শিক্ষাঙ্গন

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নতুন পদ্ধতিতে পাবলিক পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী : প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নতুন পদ্ধতিতে পাবলিক পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টে রুল জারির পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত্র রুলের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে চাইলে মো. সোহরাব হোসাইন এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার বর্তমান পদ্ধতি পরিবর্তনে আমি নিজে কাজ করছি। একটি উপায় আমরা অবশ্যই বের করবো এবং বিশেষজ্ঞদের এ কাজে সম্পৃক্ত করবো। নতুন পদ্ধতিতে আগামী বছর থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যে পদ্ধতি নিয়ে জনমনে আর কোনও প্রশ্ন থাকবে না।’
এমসিকিউ পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা সচিব বলেন, ‘এমসিকিউর অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে তা কতটুকু ভালো উদ্যোগ সে বিষয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। এই পদ্ধতিটি খুবই ঝামেলা করছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমি মনে করি, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে এমসিকিউ অনেকাংশে দায়ী।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস কোথা থেকে হয় তার মূলে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি। তদন্ত সংস্থার সদস্যরা সমস্যার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা নিশ্চয়ই এর একটা সুরাহা বের করে ফেলবেন।’
সেসব বিষয়ে প্রশ্নফাঁস হয়েছে সেসব বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এখনই বাতিল নয়, যাচাই-বাছাই কমিটি যে প্রতিবেদন দেবে, সেই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করতে আরও একটি কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে যে সুপারিশ করবে, সেই সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আদালতের রুল জারির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘আদালতকে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। আমরা আদালতের নির্দেশনা প্রতিপালন করবো।
এছাড়া, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধের জন্য প্রশ্ন প্রণয়নে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’
প্রশ্নফাঁসের হোতাদের ধরতে এর মূলে পৌঁছানোর জন্য গোয়েন্দা বাহিনী আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মো. সোহরাব হোসাইন।
এর আগে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সাংবাদিকদের বলেন, আমি যেটি বিশ্বাস করি, যে পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়, প্রশ্ন তৈরি হয় এবং আমাদের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি, আমার মনে হয় এটা নতুন করে ভাবার সময় হয়েছে। নতুন করে যদি না ভাবি তাহলে শত শত বছরের প্রাচীন পদ্ধতি ডিজিটাল যুগে অচল হতে পারে’।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা দেওয়ার মতো উপায় আছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রয়োগ করাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ শিক্ষার্থী তো দু’চারজন না, লাখ লাখ, লাখ লাখ প্রতিষ্ঠান, লাখ লাখ শিক্ষক, এদের মধ্য থেকে আমরা প্রযুক্তিগতভাবে এরকম ব্যবস্থা করতে পারি যে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে প্রাকটিক্যালি কারো পক্ষে প্রশ্ন ফাঁস করার কোনো সুযোগই থাকবে না। তবে ইন্টারনেট বন্ধ করা অথবা ফেসবুক বন্ধ করা সমাধান না’।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা যে কাউকে ট্রেস করতে পারি, কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখতে হবে প্রযুক্তিতে যে রকম সরাসরি চিহ্নিত করার সুযোগ আছে, ফাঁকি দেওয়ারও সুযোগ আছে। রিয়েল আইপি অ্যাড্রেস থাকলে সহজে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু
ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি বা সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় প্রশ্ন ফাঁসকারীর তথ্য তাৎক্ষণিক না পাওয়ায় ক্ষতি হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার
মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, আশ্বস্ত করতে পারি, আমরা তিন দিক থেকে কাজ করছি। বিটিআরসি, আইসিটি বিভাগ এবং পুলিশ বাহিনী কাজ করছে। আমরা এরইমধ্যে একটা সমন্বয় গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। যে অবস্থাটা যাচ্ছে এই অবস্থাটাকে যাতে প্রকৃত সমাধানের জায়গায়…এটা কেবল প্রশ্ন ফাঁসের নিরাপত্তার বিষয় নয়, বস্তুত পক্ষে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুরো ইন্টারনেট ব্যবস্থাটাকে নিরাপদ করা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় শুধু মন্ত্রণালয়ের উপর চাপানো সঙ্গত নয়-দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা: পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় শুধু মন্ত্রণালয়ের উপর চাপানো সঙ্গত নয় বলে মনে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

বুধবার চাঁদপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বিশ বছর আগে যে লেখাপড়া হতো এখন তা হয় না। এ দায় কার? এ দায় শুধু শিক্ষা অফিসারক দিলে তো হবে না। এ দায় অভিভাবকদের, ছাত্রের।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস; এ দায় কি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের? ইউ নিড টু আন্ডারস্ট্যান্ড যে কী করতে হবে। আসলে আমরা যাচ্ছি কোথায়? আমরা কি নদীর ভিতরে পড়ছি, নাকি নৌকায় উঠছি?’

চলমান এসএসসির যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়ে গেছে সবগুলোর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করা হয়। তারপরও প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হচ্ছে না।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে আপনাকে পারটিকুলার কথাটা বলতে হবে। এত বক্তৃতা দিয়ে কোনো লাভ নেই। অনেক বক্তৃতা এদেশে হয়ে গেছে। নাও টাইম হ্যাজ কাম ফর একশনস।আপনি কি মনে করেন না যে আমার বাচ্চারা শেষ হয়ে যাচ্ছে! আমাদের বাচ্চাদের কোনো লেখাপড়া হচ্ছে না! যত কথাই আপনারা বলেন না কেন সত্যকে সত্য বলতে হবে।’

এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রশ্ন ফাঁস বন্ধের সঠিক সমাধান নয়: জাফর ইকবাল
ইন্টারনেট বন্ধ করে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ঔপন্যাসিক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও কোনো সঠিক সমাধান নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সিলেটের মিরের ময়দানে বিশ্ব বেতার দিবস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জনপ্রিয় এ লেখক।

জাফর ইকবাল বলেন, ‘প্রথমত যদি প্রশ্নফাঁস হয়, তো লেখাপড়া শেষ। প্রশ্নফাঁস যদি হয়, যতই আপনি চেষ্টা করেন, লেখাপড়ার কোনো গুরুত্ব নাই। যেই ছেলেটা এসএসসিতে একটা ভালো করেছে, আমি তো জানি না সে আসলেই ভালো করেছে নাকি প্রশ্নফাঁসের জন্য ভালো করেছে। কিংবা যে ছেলেটা ভালো করে নাই, কেননা প্রশ্নফাঁস দেখে নাই। তাই না? তাঁকে তো আমি ক্ষতিগ্রস্ত করছি। কাজেই মোটামুটিভাবে বলা যায়, প্রশ্নফাঁস যদি চলতে থাকে তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষার কোনো গুরুত্ব নাই। আমি বলতে পারবো না যে, শিক্ষা হচ্ছে। কাজেই সরকারকে এটা বন্ধ করতেই হবে।’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কোনো সমাধান নয় বলেও মন্তব্য করেন মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেন,‘এখন এটা হাস্যকর পর্যায়ে চলে গিয়েছে। জাতীয় সংসদে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে সাংসদরা বলেছেন যে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এবং শিক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন পদত্যাগ করার জন্য। এটা এই পর্যায়ে গিয়েছে। স্বীকার করছেন না বললে এখন আর হবে না। অবশ্যই পদত্যাগ সমাধান না। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের সমস্যাটাকে সিন্সিয়ারলি অ্যাড্রেস করাটা, এটা সমাধান। আমি তো প্রথম দিন থেকে বলে আসছি যে, আপনারা ঘোষণা দেন, যে যা হবার হয়েছে ভবিষ্যতে আর প্রশ্নফাঁস হবে না। কিন্তু উনারা সেই ঘোষণা দেন না। কারণ উনাদের সেই কনফিডেন্সটা নাই, বলবেন যে প্রশ্নফাঁস হবে না। আমি যদি ঘোষণা দেই যে, প্রশফাঁস হবে না তাহলে আমাকে কিন্তু যেভাবেই হোক প্রশ্নফাঁস বন্ধ করতে হবে।’

প্রশ্নফাঁসের মূল কারণ উদঘাটন করে এর সমাধান করাটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে জানান মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রয়োজনে বিজি প্রেসে প্রশ্ন না ছাপিয়ে বিকল্প উপায়ে প্রশ্ন ছাপানোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

জাফর ইকবাল বলেন,‘যখন নাকি ছাপানো হবে প্রশ্নটাকে তখনই এটা সেলফ সিকিউরড থাকতে হবে। যেন কোনোভাবে কারো হাতে না যেতে পারে। ইন্টারনেট বন্ধ করে এটা বন্ধ করা যাবে না। প্রশ্ন ফাঁসটা বন্ধ করতে হবে। প্রব্লেমটাকে অ্যাড্রেস করতে হইলে প্রথমত প্রব্লেমটাকে বুঝতে হবে। এ থেকে জেড পর্যন্ত প্রতিটা স্টেপ আমাকে জানতে হবে। ঠিক করে জানতে হবে, কোথায় এটা ফাঁস হয়েছে, কেন হয়েছে। তাঁর চেয়ে বড় কথা যারা এটা করছে তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে।’

এর আগেও প্রশ্নফাঁসের কথা বললেও কেউ স্বীকার করেননি বলে জানান মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেন, ‘আমি বহুদিন আগে এই প্রশ্নফাস নিয়ে শহীদ মিনার পর্যন্ত বসে ছিলাম, বৃষ্টির ভেতরে। কেউ আমার কথা শুনে নাই। অলরাইট? শিক্ষা মন্ত্রণালয় কখনো স্বীকার করে নাই যে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এখন এটা শুরু হয়েছে, ফর দ্যা ফার্স্ট টাইম ওরা বলছে, যে হ্যা প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ করছেন, এটা বন্ধ করছেন, সেটা বন্ধ করছেন। মানে চেষ্টা করতেছেন। কিন্তু আমার মনে হয় যে, এটা প্রশ্নটাকে ঠিকভাবে এপ্রোচ করা হয় নাই। উনাদের এপ্রোচটা হচ্ছে যে, প্রশ্নফাঁস হবেই, আমরা শুধুমাত্র যেন ডিস্ট্রিবিউশনটা না করতে পারি সেটা দেখাইতে হবে। বুঝেছেন তো, ডিস্ট্রিবিউশনটা যাতে না করতে পারে। প্রশ্নফাঁস হবেই উনারা ধরে নিয়েছেন। কেন প্রশ্নফাস হবে, এটা আমি মানতে রাজি না।’

লেখক আরো বলেন, ‘আমি কালকে একটা ই-মেইল পেয়েছি, যেখানে একজন বলেছে, যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলে সারাদিন ধরে বোর্ড অফিসে থেকেছে, সেখান থেকে প্রশ্ন বের করে নিয়ে আসছে। আমি সত্য মিথ্যা জানি না। কিন্তু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে আমি যদি বোর্ডে বসে থাকি সারাদিন ঐখান থেকে একটা প্রশ্নপত্র কেউ না কেউ আমাকে দিয়ে দেবে। আসলেই এটা হয়েছে কিনা জানি না। কিন্তু মানুষজন কেন এটা চিন্তা করবে বোর্ডে গেলে একটা প্রশ্নপত্র পেয়ে যাব?’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ মিটারে মোবাইল ফোনসহ পেলে গ্রেপ্তার

সচিবালয় প্রতিবেদক :

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এবং কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

এ ছাড়া পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে।

‘জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণসংক্রান্ত’ এক আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (মাউশি), সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের রোববার ওই নির্দেশ পাঠানো হয়।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র এই তথ্য জানিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্রসচিব সাধারণ একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্রসচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করার নিয়ম।

এবার এসএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষার প্রশ্নই পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ফাঁস হয়েছে, সেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে। এই অবস্থায় আরো কঠোর সিদ্ধান্তের কথা ভাবা হচ্ছে বলেও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

বরিশাল:

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুমোদন করে তা প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ৩০ মে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যাই পরীক্ষার হলে গিয়ে আসনে বসতে হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি পরীক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেসব মূল্যায়ণ করতে উচ্চ পর্যায়ের ১১ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমীর হোসেনকে আহ্বায়ক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, তিন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মূল্যায়ন করে প্রমাণ পেলে সারা দেশের পরীক্ষা বাতিল করতে পারবে।

‘আমরা ২০১৫ সালে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, ২০১৭ সালে নৈব্যত্তিকে আরও ১০ নম্বর কমিয়ে আনা হবে’ এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নৈব্যত্তিকের নম্বর কমানো হতে পারে। একটি সেমিনার করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষক-শিক্ষার্থী কেউই কোনো ধরনের ডিভাইজ, মোবাইল আনতে পারবে না। যদি কারো কাছে এসব পাওয়া যায় তাকে গ্রেফতার করা হবে। এছাড়াও ৩০ মিনিট আগে শুধু কেন্দ্রে প্রবেশ নয় পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন তিনি।

নাহিদ বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে কেউ কেউ এসব নোংরা কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাদের কেউই রেহাই পাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থাকে আবারো তাগাদা দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসেন, কারিগরি ও মাদসারা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, তিনি বোর্ড চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় ১০ হাজার, বহিষ্কার ২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ ফেব্রুয়ারী : sssএসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার অনুপস্থিত ছিল প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ২৬ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে সাধারণ আট বোর্ডে বাংলা (অবশ্যিক) ১ম পত্র, -১ পত্র, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি-১ম পত্র এবং মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ জানায়, প্রথম দিনের পরীক্ষায় সারাদেশে ৯ হাজার ৭৪২ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ জন। তবে প্রথম দিনে শিক্ষক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। এদিন সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৩৩৬টি কেন্দ্রে মোট ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়াও বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে ২৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ২১২ ছাত্র এবং ২৪৬ জন ছাত্রী।

জানা যায়, সাধারণ আট বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল সব চেয়ে বেশি। এ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৪৯৩ পরীক্ষার্থী। এছাড়াও দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬৪৩ জন। তবে এ বোর্ডে কেউ বহিষ্কার হয়নি। তৃতীয় অবস্থানে যশোর বোর্ডে ৫৯৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

এছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ৫৪৩, দিনাজপুরে ৫২১, চট্রগ্রামে ৪২০, সিলেটে ৩৫৫ এবং বরিশাল বোর্ডে ৩১৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো।

অন্যদিক, অনুপস্থিতির দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাদরাসা বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৩ হাজার ১৫৭ জন, বহিষ্কার করা হয়েছে ১৭ পলক্ষার্থীকে।

কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৭২০ পরীক্ষার্থী। বহিষ্কৃত শিক্ষাথীর সংখ্যা ৭ জন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছরের চেয়ে এবার ২০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ১৭৬টি কেন্দ্র বেড়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফেসবুক বন্ধ চায় শিক্ষামন্ত্রী, যা বললেন মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী : এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এর বিরোধিতা করে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রযুক্তি সচল রেখেই প্রযুক্তির অপব্যবহার মোকাবিলা করতে হয়। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধের পক্ষে আমি নই।’

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে একথা বলেন মোস্তাফা জব্বার। এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন ৩ ঘণ্টা সারাদেশে ফেসবুক-টুইটারসহ সব সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা চলার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখতে আইসিটি বিভাগ ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে অনুরোধ করবেন বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাকে এখনও কেউ অনুরোধ করেননি। অনুরোধ করলে অবস্থান জানাবো। এর আগেও ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তা চালুর উদ্যোগ নেন। ফলে আবারও তা বন্ধ করার কোনও কারণ দেখি না। তবে প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রযুক্তি দিয়েই (সচল রেখে) প্রযুক্তির মোকাবিলা করতে হবে। প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়া কোনও সমাধান হতে পারে না।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা। এর আধা ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ৯ টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষার্থীকে নিজ আসনে বসতে হবে। এর পরে কেউ এলে তাকে পরীক্ষাকেন্দ্রে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে তা বণ্টন করতে হবে। এর এক মিনিট আগেও প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা যাবে না। কেউ খুলে ফেললে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রশ্নপত্রের প্যাকেট কেউ আগে খুলে ফেলছে কিনা তা তদারকি করতে নির্ধারিত একটি টিম থাকবে। এই টিম কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে। কোথাও প্রশ্নপত্র আগে খোলা হলে ওই কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিজের মেয়েকে এপিএস করলেন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক,২৪ জানুয়ারী : নিজের মেয়েকে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) করলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসাশিক্ষা বিভাগের নতুন প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। প্রতিমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তাঁর নাম কানিজ ফাতেমা।

জাতীয় বেতন স্কেলের ২২ হাজার টাকার মূল স্কেলে তাঁকে বেতন দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী যত দিন এ পদ অলংকৃত করবেন বা কানিজ ফাতেমাকে এই পদে যত দিন রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন, তত দিন পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর হবে।

কানিজ ফাতেমা প্রতিমন্ত্রীর একমাত্র সন্তান।

রাজবাড়ীর সাংসদ কাজী কেরামত আলী ৩ জানুয়ারি কারিগরি ও মাদ্রাসাশিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করবো’

জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, শিশুদের প্রোগ্রামার বানানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করবো। আমার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় বেলায়েত হোসেন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মের প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষি প্রধান দেশ ছিলাম। সেই কৃষি প্রধান দেশকে শিল্প বিপ্লবে রুপান্তর করতে পারিনি। এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শিল্প বিপ্লব সম্পন্ন হয়ে গেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমরা আছি। যদি চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ধরতে না পারি তাহলে আমাদের পক্ষে জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ.টি ইমাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি খন্দকার আব্দুল বাতেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম ফেরদৌস আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেই আস্থা শিক্ষকদের

ডেস্ক,১৯ জানুয়ারী: ‘প্রধানমন্ত্রী চাইলে কিনা হয়! পদ্মাসেতুর কাজ নিজস্ব অর্থায়নে শুরু করে তিনি বিশ্বে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনায় আমাদের আস্থা রয়েছে। তিনি নজর দিলেই আমরা জাতীয়করণের আওতায় আসবো। তার আশ্বাসের অপেক্ষায় রয়েছি।’

জাতীয়করণের দাবিতে গত পাঁচদিন ধরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। শুক্রবার জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম’। যদিও দাবি পূরণে এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারে উচ্চ পর্যায়ের সবুজ সংকেত তারা পাননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি থেকে এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। গত ১৫ জানুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের ব্যানারে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষকরা। প্রচণ্ড শীতে শিক্ষক-কর্মচারীরা খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করছেন।

শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, আন্দোলনকারী অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীই ক্লান্ত। অবসন্ন শরীর-মন নিয়ে শুয়ে পড়ছেন প্রেস ক্লাবের সামনে।

অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষক নেতারা বলছেন, শুধু শিক্ষকদের জন্য নয়, ষোল কোটি মানুষের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, শিক্ষার মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ সময়ের দাবি।

শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরাম’ এর যুগ্ম মহাসচিব দেলোয়ার হোসেন খোকন  বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে শিক্ষার ইতিহাস উজ্জ্বল করেছেন। ৭৩ দিন আন্দোলনের পর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বেতন ৭৫ টাকা ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন ৫০ টাকা এবং রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার লক্ষ্যেই ২০১৩ সালে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘কিন্তু আমাদের দাবি এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। গত ৮ বছরে বেসরকারি শিক্ষক সমাজের কঠোর আন্দোলনেও দাবি পূরণ হয়নি। আমাদের জাতীয়করণ করা হোক।

‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী চাইলে সব সম্ভব। তিনি সুনজর দিলে, আশ্বাস দিলেই আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করবো। ফিরে যাবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করবো।

 

যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন শেখ বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষকরা ৯৭ শতাংশ দায়িত্ব পালন করেন। আর সরকারি শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করেন মাত্র ৩ শতাংশ। অথচ আমরাই জাতীয়করণের বাইরে।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী আমরা শুধু বেতন পাচ্ছি। আর সরকারি শিক্ষকরা সকল ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। তারা বেতন স্কেল অনুযায়ী পূর্ণ বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন আর আমরা পাচ্ছি নির্ধারিত মাত্র এক হাজার টাকা। আমাদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নেই। টাইম স্কেলও বন্ধ। চিকিৎসা ভাতা পাই মাত্র পাঁচশ টাকা। উৎসব ভাতা নেই। বোনাসও বেতনের মাত্র ২৫ শতাংশ। সব দিক দিয়ে আমরা পিছিয়ে।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশে শিক্ষকরা বিশেষ সুবিধা পান। আদালতে বসার চেয়ার পান, ভিআইপি সুবিধা পান, সরকারের নির্বাহী বিভাগের অনুমতি ছাড়া শিক্ষকদের হয়রানি বা গ্রেফতার করা যায় না। তবে বিপরীত চিত্র শুধু বাংলাদেশে। আশা করছি সরকার আমাদের ইজ্জত দিবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সমিতির নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জানুয়ারী : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে কাজ করছে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। অচিরেই সমস্যা সমাধানের পথেই হাটছেন তারা। সুবিধা বঞ্চিতদের হতাশ না হয়ে শিক্ষাদানে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। গত বছরের ১৫ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শামীম আসহান সাক্ষরিত জারিকৃত আদেশ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। ওই আদেশে গুটি কয়েকজন প্রধান শিক্ষক সুবিধা পেলেও সিংহভাগই হয়েছে সুবিধা বঞ্চিত। সূত্রমতে, আদেশের ফলে ০৯-০৩-২০১৪ থেকে ১৪-১২-২০১৫ পর্যন্ত যাদের ১ম, ২য় এবং ৩য় টাইমস্কেল ডিউ হয়েছে তারাই বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেন মাননীয় প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি। প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা রয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। সে হিসেব মতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি হচ্ছেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। এছাড়া জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা এবং বেতনস্কেল দু’ধাপ উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতনস্কেল উন্নীত করার ঘোষণাও দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার ভিত্তিতে বেতনস্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পত্র লেনদেন করা হয়েছে বেশ কয়েকবার। এছাড়া শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকের পর গত ১৫ নভেম্বর জারিকৃত আদেশে সারাদেশের প্রধান শিক্ষকদের সিংহভাগই বাদ পরেছে এ সুবিধা থেকে। কিছু সংখ্যক শিক্ষক এ সুবিধা পাওয়ায় সৃষ্টি হয় জটিলতার। তারই প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক নেতাদের কাছে বঞ্চিত শিক্ষকদের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। নেতৃবৃন্দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুনরায় তালিকা প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেছেন, প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারবো। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব আসিফ-উজ-জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দ্রুত সমাধান হবে ইনশাল্লাহ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার ৩ দিন আগে কোচিং বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জানুয়ারী : আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষনাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমনাত্মক থাকবে। কোন শিক্ষক-কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত হলে তাকে সাথে সাথে বহিস্কারসহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ১২ জানুয়ারি

ডেস্ক: স্থগিত হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের পরীক্ষা বাদে অন্য পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যথাসময়েই পরীক্ষা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আজকের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে ৫২৭টি, জনতা ব্যাংক লিমিটেডে ১৬১, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে ২৮৩টিসহ ৯৭১টি পদের নিয়োগ স্থগিত থাকবে।

তবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ৩৯টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ৩৫১, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ২৩১, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ১টি ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) ৭০টি পদসহ ৬৯২ পদের নিয়োগ পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মহাব্যবস্থাপক বলেন, আমরা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছি। যাতে জটিলতা এড়িয়ে আরও নিয়োগ দেয়া যায়, সেই চেষ্টা করছি।

গত রোববার রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কর্মকর্তা, কর্মকর্তা (ক্যাশ)-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free