধারিত টিকিট কেটে গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালে পৌঁছান।

এ সময় তিনি অন্যান্যদের মতো কাউন্টারে দাঁড়িয়ে নাম নিবন্ধন করে টিকিট নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা।

জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় সাধারণ রোগীদের মতো ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালের পাঁচ টাকা মূল্যের নির্ধারিত টিকিট নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী নিজেই হাসপাতালের কাউন্টারে নাম নিবন্ধন করিয়ে চেকআপের ফি পরিশোধ করেন। পরে হাসপাতালে চোখ, কানসহ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি।

পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের কনসালটেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রাজধানীর অদূরে নির্মিত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করান প্রধানমন্ত্রী। এটি মানুষকে দেশেই স্বাস্থ্যসেবা নিতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান কেপিজের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মুক্তামনির আকুতি, আমি বাঁচতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার মুক্তামনি দোয়া চেয়েছে। সবার কাছে তার একটিই কথা, আমার জন্য দোয়া কইরেন। চিকিৎসকদের সে বলেছে, আমি বাঁচতে চাই।  শ‌নিবার সকালে তার বায়োপ‌সি করা হয়েছে। এর রিপোর্ট পাওয়া যাবে আগামীকাল সোমবার।

তবে বায়োপ‌সির পর ই‌তিমধ্যে মুক্তামনির আক্রান্ত স্থান দিয়ে বেশ কয়েকবার রক্তক্ষরণ হয়েছে। এরপর শনিবার দুপুর ও বিকালে তাকে তৃতীয়বারের মতো অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। মুক্তাম‌ণিকে শ‌নিবার সকাল থেকে বার্ন ইউ‌নিটের আই‌সিইউ- ৫ নম্বর বেডে রাখা হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় সেখানে কথা হয় তার সঙ্গে। সে বলে, আমার জন্য দোয়া কইরেন, অনেক ব্যথা; আর পার‌ছি না। শইল শিন শিন করতাছে।

এসময় তার পাশে মুক্তামনির মাসহ সং‌শ্লিষ্ট চি‌কিৎসকরা উপ‌স্থিত ছিলেন। জাতীয় বার্ন ইউ‌নিটের সম্বনয়ক চি‌কিৎসক সামন্ত লাল সেন, প‌রিচালক প্রফেসর আবুল কালাম, ঢামেক হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদসহ  চি‌কিৎসক বোর্ডের সদস্যরা সকালে মুক্তামনিকে দেখ‌তে সেখানে যান।

বোর্ড প্রধান প্রফেসর আবুল কালাম জানান, মুক্তামনিকে নি‌বিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সোমবার বায়োস‌পির রি‌পোর্ট পাওয়ার পর বর্তমান বোর্ডের পাশাপা‌শি আরেক‌টি বোর্ড গঠন করা হবে। তি‌নি বলেন, আমরা চেষ্টা চা‌লিয়ে যা‌চ্ছি, তার হাত‌টি রেখেই চি‌কিৎসা চা‌লিয়ে যা‌চ্ছি। প্রয়োজন হলে হাত‌টি কাটাও হতে পারে।

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ডাক্তার সামন্ত লাল সেন জানান, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সে এখনও আশংকামুক্ত না। তার অবস্থা খারাপ হলেও চি‌কিৎসক টিমের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, মুক্তামনি বার বার বলছে, তাকে যেন বাঁচানো হয়। তার বাঁচার অনেক আকু‌তি, সে বাঁচতে চায়।

এই চিকিৎসক বলেন, আমরাও দেশবাসীর কাছে মুক্তামনির জন্য দোয়া চাই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোলগেটের টুথপেস্টে অতিমাত্রায় ক্ষতিকর ট্রাইক্লোসন

ডেস্ক: ওরাল স্বাস্থ্য ব্রান্ড কোলগেটের টুথপেস্টে নিষিদ্ধি উপাদান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এই টুথপেস্ট ব্যবহারের কারণে মানুষের ক্যান্সারসহ আরো একাধিক রোগ দেখা দিতে পারে।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের একদল গবেষক কোলগেটের টুথপেস্ট পরীক্ষার পর বলেছেন, কোলগেটের টুথপেস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ উঠার পর নিউজিল্যান্ডে কোলগেটের টুথপেস্ট নিয়ে তদন্ত শুরু হচ্ছে।

কোলগেট টুথপেস্টে পাওয়া ক্ষতিকর এই রাসায়নিক উপাদান সাবান, ডিটারজেন্ট এবং খেলনা সামগ্রীতে ব্যবহার হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরেও ট্রাইক্লোসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নিষিদ্ধের তালিকায় ছিল।

পণ্য-সামগ্রীতে নিষিদ্ধ ট্রাইক্লোসনের ব্যবহার পুনঃমূল্যায়নের জন্য গত বছর নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের (ইপিএ) কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কোলগেট কর্তৃপক্ষ টুথপেস্টে এই নিষিদ্ধ উপাদান ব্যবহারের পর পর্যালোচনা জমা দেয়ার কথা থাকলেও তা এখনো করা হয়নি।

কথর্ন ইনস্টিটিউটের পরিবেশগত তাত্ত্বিকবিজ্ঞানী ড. লুইস ট্রেমব্লে বলেন, এটা স্পষ্ট যে, কোলগেট টুথপেস্টের মধ্যে ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতির অর্থ হচ্ছে; ভোক্তা পণ্য হিসেবে এটি বাজারজাত করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, কোলগেট টুথপেস্টের বেশকিছু সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও আছে। তবে এই টুথপেস্ট সবার জন্য নয়। যথাযথ সমস্যায় রাসায়নিক উপাদান উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এর ক্ষতিকারক ফলাফলও থাকতে পারে।

লুইস ট্রেমব্লে’র মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজ্যুমার নিউজিল্যান্ডের গবেষক জেসিকা উইলসন বলেন, এটা প্রত্যেকদিন ব্যবহারের ভালো কোনো কারণ না থাকলে ‘কোলগেট টোটাল’ পরিহার করা উচিত।

অভিযোগ উঠলেও কোলগেট কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ‘কোলগেট টোটাল’ ব্যবহারকারীরা প্রত্যেক দিন আমাদের টুথপেস্ট ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি আমাদের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিরাপদ ও কার্যকরী হিসাবে অনুমোদিত। এছাড়া কোলগেটের টুথপেস্ট বাজারজাত করতে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষেরও অনুমোদন রয়েছে।

অভিযোগ উঠার নিউজিল্যান্ডের অনেক পণ্য-সামগ্রী প্রস্তুতকারী কোম্পানি তাদের পণ্য থেকে ট্রাইক্লোসন সরিয়ে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নিষিদ্ধ এই ট্রাইক্লোসেনের কারণে ক্যানসার কোষ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। কোলগেটে ব্যবহৃত রাসায়নিক এই উপাদানের কারণে অপরিপক্ব শিশু জন্ম নিতে পারে। মাড়ির রোগ প্রতিরোধের জন্য টুথপেস্টে ট্রাইক্লোসেন ব্যবহার করার কথা বলা হলেও ক্যান্সারসহ শরীরের হাড়ের বৃদ্ধিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে ট্রাইক্লোসেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আলাদা হলো জোড়া শিশু

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজে অস্ত্রোপচারকৃত দুই শিশুকে আলাদা করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. কানিজ হাসিনা শিউলীর তত্ত্বাবধানে শিশুদ্বয়ের অপারেশন কার্যক্রম শুরু হয়।
বেলা পৌনে তিনটার দিকে ডা. শিউলী জানান, ‘এখনো অপারেশন চলছে। আমরা শিশু দুটিকে আলাদা করতে পেরেছি। শিশুদ্বয় আপাতত সুস্থ্য আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমরা আলাদা হওয়া দুই শিশুর শরীরে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করছি। এতে আরও ৩/৪ ঘন্টা সময় লেগে যাবে। এরপর আমরা বলতে পারবো অপারেশন সফল না বিফল হলো। তবে আমাদের বিশ্বাস আমরা সফল হবো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুর ডায়রিয়া হলে কী করবেন

ডাঃ দাসঃ ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত রোগ। তাই বর্ষা মওসুমে এর প্রাদুর্ভাবও বেশি। সব বয়সের মানুষের এটা হতে পারে। তবে শিশুদের জন্য এটি একটি বিশেষ গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে শিশুমৃত্যুর হার অনেক বেশি। ডায়রিয়া এবং এর পরিণতি হিসেবে সৃষ্ট অপুষ্টি ও অন্যান্য রোগ এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।

ডায়রিয়া হলে কী করবেন?
১। পানিস্বল্পতা যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তরল খাবার দিন। ডায়রিয়ার ফলে শরীর থেকে যতটুকু পানি ও লবণ বেরিয়ে যায় ঠিক এতটুকু পানি ও লবণ যদি সময়মতো পূরণ করা হয় তাহলে ডায়রিয়াজনিত পানিস্বল্পতার কারণে মৃত্যু ঘটে না।

• যেসব তরল খাওয়ানো যেতে পারে : (১) খাবার স্যালাইন, (২) লবণ-চিনি বা গুড়ের শরবত, (৩) ডাবের পানি কিংবা শুধু পানি, (৪) চিড়ার পানি, (৫) ভাতের মাড়, (৬) খাবার পানি।ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরল খাবার চালিয়ে যেতে হবে।

২। অপুষ্টি যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে প্রচুর খাবার দিতে হবে। বুকের দুধ চালিয়ে যেতে হবে এবং ঘন ঘন খাওয়াতে হবে। শিশু অন্য দুধে অভ্যস্ত হলে তাই খাওয়াতে হবে এবং কমপক্ষে প্রতি ৩ ঘণ্টা অন্তর খাওয়াতে হবে।

টাটকা খাবার : যে বয়সের জন্য যে খাবার স্বাভাবিক তাই খাওয়াতে হবে।

• উপযোগী খাবার : ভাত, ডাল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, গোশত অথবা এসবের খিচুড়ি। খাবারের সাথে এক বা দুই চা চামচ তেল দিতে হবে।

• টাটকা ফলের রস, কলা বা পেঁপে চটকিয়ে দিতে হবে। ৩-৪ ঘণ্টা পরপর দিনে অন্তত ছয়বার খেতে দিতে হবে। খুব ছোট শিশুদের আরো বেশি খেতে দিতে হবে। শিশু যতটা খেতে চায় ততটা খাওয়ার জন্য তাকে উৎসাহিত করতে হবে।

• খাবার নরম করে রান্না করতে হবে যাতে সহজে হজম হয়।

• ডায়রিয়া বন্ধ হওয়ার পর শিশুকে প্রথম দুই সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন একবার করে অতিরিক্ত খাবার দিতে হবে। যত দিন না শিশু তার আগের অবস্থা ফিরে পায়।

ডায়রিয়া দেখা দিলে শিশুকে লক্ষন অনুযায়ী ভাল হোমিও ঔষধ যেমন [Ars],Veratrum album, Cinchona officinalis,Sulphur.Aloes ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩। নিচের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা দিলে শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
(১) কয়েকবার পাতলা পায়খানা, (২) বারবার বমি, (৩) জ্বর, (৪) অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত (৫) খাদ্য বা পানীয় গ্রহণে অনীহা, (৬) পায়খানায় রক্ত, (৭) চোখ বসে গেলে, (৮) যদি তিন দিনের মধ্যেও অবস্থার উন্নতি না হয়।

Dr D.K.Das

M.Sc,DHMS(Dhaka)Homeo

01811898061

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অঙ্গ সংযোজন অনিয়মে জরিমানা বাড়ল, কমলো জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক: অঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রেখে মানবদেহে অঙ্গ-প্রতঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন- ২০১৭ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এর আগে এ আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল সাত বছরের কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সোমবারের বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ শামীম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, খসড়া আইনে অঙ্গ-প্রতঙ্গ বলতে কিডনি, হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, অগ্নাশয়, অস্থি, চক্ষু, অন্ত্র, যকৃত-কে বুঝাবে। এসব সংযোজন বা বিয়োজনের ক্ষেত্রে অনুমোদিত হাসপাতালগুলোতে বিশেষজ্ঞদের একটি মেডিকেল বোর্ড থাকবে এবং সরকারের অনুমতি নিতে হবে।

আশরাফ শামীম বলেন, কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। যাদের অনুমতি নেই তারা এ আইন কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে অনুমতির জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে পারবে বলেও জানান তিনি।

সংশোধিত আইনে নিকটাত্মীয়দের সংজ্ঞাও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নিকট আত্মীয়ের মধ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করা যাবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব বলেন, আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা-নানী, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনী এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোন।

তিনি বলেন, আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রীকে বুঝানো হয়েছিল। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তবে চোখ ও অস্থিমজ্জা সংযোজনের ক্ষেত্রে নিকট আত্মীয় হওয়ার আবশ্যকতা নেই বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি নিকট আত্মীয় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে অথবা উক্ত তথ্য প্রদানে উৎসাহীত, প্ররোচিত বা ভীতি প্রদর্শন করলে উহা হবে একটি অপরাধ এবং অপরাধী অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

নিকট আত্মীয় ছাড়া অন্য যে কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অথবা লঙ্ঘনে সহায়তা করলে উহা হবে একটি অপরাধ এবং এর জন্য অপরাধী অনধিক তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এ আইনের অধীনে কোনো অপরাধের জন্য কোনো চিকিৎসক দণ্ডিত হলে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে। হাসপাতল কর্তৃক এ আইনের কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত হাসপাতালের মালিক, পরিচালক, ব্যবস্থাপক- যে নামেই পরিচিত হোক না কেন তিনি অপরাধী বলে গণ্য হবেন। তবে তিনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং উহা রোধ করার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন না।

কোনো হাসপাতাল কর্তৃক এ আইনের কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত হাসপাতালের মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অনুমোতি বাতিল হবে এবং উক্ত হাসপাতালে মালিককে অর্থ ও কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

তিনি বলেন, আগের আইনে ঢালাওভাবে বলা ছিল, এ আইনের আলোকে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীর সর্বনিম্ন তিন বছর বা সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২০১১ সালে হাইকোর্টের একটি নির্দেশনার আলোকে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ১৯৯৯ নামে বর্তমান আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। মানব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনেরর ক্ষেত্রে অবৈধ ব্যবসা ও পাচার বন্ধে এ আইন সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চিকুনগুনিয়ার ব্যথা হলে যা করবেন

ডাঃ এস কে দাস: চিকুনগুনিয়া নামক ভাইরাস জ্বরের ব্যাপক প্রকোপ দেখা যাচ্ছে এবার। ভাইরাসজনিত এ জ্বরটি প্রাণঘাতী না হলেও এ রোগে আক্রান্তরা তীব্র থেকে তীব্রতর অস্থিসন্ধি বা জয়েন্ট ব্যথায় ভুগে থাকেন।

সাধারণত এ জ্বর দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে গেলেও সন্ধির ব্যথা মাসব্যাপী রোগীকে কষ্ট দিতে থাকে। তাই ব্যথার কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে কিছু পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে- Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এলার্জি চিরতরে বিদায় করার উপায়

ডেস্ক: এলার্জিতে ভুগে থাকেন অনেকেই। এলার্জির যন্ত্রণা ভুক্তভোগীরাই জানেন। এলার্জি দূর করতে নানারকম প্রচেষ্টা করেন অনেকেই। সুস্বাদু সব খাবার সামনে রেখেও খেতে পারেন না শুধু এলার্জির ভয়ে। যার কারণে ভুগতে হয় পুষ্টিহীনতায়। এটি দূর করা তবু যেন সম্ভব হয় না। তবে একটি উপায় মেনে চললে সহজেই আপনি এলার্জিকে দূর করতে পারবেন সারা জীবনের জন্য। চলুন জেনে নেই-

১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর গোশত, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গরুর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। আর সমস্যা হবে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রক্তের গ্রুপ জানাবে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা!

অনলাইন ডেস্ক,১০জুন:  সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে, রক্তের গ্রুপের ওপরই নির্ভর করে আপনার হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কতটুকু। নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টার গ্রোনিনজেনের একদল গবেষক জানিয়েছেন, যাদের রক্তের গ্রুপ ও, তাঁরা বাদে অন্য রক্তের গ্রুপ, যেমন এ, বি এবং এবি গ্রুপের রক্ত যাঁদের, তাঁদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

এ, বি এবং এবি রক্তের বিভাগ গুলিতে ১০ শতাংশ কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্ট এবং ১০ শতাংশ করোনারি ইভেন্টের সম্ভাবনা বেশি থাকে। গবেষণায় আরো জানানো হয়েছে, রক্ত তঞ্চনকারী প্রোটিন (ভন ইউলব্র্যান্ড ফ্যাক্টরের) ঘনত্ব বেশি থাকে এই গ্রুপ গুলোর রক্তে। সাধারণত এই প্রোটিনটি যুক্ত থাকে থ্রম্বটিক ইভেন্টের সাথে। যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

যাঁদের রক্তের গ্রুপ এ তাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। আর এই কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা।

গ্যালাকটিন ৩ এর মাত্রা ও গ্রুপের রক্ত ছাড়া অন্যসব গ্রুপের রক্তে এর পরিমাণ বেশি মাত্রায় থাকে। যা ইনফ্লামেশনের জন্য দায়ী। আর এই কারণেই এ, বি এবং এবি গ্রুপের রক্তে হার্ট অ্যাটাকের হার বেশি।

গবেষক কোলে তার ভাষায় বলেছেন, ও গ্রুপের রক্ত ছাড়া অন্যসব গ্রুপের রক্তের মানুষদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের পাশাপাশি করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেলিওর এবং কার্ডিওভাসকুলার মর্টালিটির হারও বেশি মাত্রায়। যা সাধারণত ও গ্রুপের রক্তের তুলনায় অনেক বেশি। সূত্রঃ মেডিকেল নিউজ টুডে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free