Home » মাধ্যমিক

মাধ্যমিক

পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী

ডেস্ক,৩০ জুন:
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী। সারাদেশে ছয় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়াও ফেল থেকে জিপিএ-৫ সহ বিভিন্ন স্তরে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। কেউ আবার আবেদন করে পাস থেকে ফেল হয়েছে।

এসব পরিবর্তনের মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে খাতায় বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) পুনঃনিরীক্ষণ ফল প্রকাশের পর ১১ শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হয়ে সারাদেশে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ শিক্ষার্থী চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করে। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য মোট চার লাখ ৮১ হাজার ২২২ বিষয়ের ফলে আপত্তি তোলা হয়।

তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪৬ হাজার ২৬০, বরিশালে ২৩ হাজার ৮৫০, চট্টগ্রামে ৫২ হাজার ২৪৬, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ৭৫, রাজশাহীতে ৪৪ হাজার ৬১, সিলেটে ২৩ হাজার ৭৯০, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৯ হাজার ৩০৩, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৩৩১, মাদরাসা বোর্ডে ২৮ হাজার ৪৮৪ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৮টি বিষয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছে।

এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ আবেদনকারী বিভিন্ন বিষয়ের ফলে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করে। আবেদনের পর পুনঃনিরীক্ষণে সবগুলো বোর্ডে ছয় হাজার ২৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
পুনঃনিরীক্ষণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৯ পরীক্ষার্থী। এ বোর্ডে মোট দুই হাজার ২৪৩ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড
মোট জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৩৬৭ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। ফেল থেকে পাস ৩৫ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড
এ বোর্ডের ১৬৫ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ২৩ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ পরীক্ষার্থী।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৪৭ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন। উত্তীর্ণ দুই পরীক্ষার্থী আবেদন করে পুনঃপরীক্ষণে ফেল করেছে। মোট ৩৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৩৪ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪০ জন। পুনঃনিরীক্ষণের ফেল করা তিন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বোর্ডের ২৫২ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড
চট্টগ্রাম বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪১ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। আবেদন করে ৬০৯ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড
ফেল থেকে পাস করেছে ২৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। মোট ১৩৯ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড
যশোর ফল পরিবর্তন ১২৩ জন, ফেল থেকে পাস ৪৪ জন এবং নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫ জন।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড
মোট ফল পরিবর্তন হয়েছে ৪৪১ জনের। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ৬২ জনের।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

কারিগরি বোর্ডে মোট এক হাজার ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ১২৪ জন ফেল থেকে পাস করেছে। এছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ড
মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৮৭ জনের, মোট ফল পরিবর্তন ২৪৩ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ জন। মোট আবেদনের সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৫২২টি আর আবেদনকারীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৪৩ জন, জিপিএ পরিবর্তন হলেও ফেল করা দুই শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণেও ফেল করেছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, খাতা পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সবকটি উত্তরে নম্বর দেয়া হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে (কম্পিউটারে ফল প্রণয়নে পাঠযোগ্য ফরম) উত্তোলনে ভুল হয়েছে কি-না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কি-না এসব বিষয় পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণ ফলে ৫ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ফল তুলনামূলক বেশি পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা উত্তরপত্র মূল্যায়নকারী শিক্ষকরা কি কারণে এ ধরনের ভুল করেছেন তার কারণ জানতে চাওয়া হবে। যেসব শিক্ষকের ভুল ধরা পড়ছে তাদের আগামী দুই বছর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন থেকে বিরত রাখা হবে। কেউ ইচ্ছা করে দায়িত্ব অবহেলা করেছে প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

গত ৩১ মে প্রকাশিত হয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮, যা গত বছর পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। পরীক্ষার ফলে আপত্তি থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গত ১ জুন পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৭ জুন শেষ হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

ডেস্ক,২৯ জুনঃ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কাঙ্খিত ফল না পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। তারা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এদের মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

আর আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম সোমবার (২৯ জুন) বলেন, আগামীকাল (৩০ জুন) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আমরা পুনঃনিরীক্ষণের ফল তৈরির কাজ করছি।

তবে, কাল কয়টা নাগাদ ফল প্রকাশ হতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানাননি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি সূত্র জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা খাতাগুলো আবারো যোগ করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষার ফল তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে বোর্ডগুলো। আগামী ৩০ জুন এসএসসি ও সমমানের পুনঃনিরীক্ষার ফল সবগুলোতে একযোগে প্রকাশ করা হবে।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়৷ যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি তারা গত ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন।

সূত্র আরও জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ৫৭ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। এছাড়া বরিশাল বোর্ডের ২৩ হাজার ৮৫০ টি খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ডের ৫২ হাজার ২৪৬ টি খাতা, কুমিল্লা বোর্ডের ৩৯ হাজার ৩০৩টি খাতা, দিনাজপুর বোর্ডের ৪০ হাজার ৭৫টি খাতা,যশোর বোর্ডের ৩৪ হাজার ২৮৫টি খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ডের ৩১ হাজার ৩৩১ টি খাতা,রাজশাহী বোর্ডের ৪৪ হাজার ৬১টি খাতা এবং সিলেট বোর্ডের ২৩ হাজার ৭৯০টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

গত ৩১ মে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ সংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। চলতিবছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন আসছে, কমবে ছুটি বাড়বে ক্লাস

ডেস্ক,২৮ জুন:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সব হিসাব উল্টে দিয়েছে করে দিয়েছে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের। গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও কবে খুলবে তা জানা নেই কারোর। ক্ষতি পোষাতে অনলাইনে ও টেলিভিশনে ক্লাস সম্প্রচারিত হলেও তা সফল বলতে পারছেন না অনেকে। অনেক দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। ফলে পিছিয়ে গেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম।

এদিকে স্কুল-কলেজে প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষাও হয়নি। এখন অনিশ্চতায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় নানা ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ করার কথা একাধিকবার জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা পরিস্থিতি আপাতত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে মোতাবেক কমতে পারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা। আর চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের পরিবর্তে মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ হবে ৯ মাসে। অত্যাবশকীয় ছাড়া বাকি সব ছুটি বাতিল করার পরিকল্পনাও চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ১৫ দিন আগে শিক্ষার্থীদের নোটিস দিতে হবে। প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন যেটা হতে পারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবার লাখ লাখ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের মানুষ, শিক্ষক সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম পরীক্ষা নিতে পারি কি না- সবকিছুই ভাবছি।

শিক্ষাবর্ষের বিষয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। কোনকিছু না পড়িয়েও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যাবে না। সেজেন্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী মার্চ পর্যন্ত চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও ছুটি কমিয়ে ৯ মাস করা হবে।

তবে জেএসসি-জেডিসি, প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষার জন্য সিলেবাস তৈরি হয় না, পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য যা শেখা প্রয়োজন তা শেখানো হয়। মূল্যায়নের জন্য বছর শেষে পরীক্ষা হয়। গ্যাপ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তাদের ভোগাবে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে টিউশন ফি আদায়ে মানবিক হওয়ার অনুরোধ জানান দীপু মনি। এসময় যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের বেতন ছাড় দিতে স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ফি না পেলে শিক্ষকদের কি করে বেতন দেবে? শিক্ষকরা তো অধিকাংশই বেতনের উপর নির্ভরশীল। টিউশনিও বন্ধ। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য আছে তারা ফি কিস্তিতে বা কিছুদিন বাদ দিয়ে নিক। যতটা ছাড় দেয়া যায় সেটা চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদেরও ছাড় দিতে হবে। সন্তান পড়াশোনা করছে, এখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ মানে বেতন বন্ধ করা যায় না। এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট, ডিভাইসসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-বোনাসের জিও জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ জুন, ২০২০
নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া ৪ হাজার ৯২০ জন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা ছাড়ের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এদের মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজের ১ হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, খুব তাড়াতাড়ি শিক্ষকদের বকেয়াসহ বেতন ভাতার চেক ছাড় হবে। বকেয়া দুটি ঈদ বোনাস, বৈশাখী ভাতা ও গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বেতন একসঙ্গে পাচ্ছেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। গত ১৮ জুন এমপিও কমিটির বিশেষ সভায় তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়। তারা দ্বিতীয় দফায় অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিলেন।

জানা যায়, স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও বোনাস দেয়ার জিও জারি হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতন পাবেন। আর গত আগস্টে অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহা আর গত ২৫ মে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরের ঈদ বোনাস পাচ্ছেন শিক্ষকরা। এছাড়া গত এপ্রিল মাসে দেয়া বৈশাখী ভাতা টাকা বাবদ পাবেন তারা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জিওর কপি গেলেই চেক ব্যাংকে পাঠনো হবে।

শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, খুব শিগগিরই নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন বোনাসের চেক ছাড় করা হবে।

গত ২৯ এপ্রিল নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১ হাজার ৬৫১টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৬৩৩টি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৯৯১টি মাধ্যমিক স্কুল, ৪৩০টি নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল, ৬৮টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৯২টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ৫২টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাসে ২ বার সব কলেজের অনলাইন ক্লাসের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ জুন, ২০২০

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোচিং বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে। গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কলেজগুলোর অনলাইন ক্লাসের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রতি মাসের ১ তারিখ ও ১৬ তারিখ দুইবার কলেজের অন্যায় ক্লাসের তথ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের।

বুধবার (২৪ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি আঞ্চলিক পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়।

অনলাইনে ক্লাসের তথ্য পাঠাতে নির্ধারিত দুটি ছক পাঠানো হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের কাছে। এগুলোর একটিতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং অপরটিতে পরিচালক তথ্য পূরণ করবেন।

ছকে কোন কোন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস নেয়া হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আর ক্লাসের রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে কিনা সে তথ্য দিতে হবে। এছাড়া অনলাইনে ক্লাস শুরুর তারিখ, বিভাগভিত্তিক ক্লাসের সংখ্যা, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ও শতকরা হার, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো এবং তার সমাধানের উপায় উল্লেখ করতে হবে ছকে। তথ্য পূরণ করার ছক প্রতি মাসের ১ ও ১৬ তারিখ ইমেইলে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

সরকারি কলেজগুলো অনলাইন ক্লাসের তথ্য ddgovtcollege1@gmail.com এবং বেসরকারি ও সদ্য সরকারি কত কলেজগুলোর অনলাইন ক্লাসের তথ্য ahowlader525@gmail.com ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের।

গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সে নির্দেশনা মানেনি অনেক কলেজ। তাই সব কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর বলছে, নির্দেশনা দেয়ার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। তাই সব কলেজকে আবারও অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আর ক্লাসগুলো নির্ধারিত জিমেইল আইডিতে আপলোড করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ক্লাসগুলো শিক্ষা অধিদপ্তরের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিশেষ অনুদানের টাকা পেলেন ৬ সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১ জুন, ২০২০

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের বিশেষ অনুদানখাতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ৪ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী, ৪০০জন শিক্ষক এবং ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ টাকা পাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

জানা গেছে, ৫ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থীকে এ অনুদানের টাকা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকে ৫ হাজার করে এবং আলিম, কামিল, ফাযিল ও দিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের ৩ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ২৪০টি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে ২৫ হাজার করে ৬০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে এ খাত থেকে। আর ৪০০ জন শিক্ষককে ৪০ লাখ টাকা দেয় হয়েছে বিশেষ অনুদান বাবদ। তারা প্রত্যেকে ১০ হাজার করে টাকা পাবেন।

জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এ টাকা দেয়া হবে। এ টাকা বিতরণের আগে অবশ্যই শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করে দেখতে বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দের জন্য বিশেষ অনুদান’ খাতে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে এ টাকা দেয়া হবে।

কোন প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার থাকলে জেলা প্রশাসকরা ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করে মঞ্জুরির টাকা দিতে পারবেন।

তালিকা-১
তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন স্কুল-কলেজের ৫ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ জুন:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরো প্রায় ৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।এর মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজ শাখার এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৮৬ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২১৮ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ১৪০ জন, ঢাকা অঞ্চলের ৫৫৩ জন, খুলনা ৬৬৮ অঞ্চলের জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৬১০ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩৭৯ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩১৩ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৯২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

কলেজ শাখার নতুন এমপিও পাওয়া এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৭৫ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ২৯ জন, ঢাকা অঞ্চলের ১৯১ জন, খুলনা অঞ্চলের ৪১৫ জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১০৫ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩২০ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩৭০ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৭২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের আবেদনের সময় বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

দীর্ঘ পাঁচ বছর অপেক্ষা শেষে শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার নিরসন হচ্ছে। এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন শিক্ষকরা। তবে, একটি মামলা চলমান থাকায় চাকরির ১৬ বছর পুর্তিতে শিক্ষকদের দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির কিছু তা অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বিষয়টি স্পষ্ট করে একটি চিঠি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। স্পষ্টীকরণ চিঠির প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের আবেদন গ্রহণের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর তা আমলে নিয়ে শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের আবেদন গ্রহণ শুরু করেছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে, ১০ জুন রাতে আবেদন শুরু করা হলেও ওইদিনই অনলাইন আবেদনের সময় শেষ হয়। তাই অনেক যোগ্য ও প্রাপ্র‍্য শিক্ষক উচ্চতর স্কেলের আবেদন করতে পারেননি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে সময় বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে গতকাল শুক্রবার। এছাড়া শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড নিয়ে মাঠ পর্যায়ে ছুটির পড়া বিভ্রান্তি দূর করতেও স্পষ্টীকরণ আদেশ জারি করতে বলা হয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তরকে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে দশটায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন।

উচ্চতর স্কেল দিয়ে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষকদের গ্রেডের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা তাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য স্পষ্টীকরণ নির্দেশনা জারি করবে। এরপর এ নিয়ে কোন বিভ্রান্তি থাকবে না।

দীর্ঘদিন অপেক্ষা করো বহু শিক্ষক উচ্চতর স্কেলের আবেদন করতে পারেননি সময় স্বল্পতার কারণে। অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, যোগ্য শিক্ষকরা যাতে উচ্চতর স্কেল প্রাপ্তির আবেদন করতে পারেন, তা মাথায় রেখে আবেদনের সময় বৃদ্ধির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে। খুব শিগগিরই অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করবে। শিক্ষকরা  উচ্চতর স্কেল পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে আছেন আশা করছি সবাই উচ্চতর স্কেলের আবেদন করতে পারবেন।

গত ৩১ মে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে শিক্ষকরা জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী উচ্চতর স্কেল পাবেন। তবে, চাকরি ১৬ বছর পূর্তিতে শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রাপ্তির নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান আছে। তাই এ বিষয়ে তাদের কিছুই করার নেই।

স্পষ্টীকরণের ব্যাখ্যা হিসাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন জানান, স্পষ্টীকরণের মানে হলো চাকরি ১০ বছর পূর্তিতে শিক্ষকরা একটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন। তবে, ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন কিনা বা দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড শিক্ষকরা কবে পাবেন তা আদালত নির্ধারণ করবেন। এ ব্যাখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে। অধিদপ্তর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড আবেদন গ্রহণ করবে। আশা করছি শিগগিরই তারা উচ্চতর গ্রেড পাবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিবছরই যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে যাবে। আগামী অর্থবছরেও যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি নিয়ে শিক্ষকরা কোনো অসন্তোষ কিংবা হতাশা প্রকাশ করতে ‘না’ করেছেন তিনি।

২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে দেয়া অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষাখাতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে কোনো কিছু না বলায় বেসরকারি শিক্ষকরা অসন্তোষ ও হতাশা প্রকাশ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাবাজেট নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

ডা. দীপুমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সবসময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। ১০ বছর পর চলতি অর্থবছরে দুই ৭৩০টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যারা যোগ্য তাদের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এমপিও পেয়ে গেছে।

বাজেট বক্তৃতায় এমপিওভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ না থাকার ফলে যারা আশঙ্খা প্রকাশ করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেছেন, এমপিওভুক্তি নিয়ে এখন কারো আশঙ্খা প্রকাশ করার দরকার কিংবা প্রয়োজনই নেই। কারণ, এমপিওভুক্তি এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য যারা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন প্রতিবছরই আমরা তাদেরকে এমপিওভুক্ত করার চেষ্টা করব।

বাজেট বক্তৃতায় এমপিওভুক্তির বিষয়টি না থাকার ব্যাখা দিয়ে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে এবার অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। এজন্য অনেক বিষয় বাজেট বক্তৃতায় স্থান পায়নি। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিকও থাকত এবং এমপিওভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ না হত তাতেও কোনো সমস্যা হত না। কারণ এমপিওভুক্তি এখন থেকে চলমান থাকবে।
বাজেটে শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাতে আপনি সন্তুষ্ট কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে বাজেট দেয়া হয়েছে সেটি নিয়ে অনেকে অনেক রকম কথা বলবেন। কেউ বলবেন ভালো হয়েছে। কেউ বলবেন ভালো হয়নি। আমি কিন্তু সেদিকে যাব না। সেই বিষয় নিয়ে কোনো চিন্তাও করব না। আমাদের চিন্তা অন্য জায়গায়। সেই চিন্তার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি নিয়ে যেন আমরা সচেতন থাকতে পারি। সক্রিয় থাকতে পারি। বাজেটে যে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি সর্বোত্তম ব্যবহার যেন করতে পারি। টাকা খরচের বেলায় যেন স্বচ্চতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারি।

তিনি বলেন, বাজেটের বরাদ্দ নিয়ে আমরা কথা বলছি এবং ভবিষ্যতেও বলব। তারমতে, শিক্ষার চেয়েও অন্যখাতে বরাদ্দ বেশি হলেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ সবইতো কোনো না কোনোভাবে শিক্ষাখাতে এসে বর্তায়। কিভাবে বর্তায়-জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হচ্ছে, বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটছে- সব কিছু কি শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়? এসব খাতের উন্নয়নে কি শিক্ষার ভূমিকা নেই? কাজেই শিক্ষায় বাজেট নিয়ে আমার অখুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমার একটাই চিন্তা বাজেটে আমরা যা পেয়েছি তার সর্বোত্তম ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

সূত্র: ভোরের কাগজ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল-কলেজের কমিটির নির্বাচন নিয়ে নতুন নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক,১১ জুন:

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। তবে, এসব স্কুল-কলেজের নির্বাচন নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

যেসব প্রতিষ্ঠান কমিটির নির্বাচন হয়ে গেছে কিন্তু সভাপতি নির্বাচন হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে সভাপতি নির্বাচন শেষ করতে বলা হয়েছে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান কমিটির ও সভাপতির উভয় নির্বাচন স্থগিত আছে, তাদের এডহক কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

গতকাল বুধবার (১০ জুন) বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়।

বোর্ড থেকে জারি করা একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠান সভাপতি নির্বাচন শেষ করে আগামী  ৭ দিনের মধ্যে বোর্ডে দাখিল করতে হবে। জানা গেছে, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে জারি করা সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুসারে এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সংসদ টিভিতে ক্লাস রেকর্ডিং এ পুকুর চুরি!

ডেস্ক,৯ জুন:

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে ২৯ মার্চ থেকে সংসদ টেলিভিশনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাস সম্প্রচার করা শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। তবে এই ক্লাস রেকর্ডিং করতে গিয়ে পুকুরচুরি করছে একটি সিন্ডিকেট। সাধারণ মানের ২০ মিনিটের প্রতিটি ক্লাস রেকর্ডিংয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। তবে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনোভাবেই প্রতিটি ক্লাস রেকর্ডিংয়ের ব্যয় তিন থেকে চার হাজার টাকার বেশি হবে না। এর পরও এরই মধ্যে এক হাজার ক্লাস রেকর্ডিং হয়ে গেছে। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত আরো দুই থেকে আড়াই হাজার ক্লাস রেকর্ডিং করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, প্রথমে ক্লাস রেকর্ডিং ও সম্প্রচার ব্যয় হিসাবে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ব্যয় বিভাজন পাঠায় মাউশি অধিদপ্তর। সে সময় ২০ মিনিটের প্রতিটি ক্লাস সম্প্রচারে ৩৫ হাজার টাকা হিসাবে আট কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। আর তিন মাসের জন্য দুই হাজার ৫২০টি ক্লাস রেকর্ডিং ব্যয় হিসাবে দেখানো হয় সাত কোটি ৬৮ লাখ টাকা। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদ টেলিভিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেখানে বিনা মূল্যে ক্লাস সম্প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে শুধু ক্লাস রেকর্ডিংয়ের জন্য সাত কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দ চায় মাউশি অধিদপ্তর।

সূত্র জানায়, প্রতিটি ক্লাস রেকর্ডিংয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। এর মধ্যে তিনজন ক্যামেরাম্যানের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় হাজার, স্টুডিও সেটআপ (লাইট, ব্যাটারি, ক্যামেরা, রেকর্ডার, টাইমার ইত্যাদি) ব্যয় ১২ হাজার, সহায়ক সার্ভিস দুইজনের জন্য এক হাজার, একজন শিক্ষকের জন্য সম্মানী তিন হাজার এবং সমন্বয় বা নির্দেশনার জন্য ধরা হয়েছে দুই হাজার টাকা। এভাবে দুই হাজার ৫২০টি ক্লাসের জন্য ব্যয় ধরা হয় ছয় কোটি চার লাখ ৮০ হাজার টাকা। আর বাকি এক কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ নানা খাতে ব্যয় ধরা হয়।

তবে এই ব্যয়ের যথার্থতা খুঁজতে গিয়ে অনুসন্ধানে পুকুর চুরি বেরিয়ে আসে। সর্বোচ্চ চার হাজার টাকার রেকর্ডিং খরচ দেখানো হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা করে। কারণ মাধ্যমিকের এই ক্লাস রেকর্ডিং প্রথম দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এবং বেসরকারি দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টুডিওতে করা হয়। ব্যানবেইস যেহেতু নিজেদের সেখানে মাউশি অধিদপ্তরকে কোনো খরচই করতে হয়নি। আর বাকি দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এক টাকা খরচ নেয়নি। এমনকি ক্লাস রেকর্ডিং সম্পূর্ণ করে দেওয়াসহ খাওয়া-দাওয়াও করিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। তবে ক্লাসের সংখ্যা বাড়তে থাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম), রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে ক্লাস রেকর্ডিং করা হয়।

এসব প্রতিষ্ঠানে স্টুডিও বলতে ক্লাসরুম ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে সাজসজ্জার পেছনে কোনো ব্যয় করা হয়নি। এখন পর্যন্ত যেসব শিক্ষকের ক্লাস রেকর্ডিং হয়েছে তাঁদের এক টাকাও দেওয়া হয়নি। সমন্বয় বা নির্দেশনা নিজেরাই করছেন। শুধু ক্যামেরা ও ক্যমেরাম্যান ভাড়া করে আনা হয়েছে। আর এক ক্যামেরা দিয়েই সারা দিনে অন্তত ১০ থেকে ১৫টি ক্লাস রেকর্ডিং করা হয়েছে। আর এসব ক্লাসে কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নেই, ভিডিও খুব বেশি কাটারও প্রয়োজন হয় না। ফলে এডিটিংয়েও তেমন কোনো খরচ নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিনটি ক্যামেরা ও ক্যামেরাম্যান ভাড়া করে আনলে তারা কি শুধু একটি ২০ মিনিটের ক্লাস রেকর্ডিং করেই চলে যাবে? একটি ক্লাসের জন্য কী এমন নির্দেশনা দিতে হয় যাতে প্রত্যেক ক্লাসের জন্য একজনকে দুই হাজার টাকা করে দিতে হবে? একজন পিয়ন তার ডিউটি আওয়ারে যদি ২০টি ক্লাসের সার্ভিস প্রদান করে তাহলে তাকে কি দিনে ২০ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হবে? এভাবে প্রতিটি রেকর্ডিংয়ে আলাদা ব্যয় দেখিয়ে মাউশি অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট পুকুর চুরি করার চেষ্টা করছে। এমনকি একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ক্লাস প্রস্তুত করে দেওয়া পর্যন্ত সব কাজ বিনা মূল্যে করে দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছিল। অনেক শিক্ষকই ক্লাস করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। কিন্তু হরিলুট করার জন্য নিজেরাই গোপনে সব কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয় মাউশি অধিদপ্তর।

সিনেমায় কাজ করেন এমন একজন প্রফেশনাল হাউসের মালিক নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমরা সারা দিনের জন্য একটি সনি আলফা ক্যামেরা ও ক্যামেরাম্যানসহ ভাড়া দিই পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। সারা দিনে দুটি ক্যামেরা দিয়ে অনায়াসেই ২০ মিনিটের ২০টি ক্লাস রেকর্ডিং করা যাবে। ক্লাস রেকর্ডিংয়ে এর চেয়ে কম দামের মার্ক-৪, মার্ক-৫ ক্যামেরা হলেই যথেষ্ট। আর এসব কাজে খুব বেশি এডিটিং লাগে না। তার পরও প্রতি ক্লাসের জন্য ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা দিলেই যথেষ্ট। ফলে সব মিলিয়ে প্রতি ক্লাসে দেড় থেকে দুই হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়।’

নাম প্রকাশ না করে রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে ক্লাসে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের ক্লাসের জন্য ডাকা হয়েছে। তবে কোনো টাকা-পয়সা দেওয়া হয়নি। আর এ ব্যাপারে আমাদের কিছু বলাও হয়নি। টিভিতে আমার ক্লাস প্রচার হলে আমারই সুনাম হবে। এ জন্য আমি টাকাও নিতে রাজি নই। এ ছাড়া সরকারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে এটা আমার কাজের অংশের মধ্যেই পড়ে।’

জানা যায়, ক্লাস রেকর্ডিংয়ের জন্য মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয়ে ২৭ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মেট্রো-গ ১৫-০১০৭ এবং ঢাকা মেট্রো-ঘ ১১-৮৫৭৪ নম্বরের দুটি গাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি ক্লাসের জন্য ক্যামেরা ও ক্যামেরাম্যানের খরচই মূল খরচ। এ ছাড়া এডিটিংয়ের সামান্য খরচ রয়েছে। এ জন্য প্রতি ক্লাসের জন্য সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা খরচই যথেষ্ট। এ ছাড়া স্টুডিওতে লাইটিং করতে হয়, যা একবার করলেই যথেষ্ট। আর খাবার খরচসহ আনুষঙ্গিক কিছু ব্যয় রয়েছে। শিক্ষকদের কিছু সম্মানীও দেওয়া যায়। সব মিলিয়ে এই খরচ কোনোভাবেই চার হাজার টাকার বেশি হবে না।

ক্লাস রেকর্ডিংয়ের কমিটিতে থাকা ২৭ জনের মধ্যে পক্ষ থেকে সাতজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। একমাত্র মহাপরিচালক ছাড়া আর কেউ ব্যয়ের ব্যাপারে জানেন না বলে জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, কমিটির চারজন ছাড়া বাকিদের কাউকেই ব্যয়ের ব্যাপারে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এমনকি সাত-আটজন ছাড়া অন্যদের তেমন কোনো কাজকর্মেও ডাকা হয় না। রেকর্ডিংয়ের ব্যাপারে মূল দায়িত্ব পালন করছেন মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য। এ ছাড়া অর্থ ব্যয়ের ব্যাপারটি জানেন পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম খানসহ আরো দু-একজন কর্মকর্তা। আর তাঁরা নিজেদের পছন্দমতো লোকের মাধ্যমে রেকর্ডিংয়ের কাজ করাচ্ছেন।

পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি ব্যয়ের ব্যাপারে জানি না। তবে শিক্ষকদের ডাকা, কোথায় রেকর্ডিং হবে এসব বিষয় নিয়েই কাজ করছি। এরই মধ্যে এক হাজারের ওপরে ক্লাস রেকর্ডিং হয়েছে। চার শতাধিক ক্লাস প্রচার হয়েছে।’ এরপর পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম খানের কাছে ব্যয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, ‘ক্লাস রেকর্ডিংয়ের বাজেটের টাকা এখনো পাস করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আমরা যে বাজেট দিয়েছি, সেটা বিচার বিশ্লেষণ করে মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন করবে। তবে প্রশিক্ষণসহ কিছু কাজের জন্য টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। যা ফেরত যাবে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) ড. অরুনা বিশ্বাস বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাবটা যেহেতু হঠাৎ করে এসেছে, তাই আগে থেকে ক্লাস রেকর্ডিংয়ের খাতে আমাদের কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে সংশ্লিষ্ট খাত থেকে এই টাকার জোগান দেওয়া হচ্ছে।’ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) মোমিনুর রশীদ আমিন বলেন, ‘ক্লাস প্রচারসংক্রান্ত তথ্য আমার কাছে আছে। তবে আমি রেকর্ডিং ব্যয়ের ব্যাপারে কিছুই জানি না।’ (সূত্র: কালেরকণ্ঠ)

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুন, ২০২০
০১৯-২০ অর্থবছরে থেকে সব ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্যের বিভিন্ন রকম ভুল রয়েছে৷ ফলে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পাঠাতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা দূর করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করার সুযোগ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ৫ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হলেও সে কি সময় বাড়ানো হয়েছে। পুনঃনির্ধারিত সময়ে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। এ সময় শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সময় বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সব কলেজ ও স্কুলে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে প্রকাশিত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের খসড়া তালিকার ভুল সংশোধন করে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যসহ বাদ যাওয়া ও নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন-বিয়োজন করে সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা ইমেইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠাতে বলা হয়েছে সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। প্রিন্ট করা সংশোধিত তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল নিয়ে তার সফটকপি ইমেইলে (dshe.stipend.fl@gmail.com) পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নির্দেশনাটি দেভতে এখানে ক্লিক করুন।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা শিক্ষকরাও ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর স্কেল পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুন, ২০২০
চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর রোববার (৭ জুন) দুপুরে এ বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। কর্মকর্তারা বলেন, মাদরাসা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই বিষয় কার্যকর হবে। অর্থাৎ মাদরাসার শিক্ষকরাও স্বাভাবিকভাবে এ নিয়মেই ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পেতে পারেন। তবে, এ বিষয়ে অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে সুস্পষ্ট নির্দেশনা আসতে হবে।

মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল দেয়ার আদেশ জারি করা হলেও নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। গত ২ জানুয়ারি মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের এমপিও আবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হলেও যোগ্য শিক্ষকদের আবেদন গ্রহণ করতে পারছে না মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় স্পষ্টতা না থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানিয়েছিলেন মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

গত ২ জানুয়ারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো আদেশে বলা হয়, মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারির তারিখ অর্থাৎ ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। সে অনুযায়ী মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে সৃষ্ট বিভিন্ন সুবিধা বা উচ্চতর স্কেল দেয়ার লক্ষ্যে মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিধি বিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হলো।

তবে, শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড কবে থেকে কার্যকর হবে সে বিষয়ে বলা হলেও কোন শিক্ষক বকেয়া উচ্চতর গ্রেড পাবেন কিনা সে বিষয়েও কিছু বলেনি মন্ত্রণালয়। বিভাগ থেকে পাঠানো আদেশে শিক্ষকরা একটি না দুইটি উচ্চতর স্কেল পাবেন তাও সুস্পষ্টভাবে বলা হয়নি। এছাড়া যেসব শিক্ষক নীতিমালা জারির আগেই উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হয়েছেন তদের বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর স্কেল কার্যকর হবে। এদিকে শিক্ষকরা অনেকেই বকেয়া উচ্চতর স্কেল দাবি করছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আরও জানান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের দেয়া নির্দেশনায় শিক্ষকরা কবে থেকে উচ্চতর স্কেল পাবেন তা বলা হলেও এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি। শিক্ষকরা তারা বকেয়া পাবেন কিনা সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তাই, আদেশটি মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হলেও এখনো শিক্ষকদের আবেদন গ্রহণ করা যাচ্ছে না। তবে এ জটিলতা নিরসনে নির্দেশনা চেয়ে গত মার্চ মাসের শেষের দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করলে মেমিসের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

কর্মকর্তারা আরও বলেন, যেহেতু স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের জটিলতার নিরসন হল, তাই আশা করছি শিগগিরই কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হবে। সে আদেশ পেলেই মেমিসের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৭ জুন থেকে ফের অনলাইনে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য দেয়া যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ জুন, ২০২০
আগামীকাল রোববার (৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত সফটওয়্যারে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য দেয়া যাবে। ৫ থেকে ৭ জুন সকাল ৯টা পর্যন্ত মানোন্নয়ন ও মেইনটেনেন্সের জন্য সফটওয়্যারটি বন্ধ থাকবে। তাই ৭ জুন থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অপেক্ষা করতে বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

এসব বিষয় জানিয়ে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, রাজস্বখাতভুক্ত বৃত্তি (মেধা ও সাধারণ) সংক্রান্ত সফটওয়্যারের (Scholarship) মানোন্নয়ন ও মেইনটেনেন্সের জন্য ৫ জুন থেকে ৭ জুন সকাল ৯টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পূনরায় চালু হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের তথ্য দেয়া যাবে। অনুগ্রহপূর্বক অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জেডিসির রেজিস্ট্রেশনের সময় ফের বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ জুন, ২০২০
জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের দাখিল ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় আবারও বাড়িয়েছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত দাখিল ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণের ফি জমা দেয়া যাবে। আগামী ৭ জুলাই অনলাইনে ফরম পূরণ ও সাবমিশনের সর্বশেষ তারিখ নির্ধারণ করেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। আর বিলম্ব ফি ছাড়াব রেজিস্ট্রেশনের ফি জমা দেয়া যাবে না।

এসব তথ্য জানিয়ে জেডিসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের সময় পুনঃনির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter