Home » স্বাস্থ্য চিকিৎসা

স্বাস্থ্য চিকিৎসা

জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



ওষুধ তৈরি প্রতিষ্ঠান সানোফি বাংলাদেশ ছেড়ে যাচ্ছে না




হ্যাপি আক্তার : আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ওষুধ প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি বাংলাদেশ থেকে নিজেদের শাখা প্রতিষ্ঠান গুটিয়ে নিচ্ছে না। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন সানোফির জেনারেল ম্যানেজার রামপ্রসাদ ভাট। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে সানোফি। দেশের অনৈতিক বিপণনব্যবস্থাকে দায়ী করে তাদের সকল পণ্যসহ চলে যাচ্ছে সানোফি। যা নিছক গুজব বলে জানান তিনি।

ফরাসি এ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ করছে ১৯৫৮ সাল থেকে। সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেডের মোট শেয়ারের মধ্যে ৪৫.৩৬ শতাংশ মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে পরিচালিত এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। বাকি অংশের মালিকানায় রয়েছে সানোফি। এ দেশে তাদের এক হাজার কর্মী রয়েছে। ওষুধ উৎপাদন, মজুদ ও সরবরাহে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখে সানোফি, এমন স্বীকৃতি রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। ঢাকার টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠানটির কারখানা রয়েছে।
সানোফির বাংলাদেশ ত্যাগের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলো কর্মীরা। দেশ ছেড়ে না যাবার সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে সানোফিতে কর্মরত কর্মীদের।


বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে পুরুষের অান্ডরওয়ার!

অনলাইন ডেস্ক:
বর্তমানে বিশ্বে তুলনামূলক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বন্ধ্যাত্বের পরিমাণ। পিতৃত্ব সুখ পেতে চাইলে পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০-৫০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ি পুরুষেরাই। ধূমপান,মদ্যপান, ব্যায়াম— এ সব কিছুই শুক্রাণুর সংখ্যার ওপর প্রভাব ফেলে। এমনকি অন্তর্বাসও প্রভাব ফেলে এর ওপর।



অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিপ্রোডাকশন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে উঠে এসেছে এমন বিচিত্র তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরলে কমে যায় শুক্রাণুর সংখ্যা। অন্যদিকে, যারা অপেক্ষাকৃত ঢিলেঢালা, আরামদায়ক অন্তর্বাস পরেন, তাদের শুক্রাণুর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকে।

ব্রিটিশ গবেষক লিডিয়া মিনগুয়েজ-অ্যালারসিয়ন জানান,শুক্রাণু উৎপাদনের ওপর অন্তর্বাসের কোনো প্রভাব রয়েছে কিনা তা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই গবেষণা চলছে। এই গবেষণার জন্য ১৮ থেকে ৫৬ বছর বয়সি মোট ৬৫৬ জন পুরুষকে বেছে নিয়েছিলেন যারা বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা খুঁজছিলেন। গবেষণায় তাদের রক্ত ও শুক্রাণুর নমুনা নেওয়া হয় এবং তাদের অন্তর্বাসের ব্যাপারে কিছু প্রশ্নের উত্তর নেওয়া হয়।

এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৪৫ জন পুরুষ জানান, তারা সাধারণত আরামদায়ক ও ঢিলেঢালা অন্তর্বাস পরেন। এই ৩৪৫ জন পুরুষ ছিলেন কমবয়সি ও অপেক্ষাকৃত কম স্বাস্থ্যের অধিকারী। গবেষণায় দেখা যায়, ৩৪৫ জনের শুক্রাণুর সংখ্যার অন্যদের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি ছিল। স্পার্ম কনসেনট্রেশন ছিল ২৫ শতাংশেরও বেশি, মোটাইল বা সক্রিয় শুক্রাণু ছিল ৩৩ শতাংশের বেশি।

অন্যদিকে, আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরার অভ্যাস রয়েছে যাদের, তাদের শুক্রাণুর সংখ্যা অনেকটাই কম। এ বিষয়ে অধ্যাপক লিডিয়ার মত, গরম বা উষ্ণতা পুরুষদের শুক্রাণুর উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে, কুপ্রভাব ফেলে শুক্রাণুর সংখ্যার উপর।

বিশ্বের অনেক গবেষকের মতে, এ গবেষণায় শুধুমাত্র অন্তর্বাসের ধরন দেখা হয়েছে। এই অন্তর্বাস তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড় বা অন্তর্বাসের ওপর পরা প্যান্টের ধরণ নিয়ে কোনও প্রশ্ন বা পরীক্ষা করা হয়নি যা এই গবেষণার একটি সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা যেতে পারে। এই গবেষণার সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে অধ্যাপক লিডিয়া মিনগুয়েজ-অ্যালারসিয়ন জানান, সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এই গবেষণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ বিষয়ে এত বেশি মানুষের ওপর গবেষণা আগে কখনও হয়নি।

১১টি হোমিও ঔষধ সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে

ডাঃ এস কে দাস:

ডায়াবেটিসঃ

ডায়াবেটিস (Diabetes) একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে Pancreas (অগ্নাশয়) বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়। সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।



ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহঃ

ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
জ. চোখে কম দেখা।

ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমার এই নিজস্ব ফরমূলাটি(৪ বছরের গবেষনার মাধ্যমে) অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ।
তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। আমার এই কম্বিনেশন মেডিসিন নিয়মিত সেবন করলে আপনি আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।
আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। আমার এই গবেষনাটি সস্পূর্ণ বিনামূল্যে মানব সেবাই কাজে লাগাতে চাই। আপনার যে কোন প্রয়োজনে আপনি আমাকে ফোন করতে পারেন।

ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
01557631097

ব্যাক পেইন হলে যা করবেন?

ডেস্ক,৫ সেপ্টেবর:
কমবেশি সবার ব্যাক পেইন অর্থাৎ কোমরের বা মাজার ব্যথা হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্যে এই সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করতে পারে। একটানা চেয়ারে বসে থাকলে বা দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে, এটি হতে পারে। শুধু ওষুধ খেলেই যে এই সমস্যার সমাধান মেলে, তা নয়।

ব্যাক পেইন কেন হয়?


বিভিন্ন কারণেই ব্যাক পেইন হতে পারে। মূলত মেরুদণ্ড বা স্পাইন-সম্পর্কিত ব্যথাকেই আমরা ব্যাক পেইন বলা বলে থাকি। স্নায়ু, পেশি, হারজোড় ইত্যাদি কারণেই ব্যাক পেইন দেখা যায়। মেরুদণ্ডের পেশি, স্নায়ু, হাড়ের জোড়া যদি সঠিক অবস্থানে সঠিক কাজ না করতে পারে, তাহলে ব্যথা সৃষ্টি হয়।

ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে মাত্র কয়েক মিনিট ব্যায়াম করলেই যথেষ্ঠ।

যেভাবে ব্যায়াম করবেন?

১. দরজার পাল্লায় দুই হাত রেখে দাঁড়ান। এপর সামনের দিকে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করতে থাকুন যতক্ষণ না কাঁধের পেশিতে টান পড়ছে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে রিপিট করুন। এভাবে ৩-৪ বার করুন।

২. দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়ান। এক পা পিছিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন সামনের পায়ের হাঁটু ভাঙবে কিন্তু পেছনের পা সোজা থাকবে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে করুন। প্রতি পা ৩ বার করে করবেন।

৩. প্রতিটি ব্যায়াম করার সময় ৫-৬ বার গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন শরীরের কোথাও খুব চাপ না পড়ে। সব থেকে ভালো হয় সকালে ব্যায়াম করলে, তবে যদি করা সম্ভব না হয়, তাহলে দিনের যেকোনো সময় ব্যায়াম করে নিন।

তবে ব্যথার অনেক দিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

১৬২৬৩ ডায়াল করলে মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার

স্বাস্থ্য ডেস্ক,২৮ আগষ্ট:
স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি সেবা। এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়া যাবে। এই হেল্পলাইন দিনরাত ২৪ ঘন্টা গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত।


ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অন্যান্য যেকোন তথ্য এবং ফোন নাম্বার পাওয়া যাবে। সরকারী, বেসসরকারী স্বাস্থ্যসেবা অথবা হাসপাতাল বিষয়ক কোন অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলেও এই নম্বরে জানানো যাবে।

স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে সেবা নেওয়া ইকরামোতুল্লাহ নামে এক সেবাগ্রহীতা জানান, তার কয়েকদিন থেকে গলা ব্যথা ও শুকনো কাঁশি সারছে না। ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন দিলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে শূন্য চাপতে বলা হয়। আর সঙ্গে সঙ্গেই অপরপ্রান্ত থেকে ডাক্তার দিল আফরোজ সমস্যার কথা জানতে চান।

সব শুনে তিনি গরম পানি দিয়ে কুলকুচির পরামর্শ ছাড়াও মোবাইলে মেসেজ করে চিকিৎসাপত্র পাঠিয়ে দেন।

ব্যথায় ঠাণ্ডা না গরম সেঁক দেবেন?

ব্যথা হলে সেঁক দেয়ার প্রথা সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। সেঁক রোগীর ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যথার স্থানে সেঁক দিলে অনেক ভালো লাগে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথাও কমে যায়।


কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ব্যথা হলে কোন ধরনের সেঁক দিতে হয় বা কোন সেঁক দেয়া উচিত এবং কোনটা কোথায় কিভাবে কাজ করে। অনেকে আবার ব্যথা হলেই গরম সেঁক দিয়ে থাকেন।

কিন্তু গবেষকরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা পেলে যেমন হঠাৎ আঘাত পেয়ে ফুলে গেলে, লাল হয়ে গেলে, মচকে গেলে ইত্যাদি স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হবে। অনেক দিনের ব্যথা অর্থাৎ ক্রোনিক ব্যথার স্থানে গরম সেঁক দিতে হবে।

ঠাণ্ডা সেঁক কিভাবে দেবেন:
ব্যথার স্থানে ঠাণ্ডা সেঁক দিনে ১০ – ১৫ মিনিট প্রয়োজন অনুযায়ী সকালে ১ বার ও রাতে ১ বার দেবেন। কখনও কখনও ৩-৪ বার ঠাণ্ডা সেঁক দিতে হতে পারে। সেঁক দেয়ার আগে নারিকেল তেল ও রসুন একসঙ্গে গরম করে (কিছুক্ষণ গরম করার পর লালচে রঙ হলে তা ঠাণ্ডা করুন) ওই স্থানে হালকা লাগিয়ে ঠাণ্ডা ভেজা সুতি কাপড়ের ওপর দিয়ে বরফ লাগিয়ে সেঁক দেবেন। অসুস্থ জয়েন্ট এবং টেনডনে রক্তের প্রবাহ, নার্ভ অ্যাক্টিভিটি, ব্যথা এবং ফোলা কমায় ঠাণ্ডা সেঁক।

ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:
যাদের বোধ কম আছে তারা ঠাণ্ডা সেঁক বাড়িতে ব্যবহার করবেন না। কারণ, লেস সেনসরির কারণে নার্ভ বা টিস্যু ডেমেজ হয়ে গেলে বুঝতে পারবে না। যাদের ডায়াবেটিক আছে তাদের ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার না করাই ভালো। কেননা, ঠাণ্ডা সেঁক সেনসেশন কমিয়ে দেয়। মাসেল এবং জয়েন্ট স্টিফ থাকলে ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও যাদের পুওর সারকুলেশন তাদের ঠাণ্ডা সেঁক দেওয়া উচিত নয় ।

গরম সেঁক কিভাবে দেবেন:
বেশি দিনের ব্যথা হলে গরম সেঁক দিতে হবে। প্রথমে গরম পানিতে টাওয়াল ভিজিয়ে নিংড়িয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। এরপর ভেজা টাওয়েল শুকনা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন তাড়াতাড়ি গরম ভাপ বের না হয়ে যায়। এভাবে ১০-১৫ মিনিট সেঁক দিন। এছাড়াও হট ওয়াটার ব্যাগে গরম সেঁক নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন, গরম পানিতে টাওয়াল ব্যবহার করে সেঁক দেয়া বেশি কার্যকরী।গরম সেঁক ব্যথাযুক্ত স্থানে সারকুলেশন বাড়িয়ে মাসেল এর ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়, ডেমেজ টিস্যু সুস্থ করতে সাহায্য করে ।

গরম সেঁক ব্যবহারের সতর্কতা:

গরম সেঁক ফোলা এবং ক্ষত স্থানে ব্যবহার করা যাবে না। যদি আপনার হার্টের সমস্যা বা হাইপারটেনশন থাকে তাহলে গরম সেঁক ব্যবহারের আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যা করবেন

আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় মাছ থাকেই। অনেক সময় তাড়াহুড়ার কারণে বা অসাবধানতাবশত মাছের কাঁটা গলায় বিঁধে যায়। কিন্তু কাঁটার ভয়ে মাছ খাওয়া তো আর বাদ দেওয়া যায় না। আসুন জেনে নিই গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে নেওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-


১. গরম পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। লেবুর রসের অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দেবে। ফলে গলায় বিঁধে থাকা কাঁটা সহজেই নেমে যাবে।
Read More »

১১টি হোমিও ঔষধে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি

ডাঃ এস কে দাস: ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিমূর্ল করার জন্ আমার এই ফরমূলাটি অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ।



তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই। Read More »

আপনি কি পুত্র/কন্যা সন্তান চান তাহলে জেনে নিন কি করবেন?

নারীর শরীরে প্রতি মাসে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা থাকে যখন ডিম্বপাত হয়। ডিম্বপাতের তিন দিন আগে থেকে শুরু করে এক দিন পর পর্যন্ত হল গর্ভধারণের জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। কারণ ডিম্ব কার্যকরী থাকে মাত্র ২৪ ঘণ্টা, কিন্তু শুক্রাণু নারীর শরীরে পাঁচ দিন পর্যন্ত কার্যকরী থাকতে পারে। এই সময়টাই গর্ভধারণ এর উপযুক্ত সময়।

এবার দেখব কিভাবে ঠিক করা যেতে পারে সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে।

Read More »

ফার্টিলিটি চিকিৎসক যখন নিজেই ৪৯ নারীকে শুক্রানু দিলেন!

ডেস্ক,১৩ এপ্রিল:
হেগ: নেদারল্যান্ডস এর ঘটনা। সেখানে একজন ফার্টিলিটি চিকিৎসকের কাজ ছিল সন্তান জন্মদানে সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ডাক্তারি সহায়তা দেয়া এবং তাদের সন্তান নিতে সহায়তা করা।

কিন্তু তিনি এসব ব্যক্তিদের অনুমতি না নিয়ে নিজেই ৪৯ টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। খবর বিবিসির

সেই চিকিৎসক বছর দুয়েক আগে মারাও গেছেন। এখন ডিএনএ পরীক্ষায় ধীরে ধীরে এসব তথ্য বের হচ্ছে।

ঠিক কি ঘটেছিলো?
ডা. ইয়ান কারবাতের ক্লিনিক ছিল নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম এলাকায়।

এসব ক্লিনিকে আসতেন সন্তান নিতে সমস্যা রয়েছে এমন নারী ও দম্পতিরা।

ফার্টিলিটি ক্লিনিকের একটি কাজ হল কোন পুরুষের কাছ থেকে তার দান করা শুক্রাণু সংগ্রহ করা।

অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু দানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়।

আবার অনেক সময় চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিরা শুক্রাণু দানকারীকে নিজেরা পছন্দ করে নিয়ে আসেন।

এরপর সেই শুক্রাণু দিয়ে ল্যাবে ভ্রূণ তৈরির পর সহায়তা নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্তান জন্মদানে সহায়তা করf হয়।

ডা. ইয়ান কারবাতে এসব ক্ষেত্রে নিজেই নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করতেন বলে এখন জানা যাচ্ছে।

তাও আবার চিকিৎসা সহায়তা নিতে আসা লোকজনের কোন অনুমতি ছাড়াই। Read More »

ঘুমিয়ে থেকেই বাড়বে স্মৃতিশক্তি

কাজের চাপে কি প্রায়ই এটা-সেটা ভুলে যাচ্ছেন বা স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে? এর পরিণাম কিন্তু হতে পারে ভয়ঙ্কর। আর সেজন্যই স্মৃতিশক্তিকে মজবুত করার নানা উপায় খুঁজতে মরিয়া বিজ্ঞানীরা। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে দিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন পরামর্শ। সেসব পরামর্শের বেশিরভাগই খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে প্রতিদিনের জীবন আচরণের।

তবে গবেষকরা সম্প্রতি এমন একটা উপায় খুঁজে পেয়েছেন যা ঘুমের মধ্যেই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাইয়ের নেতৃত্বে হয় এই গবেষণা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে করা এই সংক্রান্ত গবেষণার নিবন্ধটি জেনিউরোসায়েন্স নামের গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে সায়েন্স ডেইলি পত্রিকার এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকরা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ঘুমের মধ্যেই মস্তিষ্ককে বাহ্যিক উদ্দীপনা দেন। তারা দেখেন কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এই কৌশলে মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়ছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো এই পদ্ধতিতে সুস্থ মানুষ থেকে শুরু করে রোগীদেরও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

সায়েন্স ডেইলি বলছে, এই পদ্ধতিতে আসলে মস্তিষ্কের এক অংশ থেকে আরেক অংশে স্মৃতি স্থানান্তর করা হয়। গবেষকরা মানুষের ঘুমের মধ্যে সিঙ্ক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস এলাকার স্মৃতিকে নিওকর্টেক্সে স্থানান্তর করেন।

অধ্যাপক নিকোলাস কেজ ও প্রাভিন পিল্লাই দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক উপায়ে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য কাজ করছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তারা ক্লোস-লুপ একমুখী বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা চালনা করেন। তবে এর কারণে যেন ঘুমের কোনো ব্যাঘাত না ঘটে সে বিষয়েও সচেতন ছিলেন গবেষকরা।

গবেষণার অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের কিছু বিষয় আগে দেখানো হয় ও কিছু বিষয় শনাক্ত করতে দেওয়া হয়। পরের দিন সে বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন দেখা যায় সারা রাত যাদের মস্তিষ্কে উদ্দীপনা দেওয়া হয়েছিল তারা অন্যদের তুলনায় আগের দিন দেখানো বিষয়গুলো নির্ভুলভাবে বলতে পারছেন বা ছবিতে দেখানো বিষয়গুলো শনাক্ত করতে পারছেন।

গবেষকদের আশা নতুন এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে স্নায়ুর রোগের চিকিৎসায়ও সহায়তা করবে।

১২ জন সহকর্মীকে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করলেন তরুণী চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেরপুর সদরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা গ্রামে শুক্রবার দরিদ্র-অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেন তিন নেপালিসহ ১২ তরুণ চিকিৎসক। রোগী দেখে পরীক্ষ-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থাপত্র দেয়ার পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও প্রদান করা হয়।

রাজধানীর শিকদার মেডিকেল কলেজ থেকে সদ্য এমবিবিএস পাস করা এসব চিকিৎসকের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পেয়ে দারুণ খুশি গ্রামের সাধারণ রোগীরা। পাকুড়িয়ার চৈতনখিলা নিজাম উদ্দিন মডেল কলেজে দিনভর একটি মেডিকেল ক্যাম্প করে এসব তরুণ চিকিৎসক রোগীদের সেবা দেন। এতে পাকড়িয়া ইউনিয়ন ও আশপাশের গ্রামের প্রায় তিন হাজার শিশু, নারী-পুরুষকে চিকিৎসা সেবা, ব্যবস্থাপত্রসহ ওষুধ প্রদান করা হয়।

মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্যোক্তা পাকুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ডা. হালিমা আক্তার তৃপ্তি। তিনি তার মেডিকেল সহপাঠী চিকিৎসকদের নিয়ে গ্রামের দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ করে দেন। চিকিৎসক দলে ছিলেন-ডা. আস্থা দাওয়ারী (নেপাল), ডা. নিরঞ্জনা থাপা (নেপাল), ডা. সূষমা ভান্ডারি (নেপাল), ডা. মোহাম্মদ আলী বাবু, ডা. গোলাম রব্বানী, ডা. জুঁইপাল, ডা. শারমীন আক্তার তাপতী, ডা. সালমান রহমান ববি, ডা. ইফফাত আরা জুঁই, ডা. সোনিয়া আক্তার তুলি, ডা. ইশিতা জাহিদ বন্যা। ডা. তৃপ্তি পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মো. হায়দার আলীর মেয়ে।

Sherpur-Pic-2

বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে গণই ভরুয়াপাড়া গ্রামের চাতাল শ্রমিক হালিমা বেগম (৪২) বলেন, মেলাদিন (দীর্ঘদিন) ধইরা পরসাবের জালাপুড়া আর পেটের ব্যথায় ভুগতাছিলাম। কিন্তু টেহার অভাবে ডাক্তর দেহাবার পাইতাছিলাম না। আইজন সুযোগ পাইনা মাগনা ডাক্তর দেহাইলাম। ওরা দেইখখা, পরীক্ষা কইরা ওষুধপত্রও মাগনা দিছে। কইছে চিন্তা না করতে, বালা হয়ে যাবে।

বটতলা এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর রহমত আলী (৩৮) বলেন, আমার আমাশা-পেট খারাপের সমস্যা। বালা অয়না। গরিব মানুষ, আমরাতো ট্যাহার অভাবে আর ডাক্তর দেহাবার সুযোগ পাইন্না। হাসপাতালে গেলেও সুময়মতো ডাক্তর মিলেনা। দোকান থাইক্কা ওষুধ কিন্না খাই। এই বালা, এই খারাপ। কিন্তু এইনো ডাক্তরেরা আমগরে খুব বালা কইরা দেকছে, ওষুধ দিছে। আল্লায় হেগরে বালা করুক।

ডা. হালিমা আক্তার তৃপ্তি বলেন, আমার বাবার ইচ্ছা ছিলো, আমি যেন ডাক্তারি পাস করার পর প্রথমে নিজ এলাকায় মানুষের মাঝে চিকিৎসা সেবা দেই। এই মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সেই সুযোগ হওয়ায় গর্ববোধ হচ্ছে।

পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল মেয়ে হালিমা আক্তার একজন ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করবে। আজ আমার আশা পূরণ হয়েছে। এতে আমি খুবই খুশি। তিনি জানান, দুঃস্থ অসহায়দের জন্য তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দেড় লাখ টাকার ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগ শেরপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ মেডিকেল ক্যাম্প তরুণ চিকিৎসকদের এক অনুকরণীয় উদ্যোগ। দেশ-বিদেশের তরুণ চিকিৎসকদের দলটি কয়েক হাজার রোগীকে এ মানবিক সেবা দান ও তাদের এ সুপ্রয়াস চিকিৎসা সেবাকে এক নতুন রূপ দান করলো। সামাজিক চাহিদা এবং অ-সেবামূলক অনুশিলন যখন প্রবাহমান, তখন স্রোতের বিপরীতে একদল চিকিৎসক মানবিক শপথকে ধারণ করে গরিব-অসহায় মানুষদের সেবাদানে এক বিরল দৃষ্টান্তের মাইলফলক স্হাপন করলো।

লিভার চিকিৎসায় বাংলাদেশী চিকিৎসকদের উদ্ভাবন

লিভারের রোগের নতুন ও কম খরচে চিকিৎসা পদ্ধতি বের করেছেন বাংলাদেশের চিকিৎসকদের একটি দল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এই দলটি বলেছেন, তাদের উদ্ভাবিত স্টেম সেল থেরাপি এবং বিলিরুবিন ডায়ালাইসিসের এ পদ্ধতিতে প্রচলিত যন্ত্রপাতিকেই নতুন ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে – যাতে অনেক কম খরচে অকার্যকর লিভার বা হেপাটাইটিসের চিকিৎসা করা যাবে। তারা বলেছেন, তাদের এ পদ্ধতির কথা ইতিমধ্যেই তারা কয়েকটি আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সম্মেলনে তুলে ধরেছেন।

এই গবেষণা দলের একজন বিএসএমএমইউর লিভার বিভাগের অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব বিবিসিকে বলেন, ‘লিভার সিরোসিস কিম্বা অন্য কোন কারণে যখন কারো লিভার অকার্যকর হয়ে যায় তখন এই চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। এরকম হলে একমাত্র চিকিৎসা হলো লিভার প্রতিস্থাপন। কিন্তু বাংলাদেশে দুর্ভাগ্যজনক হলেও এখনও পর্যন্ত লিভার প্রতিস্থাপন করা যাচ্ছে না। প্রতিবেশী ভারতে এই চিকিৎসায় খরচ হয় বাংলাদেশী টাকায় ৪০ লাখেরও বেশি। এজন্যে আমরা নতুন এই চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছি।’

এজন্যে দুটো পদ্ধতি। একটা হলো স্টেম সেল চিকিৎসা আর অন্যটি ডায়ালাইসিস। তিনি বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে লিভারকে একদম সুস্থ করতে না পারলেও এর অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব। যে যন্ত্রের সাহায্যে রক্ত থেকে প্লেটিলেট আলাদা করা হয়, এই একই যন্ত্রটিকে আমরা নতুন কাজে ব্যবহার করেছি। এই মেশিনের নির্মাতার সাথেও আমরা কথা বলেছি। এই যন্ত্রটি দিয়ে আমরা যখন প্রথম স্টেম সেল সংগ্রহ করি তখন তারা অবাক হয়েছিলো। এই স্টেম সেলকে বলা হয় শরীরের রাজমিস্ত্রি। যখনই কোন অর্গানে সমস্যা হয় তখন এই স্টেম সেলের কাজ হচ্ছে সেটি মেরামত করা। আমরা একটি ইনজেকশন দেই। যখন রোগীর স্টেম সেলের সংখ্যা বেড়ে যায় তখন ওই যন্ত্রের সাহায্যে প্লেটিলেটকে আলাদা না করে স্টেম সেলকে আলাদা করেছি। তারপর স্টেম সেলগুলোকে লিভারের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘

তিনি বলছেন, যেসব রোগীর উপর তারা এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তাদের বেশিরভাগেরই লিভারের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

অধ্যাপক আল-মাহতাব জানান, তাদের এই উদ্ভাবন মার্চ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলনে তুলে ধরেছেন। আরো দুটো আন্তর্জাতিক জার্নালেও এই আবিষ্কারের কথা প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক কোন গবেষকই তাদের এই উদ্ভাবনকে চ্যালেঞ্জ করেননি। তিনি জানান, এই স্টেম সেল চিকিৎসার পেছনে খরচ পড়বে এক লাখ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকার মতো। এটা তারা এখন ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, থাইল্যান্ডে এই চিকিৎসা করতে তাদের খরচ হয় ১৬ থেকে ১৭ লক্ষ টাকার মতো।

তিনি জানান, ডায়ালাইসিস পদ্ধতিতে খরচ পড়বে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা যেটা করতে সাধারণত খরচ হয় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা।

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধের উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সন্তানের জন্মে প্রতিবন্ধকতার জন্য নারী-পুরুষ দু’জনের সমান দায় থাকতে পারে। তবে নারীর বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণের বিষয়টি নিয়ে সবাই যেমনটা সোচ্চার ও সচেতন পুরুষের বন্ধ্যাত্ব নিয়ে ততটা নয়। কিন্তু বিষয়টি খুবই গুরুতর।

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের পিছনে জীবনযাপন ও খাবার-দাবার অনেকাংশে দায়ী। কিছু পদক্ষেপ নিলে এটি প্রতিরোধ সম্ভব। যেমন:

নিয়মিত ঘুম ও শরীর চর্চা: গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম হলে শুক্রানুর পরিমাণ স্বাভাবিক থাকলেও তা গুণগতভাবে দুর্বল হয়। তাই নিয়মিত ঘুম ও শরীরচর্চার অভ্যাস থাকতে হবে। ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।

ধূমপান বন্ধ: ২০টি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণা পর্যবেক্ষণ করে ২০১৬ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় ধূমপান শুক্রানুর পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

চাপ থেকে দূরে থাকুন: যে কোনো ধরনের মানসিক চাপ ও উদ্বিগ্নতা শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং যতটুকু সম্ভব চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। এজন্য শরীরচর্চা করুন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা অনুসরণ করুন। প্রয়োজনে চাপ কমাতে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে পারেন।

ত্যাগ করতে হবে অতিরিক্ত অ্যালকোহল ও মাদকগ্রহণের অভ্যাস: গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালকোহল, মারিজুয়ানা এবং কোকেন শুক্রানুর উৎপাদন কমিয়ে দেয়। সুতরাং এসব থেকে দূরে থাকতে হবে। এগুলো একেবারে বন্ধ করে দিলে শুক্রানুর উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

কথা কথায় ওষুধ নয়: কিছু মেডিসিনও পুরুষের বন্ধ্যাত্বকে ত্বরান্বিত করতে পারে। তাই সচেতনভাবে ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। বন্ধ্যাত্ব গুরুতর পর্যায়ে চলে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter