Home » মাধ্যমিক

মাধ্যমিক

গতবছরের বৃত্তির টাকা পেতে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সুযোগ ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ অক্টোবর, ২০২০
কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি না করায় ও ভুল তথ্য দেয়ায় বৃত্তিপাওয়া অনেক শিক্ষার্থীর বৃত্তির টাকা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়নি। বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য বকেয়া টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মেধা ও সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন করতে পারবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (১২ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আদেশ জারি করে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য এন্ট্রি ও ভুল সংশোধন করতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে রাজস্বখাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে ইএপটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়। আগে বিভিন্ন সময় বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএসে (MIS) এন্ট্রি করতে বলেছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান বৃত্তিপাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করতে না পারায় ও কিছু প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে ব্যাংক হিসেব নম্বর, শাখার নাম, পরীক্ষার বছর ইত্যাদি তথ্য ভুল থাকায় ৩০ জুনের মধ্যে এসব টাকা শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারেনি শিক্ষা অধিদপ্তর। এসব শিক্ষার্থীর টাকা দ্রুত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজস্ব খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের সময় আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এমআইএস সফটওয়্যারে (http://103.48.16.248:8080/HSP-MIS/login) লগইন করে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করতে হবে।

সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থী নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়নরত আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে তথ্য এন্ট্রি করতে হবে। পাঠবিরতি রয়েছে এমন শিক্ষার্থীর তথ্য দেয়া যাবে না। মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করা যাবে না। দেশের অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একক বা বাবা-মা অথবা আইন সংগত অভিভাবকের সাথে যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব বা স্কুল ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, এমআইএসে এন্ট্রির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসারের অনুরূপ একক বা যৌথ নাম উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষার্থীর পরীক্ষার আইডি-রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম ও বছর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। বৃত্তির ক্যাটাগরি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুলেও পরীক্ষা ছাড়া ‘প্রমোশনের’ চিন্তা, আগামী সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,৯ অক্টোবর:

চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এরই মধ্যে এইচএসসি সহ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসএসি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবার স্কুলেও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ‘অন্য কোনো উপায়ে’ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে ‘প্রমোশনের’ চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুলের পরীক্ষা না নিয়ে ‘অন্য কোনো উপায়ে’ মূল্যায়ন করা হবে কি-না, বা হলে কীভাবে হবে, সেটি সামনের সপ্তাহেই জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, সরকারের চিন্তা ছিল যদি অক্টোবর-নভেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব হতো তাহলে পাঠ্যসূচি কাটছাঁট করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো রকম একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এর আগে গত বুধবার করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের জেএসসি, জেডিসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এদিন এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পরিস্থিতিতে নভেম্বরেও বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে না। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে কিছু বিষয়ের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত আড়াই মাসের ক্লাসসহ আরো কিছু বিষয় মূল্যায়ন করা হতে পারে।

এর আগে চলতি বছর করেনার কারণে উচ্চ মাধ্যমিকে (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বিগত জেএসসি এবং এইচএসসির ফল মূল্যায়ন করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়। এমন সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাধ্যমিকের দুই বছরের পড়াশোনার বিষয়ে কোনো মূল্যায়ন না থাকায় ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অনেকে। এ সিদ্ধান্তে অনেক পরীক্ষার্থী খুশি হলেও, কেউ কেউ অসন্তুষ্টও হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সকল শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নের ছু‌টি ৩১ অ‌ক্টোবর পর্যন্ত

ঢাকা,১ অক্টোবর: করোনা পরিস্থিতির কারণে আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের সব স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এই সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারী করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার করোনাকালীন শিক্ষার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ছুটি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ছে। আজ সেই ঘোষণা এল।

প্রসঙ্গত, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিগগিরই খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে স্কুল-কলেজ কবে নাগাদ খোলা হবে এবং পরীক্ষা কবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত ‘খুব শিগগিরই’ আসছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
মঙ্গলবার ঢাকার সেগুন বাগিচায় আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান তিনি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে- জানতে চাইলে দীপু মনি বলেন, “স্কুল কবে খুলবে, পরীক্ষা কবে হবে, সেটা আপনাদের খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

“আগামীকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে একটা মতবিনিময় সভা হবে। সেখানে আমি আপনাদের যে প্রশ্ন থাকবে, সেগুলোর জবাব দেব।”
করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটি বাড়তে বাড়তে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঘোষণা করা আছে।

পিইসি, জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হলেও এখনও ঝুলে আছে এইচএসসি পরীক্ষা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি এখনও হয়নি বলে সম্প্রতি মত জানিয়েছিল কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

তবে এক সপ্তাহ আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।

তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগিরই ক্লাস শুরুর উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শুরু হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ সেপ্টেম্বর:
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজ করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও। তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে গত তিন সপ্তাহ ধরে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নেমে এসেছে, অর্ধেকে নেমে এসেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। পরীক্ষার সংখ্যা অনেক কম হলেও পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হারও নেমে এসেছে দৈনিক ১০% এর কাছাকাছিতে।

আরো পড়ুন
প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

খোঁজে জানা গেছে, করোনা মহামারীর মধ্যে এখন পর্যন্ত যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর অন্যতম হলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। মহামারীর কারণে ইতোমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা। আটকে আছে এইচএসসি পরীক্ষাও। সার্বিক বিবেচনায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলেই মনে করছেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের অনেকে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে আবারও বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে এমনটাই আভাস পাওয়া গেছে।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ থেকেও । গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের জন্য প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সে সেময় গণমাধ্যমকে জানান, ‘‘অক্টোবর ও নভেম্বরকে দুটো টার্গেট করে দুটি লেসন প্ল্যান তৈরি করেছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নভেম্বর থেকে সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। অক্টোবরে খোলার বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশনা নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি নভেম্বরে স্কুল খোলা না যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেটি বলেছেন, আমাদের অটো পাস ছাড়া উপায় নেই।’’

অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে না বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ যারা আছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলতে পারবেন। তবে আমরা যেটা মনে করি যে, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি যতদিন উচ্চমাত্রায় থাকবে ততদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে করি না। কারণ, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সম্পদ। তাদেরকে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব প্রতিষ্ঠান আছে যেমন:- জাদুঘর, পাবলিক লাইব্রেরি, এগুলো খোলার আগে আরেকটু সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সেক্ষেত্রে শুধু নিজেদের দেশের নয় বরং আশেপাশের দেশগুলো বিশেষ করে যেসব দেশে সংক্রমণের মাত্র অনেত বেশি তারা কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটাও দেখার দরকার আছে। অর্থাৎ, করোনা পরিস্থিতি আমাদেরকে যে অবস্থায় নিয়ে এসছে সেটি নিয়ে আমাদেরকে নিজেদের অভিজ্ঞতাকে বিশ্ব অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়াটা বাঞ্ছনীয়।

তিনি আরো বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে সেটাও তাৎপর্যপূর্ণ। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ শীত আসন্ন। শীতের সময় সর্দি, কাশি এগুলো আরো বেড়ে যায়। যদি সেগুলো বেড়ে যায় আর করোনার সংক্রমণও থাকে তাহলে পরিস্থিতিতে যে জটিলতার দিকে যাবে সেটি সহজেই বোঝা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদেরকেও জীবনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে বিভিন্ন অবস্থান থেকে হল বা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার মতো বিভিন্ন দাবি তারা তোলে। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা। তাদের সাথে সাথে তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যও সংশ্লিষ্ট। এখনও আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পুরো মাত্রায় অর্জনের পথে আছি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, শেষমেষ দুর্ভোগ-ভোগান্তি শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের উপরেই বড় আকারে বর্তায়। এ বিষয়সহ আরো অনেক কিছু ভেবেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

শীতে করোনার সম্ভাব্য প্রকপের বিষয়ে গুরাত্বারোপ করে ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ইউরোপ আমেরিকার শীতের সাথে আমাদের শীতের বিশেষ পার্থক্য থাকলেও শীতের বিষয়ে জীববিজ্ঞানী, ভাইরাসবিশেষজ্ঞরা যেটি বলেছেন সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।

শীতকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আরো কঠিন হয়ে পড়ে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তনের জায়গাটি, সেটিকে আমাদের উপেক্ষা করার কোনো কারণ নেই।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময় পাঠদানের ধারাবাহিকতা রাখতে সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদান অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও চলছে অনলাইন পাঠদান প্রক্রিয়া।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল হচ্ছে

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না, তাদের জটিলতা কাটতে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল- তা শিথিল করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনটিআরসিএ এর শিক্ষাতন্ত্র ও শিক্ষামানের সদস্য (যুগ্ম সচিব) ড. কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, এনটিআরসিএ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃতদের সুপারিশপত্রে বলা ছিল, নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃত প্রার্থীরা কখনো এমপিও সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। তবে এ শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও প্রাপ্তিতে কোনো শর্ত লাগবে না।

জানা গেছে, সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। কারণ, তাদের সুপারিশ পত্রে শর্ত ছিল নন-এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা এমপিও দাবি করতে পারবেন না। যে কারণে শিক্ষকদের এমপিও আবেদন মাঠ পর্যায় থেকে গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এ জটিলতার সমাধান দিয়েছে এনটিআরসিএ।

গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত বলে ঘোষণা করেন। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পদ নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রচলিত এমপিও নীতিমালার আলোকে তাদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তর এ শর্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কেবল মাত্র নন-এমপিও চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে এবং এমপিও নীতিমালার আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত হবে) এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য মর্মে বিবেচিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্বয়ংক্রিয় উচ্চতর স্কেল, বেতন বিলে কমিটির হস্তক্ষেপ থাকবে না : অতিরিক্ত সচিব

দৈনিকি শিক্ষা ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকরা বেতন পাবেন। যদি শিক্ষক কোন অন্যায় করে থাকে (সাময়িক বরখাস্ত হলে) তা অন্যভাবে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানর সময়মতো উচ্চ মহলে জানাবেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশের শিক্ষা বিষয়ক একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষা ডটকমের লাইভে যুক্ত এসব কথা বলেন তিনি।

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা। সরকারি কর্মচারীদের মত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন তুলতে ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পাঠাতে শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইনডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি টেকনিক্যাল কমিটিও করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ আগস্ট:
২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পরীক্ষা না নেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে কীভাবে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যা কিছু করছি সব তোমাদের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এখন করোনাকাল চলছে। তোমরা স্কুল করতে পারছ না। তারপরও বই আছে। তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করো। পরীক্ষা তো হবে না, হয়তো প্রমোশন দিতে হবে। আমরা দেখছি কী করা যায়।’

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ আগস্ট , ২০২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা ছিল। সেই ছুটি বৃদ্ধি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোহ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এই সময়ে কওমি মাদরাসা ছাড়া দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বদলে যাবে স্কুল-কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পদ্ধতি

এস কে দাস,২৭ আগষ্ট:

বড় ক্লাসের শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস নেয়া হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি গাইডলাইন তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। পরীক্ষার ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন বাড়ানো হতে পারে। মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজে নতুন গাইডলাইন অনুসরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে মাউশি থেকে নির্দেশ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

মাউশি সূত্র বলছে, করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দেশের সকল নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও কলেজগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পরিচালনায় একটি স্বাস্থ্যবিধি নীতিমালা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে মোতাবেক আগের মতো আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে না।

সূত্র বলছে, ক্লাসে দূরত্ব রেখে শিক্ষার্থীদের বসানো হবে। প্রতিদিন একসঙ্গে সকল শ্রেণির ক্লাস নেয়া হবে না। কর্মঘণ্টাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন স্তরে ক্লাস নেয়া হবে। এক্ষেত্রে মৌলিক বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। সপ্তাহে একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দুই অথবা তিনদিন ক্লাস নেয়া হবে। তবে সপ্তম ও দ্বাদশ শ্রেণিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। পরীক্ষা কমাতে শ্রেণি শিক্ষকদের মাধ্যমে ক্লাস মূল্যায়ন বাড়ানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কোনোভাবেই করোনার ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না। সেজন্য স্কুল-কলেজ খুললে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। পরীক্ষা কমাতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন করে বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর দেয়া হবে। ক্লাসে মৌলিক বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য গাইডলাইন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত সকল ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নির্দেশনাগুলো স্বাস্থ্যবিধি হিসেবে নির্বাচন করা হবে। গাইডলাইন তৈরি হওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।’

‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে নানাভাবে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করে তোলা হবে। এগুলো একটি বই আকারে তৈরি করে তা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে। সেখানে প্রতিষ্ঠান খোলার আগে কী করণীয় এবং পরে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা গেলে কী করণীয় সেসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে।’


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৩ আগস্ট:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবাহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে সরকার।

জাতীয় শোক ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রোববার (২৩ আগস্ট) সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত হন।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের পাশাপাশি জীবনও ঝুঁকিপূর্ণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই সরকার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ এখনও হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক,২০ আগষ্ট:

করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ এখনও হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উদ্ভুত পরিবেশ অনুকূলে এলেই সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা চিন্তা করবে জানান শিক্ষামন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এছাড়া পরীক্ষা নেয়ার মত অনুকুল পরিবেশ তৈরি হলে ১৫ দিন সময় দিয়ে স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, আপনারা জানেন দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি আপনারা সবাই অবহিত। প্রায় ১৪ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম, এখনো আছে। ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরও কয়েক লাখ লোকবল জড়িত। এত সংখ্যক মানুষকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না।

গত এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধের এই ঘোষণা আছে। এর মধ্যে দেশের সবকিছু প্রায় স্বাভাবিক হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে এবং পরীক্ষাগুলোর কী হবে, তা জানার প্রবল আগ্রহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ আগস্ট , ২০২০
দাখিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণ ও টাকা জমা দেয়া যাবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেয়া যাবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদরাসা প্রধানদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, দাখিল ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, নির্ধারিত সময়ের পরে অতিরিক্ত ৫০ টাকা বিলম্ব ফি দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

১২ বছর পূর্ণ না হলে বা ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ দাখিল ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। ফেল করা শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেনা।

শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মাদরাসাগুলোতে পাঠানোর উদ্দেশ্য নির্দেশনায় অনলাইনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে নমুনা ছকও প্রকাশ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আজ মাধ্যমিক ও কারিগরির ১৫ বিষয়ের ক্লাস

ডেস্ক,১৩ আগষ্ট:
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত পাঠদান কার্যক্রমে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মাধ্যমিকে ১২টি ও কারিগরির তিনটিসহ মোট ১৫টি বিষয়ের ক্লাস হবে।

ছুটির দিন বাদে অন্যান্য দিনে জাতীয় সংসদ টেলিভিশনে মাধ্যমিক ও কারিগরির বিভিন্ন স্তরে পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের সংশোধিত ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হয়। এতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ক্লাস সম্প্রচারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। আজ তিনটি ধাপে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ১২টি ক্লাস করানো হবে। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষকদের ক্লাস ভিডিও ধারণ করে সম্প্রচারিত হবে। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে কারিগরি শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়ে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

ক্লাস রুটিনে বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার আওতাধীন প্রতিষ্ঠান, সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও শ্রেণি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত করবেন। বিশেষ প্রয়োজনে ক্লাস রুটিন পরিবর্তন হতে পারে। আগামী সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে নতুন ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হবে।

প্রতিটি ক্লাস ২০ মিনিট করে প্রচার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে প্রতিদিনের শিক্ষার্থীদের জন্য হোমওয়ার্ক (বাসার কাজ) দেওয়া হবে। পরদিন তা টেলিভিশনের স্ক্রিনে সঠিক উত্তরগুলো দেখানো হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীদের এসব বাসার কাজের খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।

পাশাপাশি টেলিভিশনে প্রচার হওয়া ক্লাসগুলো কিশোর বাতায়নে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময় তা দেখতে পারবে। সেখানে নানা ধরনের কুইজের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে শিখতে পারবে বলে জানা গেছে।

মাধ্যমিকে টেলিভিশন ক্লাসে যা থাকছে
সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ক্লাস, বেলা ১১টা ২০ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও বিজ্ঞান ক্লাস, বেলা ১২টা থেকে ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ক্লাস, ১২টা ২০ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নবম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা ক্লাস, বেলা ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত প্রচার করা হবে দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্র, পদার্থবিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান বিষয়ের ক্লাস।

অন্যদিকে কারিগরি স্তরে নবম শ্রেণির ফার্ম মেশিনারি ক্লাস দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত, ২টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত দশম শ্রেণির পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং এবং দশম শ্রেণির বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স বিষয়ের ক্লাস ৩টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সম্প্রচার করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল সেপ্টেম্বরে খুললে পরীক্ষা, ডিসেম্বরে খুললে অটো পাস

কালের কন্ঠঃ
শিক্ষার ‘রিকভারি প্ল্যানে’ তিন বিকল্প রেখেই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাস নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা হয়েছে, যা আগামী সোমবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রিকভারি প্ল্যান নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহের প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ চলছে।

জানা গেছে, প্রাথমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে নেপ। আর মাধ্যমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বিইডিইউ)। উভয় সংস্থাই তাদের প্রস্তাবে বলেছে, সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি অক্টোবর-নভেম্বরে খোলে তবে নিজ নিজ স্কুলে ৫০ নম্বরের এমসিকিউয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি ডিসেম্বরে স্কুল খোলে তবে অটো পাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যেতে পারে। এই তিন প্রস্তাব ঠিক রেখেই কাজ করছে এনসিটিবি।

সূত্র জানায়, শিক্ষার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব না হলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) এ বছর না নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। অন্যান্য শ্রেণিতে অটো পাসের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

এনসিটিবির কর্মশালা সূত্রে জানা যায়, গতকাল এনসিটিবি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ছয়টি করে ১৮ বিষয়ের পাঠ্যসূচির ওপর কাজ করেছে। এগুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বিষয়গুলোর ওপর কাজ আজ শেষ করা হবে। আগামী ১৬ ও ১৭ আগস্ট এই তিন শ্রেণির ধর্ম ও নৈতিকতা বিষয়ের ওপর কাজ চলবে।

কর্মশালায় সর্বনিম্ন ৩০ দিন শ্রেণি কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলে পাঠ্য বইয়ের কতটুকু অংশ পড়ানো হবে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ ও ৭৩ কর্মদিবস সময় পেলে কতটুকু পড়ানো যাবে, তা-ও চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তবে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত করা হবে না। কারণ এ দুই শ্রেণিতে একই বই পড়ানো হয়। নবম শ্রেণিতে এ বছর যেটা পড়ানো সম্ভব হবে না, সেটা দশম শ্রেণিতে শেষ করা হবে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘কবে স্কুল খুললে কারিকুলাম কী হবে, তা আমরা কর্মশালার মাধ্যমে ঠিক করছি। আগামী সোমবার পর্যন্ত আমাদের সময় লাগতে পারে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’

যা বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী : এদিকে গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তার ওপর ভিত্তি করে তিনটি বিকল্প মাথায় রেখে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগামী সপ্তাহে পাঠানো হবে। আমাদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে। কিন্তু এই পরীক্ষাটা নিতে হলে আমাদের পাঠদানের যে সময় আছে, সেই সময়টা পাচ্ছি না।

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অক্টোবরে না খুললে নভেম্বরে খুলবে, নভেম্বরে না খুললে তখন বিকল্প ব্যবস্থা নেব।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি : গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং এইচএসসি পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯ মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা তাঁদের পর্যবেক্ষণসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব প্রদান করেছেন। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter