শিক্ষাঙ্গন

সরকারি কলেজের ৪৩ সহযোগী অধ্যাপককে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের ৪৩ জন শিক্ষককে বদলি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (৪ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আলাদা আলাদা আদেশে এসব শিক্ষকদের বদলি/পদায়নের তথ্য জানা গেছে।

বদলির আদেশ হওয়া সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্যে ছয় জন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা ও ইনসিটু হিসেবে বিভিন্ন কলেজে কর্মরত এবং ছয় জন বিভিন্ন কলেজে সংযুক্ত হিসেবে রয়েছেন। এর বাইরে ২৫ জন সহযোগী অধ্যাপককে নতুন পদায়ন করা হয়েছে, বদলি করা হয়েছে একজন উপাধ্যক্ষ ও একজন অধ্যক্ষকে। বাকি চার জন সহযোগী অধ্যাপক বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আদেশ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এ মাসেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ । নীতিমালায় পরিবর্তন

এস কে দাস: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে। নিয়োগপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিধান রেখে এরই মধ্যে নতুন নিয়োগ বিধিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই খসড়া যাচাই-বাছাই করছে। এ মাসেই সহকারী শিক্ষক পদে শিক্ষক নিয়োগ আসবে বলে প্রাথমিক অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়।
বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী।
জানা যায়, নতুন বিধিমালায় বড় আকারে পাঁচটি পরিবর্তন আসছে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষের জন্য স্নাতক আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়। কিন্তু নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকছে।
সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এত দিন স্নাতক পাস হলেই আবেদন করা যেত। নতুন বিধিমালার খসড়ায় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর প্রস্তাব করা হয়েছে। এত দিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু এখন এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার বিধানও থাকছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে শিথিলযোগ্য। বাকি ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির পুরো দায়িত্বই থাকবে পিএসসির।
নতুন বিধিমালায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেও জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যেকোনো বিষয়ে পাস করা প্রার্থীর সমান সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এতে মানবিক বিভাগ থেকে আসা শিক্ষকরা গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো সহজে আত্মস্থ করতে পারেন না। এ কারণে নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্লাস্টার বা উপজেলাভিত্তিক আর্ট ও সংগীত শিক্ষক রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
নতুন বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৩তম থেকে ১৬তম বেতন গ্রেডের কোনো পদে থাকা শিক্ষককে দশম থেকে দ্বাদশ বেতন গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা যাবে। আর দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে থাকা শিক্ষক নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ পেতে পারেন। তবে উভয় ক্ষেত্রেই পিএসসির সুপারিশ প্রয়োজন হবে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় এসব শর্ত নেই। বর্তমানে কোনো ব্যক্তির শিক্ষক পদে যোগদান করার তিন বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও নতুন বিধিতে তা থাকছে না।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিবন্ধন: নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত থাকবে সনদের মেয়াদ-হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক |
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষকদের নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সনদের মেয়াদ থাকবে বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে বলা হয়েছে। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ঘোষিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল ) প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত অনুলিপিতে এ তথ্য জানা গেছে।
রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় ১৬৬টি রিটের ওপর দেওয়া ৪৯ পৃষ্ঠার রায়ের অনুলিপি আজ হাতে পেয়েছি।
গত ১৪ ডিসেম্বর রায়টি ঘোষণা করেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদউল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ।
ওইদিন রায়ের পর রিটকারীদের আইনজীবী জানান, মেধা তালিকার ক্ষেত্রে জেলা-উপজেলা কোটা বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি করে তা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে দেওয়া সাত দফা নির্দেশনায় বলা হয়- (১) নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সনদ দিতে হবে। নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সনদ বহাল থাকবে। (২) রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর থেকে ৯০ দিনের মধ্যে উত্তীর্ণদের নিয়ে একটি জাতীয় মেধা তালিকা করতে হবে। এ তালিকা এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
(৩) একটি জাতীয় মেধা তালিকা করতে হবে। বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা জাতীয় তালিকা নামে কোনো তালিকা করা যাবে না। (৪) এনটিআরসিএ প্রতিবছর মেধা তালিকা হালনাগাদ করবে। (৫) সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারী এবং অন্য আবেদনকারীদের নামে সনদ জারি করবে।
(৬) নিয়োগের উদ্দেশ্যে এনটিআরসিএ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরাবর যদি কোনো সুপারিশ করে তবে কপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং কমিটি বাতিল করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। এবং (৭) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করতে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ-প্রত্যায়ন বিধিমালার ২০০৬ এর বিধি ৯ এর উপ-বিধি ২(গ) বলা হয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা, জেলা এবং জাতীয়ভিত্তিক মেধাক্রম অনুসারে ফলাফলের তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হবে।
এ বিধি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন জামালপুরের সেলিম রেজাসহ ১৭২ জন নিবন্ধন সনদধারী। পরে আরও বিভিন্ন সময়ে অনেক সনদধারী রিট করেন। আইনজীবীদের মতে এর সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ হাজার সনদধারী হতে পারে।
পরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে উপজেলা, জেলা কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
এছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৪ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের মার্চের এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক: ০৪ এপ্রিল, ২০১৮
স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের মার্চের (২০১৮ খ্রি:)এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক বুধবার (৪ এপ্রিল) ছাড় হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।
————————————————————————————
—————————————————————————————
শিক্ষক-কর্মচারীরা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত স্ব স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর মো: শামছুল হুদা দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
স্মারক নং ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০২.২০১৭/১৬১৮/৪।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারিগরি শিক্ষকদের মার্চ মাসের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | :
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ-২০১৮ মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) ছাড় হয়েছে। শিক্ষকরা নিজ নিজ এ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পরিচালক(ভোকেশনাল) ড. মো: নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। স্মারক নং – ৫৭.০৩.০০০০.০৯১.২০.০০৫.১৮-৩০২,৩০৩,৩০৪ ও ৩০৫
এছাড়াও যারা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন তুলতে পারেননি তারাও এপ্রিল মাসের মধ্যে তুলতে পারবেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় HSC সকল কোচিং/প্রাইভেট পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ-জেলা প্রশাসক

ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় HSC সকল কোচিং/প্রাইভেট পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ । এমনকি যারা শিক্ষকতা বাদে অন্য চাকুরি করেন তারাও অবসরে এক্সটা সময়ে কোচিং করতেন তাদেরকেও কোচিং করাতে নিষোধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। পরীক্ষা শেষে কলেজ ক্যাম্পাসে HSC ২য় বর্ষের কোচিং করানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

এইচ.এস.সি পরীক্ষার নির্দেশনাসমূহ:

১. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২। পরীক্ষায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত কেন্দ্র বা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের অভ্যন্তরে কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না। মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩। পরীক্ষা চলাকালীন এবং এর আগে/পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গেটে চেকিং এর সময় পরীক্ষার্থীকে তার প্রবেশপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
অননুমোদিত সাংবাদিক, গভর্নিং বডির সদস্য ও তরুন নেতৃবৃন্দকে বিশেষভাবে বিষয়টি মনে রাখার পরামর্শ দেয়া হলো।

৪। সকল কোচিং সেন্টার পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত (২৯/০৪/২০১৮) সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

৫। সকল পরীক্ষার্থীর কানসহ মুখমন্ডল (বিশেষ করে বোরখা পরিহিত) দৃশ্যমান রাখতে হবে।

৬। প্রবেশপত্র এবং কলম ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না।

৮। চুয়াডাঙ্গার অধিকাংশ কেন্দ্রের প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষ এবার সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মনিটর এবং মোবাইল ফোনে প্রতিটি কক্ষ দূর থেকেই পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

আশা করছি আপনারা এই নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালন করে আমাদের সহায়তা করবেন।

জেলা প্রশাসক
চুয়াডাঙ্গা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসি ২০১৮ পরীক্ষার সময়সূচি

আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামীকাল (২রা এপ্রিল) শুরু হবে। দৈনিক শিক্ষার পাঠকদের সুবিধার্থে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি দেওয়া হল।

এইচএসসি ২০১৮ পরীক্ষার সময়সূচি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁস রোধে ৯টি সুপারিশ টিআইবি ও সনাকের

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আজ রবিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) টিআইবি আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রশ্ন ফাঁস রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) পক্ষ থেকে ৯টি সুপারিশ করা হয়।

মানববন্ধনে টিআইবির গবেষণা পরিচালক রফিকুল হাসান বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে আইনে অনেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার উল্লেখ থাকলেও যে মাত্রায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সে মাত্রায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। অধিকাংশ সময়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বিতরণের অভিযোগে শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী পর্যায়ে শাস্তির উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। অথচ প্রশ্ন ফাঁসের মূল হোতারা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে যায়। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধে তা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

এ সময় তিনি টিআইবি ও সনাকের পক্ষে ৯টি সুপারিশ উপস্থান করেন। সুপারিশগুলো হলো- ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ/সংশোধন) আইন-১৯৯২’ এর ৪ ধারা পুনরায় সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা আগের মতো সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান প্রণয়ন এবং নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা; কোচিং সেন্টার নিষিদ্ধকরণে সরকারের ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ এর অস্পষ্টতা দূর করা এবং কোচিং বাণিজ্য বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের প্রণোদনাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করা; প্রশ্নফাঁস রোধ ও সৃজনশীল পদ্ধতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গাইড বইয়ের আদলে প্রকাশিত সহায়ক বই বন্ধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা; তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে তদারকি বাড়ানো ও প্রচলিত আইনের অধীনে শাস্তি নিশ্চিত করা; ধাপ কমিয়ে প্রশ্ন প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের কাজটি পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা এবং পরবর্তীতে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা; প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গঠিত যেকোনো তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা; শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতিসহ ব্যবস্থাপনাগত যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পর্যাপ্ত সময় এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া; প্রশ্ন ফাঁস রোধে বহুনির্বাচনী প্রশ্নব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা এবং পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্ন পত্রের একাধিক সেট রাখা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য সুখবর নেই আগামী বাজেটে

ডেস্ক,৩০ মার্চ:

আগামী বাজেটে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ চায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এমনকি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার জন্যও সুনির্দিষ্ট কোনও প্রস্তাব নেই। তবে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘শিক্ষক জাতীয়করণ ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার জন্য অর্থ চেয়েছিলাম, অর্থ মন্ত্রণালয় দেয়নি। এসব বরাদ্দসহ এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ ছাড় দিলে আমরা দিতে পারবো। থোক বরাদ্দের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ দেওয়া সম্ভব। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলমান ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জাতীয়করণের জন্য বাজেট চাওয়া হলেও তা দেয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়। এছাড়া, জাতীয় পে-স্কেল ঘোষিত এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার জন্য বরাদ্দও দেওয়া হয়নি। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের জন্য জন্য যে ব্যয়সীমা নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়, তাতে শিক্ষকদের এ প্রাপ্য নিশ্চিত করতে পারবে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারপরও নতুন সরকারিকরণের জন্য বাড়তি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে খসড়া প্রস্তাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ থেকে মোট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ৩৬ হাজার ২৩২ কোটি ৫৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এরমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ৩০ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য পাঁচ হাজার ৭৯৮ কোটি দুই লাখ টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য নির্ধারিত ব্যয়সীমা অনুযায়ী বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৪৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এরমধ্যে পরিচালনা ব্যয় বাবদ চাওয়া হয়েছে ১৮ হাজার ৪৩০ কোটি তিন লাখ টাকা। আর উন্নয়ন ব্যয় বাবদ চাওয়া হয়েছে সাত হাজার ৩২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে চার হাজার ৯৭১ কোটি ৬০ লাখ ২৩ হাজার টাকা। অতিরিক্ত বরাদ্দসহ এ বিভাগের মোট চাহিদা ৩০ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

অতিরিক্ত বরাদ্দের মধ্যে চলমান ৬২ প্রকল্পের জন্য চাওয়া হয়েছে তিন হাজার ৯৯৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা। আর পরিচালনা ব্যয় বাবদ চাওয়া হয়েছে ৯৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা। পরিচালনা ব্যয় বাবদ এই অর্থ চাওয়া হয়েছে নতুন সরকারি করা ৬২৬টি স্কুল ও কলেজের বেতনভাতাসহ আনুষঙ্গিক কাজে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত ব্যয়সীমার (সিলিং) মধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও বরাদ্দ চাওয়া হয়নি এই প্রস্তাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই পরিস্থিতির জন্য মন্ত্রণালয় দায়ী নয়। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারিত যে ব্যয়সীমা দেওয়া হয়েছে, তাতে নতুন করে একযোগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব নয়। সংশোধনী বাজেটে যদি অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দেয়, তাহলে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রাপ্য পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতাও দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তারা।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারিকরণের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে এমন ৩২৯টি বিদ্যালয় ও ২৯৯টি কলেজের সরকারিকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও এ অর্থবছরে কোনও বাজেট রাখা হয়নি। ২০১৭ সালের ৮ মে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ প্রস্তাব করেও পায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরও নতুন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ৩২৭টি স্কুল ও ২৯৯টি কলেজ (৬২৬টি প্রতিষ্ঠান) সরকারিকরণের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওর কাগজ হারানো অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর

নিজস্ব সংবাদদাতা,২৯মার্চ:

এমপিওর কাগজ হারিয়েছেন অথবা এমপিওতে ছয় মাসের গ্যাপ রয়েছে এসব কারণে এককালীন অবসর সুবিধাবঞ্চিত রয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষক। তবে তাদের জন্য সুখবর হয়ে এসেছে বেসরকারি শিক্ষক- কর্মচারি  অবসর সুবিধা বোর্ডের বোর্ড সভার একটি সিদ্ধান্ত। বুধবার (২৮ মার্চ) বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারি অবসর সুবিধা বোর্ডের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত হয়, কাগজের সমস্যা বা এমপিওর বিরতিজনিত সমস্যার কারণে যে সব শিক্ষক-কর্মচারিরা অবসরের টাকা পায়নি তারা সবাই অবসরের টাকা পাবেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় দশ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী উপকৃত হবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন বোর্ডের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী।

তিনি  বলেন, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে প্রবর্তিত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড আইনের বিধান অনুযায়ী এমপিওতে ৬ মাসের অধিক গ্যাপ থাকার ফলে অথবা এমপিও সংশ্লিষ্ট কোন কাগজ হারিয়ে ফেললে অবসর সুবিধার টাকা পাবেন না। তিনি বলেন, সাময়িক বরখাস্ত, প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন, ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে দ্বন্দ্বসহ নানা কারণে এমপিওর ধারাবাহিকতা থাকে না অনেক শিক্ষকের। আবার  ২৫/৩০ বছর আগেরকার এমপিওর কাগজ জমা রাখতে পারেন না অনেক শিক্ষক। কিন্তু আইনের মারপ্যাচে পরে পড়ন্ত বেলায় সেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারিরা অবসর সুবিধা বোর্ড থেকে অবসরের কোন সুবিধা পান না। এই অমানবিক বিধানটি বাতিল হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, কাগজ হারিয়ে গেলে বা গ্যাপ থাকলেও তারা টাকা পাবেন।

উল্লেখ্য, অবসর ও কল্যাণের টাকা পাইয়ে দেয়ার জন্য জেলায় জেলায় দালাল গজিয়েছে। তারা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে চুক্তি করে টাকা পাইয়ে দেয়ার। রাজধানীর পলাশীতে অবস্থিত ব্যানবেইস অফিসে ভাড়া হিসেবে থাকে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অফিস। সেই সুবাদে ব্যানবেইসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারিও দালালি করেন বলে দৈনিকশিক্ষা ডটকমের অনুসন্ধানে জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরান ঢাকায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মডেল টেস্টের নামে অতিরিক্ত ফি নেয়ার প্রতিবাদে পুরান ঢাকার কোতোয়ালির ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তারা কলেজের সামনের রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মডেল টেস্টের জন্য অতিরিক্ত ৫-৬ হাজার টাকা না দিলে এ্যাডমিট কার্ড দেবে না। পরীক্ষাও দিতে দেবে না। তাই বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমেছে।

ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মনিকা শিক্ষাবার্তাকে জানান, টেস্ট পরীক্ষা দেয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের বলে মডেল টেস্ট দিতে হবে। যদিও এটা বাধ্যতামূলক নয়। তারপরও তারা আমাদের পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছে। পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন তারা আমাদের কাছে এই মডেল টেস্টের জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা চাচ্ছে। গত তিন দিন ধরে আমরা এ্যাডমিট কার্ডের জন্য ঘুরছি। কিন্তু টাকা না দিলে এ্যাডমিট কার্ড দিচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, অনেকেই অসুস্থ থাকায় মডেল টেস্ট দেয়নি। তাদের কাছ থেকেও টাকা নিচ্ছে। টাকা না দিলে পরীক্ষা দিতে দেবে না বলে হুমকি দিচ্ছে। আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন শিক্ষকরা। আমরা তাই বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি। অন্যায়ভাবে আমাদের কাছ থেকে টাকা চাওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১১টার দিকে রাস্তায় নেমেছি। আমাদের এ ছাড়া কিছু করার নেই। তারা অভিযোগ করেন, শিক্ষকরা ছাত্রলীগ নেতাদের ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেয়ার জন্য বলছেন। এদিকে কলেজের অধ্যক্ষ আফসানা মিমির কাছে ফোন করে কথা বলতে চাইলে তিনি জরুরী মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন রেখে দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমসিকিউ তুলে দিতে আওয়ামী লীগের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক |
প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে পাবলিক পরীক্ষায় এমসিকিউ (বহুনির্বচনি) পদ্ধতি তুলে দেওয়ার পক্ষে এবার অভিমত দিলো আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পদকসহ সরকার পক্ষের সাত জন প্রতিনিধি শিক্ষা বোর্ডগুলোতে আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি চালু করার পক্ষে সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে বাড়তি চাপ কমানোরও সুপারিশ করেন তারা।
মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে বৈঠক এ অভিমত দেন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা।
আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের বাকি সদস্যরা হলেন অধ্যাপক প্রিয়ব্রত পাল, অধ্যাপক ড. পি এম শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জুনায়েদ হালিম, ড. এ কে এম সালাহউদ্দিন, ড. আমিনুর রহমান সুলতান এবং অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, যারা প্রশ্ন করেন এবং প্রশ্ন মডারেট করেন, তাদের প্রয়োজনে বদলাতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা সুপারিশ করেন প্রশ্নপত্রের আট থেকে দশটি সেট ছাপানোর এবং সম্ভব হলে এসব সেটে পরীক্ষা নেওয়ার। অঞ্চলভেদে সব সেটে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখার কথা জানান তারা।
গত এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপক অভিযোগ ওঠার পর সরকারি দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর এটাই প্রথম বৈঠক।
সরকারি দলের পক্ষে এমসিকিউ তুলে দেওয়ার কথা বলার আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন একই অভিমত দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবারের বৈঠকে সরকারি দলের প্রতিনিধিরা বলেন, এমসিকিউ পদ্ধতির কারণে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁসের পরিস্থিতি ভয়াবহ হলে এই পদ্ধতি তুলে দিতে হবে। সৃজনশীল পদ্ধতির লেখাপড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমানোর বিষয়টি ভেবে দেখতে হবে। বিজিপ্রেসের কর্মচারীর সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। জনবল কমিয়ে আনতে প্রয়োজনে অটোমেটিক পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ছাপার ব্যবস্থা করা যায় কিনা, তা ভেবে দেখা উচিত। প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রেস স্থাপন করা যায় কিনা, তাও ভেবে দেখা যেতে পারে।
এছাড়া সিলেবাস পরিবর্তন করে সৃজনশীল পদ্ধতিতে লেখাপড়ার চাপ কমানোর উপায় খুঁজে দেখার আহ্বান জানান প্রতিনিধিরা।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দেশজুড়ে ২ হাজার মাদ্রাসায় নতুন ভবন

 

ঢাকা,২৭ মার্চ:

সারাদেশে দুই হাজার মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘দেশজুড়ে নির্বাচিত মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সারাদেশের প্রত্যেকটি সংসদীয় আসনের জনপ্রতিনিধি (এমপি) কমপক্ষে ছয়টি করে মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পাবেন।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা। বাস্তবায়ন হবে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে। প্রকল্পের ২ হাজার মাদ্রাসার মধ্যে সারাদেশের ৩০০ এমপি দায়িত্ব পাবেন কমপক্ষে ছয়টি করে মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণের। বাকি মাদ্রাসাগুলোর ভবন নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও এমপিরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা অনুযায়ী বাকি মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণের কাজ এমপিদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে ভবনগুলোতে সব ধরনের আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির ব্যবস্থা করা হবে। তথ্য ও প্রযুক্তির বিষয়ে শিক্ষা দানে প্রতিটি নতুন ভবনে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম ও কম্পিউটার ল্যাব থাকবে। প্রতিটা ভবন হবে পাঁচতলা। তবে ফাঁকা থাকবে নিচতলা। শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ওপর নির্ভর করবে ভবনের আকার-আয়তন।

এরইমধ্যে মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত এ প্রকল্পের প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর। এর সম্ভাব্যতা ও প্রযোজনীয়তা নিয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

পিইসি সভা প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের শিক্ষা উইংয়ের সহকারী প্রধান মুনিরা ইসলাম  বলেন, মাদ্রাসা ভবনের উন্নয়নে একটি প্রকল্পের বিষয়ে পিইসি সভা হয়েছে। সভায় প্রাথমিকভাবে এটা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পের ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এগুলো ঠিক করে নিয়ে এলেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে।

সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের জন্য ৩০০ এমপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে ডিও (ডিমান্ড অব অর্ডার) লেটার বা চাহিদাপত্র দেন। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকার মাদ্রাসার দৈন্যদশা ও জরাজীর্ণতার কথা উল্লেখ করে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যমান মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের জন্য এ চাহিদাপত্র দিয়ে আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে দুই হাজার মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রকল্পটির বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বিল্লাল হোসেন  বলেন, মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়ে সারাদেশের সংসদ সদস্যরা মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠিয়েছেন। তাদের চাহিদার আলোকেই মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তুত করেছি। চাহিদা অনুযায়ী এমপিরা বিদ্যমান মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের বরাদ্দ পাবেন।

এর আগে, দেশের ৩০০ সংসদীয় এলাকার প্রত্যেকটিতে ১০টি করে মোট ৩ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরিকল্পনায় একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন’ নামে ১০ হাজার ৬৪৯ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটির আওতায় প্রত্যেক এমপি ১০টি করে স্কুল ভবন নির্মাণ কাজ বরাদ্দ পান। ওই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৯ মার্চ থেকে এইচএসসির কোচিংগুলো বন্ধ

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যেসব কোচিং সেন্টার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলো ২৯ মার্চ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার  এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন  জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ আদেশ জারি হবে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় তদারক কমিটির সভায় যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলো আজ আদেশ আকারে জারি করা হবে। সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে—পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখা, কেন্দ্রসচিব ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন কেন্দ্রে নিতে পারবেন না। তবে কেন্দ্রসচিবও শুধু একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া এবার ট্রেজারি বা থানা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে নিতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগেই। এ ছাড়া কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, তার সেট নির্ধারণ করা হবে পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে।

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। শেষ হবে ১৪ মে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে উপাধ্যক্ষ পদের প্রস্তাব

শফিকুল ইসলাম | : উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে (১১শ-১২শ) এতোদিন শুধু অধ্যক্ষ পদ ছিল। এমপিওর খসড়া নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের (১১শ-১২শ) নতুন করে উপাধ্যক্ষের একটি পদ সৃষ্টিসহ বিদ্যমান ১৫টি পদ থেকে  ৫টি পদ বৃদ্ধিসহ মোট ২০ জন জনবলের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় একাদশ শ্রেনিতে মানবিক,বিজ্ঞান,ব্যবসায় শিক্ষা ইত্যাদি বিভাগ খোলার জন্য প্রতি বিভাগে ন্যূনতম ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণত প্রতি বিভাগে চারটি বিষয় থাকবে। তবে ৫ম বা ততোধিক ঐচ্ছিক বিষয় খুলতে হলে ওই বিষয়ে কমপক্ষে ২৫ জন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে ন্যূনতম শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০০ জন থাকতে হবে।

প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) ১ জন,প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক (ইংরেজি) ১ জন ,প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) ১ জন,প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক(ঐচ্ছিক প্রতি বিষয়ে) ১ জন, শরীরচর্চা শিক্ষক ১জন, প্রদর্শক (পদার্থ,রসায়ন,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও উদ্ভিদবিজ্ঞান/প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ে ল্যাব চালু থাকলে প্রতি বিষয়ে) ১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক/ক্যাটালগার ১ জন, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ২জন, গবেষণগার/ল্যাব সহকারী (পদার্থ, রসায়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও উদ্ভিদবিজ্ঞান/প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ে ল্যাব চালু থাকলে প্রতি বিষয়ে) ১ জন। তবে এখানে ১টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। মালি ও পরিচ্ছন্ন কর্মি পদে বিদ্যমান ১টি পদের জায়গায় আরও একটি করে ২টি পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সহশিক্ষা চালু থাকলে মহিলা কলেজের জন্য ১ জন আয়া রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

উচ্চ মাধ্যমিক (১১শ-১২শ) স্তরে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের জনবল কাঠামোর বিষয়ে বলা হয়েছে, গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ চালু থাকলে প্রভাষক / সহকারী অধ্যাপক (গার্হস্থ্য অর্থনীতি  বিভাগে স্বীকৃতি প্রাপ্ত বিষয়ের জন্য) ১ জন এবং (গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের ল্যাবের জন্য) প্রদর্শক  থাকবে ১ জন।

উচ্চ মাধ্যমিক (১১শ-১২শ) স্তরে  সংগীত বিভাগের জনবলের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে প্রভাষক / সহকারী অধ্যাপক ( স্বীকৃতি প্রাপ্ত ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য) ১জন, প্রদর্শক (তবলচি) ১ জন এবং অফিস সহায়ক ১ জন। প্রতিষ্ঠানটি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভুক্ত হলে লঘু সংগীত বিষয়ে ১জন ও উচ্চাংগ সংগীত বিষয়ে ১ জন প্রভাষক/ সহকারী অধ্যাপক প্রাপ্য হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে ১০০ নম্বরের মধ্যে দেয়া গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে। একাডেমিক স্বীকৃতির বয়স, শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার্থী সংখ্যা এবং উত্তীর্ণের সংখ্যা- এ চারটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে দেয়া হবে। নীতিমালায় অসত্য তথ্য দিয়ে বা জালিয়াতি করে এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান প্রতিষ্ঠান ও পরিচালনা কমিটি দায়ী থাকবেন বলে উল্লেখ আছে। এ ক্ষেত্রে ‘যথোপযুক্ত আইনানুগ’ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা কী তা বলা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা, স্বীকৃতি/অধিভুক্তি, জনবলকাঠামোর আরোপিত শর্ত, কাম্য শিক্ষার্থী-ফলাফল, পরিচালনা কমিটি না থাকলে এমপিও দেয়া হবে না। এনটিআরসিএ’র মেধাতালিকা থেকে নিয়োগ না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এমপিও পাবেন না।

আরও পড়ুন:  দৈনিক ১ ঘন্টা কাজ করে মাসে ৫/১০ হাজার টাকা আয় করুন

নীতিমালা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বার্ষিক কাজের মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সামঞ্জস্য রক্ষা করা হবে। প্রত্যেক শিক্ষকের নিজ মূল বিষয়ের বাইরে আরও ২টি বিষয়ে পাঠদানের দক্ষতা থাকতে হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়, যেসব প্রতিষ্ঠানে শিফট চালু আছে, সেগুলোয় প্রতি শিফটের একেক শ্রেণীতে কমপক্ষে ১৫০ জন করে ছাত্রছাত্রী থাকতে হবে। ১৫০ জন বা এর অধিক শিক্ষার্থী থাকলেই শুধু শিফট চালু থাকবে। এ নীতিমালা জারির পর কোনো প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় শিফট খোলা যাবে না। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদিত মূল ক্যাম্পাস ছাড়া অন্য কোথাও ক্যাম্পাস বা ব্রাঞ্চ খুলতে পারবে না।

 

আরও পড়ুন: প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগকৃতদেরকে কেন ১০ গ্রেডে বেতন নয়: হাইকোর্ট

—————————————————————-

কোনো প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামোর অতিরিক্ত শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করলে বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধার শতভাগ (প্রতিষ্ঠানকে) পরিশোধ করতে হবে। ইনডেক্সধারী শিক্ষক-কর্মচারী অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দিলে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা গণনাযোগ্য হবে। তবে যোগদানের আগের বকেয়া প্রাপ্য হবেন না। ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তাদের প্রথম নিয়োগকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রযোজ্য। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একাধিক পদে চাকরি বা আর্থিক লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে শুধু একটি তৃতীয় বিভাগ/সমমান গ্রহণযোগ্য হবে। এ নীতিমালা জারির পর কেউ যদি বকেয়াপ্রাপ্য হন, সে ক্ষেত্রে তা পরিশোধ করা হবে না।শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মহিলা কোটা পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুসরণ করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free