শিক্ষাঙ্গন

২৯৯ কলেজের ১২ হাজার শিক্ষক এবং ৩২৫ স্কুলের প্রায় আট হাজার শিক্ষক রয়েছেন উৎকণ্ঠায়

ডেস্ক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯: স্কুল-কলেজ সরকারি হলেও এখনও বেসরকারি রয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা। এরই মধ্যে অনেকে অবসরে গেছেন। আবার কারো কারো চাকরি শেষ পর্যায়ে। এছাড়া, অন্যদের মধ্যেও নানা ধরনের শঙ্কা কাজ করছে। সব মিলিয়ে সর্বশেষ সরকারিকরণ হওয়া ২৯৯ কলেজের ১২ হাজার শিক্ষক এবং ৩২৫ স্কুলের প্রায় আট হাজার শিক্ষক নিজেদের পেশাজীবন নিয়ে রয়েছেন উৎকণ্ঠায়। সুবিধাবঞ্চিত হয়েই অবসরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিকরণ হওয়া কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, জনবল সরকারিকরণের কাজ খুবই ধীরগতিতে চলছে। এভাবে চলতে থাকলে সব কলেজের কাজ শেষ করতে তিন থেকে চার বছর লেগে যাবে। ফলে এই সময়ে আরও সহস্রাধিক শিক্ষক অবসরে চলে যাবেন। এতে যেমন তারা সরকারি সুবিধাবঞ্চিত হবেন, অন্যদিকে শিক্ষক সংকট তৈরি হবে। লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে। তাই দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, সরকারিকরণের জন্য সর্বশেষ কলেজ তালিকাভুক্ত করা হয় ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের আগষ্টে। সরকারিকরণের আদেশ জারি হয় গত বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে। তিন ধাপে সরকারি করার আদেশ জারি হয় মোট ২৯৯টি কলেজের। সরকারিকরণ হওয়া কলেজের শিক্ষকদের মর্যাদা কী হবে তা নিয়ে গত বছরের ৩১ জুলাই ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮’ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আত্তীকৃত কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জহুরুল হক বলেন, ‘সরকারিকরণের প্রস্তুতি চলছে ৩ বছর ধরে; কিন্তু এখনও শেষ করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান সরকারি হয়েছে তা-ও ৭ মাস হয়ে গেছে; কিন্তু আমরা এখনও বেসরকারিই রয়ে গেছি।’

সূত্র জানায়, এত সংখ্যক কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের কোন প্রক্রিয়ায় দ্রুত সরকারি করা যায় এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই শিক্ষা ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সময় লেগে যায়। পুরাতন পদ্ধতিতে সরকারিকৃত ২৯৯ কলেজের পদ সৃজন করতে আগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। এই প্রক্রিয়ায় অসংখ্য শিক্ষক-কর্মচারী সরকারি হওয়ার সুবিধাবঞ্চিত থেকেই অবসরে চলে যাবেন। যে কারণে দ্রুত পদ সৃজন করতে নানামুখী চিন্তাভাবনা চলে।

জানা গেছে, সব কলেজে সমন্বিত পদ সৃজন করার অংশ হিসাবে গত বছরের ২৩ অক্টোবর ঢাকা জেলার চারটি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি নিয়ে সভা করে। সভায় কলেজগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণ কার্যক্রম স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত এবং দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কলেজের ১৫ দফা তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব বা অতিরিক্ত সচিবের প্রত্যয়নসহ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক কর্মকর্তা বলেন, প্রথমে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কলেজগুলোর সংখ্যাতাত্ত্বিক পদসৃষ্টির প্রস্তাবনা পাঠানো হলে জনপ্রশাসন একই সঙ্গে জনবলের সকল কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সে আলোকে মাউশি থেকে কলেজগুলোর কাছে নতুন করে তথ্য চাওয়া হচ্ছে। এই তথ্যের সঙ্গে আগের তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। নতুন তথ্য যোগ করা হচ্ছে, যাচাই-বাছাই চলছে।

মাউশি সূত্র জানায়, অধিদপ্তরের কলেজ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত কাজ করা হচ্ছে। এই কাজের জন্য মাত্র তিনজন সহকারী পরিচালক রয়েছেন। তবে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য আরও ৯ জন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা সংযুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাত্র ১০টি কলেজের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এই শাখা থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি মাসের ১৫ এবং ৩০ তারিখের মধ্যে অন্তত ১৮টি কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর চেয়ে বেশি সংখ্যক কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক বলেন, জনবল কাঠামো সরকারিকরণের জন্য আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এ কাজ করার জন্য বাড়তি জনবল সংযুক্ত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই সব কলেজের তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারবো।

স্কুলের জনবল সরকারিকরণ

প্রক্রিয়া কিছুটা এগিয়ে

স্কুলের জনবল সরকারিকরণের প্রক্রিয়া কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ১টি, ২৫ নভেম্বর ৩টি, ১৮ নভেম্বর ৪টি, ১৫ নভেম্বর ১৬টি, ১২ নভেম্বর ৪টি, ২৯ অক্টোবর ৪টি, ১১ অক্টোবর ১৯টি, ৯ অক্টোবর ১৩টি, ২৮ সেপ্টেম্বর ২৫টি, ২৪ সেপ্টেম্বর ৪৩টি, ১৩ সেপ্টেম্বর ৪৪টি এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ১টিসহ মোট ৩২৫টি স্কুলের সরকারিকরণের আদেশ জারি করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব লুৎফুন নাহার জানিয়েছেন, ৩২৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮ স্কুলের জনবল নিয়োগের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ৮১টি স্কুলের জনবলের ফাইল সংশ্লিষ্ট শাখা ও মন্ত্রণালয়ে চলমান রয়েছে। এগুলো ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে শেষ হতে পারে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্কুলের জনবল সরকারিকরণের কাজও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীসহ স্কুল বিক্রির বিজ্ঞাপন!

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯

পুঁজিবাদী এই যুগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে বিলাসী দ্রব্যসহ অনেক কিছুই বেচাকেনা হয়। কিন্তু তাই বলে শিক্ষার্থীসহ গোটা একটি স্কুল বিক্রির কথা শুনে পিলে চমকে যাবার মতো অবস্থা হলেও বাস্তবেই স্কুল বিক্রির এমন একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যেই ফেসবুকে ভাইরাল। গতকাল সকাল থেকেই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওয়ালে ওয়ালে একটি ছবি ঘুরছে। সেখানে লেখা আছে- ‘বিক্রয় হইবে হাইস্কুল/ প্লে-দশম শ্রেণী চলমান/ ৪৫০ জন ছাত্রছাত্রীসহ’। বিজ্ঞাপনদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি মোবাইল নাম্বারও দেয়া হয়েছে সেই বিজ্ঞাপনের নিচে। তবে বিজ্ঞাপনে স্কুল অথবা স্থানের নাম উল্লেখ না থাকায় স্কুলটির অবস্থান এবং বিজ্ঞাপনের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত নাম্বারে ফোন দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ট্রু কলার অ্যাপসে সেই নাম্বারের স্বত্ত্বাধিকারীর নাম ‘ওয়াহিদ রামপুরা’ ভেসে উঠে। ফেসবুকে এই ছবি শেয়ার করে অনেকে নানা মন্তব্য করছেন। তারা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে ছবির মিল খোঁজার চেষ্টা করছেন। আহমেদ মহিউদ্দিন নামে একজন ফেসবুকে ছবিটি শেয়ার করলে সেখানে রয় সুবির নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘এটা দেশের টোটাল এডুকেশনাল সিস্টেমকে রিপ্রেজেন্ট করছে।’ সনজিত চক্রবর্তী নামে একজন তার নিজের টাইমলাইনে ছবিটি শেয়ার করলে সেখানে দেবনাথ মৃদুল নামে একজন মন্তব্য করেন- ‘এই প্রথমবার এমন প্রস্তাব শুনলাম।’ আবদুল হান্নান নামে একজন ফেসবুকে এ ছবি পোস্ট করলে সেখানে এহতেশামুল হক নামে একজন মন্তব্য করেন- ‘আচ্ছা, ছাত্রছাত্রী ছাড়া কত, সহ কত? একদর নাকি বাড়াবাড়ি করা যাবে?’ ফেরদৌস নামে এক ব্যবহারকারীর বক্তব্য- ‘স্কুল বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রি হচ্ছে বিবেক, মানবতার মেরুদন্ড।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ এপ্রিল২০১৯:

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/১৪ গতে ১৪/১২/২০১৫ ইং টাইমস্কেল মঞ্জুর করতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় টাইমস্কেল মঞ্জুরের ক্ষমতা দেয় বিভাগীয় উপপরিচালকদের হাতে।

প্রাথমিকের যেসব প্রধান শিক্ষক এখনও টাইমস্কেল পাননি তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে জট খুলতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে এবং প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দে সাথে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের একাধিকবার বৈঠকের পর অবশেষে বিভাগীয় উপপরিচালকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর ক্ষমতা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।

জানা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম. ২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক  সমিতির কেন্দ্রিয় সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রির দপ্তর থেকে গত ৮ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে  ওয়াহিদা মুসাররত আনীতা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে  মতামত চেয়ে পত্র জারী করে  করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রনালয়। ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক ও ময়মনসিংহ বিভাগ টাইমস্কেল মঞ্জুর করেছে। বাকী বিভাগগুলো দ্রুত টাইমস্কেল মঞ্জুর করবে বলে আশা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিএড ছাড়াই কৃষি শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক |০৪ এপ্রিল, ২০১৯

বিএড ছাড়াই মাদরাসায় কৃষি বিষয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের যোগদান করানোর জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ মার্চ মাদরাসার এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোর সংশোধনী জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। এ সংশোধনী অনুযায়ী মাদরাসায় কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে বিএড লাগবে না বলে বলা হয়েছে।  তাই মাদরাসায় কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ প্রাপ্তদের নিয়োগ সংশোধিত নিয়োগ যোগ্যতা প্রযোজ্য হবে। এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়েও বিএড ডিগ্রি না থাকায় নিয়োগ নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা। গত বছর জারি করা মাদরাসা এমপিও নীতিমালা এবং স্কুল-কলেজ, ব্যবসায়-ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার কয়েকটি বিষয় অসামঞ্জস্য ছিল। তাই মাদরাসার এমপিও নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধন শেষে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষা বার্তাকে জানান, গত বছর প্রকাশিত মাদরাসার এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতে কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে বিএডসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি পাস বা সম্মান ডিগ্রি অথবা বিএডসহ কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে বলে বলা হয়েছে। কিন্তু গত বছর প্রকাশিত বেসরকারি স্কুল কলেজের এমপিও নীতিমালায় কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি পাস বা সম্মান ডিগ্রি অথবা কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমানের ডিগ্রি থাকার কথা বলা থাকলেও বিএড ডিগ্রির কথা উল্লেখ করা হয়নি। বেসরকারি স্কুল ও মাদরাসার কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের বেতন স্কেল একই। দুই পদের বেতনে গ্রেড ১০ হলেও নীতিমালায় যোগ্যতা ভিন্ন থাকায় প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে। বিষয়গুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা সংশোধনের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করা হলে তিনি সম্মতি জানান। পরে নীতিমালাটি সংশোধন করা হয়। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি শিক্ষক বদলির প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদক , ০৪ এপ্রিল, ২০১৯ : বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী বদলির প্রক্রিয়া সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সব কাজ অনলাইনে করা হবে। এ লক্ষ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ারকরণের মতোই একটা সফটওয়্যার তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ ও যাচাই করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে বদলির নীতিমালা করতে আরও বৈঠক করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (৩ এপিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন সংক্রান্ত’ সভায় এমনটাই আলোচনা হয়েছে। সভা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র শিক্ষা বার্তা ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি) জাবেদ আহমেদ।   

সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে নানা জনের নানা মত রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। সফটওয়্যার ভিত্তিক বদলি প্রক্রিয়াকরণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। আবেদন গ্রহণ ও বদলির আদেশ এবং যাবতীয় তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে হবে। এ সফটওয়্যারে শিক্ষকরা অনলাইনে তাদের পছন্দ মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে বদলির আবেদন করবেন। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম তারা দিতে পারবেন। বছরের বিশেষ একটি সময়ে সফটওয়্যারের মাধ্যমে এসব বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করে ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আবারো আন্দোলনে যাচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ এপ্রিল: জাতীয়করণ বঞ্চিত চার হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে আবারো আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১৬ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। বুধবার বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ খোকন।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য দুই দফায় ৩৬ হাজার ১৬০টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এর ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

মামুনুর রশিদ বলেন, ঘোষণার মধ্যে ২৭ মে ২০১২ পূর্বে চার হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়। তাদের আবেদনও ওই সময়ে ছিল। সংগঠনের মহাসচিব মো. কামাল হোসেন জানান, বঞ্চিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের দাবিতে গত বছর ২১ জানুয়ারী থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন ধর্মঘট পালন করা হয়। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের আশ্বাসের পর কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষকরা। এত দিনেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ফের আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত হবে ৩৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ডেস্ক,৪ এপ্রিল: আগামী অর্থবছরে ৩৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। এ বাবদ সরকারের খরচ হবে ৪ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ হিসাব এরই মধ্যে চূড়ান্ত করে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ চেয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থসচিবকে একটি আধা সরকারি পত্র (ডিও) দিয়েছে শিক্ষা সচিব (সিনিয়র)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এ তথ্য।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এমপিওভুক্ত করতে যাচাই-বাছাই চলছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য বলে বিবেচিত হবে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এটা এমনও হতে পারে যে ১০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী অর্থবছরে ৩৩ শতাংশ করে এমপিও দিলাম। আবার এমনটাও হতে পারে যে প্রথম বছরে ১০০টির মধ্যে ৩৩টিকে এমপিও দিলাম, পরবর্তী ২ বছরে অন্যগুলোকে দিলাম। এ দুটির যে কোনো একটি হতে পারে। এ নিয়ে বাজেটে ঘোষণা আসবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন শিক্ষা বার্তাকে বলেন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সেটা পারসেন্টেজের হিসাবে না প্রতিষ্ঠান হিসাবে হবে সেটা সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে বরাদ্দের সঙ্গে এমপিওভুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, সরকার যখন এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেবে, তখন বরাদ্দের প্রশ্ন আসবে।

আগামী ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও বাজেটে শিক্ষাখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আগামী বাজেটে অর্থ বরাদ্দের জন্য পাঠানো ডিও লেটারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী যে সব উপজেলায় একটি করে কলেজ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি স্কুলকে সরকারিকরণের ঘোষণা দেয়া হয়।

এসব স্কুল ও কলেজকে পর্যায়ক্রমে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে। এছাড়া নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। এসব খাতে অতিরিক্ত ও এককালীন বরাদ্দের প্রয়োজন।

সূত্র মতে, আগামী বাজেটে কোন খাতে কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন এর একটি প্রাক্কলন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ। এ হিসাবটি পাঠানো হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। সেখানে বলা হয়, নতুনভাবে ৩৩২টি বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের জন্য এর ব্যয় মেটাতে আগামী অর্থবছরে টাকার প্রয়োজন হবে ২৪২ কোটি ৫১ লাখ ১১ হাজার।

এছাড়া ২৯৯টি কলেজকে সরকারিকরণের কারণে এর পেছনে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৬২৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা। হিসাবে আরও দেখানো হয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিসিআরসিএ) এমপিওভুক্ত পদে ১৯ হাজার ৯৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে। তাদের বেতন-ভাতার জন্য প্রয়োজন হবে ৪৮৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

এছাড়া ২ হাজার ৮৭১ জন প্রভাষককে নিয়োগেরও সুপারিশ করেছে এনটিসিআরসিএ। তাদের নিয়োগ দেয়ার পর বেতন-ভাতা খাতে অর্থের প্রয়োজন হবে ৯৯ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

সূত্র আরো জানায়, ৬ হাজার ১৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করা হবে। এর অনুমোদন হলে পরিচালনা ব্যয় খাতে অর্থের প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য বার্ষিক প্রয়োজন হবে ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ৩০০ টাকা। একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (নবম-দশম) পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য প্রয়োজন হবে ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ টাকা।

এভাবে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (একাদশ থেকে দ্বাদশ) জন্য ব্যয় হবে ৬৩ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জন্য ব্যয় হবে ৯১ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ টাকা। ডিগ্রি কলেজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা। ৬ হাজার ১৪১টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিও করার খাতে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ২৮ হাজার। এর প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে খরচ হয় ১ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরেও কয়েক হাজার নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপরই এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চার বছরেও বেসরকারি শিক্ষকদের এসিআর চালু হয়নি, বদলি নীতিমালার সভা কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ এপ্রিল, ২০১৯

আদেশ জারির চার বছরেও চালু হয়নি বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদরাসা শিক্ষকদের এসিআর। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন শিক্ষাসচিব মো. নজরুল ইসলাম খান এসিআরের আদেশ জারি করেন। কিন্তু ওই সময়ের শিক্ষামন্ত্রী ও বাড়ৈ সিন্ডিকেট এসিআর চালুর উদ্যোগ আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। 

২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশ অনুযায়ী সংশ্নিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এই এসিআর লিখবেন। তাতে প্রতিস্বাক্ষর করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক। সারাদেশে মাউশির ৯ জন আঞ্চলিক পরিচালক রয়েছেন। আর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক) এসিআর লিখবেন মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক। তাতে প্রতিস্বাক্ষর করবেন মাউশির কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক। এরপর তা সরকারের কাছে (মাউশিতে) জমা দেওয়া হবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও যোগ্যদের মূল্যায়নের জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের এসিআর চালু করা গেলে পদোন্নতিসহ শিক্ষকদের সার্বিক উন্নয়নে তা কাজে লাগানো হবে। বেতন স্কেলের পরবর্তী উচ্চতর ধাপে যেতেও তা প্রয়োজন হবে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষকদের সংখ্যা বিপুল হওয়ায় তাদের এসিআরের বিষয়টি কাগজে-কলমে না করে অনলাইনে ‘ই-এসিআর’ করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য পৃথক নতুন একটি সফটওয়্যার তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। আর সহযোগী অধ্যাপকদের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখন থেকে চাকরির ৬ ও ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন। আগে শিক্ষকরা চাকরির ৮ ও ১৬ বছর পূর্তিতে দুটি টাইমস্কেল পেতেন। অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল চালুর সময় টাইমস্কেল উঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। এ জন্য এখন চাকরির ১৬ বছরের মধ্যে অন্তত দুটি ধাপে উচ্চতর স্কেল চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারি কলেজের পদোন্নতির সোপান তৈরি করতে সহযোগী অধ্যাপকদেরও এমপিওভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। এ জন্য গত বছরের ১২ জুন জারি করা এমপিওভুক্তির নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতেও প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হচ্ছে। 

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বদলি ও এসিআর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য গত ২৭ মার্চ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক)  মো. জাবেদ আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির খসড়া নীতিমালা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মাউশিকে।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব মো. জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতে কিছু সুনির্দিষ্ট সংশোধনী আনা হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষকদের পদোন্নতি, এসিআরসহ নানা বিষয়ে পরিবর্তন আসবে। চাকরির ১৬ বছরে দুটি উচ্চতর গ্রেড শিক্ষকরা পাবেন। বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির জন্য নীতিমালা করা হচ্ছে। সহযোগী অধ্যাপকদের এমপিওভুক্ত করার বিষয়টিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। এ জন্য প্রস্তাব তৈরি করে পাঠানো হবে।’

বদলি নীতিমালা হচ্ছে: বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির জন্য নীতিমালা তৈরি করছে মাউশি। এতে বদলির ক্ষেত্রে প্রার্থীরা নিজ জেলায় ফিরতে অগ্রাধিকার পাবেন। তবে একই প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে তিন বছর না থাকলে কেউ বদলির যোগ্য হবেন না।

এতদিন বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু না করার পক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের যুক্তি ছিল, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বেতন-ভাতা অনেক কম পান। বাড়ি ভাড়া পান নামকাওয়াস্তে কিছু টাকা। এ অবস্থায় নিজ জেলা থেকে অনেক দূরে কাউকে বদলি করলে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাড়ি ভাড়া করে থাকা তার জন্য কষ্টকর হবে। কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। সরকারি শিক্ষকদের মূল বেতনের শতভাগ পান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়াও আগের চেয়ে বেড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয়ও রয়েছে। এ ছাড়া সম্প্রতি এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষকের অধিকাংশকেই নিজ জেলার বাইরে চাকরিতে যোগ দিতে হচ্ছে। তারা যাতে নিজ জেলায় ফেরত আসতে পারেন, সেদিকটাও বিবেচনায় রয়েছে সরকারের। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকেই জোরালো দাবি উঠেছে বদলির নিয়ম চালু করার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১১ শর্তে সরকারি কলেজে ১৯১ প্রভাষক নিয়োগ

ডেস্ক

৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (বিপিএসসি) ক্যাডার (সাধারণ শিক্ষা) পদে ১৯১ প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব প্রার্থীকে শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে উত্তীর্ণ ১৯১ জনকে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। তাদের প্রভাষক পদে যোগদান করা হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। যোগদানের পরবর্তী দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে গণ্য হবে। এ সময়ে যদি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই ওই প্রার্থীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হবে।

প্রশিক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে সমাপনী, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনক হলেই তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে। মোট ১১টি শর্তে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে- বাংলায় ২০ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ১৭, প্রাণিবিদ্যায় একজন, ইংরেজিতে ১৩, অর্থনীতিতে ১৫, দর্শনে ১৭, ইতিহাসে ১৮, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে পাঁচজন, সমাজকল্যাণে দু’জন, পদার্থ বিজ্ঞানে দু’জন, উদ্ভিদবিদ্যায় চারজন, কৃষিবিজ্ঞানে তিনজন, মনোবিজ্ঞানে পাঁচজন, হিসাববিজ্ঞানে ২০, ব্যবস্থাপনায় ২১, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে তিনজন, সংস্কৃততে দু’জন, পরিসংখ্যানে তিনজন, গণিতে ১৩, কম্পিউটারে পাঁচজন এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ে দু’জন প্রভাষক রয়েছেন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাইমস্কেলের বদলে উচ্চতর গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত

শিক্ষা ডেস্ক: ২৭ মার্চ, ২০১৯

টাইমস্কেলের বদলে বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষকরা উচ্চতর গ্রেড পাবেন। নতুন জাতীয় পে-স্কেলে টাইমস্কেল বাতিল করা হয়। আর তাই টাইমস্কেল শব্দে আপত্তি জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আপত্তি এড়াতে ‘উচ্চতর গ্রেড’ শব্দ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন সংক্রান্ত’ সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে  সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি) জাবেদ আহমেদ। সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জানা গেছে, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ নিয়মে টাইমস্কেল সুবিধাবঞ্চিত হচ্ছেন কয়েক লাখ এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী। তাদের বিষয়টি মাথায় রেখে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ‘টাইমস্কেলের’ পরিবর্তে ‘উচ্চতর গ্রেড’ দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

এমপিও নীতিমালা সংশোধনের জন্য অনুষ্ঠিত সভা শেষে অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ জানান, শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড দেয়ার বিষয়ে আজকের সভায় আলোচনা হয়েছে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ‘টাইমস্কেল’ বন্ধ করার নির্দেশ অর্থ মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্ত সুবিধা বঞ্চিত হন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাই এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে ‘টাইমস্কেল’ শব্দটি ‘উচ্চতর গ্রেড’ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে

কর্মকর্তারা জানান, টাইমস্কেলের নিয়মেই ‘উচ্চতর গ্রেড’ পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। অর্থাৎ ১০ বছর পূর্তিতে একটি এবং চাকরির ১৬ বছর পূর্তিতে আরও একটি, মোট দুইটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন শিক্ষকরা। কর্মকর্তারা আরও জানান, সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হলে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির যোগ্য শিক্ষকদের আবেদন বিধি মোতাবেক ফরোয়ার্ড করার নির্দেশ দেয়া হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। যোগ্য বিবেচিত সবার নাম পাঠাতে হবে।   

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, এনটিআরসিএ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিবন্ধনে পাস করার সহজ উপায়

চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চদশ শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলি পরীক্ষা। প্রিলিতে পাশ করা যায় কিভাবে? সেটাই আজকে জানাবো আপনাদের।

সংক্ষেপে উত্তর: পড়া, পড়া এবং পড়া এবং অবশ্যই নিবন্ধনের সিলেবাসের আলোকে পড়বেন। জানেন তো শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলি পরীক্ষারও সিলেবাস আছে।

যা পড়বেন গভীরভাবে পড়বেন। গভীরভাবে না পড়লে কনফিউজড হয়ে পড়ে আসা প্রশ্নেও ভুল হয়।

সিলেবাস ভালো করে আয়ত্তে তো আনবেনই, এর বাইরে এমন একটি বিষয় হাইলাইটস করছি যা অনেকেরই দৃষ্টিগোচর হয় না। ম্যাক্সিমাম প্রার্থীই মনে করেন নিবন্ধনের সাবেক প্রশ্ন থেকে পরীক্ষায় আসে না। এটি মারাত্মক ভুল ধারনা। স্কুল, স্কুল-২ এবং কলেজ লেভেলের প্রশ্ন ঘাটাঘাটি করলে দেখা যায় ২০ থেকে ৪০টি প্রশ্ন আসে নিবন্ধনের সাবেক প্রশ্ন থেকে। তাই পরামর্শ হচ্ছে, নিবন্ধনের সাবেক প্রশ্নগুলো এত বেশিবার পড়ুন যাতে আপনার নাম জিজ্ঞেস করলে যেভাবে দ্রুত বলতে পারেন সেভাবে দ্রুত সেগুলোর উত্তর বলতে পারেন।

আরো একটি পরামর্শ হল, বিসিএস প্রশ্ন সমাধান সংগ্রহ করুন। বিসিএসে আসা সাধারণ জ্ঞানের সব প্রশ্ন ভালো করে পড়ুন। বিসিএসের প্রশ্ন হতে সাধারণ জ্ঞান ১০ থেকে ১৫ বা এরচেয়েও বেশি প্রশ্ন নিবন্ধন পরীক্ষায় আসতে পারে। আর বিসিএসে গণিত, ইংলিশ ও বাংলার যেসব প্রশ্ন নিবন্ধনের সিলেবাসের ভিতর থেকে আসে সেগুলোও ভালোভাবে পড়ুন। নিবন্ধনে কমন পাবেন।

আরো একটি পরামর্শ হল, বিসিএস প্রশ্ন সমাধান সংগ্রহ করুন। বিসিএসে আসা সাধারণ জ্ঞানের সব প্রশ্ন ভালো করে পড়ুন। বিসিএসের প্রশ্ন হতে সাধারণ জ্ঞান ১০ থেকে ১৫ বা এরচেয়েও বেশি প্রশ্ন নিবন্ধন পরীক্ষায় আসতে পারে। আর বিসিএসে গণিত, ইংলিশ ও বাংলার যেসব প্রশ্ন নিবন্ধনের সিলেবাসের ভিতর থেকে আসে সেগুলোও ভালোভাবে পড়ুন। নিবন্ধনে কমন পাবেন।

স্বরুপ দাস,প্রশি, আজমপুর সপ্রাবি,চুয়াডাঙ্গা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এদিন দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। এছাড়া শিশু দিবস উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অয়োজনের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। 

জানা গেছে, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে সম্প্রতি শিশু একাডেমির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে এ সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করবে। মন্ত্রণালয়গুলো থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিবসটি উদযাপনের নির্দেশ প্রদান করবে। 

এছাড়া জাতীয় শিশু দিবসে সব জেলা ও উপজেলা সদরে শিশু সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন জেলা ও উপজেলাগুলোতে আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিশু সংগঠন ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তারা এসব কর্মসূচি আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন বছর হলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষককে তিন বছরের বেশি সময় রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘অনেক শিক্ষক একই স্থানে থেকে নিজের দায়িত্ব সর্ম্পকে সচেতন থাকছেন না। অনেকে আবার নয় বা দশ বছরও একই বিদ্যালয়ে থাকায় ঠিকমতো ক্লাসে থাকেন না বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই তিন বছর হলেই তাদের বদলি করতে হবে।’

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ আছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টিও অফিসে কাজের কথা বলে চায়ের দোকানে গিয়ে আড্ডা দেন। যখন বিদ্যালয়ের অভিভাবক থাকে না তখন ঠিকমত ক্লাস হয় না। এই অবস্থা পাল্টাতে প্রত্যেক স্কুলে একজন করে অফিস সহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে করে প্রধান শিক্ষককে টিও অফিসে যেতে না হয়। মানসম্মত শিক্ষা চালু করতে গিয়ে যা যা করা প্রয়োজন তার সবই সরকার করবে।

তিনি বলেন, দুর্গম চর অঞ্চলে কীভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হবে সে বিষয়টিও দেখবে সরকার।

জাকির হোসেন বলেন, ছোট বাচ্চাদের ঘাড়ে বইয়ের বোঝা দিয়ে তাদের মেধা নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। কেজি স্কুল বাচ্চাদের সর্বনাশ করছে। সরকার এ ব্যাপারে বাস্তবমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা চালু করতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৃগোষ্ঠী-আদিবাসী-উপজাতি বুঝি না, বিভিন্ন ভাষাভাষী আছে, তাদের নিজস্ব ভাষায় শিক্ষা দেয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে শিক্ষক নেয়া হবে। তারা নিজেদের ভাষা শেখানোর পাশপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষাও শিক্ষা দেবেন।

কারিতাস বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর ফাদার প্রশান্ত রিজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত হেড অব অপারেশনস দোরথে বোসে, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর পরিচালক (অর্থ প্রশাসন ও বাস্তবয়ান) একেএম মাহবুবুর রহমান সরদার প্রমুখ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মঞ্জুর আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ফ্রান্সিস অতুল সরকার, আলোঘর প্রকল্পের পরিচিতিমূলক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান শিশির অ্যাঞ্জেলা রোজারিও।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের জানুয়ারির এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের জানুয়ারি (২০১৯) মাসের এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তন করে কারিগরি শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের এমপিও চেক ছাড় হয়েছে।

এতোদিন অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে যথাক্রমের অবসরে ৪ শতাংশ ও কল্যাণে ২ শতাংশ হারে মোট ৬ শতাংশ চাঁদা কর্তন করা হতো। গত ১৪ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো: মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীর অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ১০ শতাংশ চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। এ আদেশ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের অংশ (এমপিও) থেকে প্রতিমাসে দুটি ফান্ডের জন্য এই ১০ শতাংশ টাকা কর্তন করে রাখা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুজনের জন্য ৩৩ জন শিক্ষক!

ডেস্ক ,৪ ফেব্রু:

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ দুটি কেন্দ্রে সোমবার ঐচ্ছিক বিষয় ‘শারীরিক শিক্ষায়’ পরীক্ষা দিচ্ছে মাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী। আর দু’জন পরীক্ষার্থীর জন্য দায়িত্ব পালন করছেন মোট ৩৩ জন শিক্ষক।

সোমবার সকালে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য পরীক্ষার দিনের মতোই একজন কেন্দ্র সচিব, ৫ জন সচিবের সহকারী, একজন হলসুপার, একজন ট্যাগ অফিসার, একজন কক্ষ পরিদর্শক, একজন অফিস সহকারী, ৪ জন অফিস সহায়ক এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন ২ জন পুলিশ।

অন্যদিকে বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অতিরিক্ত একজন পুলিশসহ ১৭ জন দায়িত্বপালন করছেন।

কেন্দ্র সচিব আব্দুস সালাম জানান, আজ শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলার পরীক্ষা হচ্ছে। বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও একজন আগে থেকেই অনুপস্থিত এবং বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যথা সময়ে অন্যদিনের মতোই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা জানান, দুটি কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিনের মতোই কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাভাবিক নিয়মে পরীক্ষা শুরুর পর কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free