শিক্ষাঙ্গন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সময় পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আগামী ২৮ অক্টোবর, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগগিতা ৩১ অক্টোবর, জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২ নভেম্বর ও বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

তবে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়ের কোন পরিবর্তন করা হয়নি। ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের  চিঠিতে সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি জানানো হয়।

আগের সূচি অনুয়ায়ী ১৭ অক্টোবর স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ অক্টোবর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ও ২৭ অক্টোবর বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত দিন ১৭ অক্টোবর দুর্গা পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও বিজয়া দশমীর পরদিন ২০ অক্টোবর ছুটির মধ্যে অনুষ্ঠানের কথা ছিলো।

এদিকে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সিদ্ধান্তকে  সাধুবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা।

এর আগে সোমবার (১৫ অক্টোবর) পূজার ছুটির পরে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা। দৈনিকশিক্ষা ডটকমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব সুব্রত রায় বলেন, পূজার ছুটি সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রতিযোগিতাটির সময় নির্ধরিত হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হবে।

কারণ বিদ্যালয় পর্যায়ে নির্ধারিত ১৭ অক্টোবর বড় পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা। ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও ছুটির মধ্যে বিজয়া দশমীর পরদিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাও পূজার ছুটি সানন্দে উপভোগ করতে পারবেন না। ফলে এ নিয়ে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই নয় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে চাপা অসন্তুষ্টি বিরাজ করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ডিসেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে নেয়া শুরু হবে। জানুয়ারির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ এবং ফেব্রুয়ারি মধ্যে ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একসঙ্গে সবজেলায় পরীক্ষা না হয়ে ৩/৪টি করে জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন ও পরীক্ষার হল সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার শিক্ষাবার্তাকে  বলেন, মামলার কারণে দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতের শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায়নি। অনেক পদ শূন্য। এ মাসের মধ্যেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু ওএমআর ফরমসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি কেনাকাটায় সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের গতি একটু কমে যাচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে সারা দেশে পরীক্ষা নেয়া যাচ্ছে না। নভেম্বর মাসজুড়ে দুটি বড় পরীক্ষা আছে। তাই পরীক্ষা হল পাওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে পরীক্ষা ডিসেম্বরে চলে যাচ্ছে। হল পাওয়া সাপেক্ষে ৩/৪টি করে জেলার পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১-৩০ আগস্ট অনলাইনে আবেদন নেয়া হয়। মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে সর্বশেষ নিয়োগে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিল। সে হিসাবে এবার প্রার্থী দ্বিগুণ।

কর্মকর্তারা আরও জানান, সর্বশেষ নিয়োগে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হয়। এবার দ্বিগুণ প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এত কেন্দ্র পাওয়া কঠিন। এ কারণে উপজেলা সদরের কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের দেয়া হয়েছে। এখন জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র ঠিক করে দিলে দুই তা ততোধিক জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ২০ সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরিসহ পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দিত ডিপিই। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কড়াকড়ি আনা এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে এবার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণয়ন করা হবে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন  শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পরীক্ষার ব্যাপারে বুয়েটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওএমআর ফরম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

আকরাম আল-হোসেন আরও বলেন, এবার তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আগের মতোই দুই স্তরের পরীক্ষায় নিয়োগ করা হবে। সে অনুযায়ী ৮০ নম্বরে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষার পর ২০ নম্বরে ভাইভা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অভিন্ন রেজিস্ট্রেশনে সব বোর্ড পরীক্ষা

সব ধরনের পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য একজন শিক্ষার্থীর একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে। প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত সব বোর্ড পরীক্ষায় থাকবে এই একই নম্বর। আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ সফটওয়্যার। এতে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতে সংশ্নিষ্ট শিক্ষার্থীর বিস্তারিত একাডেমিক তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, অভিন্ন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা গেলে স্কুল-কলেজে অনিয়ম কমবে। সরকারি বৃত্তি পেতে অথবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা কমে যাবে। আবার দুর্নীতি-অনিয়ম করে আসনের বেশি ভর্তি করিয়ে সরকারি কাগজপত্রে শিক্ষার্থী কম দেখানোর সুযোগও কমে যাবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর রেজিস্ট্রেশন রিপ্লেস জালিয়াতিও চিরতরে বন্ধ হবে। পাশাপাশি জানা যাবে, বিভিন্ন স্তরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানুয়ারিতে ভর্তি শেষ হওয়ার পর পঞ্চম, অষ্টম, নবম ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের এই অভিন্ন রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। সরকারি হিসেবে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে মোট শিক্ষার্থী হবে চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার। নতুন এ পদ্ধতি কার্যকর করতে এরই মধ্যে একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে এ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো’কে (ব্যানবেইস) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এতে একজন শিক্ষার্থীর প্রতিটি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন এবং রোল নম্বরও ভিন্ন হয়। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত তথ্য বের করা জটিল হয়ে পড়ে। নতুন পদ্ধতিতে একজন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক সমাপনীর রেজিস্ট্রশন নম্বর তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে সব পরীক্ষায় অংশ নেবে ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উপযুক্ত একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে ব্যানবেইস।

এ বিষয়ে ব্যানবেইসের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফসিউল্লাহ সমকালকে বলেন, ‘আগামী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব পরীক্ষা একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বৃত্তির টাকা, তাদের জন্য সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবা, জাতীয় পর্যায়ের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ- এর সবই হবে এই একটি মাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে।’ তিনি বলেন, ‘একজন ছাত্র ও ছাত্রীকে ‘ডিজিটালি’ চেনা হবে তার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে। এ জন্য ব্যানবেইসে একটি ডাটাবেস গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী স্কুল থেকে চলে গেল, কে ঝরে গেল, কে মাদ্রাসায় ভর্তি হলো, কে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হলো, কে পরীক্ষা ড্রপ করল, সবই রেজিস্ট্রেশন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা যাবে। শিক্ষার্থীর একাডেমিক পারফরম্যান্সের সব তথ্য এ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতেই পাওয়া যাবে।’

ব্যানবেইস সূত্র জানায়, কেবল ছাত্রছাত্রীদের জন্য নয়, শিক্ষকদের জন্যও একটি পৃথক তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেস) গড়ে তোলা হচ্ছে। এ জন্য পৃথক আরেকটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি দপ্তরের সঙ্গে এই তথ্যভাণ্ডারের ‘ইন্টিগ্রিটি কানেকটিভিটি’ থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের দাপ্তরিক প্রয়োজনে এই তথ্যভাণ্ডারের তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার সমকালকে বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে সব শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে একটি ‘ইন্টিগ্রিটি কানেটিভিটি’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কোনো শিক্ষকের সনদ জাল কি-না, ডিআইএ তা সহজেই যাচাই করতে পারবেন। এ ছাড়া সংশ্নিষ্ট শিক্ষকের নিয়োগ সংশ্নিষ্ট তথ্যাদি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, এমপিওভুক্তিজনিত বিভিন্ন তথ্য ইত্যাদি সব একসঙ্গে এক জায়গায় পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, আগে এসব যাচাই করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে চিঠি চালাচালি করতে হতো। নতুন এ প্রক্রিয়ায় যে কোনো তদন্ত ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

সরকারের নতুন এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ সমকালকে বলেন- কিশোর, তরুণ-তরুণী সবার সব একাডেমিক তথ্য একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রেস করে এক জায়গায় পাওয়া যাবে- এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে পরামর্শ হলো, এ প্রক্রিয়ার কারিগরি ত্রুটির দিকে যেন গুরুত্বের সঙ্গে লক্ষ্য রাখা হয় এবং ডাটাবেইসে সঠিক তথ্য সন্নিবেশ করতে যেন আন্তরিকতা দেখানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণ হলো আরো ১৯ বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১অক্টোবর:   নতুন করে আরো ১৯টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

সর্বশেষ ৯ অক্টোবর ২৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়। এ নিয়ে সারাদেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গেলো।

বৃহস্পতিবার সরকারি হওয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জাজিরা মোহর আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার রানীনগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, একই জেলার মান্দা উপজেলার গোটহাড়ী শহীদ মামুন হাই স্কুল ও কলেজ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

এছাড়া বরগুনার বামনা উপজেলার সারওয়ার জান পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলার নড়িয়া বিহারী লাল পাইলট (মডেল) উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুরের নকলা উপজেলার নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, একই জেলার ঝিনাইাগাতী উপজেলার ঝিনাইগাতী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পিরোজপুরের নেছারাবাদের (স্বরূপকাঠী) স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া পাইলট মডেল হাইস্কুল।

দিনাজপুরের বেচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পাইলট মডেল উচ্চ হাইস্কুল, টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার সখীপুর পিএম পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার মনোহরদী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সিংগাইর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী হাবিবুলাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর পিএস মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সোহাগপুর এস কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি হওয়া এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অন্য স্থানে বদলি হতে পারবেন না।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৯ অক্টোবর ২৫টি, ২৭ সেপ্টেম্বর ২৫টি, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৪৩টি, ১৬ সেপ্টেম্বর একটি, গত ১৪ মে ৪৪টি, ২৮ আগস্ট ১২টি, ৭ মে ১২টি, ২১ মে ২৪টি, গত ১১ এপ্রিল ২১টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অক্টোবরে হচ্ছে না প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রেকর্ড সংখ্যক আবেদন হওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষার আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হলেও পরীক্ষা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি।

সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির বুধবার বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে সভায় সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু এবার ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২৪ লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছে, সেহেতু আমাদের বড় ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন রয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ পূর্বের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সংশোধন করে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাবনা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

১ নভেম্বর থেকে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকবেন। পরীক্ষার পরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে, কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে বলেও জানান মনজুর কাদির।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাপা হচ্ছে ৩৫ কোটি পাঠ্যবই

ডেস্ক,১০ অক্টোবর:দরজায় কড়া নাড়ছে নতুন বছর। কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন শ্রেণিতে উত্তীর্ণের প্রতীক্ষার পালা। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা খালি হাতে স্কুলে যাবে আর কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরবে ঝকঝকে নতুন পাঠ্যবই নিয়ে। আগামী শিক্ষা বছরের জন্য ৩৫ কোটি বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ১১ কোটি বই ছাপা হয়ে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পৌঁছে গেছে। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবার বইয়ের মুদ্রণ কাজ এগিয়ে আনা হয়েছে। বই ছাপানোর সর্বশেষ দিন ধরা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মাতুয়াইলে ৩টি প্রেসে বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কার্যক্রম পরিদর্শন বরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেয়া হবে। ২০১০ সাল থেকে নববর্ষের উপহার হিসেবে শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে নতুন বই দেয়া হচ্ছে। এবারো এর কোনো ব্যত্যয় হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, ৩৫ কোটির বেশি পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। প্রায় ১১ কোটি বই ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই জেলা-উপজেলায় বই পাঠানো হচ্ছে। ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে সব বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যাবে। এবার ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল বই এবং ৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজ ভাষায় বই ছাপা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার বইয়ের ছাপার মান অনেক ভালো হয়েছে। বইয়ের মান প্রতি বছরই উন্নত হচ্ছে। ছাপার কাজ বাকি নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বছর সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে বই পাবে।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা, সদস্য ড. মিয়া ইনামুল হক সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ছাপা হচ্ছে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি পাঠ্যবই। প্রাথমিক স্তরের ১১ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫২১ কপি বই ছাপিয়ে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার ২০ কপি। প্রাথমিক স্তরের ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৯৯ কপি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বই ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৪ কপি, ইবতেদায়ির ২ কোটি ২৫ লাখ ৩১ হাজার ২৮৩ কপি এবং দাখিলের ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩৪ কপি বই।

মাধ্যমিক (বাংলা সংস্করণের) স্তরের ১৮ কোটি ৫৩ হাজার ১২২ কপি এবং একই স্তরের ইংরেজি ভার্সনের ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৬ কপি বই ছাপা হচ্ছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা স্তরের ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪৮ কপি, এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৭৫ কপি, ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক ৫ হাজার ৮৫৭ কপি এবং সম্পূরক কৃষি (ষষ্ঠ-নবম) স্তরের ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬১ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

এসব বই ছাপাতে দেশি-বিদেশি প্রায় ৪০০ ছাপাখানার সঙ্গে চুক্তি করে কার্যাদেশ দিয়েছে এনসিটিবি। মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ২টি ভারতের ‘কৃষ্ণা ট্রেডার্স’ ও ‘স্বপ্না প্রিন্টার্স’। বাকিগুলো সবই দেশের। ঢাকা ছাড়াও এবার পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে বগুড়া, রংপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীর ছাপাখানা থেকে। সারাদেশের প্রায় ৪শ’ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে (প্রিন্টিং প্রেস) পাঠ্যবই ছাপা, কাটিং ও বাইন্ডিংয়ের কাজে ব্যস্ত ৯৮ হাজার মানুষ।

মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ) এবং এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ করতে কাগজ ছাড়া ৩৪০টি লটে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ, ইবতেদায়ি, দাখিল, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল এবং কারিগরি (ট্রেড বই) স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের জন্য কাগজসহ ৩২০টি লটে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে।

এবার ৩৫ কোটি ২২ লাখ কপি বই ছাপাতে প্রায় ৮৫ হাজার টন কাগজ ব্যবহƒত হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিটিবি কিনে দিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টন কাগজ। বাকি কাগজ মুদ্রণকারীরা বাজার থেকে কিনে বই ছাপিয়ে সরবরাহ করছেন। এসব বই ছাপার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছে ১৬ হাজার ৪০০টি ট্রাক।
এনসিটিবির নিয়োগ করা ২টি প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা বইয়ের মান যাচাই করছেন। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ের মান যাচাই করছে ‘কন্টিনেন্টাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের মান যাচাই করছে অপর একটি প্রতিষ্ঠান ‘ব্যুরো ভেরী টাচ’।

দেশজুড়ে পাঠ্যবই মুদ্রণ ও পরিবহন কাজের তদারকি করছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ২২টি টিমের ৬৬ জন কর্মকর্তা। এর বাইরেও এনসিটিবির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মনিটরিং টিম, এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম মিলিয়ে আরো ২১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার সুযোগ দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে এক হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিয়ে নিজ ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আজ রোববার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসাশিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ এ তথ্য জানান।
পুনঃনিরীক্ষার ফলাফল যথাসময়ে জানানো হবে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩ হাজার ২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বরের বেতন ছাড়

শিশির দাস,৪ অক্টোবর:বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ছাড় দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৩ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের উপ পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা ছাড় দেয়া হয়েছে। সরকারি অংশের আটটি চেকের মাধ্যমে বণ্টনকারী নির্ধারিত চারটি ব্যাংকে তা জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে চেকগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে।

৯ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যাংক হতে বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ উত্তোলন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বদলে যাচ্ছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

শিশির দাস,৪ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। বিদ্যমান বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা যোগ হচ্ছে। এর মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় পুরনো পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে। ২৬ অক্টোবর শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষার প্রস্তাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে শুধু বহুনির্বাচনী ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিদ্যমান পদ্ধতিতে ২৪ লাখের বেশি প্রার্থীর মধ্যে শুধু বহুনির্বাচনীর মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা কঠিন। তাই সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে নির্বাচন করা হবে। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। ফলাফলের ভিত্তিতে এ পরীক্ষার মাধ্যমে আসনপ্রতি তিনজনকে নির্বাচন করা হবে। এরপর তাদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তারা জানান, সর্বশেষ ‘শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ এ প্রায় ১২ লাখ প্রার্থীর বহুনির্বাচনী পরীক্ষা সারাদেশে ৩ হাজার ৬৬২টি কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়। এবার দ্বিগুণ আবেদন আসায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এ পরীক্ষার জন্য ২০টি প্রশ্ন সেট তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে মন্ত্রণালয়ের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ  বলেন, মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কী কী পরিবর্তন আনা হবে সে বিষয়ে আগামীকালের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এবার অধিক সংখ্যক আবেদন এসেছে। এ কারণে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরে লিখিত পরীক্ষা। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা আয়োজনে বুয়েট এবং বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট বিজনেস অব অ্যাডমিনিসটেশনকে (আইবিএ) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার অনলাইনে এমপিও আবেদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | : বেসরকারি ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইনে এমপিও আবেদন  শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর)। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে এমপিও আবেদন করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভুঞা দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়,আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেসরকারি ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন এমপিওর জন্য আবেদন করতে হবে।  অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদনের লিংক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরা শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র জানায়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন কোড এবং একাডেমিক স্বীকৃতি ছাড়া এমপিও প্রদান সম্ভব হচ্ছে না। তাই একাডেমিক স্বীকৃতির যেসব আবেদন বোর্ডে জমা আছে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে বলা হয়েছে। স্বীকৃতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইআইআইএন নম্বর প্রাপ্তির আবেদন করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি হল ২৭১ কলেজ

এ নিয়ে দেশে সরকারি কলেজ ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯৮টি।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে নির্মাতা ফারুকীর খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খোলা চিঠি লিখেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

আজ শনিবার সকালে লেখা চিঠিতে ফারুকী বলেন, ‘প্রিয় মোস্তাফা জব্বার ভাই,কিশোর বিদ্রোহের এই অনন্যসাধারণ ব্যাপারটাকে ভিলিফাই করার চেষ্টা করবেন না, প্লিজ। মনে রাখবেন, এরা আপনাদের শত্রু না। এরাই আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান সৈনিক হবে। মিরপুরে লাঠি হাতে যারা দাপিয়ে বেড়িয়েছে তাদের দিয়া জয় ভাইয়েরও কাজ হবে না, ববি ভাইয়েরও না। লাগবে এসব সোনার ছেলেমেয়েদেরই। আরো মনে রাখবেন, দুই হাজার আটে সাধারণভাবে তরুণরা আপনাদের পক্ষে ছিল বলেই আপনাদের পক্ষে জোয়ার আসছিল। ভাবেন এই ছেলেমেয়েরা পাঁচ-দশ বছর কোথায় যাবে। তখন এরা কত জরুরি হবে আপনাদের কাছে।’

চলচ্চিত্র নির্মাতা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আমরা মেনে নিচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রেদওয়ান মুজিব তাদের সম্মানে হেঁটে অফিসে গেলেন। ডিএমপির মনির ভাই বললেন শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।

‘এখন হঠাৎ করে বিচ্ছিন্ন দুয়েকটা ঘটনা, স্লোগান আর ভাষা নিয়া অহেতুক আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ছোট করার ব্যর্থচেষ্টা করবেন না। এতে আপনি, আমি, আমরা, আমাদের ভবিষ্যৎ সবাই ছোট হচ্ছি। গালি বা স্ট্রিট ল্যাংগুয়েজের নন্দন তত্ত্ব, সামাজিক ব্যাখ্যা এসবে না গিয়ে আপনাকে খেয়াল করিয়ে দিতে চাই এসব দুয়েকটা ঘটনা এই আন্দোলনের আসল চিত্র ছিল না। এত হাজার হাজার ছেলেমেয়ে রাস্তায় এসেছে তাদের মধ্যে কত রকমের মানুষ থাকতে পারে। নব্বইয়ে ছিল না এই রকম অতি সামান্য বিচ্ছিন্ন উপাদান?’

চিঠিতে লেখা হয়, ‘আমি বরং সেসব নিয়ে কথা না বলে খেয়াল করাতে চাই এই আন্দোলন কত রাজনৈতিকভাবে সচেতন স্লোগান ব্যবহার করেছে । খেয়াল করিয়ে দিতে চাই, পুলিশ-ছাত্র গলাগলি করে কীভাবে দাঁড়িয়েছিল ফার্মগেটে, কি সুমধুর সুরে এরা জাতীয় সংগীত গেয়েছে, কি সুন্দরভাবে লাইসেন্স চেক করে থ্যাংক ইউ বলেছে, কোথাও কোথাও চকলেট দিয়েছে। খেয়াল করাতে চাই এদের বক্তব্যে এবং কণ্ঠে কতবার বঙ্গবন্ধুর কথা উঠে এসেছে রেফারেন্স হিসেবে। নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুকে এভাবে দেখেও কি আপনি আশাবাদী হন নাই? আমি তো ভীষণ হয়েছি।’

ফারুকী আরো বলেন, ‘এখন ওদের হাসিমুখে ঘরে ফিরতে দেন আর যে কাজ করার ওয়াদা করেছেন সেগুলোতে হাত দেন। তারপর আমরা সবাই মিলে একসাথে এগিয়ে যাই সামনের দিকে।

এবার নিচে এই আন্দোলনের কিছু জনপ্রিয় স্লোগানের লিস্ট দিয়ে দিলাম যদি আপনি মিস করে থাকেন এই ভয়ে।’

‘১. হয়নি বলেই আর হবে না, আমরা বলি বাদ দে। লক্ষ তরুণ চেঁচিয়ে বলে পাপ সরাবো হাত দে।
২. যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ , যদি তুমি রুখে দাড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ।
৩. জনপ্রতিনিধিদের সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হবে।
৪. পারলে মাথায় গুলি কর, তাহলে মেধা মারা যাবে, কিন্তু বুকে গুলি করিস না, এখানে বঙ্গবন্ধু ঘুমায়, বন্ধু জেগে গেলে সব ধ্বংস হয়ে যাবে।
৫. আমরা নয় টাকায় এক জিবি চাই না ‘নিরাপদ সড়ক চাই’।
৬. চার কোটি শুক্রাণুর সাথে লড়াই করে জন্মেছি, চাকার তলায় পিষার জন্য নয়।
৭. পথ খুলবে বলেই রাস্তা আটকাই।
৮. শিক্ষকের বেতের বাড়ি নিষেধ যেই দেশে, পুলিশের হাতে লাঠি কেন সেই দেশে।
৯. আর নবারুন ভট্টাচার্যর কবিতাটা যেটার লাইন আমার হুবহু মনে পড়ছে না।
১০. টনক তুমি নড়বে কবে?
১১. ন্যায্য দাবির মিছিলে যে চোখ
সে চোখ জেগেছে জয়ে
মিছিল কখনো থামে না বুলেটে
স্লোগান থামে না ভয়ে।’

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘আমার তো মনে হয় না ওদের বয়সে আমি এই রকম গুছিয়ে বলতে পারতাম। মনে পড়ে মহল্লার সরু রাস্তা ছেড়ে বড় রাস্তায় উঠলে জড়তায় সংকুচিত হয়ে থাকতাম। সেখানে মহাসড়কে নেমে এত গুছিয়ে একটা আন্দোলন তো অনেক দূরে কথা। আপনি কি পারতেন, প্রিয় জব্বার ভাই? আপনাকে ধন্যবাদ।’

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাস প্রতিযোগিতা করে মিরপুর থেকে ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে আসছিল। এ সময় ফ্লাইওভারের শেষ দিকে, রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল শিক্ষার্থী। এর মধ্যে একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আহত হয় বেশ কয়েকজন। নিহতরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

ওই ঘটনার পর থেকেই বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে টানা কয়েক দিন। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ অনেক শিল্পী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ সাকিবের

তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে
* এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে
*তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে, ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে

ডেস্ক: বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিহতের পর দেশজুড়ে আন্দোলন করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের পক্ষ থেকে এসেছে ‘নয় দফা দাবি’। যে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে তারা। গত কয়েকদিন ধরে এতে প্রায় থমকে গেছে দেশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বড় বড় তারকারা। এবার এই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথা বললেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ খেলতে এখন বাংলাদেশ দল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। সেখান থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ফেসবুক’-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাকিব। যাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। তবে তাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে জানিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে সাকিব লিখেছেন, ‘আমি এখন ফ্লোরিডায় আছি। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমার তরুণ ফ্যানদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চাই।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী দিয়া ও আবদুল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় আমি প্রচণ্ড মর্মাহত ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম তার সহপাঠী থেকে শুরু করে সারাদেশের ছাত্রছাত্রীরা দোষীদের শাস্তি দাবি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে, তখন গর্ববোধ করেছি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে। দেশে থাকলে আমিই তোমাদের অটোগ্রাফ নেয়ার জন্য চলে আসতাম।

তোমাদের সাধুবাদ জানিয়ে বলতে চাই, তোমাদের দাবি কার্যকর হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ছাড়াও নিরাপদ সড়ক আইন করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অবস্থায় তোমাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো, ক্লাসে ফিরে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে। তোমরা যা করেছ, তা এদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে। এ অর্জন সফল হবে তোমাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে।

তোমাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং হচ্ছে। ব্যত্যয় ঘটলে আমাকে পাবে তোমাদের সাথে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাশেদের মায়ের আকুতি আমার বাবারে মুক্তি দিন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম। ছবি: সংগৃহীতনিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও তাঁর মা সালেহা বেগম।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের মা সালেহা বেগম তাঁর ছেলেকে ফেরত পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার বাবার মুক্তি চাই। আমার বাবা রাশেদকে ফিরিয়ে দিন। সে সাধারণ ছাত্র। কত কষ্ট করে আমার বাবাকে মানুষ করেছি, তাকে মুক্তি দিন। তার জন্য পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ শুক্রবার বিকেলে এক মানববন্ধনে এভাবেই আকুতি জানাচ্ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের গ্রেপ্তারকৃত নেতা রাশেদের মা। কোটা আন্দোলন করতে গিয়ে আটক ছাত্রদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি তো মা; প্রধানমন্ত্রী, আপনি তো মায়ের জ্বালা বোঝেন। আপনার কাছে আবেদন, আমার বাবাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে দিন। আমার বাবারা তো কোনো রাজনীতি করে নাই, তারা তো কোনো অপরাধ করেনি। তারা শুধু চাকরির জন্য গেছিল। জেলে আটক সব বাবাদের মুক্তি দিন।’

মানববন্ধনে রাশেদের বাবা মো. নবাই বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আমার ছেলের মুক্তির দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করছি, তার পড়াশোনাটা আবার আগের মতো স্বাভাবিক করে দেওয়া হোক। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারছি না।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে গত ১ জুলাই রাজধানীর ভাষানটেক থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালত রাশেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজকের এই মানববন্ধন করে যুব ঐক্য প্রক্রিয়া। যুব ঐক্য প্রক্রিয়া জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার একটি সহযোগী সংগঠন। এক ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আটক নেতাদের মা-বাবারা বক্তব্য দেন। তাঁরা সন্তানের মুক্তির দাবি জানান। অভিভাবকেরা বলেন, তাঁদের সন্তানেরা কোনো অন্যায় করেননি। তাঁদের সন্তানেরা কোটা সংস্কার চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

মানববন্ধনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা মশিউর রহমানের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, ‘কী দোষ করেছিল আমাদের ছেলেরা? তাদের এভাবে কেন রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে, কারাগারে পাঠানো হচ্ছে? আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি একজন রিকশাওয়ালা। আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।’

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্যসচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি ছাত্ররা তুলবেনই। এটা তাঁদের ন্যায্য অধিকার। কিন্তু ছাত্রদের ওপর নির্যাতন, গুম করা হচ্ছে কেন? ছাত্রদের কেন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হবে? দেশের সর্বস্তরে অব্যবস্থা। এটা চলতে দেওয়া যায় না। ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের দুঃশাসন, দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার ও ট্রাফিক মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩আগষ্ট: প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার (গতিরোধক) নির্মাণ ও বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাস প্রদান এবং স্কুল সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের নির্দেশ দেন।

ঢাকা বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত স্কুলছাত্র দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিমের পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে এ নির্দেশনা দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

প্রেসসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব স্কুলের সামনে স্পিডব্রেকার স্থাপন, প্ল্যাকার্ডধারী বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে আন্ডারপাস নির্মাণ এবং ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাস প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল নূর নাহার ইয়াসমিন তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানেরা পড়তে আসেন উল্লেখ করে তাদের যাতায়াতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাস দেওয়ার অনুরোধ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free