লাইফ স্টাইল

ঠান্ডা-সর্দি দূরে রাখার ৫ উপায়

আবহাওয়া বদলের বিষয়টি নিশ্চয়ই টের পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ঠান্ডা ও সর্দির প্রকোপ বেড়ে যায়। ঠান্ডা লাগা ও সর্দি থেকে দূরে থাকতে আগে থেকেই সাবধান থাকতে হবে। অনেকের ধারণা, বেশিক্ষণ ঠান্ডায় থাকলে বা পানিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগে, সর্দি হয়। যদিও এসব রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস, তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব এনজাইম আছে, তা স্বাভাবিকের চেয়ে কম তাপমাত্রায় কম কার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা আমাদের শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশির শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুসখুস ভাব দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি আসে। ক্রমান্বয়ে মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। হালকা জ্বর ও শুকনা কাশিও হতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫টি নিয়ম মানলে সর্দি-কাশি আপনার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না। জেনে নিন উপায়গুলো:

প্রচুর ভিটামিন ডি
গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ভিটামিন ডির অভাব হয়, তাদের সর্দি-কাশিতে কাবু করে বেশি। শরীরে ভিটামিন ডি থাকলে তা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। অনেক সময় শুধু খাবার থেকে যথেষ্ট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত। এর বাইরে কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকা লাগতে পারে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টার মধ্যে সপ্তাহে দুই দিন কেউ যদি অন্তত ৫ থেকে ৩০ মিনিট সূর্যালোক গায়ে মাখে, তবে তা যথেষ্ট।

হাত পরিষ্কার রাখুন
আপনি অনেক সময় মুখে হাত দেন। ২০১৬ সালে করা এক গবেষণায় দেখা যায়, একজন ব্যক্তি প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১৬ বার মুখে হাত দেন। মুখে হাত দেওয়ার পাশাপাশি হাতে অনেক জিনিস ধরা হয়। এতে হাত থেকে মুখে সহজেই ভাইরাস যেতে পারে। সেখান থেকে মুখে বা শরীরে ভাইরাস যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। তাই পরিষ্কার করে হাত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান ব্যবহার করে নিয়মিত হাত ধুয়ে নেবেন। তাহলে ঠান্ডা লাগা কমবে।

ফোন পরিষ্কার রাখুন
এখন প্রায় সবার হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে গেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন, আপনার ফোন কোথায় কোথায় রাখেন। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা যায়, টয়লেট সিটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে মোবাইল ফোনে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, স্মার্টফোনের পর্দায় থাকা এসব জীবাণু ত্বকের রোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এসব জীবাণু থেকে সর্দি-কাশি হতে পারে। তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

জিংক গ্রহণ করুন
শরীরে জিংকের ঘাটতি হলে ভাইরাসের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। তাই শরীরে জিংকের ঘাটতি হতে দেবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে জিংক ট্যাব খেতে পারেন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ মো. শরিফুল ইসলামের ভাষ্য, আমাদের শরীরে তিন শর বেশি এনজাইমের সঠিক পরিচালনের জন্য জিংক বা দস্তার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিংকের প্রয়োজন হয়। গরু ও ভেড়ার মাংসে উচ্চমাত্রায় জিংক রয়েছে। সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজা, আটা-ময়দার রুটি, দুগ্ধজাত খাদ্য, শিমজাতীয় উদ্ভিদ, মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন ও ঝিনুকে জিংক পাওয়া যায়।

দই খান
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দরকারি কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রয়োজন। ২০১৪ সালে ‘জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন ইন স্পোর্টস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, যেসব রাগবি খেলোয়াড় সম্পূরক খাবার হিসেবে প্রোবায়োটিক গ্রহণ করেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় কম সর্দি–কাশি ও পেটের সমস্যায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে দই দারুণ কার্যকর। প্রোবায়োটিকস গ্রহণকারীদের সর্দি-কাশি খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে না বলেই গবেষণায় দেখা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়মিত না হাঁটলে বয়স্ক নারীদের যে রোগ হয়

ডেস্ক: বয়স বাড়লে অনেক নারীই আছেন সংসারের হাল ছেড়ে দেন। ফলে তাঁদের দৈনন্দিন শারীরিক ক্রিয়া হঠাৎই অনেকটা কমে যায়।চিকিৎসকরা বলছেন, এর ফলে নানা রোগ দেখা দিতে পারে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সকালে বা বিকেলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস রাখা।

দীর্ঘকাল সংসারের চাপ সামলাতে হয় নারীদের। আবার যাঁরা চাকরিজীবী, তাঁদের ঘরে বাইরে দুই জায়গাতেই দায়িত্ব সামলাতে হয়। তাই অনেক সময়ই দেখা যায়, একটা বয়সের পর নারীরা আর সংসারের কাজকর্মের ভার সামলাতে পারেন না। আর বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে জিমে যাওয়া বা খেলাধূলার মতো শারীরিক ক্রিয়ার সুযোগও অনেক কম থাকে।

তাই নানা রোগ অচিরেই বাসা বাঁধে তাঁদের শরীরে। এমনকী হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক পরিণতিও হতে পারে। কারণ, হৃদযন্ত্র যত রক্ত বেশি পরিমাণে রক্ত পাম্প করতে পারবে, ততই তা ভালো থাকবে। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের মধ্যে সেই ক্ষমতা কমতে থাকে। এর থেকে বাঁচতে হাঁটার অভ্যাস রাখতেই হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মেনোপজ়ের পর যেসব নারীরা একটানা অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস রেখেছেন, তাঁদের হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার সম্ভাবনা ২১-২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে। আবার যাঁরা দ্রুত হাঁটেন, এমন নারীদের মধ্যে সেই সম্ভাবনা ২৬-৩৮ শতাংশ কমে গেছে।

অনেকেরই ধারণা, শুধু হাঁটায় শরীরের কোনও উপকার হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ধারণা একেবারেই ভুল। বরং তাঁরা বলছেন, হার্ট ভালো রাখতে যে যে এক্সারসাইজ়গুলি করতে বলা হয়, তার প্রায় সবকটিরই সমান কাজ করে হাঁটা। তাই বয়স ৫০ পেরোলেই নিয়ম করে হাঁটা অভ্যাস করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নখ খেলে শরীরের কি ক্ষতি হয় জানেন?

মাত্র খেয়ে উঠেছেন সোহাগ। একটু বিশ্রামের জন্য বসেছেন সোফায়। সামনে চলছে টিভি। এরপরও মুখে চলে গেছে ডান হাতের নখ। তার মতো অনেকেরই রয়েছে এমন অভ্যাস।

অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা এমনিভাবে নখ খেয়ে থাকেন। যতক্ষণে স্টক ফুরোয়, ততক্ষণে নখের হাল বেহাল। শুধু কী তাই, শরীরেরও একাধিক ক্ষতি হয়ে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে তো নখের ভেতর জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া দেহের ভেতর প্রবেশ করে এত মাত্রায় ক্ষতি করে যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন পরে।

আপনিও যদি ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ-ডিনারে শুধু নখই খেয়ে থাকেন, তাহলে সাবধান! কোনো এক অজানা কারণে বহু মানুষই হাতের নখ খেয়ে থাকেন। কেউ বলেন এমনটা করলে নাকি বুদ্ধির জোর বাড়ে, আবার কারও মতে নিছক অভ্যাসের বসেই আঙুলগুলো মুখের কাছে চলে আসে। এক্ষেত্রে স্ট্রেসকেও অনেকে দায়ী করে থাকেন। তবে এই সব শুনে ভাববেন না যে এই কু-অভ্যাসের জন্ম আধুনিক যুগে হয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা গেছে, আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে গ্রিসের এক দার্শনিক সিডোনিয়াস তার একাধিক লেখায় একজন মানুষের কথা বলেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন যখন সেই বিশেষ মানুষটি কিছু ভাবতে বসেন, তখনই হাতের নখ খান। তাহলে ভাবুন সেই কোন যুগ থেকে মানুষ এই কু-অভ্যাসের শিকার হয়ে আসছে। তবে নখ খাওয়ার কারণ যাই হোক না কেন, এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নখ খেলে একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরের ভেতর জটিল সংক্রমণ দানা বাঁধার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন, তাহলে আর অপেক্ষা না করে জেনে নিন নখ খেলে শরীরের কী কী ক্ষতি হতে পরে।

১. মুখের দুর্গন্ধ
গবেষণায় দেখা গেছে নখ খাওয়ার সময় হাতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখগহ্বরে প্রবেশ করে। ফলে একদিকে যেমন মুখের ভেতরে সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, তেমনি ব্যাকটেরিয়ার কারণে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে।

nokh

২. দাঁতের ক্ষতি
দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে দাঁতের ক্ষয় হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দাঁতের অবস্থানেও পরিবর্তন হয়। এমন অভ্যাসের কারণে দাঁত বেঁকে যায়। ফলে খাবার খাওয়ার সময় সমস্যা হতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে মাড়িতে সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

৩. ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ
নখের মধ্যে প্রতিদিনই হাজারো ব্যাকটেরিয়া নিজেদের ঘর বানিয়ে চলছে। এসব ব্যাকটেরিয়াদের নখ থেকে বের করা মোটও সহজ কাজ নয়। ভালো করে হাত এবং নখ ধোয়ার পরেও এরা নখের ভিতরে থেকে যায়। ফলে যে মুহূর্তে আপনি নখ খাওয়া শুরু করেন, এই জীবাণুগুলো মুখ দিয়ে শরীরের ভেতরে চলে যায়। ফলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা বেড়ে যায়।

 

৪. নখের সৌন্দর্য হ্রাস
যারা হাতের নখ খায়, দেখবেন তাদের নখগুলো এতটাই ছোট হয়ে যায় যে কেমন বাজে দেখতে লাগে। এতে যে শুধু নখের সৌন্দর্য হ্রাস পায়, তা নয়। সেই সঙ্গে সার্বিক হাতের সৌন্দর্যতাও কমে যেতে শুরু করে।

৫. নখ হারানো
বিশেষজ্ঞদের মতে দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে ‘নেল বেড’ এত মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে পুনরায় নখ বেড়ে ওঠে না। ফলে ধীরে ধীরে আঙুলে নখই থাকে না। এমনটা হলে হাতের সৌন্দর্য কমতে সময় লাগে না।

nokh

৬. নখের সংক্রমণ
নখ খাওয়ার সময় আঙুলের এই অংশে ছোট ছোট আঘাত লাগতে থাকে। ফলে নখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এসব ক্ষতস্থানের মধ্যে দিয়ে রক্তে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। একবার যদি এমনটা হয়ে যায়, তাহলে নখের সংক্রমণ, এমনকী রক্তের সংক্রমণ হওয়ার অশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওজন কমানোর সহজ পথ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিন দিন দেহের ওজন ও পেটের মেদ বাড়ছে। মেদ ও ওজন কমানোর জন্য পছন্দের খাবার বাদ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তবে ওজন ও মেদ কমানের সহজ পথ বাতলে দিয়েছে জাপানের একদল গবেষক। সম্প্রতি ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে বেশি খাবার খেলেও ওজন ও মেদ বৃদ্ধি পায় না।

মেদ বাড়ে খাবার দ্রুত খাওয়ার কারণে। এতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, খাবার খেতে হবে ধীরে সুস্থে এবং ভালো করে চিবিয়ে। তা হলে পেটে মেদ তো জমবেই না, সেই সাথে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেক কমে যাবে।

গবেষণায় মানুষের অকাল বার্ধক্যের পেছনে তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করা হয়। কারণ তিনটি হলো পেটে মেদ জমা, রক্তে সুগার বৃদ্ধি পাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ হওয়া। আর এই তিনটি সমস্যা থেকেই মুক্ত থাকা যায় যদি খাওয়ার অভ্যাসটা একটু পরিবর্তন করে নেয়া যায়। অর্থাৎ খাবারটা যদি ধীরে ধীরে খাওয়া যায়।

জাপানের হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৬৪২ জন পুরুষ ও ৪৪১ জন মহিলাকে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনেন। তাদের গড় বয়স ছিল ৫১.২ বছর এবং কারোরই পেটে কোনো মেদ ছিল না। পাঁচ বছর পর্যবেক্ষণের পর দেখা যায়, যারা দ্রুত খাবার খেয়েছেন তাদের অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের পেটে মেদ জমেছে এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও বেড়েছে। আর যারা ধীরে ধীরে খাবার খেয়েছেন তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়নি, পেটে মেদও জমেনি এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও ঠিক আছে।

গবেষকদলের প্রধান জানান, ‘মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। দ্রুত খাবার খেলে মনে হয় পর্যাপ্ত খাওয়া হলো না। ফলে খাওয়া বেশি পরিমাণে হয়ে যায়। এ ছাড়া দ্রুত খেলে গ্লুকোজ ফাংশনেও সমস্যা তৈরি হয় যে কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা যায় বেড়ে। ইন্টারনেট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ?

ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ? এই বিতর্ক ছিল এ চিরকালীন। অনেকেই ডিম নিরামিষ বলে দাবি করলেও এত দিন পর্যন্ত আমিষের দিকেই পাল্লা ছিল ভারী। এ বার কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানালেন, ভিন্ন কথা।

তার বলছেন, ডিম ভীষণভাবে নিরামিষ।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ডিমের মোট তিনটি অংশ রয়েছে। খোসা, কুসুম ও সাদা অংশ। ডিমের সাদা অংশের মধ্যে থাকে অ্যালবুমিন প্রোটিন। কুসুমও তৈরি প্রোটিন, কোলেস্টেরল ও ফ্যাট দিয়ে। যেই ডিম আমরা প্রতি দিন খাই তার মধ্যে ভ্রুণ থাকে না। তাই সেই ডিমকে কোনও ভাবেই পাখি বা পশুর পর্যায়ে ফেলা যায় না।

একটি মুরগি ৬ মাস বয়স হওয়ার পর থেকে প্রতি দেড় দিনে একটি করে ডিম পাড়তে পারে। ডিম পাড়ার আগে মুরগির যৌনমিলনেরও প্রয়োজন হয় না। তাই এই সব ডিম নিষিক্ত নয়। সাধারণত এই সব ডিমই আমরা বাজার থেকে কিনি। তাই ডিমকে কোনও ভাবেই আমিষ বলতে রাজি নন বিজ্ঞানীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কফির সাথে সাথে আপনি পান করছেন অসংখ্য পোকা!

অনলাইন ডেস্ক: কফিতেও থাকে পোকা! কী শুনে খুব অবাক হচ্ছেন! হ্যাঁ আমাদের চারপাশে অসংখ্য পোকামাকড় থাকে এটা আমরা জানি। এ কারণে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কিছু নির্দিষ্ট পোকা বা পোকার খন্ডকে খাবারের মধ্যে যোগ করার অনুমতি দিয়েছে। খাদ্যের অপরিহার্য ত্রুটি হিসেবেই তারা লেবেলে উল্লেখ থাকে এবং পিনাট বাটার, চকলেট এমনকি ফল ও সব্জিতেও পোকা থাকে প্রচুর পরিমাণে।

এফডিএ খাবারের মধ্যে কিছু সংখ্যক পোকা যোগ করার অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি এতোদিন পর্যন্ত যে খাবার খেয়েছেন তার যদি হিসাব করেন তাহলে এর সাথে সাথে আপনি প্রচুর পোকাও খেয়েছেন বলতে হয়।

পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের প্রতিষ্ঠান টেরো এই তথ্যের একটি তালিকা একত্র করেছে। তারা দেখেছে যে কত সংখ্যক ছারপোকা এবং পোকার খন্ড এফডিএ খাদ্যের সাথে প্যাকেটজাত করার অনুমতি দিয়েছে। এক বছরে একজন মানুষ কত সংখ্যক পোকা গ্রহণ করেন তার হিসাব করেছেন তারা। সবচেয়ে মজার তথ্যটি হচ্ছে আপনি আপনার সকালের এক কাপ কফির সাথে কী পরিমাণ পোকা গ্রহণ করছেন তা। এটি শুনলে আপনি হয়তো দাঁড়ানো থেকে বসে যেতে পারেন! এক বছর কফি পান করার ফলে আপনি ১,৩৬,০৮০ টি পোকার খন্ড গ্রহণ করছেন!

কফির মানের উপর কী পোকা প্রভাব ফেলছে? না আপনি এদের স্বাদ অনুভব করতে পারবেন না। বস্তুত অনেক মানুষই পোকামাকড় খাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন কারণ এরা টেকসই প্রোটিনের উৎস এবং এদের যখন আবাদ করা হয় তখন তা পরিবেশের উপর খুবই কম প্রভাব ফেলে। খাদ্য পণ্য থেকে একজন আমেরিকান প্রতিদিন গড়ে কতটি পোকা গ্রহণ করেন তার তালিকাটি হচ্ছে –

ফ্রোজেন বা ক্যানড জাম জাতীয় ফলে থাকে ৮৪ টি পোকা

ফ্রোজেন ব্রোকলিতে থাকে ১,৬৬০ টি পোকা

ছোট বাঁধাকপি বা ব্রাসেলস স্প্রাউট এ থাকে ৫৪ টি পোকা

চকলেট এ থাকে ৫,৯৮৮ টি পোকার দেহ খন্ড

কফির বীজে থাকে ১,৩৬,০৮০ টি পোকার দেহ খন্ড

ম্যাকারনি বা নুডুলস এ থাকে ৭,০৩১ টি পোকার দেহ খন্ড

মাশরুমে থাকে ২৫৪ টি পোকা

পিনাট বাটারে থাকে ৪০৮ টি পোকার দেহ খন্ড

ময়দায় থাকে ৯১,৬৫০ টি পোকার দেহখন্ড

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিহ্বা নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে যা হয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক,২৮ এপ্রিল: সব সময় দিনে দুবার দাঁত মাজার গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করাও অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে মুখে দুর্গন্ধ, মাঢ়ীর সমস্যাসহ নানারকম অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মুখে দুর্গন্ধ: দীর্ঘদিন জিহ্বা অপরিষ্কার থাকার কারণে হতে পারে মুখে দুর্গন্ধের প্রধান কারণ। নিয়মিত পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সেখান থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

মাড়ির সমস্যা: জিহ্বা সঠিকভাবে পরিষ্কার করা না হলে মাড়িতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দাঁত মাজার সময় মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়। এ জন্য আমরা মাড়ির নানান সমস্যাকে দায়ী করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা নয়। অনেক সময় জিহ্বায় জন্মানো ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে মাড়ি লালচে হয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

দাঁত পড়ে যাওয়া: জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাড়ি দুর্বল হয়ে যায়। পরে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে অবশ্যই নিয়ম করে জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিত।

স্বাদগ্রন্থি দুর্বল হয়ে যাওয়া: জিহ্বার উপর পরত পড়ার কারণে খাবারের স্বাদ আস্বাদন ক্ষমতা দুর্বল হয়ে আসে। ব্যাক্টেরিয়ার বিস্তারের কারণে গ্রন্থিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া খাবারের অংশবিশেষ এবং মৃতকোষের কারণে এই সমস্যা গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে জিহ্বা পরিষ্কার করা আবশ্যক।

জিহ্বায় কালচে পরত: দীর্ঘদিন জিহ্বা পরিষ্কার করা না হলে এমন পরিস্থিতি হতে পারে। উপরে পরত জমতে থাকে, ফলে কালচে ছোপ পড়ে যা দেখতে মনে হতে পারে কালো লোমের মতো। আসলে খাবার ও পানীয় অংশ জিহ্বার উপর জমে পরত তৈরি করে এবং সেখানে ব্যাক্টেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এসব মিলিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে এটি তেমন গুরুতর সমস্যা নয়। জিহ্বা পরিষ্কার করা হলেই এমন কালচে ছোপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ইস্ট ইনফেকশন: অপরিচ্ছন্নতার কারণে মুখের ভেতরেও ‘ইস্ট ইনফেকশন’ হতে পারে। দীর্ঘদিনে মুখে ব্যাক্টেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখান থেকে এক সময় ইস্ট জন্মায়। ফলে জিহ্বায় সাদা ছোপ পড়ে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের শক্তি বৃদ্ধির চমৎকার ওষুধ, মধুর সাথে পেঁয়াজের রস

ডেক্স , ২৩ এপ্রিল : বয়স বাড়ার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই পুরুষের যৌনশক্তি কমতে থাকে। তিরিশের পর যেভাবে যৌনজীবন উপভোগ করেছেন, পঁঞ্চাশের পর তা সম্ভব নয়। আবার কাজের চাপ, স্ট্রেস, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণেও দ্রুত যৌন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন। বর্তমান লাইফস্টাইল ছাড়াও হস্তমৈথুনের অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে থাকলে পুরুষের লিঙ্গ শিথিল হয়ে যেতে পারে। লিঙ্গে ঋজুতার অভাবে ভুগছেন, এমন পুরুষ কিন্তু কম নেই। ভুক্তভোগীরা হতাশ না হয়ে, নীচে উল্লেখিত ঘরোয়া টোটকা করে দেখতে পারেন। উপকার পাবেনই।

কিছুই না এ জন্য লাগবে পেঁয়াজ আর খাঁটি মধু। মধুর উপকারিতা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর পেঁয়াজের মধ্যে আপনি নানাবিধ গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলস ছাড়াও পাবেন ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ত্বকের ও চুলের সমস্যায় পেঁয়াজের ব্যবহার অনেকেই জানেন। কিন্তু পেঁয়াজ যে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনে, তা আমাদের অজানা। এমনকী অনিদ্রার ওষুধও হল পেঁয়াজের রস। আবার মধুর সংস্পর্শে এই পেঁয়াজ পুরুষের যৌনশক্তির জন্য চমত্‍‌কার ওষুধ।

কী করে খাবেন এই মিশ্রণ

প্রস্তুতি ১: লাগবে ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ ও ২৫০ গ্রাম মধু। পেঁয়াজের রস বের করে নিয়ে মধুর সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে হালকা আঁচে ফোটাতে থাকুন। পেঁয়াজের পুরো রস বেরিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত ফোটাতে হবে। এবার মিশ্রণটি ঠান্ডা করে কাচের শিশিতে তুলে রাখুন। রোজ ২ চামচ করে গরম দুধে রাতে খেয়ে শুয়ে পড়ুন। অন্তত ৪০ দিন খেতে হবে।

হাতে সময় না-থাকলে, এ ভাবেও মিশ্রণটি তৈরি করে নিতে পারেন-

প্রস্তুতি ২: একটি বড় লাল পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে, পেঁয়াজের রস চা-ছাকনিতে ছেকে নিন। পরিষ্কার এক টুকরো কাপড়ের মধ্য দিয়েও রস ছেকে বের করে নিতে পারেন। ক’চামচ রস বেরোল, তা দেখে নিয়ে তাতে সমপরিমাণ মধু দিন। অর্থাত্‍‌ চার চামচ রস হলে, চার চামচই মধু দিতে হবে। একটি কাচের ছোট পাত্রে মধু ও পেঁয়াজের রস ভালো করে মিশিয়ে, ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটি দু-চামচ করে, দিনে চার চামচ খান।

একমাসের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন। শিথিল, ঝিমিয়ে পড়া কুঞ্চিত লিঙ্গ আগের মতো চাঙ্গা ও পুরুষ্ট হয়ে উঠবে। যৌনমিলনের সময় শিথিলতার সমস্যা আর থাকবে না। তবে, ভালো ফল পেতে হলে ধীরে ধীরে হস্তমৈথুন ছাড়তেই হবে।

যা মাথায় রাখবেন: এই মিশ্রণটি যতদিন খাবেন, স্পাইসি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। টকও খাওয়া যাবে না। যৌন কার্যকলাপও বন্ধ রাখতে হবে।

পুরুষদের যৌন সমস্যা না থাকলেও, এই মিশ্রণটি খাওয়া যাবে। তাতে থাকবেন ইয়াং অ্যান্ড ফিট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গোপনাঙ্গে ঘনঘন সেভ করলে বাড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি

সম্প্রতি এক গবেষণায় বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যারা গোপনাঙ্গে ঘনঘন সেভ করেন তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।

তবে, ঘনঘন সেভ করা ক্ষতিকর হলেও একেবারে যে সেভ করা যাবে না তা নয়। গবেষকরা বলছেন প্রতি বছর ১১ বার করে সেভ করা যেতে পারে গোপনাঙ্গের চুল। আর এর বেশি হলেই ক্ষতি হতে পারে। ঘনঘন সেভ করলে কী ক্ষতি হতে পারে? এ প্রসঙ্গে গবেষকরা বলছেন এসটিআই বা সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যেতে পারে।

সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে তাদের অনুসন্ধানের তথ্য সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন জার্নাল এ বিষয়ে তাদের গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন।
গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা ঘনঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের এসটিআই হওয়ার আশঙ্কা ৮০ শতাংশ বেশি।

এ গবেষণাতে ৭,৫৮০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকের ওপর অনুসন্ধান পরিচালিত হয়। এতে দেখা যায়, যারা ঘন ঘন যৌনাঙ্গের ও আশপাশের অংশের চুল সেভ করেন তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি।এক্ষেত্রে যারা যত বেশি সেভ করেন তাদের এ ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি।

সম্প্রতি যৌনাঙ্গের আশপাশের চুল সেভ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে তিনটি কারণে- খেলাধুলা, পর্নের প্রভাব ও যৌনতা। আর বর্তমানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থতার ক্ষেত্রে অনেকেই সেভ করাকে বেশ ভালো মনে করছেন। যদিও বিষয়টি বাস্তবে তেমন নয়। প্রতি বছর ১১ বারের কম সেভ করলেই যথেষ্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনার সন্তানকে প্রতিদিন ৭টি কথা বলা উচিত

সন্তানের সঙ্গে বাবা-মা প্রতিদিন কত কথাই বলেন; করেন কত শত গল্প। এতো কথার মাঝে কিছু কথা আছে, যা আপনার শিশুকে নিয়মিত বলা উচিত। ছোট ছোট কিছু কথা আপনার সন্তানকে আপনার প্রতি অনুগত ও ভালবাসতে সাহায্য করবে। তার জীবন চলার পথে এ কথাগুলো আর্দশ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

১. আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত:আপনার সন্তানকে নিয়ে গর্ব করার জন্য, তার পরীক্ষার রেজাল্ট ভাল হওয়ারপ্রয়োজন নেই। আপনার সন্তানটি যেমন তাকে সেভাবে গ্রহণ করুন। তার অর্জনকে তা যতই ছোট হোক না কেন, তা নিয়ে গর্ববোধ করুন।

২. আমি তোমাকে ভালোবাসি:প্রতিটি বাবা মা তার সন্তানকে ভালোবাসে। সন্তানের প্রতি আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুন। প্রতিদিন একবার তাকে ভালোবাসি কথাটি বলুন। আপনার সন্তানটি হয়তো কোন কিছু নিয়ে রেগে আছে তাকে জড়িয়ে ধরে বলুন তোমাকে ভালোবাসি। দেখবেন নিমিষে তার রাগ চলে গেছে।

৩. আমি তোমাকে বিশ্বাস করি:আপনার শিশুটিকে আপনি যখন এই কথাটি বলবেন, সেও আপনাকে বিশ্বাস করা শুরু করবে। আপনার বিশ্বাস নষ্ট হয় এমন কাজ করার আগে সে কয়েকবার চিন্তা করবে।

৪. তোমার মতামতের প্রয়োজন রয়েছে: আপনার শিশুটি পরিবারের একজন অন্যতম সদস্য। কোন বিষয়ে তার মতামত জানার চেষ্টা করুন। তার উপলব্ধি, তার দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করুন। এটি তার চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

৫. তুমি যত ব্যর্থ হও, ততই শিখতে পারবে: জীবনে সফল হতে হলে ব্যর্থতার স্বাদ পেতে হবে। তাই বলে হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। জীবনের সার্থকতা সবসময় সফলতা দিয়ে মাপা হয় না, সাফল্য অর্জনের জন্য আপনি কতটুকু আগ্রহী, কতটুকু পরিশ্রমী তা নির্ভর করে। কোন কাজে ব্যর্থ হলে বকা না দিয়ে তার প্রশংসা করুন কাজটি করার চেষ্টা করার জন্য।

৬. তুমি একজন দায়িত্ববান শিশু: প্রতিটি বাবা মা চান তার শিশুটি একজন দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠুক। “তুমি একজন দায়িত্ববান শিশু” এই কথাটি তার ভিতর দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করবে।

৭. কখন হাল ছেড়ো না: কোনো কাজ একবারে না পারলে যেন আপনার সন্তানটি হতাশ না হয়ে যায়, হাল ছেড়ে না দেয়। কাজে সফলতা পাবার জন্য তাকে বার বার চেষ্টা করতে হবে। এই কথাটি আপনার সন্তানকে ধৈর্যশীল হতে শিখাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লালচে তিল থেকে সাবধান!

tilলাইফস্টাইল :: সাধারণভাবে তিল বা আঁচিল কালো রং-এর হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময়ে লাল রং-এর তিলও দেখা দেয় শরীরে। এই ধরনের তিল অনেকের চিন্তারও কারণ হয়ে থাকে।

কিন্তু সত্যিই কি চিন্তার কিছু রয়েছে এই ধরনের লালচে তিল নিয়ে? সম্প্রতি ‘বি হেলথি’ নামের আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। গবেষণাপত্রে বলা হচ্ছে, সাধারণভাবে শরীরের যেসব অংশে চামড়ার ঠিক নীচেই শিরা (যেমন ঘাড়, গলা, পিঠ কিংবা বুক) থাকে, সেখানেই এই ধরনের লালচে আঁচিল তৈরি হয়। চলতি কথায় এই জাতীয় আঁচিলকে রুবি পয়েন্ট বলা হলেও ডাক্তারি পরিভাষায় এর নাম ক্যাম্পবেল দে মরগ্যান স্পট। সাধারণত ত্বকের নীচেই অবস্থিত কোনো শিরার স্ফীতি ঘটলে ত্বকের উপরে এই রকম আঁচিল তৈরি হয়। তিরিশোর্ধ্ব বয়সে যখন রক্তবাহী শিরা বা ধমনী পাতলা হতে থাকে, তখনই এই ধরনের আঁচিল তৈরির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। অবশ্য তার অর্থ এই নয় যে, এই রকম আঁচিল অল্প বয়সিদের শরীরে দেখা দেবে না। সমস্ত বয়সেই শরীরে তৈরি হতে পারে রুবি পয়েন্ট। কিন্তু এই জাতীয় আঁচিল কি শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কোনো অশনি সংকেত দেয়? সাধারণভাবে লাল রং-এর আঁচিলগুলি হয় বিনাইন বা নির্বিষ টিউমার। অর্থাৎ এগুলি ক্যানসারের লক্ষণ হিসেবে পরিগণিত হয় না। কিন্তু সময় বিশেষে লাল আঁচিল ত্বকের ক্যানসারের আভাস দিতেই পারে। বলা হচ্ছে, যদি— আঁচিলটি আচমকা আকারে বাড়তে থাকে, কিংবা তা থেকে রক্তপাত হয়, কিংবা আঁচিলে ব্যথা বা চুলকানি অনুভব করেন, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। কারণ এসব ক্ষেত্রে আঁচিলটি ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। যেভাবে দূর করা যায়: সাধারণভাবে ডাক্তারি পদক্ষেপই নিতে হয় আঁচিলের হাত থেকে মুক্তি পেতে। সার্জারি, লেজার ট্রিটমেন্ট বা ক্রায়ো থেরাপির মতো চিকিৎসার মাধ্যমে দূর করা যায় আঁচিল। কিন্তু এই জাতীয় চিকিৎসা ব্যয়বহুল। কাজেই প্রাসঙ্গিক জার্নালটিতে দেয়া হয়েছে আঁচিলের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া কৌশলের উপায়। আঁচিলের হাত থেকে মুক্তি পেতে হলে— ১. এক টুকরো তুলা ক্যাস্টর অয়েলে ভিজিয়ে লিউকোপ্লাস্ট দিয়ে লাগিয়ে দিন আঁচিলের উপরে। রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এমনটা করুন। পরদিন ঘুম থেকে উঠে তুলাটা ফেলে দিয়ে সাদা পানি দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে শুকনো কাপড়ে মুছে নিন। পর পর ৭ দিন এমনটা করলেই আঁচিলটি অনেকটা ছোট হয়ে আসবে। এবং আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাবে। ২. ক্যাস্টর অয়েলে ভেজানো তুলার পরিবর্তে ওই একই কৌশলে আঁচিলের উপরে টেপ দিয়ে বেঁধে দিতে পারেন এক কোয়া রসুনও।

সকালে উঠে রসুন ফেলে দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে নিন। সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যেই উপকার পাবেন। তবে যদি হিতে বিপরীত হয়, অর্থাৎ ক্যাস্টর অয়েল বা রসুনের যদি কোনো অবাঞ্ছিত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় চামড়ায়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।
৩. নিবটবর্তী কোন হোমিও কলসানটেন্ট এর পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুদের প্রস্রাবে ‘শি..স..স’ কৌশল যেভাবে কার্যকরী

শিশুদের প্রস্রাবের ক্ষেত্রে সাধারণত ‘শি..স..স’ ‘শি..স..স’ শব্দটি কয়েকবার উচ্চারণ করলেই শিশুরা সুন্দরভাবে প্রস্রাব করে থাকে বা তাদের প্রস্রাবে বেগ আসে। শিশুদের এভাবেই প্রস্রাব প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন অভিভাবকরা। আর এটা শুধু আমাদের দেশেই নয়, বিশ্বজুড়েই ব্যবহৃত একটি কার্যকরী কৌশল।

 

এটা আমাদের সকলেরই জানা। কিন্তু কথা হচ্ছে, এই ‘শি..স..স’ শব্দটি আসলে কীভাবে শিশুদের প্রস্রাবে সাহায্য করে থাকে?

inner

বিষয়টি আরো ভালোভাবে বোঝা যাবে কুকুরের ওপর করা রাশিয়ান বিজ্ঞানী ইভান পাভলভ এর একটি পরীক্ষা থেকে। মাংসের টুকরো খাওয়ার ক্ষেত্রে কুকুরের মুখের ভেতর প্রচুর লালা তৈরি হয়ে থাকে। পালভল তার পরীক্ষায় একটি ঘণ্টার আওয়াজ বাজিয়ে কুকুরকে মাংস খাওয়াতেন। তিনি কয়েকদিন এমনটা করেন, পরবর্তীতে কুকুরটি যখনই ঘণ্টার আওয়াজ শুনতে পেত তখনি মুখ দিয়ে লালা ঝরাত এমনকি পাত্রে মাংস না থাকা সত্ত্বেও।

 

যার অর্থ দাড়ায় যে, স্বশাসিত স্নায়ুতন্ত্রে প্রতিবর্তী ক্রিয়া অজ্ঞানে ঘটতে একটি বহিস্থিত উদ্দীপনার দ্বারা আলোড়ন সৃষ্টি করা যেতে পারে। অভিভাবকরা ঠিক একই কাজটি করে থাকে ‘শি..স..স’ শব্দটি উচ্চারণের দ্বারা শিশুদের প্রস্রাব করানোর ক্ষেত্রে। কিছুক্ষণের মধ্যে শিশুর মস্তিষ্ক ওই শব্দ এবং প্রস্রাব এর কর্মের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়। সুতরাং, এই শব্দ বাচ্চাদের স্বায়ত্তশাসনে প্রতিবর্তী ক্রিয়া আরম্ভ করে এবং তাদের প্রস্রাবে সাহায্য করে।

 

inner

 

তবে শব্দের মাধ্যমে প্রস্রাবের এই বিষয়টি শুধু শিশুদের ক্ষেত্রেই নয়, বরঞ্চ কিছু প্রাপ্তবয়স্কদের মানুষের ক্ষেত্রেও বহিরাগত উদ্দীপনার দ্বারা আলোড়ন সৃষ্টি করে। উদাহারণস্বরুপ, কেউ এমনকি করছে দেখলে অথবা  পানি পড়ার শব্দ এবং জলপ্রপাতের শব্দ কানে আসলে কিছু মানুষের প্রস্রাবের ভাব চলে আসে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাত্র ১৫ মিনিট সময় এগিয়ে বদলে ফেলুন জীবন

আমরা সব সময় মুদ্রার একটি পিঠ দেখেই অভ্যস্ত। মুদ্রার ওই পিঠে কী আছে কখনো খেয়াল করিনা। আর যদিওবা করি সেটাকে নিছক দৈব ভেবে এড়িয়ে চলি। অথচ এই দৈবকে দৈনন্দিন করা গেলে যে আমাদের চারপাশের দুনিয়া বদলে যেতে পারে, সেটা কখনো খেয়াল করেছি?

 

এই ধরুন আপনি প্রতিদিন অফিসের জন্যে বের হোন সকাল ৮ টায়। আর আপনার অফিস হচ্ছে সকাল ৯ টায়। ফলে প্রতিদিন আপনি হন্তদন্ত হয়ে ছুটেন অফিস পানে। কোনোদিন ভাগ্য ভালো হলে ১৫ মিনিট আগেই পৌঁছে যান। আর বেশিরভাগ সময়ই আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে শাপশাপান্ত করে ১০ মিনিট লেটে অফিসে পৌঁছান।

 

ফলে সেখানে কাজ শুরুর আগেই আপনি ভুল দিয়ে শুরু করলেন অর্থাৎ আপনি দিনের শুরুতেই নেগেটিভ মার্কিংয়ে চলে গেলেন। আর সারাদিন তো পরেই রইলো, সেখানের ভুল আপনার নেগেটিভের বোনাস হিসেবে কাজ করবে। অথচ আপনি যদি জাস্ট ১০ মিনিট আগে পৌঁছাতে পারতেন তবে আপনার কাজের আউটপুট হতো দুর্দান্ত। আপনি দিনের শুরু করতে পারতেন প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। ফলে দিনের পরবর্তী কাজে আপনার পজিটিভ দিকে আরো কিছু পজিটিভ ব্যাপার যোগ হতে পারত।

 

তাই এবার একটু চিন্তা করুন, আপনি যদি আপনার প্রথাগত সময় থেকে মাত্র ১৫ মিনিট আগে আপনার দিনের কাজ শুরু করতে পারেন, দেখবেন আপনার দিন শুরু হবে অনেক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। পথে হবে না দেরি। যে বাসের জন্যে আপনি লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন আজ ১৫ মিনিট আগে এসে দেখছেন বাসই লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে! তাই অফিসে গিয়ে দিতে হবে না নিত্যদিনের অজুহাত। যেটা আপনার ইম্প্রেশন বাড়াবে অনেকগুণ। একই সঙ্গে এই আত্মবিশ্বাস আপনার অফিসের রেগুলার কাজের দক্ষতা বাড়াবে। আর এর সুদূর প্রসারি ফলাফল পাবেন পরবর্তী ইনক্রিমেন্টে।

 

তাছাড়া এই পদ্ধতিটি আপনি আপনার দৈনন্দিন অন্যান্য কাজেও প্রয়োগ করতে পারেন। যেমন, আপনি মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে দেখেন সবাই মসজিদের সামনের দিকে বসে আছেন। আপনি দেরি করে যাওয়ার কারণে অনেক সময় পেছনের দিকে কিংবা রাস্তায় কার্পেট বিছিয়ে নামাজ পড়তে হচ্ছে। তাই এখানেও যদি আপনি আপনার নিজের নির্ধারিত টাইমের ১৫ মিনিট আগে যেতে পারেন দেখবেন সামনের কাতারেই অনেক জায়গা আছে। কারণ মানুষের কমন অভ্যাস হচ্ছে মসজিদে একবারে শেষ সময়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

 

সুতরাং আপনার সকল কাজ আপনি ১৫ মিনিট আগে থেকে শুরু করুন। দেখবেন কোনো কাজই আর অগোছালো হবেনা। তা সেটা সকালের নাস্তা বানানোর সময় হোক কিংবা বাইরে কোথাও বেড়ানোর জন্যে বের হওয়ার সময় হোক। একটু আগে থেকে শুরু করলে দেখবেন জীবন কতটা সহজ।

 

কোনো এক প্রোগ্রামে যাবেন, তার নির্ধারিত সময়ের ভেতর যদি পৌঁছাতে না পারেন তবে ব্যাপারটা কতটা বিব্রত। হয়তো সেটা বিয়ের দাওয়াতই হোক না কেন। আপনি পৌঁছে দেখলেন সকল অতিথি বের হয়ে যাচ্ছে, তখন বিষয়টা এমন দাঁড়ায় না আপনি শুধু সেখানে ভোজে অংশ নিতেই গিয়েছেন। সামাজিক মেলামেশা থেকে আপনি কিন্তু বঞ্চিতই রইলেন। তাই সময়ের সঙ্গে চলতে হলে আপনাকে সময় থেকে আগে ছুটতে হবে। তাহলেই দেখবেন আপনার দুনিয়া কীভাবে বদলে গেছেন। আর একই সঙ্গে বদলে গেছে আপনার চারপাশের মানুষগুলোও। কেননা তখন তারা আপনাকে দেখবে অন্য দৃষ্টিতে, শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে যদি আপনি সকল কাজ সময়মত করে থাকেন।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভাত না রুটি? কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর?

1ডেস্ক রিপোর্ট : কেউ কেউ ভাত খেতে এত ভালোবাসেন যে পারলে তিন বেলাই খান, কিন্তু ভয়ে রুটি খান। অনেকে আবার ভাত খেতে একেবারেই ভালোবাসেন না বলে রুটিকেই প্রধান খাবার হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু সেটাও কি ঠিক? কোনটা বেশি উপকারী? জেনে নিন ভাত ও রুটির মধ্যে পুষ্টি উপাদানগত পার্থক্য।
পুষ্টি ভাত (৩০ গ্রাম) রুটি (৩০ গ্রাম আটার)
কার্বোহাইড্রেট ২৩ গ্রাম ২২ গ্রাম
প্রোটিন ২ গ্রাম ৩ গ্রাম
ফ্যাট ০.১ গ্রাম ০.৫ গ্রাম
ফাইবার ০.১ গ্রাম ০.৭ গ্রাম
আয়রন ০.২ মিলিগ্রাম ১.৫ মিলিগ্রাম
ক্যালসিয়াম ৩ মিলিগ্রাম ১২ মিলিগ্রাম
এনার্জি ১০০ ক্যালোরি ১০০ ক্যালোরি

ভাত এবং রুটি দু’টিতেই আছে প্রচুর ফলেট যা নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে এবং রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে। শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঠেকাতেও কার্যকর। সেই কারণে গর্ভবতী মায়েদের রুটির থেকে ভাত বেশি খাওয়া ভালো। রুটি ও ভাতে আয়রনের পরিমাণ সমান হলেও ফরফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামের পরিমাণ রুটির তুলনায় ভাতে কম।
সব মিলিয়ে ভাত, রুটি— দু’টিতেই রয়েছে উপকার। আর চিকিৎসকরা মনে করেন, ভাত ও রুটি মিশিয়েই খাওয়া উচিত। দু’টি খাবারই শরীরের কোনো না কোনো প্রয়োজন পূরণ করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বজ্রপাতের সময় আপনার করনীয়?

কালবৈশাখীর মওসুমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে বৃহস্পতিবার অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান জানান, মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয়ে থাকে।

বজ্রপাতের সময় পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে এবং উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ সময় জানালা থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলা, টিভি-ফ্রিজ না ধরা, গাড়ির ভেতর অবস্থান না করা এবং খালি পায়ে না থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়া বিদরা।

# ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নিচে আশ্রয় নেওয়া যায়।

# বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বিদ্যুৎস্পর্শের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই বজ্রঝড়ের সময় গাছ বা খুঁটির কাছাকাছি থাকা নিরাপদ নয়। ফাঁকা জায়গায় যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অত্যন্ত বেশি।

# বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছে গিয়ে উঁকিঝুঁকি নিরাপদ নাও হতে পারে। এ সময় জানালা বন্ধ রেখে ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

# বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা ঠিক হবে না। এমনকি ল্যান্ড ফোন ব্যবহার না করতেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে স্পৃষ্ট হন।

# বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব ধরনের যন্ত্রপাতি এড়িয়ে চলা উচিত। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও স্পর্শ করা ঠিক হবে না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই প্লাগ খুলে রাখা ভালো।

# বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করতে বলেছেন আবহাওয়াবিদরা। যদি তখন প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টি হয়, তাহলে গাড়ি কোনও গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে রাখা যেতে পারে। ওই সময় গাড়ির কাচে হাত দেওয়াও বিপজ্জনক হতে পারে।

# বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমতে পারে। অনেক সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে সেই পানিতে পড়ে হতে পারে দুর্ঘটনার কারণ। কাছে কোথাও বাজ পড়লেও সেই পানি হয়ে উঠতে পারে বিদ্যুতস্পৃষ্টের কারণ।

# বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বের হতেই হয়, পা ঢাকা জুতো ব্যবহার করা ভালো। রাবারের গামবুট এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।

# বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলেও খেয়াল রাখতে হবে। কেউ আহত হয়ে থাকলে দেরি না করে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে। তবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কাউকে ঘটনার সময় খালি হাতে স্পর্শ করলে নিজেও ঝুঁকিতে পড়তে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free