Home » ভর্তি ও পরীক্ষা

ভর্তি ও পরীক্ষা

করোনা-কালে ভর্তি পরীক্ষা: ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ জুনঃ

করোনা-কালে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘটনায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৯ জুন) বোর্ডের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি নেয়া হবে তা ঠিক করতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষাবোর্ডের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে শোকজের জবাব পর্যালোচনা এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

শোকজের জবাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের জবাব পেয়েছি। মঙ্গলবার তাদের জবাব পর্যালোচনা করে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

গত শনিবার (২৮ জুন) ভর্তি পরীক্ষা নেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ শাখা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরের দিন শিক্ষাবোর্ড স্কুল কর্তৃপক্ষকে এক দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। আজ সোমবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে শোকজের জবাব দেয় কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উচ্চ মাধ্যমিকে ক্লাসের সময় বাড়ছে ১৫ মিনিট, ভর্তি শুরু জুলাইয়ে

ডেস্ক,১৫ জুন ২০২০:

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশ হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এখনও উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়নি। কবে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে তাও অনিশ্চিত। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ক্লাসের সময়সূচি বৃদ্ধি ও বাড়তি ক্লাস করার মতো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, একাদশের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে গত ১৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। সেখানে গত ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার জন্য এক মাস ২০ দিনে তিন ধাপের কথা তাতে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি মন্ত্রণালয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। আর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্লাস শুরুর আশা করছেন তারা। তবে তা বিলম্ব হলে একাদশের ক্লাসের সময় এবং বন্ধের দিনগুলোয় বাড়তি ক্লাস করে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি। গত ৭ জুন থেকে ভর্তি আবেদন শুরুর প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

কলেজ পরিদর্শক বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও ক্লাস শুরু হতে বিলম্ব হলেও এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে আগে ক্লাসের সময় ৪৫ মিনিট থাকলেও এক ঘণ্টা করা হবে। আর সপ্তাহিক বন্ধ ও ছুটির দিনগুলোয় অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে একাদশ ও দ্বাদশের সিলেবাস শেষ করা হবে। ফলে সেশনজট হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল প্রকাশ করা হয়, পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়ায় ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে।

জানা গেছে, দেশে সরকারি-বেসরকারি প্রায় সাড়ে আট হাজার কলেজে আসন রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে ভালো হিসেবে বিবেচিত ২০০ কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস খোলার আদেশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ জুন, ২০২০
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সীমিত আকারে খুলেছে সরকারি অফিসগুলো । এ পরিস্থিতিতে ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মত প্রশাসনিক কাজে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস সীমিত আকারে খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অসুস্থ ও গর্ভবতী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশ বলা হয়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধুমাত্র প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যেমন ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তান সম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদেরক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

আদেশে আরও বলা হয়, পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সব অবস্থায় মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারনি। গতবছর শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১০৭টি। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্য ৪৮টি মাদরাসা রয়েছে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১১টায় ফেসবুক লাইভে এসে ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। গতবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পরীক্ষার্থী ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন।

জানা গেছে, ৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া এখনই নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
প্রতিবছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফল প্রকাশের এক সপ্তাহ পরে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভর্তি সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে না। সামাজিক দূরত্ব কার্যকরের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র শনিবার রাতে জানায়, আন্ত:শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রস্তাব এসেছে ৬ জুন অনলাইনে আবেদন শুরু করার কিন্তু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিষয়ে মন্ত্রণালয় এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাছাড়া ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা আছে। এর আগেই আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাব।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, প্রতি বছর দেখা যায় ভর্তির ফল প্রকাশের পর বোর্ডে দৈনিক ৪-৫ হাজার শিক্ষার্থীর আসা-যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। পরিস্থিতির দিকে আমরা নজর রাখছি।

ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত যে ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৭২৬ জন নিবন্ধন করেছে। এসব শিক্ষার্থীর ফল সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান সিস্টেম অ্যানালিস্ট প্রকৌশলী মনজুরুল কবীর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরুর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ মে, ২০২০

ঈদের আগে অথবা ঠিক পরপরই প্রকাশিত হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। সে লক্ষ্যে সাধারণ ছুটির মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ফলাফল প্রকাশের পর জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অনলাইনে একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

শিক্ষাবোর্ড সূত্রগুলো জানায়, চলতি মাসেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আর এসএসসির ফল প্রকাশের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে অনলাইনে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। সেটা ৬ তারিখ হতে পারে বা দুচারদিন পেছাতেও পারে।’ অন্যান্য বছরের মতো এবার ফল প্রকাশে তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকবে না। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফল জানার সুযোগ থাকবে না। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করে তা-ও করা হবে না। শিক্ষার্থীদের ফল জানতে হবে মূলত এসএমএস এবং শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। ফল প্রকাশের আগেই শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করারও সুযোগ থাকবে। এই রেজিস্ট্রেশন যারা করে রাখবে, তাদের মোবাইলে ফল প্রকাশের পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল পৌঁছে যাবে।

সূত্র আরও জানায়, যদি ৬ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় তাহলে শেষ ধাপে ২৪ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। ১৬ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এতে প্রথম ধাপের ভর্তি আবেদন আগামী ৬ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত গ্রহণ করা হতে পার।

২৩ থেকে ২৭ জুন যাচাই-বাছাই, আপত্তি ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম চলতে পারে। ৫ জুলাই প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে পুনঃনিরীক্ষায় এসএসসি পরীক্ষার ফল পরিবর্তনকারীদের প্রথম ধাপে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হতে পারে।

দ্বিতীয় ধাপের আবেদন ১৪ জুলাই শুরু হয়ে চলতে পারে ১৭ জুলাই পর্যন্ত। একই দিন রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তৃতীয় ধাপের আবেদন ২২ জুলাই শুরু হয়ে চলতে পারে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। ২৪ জুলাই রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন আর রশিদ মঙ্গলবার বলেন, ‘যদি চলতি মাসে ফল প্রকাশ করতে পারি তাহলে ৬ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে একদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হবে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকছে না আর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ফেব্রুয়ারীঃ
আসন্ন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির ২৬২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যরা বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন কলেজের প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া আর থাকছেন না। এখন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
জানা যায়, গত ৫ বছর যাবৎ এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ প্রক্রিয়া চালু হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর আগে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর ব্যবস্থা ছিল। তবে এখন থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে আবার পরীক্ষায় বসতে হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় ১০ বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের সুযোগ

ডেস্ক,২৭ জানুয়ারী:
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও একাধিক বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন। মোট ১০০ নম্বরের এমসিকিউ (মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন) ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন হবে। ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করতে এমন প্রস্তাবনা প্রণয়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সম্প্রতি ইউজিসিতে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রণীত এ প্রস্তাবনায় দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা সম্মতি দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে বিষয়টি চূড়ান্ত করতে বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে আবারও ইউজিসিতে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

Read More »

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কুবিতে ভর্তি পরীক্ষা না দিয়েও মেধা তালিকায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ নভেম্বর:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার পরও এক আবেদনকারী ১২তম হয়েছেন।

ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. সাজ্জাতুল ইসলাম। বাবার নাম মো. রেজাউল করিম। ভর্তি পরীক্ষায় রোল নম্বর ২০৬০৫০।

গত ৮ নভেম্বর বি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং সাজ্জাতুলের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল কুমিল্লার টিচার্স ট্রেনিং কলেজ।

‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. শামীমুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রে কোনো শিক্ষার্থী ভুলবশত অথবা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর রোল লিখেছে। অবশ্য কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের অবহেলার কারণেও এটা ঘটতে পারে। এ বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর ভাইবায় ওই শিক্ষার্থীকে আটক করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সে ভাইবা দিতেও আসেনি। এখানে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কোনো দায় থাকতে পারে না। আমরা নিরাপত্তার স্বার্থেই বিষয়টি কমিটির সদস্যদের মধ্যে গোপন রেখেছি।’

ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯-২০ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের জানান, বরাবরের মতো ভর্তি পরীক্ষায় আমরা সর্বাধিক স্বচ্ছতা রাখার চেষ্টা করেছি। এ বিষয়টি ভুলবশত হয়ে থাকতে পারে। কারণ যেহেতু সে পরীক্ষা দেয়নি সেহেতু তার ‘ওএমআর’ শিট ছাড়া ফলাফল আসার কথা না। তবে ফলাফল প্রস্তুতের ব্যাপারটি ইউনিট ভিত্তিক দায়িত্বশীলদের কাজ। তাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলবো।

তবে এ বিষয়ে সাজ্জাতুল ইসলামের কোন মন্তব্যে পাওয়া যায়নি।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক আবেদন ১ লাখ ৩৭ হাজার

রাবি প্রতিনিধি | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক আবেদন করেছে ১ লাখ ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী। সোমবার রাতে (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে প্রাথমিক আবেদনের পর এবার চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর)। এদিন দুপুর ১২টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০-২২ অক্টোবর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রাথমিক আবেদন করেছেন ‘এ’ ইউনিটে ৫৪ হাজার ৭৬ জন, ‘বি’ ইউনিটে ২৭ হাজার সাতশ ৯৪ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৫৬ হাজার ৩৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৩২ হাজার করে সর্বোচ্চ ৯৬ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতি ইউনিটের জন্য ফি দিতে হবে ১৩২০ টাকা। উল্লেখ্য, ভর্তির আবেদনসহ ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে (http://admission.ru.ac.bd) তে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

ঢাবি প্রতিনিধ,১৩ সেপ্টেম্বর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ কার্যক্রম। পরীক্ষা চলবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পাসের মোট ৫৬টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এ বছর ‘গ’ ইউনিটে এক হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ২৯ হাজার ৫৮ জন ভর্তীচ্ছু আবেদন করেছেন। আর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান অংশের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদসহ ক্যাম্পাসের ১৯টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিটে ১৩৫টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার একজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।


এ বছরই প্রথম ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীদের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও দিতে হচ্ছে। মোট ১২০ নম্বরের মধ্যে এমসিকিউয়ের জন্য ৭৫ নম্বর, আর লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ নম্বর। ৯০ মিনিটের পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪০ মিনিট। তবে চ-ইউনিটে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য এক ঘণ্টা এবং ৭০ নম্বরের অংকন পরীক্ষায় ৯০ মিনিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীকে নৈর্ব্যক্তিক অংশে ৩০ এবং লিখিত অংশে ১২ নম্বরসহ মোট ৪৮ নম্বর পেতে হবে। বিষয়ভিত্তিকভাবেও পরীক্ষার্থীদের পাস করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষার সিট-প্ল্যান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে আগামী ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ওইদিন ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। পরীক্ষা এক সপ্তাহ পিছিয়ে সম্ভাব্য ১১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র হলরুম বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার হলরুম প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি সাপেক্ষে দিনক্ষণ পরিবর্তন হতে পারে।



বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ৪ অক্টোবরের আগে-পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা পালিত হবে। এ কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ওইদিনের অনুষ্ঠিতব্য এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়।

ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আজ (বৃহস্পতিবার) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ৪ অক্টোবরের পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কোনো ধরনের জটিলতা না থাকলে ১১ অক্টোবর পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

পূর্বঘোষিত ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষা সামনে রেখে গত ২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনপত্র গ্রহণ শুরু হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আবেদনপত্র গ্রহণ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) পর্যন্ত ৬৮ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদনকারীর সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সরকারি ৩৬টি মেডিকেল কলেজে মোট আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৬৮টি। তার মধ্যে ৩ হাজার ৯৬৬টি সাধারণ, ৮২টি মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ২০টি উপজাতি কোটা রয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি ৬৯টি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা ৬ হাজার ২৩১টি। সার্ক ও নন-সার্কভুক্ত দেশসমূহের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১ হাজার ৭৮৩টি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজকের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বড় ধরনের কোনো জটিলতা না থাকলে পরিবর্তিত দিনক্ষণ অর্থাৎ ১১ অক্টোবর রাজধানীসহ সারাদেশের মোট ১৯টি কেন্দ্রে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নবিদ্যা ২৫, জীববিজ্ঞান ৩০, ইংরেজি ১৫ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান ১০ নম্বর থাকবে।

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ রাতে বলেন, ৪ অক্টোবর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ১১ অক্টোবর পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে পরীক্ষার হল সমস্যা না হলে ওইদিনই (১১ অক্টোবর) পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষনা

ডেস্ক,২২ আগষ্ট:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০১৯-২০২০ শিক্ষা বর্ষের ১ম বর্ষ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ১৮ অক্টোবর।



সকাল সাড়ে ৯টা থেকে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে ২৫ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ বিবেচনা করে নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯ আগস্ট , ২০১৯:
সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হবে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে ভর্তিচ্ছুরা। আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার টাকা। এরমধ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ক ভর্তি কমিটি সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিটি দৈনিক শিক্ষাবার্তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
এমবিবিএস কোর্সে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর। সোমবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।



এতে আরও বলা হয়েছে, ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
অনলাইনে আবেদনের লক্ষ্যে www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে নির্দেশাবলি ভালোভাবে পড়ে সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের পরামর্শ দিয়ে এতে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা ফি এক হাজার টাকা শুধু প্রিপেইড টেলিটকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের জন্য ভর্তির আবেদনের এ আহ্বান প্রযোজ্য হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৬ বা ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ইংরেজি ২০১৮ বা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন বাংলাদেশের নাগরিকরা ভর্তির আবেদন করার যোগ্য হবেন। এ ছাড়া ইংরেজি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সব দেশি ও বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter