শিক্ষাঙ্গন

প্রধান শিক্ষককে বহিস্কার করা নিয়ে পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, ২০ সেপ্টেম্বর: কোটচাঁদপুর উপজেলার ধোপাবিলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বহিস্কার নিয়ে উপজেলার বে-সরকারী মাধ্যমিক স্কুল, কলেজের শিক্ষক এবং উল্লেখিত বিদ্যালয়ের কিছু সংখ্যক সহকারী শিক্ষককে সাথে নিয়ে একই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ইতি মধ্যেই এক পক্ষ অপর পক্ষকে দোষারপ করে পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সম্মেলনে বক্তব্য পড়ে শোনান- ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হায়দার আলী। তিনি বক্তব্যে বলেন- গত দিনের সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। তিনি দাবী করেন বিধি বিধান মেনেই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামানকে বহিস্কার করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান চাকুরীরত অবস্থায় মাসে ৪/৫ দিন স্কুলে আসতেন, তিনি কখনো ঠিকমত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতেন না। বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজিং কমিটি বার বার অনুরোধ করার পরও উক্ত প্রধান শিক্ষক কর্ণপাত করেননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রা. বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে

ঠাকুরগাঁও: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণীর মর্যাদা প্রদান, সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল উন্নীতকরণ, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টিসহ ১২ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মবিরতি চলছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা হতে এ কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হয়।
ঠাকুরগাঁয়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক শিক্ষিকা উপস্থিত হলেও কোনো প্রকার পাঠদান করতে দেখা যায়নি। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের খোশগল্পে মত্ত থাকতে দেখা যায়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় মেতে থাকতে দেখা গেছে।
এ সুযোগে অনেক বিদ্যালয় বেলা ১টায় ছুটি হয়ে যায়।
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কমল কুমার রায়  জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচি হিসেবে ঠাকুরগাঁও জেলায় তা পালন করা হচ্ছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে সংযুক্তি বদলী নিয়ে বানিজ্যের অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, ১৬ সেপ্টেম্বর: ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রোববার জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় সদস্যরা স্থানীয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বিধি বহির্ভুতভাবে সংযুক্তি (ডেপুটেশন) বদলী নিয়ে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেন ঝিনাইদহ জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার দিলিপ কুমার বণিক সরকারের বদলী নীতিমালা কোন রকম তোয়াক্কো না করে অর্থের বিনিময়ে ঢালাও ভাবে সংযুক্তি বদলীর আদেশ দিয়ে আর্থিক সুবিধা লুটে নিচ্ছেন।

গনশিক্ষা মন্ত্রালয়ের একটি সুত্রে জানা গেছে গত কয়েক বছর ধরে প্রাথমিক শিক্ষকদের সকল প্রকার বদলী বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরী ভাবে যে সমস্ত স্কুলে দুইজন করে শিক্ষক কর্মরত থাকবেন কেবল সেই সব স্কুলে সংযুক্তি বদলী করা যাবে। অথচ জেলা শিক্ষা অফিসার মোটা অংকের ঘূষ নিয়ে কোন রকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ১২ জন শিক্ষককে সংযুক্তি বদলীর আদেশ দিয়েছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে গত ৫ মে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের অসুস্থ জনিত কারণে সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর স্কুলের শিক্ষক নাজনিন জাহানকে সংযুক্তি বদলী করা হয় পবহাটীতে। ইতিমধ্যে অসুস্থ শিক্ষক সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করলেও নাজনিন জাহান আর বাজারগোপালপুর স্কুলে ফিরে যাননি। তিনি স¤পূর্ণ অবৈধ ভাবে বহাল রয়েছেন।

গত ৮ মে শৈলকুপার রতনহাট স্কুল থেকে লতিফা নাসরিন নামে এক শিক্ষককে বেআইনী ভাবে শৈলকুপা পৌরসভার ললিত মহন ভুইয়া স্কুলে সংযুক্তি বদলী করেন। সরকারী আইনে পৌরসভার মধ্যে সব ধরণের সংযুক্তি বদলী বন্ধ তাকার পরও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে এই অপকর্ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

গত ২৩ জুন শৈলকুপার ধাওড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অসিত কুমার বিশ্বাস নামে এক শিক্ষককে ১৮১/৩ নং স্মারকে একই উপজেলার চাঁদপুর সংযুক্তি বদলী করেন।

গত ১৮ জুন মহেশপুর উপজেলার বজরাপুর স্কুলের শিক্ষক শাহানাজ খাতুনকে ১৭১ নং স্মারকে মহেশপুর পৌরসভার বারইপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী করেন।

গত ৯ সেপ্টম্বর শৈলকুপা উপজেলার ত্রীবেনী স্কুল থেকে ৫৬৫ নং স্মারকে জান্নাত আরা খাতুন নামে এক শিক্ষককে একই উপজেলার কচুয়া স্কুলে সংযুক্তি বদলী করেন।

গত ১০ সেপ্টম্বর ৬ জন শিক্ষক থাকা শৈলকুপা উপজেলার শাহবাজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নার্গিস আক্তার নামে এক শিক্ষককে ১২ জন শিক্ষক থাকা শেখপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫৭৩/৪ নং স্মারকে বদলী করা হয়েছে। আর এ সব অনিয়মতান্ত্রিক বদলীর বেশির ভাগ ঘটেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষের নিজ উপজেলা শৈলকুপায়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ এবং অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলিপ কুমার বনিক ঘুষ বানিজ্যের খবর অস্বীকার করে জানান, এ সব বদলীর প্রস্তাব উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে আসে। তারাই কোন অনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ সকল প্রকার বদলী আগামী জানুয়ারী মাস পর্যন্ত বন্ধ স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, কি পরিস্থিতিতে বদলী হয়েছে সেটি দেখার বিষয় আছে। তিনি জরুরী প্রয়োজনে বদলী করা যাবে বলে জানান। তবে ৫/৬ জন শিক্ষক থাকলে সেখানে আবার নতুন করে শিক্ষক দেওয়া বেআইনী বলেও জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় লিটিল এনজেলস স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এক দিনের কর্মশালা অনুষ্টিত।

দর্শনা প্রতিনিধিঃ দর্শনা লিটিল এনজেলস স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এক দিনের কর্মশালা অনুষ্টিত হয়েছে।
আজ সকাল ৯ঃ৩০ মিনিটে দর্শনা লিটিল এনজেলস স্কুলের প্রশিক্ষন রুমে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক স্বরূপ দাস। প্রশিক্ষন হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলার প্রশিক্ষক এস কে দাস। তিনি শিক্ষকদের পাঠদান করার কৌশল, প্রশ্ন প্রণয়নের কৌশলসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা তুলে ধরেন। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরীক্ষায় ২৫ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিতে হবে সে বিষয়ে ন্যাপের যে নির্দেশনা তা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে তুলে ধরেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি তে ‘খ’ ইউনিট ভর্তি হতে করনিয়

স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে—হয়তো এ মুহূর্তে তাই রাত-দিন ভুলে গিয়ে বইয়ের মধ্যে ডুবে আছো তোমরা, স্বপ্নের হাতছানিতে সাড়া দিতে হবে যে!গত বছর ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন যথাক্রমে অর্পিতা হক, এ বি এম এহসান উল্লাহ ও তাসনিন বিনতে সাহাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের অভিজ্ঞতা? সেসবই তাঁরা তুলে ধরছেন এবারের ভর্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে।‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয় বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর। আমি বাংলার জন্য মূল পাঠ্যবই আর নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ পড়েছিলাম।’ বলছিলেন অর্পিতা। তাঁর কথা আবারও শুনব। তার আগে জেনে নিই অর্পিতার এক টুকরো জীবন। বাগেরহাট সদরে জন্ম। এসএসসির পাট চুকিয়েছেন বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে। জিপিএ-৪.৮৮ পান বাংলা ছাড়া। এইচএসসিতে এসে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। বাগেরহাট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে সব বিষয়ে এ+সহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এখন পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগে।অর্পিতা আবার বলতে শুরু করেন তাঁর ভর্তি প্রস্তুতির কথা। ‘ইংরেজির জন্য গ্রামারের ওপর বেশি জোর দিয়েছিলাম। পাশাপাশি পড়েছি মূল পাঠ্যবই। আর সাধারণ জ্ঞানের জন্য প্রতিদিন টেলিভিশনের সংবাদ দেখতাম আর গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ডায়েরিতে টুকে রাখতাম।’ অনেকটা অর্পিতার মতোই জীবনকাহিনি এহসানের। অর্পিতা এসএসসিতে পাননি জিপিএ-৫ আর এহসান পাননি এইচএসসিতে। এইচএসসিতে তাঁর জিপিএ ছিল ৪.৮০। সিরাজগঞ্জে বেড়ে ওঠা এই মেধাবী মাধ্যমিকের পাট চুকিয়েছেন সিরাজগঞ্জের জ্ঞানদায়িনী উচ্চবিদ্যালয় থেকে। উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে। এখন পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। কেমন ছিল এই মেধাবীর ভর্তি প্রস্তুতি? ‘বাংলার জন্য আমিও পাঠ্যবই ও নবম-দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বই পড়েছি। এর পাশাপাশি অবশ্য সৌমিত্র শেখরের বইটাও পড়েছি।’ বলছিলেন এহসান। তিনি ইংরেজির জন্য পাঠ্যবই, গ্রামার ও টোয়েফল পড়েছেন। আর সাধারণ জ্ঞানের জন্য পড়েছেন নবম-দশম শ্রেণীর ইতিহাস বই ও বাজারে প্রচলিত সাধারণ জ্ঞানের বই।

তৃতীয় স্থান অধিকারী তাসনিন বিনতে সাহাজের জন্ম ঢাকার সাভারে। তিনি এসএসসি ও এইচএসসি দুটোরই সনদ নিয়েছেন সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে। এসএসসিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া পেয়েছেন জিপিএ-৪.৭৫ আর এইচএসসিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া জিপিএ-৪.৮৮। এখন তাঁর ঠিকানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ। বলছিলেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক বাংলা পাঠ্যবইয়ের গদ্য-পদ্য খুব গুরুত্ব দিয়ে পড়েছিলাম। কারণ, এখান থেকেই সাধারণত সাহিত্যের প্রশ্ন করা হয়। আর ব্যাকরণ অংশের জন্য নবম-দশম শ্রেণীর ব্যাকরণ বই। ইংরেজির জন্য গ্রামার বই ও পাঠ্যবই। আর সাধারণ জ্ঞানের জন্য সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষয় টুকে রাখতাম নোট খাতায়। নিয়মিত বিবিসি বাংলার খবর শুনতাম।’

শোনা হলো তিন মেধাবীর ভর্তি প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা। এবার এই অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি করো নিজেকে। কেননা, আসছে বছর তোমারই তো পালা অভিজ্ঞতার গল্প শোনানোর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনার্স পার্ট-২ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ঢাকা,৯ সেপ্টেম্বর: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১১ সালের অনার্স পার্ট-২ পরীক্ষার ২৭টি বিষয়ের ফল সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে।
এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়,  এ পরীক্ষায় সারাদেশে ২৪১টি কলেজের মোট ২০২৮৮৮ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং ১০৮৬৬৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৫৩.৫৬%।
ফল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nuadmission.info)  এবং (www.nubd.info)  থেকে জানা যাবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে দেদারছে চলছে রওশন কোচিংবাণিজ্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,৬ সেপ্টেম্বরঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করলেও বাস্তবে তা কার্যকরী হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, এ ক্ষেত্রে ঝিনাইদহে শিক্ষকরা সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে কোচিং বাণিজ্য আরও জোরদার ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এটি বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীরা কোচিং বাণিজ্যের সাথে যুক্ত শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন যা পরিবারের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে এবং ব্যায় নির্বাহে অভিভাবকগণ হিমশিম খাচ্ছেন।

এছাড়াও অনেক শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে কোচিং এ বেশি সময় ব্যায় করছেন। এ ক্ষেত্রে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এ সম্পর্কিত মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং ৭৩৬৬/২০১১ এর আদেশের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর কোচিং বাণিজ্য বন্ধে একটি গেজেট নোটিফিকেশন বা অন্য কোনরুপ আদেশ প্রদানের নির্দেশনা রয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি ও হাইকোর্ট বিভাগের নিদের্শনার প্রেক্ষিতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কোন শিক্ষক তার নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবে না। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের পূর্বানুমতি স্বাপেক্ষে দৈনিক বা প্রতিদিন অন্য যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সীমিত সংখ্যক (দশ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে লিখিতভাবে ছাত্র ছাত্রীর তালিকা (রোল শ্রেণী উল্লেখসহ জানাতে হবে)। কোন শিক্ষক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে ওঠা কোন কোচিং সেন্টারে নিজ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত হতে পারবেন না বা নিজে কোন কোচিং সেন্টারের মালিক হতে পারবেন না বা কোচিং সেন্টার গড়ে তুলতে পারবেন না এবং কোচিং সেন্টারের নামে বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে না।

এ ক্ষেত্রে সারাদেশে শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য কমিয়ে আনলেও ঝিনাইদহের কতিপয় দূর্নীতিবাজ শিক্ষকরা সে ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সুরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আলী দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শহরের প্রাণকেন্দ্র বনানীপাড়ার বকুলতলা মোড়ে রওশন কোচিং সেন্টার গড়ে তুলে সেখানে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগে জানা যায়, তিনি সরকারি গার্লস স্কুল, মডেল স্কুল, কাঞ্চন নগর মডেল হাইস্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণী থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অর্থের বিনিময়ে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও জানা যায় জানা যায়, প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি বাবদ নেওয়া হয় নয়শত টাকা, মাসিক বেতন বাবদ আটশত টাকা নেওয়া হয়। এভাবেই তিনি স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোচিং বাণিজ্যের দিকে ঝুকে পড়েছেন। এদিকে ভাল ফলাফলের আশায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদেরকে এই প্রতিষ্ঠানে কোচিং করাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তার নিজস্ব কোচিং সেন্টার সহ আশেপাশের বাসাবাড়ি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষকদের সাথে চুক্তি করে এসব কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রওশন আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি সরকারি নীতিমালার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছেন। এছাড়াও সদর উপজেলার হাটগোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী শহরের মহিলা কলেজ পাড়ায় বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এভাবেই ঝিনাইদহ শহরের অনেক শিক্ষক সরকারি নিয়মনীতি উপক্ষো করে পর্দার আড়ালে থেকে তাদের এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সচেতন ঝিনাইদহবাসী অবিলম্বে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঠ্যপুস্তুক বর্তি ট্রাক উল্টে পানিতে পড়ে ১ লক্ষ টাকার বই নষ্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ সেপ্টেম্বর:কক্সবাজারের মহেশখালীতে ঢাকা থেকে নিয়ে আসা প্রাথমিক শিক্ষার এক লক্ষ দু’হাজার বই নিয়ে একটি ট্রাক উল্টে সড়কের পার্শ্ববর্তি পুকুরের পানিতে ডুবে বইগুলি নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৩ সেপ্টেম্বর রাত্রে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের সাদেকের কাটাঁ গ্রামে। ঢাকা মেট্রে ট -১১-৪৪১১ primaryনং ট্রাকটি ঢাকা হইতে মহেশখালী উপজেলা শিক্ষা অফিসে পৌছে দেওয়ার জন্য বই নিয়ে রওনা হয় ।
জানা যায় , ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত্রে প্রমা প্রেস এন্ড পাবলিকেশনন্স কর্তৃপক্ষ মহেশখালী উপজেলায় ২০১৪ সালের শিক্ষা বর্ষে প্রাথমিক স্তরের ছাত্রদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার এক লক্ষ দু’হাজার বই ঢাকা থেকে একটি ট্রাক (যাহার নং-মেট্রে ট -১১-৪৪১১) যোগে মহেশখালীতে নিয়ে আসার পথিমধ্যে উক্ত ট্রাকটি উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ছাদেকের কাটা এলাকায় পৌছলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেল্লে ট্রাকটি সড়কের পাশ্ববর্তী পুকুরে পড়ে ডুবে যায়। এতে সরকারী এক লক্ষ দুই হাজার বই পুকুরের পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায় । ঘটনার পরই ড্রাইভার কৌশলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার আনোয়ারুল নাসের ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। প্রমা প্রেস এন্ড পাবলিকেশনন্স কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা এবং অনভিজ্ঞ চালক কারণে উক্ত ঘটনাটি ঘটেছে বলে সচেতন মহলের অভিমত।এ ব্যাপারে কর্তপক্ষ থানায় সাধারণ ডাইরী করেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন করলেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

কুমিল্লা প্রতিনিধি : বুধবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে উচ্চতর প্রশিক্ষণ (ডিপ্লোমা) কোর্স- ডিএলও, ডিজিও, ডিসিএইচ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএমডিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু সুফি আহমেদ আমিন, বিএমএ’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. মহসিনুজ্জামান চৌধুরী, বিএসএমএমইউ’র গাইনী বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী, বিএসএমএমইউ’র ইএনটি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী, ইএনটি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. কামরুল হাসান তরফদার, অধ্যাপক ডা. মোঃ খবির উদ্দিন, ডা. মাহমুদ হাসান, কুমিল্লা বিএমএ’র সভাপতি ডা. গোলাম মহিউদ্দিন দীপু, জেলা স্বাচিপের সভাপতি ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ, জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, জেলা স্বাচিপের সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল বাকী আনিছ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, উপ-পরিচালক ডা. স্বপন কুমার বর্দ্ধন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. কেএ মান্নান।
বিভাগীয় প্রধানদের মাঝে বক্তব্য রাখেন গাইনীর প্রধান অধ্যাপক ডা. মোসাম্মৎ নুরুন্নাহার, ইএনটি বিভাগীয় প্রধান ডা. রতন কুমার দাস চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডা. আরিফ মোর্শেদ খাঁন ও ডা. রুমানা বেগম সুইটি। আলোচনা সভার পূর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সার্জারী বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশীদ আলম।
সহযোগীতায় ছিলেন জেলা বিএমএ’র সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা. অমিত সিনহা, অংশ গ্রহণ করেন- ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. টুটুল চৌধুরী, ডা. তানজিনা আফরিন, সুদীপ্তা পাল, নওশীন বিনতে হাবিব, তাপস চৌধুরী, নিশি, মৈত্রী, চৈতী, সাদমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে খুব শীঘ্রই আরও উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স-এমডি,এমএস চালু করার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহের বাগুটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার কক্ষের স্কুল ভবনটি পরিত্যক্ত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, ১ সেপ্টেবর: চার মাস পূর্ব থেকেই স্কুলের চার কক্ষের একমাত্র ভবনটি রয়েছে পরিত্যক্ত ঘোষিত। আর স্কুলের মাঠে জমে আছে পানি-কাঁদা। ক্লাস নেওয়ার কোন জায়গা না পেয়ে শিক্ষকরা মাঝে মধ্যে ক্লাস নেন পাশ্ববর্তী রাস্তার উপর। এখন পরীক্ষার কারনে অত্যান্ত ঝুঁকি নিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের বসিয়েছেন পরিত্যক্ত ওই স্কুল ভবনের বারান্দায়। এই অবস্থা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাগুটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।

শিক্ষকরা জানান, তাদের ক্লাস নেওয়ার কোন জায়গা নেই। কবে তাদের স্কুলে ভবন হবে তাও কেউ বলতে পারেন না। শুধু শুনছেন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, অনুমোদন হয়ে আসলে কাজ শুরু হবে। তাদের বক্তব্য এই দীর্ঘ সময় কি পাঠদান বন্ধ থাকবে। বিকল্প কোন ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

২৬ আগষ্ট সরেজমিনে স্কুলটিতে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুরা বারান্দায় বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। ইসলাম শিক্ষা পরীক্ষা নিচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা জানান, ভবনটি ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে ভিতরে বসতে পারেন না। বাইরে সারাক্ষন পানি-কাঁদা জমে থাকে। ক্লাস নেন পাশ্ববর্তী রাস্তায়। কিন্তু পরীক্ষা সেখানে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনের বারান্দায় পরীক্ষা নিচ্ছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেকসনা খাতুন জানান, এলাকার কিছু শিক্ষানুরাগী এলাকার শিশু-কিশোরদের পড়ালেখার কথা চিন্তা করে ১৯৭১ সালে বাগুটিয়া গ্রামে ৩৩ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। সেই থেকে বিদ্যালয়টি এলাকার শিশুদের শিক্ষার আলো দিয়ে আসছে। বর্তমানে ১৭৪ জন শিক্ষ পড়ালেখা করছে। ৪ জন শিক্ষক নিয়মিত পাঠদান করছেন।

প্রধান শিক্ষক জানান, প্রথম দিকে চাটাই-আর টিন দিয়ে ক্লাস রুম বানানো হলেও ১৯৮০ সালের দিকে সেমিপাঁকা ঘর নির্মান করেন এলাকার মানুষ। পরে ১৯৯৪ সালে এলজিইডি চার রুমের একটি পাঁকা ভবন নির্মান করে দেন। সেখানে শিক্ষকরা বসতেন এক রুমে আর তিনটি রুমে ক্লাস নেওয়া হতো। এভাবে দীর্ঘদিন চলে আসছিল।

তিনি জানান, মাঝে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয়। ছাদের সিমেন্ট-বালি খুলে খুলে পড়তে থাকে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করানো হয়। প্রধান শিক্ষিকা রেকসনা খাতুন আরো জানান, গত ৬ মে ঝিনাইদহ এলজিইডি থেকে একজন প্রকৌশলী এসে ভবনটি নানা ভাবে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে পরিত্যক্ত ঘোষনা করেন।

বাদশা মিয়া নামের ওই প্রকৌশলী তাদের ভবনটি ব্যবহার না করার জন্য বলে যান। ক্লাস বাইরে নেবার পরামর্শ দেন ওই কর্মকর্তা। সেই থেকে তারা বাইরে ক্লাস নিচ্ছেন। প্রধান শিক্ষিকা জানান, বাইরে স্কুলের যে মাঠ আছে সেখানে সারাক্ষন পানি-কাঁদা থাকায় রাস্তার উপর ক্লাস নিতে হয় তাদের। তিনি জানান, স্কুলে ক্লাস রুমের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

রেকসনা খাতুন জানান, নতুন ভবনের জন্য তারা জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সুরহা হয়নি। দ্রুত ভবন না হলে স্কুল বন্ধ হয়ে যাবার সম্ভবনা রয়েছে বলে শিক্ষকরা দাবি করেন।

এলজিইডি’র ঝিনাইদহ সদর অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাদশা মিয়া জানান, তিনি ভবনটি পরীক্ষা করে যা পেয়েছেন তাতে যে কোন সময় ধসে পড়তে পারে। যে কারনে পরিত্যক্ত ঘোষনা করেছেন। ওই ভবনের ভিতর-বারান্দা কোথাও বসা নিরাপদ না। নতুন ভবন নির্মানের বিষয়ে তিনি জানান, প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। আশা করছেন দ্রুত অনুমোদন হয়ে আসবেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রবীর কাঞ্জিলাল জানান, তারা চেষ্টা করছেন সল্প সময়ের জন্য বিকল্প কিছু করার।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, বিষয়টি তারা অবগত। শিক্ষকরা কষ্ট করে এখানে-সেখানে ক্লাস নিয়ে যাচ্ছেন। তারা চেষ্টা করছেন দ্রুত ওই স্থানে একটি নতুন ভবন নির্মানের। সে জন্য তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আশা করছেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free