স্বাস্থ্য চিকিৎসা

ব্যথায় ঠাণ্ডা না গরম সেঁক দেবেন?

ব্যথা হলে সেঁক দেয়ার প্রথা সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। সেঁক রোগীর ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যথার স্থানে সেঁক দিলে অনেক ভালো লাগে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথাও কমে যায়।


কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ব্যথা হলে কোন ধরনের সেঁক দিতে হয় বা কোন সেঁক দেয়া উচিত এবং কোনটা কোথায় কিভাবে কাজ করে। অনেকে আবার ব্যথা হলেই গরম সেঁক দিয়ে থাকেন।

কিন্তু গবেষকরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা পেলে যেমন হঠাৎ আঘাত পেয়ে ফুলে গেলে, লাল হয়ে গেলে, মচকে গেলে ইত্যাদি স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হবে। অনেক দিনের ব্যথা অর্থাৎ ক্রোনিক ব্যথার স্থানে গরম সেঁক দিতে হবে।

ঠাণ্ডা সেঁক কিভাবে দেবেন:
ব্যথার স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিনে ১০ – ১৫ মিনিট প্রয়োজন অনুযায়ী সকালে ১ বার ও রাতে ১ বার দেবেন। কখনও কখনও ৩-৪ বার ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হতে পারে। সেঁক দেয়ার আগে নারিকেল তেল ও রসুন একসঙ্গে গরম করে (কিছুক্ষণ গরম করার পর লালচে রঙ হলে তা ঠাণ্ডা করুন) ওই স্থানে হালকা লাগিয়ে ঠাণ্ডা ভেজা সুতি কাপড়ের ওপর দিয়ে বরফ লাগিয়ে সেঁক দেবেন। অসুস্থ জয়েন্ট এবং টেনডনে রক্তের প্রবাহ, নার্ভ অ্যাক্টিভিটি, ব্যথা এবং ফোলা কমায় ঠাণ্ডা সেঁক।

ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:
যাদের বোধ কম আছে তারা ঠাণ্ডা সেঁক বাড়িতে ব্যবহার করবেন না। কারণ, লেস সেনসরির কারণে নার্ভ বা টিস্যু ডেমেজ হয়ে গেলে বুঝতে পারবে না। যাদের ডায়াবেটিক আছে তাদের ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার না করাই ভালো। কেননা, ঠাণ্ডা সেঁক সেনসেশন কমিয়ে দেয়। মাসেল এবং জয়েন্ট স্টিফ থাকলে ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও যাদের পুওর সারকুলেশন তাদের ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়া উচিত নয় ।

গরম সেঁক কিভাবে দেবেন:
বেশি দিনের ব্যথা হলে গরম সেঁক দিতে হবে। প্রথমে গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে নিংড়িয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। এরপর ভেজা টাওয়েল শুকনা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন তাড়াতাড়ি গরম ভাপ বের না হয়ে যায়। এভাবে ১০-১৫ মিনিট সেঁক দিন। এছাড়াও হট ওয়াটার ব্যাগে গরম সেঁক নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, গরম পানিতে টাওয়াল ব্যবহার করে সেঁক দেয়া বেশি কার্যকরী।গরম সেঁক ব্যথাযুক্ত স্থানে সারকুলেশন বাড়িয়ে মাসেল এর ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়, ডেমেজ টিস্যু সুস্থ করতে সাহায্য করে ।

গরম সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:

গরম সেঁক ফোলা এবং ক্ষত স্থানে ব্যবহার করা যাবে না। যদি আপনার হার্টের সমস্যা বা হাইপারটেনশন থাকে তাহলে গরম সেঁক ব্যবহারের আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যা করবেন

আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় মাছ থাকেই। অনেক সময় তাড়াহুড়ার কারণে বা অসাবধানতাবশত মাছের কাঁটা গলায় বিঁধে যায়। কিন্তু কাঁটার ভয়ে মাছ খাওয়া তো আর বাদ দেওয়া যায় না। আসুন জেনে নিই গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে নেওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-


১. গরম পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। লেবুর রসের অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দেবে। ফলে গলায় বিঁধে থাকা কাঁটা সহজেই নেমে যাবে।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ।



তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনি কি পুত্র/কন্যা সন্তান চান তাহলে জেনে নিন কি করবেন?

নারীর শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ডিম্বপাত হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে। এই সময়টাই গর্ভধারণ এর উপযুক্ত সময়।

এবার দেখব কিভাবে ঠিক করা যেতে পারে সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফার্টিলিটি চিকিৎসক যখন নিজেই ৪৯ নারীকে শুক্রানু দিলেন!

ডেস্ক,১৩ এপ্রিল:
হেগ: নেদারল্যান্ডস এর ঘটনা। সেখানে একজন ফার্টিলিটি চিকিৎসকের কাজ ছিল সন্তান জন্মদানে সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ডাক্তারি সহায়তা দেয়া এবং তাদের সন্তান নিতে সহায়তা করা।

কিন্তু তিনি এসব ব্যক্তিদের অনুমতি না নিয়ে নিজেই ৪৯ টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। খবর বিবিসির

সেই চিকিৎসক বছর দুয়েক আগে মারাও গেছেন। এখন ডিএনএ পরীক্ষায় ধীরে ধীরে এসব তথ্য বের হচ্ছে।

ঠিক কি ঘটেছিলো?
ডা. ইয়ান কারবাতের ক্লিনিক ছিল নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম এলাকায়।

এসব ক্লিনিকে আসতেন সন্তান নিতে সমস্যা রয়েছে এমন নারী ও দম্পতিরা।

ফার্টিলিটি ক্লিনিকের একটি কাজ হল কোন পুরুষের কাছ থেকে তার দান করা শুক্রাণু সংগ্রহ করা।

অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু দানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়।

আবার অনেক সময় চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিরা শুক্রাণু দানকারীকে নিজেরা পছন্দ করে নিয়ে আসেন।

এরপর সেই শুক্রাণু দিয়ে ল্যাবে ভ্রূণ তৈরির পর সহায়তা নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্তান জন্মদানে সহায়তা করf হয়।

ডা. ইয়ান কারবাতে এসব ক্ষেত্রে নিজেই নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করতেন বলে এখন জানা যাচ্ছে।

তাও আবার চিকিৎসা সহায়তা নিতে আসা লোকজনের কোন অনুমতি ছাড়াই। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘুমিয়ে থেকেই বাড়বে স্মৃতিশক্তি

কাজের চাপে কি প্রায়ই এটা-সেটা ভুলে যাচ্ছেন বা স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে? এর পরিণাম কিন্তু হতে পারে ভয়ঙ্কর। আর সেজন্যই স্মৃতিশক্তিকে মজবুত করার নানা উপায় খুঁজতে মরিয়া বিজ্ঞানীরা। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে দিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন পরামর্শ। সেসব পরামর্শের বেশিরভাগই খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে প্রতিদিনের জীবন আচরণের।

তবে গবেষকরা সম্প্রতি এমন একটা উপায় খুঁজে পেয়েছেন যা ঘুমের মধ্যেই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাইয়ের নেতৃত্বে হয় এই গবেষণা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে করা এই সংক্রান্ত গবেষণার নিবন্ধটি জেনিউরোসায়েন্স নামের গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে সায়েন্স ডেইলি পত্রিকার এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকরা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ঘুমের মধ্যেই মস্তিষ্ককে বাহ্যিক উদ্দীপনা দেন। তারা দেখেন কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এই কৌশলে মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়ছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো এই পদ্ধতিতে সুস্থ মানুষ থেকে শুরু করে রোগীদেরও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

সায়েন্স ডেইলি বলছে, এই পদ্ধতিতে আসলে মস্তিষ্কের এক অংশ থেকে আরেক অংশে স্মৃতি স্থানান্তর করা হয়। গবেষকরা মানুষের ঘুমের মধ্যে সিঙ্ক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এলাকার স্মৃতিকে নিওকর্টেক্সে স্থানান্তর করেন।

অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাই দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক উপায়ে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য কাজ করছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তারা ক্লোস-লুপ একমুখী বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা চালনা করেন। তবে এর কারণে যেন ঘুমের কোনো ব্যাঘাত না ঘটে সে বিষয়েও সচেতন ছিলেন গবেষকরা।

গবেষণার অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের কিছু বিষয় আগে দেখানো হয় ও কিছু বিষয় শনাক্ত করতে দেওয়া হয়। পরের দিন সে বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন দেখা যায় সারা রাত যাদের মস্তিষ্কে উদ্দীপনা দেওয়া হয়েছিল তারা অন্যদের তুলনায় আগের দিন দেখানো বিষয়গুলো নির্ভুলভাবে বলতে পারছেন বা ছবিতে দেখানো বিষয়গুলো শনাক্ত করতে পারছেন।

গবেষকদের আশা নতুন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে স্নায়ুর রোগের চিকিৎসায়ও সহায়তা করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১২ জন সহকর্মীকে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলেন তরুণী চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেরপুর সদরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা গ্রামে শুক্রবার দরিদ্র-অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেন তিন নেপালিসহ ১২ তরুণ চিকিৎসক। রোগী দেখে পরীক্ষ-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থাপত্র দেয়ার পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও প্রদান করা হয়।

রাজধানীর শিকদার মেডিকেল কলেজ থেকে সদ্য এমবিবিএস পাস করা এসব চিকিৎসকের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পেয়ে দারুণ খুশি গ্রামের সাধারণ রোগীরা। পাকুড়িয়ার চৈতনখিলা নিজাম উদ্দিন মডেল কলেজে দিনভর একটি মেডিকেল ক্যাম্প করে এসব তরুণ চিকিৎসক রোগীদের সেবা দেন। এতে পাকড়িয়া ইউনিয়ন ও আশপাশের গ্রামের প্রায় তিন হাজার শিশু, নারী-পুরুষকে চিকিৎসা সেবা, ব্যবস্থাপত্রসহ ওষুধ প্রদান করা হয়।

মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্যোক্তা পাকুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ডা. হালিমা আক্তার তৃপ্তি। তিনি তার মেডিকেল সহপাঠী চিকিৎসকদের নিয়ে গ্রামের দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ করে দেন। চিকিৎসক দলে ছিলেন-ডা. আস্থা দাওয়ারী (নেপাল), ডা. নিরঞ্জনা থাপা (নেপাল), ডা. সূষমা ভান্ডারি (নেপাল), ডা. মোহাম্মদ আলী বাবু, ডা. গোলাম রব্বানী, ডা. জুঁইপাল, ডা. শারমীন আক্তার তাপতী, ডা. সালমান রহমান ববি, ডা. ইফফাত আরা জুঁই, ডা. সোনিয়া আক্তার তুলি, ডা. ইশিতা জাহিদ বন্যা। ডা. তৃপ্তি পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মো. হায়দার আলীর মেয়ে।

Sherpur-Pic-2

বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে গণই ভরুয়াপাড়া গ্রামের চাতাল শ্রমিক হালিমা বেগম (৪২) বলেন, মেলাদিন (দীর্ঘদিন) ধইরা পরসাবের জালাপুড়া আর পেটের ব্যথায় ভুগতাছিলাম। কিন্তু টেহার অভাবে ডাক্তর দেহাবার পাইতাছিলাম না। আইজন সুযোগ পাইনা মাগনা ডাক্তর দেহাইলাম। ওরা দেইখখা, পরীক্ষা কইরা ওষুধপত্রও মাগনা দিছে। কইছে চিন্তা না করতে, বালা হয়ে যাবে।

বটতলা এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর রহমত আলী (৩৮) বলেন, আমার আমাশা-পেট খারাপের সমস্যা। বালা অয়না। গরিব মানুষ, আমরাতো ট্যাহার অভাবে আর ডাক্তর দেহাবার সুযোগ পাইন্না। হাসপাতালে গেলেও সুময়মতো ডাক্তর মিলেনা। দোকান থাইক্কা ওষুধ কিন্না খাই। এই বালা, এই খারাপ। কিন্তু এইনো ডাক্তরেরা আমগরে খুব বালা কইরা দেকছে, ওষুধ দিছে। আল্লায় হেগরে বালা করুক।

ডা. হালিমা আক্তার তৃপ্তি বলেন, আমার বাবার ইচ্ছা ছিলো, আমি যেন ডাক্তারি পাস করার পর প্রথমে নিজ এলাকায় মানুষের মাঝে চিকিৎসা সেবা দেই। এই মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সেই সুযোগ হওয়ায় গর্ববোধ হচ্ছে।

পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল মেয়ে হালিমা আক্তার একজন ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করবে। আজ আমার আশা পূরণ হয়েছে। এতে আমি খুবই খুশি। তিনি জানান, দুঃস্থ অসহায়দের জন্য তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দেড় লাখ টাকার ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগ শেরপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ মেডিকেল ক্যাম্প তরুণ চিকিৎসকদের এক অনুকরণীয় উদ্যোগ। দেশ-বিদেশের তরুণ চিকিৎসকদের দলটি কয়েক হাজার রোগীকে এ মানবিক সেবা দান ও তাদের এ সুপ্রয়াস চিকিৎসা সেবাকে এক নতুন রূপ দান করলো। সামাজিক চাহিদা এবং অ-সেবামূলক অনুশিলন যখন প্রবাহমান, তখন স্রোতের বিপরীতে একদল চিকিৎসক মানবিক শপথকে ধারণ করে গরিব-অসহায় মানুষদের সেবাদানে এক বিরল দৃষ্টান্তের মাইলফলক স্হাপন করলো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লিভার চিকিৎসায় বাংলাদেশী চিকিৎসকদের উদ্ভাবন

লিভারের রোগের নতুন ও কম খরচে চিকিৎসা পদ্ধতি বের করেছেন বাংলাদেশের চিকিৎসকদের একটি দল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এই দলটি বলেছেন, তাদের উদ্ভাবিত স্টেম সেল থেরাপি এবং বিলিরুবিন ডায়ালাইসিসের এ পদ্ধতিতে প্রচলিত যন্ত্রপাতিকেই নতুন ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে – যাতে অনেক কম খরচে অকার্যকর লিভার বা হেপাটাইটিসের চিকিৎসা করা যাবে। তারা বলেছেন, তাদের এ পদ্ধতির কথা ইতিমধ্যেই তারা কয়েকটি আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সম্মেলনে তুলে ধরেছেন।

এই গবেষণা দলের একজন বিএসএমএমইউর লিভার বিভাগের অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব বিবিসিকে বলেন, ‘লিভার সিরোসিস কিম্বা অন্য কোন কারণে যখন কারো লিভার অকার্যকর হয়ে যায় তখন এই চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। এরকম হলে একমাত্র চিকিৎসা হলো লিভার প্রতিস্থাপন। কিন্তু বাংলাদেশে দুর্ভাগ্যজনক হলেও এখনও পর্যন্ত লিভার প্রতিস্থাপন করা যাচ্ছে না। প্রতিবেশী ভারতে এই চিকিৎসায় খরচ হয় বাংলাদেশী টাকায় ৪০ লাখেরও বেশি। এজন্যে আমরা নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছি।’

এজন্যে দুটো পদ্ধতি। একটা হলো স্টেম সেল চিকিৎসা আর অন্যটি ডায়ালাইসিস। তিনি বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে লিভারকে একদম সুস্থ করতে না পারলেও এর অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। যে যন্ত্রের সাহায্যে রক্ত থেকে প্লেটিলেট আলাদা করা হয়, এই একই যন্ত্রটিকে আমরা নতুন কাজে ব্যবহার করেছি। এই মেশিনের নির্মাতার সাথেও আমরা কথা বলেছি। এই যন্ত্রটি দিয়ে আমরা যখন প্রথম স্টেম সেল সংগ্রহ করি তখন তারা অবাক হয়েছিলো। এই স্টেম সেলকে বলা হয় শরীরের রাজমিস্ত্রি। যখনই কোন অর্গানে সমস্যা হয় তখন এই স্টেম সেলের কাজ হচ্ছে সেটি মেরামত করা। আমরা একটি ইনজেকশন দেই। যখন রোগীর স্টেম সেলের সংখ্যা বেড়ে যায় তখন ওই যন্ত্রের সাহায্যে প্লেটিলেটকে আলাদা না করে স্টেম সেলকে আলাদা করেছি। তারপর স্টেম সেলগুলোকে লিভারের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘

তিনি বলছেন, যেসব রোগীর উপর তারা এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তাদের বেশিরভাগেরই লিভারের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

অধ্যাপক আল-মাহতাব জানান, তাদের এই উদ্ভাবন মার্চ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলনে তুলে ধরেছেন। আরো দুটো আন্তর্জাতিক জার্নালেও এই আবিষ্কারের কথা প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক কোন গবেষকই তাদের এই উদ্ভাবনকে চ্যালেঞ্জ করেননি। তিনি জানান, এই স্টেম সেল চিকিৎসার পেছনে খরচ পড়বে এক লাখ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকার মতো। এটা তারা এখন ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, থাইল্যান্ডে এই চিকিৎসা করতে তাদের খরচ হয় ১৬ থেকে ১৭ লক্ষ টাকার মতো।

তিনি জানান, ডায়ালাইসিস পদ্ধতিতে খরচ পড়বে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা যেটা করতে সাধারণত খরচ হয় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধের উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সন্তানের জন্মে প্রতিবন্ধকতার জন্য নারী-পুরুষ দু’জনের সমান দায় থাকতে পারে। তবে নারীর বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণের বিষয়টি নিয়ে সবাই যেমনটা সোচ্চার ও সচেতন পুরুষের বন্ধ্যাত্ব নিয়ে ততটা নয়। কিন্তু বিষয়টি খুবই গুরুতর।

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের পিছনে জীবনযাপন ও খাবার-দাবার অনেকাংশে দায়ী। কিছু পদক্ষেপ নিলে এটি প্রতিরোধ সম্ভব। যেমন:

নিয়মিত ঘুম ও শরীর চর্চা: গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম হলে শুক্রানুর পরিমাণ স্বাভাবিক থাকলেও তা গুণগতভাবে দুর্বল হয়। তাই নিয়মিত ঘুম ও শরীরচর্চার অভ্যাস থাকতে হবে। ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।

ধূমপান বন্ধ: ২০টি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণা পর্যবেক্ষণ করে ২০১৬ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় ধূমপান শুক্রানুর পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

চাপ থেকে দূরে থাকুন: যে কোনো ধরনের মানসিক চাপ ও উদ্বিগ্নতা শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং যতটুকু সম্ভব চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। এজন্য শরীরচর্চা করুন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা অনুসরণ করুন। প্রয়োজনে চাপ কমাতে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে পারেন।

ত্যাগ করতে হবে অতিরিক্ত অ্যালকোহল ও মাদকগ্রহণের অভ্যাস: গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালকোহল, মারিজুয়ানা এবং কোকেন শুক্রানুর উৎপাদন কমিয়ে দেয়। সুতরাং এসব থেকে দূরে থাকতে হবে। এগুলো একেবারে বন্ধ করে দিলে শুক্রানুর উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

কথা কথায় ওষুধ নয়: কিছু মেডিসিনও পুরুষের বন্ধ্যাত্বকে ত্বরান্বিত করতে পারে। তাই সচেতনভাবে ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। বন্ধ্যাত্ব গুরুতর পর্যায়ে চলে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে বিয়ে ছাড়াই সিঙ্গেল মা হলেন বাঙালী ডাক্তার

বিয়ের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই বৈজ্ঞানিক ভাবে স্বাধীন মাতৃত্ব সম্ভব । বন্ধ্যাত্বমোচন বিশেষজ্ঞ বাঙালী ডাক্তার শিউলি নিজেই মা হয়ে দেখালেন সবাইকে।অবশ্য এজন্য তার লড়াইও কম করতে হচ্ছে না।

ডেস্ক রিপোর্ট
বাঙালী ডাক্তার প্রমাণ করলেন , বাঙালীরাই পথ দেখাবে সচেতনতার ও বিজ্ঞানের নানা কীর্তির। তারা আলোর দিশা। অন্ধকার অচলায়তন ভেঙে শিখা চিরন্তন।
ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় । নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়।
কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি। বন্ধ্যাত্ব নিরসন তার যেন উপাসনা। শত নারীর মুখে মাতৃত্বের হাসি ফোটানো। । বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দেন সেবার ভিত্তিতে ন্যূনতম খরচে। এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন।

ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলি এখন এক পুত্র সন্তানের মা।

ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায়

 

৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’

তিনি জানান, শেষে আদালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শিশুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।

শিশু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতালে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।’

প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী-রোগ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শিশুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি।

শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অপছন্দের।

শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্রমশ একাকীত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই রেগে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।’

এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপাকি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি।

নিজের হাসপাতালের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকিৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসি পাস ‘এফসিপিএস ডাক্তার’ গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২ এপ্রিল:

রাজধানীর রামপুরা এলাকা থেকে একজন ভুয়া শিশু ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে রামপুরা পূর্ব হাজীপাড়া এলাকার যশোর মেডিসিন কর্ণারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। পরে ওই ভুয়া চিকিৎসককে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সারওয়ার আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ওয়ালী রেজা নামে ওই ব্যক্তি এইচএসসি পাস করেছেন। তবে যশোর মেডিসিন কর্ণারের সাইনবোর্ডে তিনি নিজের নামের সঙ্গে ‘এফসিপিএস ও এমডি ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক’ উল্লেখ করেছেন। কিন্তু অভিযানকালে তিনি এ সংক্রান্ত কোনো সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি’।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, প্রতারণার অভিযোগে ওয়ালী রেজাকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওজন কমায় অ্যালোভেরার শরবত!

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১মার্চ: অ্যালোভেরাকে বাংলায় বলা হয় ঘৃতকুমারী। সবুজ সরস এ উদ্ভিদের ভেষজ গুণাবলি নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এই গরমে এক গ্লাস অ্যালোভেরা শরবতে শুধু প্রশান্তিই নয়, বরং এর রয়েছে বেশকিছু উপকারিতাও।

যদিও এই পানীয়টির স্বাদ খুব একটা মুখরোচক নয় তবে এই পানীয়টি তাৎক্ষণিক ভাবে দেহের বিপাকক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এই অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত ভাবে পান করা হলে এটি শুধু যে ওজন কমাতে সাহায্য করবে তা নয় এটি আপনার চুল এবং ত্বককেও স্বাস্থ্যবান করবে। এই পানীয় গুলো যারা ওজন কমাতে চান শুধু তারাই নন বরং সবার দেহের সুস্থতার জন্যও সাহায্য করে। তাই আর দেরি না করে আজ থেকেই পান করা শুরু করুন অ্যালোভেরার জুস এবং ওজন কমানোর গতিতে করুন ত্বরান্বিত।

ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।

অ্যালোভেরা শরবতের রেসিপি:

উপকরণ: ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা ১টি, পানি ১ গ্লাস, মধু ১ চা-চামচ, বিট লবণ, কাঁচা মরিচ।

প্রণালি: ঘৃতকুমারীর ( এর জেল বা শাস চামচ দিয়ে বের করে আনুন) ভেতর থেকে শাঁস নিয়ে পানি, মধু, বিট লবন, কাঁচা মরিচ দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। আপনার পছন্দ মত টেস্ট চেঞ্জ করতে পারেন। কাঁচা মরিচের বদলে লেবু আর গোল মরিচ এর গুড়া দিতে পারেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন?

সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মূল বিষয় এটি।

চলুন জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’

গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।

যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু, যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে জয Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।

রক্তের যে সকল গ্রুপ রয়েছে তা হলো: এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, এবি নেগেটিভ, ও পজেটিভ এবং ও নেগেটিভ।

স্বামীর রক্তের গ্রুপ স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সন্তানের অবস্থান:
পজিটিভ(+) পজেটিভ(+) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) নেগেটিভ (-) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) পজেটিভ (+) সুস্থ সন্তান
পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) প্রথম সন্তান সুস্থ, দ্বিতীয় থেকে সমস্যা

উল্লেখ্য, প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হলো এবিও পদ্ধতি (এ, বি, এবি এবং ও) অন্যটা আরএইচ ফ্যাক্টর (আরএইচ পজেটিভ এবং আরএইচ নেগেটিভ)। এ রেসাস ফ্যাক্টরই ঠিক করে দেয় ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চিকিৎসকদের নামের পাশে এসব কিসের ডিগ্রি?

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৬ ফেব্রুয়ারী : দেশের চিকিৎসকদের মধ্যে অনেককেই প্রেসক্রিপশন ও ভিজিটিং কার্ডে বিচিত্র সব ডিগ্রি লিখতে দেখা যায়। এর মধ্যে পিজিটি, বিএইচএস, এফআরসিপি, এফআরএইচএস, এফআইসিএ, এফআইসিএস, এফএএমএস, এফআইএজিপি’র মতো বিভিন্ন ডিগ্রি ও ট্রেনিং কোর্সও রয়েছে। এসব ডিগ্রি ও কোর্সকে প্রতারণামূলক উল্লেখ করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। ওই নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, এসব ডিগ্রি কোনও স্বীকৃত চিকিৎসা শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা বিএমডিসি স্বীকৃত নয়। আর এসব ডিগ্রিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে অভিহিত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ট্রেজারার ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল।

এর ধরনের ভুয়া ডিগ্রি রোধে ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল  বিএমডিসি থেকে একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়ে, কোনও কোনও নিবন্ধিত চিকিৎসক/দন্তচিকিৎসক তাদের সাইনবোর্ড, প্রেসক্রিপশন প্যাড, ভিজিটিং কার্ড ইত্যাদিতে পিজিটি, বিএইচএস, এফসিপিএস (পার্ট-১), (পার্ট-২), এমডি (ইনকোর্স) (পার্ট-১)-(পার্ট-২), (থিসিস পর্ব), (লাস্ট পার্ট), কোর্স কমপ্লিটেড (সিসি), এম (ইনকোর্স) (পার্ট-১)-(পার্ট-২), (থিসিস পর্ব) (লাস্ট পার্ট), কোর্স কমপ্লিটেড (সিসি) ইত্যাদি এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ফেলোশিপ এবং ট্রেনিংসমূহ যেমন এফআরসিপি, এফআরএইচএস, এফআইসিএ, এফআইসিএস, এফএএমএস, এফআইএজিপি ইত্যাদি উল্লেখ করছেন, যা কোনও স্বীকৃত চিকিৎসা শিক্ষাগত যোগ্যতা নয় এবং বিএমডিসি থেকে স্বীকৃত নয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি না থাকার পরও কেউ কেউ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সার্জারি বিশেষজ্ঞ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ, গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাদের পরিচিতি দিয়ে তা প্রেসক্রিপশন প্যাড, সাইনবোর্ড, ভিজিটিং কার্ড ইত্যাদিতে ব্যবহার করেন, যা জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণামূলক কাজ হিসেবে গণ্য। একইসঙ্গে সব নিবন্ধিত চিকিৎসক/দন্ত চিকিৎসককে বিএমডিসির স্বীকৃতিবহির্ভূত কোনও ডিগ্রি, পদবি, ফেলোশিপ, ট্রেনিং ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ স্বীকৃত পোস্ট গ্র্যাজুয়েশান ডিগ্রি না থাকার পরও নামের পর বিশেষজ্ঞ পদবি ব্যবহার না করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

বিএমডিসি সূত্র জানায়, বিএমডিসি স্বীকৃত দেশি ডিগ্রির বাইরে দেশের বাইরে থেকে যেসব চিকিৎসক বিভিন্ন উচ্চতর ডিগ্রি এবং ফেলোশিপ নিয়ে আসেন, তাদের সেসব ডিগ্রি ২০১১ সাল থেকে পরীক্ষার মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এপ্রিল ও অক্টোবর দুবার এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বাইরে থেকে ফেলোশিপ করে আসা বা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আসা কোনও চিকিৎসক প্রথমে তার ডিগ্রি অনুমোদনের জন্য বিএমডিসির কাছে আবেদন করেন। এরপর তার তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে পরীক্ষায় পাসের মাধ্যমেই এই ডিগ্রি ব্যবহারের অনুমোদনে মেলে। বিএমডিসি নির্ধারিত ৫ সদস্যের কমিটি এই পরীক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন। দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনও উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করে আসা চিকিৎসক পরীক্ষায় ফেল করলে তার ডিগ্রি বাতিল বলে গণ্য হয়।

বিএসএমএমইউ’র ট্রেজারার ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল বলেন, ‘বিএমডিসি স্বীকৃত ডিগ্রি দেখেই সত্যিকারের চিকিৎসক চেনা সম্ভব। বিএমডিসি এমবিবিএস এবং বিডিএস ডিগ্রিধারীদের জন্য বিএমডিসি এফসিপিএস, পিএইচডি, এমডি, এমএস, এমফিল, আর কিছু ডিপ্লোমাকে অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া যে ডিগ্রিগুলো চিকিৎসকরা তাদের নামের সঙ্গে ব্যবহার করেন, তা বেআইনি। একটা সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীরাও বিডিএস আপার, লোয়ার এসব শব্দ ব্যবহার করত। এগুলো পুরোপুরি ভুয়া।’

অনুমোদসহীন ডিগ্রির ব্যবহার

 

বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০-এর ২৯ (১) ধারায় ভুয়া পদবি, ডিগ্রি ইত্যাদি ব্যবহার নিষিদ্ধের শাস্তির ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অধীন নিবন্ধনকৃত কোনও মেডিক্যাল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এমন কোনও নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করবেন না, যার ফলে তার কোনও অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে বলে কেউ মনে করে, যদি না তা কোনও স্বীকৃত মেডিক্যাল চিকিৎসা শিক্ষাযোগ্যতা বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসা শিক্ষাযোগ্যতা হয়ে থাকে।

উপধারা (১)-এর এই বিধান কেউ লঙ্ঘন করলে তার শাস্তি হিসেবে উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি উপধারা (১)-এর বিধান লঙ্ঘন করলে, তা হবে একটি অপরাধ এবং তার জন্য তিনি ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অপরাধ অব্যাহত থাকলে, প্রত্যেকবার পুনরাবৃত্তির জন্য কমপক্ষে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা বর্ণিত দণ্ডের অতিরিক্ত হিসেবে দণ্ড পাবেন।

বিএমডিসির রেজিস্ট্রার ডা. মো. জাহেদুল হক বসুনিয়া বলেন, ‘আমাদের দেশের চিকিৎসকরা তাদের নামের সঙ্গে যেসব ডিগ্রি লিখবেন, সেগুলো অবশ্যই বিএমডিসি থেকে স্বীকৃত হতে হবে। কেউ যেন অনুমোদনহীন কোনও ডিগ্রি ব্যবহার না করে এর জন্য আমরা সতর্ক করেছি। আমরা চিকিৎসকদের সচেতনতার ব্যাপারেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। অবশ্য এখন পর্যন্ত এর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া হয়নি।’

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এখন নিজেদের নামের পাশে চিকিৎসকদের বাড়তি ডিগ্রি ব্যবহারের প্রবণতা অনেক কমে এসেছে। ঢাকা এবং সারাদেশের চিকিৎসকদের আমরা বিএমডিসির নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছি। কিছু সিনিয়র চিকিৎসক হয়তো এখনও এটা ব্যবহার করছেন। বহু দিনের অভ্যাস তো, বদলাতে সময় লাগে। তবে আমার বিশ্বাস, চিকিৎসকদের সচেতনতার কারণে বাড়তি ডিগ্রি আর ব্যবহৃত হবে না।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের শরীর ফিট রাখবে যে খাবার

রামিয়া আসাদ আফরা:
নারী ও পুরুষের দেহের গঠন দেখতে প্রায় এক হলেও অভ্যন্তরীণ গঠনে রয়েছে অনেক পার্থক্য। তাছাড়া নারী ও পুরুষের দৈহিক কাজের ধরন, শক্তির চাহিদা, সব কিছুই আলাদা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে ও শরীর ফিট রাখতে প্রয়োজন বিশেষ যত্ন। আর শরীর ফিট রাখতে পারেন শুধুমাত্র কিছু খাবার থেকেই। আসুন তাহলে জেনে নিই কোন কোন খাবার থেকে আপনি পেতে পারেন শরীর ফিট রাখার মন্ত্র।
দই: শরীর ভালো রাখতে দই বিশেষভাবে কাজ করে। দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য বেশ উপকারী এবং বয়সের কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধে দই বিশেষভাবে কাজ করে। দইয়ে ক্যালসিয়ামও থাকে, যা প্রোটিনের ভালো উৎস। প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়া হজমে সাহায্য করে। এতে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস ও ভিটামিন১২ রয়েছে। বাদাম: বাদাম কমবেশি সবারই খুব প্রিয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় বাদাম রাখা জরুরি। বাদামে দরকারি ভিটামিন ও পুষ্টি আছে। বাদাম খেলে ভালো থাকে পুরুষের শরীর।
মাছের তেল: প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মাছ রাখা জরুরি। মাছের তেলে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, যা শরীরের কোষের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ঠিকমতো চালাতে সাহায্য করে। মাছের তেলে আছে উচ্চমাত্রার হজমে সহায়ক প্রোটিন। এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে এবং বয়সের ছাপ কমায়।
অ্যাভাকোডা: পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে অ্যাভাকোডা অন্যতম। কেননা এর মধ্যে আছে নানা ঔষুধি গুণও। রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। এছাড়া অ্যাভাকোডায় আছে ভালো কোলেস্টেরল, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে। টমেটো: টমেটোর আছে নানা গুণ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’, যা আমাদের ত্বক সুন্দর রাখে। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটো থেকে শক্তি পাওয়া যায় প্রায় ২০ ক্যালরি। লাইকোপেন নামের এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে টমেটোর রং লাল হয়। আর লাইকোপেন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
গ্রিন টি: তারুণ্য ধরে রাখতে গ্রিন টি বা সবুজ চায়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। সবুজ চায়ে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান ও খনিজ পদার্থ। যেমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ভাঁজহীন ত্বক ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে। তবে কারো শারীরিক সমস্যা থাকলে প্রথমে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নিন। তারপর পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter