বিশেষ সংবাদ

অবসরের ঘোষণায় যা বললেন মাশরাফি

বয়স চলছে ৩৩। অবসর নিয়ে ছিলো কানাঘোষাও। সেটা আর দীর্ঘ হতে দিলেন না মাশরাফি বিন মুর্তজা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের টস করতে গিয়ে মাশরাফি জানিয়ে দিলেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষের সিরিজটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

টসের পর ম্যাচ ছাড়াও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ব্যাপারে মাশরাফিকে প্রশ্ন করেন ধারাভাষ্যকার ডিন জোন্স। এসময় মাশরাফি বলেন, ‘হ্যাঁ, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটাই আমার শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ। আমার পরিবার, বন্ধু, সতীর্থ, বিসিবি এবং ভক্তদের আমি ধন্যবাদ জানাই এভাবে এতদিন আমাকে সমর্থন দিয়ে আসার জন্য।’

এরআগেই অবশ্য টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে দেন মাশরাফি। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অবসর নিয়ে আবেগাপ্লুত এক স্ট্যাটাস দেন মাশরাফি। স্ট্যাটাসটি দেয়া হয়েছে টসের ১৩ মিনিট (৬টা ৪৭ মিনিটে) আগে।

মাশরাফির ফেসবুক স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট।

ওই স্ট্যাটাসে মাশরাফি যা লিখেছেন ঠিক সেটাই তুলে ধরা হলো-

‘বাংলাদেশ টিম কে টি-টোয়েন্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য অনেক গর্বের। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান দলটি একটি ভাল দল এবং দলে কিছু উদীয়মান খেলোয়াড় আছে। আমার উপর আস্থা রাখার জন্য এবং আমাকে এত চমৎকার দলের নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ। আমি আমার সকল ভক্ত, পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ আমাকে সবসময় সমর্থন করার জন্য। এই সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান এবং পতন ছিল। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি আমার ফ্যানদের কে খুশি করার। আমি আমার প্রত্যেক ফ্যান এর কাছে তাদের কে প্রতি ম্যাচে খুশি করতে না পারার জন্য ক্ষমা চাইছি। এই মুহূর্তে দল হিসেবে আমরা ভাল খেলছি। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ সামনের দিনগুলো তেও ভাল ক্রিকেট খেলবে। আমি মনে করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নেয়ার জন্য এটাই আমার উপযুক্ত সময় যাতে অনেক তরুণ উদীয়মান ক্রিকেটার তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে এবং বিসিবি তাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে। আমি বাংলাদেশ এর টি-টোয়েন্টি টিম এর নতুন অধিনায়ক কে আগাম অভিনন্দন জানাই এবং আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা সময় সামনে আসবে। শীঘ্রই আবার দেখা হবে। সকলের জন্য আমার আন্তরিক ভালবাসা।’

এই স্ট্যাটাস দিয়েই টস করতে নামেন বাংলাদেশের হয়ে ৩৬ টেস্ট, ১৭২ ওয়ানডে ও ৫২ টি-টোয়েন্টি খেলা মাশরাফি। ২০০৬ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টি-টোয়েন্টিতে ম্যান অব দা ম্যাচ হয়েছিলেন মাশরাফি। সেই থেকে এই ম্যাচ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৬৬ টি-টোয়েন্টির ৫৩টিতেই খেলেছেন মাশরাফি। নিয়েছেন দেশের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ উইকেট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয় : হাইকোর্ট

আদালতের আদেশ সত্ত্বেও সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নতুন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ না করায় চার সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদক: যাদের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়েছে তারা হলেন- পরিবেশ ও বন সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিব, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ সচিব, নৌ-পরিবহন সচিব, পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদফতরের মহাব্যবস্থাপক (এমডি), কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও জেলা পরিষদ সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক এবং সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন।

মঙ্গলবার এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী এবং আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবির শুনানিতে অংশ নেন।

আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবির জানান, সেন্টমার্টিন একটি পর্যটন এলাকা। সেখানে ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে ২০১১ সালে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে সেন্টমার্টিন এলাকায় বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ও শামুক রাক্ষায় নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু ওই রায় বাস্তবায়ন না করায় গত ২ ফেব্রুয়ারি চার সচিবসহ ১১ জনকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশের জবাব না পেয়ে ওই ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমনার আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি করে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হয় বলে জানান বেলার এ আইনজীবী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঐতিহাসিক জয়কে সমর্থকদের জন্য উৎসর্গ করলেন মুশফিক

টেস্টের শততম মাচে এসে শ্রীলংকার বিপক্ষে পাওয়া ঐতিহাসিক জয়কে সমর্থকদের জন্য উৎসর্গ করেছেন টাইগারদের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

রোববার কলম্বোর পি সারা ওভাল স্টেডিয়ামে লংকানদের ৪ উইকেটের ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ। এটা শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে টাইগারদের এটিই প্রথম জয়।

ম্যাচ জয়ের পর মুশফিক বলেন, এই জয় আমি বাংলাদেশের ক্রিকেটার সমর্থকদের জন্য উৎসর্গ করলাম।

এছাড়াও জয়ের অবদানের কথা উল্লেখ করে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নৈপুণ্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন মুশফিক।

মুশফিক বলেন, এই উইকেটেও সাকিব এবং মোস্তাফিজ যেভাবে বল করেছে এক কথায় চমৎকার। বোলিংয়েও তারা ভালো একটা জুটি গড়েছে। এটা আমি বেশ উপভোগ করেছি।

মুশফিক বলেন, অবশ্যই আমরা চাপে ছিলাম। তবে এখন এই জয়টাকে খুবই উপভোগ করছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওজনে কম দিলে ২ বছরের কারাদণ্ড

‘স্ট্যান্ডার্ডস ওজন ও পরিমাপ আইন ২০১৭’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ আইনে ওজনে কম এবং মানহীন পণ্য বিক্রি বা রফতানি করলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিসভা নিয়মিত বৈঠক অনুষ্টিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ আইনের ৩২ ধারায় মানদণ্ডহীন বাটখারা ও পরিমাপ ব্যবহারের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আইনে ছয়মাসের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ধারা ৩৩ এ বলা হয়েছে, ‘ননস্ট্যান্ডার্ড (মানহীন) কোনো পরিপাক বা বাটখারা যদি কেউ বানায় তাহলে তার শাস্তি হল এক বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা।’

তিনি বলেন, ‘রপ্তানির জন্য তৈরি বা উৎপাদিত পণ্যের ওজনে কম দিলেও শাস্তি ভোগ করতে হবে। এক্ষেত্রে অপরাধী ব্যক্তিকে অনূর্ধ্ব এক বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড দেয়া হবে।’

এছাড়া বৈঠকে ‘বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন-২০১৭’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন এবং ‘বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন আইন-২০১৭’ এর খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি আরও জানান, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজারুল কায়েস এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ভাই ও প্রকৌশলী বিশেষজ্ঞ আরিফুল হকের মৃত্যুতে দুটি পৃথক শোক প্রস্তাব পাস করা হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্তরাও উচ্চতর গ্রেড পাবেন

সরকারি চাকরিজীবীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সংক্ষুব্ধ চাকরিজীবীদের এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও কাজী ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত মাসে এ রায় দিয়েছেন। আদালত বলেছেন, উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ করে দেওয়া ব্যাখ্যা মূল পে স্কেলের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ফলে এ সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, সরকার হাইকোর্টের রায় কার্যকর করলে যারা এরই মধ্যে একাধিক টাইম স্কেল কিংবা সিলেকশন গ্রেড পেয়েছেন চাকরিতে বয়সের শর্তসাপেক্ষে তারাও উচ্চতর গ্রেডে যেতে পারবেন। অর্থাৎ পদোন্নতিবঞ্চিত সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা আরও বাড়বে। সূত্র জানায়, গত ৪ জানুয়ারি দেওয়া এ রায়ের কপি অর্থ মন্ত্রণালয় এখনও পায়নি। পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি হাতে আসার পর পর্যালোচনা করে আপিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

যোগাযোগ করা হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ  বলেন, কাগজপত্র দেখার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার ইব্রাহিম খলিল  বলেন, উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার ক্ষেত্রে মূল পে স্কেলের দেওয়া সুবিধা অর্থ মন্ত্রণালয় পরিপত্রের মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় স্পষ্টীকরণ করেছে তা আইন অনুযায়ী হয়নি। পে অর্ডার ২০১৫ আইনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশ দিয়ে মূল আইন পরিবর্তন করা যায় না। ফলে পরিপত্রটি পে স্কেলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার ইব্রাহিম আলম ভূঁইয়া রিট আবেদনকারীর একজন।  তিনি বলেন, একই পদে দীর্ঘ সময় ধরে কর্মরত থেকে একটি টাইম স্কেল পেয়েছি। হাইকোর্টের রায় কার্যকর হলে নতুন স্কেল অনুযায়ী উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ পাব। ইব্রাহিম আলম দাবি করেন, অর্থ মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই আদেশের ফলে প্রায় ৩ লাখ সরকারি চাকরিজীবী বাড়তি আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

পরিপত্রে যা বলা হয়েছে: গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর এক পরিপত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, একই পদে কর্মরত কোনো সরকারি কর্মচারী দুই বা তার চেয়ে বেশি টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন পে স্কেল অনুযায়ী তিনি উচ্চতর গ্রেড পাবেন না। তবে এরই মধ্যে একটিমাত্র টাইম স্কেল অথবা সিলেকশন গ্রেড পেলে নতুন স্কেলে শুধু একটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের প্রদত্ত এসব আর্থিক সুবিধা কোনোক্রমেই ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরের আগে দেওয়া হবে না। পরিপত্রের এ আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন সংক্ষুব্ধ সরকারি চাকরিজীবীরা।

জানা গেছে, পরিপত্রটি জারি হওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের দাবি ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এটি জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে পদোন্নতিবঞ্চিতদের আর্থিক সুবিধা কমানো হয়েছে। এক পর্যায়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন সংগঠন উলি্লখিত পরিপত্রের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট করেন। এর মধ্যে হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসারদের দায়ের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে ৪ জানুয়ারি একটি বেঞ্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন। এ ছাড়া পৃথকভাবে রিট আবেদন করেন সরকারি কর্মচারী পরিষদ, প্রাথমিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অ্যাসোসিয়েশন অডিটর ও কৃষি ডিপ্লোমা সমিতি, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ আরও অনেকে। বর্তমানে এসব রিট বিচারাধীন রয়েছে।

মূল পে স্কেলে যা বলা আছে: সরকারি চাকরিতে নিচের স্তরের কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ সীমিত। এসব পদোন্নতিবঞ্চিতদের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বহুল আলোচিত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের পুুরনো প্রথা বাতিল করে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড প্রথা প্রবর্তন করে। নতুন স্কেল অনুযায়ী কোনো কর্মচারী একই পদে ১০ বছর চাকরি করার পর পদোন্নতি না পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুটি উচ্চতর গ্রেড পাবেন। এর মধ্যে একটি পাবেন চাকরির ১০ বছর পর ১১তম বছরে। অপরটি ১৬ বছর পর ১৭তম বছরে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মূল পে স্কেলে এ বিধান করা হলেও এ সুবিধা কীভাবে দেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা ছিল না। এ প্রেক্ষাপটে মূল পে স্কেলে দেওয়া উলি্লখিত নিয়ম কার্যকর করতে স্পষ্টীকরণের ব্যাখ্যা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। মূল পে স্কেল কার্যকর হওয়ার তিন মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে এটি জারি করা হয়।

যোগাযোগ করা হলে সম্মিলিত সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি শফিউল আলম  বলেন, তারা ২০১৫ সালের কার্যকর হওয়া মূল পে স্কেলের দেওয়া আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়ন চান। প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সেলিম উদ্দিন  বলেন, নতুন পে স্কেলে পদোন্নতিবঞ্চিতদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু পরে অর্থ মন্ত্রণালয় পরিপত্রের মাধ্যমে সেই সুবিধা কেড়ে নেয়। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পদোন্নতির জন্য ঘুষ তহবিলের শেষ দেখেনি পুলিশ

পদোন্নতি পেতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য বরিশালে বড় অংকের ঘুষের তহবিল করার ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করেনি পুলিশ। এই ঘটনায় বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক উপকমিশনার জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে পুলিশ সদর দপ্তরের কাকে বা কোন কর্মকর্তাদের এই ঘুষ দেয়া হতো, তা খুঁজে বের করতে চায়নি পুলিশ সদর দপ্তর।

৭৭ লাখ টাকা ঘুষের তহবিল করার ঘটনায় দুর্নীতি মামলাও হয়নি অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ নিয়ে পছন্দসই এলাকায় বদলির ব্যবস্থা করিয়ে দেয়া পুলিশের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ইচ্ছে করেই বাঁচিয়ে  দেয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের জুনে বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন পদে কর্মকত পুলিশ কর্মকর্তাদের পদোন্নতির জন্য ঘুষ দিতে ৭৭ লাখ টাকার তহবিল গঠন নিয়ে তোলপাড় হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার পর ১ জুলাই মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) জিল্লুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তারও আগের দিন ১০ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদরদপ্তর। তারা হলেন: সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিসুজ্জামান, মনির হোসেন ও হানিফ, নায়েক কবির হোসেন, কনস্টেবল তাপস কুমার, তিন গাড়ি চালক শহীদুল ইসলাম, বাবলু জোমাদ্দার ও দোলন বড়াল, এবং রেশন স্টোরকিপার আব্বাস উদ্দিন ও আরিফুর রহমান।

এই ঘটনায় জিল্লুর রহমানের বিভাগীয় শাস্তি হয়েছিল। তিনি বর্তমানে সিলেট উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) রেঞ্জের কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার শাস্তি হয় দুটি। তার চার বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি আটকে দেয়া হয়, আর এখনও তিনি কোনো দায়িত্ব পাননি। শুধু অফিসে যান এবং বেতন তুলে নেন।

ওই ঘুষের তহবিল গড়ার ঘটনায় আরো ১০ জন পুলিশ সদস্যকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরে তারাও বিভাগীয় শাস্তি পান। কিন্তু তারা এখন কোথায় আছে তাদের কী শাস্তি হয়েছে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ সদর দপ্তর।

২০১৪ সালে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পদোন্নতি হচ্ছিল না বরিশাল মহানগরে কর্মরত ২৩০ পুলিশ সদস্যের পদোন্নতি। তাদের পদোন্নতি পাইয়ে দেবেন এমন কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে এই অংক দাঁড়ায় ৭৭ লাখ টাকা।

বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পরে বরিশালের পুলিশ কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

ঘুষের সেই টাকা রাখার জন্য ডাচ বাংলা ব্যাংকের বরিশাল শাখায় যৌথ হিসাব খুলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিসুজ্জামান, নায়েক কবির হোসেন ও চালক বাবলু জোমাদ্দার। ৭৭ লাখ টাকার মধ্যে ১৭ লাখ টাকা ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়েছিল। বাকি ৬০ লাখ টাকা ছিল সে সময়ের বিএমপি উপ-কমিশনার জিল্লুর রহমানের কাছে।

জানতে চাইলে সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ মহাপরির্দশক নজরুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘জিল্লুর রহমান এখনও আমাদের সিলেটের ডিআইজি অফিসে অ্যাটাচে আছেন। তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তরই ভালো বলতে পারবেন।’

কার কাছে যেত এই টাকা?

পুুলিশে পদোন্নতি বা সুবিধাজনক স্থানে পোস্টিং পেতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পুরনো। বরিশালের ঘুষ তহবিল গঠনের পর বিষয়টি একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। ঘুষের এই টাকা পুলিশ সদরদপ্তরের কোথায় যেত তা তদন্ত করে বের করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি ওঠে।

কিন্তু বরিশালে পুলিশের পদোন্নতির জন্য গড়া তহবিল সদরদপ্তরে কে বা কাদের কাছে আসত, সেই বিষয়ে কোনো তদন্ত করা হয়েছে কি না-এ বিষয়ে কর্মকর্তারা কিছুই বলছেন না। তবে এই ঘটনায় সদরদপ্তরের যে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, সেটা নিশ্চিত করেছেন তারা।

জানতে চাইলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক নূর খান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘পদোন্নতির জন্য ঘুষের তহবিল করার ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা তো কোনো শাস্তি হলো না। এসব ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচালিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে কার জন্য ঘুষের তহবিল করা হয়েছিল, সেটা তো খুঁজে বের করা জরুরি ছিল। পুলিশ সেটা না করলে এই তদন্ত পূর্ণাঙ্গ বলা যাবে না কোনোমতেই।’

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুনীতি দমন কমিশনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচায্য ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেছিল কি না তা আমার জানা নেই। এটা প্রায় তিন বছর আগের কথা।’

কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এই শাস্তি যথেষ্ট নয়। এ ঘটনার ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত ছিল। তবে তখন কেউ অভিযোগ করেছিল কি না তা আমার জানা নেই। তখন অনেক গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।’ প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা যায় কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই যায়। তবে বিষয়টি দুদকের নলেজে আছে কি না তা আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে জানতে বরিশালে ঘুষের তহবিল গড়া পুলিশ কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকার যোগাযোগ করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

সরকারি যেকোনো চাকরিজীবী এখন থেকে চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে অথবা অক্ষম হয়ে অবসর গ্রহণ করলে তার কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণের আসল ও সুদ বা দণ্ড সুদসহ অর্থ মওকুফ করা হবে।

সরকার এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এই নীতিমালার আলোকে আসল ও সুদ মওকুফের বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য অর্থ বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে ৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট-১), অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও সমন্বয়), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের একজন প্রতিনিধি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, যুগ্ম সচিব (বাজেট-১), সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের একজন প্রতিনিধি।

অর্থ বিভাগের একজন উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব এই কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। এই কমিটি আসল, সুদ বা দণ্ড সুদ মওকুফের সুপারিশ করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর গ্র্যাচুইটি, বেতনের পেনশনযোগ্য অংশ (শেষ বেতনের ৫০ ভাগ) ইত্যাদি বিবেচনা করা হবে।

এই নীতিমালায় অক্ষম বলতে সম্পূর্ণ মানসিক প্রতিবন্ধী বা পঙ্গু হয়ে অবসর গ্রহণ করাকে বোঝাবে।

নীতিমালাসংক্রান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নীতিমালা সরকারি কর্মকর্তাদের গৃহনির্মাণ, গৃহ মেরামত, মোটরকার ও মোটরসাইকেল এবং কম্পিউটার ঋণের বেলায় প্রযোজ্য হবে। এসব ক্ষেত্রে নেওয়া ঋণের অপরিশোধিত আসল ও সুদ বা দণ্ড সুদ মওকুফ করা হবে।

এর আগে এ ধরনের ঋণের অর্থ চাকরিজীবীদের পাওনা থেকে অথবা উত্তরাধিকারীদের কাছ থেকে আদায় করা হতো। তবে প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম ও গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালায় নেওয়া ঋণ এ নীতিমালার আওতায় বিবেচিত হবে না।

এদিকে গৃহঋণ সীমা বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে ৫ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ইতিমধ্যে এসব সুবিধা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ফ্ল্যাট নির্মাণের ক্ষেত্রে দেওয়া হবে বিশেষ রেয়াত সুবিধা। এ ছাড়া নতুন এ বেতন স্কেলে একজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ৬০ থেকে ৮০ মাসের বেতনের সমান গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন। সেই হিসাবে বিভিন্ন গ্রেড অনুযায়ী ঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত হবে।

এতে দেখা যায়, সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-২০) একজন কর্মচারী সর্বোচ্চ ১২ লাখ টাকা এবং গ্রেড-১-এর একজন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া ২০ জনের একটি গ্রুপ করে জমি কেনার জন্যও ঋণ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘গৃহনির্মাণ ঋণ যাতে অন্য খাতে ব্যবহার না হয় সে জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এই নীতিমালা প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। এ ব্যাপারে সম্প্রতি একটি প্রস্তাব গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গৃহনির্মাণ ঋণের ব্যাখ্যায় পে-স্কেলে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ লাখ হলেও এর মধ্যে আবাসন সুবিধা পাচ্ছে মাত্র ১০ থেকে ১২ ভাগ। এ ছাড়া স্থানভেদে বাসা ভাড়ার হারের তারতম্য রয়েছে, যে কারণে চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশকে সরকারি আবাসিক সুবিধা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এ ছাড়া দেখা গেছে সর্বোচ্চ শ্রেণি থেকে সর্বনিম্ন শ্রেণি পর্যন্ত সব স্তরের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা খুব কম দেওয়া হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করে স্বল্প সুদে গৃহনির্মাণ ঋণ চালু ও ফ্ল্যাট নির্মাণে বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ সভায় নতুন বেতন স্কেল অনুমোদন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে কাজ শুরু  করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা এ সুযোগের আওতায় থাকছেন না বলে জানা গেছে। গৃহঋণসংক্রান্ত এক বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে বলা হয়, এমপিওভুক্তদের এ সুবিধায় আনা হলে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষণ বেড়ে যাবে।

বৈঠকে বলা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রস্তাবিত গৃহঋণ সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শুধু বর্তমানে গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধার আওতায় যেসব সরকারি চাকরিজীবীর ঋণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, কেবল তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে ঋণ মওকুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকুরেদের জন্য আরও একটি সুযোগ সৃষ্টি করল সরকার। এখন থেকে চাকরিরত অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মারা গেলে অথবা অক্ষম হয়ে অবসর গ্রহণ করলে তার কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ আসল ও সুদ বা দণ্ডসুদসহ মওকুফ করা হবে। সম্প্রতি সরকারের এ সিদ্ধান্ত নীতিমালা আকারে জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নীতিমালা সরকারি কর্মকর্তাদের গৃহ নির্মাণ, গৃহ মেরামত, মোটরকার ও মোটরসাইকেল এবং কম্পিউটার ঋণের বেলায় প্রযোজ্য হবে। এসব বাবদ নেওয়া ঋণের অপরিশোধিত আসল ও সুদ বা দণ্ডসুদ মওকুফ করা হবে। এর আগে এ ধরনের ঋণের অর্থ কর্মকর্তার পাওনা থেকে অথবা উত্তরাধিকারীদের থেকে আদায় করা হতো। তবে প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম ও গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালায় নেওয়া ঋণ এ নীতিমালার আওতায় বিবেচিত হবে না।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীদের জন্য এসব খাতে একেক ধরনের ঋণ সুবিধা রয়েছে। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পর বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীরা গৃহ নির্মাণ বাবদ ৫৫ লাখ থেকে ৮৫ লাখ টাকা ঋণ পেয়ে থাকেন। মোটরকার বাবদ ৪৫ থেকে ৬০ লাখ এবং মোটরসাইকেল বাবদ দেড় লাখ থেকে ৩ লাখ এবং কম্পিউটার কেনা বাবদ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা ঋণ পেয়ে থাকেন।

এই নীতিমালায় অক্ষম বলতে সম্পূর্ণ মানসিক প্রতিবন্ধী বা পঙ্গু হয়ে অবসর গ্রহণ করাকে বোঝাবে। ঋণের আসল ও সুদ মওকুফের সুপারিশ করার জন্য অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (প্রশাসন ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ) সভাপতি করে আট সদস্যের একটি কমিটিও করা হয়েছে।

এই কমিটি আসল, সুদ বা দণ্ডসুদ মওকুফের সুপারিশ করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর গ্র্যাচুইটি, বেতনের পেনশনযোগ্য অংশ (শেষ বেতনের ৫০ ভাগ) ইত্যাদি বিবেচনা করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধার সম্পাদক স্বরুপ দাস  জানান, সরকারের এ সিদ্ধান্তে সব সরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা উপকৃত হবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন প্রতিবেদক: দশ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট ও একই মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহরও উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সচিবালয়ে সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৬ জানুয়ারি উদযাপিত আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট, ১০ টাকা মূল্যের একটি উদ্বোধনী খাম (ফার্স্ট ডে কাভার) এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘সংখ্যালঘুরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চায়’

খুলনা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, দেশের আড়াই কোটি সংখ্যালঘু মানুষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চায়। জাতীয় সংসদের ৬০টি আসন সংখ্যালঘুদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নগর ও জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ৭২ জন জনপ্রতিনিধি ছিলেন। এখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংসদ সদস্য ১৭ জন। আযম খানের আমলে চারজন মন্ত্রী ছিলেন। এখন মন্ত্রী দুইজন। সংখ্যালঘুদের স্বার্থ নিশ্চিত করতে ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০১-২০০৬ সালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের শাহাবুদ্দিন কমিশনের সুপারিশ আওয়ামী লীগ সরকার বাস্তবায়ন করতে পারছে না। রামু, নাসিরনগর ও নারায়ণগঞ্জে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি সংখ্যালঘুদের বাড়ি দখল ও নির্যাতনকারীদের মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলা সোয়া ১২টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ঐক্য পরিষদের খুলনা মহানগর সভাপতি বীরেন্দ্রনাথ ঘোষ। স্বাগত বক্তৃতা করেন পরিষদের জেলা সভাপতি বিমান বিহারী রায় অমিত।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমল সেন ও সুজিত সাহা, সহসভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক তাপস পাল, নির্মল চ্যাটার্জী, নির্মল রোজারিও, ঐক্য পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন ব্যানার্জী, খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হেমন্ত কোরাইয়া প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢামেক হাসপাতালে আবেদন ছাড়াই ৩৮ কর্মচারী নিয়োগ

ডেস্ক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবেদন ছাড়াই ৩৮ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও সুইপার নিয়োগের ঘটনা ফাঁস হয়েছে। এসব নিয়োগে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ-বাণিজ্যেরও অভিযোগ উঠেছে। আবেদনহীন নিয়োগ জালিয়াতিতে হাসপাতালের একজন সাবেক ওয়ার্ড মাস্টার জড়িত বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৭১টি তৃতীয় ও চর্থ শ্রেণির শূন্য পদ পূরণের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাপকম/প্রশা-১/এডি/পদ পূরণে-০১/২০০৯/১৪৭২ স্মারক মতে বিগত ২০০৯ সালের ১৪ অক্টোবর ছাড়পত্র মোতাবেক বিভিন্ন পদে ৩৫৪ জন নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ এবং অনিয়ম হওয়ায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাপকম/প্রশা-১/এডি/পদ/(কমিটি) ০৪/২০১৫/৭৭৪ স্মারক মতে গত ২৯/০৪/২০১০ তারিখে ওই নিয়োগ বাতিল করা হয়।

ওই নিয়োগ বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে প্রথমে ৩৮৭ জনের পক্ষে উচ্চ আদালতে ৮টি ও পরবর্তীতে আরও ২টি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এর প্রেক্ষিতে অত্র দপ্তরে ঢামেকহা/প্রশা/১৯৩১৬ স্মারকে গত ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর এলএসএএস, সুইপার, সিকিউরিটি গার্ড কুক/মশালটা, গাড়ীচালক, পদে মোট ২৭৭ জনকে এবং ঢামেকহা/প্রশা/১৮৫৬৩ স্মারকে গত ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ২৭৭ ও ৫৪ জনসহ মোট ৩৩১ জনকে চাকরিতে যোগদানের আদেশ জারি করা হয়।

আদালতের নির্দেশনার আলোকে কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে অত্র কার্যালয়ের ঢামেকহ/প্রশা/১৭৪১২ নং স্মারক মোতাবেক ঢামেকের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা: মোঃ আবদুল গনিকে সভাপতি করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট ইনভেন্টরি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি নিয়োগসংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রতিবেদন পেশ করেন। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায় রিভিউ পিটিশনকারী ৩৮ জনের কারও চাকরির আবেদনপত্র নেই এবং নিয়োগ কমিটি কর্তৃক নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত চূড়ান্ত তালিকায়ও তাদের কারও নাম নেই।

এ ৩৮ জন হলেন এমএলএসএস পদের মোঃ পারভেজ, মোঃ আলমগীর হোসেন, শাহেব আলী, বাদল, মোঃ আকবর হোসেন সাগর, সুশান্ত দেব, মোছাঃ সালমা বেগম, মোঃ উজ্জল মিয়া, হামিদা আক্তার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, শাহিনুর আক্তার, মায়া, মাহমুদ হোসাইন, শিপি, সাদ্দাম, মোঃ হারুন, মোঃ শাকিল মিয়া, মোঃ ইউসুফ আলী মারুফ, মোঃ ইউসুফ আলী অরুণ, আঃ কাদির, মোঃ শাহজাহান গাজী, মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, মোঃ মমিনুল ইসলাম, মোঃ আরশাদ, মোঃ শাহ আলম, শিরিন আক্তার, মোঃ আলী আহমেদ, মোঃ ফয়াসাল মামুন, মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাবিনা বেগম, মোঃ আলী হাসান (দুলাল), মোঃ আজিজুর রহমান। আর সুইপার পদের মাজেদা, রুনা, আশেক মিয়া, জায়দা ও রুনা বেগম।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই ৩৮ জনের চাকরির কোনো আবেদনপত্র নেই এবং নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত চূড়ান্ত তালিকায় তাদের নাম না থাকায় তারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর দিক নির্দেশনার জন্য ঢামেক কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র লেখেন। ওই পত্রের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাপকম/আইন শাখা/রিট ১৯/২০১৫/৩৮০ স্মারক মোতাবেক গত ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর রিভিউ পিটিশনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এরপর ৩৮ জনের নিয়োগ স্থগিতসংক্রান্ত বিষয়ে আপিল করা হয়। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঢামেক সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক একজন ওয়ার্ড মাস্টারের নেতৃত্বে এ ৩৮ জনকে নিয়োগের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। অথচ এসব ব্যক্তির কেউ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর আবেদনই করেননি। শুধু তাই নয়, এদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটসহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মচারী পরিচয়ে কাজ করে আসছেন।

সূত্রটি আরও জানায়, ঢামেকের বার্ন ইউনিটে মোঃ রফিকুল ইসলাম খান ওই ৩৮ জনের একজন। তিনিই লাখ লাখ টাকা আদায় করে দুর্নীতিবাজ সাবেক ওই ওয়ার্ড মাস্টারকে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এদের চাকরি বৈধ করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আদালতে বারবার রিট আবেদন করা হচ্ছে।

অপর সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢামেকের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ আবদুল গনির নেতৃত্বে গঠিত ইনভেন্টরি কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ডাঃ খাজা আব্দুল গফুর, ডাঃ মোঃ হোজাম্মেল হক, মোঃ রাশেদুল ইসলাম, মোঃ মাজহারুল ইসলাম খান ও মোঃ রফিকুল ইসলাম।

উক্ত কমিটি যাচাই-বাছাইকালে উচ্চ আদালতের রিট পিটিশনের রায়ের প্রেক্ষিতে যোগদানের ৩৩ জন এমএলএসএস ও ৫ জন সুইপারসহ মোট ৩৮ জনের এমএলএসএস পদের চূড়ান্ত তালিকায় নিয়োগ প্রাপ্তির পর যোগদানের গৃহীত পত্রের স্মারক ঢামেকহা/প্রশা/যোগদান/২০১০/২৬১ তারিখ ১৪/০১/২০১০ইং, এবং সুইপার পদের যোগদানের গৃহীত পত্রের স্মারক ঢামেকহা/প্রশা/যোগদান/২০১০/২৬৫ তারিখ ১৪/০১/২০১০ইং আদেশের উক্ত রিটকারীগণের পূর্বের নিয়োগ প্রাপ্তির ৩৫৪ জনের মধ্যে উক্ত ৩৮ জন রিটকারীর নাম অন্তর্ভুক্ত নেই। আর গত ২২/০৯/২০১৬ইং তারিখে উক্ত ৩৮ জন যে যোগদানপত্র ঢামেক কার্যালয়ে দাখিল করেছেন তা উক্ত কার্যালয়ে রক্ষিত রেকর্ড মোতাবেক তাদের পূর্বের যোগদানের কোনো প্রমাণাদি পাওয়া যায়নি বলে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত ইনভেন্টরি বোর্ড তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।

এরপর ঢামেক পরিচালক রিট পিটিশন নং- ২৪৯/২০১৪, ৩০১৯/২০১৪, ৮২/২০১৪ ও ৮২/২০১৪-এর আলোকে রিভিউ পিটিশন নং- ১০/২০১৫, ১১/২০১৫, ১২/২০১৫ জারিকৃত রায়ের আলোকে আপিল মোকদ্দমা দায়েরের প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেন। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি উক্ত আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সেল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আমার সংবাদ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক লাঞ্ছনা : হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নারায়ণগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান জড়িত কি না- সে বিষয়ে বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

ওই আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আজ বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আগামী রোববার এই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত বছরের ১০ আগস্ট শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান জড়িত কি না- সে বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। ওই দিন আদালত আদেশে বলেন, কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সম্পৃক্ততা নেই মর্মে পুলিশের প্রতিবেদনে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হয়নি। পুলিশের প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য।

এর আগে গত বছরের ১৮ মে নারায়ণগঞ্জে স্কুল শিক্ষককে কান ধরে উঠবস করার ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন রশিদ পত্রিকায় প্রকাশিত শিক্ষকের কান ধরে ওঠ-বস করার ঘটনায় প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন। এরপর আদালত স্বতপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।

গত বছরের ১৪ মে ইসলাম ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে বিদ্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে তাকে কান ধরে ওঠ-বস করানো হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স’র আবেদন এখন অনলাইনে

রোববার (১৫ জানুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ টেলিকম মিলনায়তনে ‘অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স’ শীর্ষক এ সেবা উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বাংলাদেশ পুলিশ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এ আবেদনের জন্য pcc.police.gov.bd এড্রেসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি ফি পরিশোধের চালান স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। সে জন্য আবেদনকারীকে সশরীরে থানায় আসার প্রয়োজন হবে না।

আবেদনের পর অনলাইনে বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাজের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবেন। ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর, পুলিশ সুপার বা উপ-কমিশনারের প্রতিস্বাক্ষর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন হওয়ার আবেদনের সময় উল্লেখিত স্থান থেকে সশরীরে এটি সংগ্রহ করতে পারবেন। অথবা কুরিয়ারের ফি পরিশোধ সাপেক্ষে ঘরে বসেই সার্টিফিকেট নিতে পারবেন।

ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটিতে একটি কিউ-আর কোড প্রিন্ট করা থাকে। যেকোনো স্মার্ট ফোন থেকে কিউ-আর কোডটি স্ক্যান করলে ইস্যু হওয়া সার্টিফিকেটের একটি অনলাইন লিংক পাওয়া যাবে। যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজার থেকে লিংকটি ভিজিট করলে সার্টিফিকেটের একটি অবিকল ডিজিটাল কপি দেখা যাবে। ফলে এই সার্টিফিকেট জাল হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকবে না।

এই সেবাটি গত বছরের ২০ নভেম্বর থেকে কুমিল্লা জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। এ পর্যন্ত নতুন সিস্টেমে প্রায় ১৪ হাজার আবেদন পাওয়া গেছে। যার মধ্যে সাড়ে পাঁচ হাজার সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে।

উদ্বোধনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। তখন অনেকেই হাসা-হাসি করেছেন, বিদ্রুপ করেছেন। কিন্তু তার কথা কতটা স্বার্থক তা পদে পদে বোঝা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এক সময় আমাদের সাবমেরিন কেবল ফ্রি দিতে চেয়েছিল, কিন্তু অজুহাত দেখিয়ে নেয়নি। সেই অন্ধকার অবস্থা থেকে দেশকে বর্তমানে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নাগরিক সেবা জনগণের দোর-গোঁড়ায় পৌঁছে দিতে পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত উন্নত বিশ্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এটা তার প্রমাণ।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বর্তমানে সবাই জানে ডিজিটাল বাংলাদেশ কী, ডিজিটাল শব্দটা এখন মানুষের মাথায় ঢুকে গেছে। পুলিশও এর থেকে পিছিয়ে নেই। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা ডিজিটালাইজড হয়েছি।

নতুন এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের অনলাইন সেবা সম্পর্কে আইজি বলেন, সংশ্লিষ্ট থানা থেকে ক্লিয়ারেন্সের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে যে উপ-পরিদর্শকে নিয়োগ দেওয়া হবে, তাকে কাজ শেষ করতে যেন নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঁচদিন সময় লাগে, সেখানে হেল্প ডেস্ক বাড়ানো যায় কিনা তারা বিবেচনা করবে। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে কোথাও যেন বিলম্ব না হয়।

নতুন নিয়মে সবমিলিয়ে আবেদন করার ১০ দিনের মধ্যেই এই ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানে আনন্দ মৌসুমী ও শাকিলার

‘প্রাইভেট পড়লে মেলা টেহার দরহার। গরিব মানুষ এত টেহা কইত্তে আনুম। দুই আপা হুনলাম পোলাপানরে বিনামূল্যে পড়ায়, তাই আমিও পড়তে আসি।’ এভাবেই বলছিল শিক্ষার্থী আরমান। তার মতো আরো অনেকের ভরসা ওই দুই আপু- মৌসুমী ও শাকিলা।

গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মৌসুমী ও শাকিলা পড়ালেখা করছেন হারুয়ায় অবস্থান করে। নিজেরা পড়ার পাশাপাশি চিন্তা করেন যারা অর্থাভাবে পড়তে পারে না তাদের জন্য কিছু করার। মাত্র একজন ছাত্র নিয়ে শুরু করেছিলেন, এখন সংখ্যাটা প্রায় অর্ধশত।

মৌসুমী ও শাকিলা নিজের প্রচেষ্টায় কিশোরগঞ্জের অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে জেলা শহরের হারুয়ায় একটি বাড়িতে বিনামূল্যে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছেন। গেল ইংরেজি নববর্ষের দিনটি তারা পালন করলেন ‘সমাজসেবা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের সূচনা করে। এ সংগঠনের মাধ্যমে চালু করেন ‘বিনামূল্য শিক্ষাদান কর্মসূচি’ সেবা। একজন ঝরে পড়া শিশুকে দিয়ে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় পাঠদানের। ঘরোয়া পরিবেশে আবৃত্তি, গান, সূরা ও গজল প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহী করা হয়।

শাকিলা জানান, প্রতিদিন বিকেলে তারা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান করেন। এ থেকে আনন্দ পান তিনি। অসহায় ও গরিব শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারার আনন্দই আলাদা।

ঝরে পড়াদের শিক্ষাদানের মূল উদ্যোক্তা মৌসুমী তার এই যাত্রার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘দিনটি ছিল ১ নভেম্বর। বাসা থেকে বের হয়ে ভাবছিলাম আজ যেখানেই একটি পথশিশু পাব, সেখানেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেব। কলেজের মাঠে পা দিতেই আমার দিকে আসা একটি মেয়ে বলতে লাগল, ‘আপু, পেটে খুব ক্ষুধা। কয়েকটা টেহা দিবেন কিছু খাইতাম।’ আমি সেই পথশিশুকে টাকা দিলাম আর জানতে চাইলাম পরিবারে কে আছে। তার কেউ নেই। পথই বাড়ি, পথই ঘর। ভিক্ষা করে খাবার জোটে।’ সেদিনই শুরু বিনামূল্যে শিশুদের মধ্যে পাঠদান। বর্তমানে আমাদের কাছে ৩৪ জন শিক্ষার্থী পড়ছেন।’

স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুধী মহল দুই শিক্ষার্থীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সরকারি ও সচ্ছল ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেলে তাদের পাঠদানস্থলটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। পথশিশুরা ফিরে পাবে তাদের ঠিকানা, সবার এটাই ভাবনা।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে নিয়োগ বিধি বহির্ভুতভাবে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: সহকারী শিক্ষক থেকে নীতিমালা অনুসরণ করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না দিয়ে জালিয়াতি ও তথ্যগোপন করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ। সম্প্রতি এক বিবৃতির মাধ্যমে এ দাবি জানান সমিতির সভাপতি তপন কুমার মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মো. আছাদুজ্জামান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সহকারী শিক্ষককে সরকারি নিয়োগ বিধি বহির্ভুতভাবে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। যার ফলে প্রকৃত পদোন্নতির দাবিদার শিক্ষকরা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

নিয়োগ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি পরায়ণ কর্মকর্তাদের যোগসাজসে এই নিয়োগ দেওয়ায় সাধারণ শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ বলে সমিতির পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে। আর পদোন্নতি পেতে এসব শিক্ষকরা ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সমিতির নেতার এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ও সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free