শিক্ষাঙ্গন

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন নওশের আলী

চট্টগ্রাম:

বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত হয়েছেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক পূর্বকোণের চীফ রিপোর্টার নওশের আলী খান।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে তিনি সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত হন।

সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রস্তাব অনুসারে নওশের আলী খানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের মে মাসের বেতনের চেক ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ জুন:

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের মে-২০১৮ মাসের বেতন ভাতার সরকারি অংশের টাকার ৮টি চেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। রোববার বেতন-ভাতার অনুমোদন দেয়া হয়। সোমবার ঈদ বোনাসের (বেতনের ২৫ শতাংশ) অর্থ ব্যাংকে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে।

মাউশি উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী (সাধারণ প্রশাসন) বলেন, মাউশির অধীনস্থ স্কুল ও কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের এমপিও (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) বণ্টনকারী অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার ঈদুল ফিতরের বোনাসের অর্থও ব্যাংকে জমা দেয়া হবে। শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-বোনাসের অর্থ আগামী ১০ জুনের মধ্যে এ অর্থ উত্তোলন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আগামী ১০ জুন পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারিরা তাদের নিজ নিজ ব্যাংকের হিসাব নম্বরের মাধ্যমে বেতনভাতার টাকা তুলতে পারবেন বলে  জানা গেছে।

এদিকে, বেসরকরি শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ বোনাস না দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বেসরকরি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সিদ্ধান্ত স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন, শিক্ষকদের ২৫ শতাংশ বোনাস দেয়ায় সন্তুষ্ট হতে পারিনি।

নজরুল ইসলাম রনি বলেন, দেশে সিংহভাগ প্রতিষ্ঠান বেসরকরিভাবে পরিচালিত হলেও সরকারি শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বেশি দেয়া হয়। তাদের তুলনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বেতন কম পান, তারপরও মূল বেতনের মাত্র ২৫ শতাংশ বোনাস দেয়া হয়। বর্তমান বাজারে এ বোনাসের অর্থ দিয়ে তেমন কিছু করা সম্ভব হয় না। তাই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের শতভাগ বোনাস দাবি করছি।

এদিকে কারগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি (বিএম), এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং মাদ্রাসা (ভোকেশনাল ও বিএম) শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের এমপিওর (বেতন ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। ১২ টি চেক অগ্রণী, জনতা, রুপালী ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড প্রধান/স্থানীয় কার্যালয়ে  বৃহস্পতিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্মারক নং- ৫৭.০৩.০০০০.০৯১.২০.০০৫.১৮-৪৮৩,৪৮৪,৪৮৫ ও ৪৮৬। ১৪ জুন পর্যন্ত শিক্ষকরা স্ব স্ব অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

যারা এপ্রিল মাসের বেতনের সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারেননি তারাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এপ্রিলের বেতন উত্তোলন করতে পারবেন। অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে মাদ্রাসার শিক্ষকদের এমপিওর কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওবিহীন তৃতীয় শিক্ষকদের নাম চেয়েছে অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ জুন: এমপিওভুক্ত ডিগ্রি কলেজে বিষয় অনুমোদনের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত এমপিওবিহীন তৃতীয় শিক্ষকদের নামের তালিকা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এ তালিকা তৈরিতে অধ্যক্ষের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে অধিদপ্তর। শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এমপিওভুক্ত কলেজ অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো হয়েছে

চিঠিতে কলেজ অধ্যক্ষের স্বাক্ষরসহ স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ইমেইল থেকে চিঠিতে এমপিওবিহীন তৃতীয় শিক্ষকদের নামের তালিকার সফটকপি ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ইমেইলযোগে (ncollege@dshe.gov.bd) অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং সেন্টারের জন্য রেজুলেশন তৈরির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১মে:

কোচিং সেন্টারকে ‘ছায়া শিক্ষা’ বা সহায়ক শিক্ষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েছে কোচিং অ্যাসোসিয়েশন সংগঠন। এজন্য একটি রেজুলেশন তৈরির দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে কোচিং সেন্টার সংগঠনের আয়োজিত আলোচনা ও ইফতার মহাফিলে এমন দাবি করা হয়।

আলোচনায় বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রতিনিধিগণ কোচিং সেন্টারের পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন।

তারা বলেন, সমাজে কোচিং সেন্টার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে নিজেদের প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা স্ব-প্রণোদনায় কোচিংয়ে পড়তে আসছে। বছরের বিভিন্ন সময় সরকারি ছুটি উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় ক্লাস বন্ধ থাকে। বছরে ১৯০- ২০০ দিন কোনো পাঠদান কার্যক্রম থাকে না। বছরে অন্য দিনগুলোতে নানা ধরনের স্কুল পরীক্ষা লেগেই থাকে। এসব হিসেবে সারা বছরে ক্লাস হয় মাত্র ১১৫-১২৫ দিন। এ অল্প সময়ে সিলেবাস শেষ করা সম্ভব হয় না বিধায় ছাত্রছাত্রীদের কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদাহরণ তুলে ধরে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে কোচিং সেন্টার রয়েছে। কোথাও কোথাও সহায়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কোচিং সেন্টার স্বীকৃত। এছাড়া বেকারত্ব সমস্যা সমাধানেও কোচিং সেন্টার ভূমিকা রাখছে বলে জানানো হয়।

আলোচনা ও ইফতার মহাফিলে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলহাজ মো. মাইনুল হোসেন খাঁন (নিখিল), তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল রশীদ, মাহমুদুল হাসান সোহাগ, সৈয়দ মাহবুবুল হক পলাশ, আবু রায়হান, পলাশ সরকার, মাহবুব আরেফিন প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জুনে ১২০০০ প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। জুনে এ সংক্রান্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ আওতাভুক্ত সরকারি রাজস্ব খাত থেকে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৮২০টি। এর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। তাছাড়া এসব বিদ্যালয়ে ২০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণে লক্ষ্যেই রাজস্ব খাতে নতুন করে ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সম্প্রতি ডিপিই এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে সভায় সভাপত্বিত করেন ডিপিইর মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তার মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শূন্য পদগুলো পূরণে নতুন নিয়োগ কার্যক্রম রয়েছে। ২০১৪ সালের স্থগিত হওয়া ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যেই রাজস্ব খাতে নতুন করে আরো ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় রাজস্ব খাতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, অতিরিক্ত ক্লাসরুম তৈরি, প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুলগুলো অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হবে। এসব বিদ্যালয়ে শূন্য শিক্ষক পদ, প্রয়োজন অনুযায়ী সৃষ্ট পদ, প্রাক-প্রাথমিক স্তর মিলিয়ে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেড় লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকায় ৩ বছরের বেশি থাকা শিক্ষকদের অন্যত্র বদলির ন‌ির্দেশ

ড‌েস্কঃ

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ঢাকার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যে সকল শিক্ষকেরা ৩ বছরের বেশি সময় ধরে আছেন, তাদের অন্যত্র বদলি করে দিন।

 

আজ রবিবার কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর কয়েকটি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

মামলার শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, অনেক শিক্ষক ঢাকায় ১০-১২ বছর ধরে আছেন। এদের অনেকেই কোচিংবাণিজ্য করছেন।

 

তখন প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে বলেন, কেন? ৩ বছর পর পর তো বদলি করার কথা। তাহলে এর জন্য তো মন্ত্রণালয়-অধিদপ্তর দায়ী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি : নালিতাবাড়ীতে দুই সহকারী শিক্ষকসহ তিন প্রধান শিক্ষককে শোকজ, বেতন-ভাতা বন্ধ

নালিতাবাড়ী (শেরপুর)প্রতিনিধি : সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি প্রদান করায় কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি বেতন-ভাতা বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দুইজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়।
জানা গেছে, সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে গত ১ এপ্রিল নালিতাবাড়ী উপজেলার মোট ৩৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে ৩৪জন সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব প্রদান করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই আদেশ মতে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে যোগদান করতে গেলে বেশকিছু বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানান। পরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে বেশকিছু বিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরাকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ চলতি দায়িত্ব প্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। এমতাবস্থায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে উল্লেখিত তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান (সহকারী শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত) শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলম, মোঃ আমিরুল ইসলাম ও মোখলেছুর রহমান লিটনকে শৃংখলা পরিপন্থি কাজের জন্যে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না’ মর্মে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয় এবং তাদের বেতন-ভাতাদি বন্ধ করা হয়। একইসঙ্গে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের এমআর (মাসিক প্রতিবেদন) শীটে স্বাক্ষর না করায় কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী দুই শিক্ষক মানিক মিয়া ও রফিকুল্লাহকে একইভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানসহ তাদের বেতন-ভাতাও বন্ধ রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন্নেছা জানান, গত ৩ মে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং বেতন-ভাতা স্থগিত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও তিনি জানান, এর আগে অনিয়ম, শৃংখলা ভঙ্গ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে উল্টো হাস্যকর ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ জবাব দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একাদশ শ্রেণিতে মেধায় ভর্তির পর প্রার্থী থাকলে কোটায় ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ এপ্রিল: ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী, এবার শতভাগ আসন মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। তবে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পর যদি কোনো বিশেষ অগ্রাধিকার কোটার আবেদনকারী থাকে, তাহলে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসাবে নির্ধারিত কোটায় ভর্তি করা যাবে।

নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা তাঁদের সন্তানদের জন্য, ৩ শতাংশ বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দপ্তরগুলো ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের জন্য, শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বিকেএসপির জন্য এবং শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এবার মোট ১১ শতাংশ নির্ধারিত কোটা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায়, তবে এ আসনগুলোর কার্যকারিতা থাকবে না।

গতবার ৮৯ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত রেখে বাকি ১১ শতাংশ নির্ধারিত কোটার প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। এর ছাড়া গতবার কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে সে আসনগুলো সাধারণ কোটার প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হতো।

আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, এবারও একজন শিক্ষার্থী কমপক্ষে ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং এসএমএস উভয় পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে।

একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে ভর্তিতে আগের মতো এবারও স্কুল, কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তিতে অগ্রাধিকার পাবে।

ভর্তির জন্য অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৩ মে থেকে। আবেদনের শেষ সময় ২৪ মে। তবে ফল পুনর্নিরীক্ষণের যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের আবেদন আগামী ৫ ও ৬ জুন গ্রহণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। এরপর আরও একাধিক ধাপে ফল প্রকাশ ও মাইগ্রেশনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে ২৭ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। আগামী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৬ মে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাঙ্গাইলে প্রাথমিককে ৮’শ শিক্ষকের পদ শূন্য

ডেস্ক: টাঙ্গাইলের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দূরাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায়ই এ জেলায় ৮৩৮ জন শিক্ষকের পদ শূন্য। চলমান এ অবস্থায় ৫৭৪ জন প্রধান শিক্ষক আর ২৬৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ শূন্যতার ফলে এ জেলা শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা জীবনের শুরুতেই যেমন মানসম্মত আর প্রয়োজনীয় শিক্ষা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ নিয়োগ আর পদোন্নতি না থাকায় এ সমস্যা হয়েছে বলে দাবি করছে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৬০৭টি। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদশূণ্য রয়েছে ২৮৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর ২৯০টি সদ্য জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদশূণ্য রয়েছে ১৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৯৪টি সদ্য জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদশূণ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৪, ঘাটাইল উপজেলায় ৬৫, সখীপুর উপজেলায় ৪৫, গোপালপুর উপজেলায় ৫১, বাসাইল উপজেলায় ৪৩, দেলদুয়ার উপজেলায় ৪৪, মির্জাপুর উপজেলায় ৬৯, কালিহাতী উপজেলায় ৬৯, মধুপুর উপজেলায় ৩৫, নাগরপুর উপজেলায় ৫৪, ভূঞাপুর উপজেলায় ৩৬ আর ধনবাড়ী উপজেলায় ২৯টি। এছাড়াও সহকারি শিক্ষকের পদশূণ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৮, ঘাটাইল উপজেলায় ৪, সখীপুর উপজেলায় ৬৬, গোপালপুর উপজেলায় ৫০, বাসাইল উপজেলায় ২৮, দেলদুয়ার উপজেলায় ৪, মির্জাপুর উপজেলায় ১৬, কালিহাতী উপজেলায় ১০, মধুপুর উপজেলায় ১০, নাগরপুর উপজেলায় ৩৫, ভূঞাপুর উপজেলায় ২৭ আর ধনবাড়ী উপজেলায় ৬টি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক সংকটের ফলে মানসম্মত শিক্ষা আর মানসিক বিকাশ থেকে পিছিয়ে পরছে বিদ্যালয়ের শিশুরা। এছাড়া এ সমস্যার কারণে শিশুদের জ্ঞানশূণ্য শিক্ষা জীবনের শুরু হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের অনেকাংশেই স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি করেছেন তারা।

গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঞ্জু আনোয়ার ময়না বলেন, ২০১৩ সাল থেকে আমাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের পদটি শূন্য রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকজন সহকারী শিক্ষককের পদও। বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে ৯ জন শিক্ষককের মধ্যে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছে। এতে আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমসহ শিক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টি যেন গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোজাহারুল ইসলাম মাজাহার জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য অন্যতম একটি অন্তরায়। একটি জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮৩৮ শিক্ষকের পদশূন্য এটা খুবই দুঃখজনক। এতে সর্বোচ্চ সমস্যাগ্রস্ত হচ্ছে জেলার শিক্ষা কার্যক্রম।

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষককের নিয়োগ এবং পদোন্নতি না হওয়ায় প্রাথমিকে ব্যাপক শিক্ষক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। আশা করছি সরকার দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ জানান, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পদশূন্য রয়েছে অতিদ্রুত ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের পদ পূরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগতও করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত এ জেলার শিক্ষকের শূন্যপদতা দূর হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারের আশ্বাসে আগামী ৭ মে পর্যন্ত কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত

জাহিদ হাসান  : কোটাব্যবস্থা সংস্কারের আন্দোলন আগামী এক মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। মে মাসের ৭ তারিখ পর্যপ্ত এ আন্দোলন স্থগিত রাখার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার বিকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সাথে সচিবালেয়ে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের এতথ্য জানান।

কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। কোটার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা জন্য। এই এক মাসের মধ্যে কোটা সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠকে বসেন আন্দোলনকারীদের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

বৈঠক শেষে হাসান আল মামুন জানান, মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে কোটা সংস্কার করা হবে-এমন আশ্বাসে আপাতত আন্দোলন স্থগিত করছেন তাঁরা। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার করা শিক্ষার্থীদের মুক্তি দেওয়া হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান আন্দোলনকারীদের এই আহ্বায়ক।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন – দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন এবং উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিও শিক্ষকদের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক |
অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্ম তারিখ ও নামের বানানসহ একাধিক ভুল রয়েছে। আর এসব ভুল শোধরাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতিসহ নানারকম ঝামেলায় পড়তে হয়। কারো নামের আংশিক পরিবর্তন করারও প্রয়োজন হয়।
প্রচলিত নিয়মে শিক্ষক-কর্মচারীরা জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন।
এরপর অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে আবেদনকারীদের সশরীরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হতে বলা হয়। এরপর অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবেদনকারীদের পাসের বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করে যাচাই-বাছাই করেন। প্রচলিত নিয়মে সারা বছরই এটি করা যায়। এত একাধিকবার শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বোর্ডে দৌড়াতে হয়। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়াটি আর সারাবছর যাবত না করে একবারেই শেষ করতে চায় শিক্ষা অধিদপ্তর। একবারেই যার যা ভুল রয়েছে এবং শোধরাতে চায় তাদেরকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন করতে বলা হবে। সব আবেদন নিয়ে একবারে সভা করে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে। গত ২৪ মার্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো: মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এমপিও কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় আলাদা অফিস আদেশ জারি করবে অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন)  জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তার অধীনস্থ শিক্ষকদের জন্ম তারিখ ও নামের বানান (মৌলিক পরিবর্তন নয়, আংশিক) সংশোধনের প্রস্তাব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাবেন মর্মে সিদ্ধান্ত হয় এমপিও কমিটির সভায়। শিগগিরই এটি চিঠি আকারে জেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় বাউবি’র এইচ,এস,সি প্রোগ্রাম পরীক্ষায় দুই শিক্ষার্থী বহিস্কার, ০১শিক্ষক প্রত্যাহার

মোয়জ্জেম হোসেন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
কলাপাড়ায় বাউবি’র এইচ.এস.সি সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ ভেন্যুতে শুক্রবার অসদুপায় অবলম্বনের জন্য দুই শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে।
এসময় দায়িত্ব অবহেলার কারনে এক শিক্ষিকাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মনেনীত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদ হোসেন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে দু’শিক্ষার্থীকে বহিস্কার ও শিক্ষিকা প্রত্যাহার করেন।
বহিস্কৃত শিক্ষার্থী মো. শারমিন বেগম, রোল নং (০১-০-১১-৫১৩-০৬৭) ও নিলয় সিকদার, রোল নং (১৭-০-১১-৫১৩-০৭৫)। প্রত্যাহার করা শিক্ষিকা মোসা. সাবিয়া আফরোজ বিথী (প্রানী বিদ্যা)।
খেপুপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের বাউবি’র উচ্চমাধ্যমিক কোর্স সমন্বয়কারী ও উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল আলম দুই শিক্ষার্থী বহিস্কারের কথা স্বীকার করলেও শিক্ষিকা প্রত্যাহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদ হোসেন দুই শিক্ষার্থী বহিস্কার ও শিক্ষিকা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাউবি’র পটুয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত উপ-আঞ্চলিক পরিচালক মো: মোশারেফ হোসেন’র সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রসংগত: কলাপাড়ার দুই ভেন্যুতে বাউবির উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রী পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়ার শর্তে নির্ধারিত অংকের টাকা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি ও পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ করে দেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সহ বাউবি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এ বিষয়টি সম্প্রতি গনমাধ্যমে প্রকাশ পেলে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তানভির রহমান উদ্দোগ নেন পরীক্ষা কেন্দ্র নকল মুক্ত রাখার
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেয়া হবে। সে পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

শুক্রবার সকালে গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে বিদ্যালয় গমনোপযোগী শিশুর ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও মা সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার পরও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আশানুরুপ ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্ডার গার্টেন স্কুলগুলো এগিয়ে যাচ্ছে। সে তুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো এগুতে পারছে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৬০ ভাগ নারী শিক্ষক রয়েছেন। তাদেরকে হৃদয় উজার করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে হবে। শিশুরা যে বোঝে না তা নয়, তাদের সঠিক শিক্ষা দিলেই তারা বুঝবে।

জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম মন্ডল প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটার ফাঁকা পদ পূরণ হবে যেভাবে

ডেস্ক | :

সব ধরনের সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা না গেলে সেগুলো মেধাতালিকার শীর্ষে থাকা প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। এক মাস আগে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার এক আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদগুলো বিশেষ কোটার অধীন কোনো জেলার বিতরণ করা পদের সংখ্যা থেকে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম হলে ওই বিশেষ কোটার অপূরণ থাকা পদগুলো জাতীয়ভিত্তিক নিজ নিজ বিশেষ কোটার (অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) জন্য করা জাতীয় মেধাতালিকা থেকে পূরণ করতে হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অনুসরণের পর সংশ্লিষ্ট নিয়োগের জন্য নারী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার কোনো কৃতকার্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ওই পদগুলো অবশিষ্ট কোটা অর্থাৎ জেলার সাধারণ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। এই দুই পদ্ধতি অনুসরণ করার পরও কোনো বিশেষ কোটার কোনো পদ পূরণ করা সম্ভব না হলে অপূরণকৃত পদগুলো জাতীয় মেধাতালিকার শীর্ষে থাকা প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ কোটার (মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা সদস্য) কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হলে অপূরণকৃত পদগুলো জেলার প্রাপ্যতা অনুযায়ী নিজ নিজ জেলার সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। কোটাসংক্রান্ত অন্যান্য বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।

বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৫৫ শতাংশ কোটায় নিয়োগ হয়। বাকি ৪৫ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। কোটা সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলন করছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং বাণিজ্য ৪ শিক্ষকের মুচলেকায় মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ এপ্রিল: জামালপুরের ইসলামপুরে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং ক্লাস পরিচালনার দায়ে দুই কোচিং সেন্টারের চার শিক্ষককে আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়ে কোচিং সেন্টার না চালানোর শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার (৪ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ নির্দেশ দেন।

 

ইউএনও জানান, বুধবার (৪ এপ্রিল)বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পৌর শহরের পোদ্দারপাড়ার ভীগা কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে পরিচালক তাহমিনা খাতুন, শিক্ষক আবদুল আওয়াল ও ইসলামপুর হাসপাতাল রোডের সুজন কোচিং সেন্টার থেকে ইসলামপুর সরকারি নেকজাহান মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন সুজন ও ইসমাইল হোসেনকে আটক করে তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়ে ভবিষ্যতে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আর কোচিং সেন্টার না চালানোর শর্তে সাধারণ ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তুফা, একাডেমিক সুপারভাইজার মামুনর রশিদ ও চরজীবিকায়ন প্রকল্পের কো অর্ডিনেটর হুমায়ুন কবীর উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free