বিশেষ সংবাদ

সঙ্কটের মুখে ফারমার্স ব্যাংক ছাড়লেন মখা আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: ঋণ কেলেঙ্কারি ও অব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই চাপের মুখে ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পাশাপাশি অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীও পদত্যাগ করেন বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়।

বেসরকারি এই ব্যাংকটির এমডিকে অপসারণের নোটিস দেওয়ার পর সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের খবর জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের পদত্যাগপত্র পরিচালনা পর্ষদ গ্রহণ করেছে। নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ। একইসঙ্গে ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটি, অডিট কমিটি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠনের কথাও জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকটিতে সদ্য নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত সোমবার বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের তালিকা জমা দিলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

পুনর্গঠিত পর্ষদ ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকটির উপর ‘নজরদারি অব্যাহত’ থাকছে।

বেশ কিছু আমানতকারীর ব্যাংকটি থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার চেষ্টায় সঙ্কট আরো ঘনীভূত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চাঁদপুরের সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন আলমগীর বর্তমান সংসদে সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ফারমার্স ব্যাংকটি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ২০১৩ সালে অনুমোদন পেয়েছিল।

ব্যাংকটিতে অনিয়ম ধরা পড়ার পর তখন বেসরকারি এই ব্যাংকটিতে কড়া নজরদারিতে আনতে পর্যবেক্ষক বসিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক যদিও পরে তা আদালতে আটকে যায়।

সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া এক প্রতিবেদনে ফারমার্স ব্যাংককে দেশের আর্থিক খাতের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে।

অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, ফারমার্স ব্যাংক সাধারণ আমানতকারী এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে উচ্চসুদে অর্থ নিয়ে চলছে। দায় পরিশোধের সক্ষমতাও নেই ব্যাংকটির। এর ফলে ব্যাংকটি সমগ্র আর্থিক খাতে ‘সিস্টেমেটিক রিস্ক’ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা না মেনে ফারমার্স ব্যাংকের নতুন ঋণ দেওয়ার বিষয়টিও প্রকাশ পায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানে।

অন্যদিকে ব্যাংকটির কলমানি ঋণের পরিমাণ ১৪৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ব্যাংকটির ক্রয়কৃত সরকারি সিকিউরিটিজের (বিল ও বন্ড) পরিমাণ ১ হাজার ৯ কোটি টাকা। ‘অর্থাৎ ব্যাংকটির দায় পরিশোধের সক্ষমতা নেই,’ বলা হয় প্রতিবেদনে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করন শিক্ষকরা কি উন্নিত বেতন স্কেলের সুবিধা পাচ্ছেন?

মুরাদ হোসেন,ঢাকা,২৭ নভেম্বর: সদ্য জাতীয়করণকৃত (রেজিঃ বেসরকারি ) প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১৪/৭/২০০৮ খ্রিঃ এর পূর্বে প্রধান শিক্ষকের কোন পদই বিদ্যমান ছিলোনা।

শুধুমাত্র দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ১৪-৭-২০০৮ খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮ জি-৭/৯৮ ( অংশ) ২৫৩ এর পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়কর) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।

সে হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ১৪/৭/২০০৮ তারিখে প্রধান শিক্ষকের পদটি হলেও মূলত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২/৫/২০১০ স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮এ-১/২০০৯ -৬৭৫ এর প্রজ্ঞাপন মোতাবেক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ ইউনিটের ১১-৫-২০১০ তারিখ স্মারক নং ১১৭/৬৪ এর প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর এসএমসির মাধ্যমে পদোন্নতি প্রদান, সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ ও যাছাই বাছাই কমিটির সুপারিশের নিরিখে পদোন্নতি প্রাপ্তদের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ ইউনিট ঢাকা পর্যায়ক্রমে ২০১০, ২০১১, ২০১২ ও ২৬/৬/২০১৩ পর্যন্ত পদোন্নতি প্রাপ্ত ( সদ্য জাতীয়করণকৃত) প্রধান শিক্ষকগণকে প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেলে (৫৫০০-১২০৯৫/-) এমপিও ভুক্তকরণ করেছিলেন|

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গননা করা শুরু করলে কারও টাইমস্কেল পাবার কথা নয়। কিন্তু এক শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তারা অসৎ উপায় অবলম্বন করে চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে জাতীয়করনকৃত শিক্ষকদের টাইমস্কেল সুবিধা দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে তারা

(খ) চাকুরীকাল গণনার ক্ষেত্রে পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বেলায় সহকারী শিক্ষকের ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক উভয়ের সমষ্টির ভিত্তিতে চাকুরীকাল গণনা করতে বলায় (যদিও শর্তটি কেবলমাত্র চাকুরি গণনা ও ইনক্রিমেন্ট সুবিধার প্রয়োজনে ) তবুও এ নির্দশনাকে নিজেদের সুবিধার মানসে ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং ৩৮.০০০৭. ০১৫.০০০.০৩.০০.২০১৩.৮১১০৫ তারিখঃ ০৯ নভেম্বর ২০১৪ এর টাইমস্কেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধান অনুসরনের নির্দেশনাকে গোপনে রেখে (উপজেলা শিক্ষা বিভাগ ও হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিধি ও নিয়ম বর্হিভূত ভাবে (১৪/৭/২০০৮ তারিখের পরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তির পরে ১/২/৩ বছরের সময় ব্যবধানে ) ১/২/৩ টি টাইমস্কেল সুবিধা প্রদান করেছেন।

শূধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন নির্ধারণ চিঠি ইস্যু হয়েছে । ১৫ নভেম্বর ২০১৭ সংক্রান্ত একটি জিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনু বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে যার নং ০৭.০০.০০০০ .১৬১.৩৮.০০.০০১.১৭.২৩১ । এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা এখন থেকে প্রধান শিক্ষক পদের উন্নীত স্কেলে বেতন পাবেন।

এটি ৯ মার্চ ২০১৪ থেকেই কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনু বিভাগের সহকারি সচিব মো: সামীম আহসান স্বাক্ষরিত সরকারি ওই আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের ফলে উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে সরকার নিন্মরৃপ নীতিমালা অনুসরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বেতন স্কেল উন্নীত হওয়ার আগে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা যিনি যে সংখ্যক টাইমস্কেল পেয়েছেন বা প্রাপ্য হয়েছেন, উন্নীত বেতন স্কেলের ওপরে সেই সংখ্যক টাইম স্কেল গণনা করে বেতন স্কেল উন্নীত করার অব্যবহিত আগে তার সর্বশেষ আহরিত বা প্রাপ্য মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের তারিখে সরাসরি নির্ণীত সর্বশেষ স্কেলের কোন ধাপে মিললে ওই ধাপে, ধাপে না মিললে বিএসআর প্রথম খণ্ডের ৪২(১)(২) বিধি অনুসরণে নিম্নধাপে বেতন নির্ধারণ করে অবশিষ্ট টাকা পিপি হিসেবে প্রদান করতে হবে এবং ওই পিপি পরবর্তী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিতে তা সমন্বয়যোগ্য হবে।

বেতনস্কেল উন্নীত হওয়ার আগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষক পদে যিনি যে-সংখ্যক টাইমস্কেল পেয়েছেন বা প্রাপ্য হয়েছেন, উন্নীত বেতন স্কেলের উপরে সেই সংখ্যক টাইম স্কেল গণনা করে বেতন স্কেল উন্নীত করার অব্যবহিত আগে তার সর্বশেষ আহরিত বা প্রাপ্য মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের তারিখে সরাসরি নির্ণীত সর্বশেষ স্কেলের কোন ধাপে মিললে ওই ধাপে, ধাপে না মিললে বিএসআর প্রথম খণ্ডের ৪২(১)(২) বিধি অনুসরণে নিন্মধাপে বেতন নির্ধারণ করে অবশিষ্ট টাকা পিপি হিসেবে প্রদান করতে হবে এবং ওই পিপি পরবর্তী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধিতে তা সমন্বয়যোগ্য হবে।

গ) ওই পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণকালে মাঝখানে কোন বেতনস্কেল বা গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা যাবে না।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দু’ধাপ উন্নীত করে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদা ঘোষণা দেন। সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন স্কেল উন্নীত করার ঘোষণা দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদ মর্যাদার ভিত্তিতে বেতন স্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে   প্রধানশিক্ষক সমিতির  দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের দাবি ও আন্দোলন এবং দফায় দফায় অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নেতাদের বৈঠকের প্রেক্ষিতেই এ আদেশ জারি হয়েছে।
পূর্বের প্রায় সাড় ৩৭০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১২০০০ বিদ্যালয়ে দায়িত্বপালন করছেন সিনিয়র সহকারি শিক্ষকবৃন্দ, আবার ২০০৯,২০১০,২০১৩ সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ৪৫০০ শিক্ষকবৃন্দ ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মরত প্রায় ১৭০০০ প্রধান শিক্ষক বাদ দিলে মাত্র সরাসরি প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ ৪৫০০ থেকে ৫০০০ প্রধান শিক্ষক ক্রস্পন্ডিং সুবিধা পাবেন।

অথচ সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের নেতারা প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ করে চলেছেন ৩২০০০ প্রধান শিক্ষক ক্রস্পন্ডিং সুবিধা পাবেন। সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকদের প্রায় ১০০০০ প্রধান শিক্ষক ২/৩ টি

টাইমস্কেলের বিধি উপেক্ষা করে চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে জাতীয়করন শিক্ষকদের টাইমস্কেল সুবিধা গ্রহন করেছে ।

অনিয়মতান্ত্রিক টাইমস্কেলে বেতন ভাতাদি উত্তোলন করায় এখনিই প্রতি শিক্ষক প্রতিমাসে প্রায় ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করে আসছেন। তার উপরে সেই অবৈধ টাইমস্কেলগুলো গণনা করে যদি ক্রস্পন্ডিং সুবিধা নেয় তা হলে ঐ সকল প্রধান শিক্ষকের প্রতি মাসে প্রতিজনে প্রায় ১২০০০ থেকে ১৪০০০ টাকা বেতন ভাতাদিসহ অতিরিক্ত উত্তোলিত হবে।

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকেরা সেই অনিয়তান্ত্রিক সুবিধাদি নেয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে  জোর তদবির করে যাচ্ছেন।তাদের টাকার লোভে অনেক সৎ কর্মকর্তারা জরিয়ে পড়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সচিব বরাবর আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকগণের টাইমস্কেল সুবিধা নেয়া কোন ভাবে বিধিসম্মত নয় তবে যেহেতু অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ টাইমস্কেলগুলো মঞ্জুর করেছেন সেহেতু সেই কর্তৃপক্ষকেই এটি বাতিল করে পুণঃ বেতন নির্ধারণের আদেশ দিতে হবে । আর তবেই তাদের কর্তৃক অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। এখন জনমনে প্রশ্ন হচ্ছে এই বিপুল অর্থ লোপাটের দায় কার ? শিক্ষা বিভাগের নাকি , হিসাব রক্ষণ অফিসের ?

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উত্তরা ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস!

ঢাকা: উত্তরা ব্যাংকের অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় নির্ধারিত পরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই প্রশ্নফাঁস হয়ে যায় বলে অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের।
ফাঁস হওয়া কপিগুলো সাদা কাগজে হাতে লেখা। প্রশ্নের নম্বরের পাশাপাশি উত্তরও লেখা আছে বলে জানান পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষা শেষে চাকরিপ্রার্থীরা আরো জানান, তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন। পরীক্ষার প্রশ্ন ছিল ৩ সেট। যে উত্তরপত্রগুলো মিলেছে সেটি সেট-২।
এরআগে গত ২২ আগস্ট প্রবেশনারি অফিসার ও সহকারী অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উত্তরা ব্যাংক। এতে আবেদন করেন প্রায় ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী।
পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর অধীনে প্রিলিমিনারি (প্রাথমিক বাছাই) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাঁস হওয়া প্রশ্নের বিষয়ে ঢাবির অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরোর প্রধান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, এটি প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুদকের হটলাইনে আসা শতকরা নিরানব্বই ভাগ অভিযোগই উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ডিবিসি নিউজ,২ নভেম্বর: দুদকের হটলাইনে আসা শতকরা নিরানব্বই ভাগ অভিযোগই উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ব্যক্তিগত স্বার্থে অন্যকে হয়রানি করার জন্যই এক শ্রেনীর মানুষ অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দিচ্ছেন দুদকের ওয়ান জিরো সিক্স নম্বরে। ভিত্তিহীন অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে তাই ব্যবস্থা নেয়ার পরার্মশ টিআইবির।

দুর্নীতির সঠিক তথ্য পেতে মাস তিনেক আগে চালু করা হয়েছিলো দুদকের হটলাইন সার্ভিস। অফিস সময়ে যে কেউ দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারছে ওয়ান জিরো সিক্স নম্বরে। ভয়েস রেকর্ডের মাধ্যমেও রয়েছে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ২৭শে জুলাই হটলাইন চালুর প্রথম দিন থেকে এ পর্যন্ত অভিযোগ এসেছে সাড়ে তিন লাখ। এরমধ্যে মাত্র ২০টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে দুদক।

ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক শত্রুতাবশত প্রতিপক্ষ’র বিরুদ্ধে অনেকেই  মনগড়া অভিযোগ দিচ্ছেন দুদকে। যার বেশিরভাগেরই সত্যতা পাওয়া পাচ্ছেন না। এসবের মধ্যে অন্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগই সবচেয়ে বেশি। তবে দুদকের সচিব জানালেন তাদের সতর্কতার কথা।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দুদকের হটলাইনের ভালো উদ্যোগ যেন হয়রানির হাতিয়ার না হয়। মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীদের সতর্ক করতে দুদকের প্রচারণা করা উচিত মনে করেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সন্ধ্যায় দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দল ঘোষণা, নেই নাসির

বিশেষ সংবাদদাতা: সবারই জানা নির্বাচক ও হেড কোচ হাথুরুসিংহে মিলে যে দলটি সাজান, তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন লাগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের। এমন নয় যে, বিসিবি সভাপতি পাপন দল চূড়ান্ত করার পর নিজ ক্ষমতা বলে অনুমোদন দেন। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের রীতি, নিয়মও। দীর্ঘদিন চলে আসছে এ ধারা। তিন সদস্যের নির্বাচক কমিটি তাদের খেলোয়াড় তালিকা জমা দেন বোর্ডে। তা সবার আগে যায় ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যানের কাছে। ক্রিকেট অপারেশন্সের মাধ্যমেই, দল চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চলে যায় বিসিবি প্রধানের কাছে।

কখনো কখনো চূড়ান্ত অনুমদনটা বিসিবি সভাপতি বোর্ডে বসেই দেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দল অনুমোদন পায় মেইলের মাধ্যমে। এবার দীর্ঘ দিনের ধারার ব্যতিক্রম ঘটছে। যতদূর জানা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দল চূড়ান্ত হবে বিসিবি বিগ বস নাজমুল হাসান পাপনের গুলশানের বাসায়। নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, দল অনুমোদনের জন্য বিসিবি সভাপতির বাসায় প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান আকরাম খান, ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন ও বোর্ড পরিচালক আই এইচ মল্লিক। বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের এক সূত্র নিশ্চিত করেছেন পাপনের বাসাতেই দল চূড়ান্ত হবে। এখন চলছে সেই দল নির্বাচনী সভা। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো আজ (শনিবার) সন্ধ্যা নাগাদ ঘোষিত হয়ে যেতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষের টেস্ট দল।

এই দল নিয়ে এরই মধ্যে নানা গুঞ্জন ও জল্পনা কল্পনা। বোর্ড সভাপতি আগের দিন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ‘কিপার মুশফিক’ ও তার ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে সময়ালচনা করেন। পাপন বলেন, ‘মুশফিক কিপিং করবে কী করবে না, কত নম্বরে ব্যাটিং করবে সেটা তার ব্যাপার।’

যদিও গত পরশু চট্টগ্রামে টেস্ট শেষ হবার পর মুশফিক বলেছেন অন্য কথা। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, আমার কিপিং ও ব্যাটিং অর্ডার কী হবে তা উপরের কর্তাদের কাছে জিজ্ঞেস করুন। বোঝাই গেল মুশফিক, কোচ ও পাপনের দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পাপন তার জবাব দিতে গিয়ে আকার ইঙ্গিতে মুশফিককে একহাত নিয়ে ছেড়েছেন।

পাপন বলেন, মাশরাফি কিংবা সাকিব ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল পরিচালনা করতে গিয়ে কখনো এমন কথা বলেনি। বোর্ড সভাপতির এমন মন্তব্যে পরিষ্কার তিনি মুশফিকের উপর অসন্তুষ্ট। এই অসন্তুষ্টির পরিনাম কী হবে? মুশফিকের অধিনায়ক্ব থাকবে কী থাকবে না, তা নিয়েই বিস্তর জল্পনা কল্পনা। তবে ধারণা করা হচ্ছে যেহেতু সময় কম, সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই (১৮ সেপ্টেম্বর) দল দক্ষিণ আফ্রিকা চলে যাবে, ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথম টেস্ট, তার আগে অধিনায়ক বদলের সম্ভাবনা কম।

তবে কিপার মুশফিকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তাকে কিপিং করতে দেখা নাও যেতে পারে। মুশফিক কিপিং না করলে বিকল্প একজনকে কিপিং করতেই হবে। বাংলাদেশ দলের যে গঠন বিন্যাস তাতে শুধু স্পেশালিষ্ট কিপারের টেস্ট দলে থাকার সম্ভাবনা খুব কম। তাই মুশফিক ইপিং না করলে লিটন দাস, নুরুল হাসান সোহান ও আনামুল বিজয়ের একজনকে গ্লাভস হাতে দেখা যেতে পারে।

যেহেতু টপ অর্ডার হঠাৎ নরবরে, তামিম ছাড়া দুই ও তিন নম্বরে সৌম্য, ইমরুল দুইজনেই অপ ফর্মে, চার নম্বরও স্থির নয়, তাই এনামুল হক বিজয়ের কথা উঠে এসেছে। যদিও প্রধান নির্বাচক জোড় দিয়ে জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট ও বাউন্স উইকেটে অনভিজ্ঞ কাউকে বিবেচনায় আনতে চান না তারা। দ্রুত গতির উইকেটে তুলনামূলক সাবলীল সৌম্যের দলে থাকা নিশ্চিত। ইমরুলের জায়গায় নতুন কাউকে নেয়া যায় কী না সে চিন্তা চলছে। তবে অভিজ্ঞতার বিচারে ইমরুল টিকে যেতে পারেন। আর যদি ইমরুল বাদ পড়েন তাহলেই কেবল বিজয়ের সম্ভাবনা থাকবে।

এদিকে এইচপির হয়ে ইংল্যান্ড সফরে এরই মধ্যে দুই সেঞ্চুরি করা নাজমুল হোসেন শান্তর কথাও ভাবা হচ্ছে। এই তরুণ দলে জায়গা পেলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দল থেকে অনিবার্যভাবেই বাদ পড়ছেন নাসির হোসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভিড়ের মধ্যে নারী পুলিশের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত অফিসারের, ভিডিও ভাইরাল

ভিড় সামলাতে ব্যস্ত এক নারী পুলিশের স্পর্শকাতর অঙ্গে বার বার হাত দিচ্ছেন সহকর্মী সিনিয়র পুলিশ অফিসার। ভারতের কোয়েম্বাত্তুরে ৪ আগস্ট সোমবার শহরের কেন্দ্রে গাঁধীপুরম সিগন্যালের কাছে ভিড় সামলাচ্ছেন ওই নারী পুলিশ সদস্য। আর বার বার তার স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দিচ্ছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার জয়ারাম।

আর এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সমালোচনাকারীরা বলছেন, ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই ভিডিও এক ভয়ঙ্কর সত্যিকে সামনে এনে দিয়েছে। পুলিশের পোশাক পরার পরেও মুক্তি পাননি ওই নারী। খাঁকি পোশাকেও ভারতে নারীরা নিরাপদ না। এই ভিডিও একাধারে প্রমাণ করে রক্ষকরাই ভক্ষক আর নারীরা লাঞ্চনার পাত্রী, সে যতই হোক পুলিশ কিংবা সাধারণ নারী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘ধর্ষকগুরুর’ পালিত কন্যাকে গ্রেপ্তার!

ঢাকা, ০৪ সেপ্টেম্বর : ভারতের ধর্মগুরু ‘ধর্ষক’গুরমিত রাম রহিমের পালিত কন্যা হানিপ্রীত ইনসানকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। সোমবার বেশ কয়েকটি ভারতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

আমার উজালা নামে একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার নার্সের ছদ্মবেশ নিয়ে মুম্বাই বিমানবন্দর হয়ে ভারত ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন হানিপ্রীত। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

আরেকটি জনপ্রিয় দৈনিকও একই ধরণের সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে ডেরা সাচা সৌদা অথবা মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে এ খবরের সত্যতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

হানিপ্রীতের স্বামী কয়েক বছর আগে অভিযোগ করেছিলেন, তার স্ত্রীকে গুরমিত রাম রহিম পালিত কন্যা হিসেবে  ঘোষণা করলেও তাদের মধ্যে অবৈধ যৌন সম্পর্ক রয়েছে। নিজের কুকীর্তি ঢাকতেই ‘বাবা’এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।

হানিপ্রীতের বিরুদ্ধে অভিযোগ , যে দিন পঞ্চকুলা আদালত রাম রহিমকে ধর্ষণ মামলায় দোষী প্রমাণিত করে, সে দিনই আদালত চত্বর থেকে তাকে নিয়ে পালানোর ছক কষেছিলেন ‘বাবা’র পালিত কন্যা। সে অনুযায়ী, তিনি পুরো প্রস্তুতি নিয়েই আদালতে এসেছিলেন বলে সন্দেহ পুলিশের। যে দিন রাম রহিমের সাজা ঘোষণা হয়ে যায়, সে দিন থেকেই গা ঢাকা দেন হানিপ্রীত। গত শুক্রবার হরিয়ানার পুলিশ জানিয়েছিল, হানিপ্রীতের সন্ধানে বিমানবন্দরসহ রাজ্য থেকে বের হওয়ার বিভিন্ন চেক পয়েন্টগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমন সম্মান ক্রিকেট জীবনে পাননি, এবার মোদীর থেকে তাই পেলেন যুবি

জাতীয় দলে জায়গা পাননি যুবরাজ সিংহ। তা নিয়ে যে আক্ষেপ ছিল যুবির, তা অনেকটাই সম্ভবত মিটে গিয়েছে এই ঘটনার পরে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর থেকে এমন সম্মান তিনি পেলেন, যা ক্রিকেট জীবনে এর আগে পাননি।

কী সেই সম্মান?

নরেন্দ্র মোদীর থেকে সম্প্রতি একটি চিঠি পেয়েছেন যুবরাজ। এই চিঠির আগাগোড়াই লেখা হয়েছে ক্যানসারজয়ী ক্রিকেটারকে প্রশংসা করে। যুবরাজের চ্যারিটি ওয়ার্ক দেখে আপ্লুত মোদী। ভারতীয়দের জন্য যুবরাজ এক প্রেরণা বলেই মনে করেন তিনি।। এই ভাল কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও যুবরাজকে মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, যুবরাজের সংস্থা ‘ইউ উই ক্যান ফাউন্ডেশন’ বিভিন্ন সমাজ কল্যানমূলক কাজ করে। সেই কাজকেই যেন স্বীকৃতি দিল এই চিঠি।

প্রসঙ্গত, জাতীয় দলে যুবরাজের জায়গা না হওয়া নিয়ে যথেষ্টই জলঘোলা হয়েছে। শ্রীলঙ্কা সফরের আগেই নির্বাচকরা জানিয়েছিলেন, যুবরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে। সেই নিয়ে কিছুটা হতাশ ছিলেন যুবিও। তবে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি যে তাঁর আক্ষেপ মিটিয়ে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান বিচারপতি সংখ্যালঘু হওয়ায় তাকে হেয় করা হচ্ছে: হিন্দু মহাজোট

ঢাকা: সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক হওয়ায় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে হেয় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
সোমবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ষোড়শ সংশোধনীর রায়কে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন, মর্যাদাহানিকর বক্তব্য, তাকে দেশত্যাগের হুমকি ও বিচারবিভাগের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মহাজোট নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন হওয়ার কারণে তাকে হেয় করা হচ্ছে। কেননা অন্য একজন বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। এতে দেশের বেশিরভাগ মানুষ আহত হলেও তার বিরুদ্ধে এধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আদালতের ওই রায় ও পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এতে এমন কিছু নেই যা সরকারি দলকে ক্ষিপ্ত করে। রায়ে বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই খাটো করা হয়নি। তিনি তার বিচারক জীবনের প্রজ্ঞা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিচার কাজ করেছেন যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি মেধা ও যোগ্যতার বদলেই প্রধান বিচারপতি হতে পেরেছেন। কারো দয়া-দাক্ষিণে নয়। কাউকে ওভারটেক করে তাকে প্রধান বিচারপতি করা হয়নি।
শীর্ষ নিউজ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাম রহিমের বিরুদ্ধে সাধ্বীর সেই চিঠি, পড়লে শিউরে উঠবেন

নিজস্ব প্রতিবেদন:

আমি পঞ্জাব থেকে আসা মেয়ে। সিরসা (হরিয়ানা)-র ডেরা সচ্চা সৌদায় একজন সাধ্বী হিসেবে সেবা করে চলেছি গত ৫ বছর ধরে । আমার মতো আরও কয়েকশো মেয়ে এখানে রয়েছেন, যাঁরা প্রতি দিন ১৮ ঘণ্টা করে সেবা করে চলেছেন।

কিন্তু এখানে আমরা যৌন নির্যাতনের শিকার। ডেরায় মেয়েদের ধর্ষণ করেন ডেরা মহারাজ (গুরমিত সিংহ)। আমি একজন স্নাতক। ডেরা মহারাজের উপরে আমার পরিবারের অন্ধ বিশ্বাস। পরিবারের সেই অন্ধবিশ্বাসের জেরেই আজ আমি একজন সাধ্বী। সাধ্বী হওয়ার বছর দুয়েক পর এক দিন রাত ১০টা নাগাদ হঠাৎ এক মহিলা ভক্ত আমার ঘরে আসেন। জানান, মহারাজ আমাকে ডেকেছেন। মহারাজ স্বয়ং ডেকে পাঠিয়েছেন শুনে খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিলাম। সাধ্বী হওয়ার পর সেটাই তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে তাঁর ঘরে ঢুকি। দেখলাম ওনার হাতে একটা রিমোট এবং টিভিতে তিনি ব্লু ফিল্ম দেখছেন। বিছানায় তাঁর বালিশের পাশে একটা পিস্তল রাখা ছিল। এ সব দেখে আমি ভয় পেয়ে যাই। ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। এর পর মহারাজ টিভিটা বন্ধ করে দেন। আমাকে ঠিক তাঁর পাশে নিয়ে গিয়ে বসান। খাওয়ার জন্য এক গ্লাস জল দেন। তার পর খুব আস্তে করে বলেন, ডেকে পাঠানোর কারণ আমাকে তিনি নিজের খুব কাছের বলে মনে করেন। এটাই ছিল আমার প্রথম অভিজ্ঞতা।

এর পরই তিনি এক হাত দিয়ে আমাকে জড়িয়ে তাঁর আরও কাছে টেনে নেন। কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে বলেন, আমাকে তিনি হৃদয়ের গভীর থেকে ভালবাসেন। আমার সঙ্গে সহবাস করতে চান। বলেন, তাঁর শিষ্যা হওয়ার সময়ই আমার সমস্ত সম্পদ, আমার শরীর এবং আত্মা তাঁর কাছে উৎসর্গ করেছি এবং তিনি তা গ্রহণও করেছেন। আমি বাধা দিলে তিনি বলেন, ‘আমি ঈশ্বর, এতে তো কোনও সন্দেহ নেই’। আমি তাঁকে বলি, ঈশ্বর কখনও এ রকম করেন না। আমাকে বাধা দিয়ে তিনি বলেন:

১) শ্রীকৃষ্ণও ঈশ্বর। তাঁর ৩৬০ জন গোপী ছিলেন। যাঁদের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ প্রেমলীলা করতেন। আমাকেও সবাই ঈশ্বর বলে মানে। এতে এত অবাক হওয়ার কিছু নেই।

২) আমি তোমাকে এখনই এই পিস্তল দিয়ে খুন করতে পারি। তোমার লাশ এখানেই পুঁতে দেব। তোমার পরিবারের প্রতিটা সদস্য আমার অন্ধ ভক্ত। তুমি খুব ভাল করেই জানো, তাঁরা কখনই আমার বিপক্ষে যাবেন না।

৩) সরকারের উপরেও আমার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। পঞ্জাব, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রের অনেক মন্ত্রীও আমার কাছে আসেন। আমার প্রতি তাঁদের ভক্তি দেখান। রাজনীতিবিদরা আমার কাছ থেকে সাহায্য নিতে থাকেন। সুতরাং তাঁরাও আমার বিরুদ্ধে কোনও রকম পদক্ষেপ করবে না। আমি তোমার পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি কেড়ে নেব এবং তাঁদের সেবাদার দিয়ে খুন করাব। আর সেই খুনের কোনও প্রমাণ থাকবে না। তুমি খুব ভাল করেই জানো, ডেরা ম্যানেজার ফকিরচাঁদকেও আমি গুন্ডা দিয়ে খুন করিয়েছি। এখনও সেই খুনের কিনারা হয়নি। ডেরার দৈনিক আয় এক কোটি। এই টাকা দিয়ে আমরা রাজনীতিক নেতা, পুলিশ এমনকি বিচারক সকলকেই কিনে ফেলতে পারি।

ঠিক এর পরই মহারাজ আমাকে ধর্ষণ করেন। গত তিন বছর ধরেই মহারাজ এ ভাবে আমাকে ধর্ষণ করে আসছেন। প্রতি ২৫ থেকে ৩০ দিন অন্তর আমার পালা আসে। আমি জানতে পেরেছি, আমার মতো যত জন সাধ্বীকে তিনি তলব করেছেন, তাঁদের সকলকেই ধর্ষণ করেছেন। বেশিরভাগেরই বয়স এখন ৩০ থেকে ৪০। বিয়ের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের কাছে এখন ডেরার এই আশ্রয় ছাড়া আর কোনও অবলম্বন নেই।

এই সমস্ত মহিলাদের বেশিরভাগই শিক্ষিত। কারও স্নাতক তো কারও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে। কিন্তু তাঁরা তা সত্ত্বেও এই নরকবাস করছেন। কারণ একটাই, মহারাজের উপরে তাঁদের পরিবারের অন্ধ বিশ্বাস। আমরা সাদা পোশাক পরি, মাথায় স্কার্ফ বাঁধি, পুরুষদের দিকে চেয়ে দেখি না। পুরুষদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে ৫-১০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখি। কারণ, এ সবই মহারাজের ইচ্ছা। তাঁর কথা মতোই আমরা এখানে চলাফেরা করি। সাধারণ মানুষ আমাদের দেবী গণ্য করেন। কিন্তু তাঁরা জানেন না, ডেরাতে আমরা আসলে রক্ষিতা। ডেরা এবং মহারাজের আসল সত্যিটা আমি আমার পরিবারকে জানানোর চেষ্টা করেছিলাম। তাতে তাঁরা আমাকেই বকাবকি করেন। জানান, ডেরায় স্বয়ং ঈশ্বরের (মহারাজ) বাস। সুতরাং এর থেকে ভাল জায়গা আর নেই। এবং ডেরা সম্পর্কে যেহেতু আমার মনে খারাপ ধারণা জন্মেছে, তাই আমার উচিত ‘সতগুরু’-র নাম করা। শেষ পর্যন্ত আমাকে মহারাজের সমস্ত আদেশ পালন করতেই হয়, কারণ আমি সব মিলিয়ে অসহায়।

এখানে কাউকেই অন্যদের সঙ্গে বেশি কথা বলতে দেওয়া হয় না। পাছে ডেরার সত্য ফাঁস হয়ে যায়, তাই টেলিফোনেও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয় না। কোনও সাধ্বী যদি মহারাজের এই আচরণ ফাঁস করে দেন, তাহলে মহারাজের আদেশ মতো তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়। কিছু দিন আগে, ভাতিন্দার এক তরুণী মহারাজের এই সমস্ত নির্যাতনের কথা পরিবারকে জানান। মহারাজের নির্দেশে সমস্ত সাধ্বী মিলে তাঁকে বেধড়ক পেটান। মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট নিয়ে তিনি এখন শয্যাশায়ী। তাঁর বাবা ডেরায় কাজ করতেন। কাজে ইস্তফা দিয়ে বাড়ি ফিরে যান। মহারাজের ভয়ে এবং আত্মসম্মানের কথা ভেবে মুখ খোলেননি।

একই ভাবে, এই নির্যাতনের শিকার হন কুরুক্ষেত্রের এক তরুণীও। ডেরা ছেড়ে বাড়ি চলে যান তিনি। তাঁর কাছ থেকে এ সব কথা জানার পর তাঁর ভাইও ডেরার কাজ থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে যান। পঞ্জাবের সঙ্গরুর এক তরুণী সাহস করে বাড়ি ফিরে ডেরার ভয়ঙ্কর দিকটা সবাইকে জানিয়েছিলেন। পর দিনই ডেরার অস্ত্রধারী সেবাদার বা গুন্ডারা তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান। মুখ খুললে তাঁকে খুনের হুমকি দেন।

একই ভাবে মানসা, ফিরোজপুর, পাতিয়ালা এবং লুধিয়ানা থেকে এখানে আসা তরুণীরাও ভয়ে ডেরা নিয়ে কিছু জানাতে চাননি। তাঁরা ডেরা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। কিন্তু তার পরও খুন হওয়ার ভয়ে মুখ বন্ধ করে আছেন। সিরসা, হিসার, ফতেয়াবাদ, হনুমানগড় এবং মেরঠের তরুণীরাও মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন।

আমিও যদি আমার নাম জানাই, তাহলে আমাকে এবং আমার পরিবারকে খুন করা হবে। সাধারণ মানুষের স্বার্থেই এই সত্য আমি সামনে আনতে চাই। এই মানসিক চাপ আর নির্যাতন সহ্য করতে পারছি না। খুব বিপদে রয়েছি। সংবাদমাধ্যম বা সরকারি কোনও সংস্থা যদি তদন্ত চালায়, তা হলে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন সাধ্বী এগিয়ে এসে এই সত্য জানাবেন আমি নিশ্চিত। আমাদের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হোক। আমরা আদৌ সাধ্বী কি না তা জানা হোক। পরীক্ষায় যদি প্রমাণ হয় যে আমদের কুমারিত্ব নেই, তাহলে তদন্ত করে জানা হোক, কে আমাদের সতিত্ব হরণ করেছেন।

তাহলেই সত্য বাইরে আসবে। মহারাজ গুরমিত রাম রহিম সিংহই যে আমাদের জীবন নষ্ট করেছেন তার প্রমাণ মিলবে।

 

(২৫.০৯.২০০২ সালে ‘দেশ সেবক’ নামক পত্রিকায় এই চিঠিটা প্রকাশ পায়। মহারাজ রাম রহিমের নির্যাতন আর মেনে নিতে না পেরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিটি লিখেছিলেন এক তরুণী সাধ্বী। সেই চিঠির খবর প্রকাশ্যে আসার পরই রাম রহিমের বিরুদ্ধে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে সিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দেয়।)

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিচার বিভাগ যথেষ্ট ধৈর্য ধরছে ॥ প্রধান বিচারপতি

স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, ‘আমরা বিচার বিভাগ ধৈর্য ধরছি। যথেষ্ট ধৈর্য ধরছি। পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে…করেছেন। শুধু বলব, আমাদের আরও কিছু পরিপক্বতার দরকার আছে।’

অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আজ রবিবার রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বিষয়টির ওপর পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৮ অক্টোবর তারিখ রেখেছেন।

সবশেষ গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি চূড়ান্ত করতে আপিল বিভাগ ২০ আগস্ট পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি আপিল বিভাগে ওঠে।

শুরুতেই অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সময়ের আবেদন দাখিল করেন। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, গত তারিখে কী করা হবে, বলা হয়েছিল। আলাপ-আলোচনার কথা বলা হয়েছিল। কার সঙ্গে, কে কে থাকবেন? জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইনমন্ত্রী।

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিয়া বলেন, আপিল বিভাগের সব বিচারপতির সঙ্গে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আলাপ-আলোচনার কথা। আপনারা আলাপ-আলোচনা পর্যন্ত করলেন না। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে আমার কী করার আছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা মিডিয়াতে অনেক কথা বলবেন, কোর্টে এসে অন্য কথা বলবেন। আপনাকে বলছি না, আপনাদের কথা বলছি। অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনি বলেন, কবে রাখব (পরবর্তী তারিখ)। সবাই বসবেন।

একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সব বিষয় নিয়ে ঝড় উঠে গেছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা তো কোনো মন্তব্য করছি না। সব তো আপনারাই করছেন। পরবর্তী (তারিখ) কবে চান? অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বন্ধের এক সপ্তাহ পর।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার মতই আমরা রাখলাম। ৮ অক্টোবর তারিখ রাখলাম। এ পর্যায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রণয়নের প্রক্রিয়ার বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য দাঁড়ান মাসদার হোসেন মামলার অন্যতম কৌঁসুলি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন। রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ওই বিধিমালা সংশোধন করে দেন আপিল বিভাগ। ওই খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে তা দাখিল করতে গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এরপর থেকে রাষ্ট্রপক্ষ দফায় দফায় সময় নিয়েছে। সবশেষ সংশোধিত খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে জমা দেয় আইন মন্ত্রণালয়। এই খসড়া সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ অনুসারে হয়নি বলে জানিয়ে দেন আপিল বিভাগ।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শাহবাগে ইমরান এইচ সরকারকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ

ডেস্ক: রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জাদুঘরের সামনে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সংগ্রহ করছিলেন ইমরান এইচ সরকারসহ গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে এলে বাগবিতণ্ডা হয়।

 এসময় জিয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী হকিস্টিক ও লাঠিসোটা দিয়ে ইমরানসহ বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।

এ প্রসঙ্গে ইমরান এইচ সরকার  বলেন, কতিপয় দুষ্কৃতকারী হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা বলে, কিসের বন্যা দেশে কোনো বন্যা নেই। এই বলে পাথর ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা শুরু করে। আমিসহ আমাদের পাঁচ কর্মী আহত হয়। আমরা মামলা করব। বর্তমানে শাহবাগ থানায় আছি।

এ প্রসঙ্গে জিয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। আমি সিনেটে প্রোগ্রামে ছিলাম। তবে যেহেতু ইমরান এইচ সরকার দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করেছে সেহেতু সাধারণ শিক্ষার্থীরা এমন করতে পারে।

জাগো নিউজ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে স্মার্ট কার্ড তুলতে পারবেন আপনি

মুমিন আহমেদ : রাজধানী ঢাকাসহ অনেক বিভাগীয় শহরে উন্নত মানের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। কোথাও কোথাও শেষও হয়েছে। গত বছরের অক্টোবরে এ কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে স্মার্ট কার্ড তুলতে পারেননি যারা, তাদের এখন বিশেষ ব্যবস্থায় এটি নিতে হবে।

ইসির (নির্বাচন কমিশন) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি উইং) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট নির্বাচনী থানা রয়েছে। বিতরণের সময় শেষ হলেও যারা স্মার্ট কার্ড তুলতে পারেননি তারা মূল আইডি কার্ডের একটি ফটোকপি নিয়ে ওই নির্বাচনী থানার কর্মকর্তার কাছে যেতে হবে। ওই কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে যেতে হবে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনে। সেখানে দশ আঙুলের ছাপ ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি দেয়ার পর দায়িত্বরতরা ফটোকপি করা আইডিতে লিখে দেবেন, দশ আঙুলের ছাপ ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেয়া হয়েছে। এরপর ওই কাগজ নিয়ে আবার যেতে হবে নিজ নিজ নির্বাচনী থানা অফিসে। সেখানে ফটোকপি ও আগের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে স্মার্ট কার্ড তুলতে হবে।

আর ঢাকা সিটি করপোরেশনের বাইরে অন্য সিটির ভোটাররা থানা নির্বাচনী অফিসে গেলেই জানতে পারবেন কোথায় আঙুলের ছাপ ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি দিতে হবে।

এ বিষয়ে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম জানান, স্মার্ট কার্ড বিতরণের সময় ঘোষণা দেয়া হয়। কেউ সেই সময় তুলতে না পারলে বিশেষ এ ব্যবস্থায় তুলে নিতে পারবেন। সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে এভাবে সারা বছরই স্মার্ট কার্ড তোলা যাবে। তবে দ্রুত তুলে নিলেই ভালো হয়।

সবাইকে স্মার্ট কার্ড দিতে আরও দুই বছর

জানা যায়, নয় কোটি ভোটারের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র এক কোটির বেশি নাগরিক স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেককে স্মার্টকার্ড দেয়ার ঘোষণা দিলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি এটি সবার কাছে পৌঁছে দিতে আরও দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

দরকারি সরঞ্জামের অভাবে থমকে আছে এ প্রকল্প। বিদেশি ঠিকাদারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এখন নিজেরাই স্মার্ট কার্ড তৈরি ও বিতরণের উদ্যোগ নেয় ইসির এনআইডি উইং। এজন্য ইসিকে কারিগরি সহযোগিতা দিতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. হায়দার আলী  বলেন, সবাইকে কার্ড দিতে আরও অন্তত দুই বছর লাগতে পারে। আঙুলের ছাপ ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেয়ার জন্য যে ১০০ জোড়া যন্ত্র দিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, এর ৩৭ জোড়াই এখন অচল।

দেশেই স্মার্ট কার্ড তৈরির উদ্যোগ

চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করায় স্মার্ট কার্ড সরবরাহকারী ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান ওবের্থার টেকনোলজিসের (ওটি) সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে নিজেরাই স্মার্ট কার্ড তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ইসি।

ইসি সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ  বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কার্ড সরবরাহ করতে পারেনি ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠানটি। আগামীতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় স্মার্ট কার্ড তৈরি করবে কমিশন। এজন্য তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে ইসি। ফলে স্মার্ট কার্ড বিতরণে দেরি হলেও টাকা সাশ্রয় হবে।

ইসি সূত্র জানায়, ফান্সের ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ৮১৬ কোটি টাকার চুক্তি করে ইসি। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নয় কোটি স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেয়ার কথা। কিন্তু পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এজন্য চুক্তির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়। জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা পর্যায়ে মাত্র এক কোটি ৯৮ লাখ (১২ দশমিক ২০ শতাংশ) কার্ড পৌঁছাতে সক্ষম হয়। এখনও দুই কোটি ৩৬ লাখ চার হাজার পিস ব্ল্যাঙ্ক (ফাঁকা) কার্ড আসেনি। ইতোমধ্যে ৫১ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিল নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কমবেশি আরও ৩০ মিলিয়ন ডলার তাদের পাওনা রয়েছে। এজন্য ইসি চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

এখন বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির মাধ্যমে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র ছাপানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে একাধিক নমুনা কার্ডও ইসিকে সরবরাহ করেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মানসম্মত শিক্ষায় বাধা উপবৃত্তি প্রকল্পের শিউর ক্যাশ

মো. মাসুদুর রহমান: ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গবন্ধু একযোগে সাইত্রিশ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি। এর মধ্যে মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য আই সি টি বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করা হয়। দেওয়া হয় শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ।

সব শিশুই যাতে শিক্ষার আওতায় আসে সেজন্য শতভাগ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম চালু করা হয়। ইতোপূর্বে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হতো ব্যাংকের মাধ্যমে। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত উপবৃত্তি কার্ডে তথ্য সংযুক্ত করে বিতরণ করা হতো এই উপবৃত্তির অর্থ। এভাবে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের জুন মাস পর্যন্ত উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হয়েছিল।

২০১৬ খ্রিস্টাব্দের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এই ছয়মাসের এক কিস্তির অর্থ প্রদান করা হয় রুপালী ব্যাংকের শিওরক্যাশের মাধ্যমে। তাই প্রয়োজন হয়েছিল প্রতিজন সুবিধাভোগীর জন্য শিওরক্যাশের একাউন্ট খোলার। রুপালী ব্যাংক শিওরক্যাশের একাউন্ট খুলতে শিক্ষকদেরকে কাজে লাগিয়েছেন। দেখা গেছে, শিক্ষকরা শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রেখে ৪/৫ দিন ধরে এক নাগারে এই শিওরক্যাশের একাউন্ট খোলার ফরম পূরণ করছেন। এর পরে আছে টপশিট তৈরি ও সংশোধন। এ এক মহা কর্মযজ্ঞ। অত:পর বিতরণ করা হয়েছিল জুলাই-ডিসেম্বর কিস্তির উপবৃত্তির টাকা।
শিওর ক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রদানে অনেক বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। ২০ থেকে ২৫ ভাগ অভিভাবক এখন পর্যন্ত গত ছয় মাসের টাকা মোটেও পাননি। আবার গত কয়েকদিন থেকে শুরু হয়েছে নতুন বিড়ম্বনা। ভুলে ভরা শিওর ক্যাশের তথ্য আপডেট করতে হিমশিম খাচ্ছেন শিক্ষকরা। সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শ্রম দিয়ে সেই তথ্য নির্দিষ্ট ছকে সংযোজন ও সংশোধন করতে হয় তাদের। আবার দু’এক দিন পর পর নতুন নতুন ফরম্যাটে তথ্য প্রদান, যেন এক বিরক্তিকর অবস্থা। এ বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যের জন্য শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করলে তারা কিছুই বলতে পারেন না। এভাবে ছোটাছুটি আর হয়রানির শিকার হতে হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।

বহুবছর যাবৎ শিক্ষকগণ শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম বহির্ভুত কিছু কাজে যুক্ত। যেমন- ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আদমশুমারি, অর্থনীতি শুমারি, কৃষিশুমারি, মৎস্যজীবী শুমারি, বিস্কুট বিতরণ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম ইত্যাদি। অথচ শিক্ষকদেরকে শ্রেণিতে পাঠদানে ব্যস্ত থাকার কথা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫৭ ধারায় মামলা : খুলনার সেই ওসিকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ছাগল মারা যাওয়া নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাংবাদিক গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় খুলনার ডুমুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাসকে খুলনা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার রাতে পুলিশ হেড কোয়াটার্সের নির্দেশে খুলনার পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্যা তাকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করেন। রাত সাড়ে ৮টায় ওসি সুকুমার বিশ্বাস ডুমুরিয়া থানার ওসি তদন্ত আব্দুল খালেকের নিকট দায়িত্ব বুঝে দেন।

জানা যায়, গত ২৯ জুলাই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি তার নিজ এলাকা ডুমুরিয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের (এফসিডিআই) আওতায় কয়েকজন দুস্থের মাঝে হাঁস, মুরগি ও ছাগল বিতরণ করেন। জুলফিকার আলী নামে দক্ষিণ ডুমুরিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির পাওয়া ছাগল ওইদিন রাতেই মারা যায় বলে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত সোমবার রাত ৯টার দিকে সুব্রত ফৌজদার নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মোড়লের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ওই দিন রাত আড়াইটার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সাংবাদিক লতিফ মোড়ল স্থানীয় একটি দৈনিকের ডুমুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় মামলায় সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় খুলনাসহ সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

মামলা দায়েরের পর ডুমুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, মামলার বাদী সুব্রত। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর বিতরণ করা ছাগল মারা যাওয়া সংক্রান্ত সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করেন লতিফ। এতে প্রতিমন্ত্রীর সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই লতিফের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা করেছেন তিনি। এদিকে, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাংবাদিক লতিফ মোড়ল খুলনা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন।

-ইত্তেফাক

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free