স্বাস্থ্য চিকিৎসা

মাত্র ৫ লাখ জরিমানা নয় অ্যাপোলোকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ ফেব্রুয়ারী :রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ও অননুমোদিত বিদেশি ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় মাত্র পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অ্যাপোলোর জন্য অর্থহীন উল্লেখ করে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে কঠোরতর আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর নজরদারি জোরদারের মাধ্যমে নিয়ম ভঙ্গকারী অতিমুনাফালোভী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়।

বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে যে সম্প্রতি র‌্যাব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর কর্তৃক যৌথভাবে পরিচালিত একটি অভিযানে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ও অননুমোদিত ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। যা এ ধরনের বেসরকারি মালিকানাধীন স্বাস্থ্যসেবার নামে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের সেবার মান যে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার প্রতি কতটা উদ্বেগজনক তার একটি মাত্র দৃষ্টান্ত। দেশের অন্যতম ব্যয়বহুল হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত অ্যাপোলো হাসপাতালে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করা হয় তাহলে দেশব্যাপী বিভিন্ন স্তর ও মানের হাসাপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে কী পরিমাণ অনিয়ম ও স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে তা সহজেই অনুমান করা যায়।’

অন্যদিকে অ্যাপোলো হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এ ধরনের অপরাধ দমনে কোনো ভূমিকাই রাখবে না বলে উল্লেখ করে এক্ষেত্রে কঠোরতর আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় টিআইবি।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি টিআইবি কর্তৃক প্রকাশিত বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতে নিয়ন্ত্রণহীন, তড়িৎ ও অতিমুনাফাভিত্তিক এবং প্রতারণানির্ভর গ্রাহক হয়রানির যে উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তার উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, ‘জীবন-মরণের সঙ্গে সম্পর্কিত বিধায় স্বাস্থ্যসেবায় প্রত্যাশিত মান বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার অভাব, পরিদর্শন ও তদারকির ক্ষেত্রে ব্যাপক ঘাটতি এবং লাগামহীন প্রকট বাণিজ্যিকীকরণের সম্মিলিত প্রভাবে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাত কার্যত সেবাগ্রহীতাদের দুর্দশা প্রান্তসীমায় উপনীত করেছে।

বেসরকারি হাসপাতালের মতো ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিমালিকানাধীন খাত নিয়ন্ত্রণের পুরো দায়িত্ব সরকারের ওপর অর্পিত থাকলে তা সরকারের জন্য একটি বোঝাস্বরূপ এবং এতে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নির্ধারণ ও নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না বলে উল্লেখ করে ড. জামান বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশেও এ খাতে পরিবীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ স্বাস্থ্যসেবা কমিশন গঠন করা উচিৎ বলে অভিমত দেন।

ওজন বৃদ্ধি পেলে হবে ক্যানসার!

শরীরে জমতে থাকা মেদ যদি একবার মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলেই যত বিপদ-আপত্তি! কী বিপদ সেই প্রশ্ন জাগছে মনে, তাই তো? সম্প্রতি একটি স্টাডি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা গেছে ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে ডায়াবেটিস রোগ বাসা বাঁধার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, আর এক সময়ে গিয়ে ডায়াবেটিস ডেকে আনে ক্যান্সার রোগকে!

কথাটা শুনে যতই অবাক হন না কেন, দা ল্যান্সেট ডায়াবেটিস অ্যান্টি এন্ডোক্রিনোলজি পত্রিকায় প্রকাশিত এক স্টাডি অনুসারে ওজন বৃদ্ধি, সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস যদি সঙ্গী হয় তাহলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়। তাই তো গবেষকরা “বি এম আই” বা বডি মাস ইনডেক্স সব সময় ২৫ এর নিচে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের মতে বি এম আই এর থেকে উপরে গেলেই বিপদ!

প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন নামক সংস্থা “ভাইটাল সাইন” নামক একটি রিপোর্চ প্রকাশ করেছে। তাতে যা লেখা রয়েছে তা শুধু কপালে ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং ভয়ঙ্করও বটে! কী লেখা রয়েছে সেই রিপোর্টে জানেন?

ধাপে ধাপে একাধিক কেস স্টাডিকে তুলে ধরে বিশেষজ্ঞরা প্রমাণ করেছেন যে ওজন বৃদ্ধির কারণে ক্যান্সার রোগ কিভাবে শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এই বক্তব্যটা যে বেজায় ফেলনা নয়, তা আমেরিকায় হওয়া একটি সমীক্ষাতেও প্রমাণিত হয়েছে। সেদেশ ওবেসিটির শিকার প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষের শরীরেই ক্যান্সার সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার পিছনে অতিরিক্ত ওজনকেই দায়ি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার নামক সংস্থার করা একটি কেস স্টাডিতে দেখা গেছে ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকলে বিশেষ ধরনের কিছু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। যার মধ্যে অন্যতম হল মাল্টিপাল মাইলোমা, অ্যাডিনোকার্সিনোমা, থাইরয়েড ক্যান্সার, পোস্ট মেনোপোজাল ব্রেস্ট ক্যান্সার, গলব্লাডার, স্টমাক, লিভার, কিডনি, ওভারি, ইউটেরাস এবং কলোরেকটাল ক্যান্সার প্রভৃতি।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশ করা বেশ কিছু রিপোর্টে একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে এদেশে যুবসমাজের সিংহভাগই ওবেসিটির সমস্যায় ভুগছে। আর এর পিছনে মূল কারণ হল অনিয়ন্ত্রিত জীবন এবং জাঙ্ক ফুডের প্রতি অফুরন্ত ভালবাসা। এমন অবস্থায় আমাদের দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যত যে বেজায় অন্ধকারে, তা বলা যেতেই পারে। কোনও ভাবেই কি এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়? অবশ্যই সম্ভব! তবে তার জন্য ওজন কমানোটা একমাত্র উপায়।

তবে এক্ষেত্রে আরেকটি সমস্যাও দেখা দিচ্ছে আজকাল। কী সেই সমস্যা? স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে অনেকেই ওজন কমাতে তো চাইছেন, কিন্তু প্রতিদিন জিমে যাওয়ার সময় করে উঠতে পারছেন না। ফলে যে তিমিরে থাকার সেই তিমিরেই রয়ে যাচ্ছেন!

এক্ষেত্রে জিমে না গিয়েও আরেকভাবে ওজন কমানো যেতে পারে। তবে তার জন্য ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে। গবেষকদের মতে বাড়িতে নিয়মিত হাল্কা চালে শরীরচর্চা করার পাশাপাশি প্রতিদিন যদি কয়েকটি সবজি খাওয়া যায়, তাহলে ওজন কমতে পারে চোখে পরার মতো।

ওজন কমাতে সাহায্য করে বাঁধাকপি

ডেস্ক , নভেম্বর ২৫, ২০১৭: শীতের তরতাজা সবজিতে বাজার এখন ভরপুর। প্রায় প্রতিটি সবজিই বিভিন্ন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। বাঁধাকপিও এর ব্যতিক্রম নয়। বাজারে এখন সবুজ , বেগুনি-দুই রঙের বাঁধাকপি পাওয়া যাচ্ছে। রঙ যেটাই হোক না কেন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই সবজি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়বেটিস রোগের জন্য বাঁধাকপি খুবই উপকারী। এটি রেডিয়েশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। একারণে ক্যানসার প্রতিরোধ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এটি দারুণ কার্যকরী। গবেষকরা বলছেন, বাঁধাকপি ভিটামিন-সি এর বড় উৎস। এতে কমলার চেয়েও বেশি পরিমাণে ভিটামিন-সি আছে। এর এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি আলসার, বিষন্নতা , অ্যালার্জিজনিত ঠান্ডা-কাশি রোধ করতেও সহায়তা করে।

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে। একারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সাড়াতে সাহায্য করে, হজমশক্তি বাড়ায়। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর সালফার; যা শরীরে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ সারাতে সাহায্য করে। বাঁধাকপি বিটা ক্যারোটিনের বিরাট উৎস। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। তাছাড়া বিটা ক্যারোটিন প্রষ্টেট ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়। বাঁধাকপিতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং কম ক্যালরি থাকায় এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে। যারা ওজন কমাতে আগ্রহী তাদেরকে নিয়মিত বাঁধাকপির স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বাঁধাকপি স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কিংবা ত্বকের যত্নে ও এটি দারুণ কার্যকরী।
সূত্র: অর্গানিক ফ্যাক্টস

রাতে যা করলে মা হওয়ার ক্ষমতা হারাবেন মেয়েরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক,২৫ নভেম্বর, ২০১৭: আপনি কি মা হতে চান? তবে, রাত জেগে সিনেমা দেখা বা বই পড়ার অভ্যাস আজই ত্যাগ করুন৷ এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রাতে বারবার আলো জ্বালানো হলে মেয়েদের ফার্টিলিটি হরমোন বা সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যায়৷

স্যান অ্যান্টোনিওর স্বাস্থ্য বিজ্ঞান কেন্দ্রের ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের সেলুলার বায়োলজির অধ্যাপক রাসেল জে রেইটার জানিয়েছেন, ‘মেয়েদের শরীরের প্রজনন ক্ষমতার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে, বিশেষ করে ভ্রুণের বৃদ্ধির জন্য অন্ধকার খুবই জরুরি।’ মস্কিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি মেলাটনিন নামের এক ধরণের হরমোন নিঃসরণ করে৷ আর অন্ধকারেই এই গ্রন্থিটি বেশি কার্যকরী থাকে৷

রেইটার জানান, ‘অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মেলাটনিন অনেক শক্তিশালী একটি হরমোন। যখন মহিলাদের ডিম্বানু উৎপাদনের সময় হয় তখন এই হরমোন ডিম্বানু নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে’৷

গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, যারা সন্তান ধারণে ইচ্ছুক তাদের কমপক্ষে আটঘণ্টা অন্ধকারে কাটানো প্রয়োজন৷

গবেষকেরা জানিয়েছেন, হরমোন নিঃসরণের জন্য অন্ধকারে থাকা জরুরি৷ তবে এক সঙ্গে ঘুমের কোন সম্পর্ক নেই৷ রেইটার জানিয়েছেন মেলাটানিন তৈরিতে অন্ধকার সবচেয়ে প্রয়োজনীয়৷

স্বাস্থ্যবান পুরুষ হতে পরিবর্তন নিয়ে আসুন প্রতিদিনের খাবারে!

ঢাকা : সাধারণভাবে মনে করা হয় মেদহীন হালকা-পাতলা গড়নের নারী-পুরুষদের সবাই পছন্দ করেন। এরা যা ইচ্ছে তা-ই খেতে পারেন, যা ইচ্ছা তা-ই পরতে পারেন! কিন্তু এরা কি নিজেদের শরীর নিয়ে সন্তুষ্ট? এরা কি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী? বাস্তব হল এমন মানুষদের অনেকেই নিজেদের হালকা-পাতলা শরীরটা নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকেন।

আবার কেউ কেউ তো দিনমান ‘রোগা-পটকা’, ‘তালপাতার সেপাই’ ইত্যাদি শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ। যে যা-ই বলুক, শরীরটা ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা বোঝার একটা ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাতের হিসাব। সে অনুযায়ী ওজন কম হলে বিষয়টা ভাবা প্রয়োজন।

কেননা অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক তেমনি অতিরিক্ত ওজনহীনতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে। হালকা-পাতলা শরীরটায় বাসা বেঁধে থাকতে পারে রক্তশূন্যতা, ঝামেলা থাকতে পারে পরিপাকের। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি ও হাড়ের দুর্বলতাও চিন্তার বিষয়। ফলে ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে এই ছয় পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

পুষ্টিকর খাবার
ওজন বাড়াতে হলে খেতে হবে। যা খুশি তা-ই খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের যথাযথ সমন্বয় থাকতে হবে খাবারে। মাংসপেশি গঠন আর ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ। নানা ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।

পানির পরিমাণ
ওজন বাড়াতে হলে আগে খিদে বাড়াতে হবে। খিদে বাড়ানোর জন্য হজমে সহায়ক পানি পান করুন। সারা দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করুন। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি পান করবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি পান করবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

হাবিজাবি কম খান
সকাল-দুপর-রাতের ভারী খাবারের মাঝে বারবার এটা-সেটা খাবেন না। কেউ কেউ বলেন দিনে তিন থেকে পাঁচ বেলা ভারী খাবার খাওয়াটাই ভালো। বেছে বেছে পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরাতে হবে। হালকা-পাতলা শরীরে বারবার হাবিজাবি ভাজাপোড়া বা ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

শর্করায় সতর্কতা
আপনার হালকা-পাতলা শরীর দেখে কাছের মানুষেরা হয়তো কেক-পেস্ট্রিসহ নানা অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের বিষয়ে সাবধান। ভিসেরাল ফ্যাট বা স্কিনি ফ্যাটের খপ্পরে পড়ে যেতে পারেন আপনি। এটা এমন চর্বিযুক্ত উপাদান যা হঠাৎ মেদ বাড়িয়ে না দিলেও দেহের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শর্করা খেতে হবে বেছে বেছে।

শরীরচর্চা শুরু করুন
সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যত হালকা-পাতলাই হন না কেন ব্যায়ামে আপনিও দারুণ উপকৃত হবেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমিয়ে পড়া আর সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার মতো অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শরীরচর্চাটাও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে সাধারণ ক্ষুধা মন্দা কাটিয়ে উঠে আপনি খেতে পারবেন। নিয়মিত শরীরচর্চায় আপনার পেশি সুগঠিত হবে এবং শারীরিক শক্তি বাড়বে। যোগব্যায়ামের অনেক আসন চর্চা করেও আপনি উপকৃত হতে পারেন।

ধূমপান ছেড়ে দিন
যত বেশি ধূমপান করবেন আপনার খিদে না লাগার সমস্যা তত বাড়তেই থাকবে। অবশ্য জগতে অতিরিক্ত ওজনের মোটাসোটা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন এবং হাড় জিরজিরে রোগা-পটকা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন। কিন্তু কথাটা হলো ধূমপান কারও স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না। আর ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর সবারই প্রথম যে উপকার হয় তা হলো খিদে বাড়তে থাকা।

শিশুর কৃমি?

ডা. সজল আশফাক: সারা পৃথিবীতেই শিশুদের বিভিন্ন ধরনের কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশেও অধিকাংশ শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কৃমির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়। বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে কেঁচো বা লম্বাকৃতি (এসকারিস লুমব্রিকয়েডস), বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্ম, সুতাকৃমি, ট্রাইচুরিস ট্রাইচুরা (টিটি), স্ট্রংগিলয়েড স্টারকোরালিস ও ডিম কোনোভাবে পেটে ঢুকলে তা থেকে পেটের মধ্যে কৃমি সৃষ্টি হয়।

বক্রকৃমি বা হুক ওয়ার্মের লার্ভা (ডিম থেকে বৃদ্ধি পাওয়া শিশু কৃমি) পায়ের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশ করে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে তার হুক আঁকশি দিয়ে রক্ত চোষে। এতে কিছুকাল পর রোগীর রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। সুতাকৃমি পায়খানার রাস্তায় এসে কিলবিল করে এবং ডিম ছাড়ে। চুলকানোর সময় এসব ডিম হাতের আঙুল ও নখে লেগে থাকে। এটি খাবার ও পানির সঙ্গে পেটে ঢুকে কৃমিতে রূপান্তরিত হয়। ফিতাকৃমি অল্প সেদ্ধ বা অর্ধসেদ্ধ গরুর মাংস বা শূকরের মাংস খেলে হতে পারে। এগুলোর দৈর্ঘ্য ৫ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এ জাতীয় কৃমি গরু, শূকর ইত্যাদি পশুর মাংসে বাসা বাঁধে।

ওপরে বর্ণিত কৃমিগুলোর মধ্যে লম্বাকৃতি বা এসকারির লুমব্রিকয়েডসের প্রাদুর্ভাব আমাদের দেশে বেশি। বাংলাদেশে একটি সমীক্ষায় গ্রামাঞ্চল ও শহরের শিশুদের মধ্যে যথাক্রমে ৯২ ভাগ ও ২৮ ভাগ ক্ষেত্রে এই কৃমি দেখা গেছে। পেটে কৃমি থাকলে :

  • রোগীর পেটব্যথা হয়
  • ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়
  • পেট ফাঁপা থাকে
  • শরীর অজীর্ণ হয়
  • বমি হতে পারে
  • এমনকি কৃমি ক্ষুদ্রান্ত্রকে বন্ধ করে দিয়ে প্রচণ্ড পেটব্যথার সৃষ্টি করতে পারে
  •  এ ছাড়া অন্ত্রনালিকে ছিদ্র করে দিতে পারে
  • কৃমি পিত্তনালিতে ঢুকে পিত্তনালির পথ বন্ধ করে দিয়ে জন্ডিসের সৃষ্টি করার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে।

চিকিৎসা

  • কৃমির চিকিৎসা দেওয়ার আগে কৃমি হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য পায়খানা পরীক্ষা করার দরকার রয়েছে। পায়খানা বা স্টুলের রুটিন পরীক্ষায় এটি ধরা পড়ে।
  • যেকোনো কৃমির ক্ষেত্রে যে ওষুধ সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেটি হচ্ছে মেবেনডাজল। এ ওষুধের উল্লেখযোগ্য বাজারজাত নাম হচ্ছে আরমক্স/মেবেন। বয়স্কদের বেলায় মেবেন/আরমক্স ট্যাবলেট ১০০ মিলিগ্রাম একটা করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে হবে। শিশুদের বেলায় আরমক্স/মেবেন সিরাপ চা চামচের এক চামচ করে দিনে দুবার মোট তিন দিন খেতে দেওয়া যেতে পারে।
  • এ ছাড়া কৃমির জন্য অন্য একটি ওষুধ এলবেনডাজল। বাজারে এটি আলবেনসহ অনেক নামে পাওয়া যায়। বয়স্ক ও শিশু উভয়ের বেলায় দুটি আলবেন রাতে শোয়ার সময় খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের বেলায় ২০০ মিলিগ্রামের একটি আলবেন ট্যাবলেট খাওয়ালেই চলবে। তবে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ জানেন?

হার্ট অ্যাটাক একটি গুরুতর সমস্যা। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। পাশাপাশি আরো কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় সে সময়। হার্ট অ্যাটাক কী এবং এর লক্ষণ কী, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৮৬৮তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. উম্মে সালমা খান। বর্তমানে তিনি এমএইচ শমরিতা হসপিটাল অ্যান্ড মেডিকেল কলেজে কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাক বলতে কী বুঝি?

উত্তর : পুরো শরীরেই যেমন রক্তনালি রয়েছে, হার্টেরও নিজস্ব একটি রক্তনালি রয়েছে। হার্টের বেঁচে থাকার জন্য তার কিছু পরিবহন দরকার। সেই জন্য হার্টের ওপরে কিছু রক্তনালি দেওয়া থাকে। সেই রক্তনালিতে প্রথমেই কোনো ব্লক বা পার্শিয়াল ব্লক হয়, সে ক্ষেত্রে রক্তনালি দিয়ে হার্টের পেশিতে সম্পূর্ণ রক্ত পরিবহন হয় না। এটা যখন ব্যাহত হয়,তখনই রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়।

প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাকের সময় তাৎক্ষণিকভাবে কী কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়?

উত্তর : হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক কিছুই হতে পারে। অনেকভাবে হতে পারে, যেমন—রোগী বলতে পারে আমার বুকটা ভারী ভারী লাগে। অনেক সময় রোগী বলতে পারে, আমি একটু হাঁটলেই আমার খারাপ লাগে। অথবা সিঁড়ি দিয়ে আমি আগে তিনতলা পর্যন্ত উঠতে পারতাম, এখন হয়তো উঠতে পারছি না। একতলা উঠলেই আমার খারাপ লাগছে, বুকে খারাপ লাগছে অথবা প্যালপিটিশন অনেক বেশি হচ্ছে বা আমি অনেক দুর্বল বোধ করি। যেকোনো কাজ করলে আমি কাজটা শেষ করতে পারি না। এই যে পরিবর্তনগুলো, তার যে কর্মক্ষমতা আস্তে আস্তে একটু সংকুচিত হয়ে আসছে, সেগুলো দেখলেই অনেক সময় বোঝা যায়। হার্ট অ্যাটাকের এগুলো সবই পূর্ব লক্ষণ।

আর হার্ট অ্যাটাক যদি হয়ে যায়, ঠিক বুকের মাঝখানে, খুব চেপে ধরা তীব্র ব্যথা হবে। সেই ব্যথা অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন—চোয়ালে যেতে পারে বা হাতে যেতে পারে, পেছনের দুই কাঁধের মাঝখানে হতে পারে অথবা পেটেও হতে পারে। এর সঙ্গে রোগী ঘেমে যাবে, রোগীর বমি বমি লাগবে, রোগী বলবে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

গলার কাঁটা বের করার কিছু পদ্ধতি

ডা: এস কে দাস: বাজারে ইলিশ মাছ ভরপুর ৷ আর আপনিও রোজ ভাতের পাতে ইলিশের রসনায় ডুব দিচ্ছেন৷ আর ঠিক এমন সময়ই গলায় আটকে গেল কাঁটা ! তারপর তা নিয়ে নানা অস্বস্তি৷ গলা থেকে কাঁটা বের করতে কত না হুজ্জতি৷ কলা খেলেন, শুকনো ভাত খেলেন ৷ কিন্তু লাভ কিছুই হল না ৷ বলি কি নিচে লেখা উপায় গুলো একবার ট্রাই করুন ৷ দেখবেন গলায় আটকানো মাছের কাঁটা দিব্যি দূর হবে!

গলায় আটকে যাওয়া কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোল্ডড্রিঙ্ক। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোল্ডড্রিঙ্ক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়।

গলায় আটকে যাওয়া মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এ জন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর জল দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না।

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে জল পান করুন। পারলে হালকা গরম জলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ নুন মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু নুন মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে যাবে।

গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।

জলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।

ডাঃ এস কে দাস
এমএসসি,ডিএইচএম এস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

কীভাবে বুঝবেন আপনার রক্তচাপ বেড়েছে

ডা: এস কে দাস:
বহু মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই বুঝতে না পারার জন্য রক্তচাপের পরিমান অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিত্‌সকের কাছে না গেলে তা ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলো জেনে রাখা খুব দরকার। যদিও উচ্চ রক্তচাপের তেমন কোনও লক্ষণ বোঝা যায় না। একে তাই সাইলেন্ট কিলার ও বলা হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত মাপা হচ্ছে, ততক্ষণ বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না যে, তাঁর রক্তচাপবেড়েছে। তাও যে যে লক্ষণগুলি শরীরে অনুভব করলেই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া দরকার সেগুলো জেনে নিন-

১) মাথার যন্ত্রণা।

২) চোখে ঝাপসা দেখা।

৩) বমি এবং মাথা ঘোরা।

৪) বুকে ব্যথা এবং শ্বাস নিতে সমস্যা।

যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা ফ্রি হোমিও চিকিৎসা নিন এবং উচ্চ রক্তচাপ কমান। নিশ্চিত আপনি উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্ত হবেন।
ডাঃ এস কে দাস
এমএসসি,ডিএইচএম এস(ঢাকা)
০১৮১১৮৯৮০৬১

সোরিয়াসিস(psoriasis) রোগের চিকিৎসা সফলতা অর্জন

সোরিয়াসিস বা Psoriasis  ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ। জনসংখ্যার ২-৪% এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সী এ রোগে আক্তান্ত হতে পারেন। তবে তিরিশোর্ধ্ব  ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হন। তবে, এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়। কাজেই সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় না। কিভাবে হয় : সাধারণত আমাদের ত্বকের কোষসমূহ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর পর ঝরে যায় এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। প্রক্রিয়াটি খুবই সমন্বিতভাবে হয়ে থাকে বিধায় স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় না। সোরিয়াসিস রোগে ত্বকের ইপিডারমিস এ অবস্থিত কোষসমূহ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের উপরে এক ধরনের প্লাক তৈরি করে। লক্ষণ অনুযায়ী এ রোগ কয়েক ধরনের হতে পারে।
লক্ষণ কি : আক্রান্ত অংশে রুপালি সাদা আঁশ দ্বারা আবৃত, উজ্জ্বল লালচে বর্ণের প্লাক বা ক্ষত দেখা যায়। সাধারণত মৃদু চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এ রোগের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ধরন অনুযায়ী তারতম্য হতে পারে।

কোন অংশ আক্রান্ত হয় : সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথা, হাত ও পায়ের নখ আক্রান্ত হয়। তবে ধরন ভেদে বিভিন্ন অংশ এমনকি পুরো শরীর আক্রান্ত হতে পারে।
কি কারণে হয় : আক্রান্তদের এক তৃতীয়াংশের মধ্যে বংশগত কারণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া বাকিদের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নির্ণয় করা যায় না। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে দ্রুত ছড়াতে পারে। যেমন কোনো ধরনের সংক্রমণ, ত্বকে আঘাতজনিত কারনে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, আবহাওয়াজনিত কারণ যেমন শীতে বেড়ে যেতে পারে আবার কিছু ওষুধ সেবনের কারণেও দ্রুত ছড়াতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে এ রোগের সম্পর্ক রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
জটিলতা : আক্রান্তদের মধ্যে ৩০-৩৫% আরথ্রাইটিস বা হাড়-জোড়ার প্রদাহে ভুগে থাকেন। শরীরের বেশির ভাগ অংশ এ রোগের কারণে প্রদাহ ছড়িয়ে পড়লে অনেক সময় মৃত্যুঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। আক্রান্তরা সামাজিকভাবে গুটিয়ে ফেলতে চান এবং বিষণ্নতায় ভোগেন।
চিকিৎসা : রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে, অল্প অংশ আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ক্রিম, লোশন, জেল ইত্যাদি রূপে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। অনেক বেশি অংশে ছড়িয়ে পড়লে মুখে খাবার ওষুধ, আল্ট্রা-ভায়োলেট-রে, পুভা থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মনে রাখবেন, ত্বকের অন্য রোগেও সোরিয়াসিসের মতো প্লাক দেখা দিতে পারে। এ রোগ কখনো পুরোপুরি ভালো হয় না বা জীবনহানির কারণও হয় না। তবে নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। করা যায় সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন।

এ সকল ক্ষেত্রে সঠিক হোমিও চিকিৎসা করালে রোগ নিরাময় হবার সম্ভাবনা ৯০%।
সেজুতি হোমিও হল এক্ষেত্রে একাধিক সোরিয়াসিস রোগির চিকিৎসা করে সফলতা অর্জন করেছে।

ডা: এস কে দাস
এম এসসি, ডিএইচএমএস
০১৮১১৮৯৮০৬১

৫ টাকার টিকিটে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : পাঁচ টাকা মূল্যের নির্ধারিত টিকিট কেটে গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে তার মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালে পৌঁছান।

এ সময় তিনি অন্যান্যদের মতো কাউন্টারে দাঁড়িয়ে নাম নিবন্ধন করে টিকিট নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা।

জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় সাধারণ রোগীদের মতো ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালের পাঁচ টাকা মূল্যের নির্ধারিত টিকিট নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী নিজেই হাসপাতালের কাউন্টারে নাম নিবন্ধন করিয়ে চেকআপের ফি পরিশোধ করেন। পরে হাসপাতালে চোখ, কানসহ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি।

পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের কনসালটেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রাজধানীর অদূরে নির্মিত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করান প্রধানমন্ত্রী। এটি মানুষকে দেশেই স্বাস্থ্যসেবা নিতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান কেপিজের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়।

মুক্তামনির আকুতি, আমি বাঁচতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার মুক্তামনি দোয়া চেয়েছে। সবার কাছে তার একটিই কথা, আমার জন্য দোয়া কইরেন। চিকিৎসকদের সে বলেছে, আমি বাঁচতে চাই।  শ‌নিবার সকালে তার বায়োপ‌সি করা হয়েছে। এর রিপোর্ট পাওয়া যাবে আগামীকাল সোমবার।

তবে বায়োপ‌সির পর ই‌তিমধ্যে মুক্তামনির আক্রান্ত স্থান দিয়ে বেশ কয়েকবার রক্তক্ষরণ হয়েছে। এরপর শনিবার দুপুর ও বিকালে তাকে তৃতীয়বারের মতো অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। মুক্তাম‌ণিকে শ‌নিবার সকাল থেকে বার্ন ইউ‌নিটের আই‌সিইউ- ৫ নম্বর বেডে রাখা হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় সেখানে কথা হয় তার সঙ্গে। সে বলে, আমার জন্য দোয়া কইরেন, অনেক ব্যথা; আর পার‌ছি না। শইল শিন শিন করতাছে।

এসময় তার পাশে মুক্তামনির মাসহ সং‌শ্লিষ্ট চি‌কিৎসকরা উপ‌স্থিত ছিলেন। জাতীয় বার্ন ইউ‌নিটের সম্বনয়ক চি‌কিৎসক সামন্ত লাল সেন, প‌রিচালক প্রফেসর আবুল কালাম, ঢামেক হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদসহ  চি‌কিৎসক বোর্ডের সদস্যরা সকালে মুক্তামনিকে দেখ‌তে সেখানে যান।

বোর্ড প্রধান প্রফেসর আবুল কালাম জানান, মুক্তামনিকে নি‌বিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সোমবার বায়োস‌পির রি‌পোর্ট পাওয়ার পর বর্তমান বোর্ডের পাশাপা‌শি আরেক‌টি বোর্ড গঠন করা হবে। তি‌নি বলেন, আমরা চেষ্টা চা‌লিয়ে যা‌চ্ছি, তার হাত‌টি রেখেই চি‌কিৎসা চা‌লিয়ে যা‌চ্ছি। প্রয়োজন হলে হাত‌টি কাটাও হতে পারে।

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ডাক্তার সামন্ত লাল সেন জানান, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সে এখনও আশংকামুক্ত না। তার অবস্থা খারাপ হলেও চি‌কিৎসক টিমের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, মুক্তামনি বার বার বলছে, তাকে যেন বাঁচানো হয়। তার বাঁচার অনেক আকু‌তি, সে বাঁচতে চায়।

এই চিকিৎসক বলেন, আমরাও দেশবাসীর কাছে মুক্তামনির জন্য দোয়া চাই।

কোলগেটের টুথপেস্টে অতিমাত্রায় ক্ষতিকর ট্রাইক্লোসন

ডেস্ক: ওরাল স্বাস্থ্য ব্রান্ড কোলগেটের টুথপেস্টে নিষিদ্ধি উপাদান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এই টুথপেস্ট ব্যবহারের কারণে মানুষের ক্যান্সারসহ আরো একাধিক রোগ দেখা দিতে পারে।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের একদল গবেষক কোলগেটের টুথপেস্ট পরীক্ষার পর বলেছেন, কোলগেটের টুথপেস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ উঠার পর নিউজিল্যান্ডে কোলগেটের টুথপেস্ট নিয়ে তদন্ত শুরু হচ্ছে।

কোলগেট টুথপেস্টে পাওয়া ক্ষতিকর এই রাসায়নিক উপাদান সাবান, ডিটারজেন্ট এবং খেলনা সামগ্রীতে ব্যবহার হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরেও ট্রাইক্লোসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নিষিদ্ধের তালিকায় ছিল।

পণ্য-সামগ্রীতে নিষিদ্ধ ট্রাইক্লোসনের ব্যবহার পুনঃমূল্যায়নের জন্য গত বছর নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের (ইপিএ) কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কোলগেট কর্তৃপক্ষ টুথপেস্টে এই নিষিদ্ধ উপাদান ব্যবহারের পর পর্যালোচনা জমা দেয়ার কথা থাকলেও তা এখনো করা হয়নি।

কথর্ন ইনস্টিটিউটের পরিবেশগত তাত্ত্বিকবিজ্ঞানী ড. লুইস ট্রেমব্লে বলেন, এটা স্পষ্ট যে, কোলগেট টুথপেস্টের মধ্যে ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতির অর্থ হচ্ছে; ভোক্তা পণ্য হিসেবে এটি বাজারজাত করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, কোলগেট টুথপেস্টের বেশকিছু সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও আছে। তবে এই টুথপেস্ট সবার জন্য নয়। যথাযথ সমস্যায় রাসায়নিক উপাদান উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এর ক্ষতিকারক ফলাফলও থাকতে পারে।

লুইস ট্রেমব্লে’র মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজ্যুমার নিউজিল্যান্ডের গবেষক জেসিকা উইলসন বলেন, এটা প্রত্যেকদিন ব্যবহারের ভালো কোনো কারণ না থাকলে ‘কোলগেট টোটাল’ পরিহার করা উচিত।

অভিযোগ উঠলেও কোলগেট কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ‘কোলগেট টোটাল’ ব্যবহারকারীরা প্রত্যেক দিন আমাদের টুথপেস্ট ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি আমাদের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিরাপদ ও কার্যকরী হিসাবে অনুমোদিত। এছাড়া কোলগেটের টুথপেস্ট বাজারজাত করতে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষেরও অনুমোদন রয়েছে।

অভিযোগ উঠার নিউজিল্যান্ডের অনেক পণ্য-সামগ্রী প্রস্তুতকারী কোম্পানি তাদের পণ্য থেকে ট্রাইক্লোসন সরিয়ে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নিষিদ্ধ এই ট্রাইক্লোসেনের কারণে ক্যানসার কোষ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। কোলগেটে ব্যবহৃত রাসায়নিক এই উপাদানের কারণে অপরিপক্ব শিশু জন্ম নিতে পারে। মাড়ির রোগ প্রতিরোধের জন্য টুথপেস্টে ট্রাইক্লোসেন ব্যবহার করার কথা বলা হলেও ক্যান্সারসহ শরীরের হাড়ের বৃদ্ধিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে ট্রাইক্লোসেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

আলাদা হলো জোড়া শিশু

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজে অস্ত্রোপচারকৃত দুই শিশুকে আলাদা করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. কানিজ হাসিনা শিউলীর তত্ত্বাবধানে শিশুদ্বয়ের অপারেশন কার্যক্রম শুরু হয়।
বেলা পৌনে তিনটার দিকে ডা. শিউলী জানান, ‘এখনো অপারেশন চলছে। আমরা শিশু দুটিকে আলাদা করতে পেরেছি। শিশুদ্বয় আপাতত সুস্থ্য আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমরা আলাদা হওয়া দুই শিশুর শরীরে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করছি। এতে আরও ৩/৪ ঘন্টা সময় লেগে যাবে। এরপর আমরা বলতে পারবো অপারেশন সফল না বিফল হলো। তবে আমাদের বিশ্বাস আমরা সফল হবো।

শিশুর ডায়রিয়া হলে কী করবেন

ডাঃ দাসঃ ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত রোগ। তাই বর্ষা মওসুমে এর প্রাদুর্ভাবও বেশি। সব বয়সের মানুষের এটা হতে পারে। তবে শিশুদের জন্য এটি একটি বিশেষ গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে শিশুমৃত্যুর হার অনেক বেশি। ডায়রিয়া এবং এর পরিণতি হিসেবে সৃষ্ট অপুষ্টি ও অন্যান্য রোগ এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।

ডায়রিয়া হলে কী করবেন?
১। পানিস্বল্পতা যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তরল খাবার দিন। ডায়রিয়ার ফলে শরীর থেকে যতটুকু পানি ও লবণ বেরিয়ে যায় ঠিক এতটুকু পানি ও লবণ যদি সময়মতো পূরণ করা হয় তাহলে ডায়রিয়াজনিত পানিস্বল্পতার কারণে মৃত্যু ঘটে না।

• যেসব তরল খাওয়ানো যেতে পারে : (১) খাবার স্যালাইন, (২) লবণ-চিনি বা গুড়ের শরবত, (৩) ডাবের পানি কিংবা শুধু পানি, (৪) চিড়ার পানি, (৫) ভাতের মাড়, (৬) খাবার পানি।ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তরল খাবার চালিয়ে যেতে হবে।

২। অপুষ্টি যাতে না হয় সেজন্য শিশুকে প্রচুর খাবার দিতে হবে। বুকের দুধ চালিয়ে যেতে হবে এবং ঘন ঘন খাওয়াতে হবে। শিশু অন্য দুধে অভ্যস্ত হলে তাই খাওয়াতে হবে এবং কমপক্ষে প্রতি ৩ ঘণ্টা অন্তর খাওয়াতে হবে।

টাটকা খাবার : যে বয়সের জন্য যে খাবার স্বাভাবিক তাই খাওয়াতে হবে।

• উপযোগী খাবার : ভাত, ডাল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, গোশত অথবা এসবের খিচুড়ি। খাবারের সাথে এক বা দুই চা চামচ তেল দিতে হবে।

• টাটকা ফলের রস, কলা বা পেঁপে চটকিয়ে দিতে হবে। ৩-৪ ঘণ্টা পরপর দিনে অন্তত ছয়বার খেতে দিতে হবে। খুব ছোট শিশুদের আরো বেশি খেতে দিতে হবে। শিশু যতটা খেতে চায় ততটা খাওয়ার জন্য তাকে উৎসাহিত করতে হবে।

• খাবার নরম করে রান্না করতে হবে যাতে সহজে হজম হয়।

• ডায়রিয়া বন্ধ হওয়ার পর শিশুকে প্রথম দুই সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন একবার করে অতিরিক্ত খাবার দিতে হবে। যত দিন না শিশু তার আগের অবস্থা ফিরে পায়।

ডায়রিয়া দেখা দিলে শিশুকে লক্ষন অনুযায়ী ভাল হোমিও ঔষধ যেমন [Ars],Veratrum album, Cinchona officinalis,Sulphur.Aloes ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩। নিচের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা দিলে শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
(১) কয়েকবার পাতলা পায়খানা, (২) বারবার বমি, (৩) জ্বর, (৪) অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত (৫) খাদ্য বা পানীয় গ্রহণে অনীহা, (৬) পায়খানায় রক্ত, (৭) চোখ বসে গেলে, (৮) যদি তিন দিনের মধ্যেও অবস্থার উন্নতি না হয়।

Dr D.K.Das

M.Sc,DHMS(Dhaka)Homeo

01811898061

 

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter