বিশেষ সংবাদ

পদোন্নতি পেলেও ঝুঁকিভাতা আর কমবে না পুলিশের

ডেস্ক,১৩ এপ্রিল: অবশেষে চাকরির মোট মেয়াদকাল গণনা করে পুলিশকে ঝুঁকিভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জারি করেছে সরকার। ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপনও বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে পদোন্নতি পাওয়ার পরও আর ঝুঁকিভাতা কমবে না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দুই বছর ধরে ঝুলে থাকা পুলিশের ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত জটিলতার নিরসন হলো।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব লায়লা মুনতাজেরী দীনার সই করা এক প্রজ্ঞাপনে ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বুধবার (১১ এপ্রিল) সই করা প্রজ্ঞাপনটি বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুলিশ বাহিনীর এসআই, সার্জেন্ট, টিএসআই এবং এর থেকে নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীদের চাকরির বয়সভিত্তিক ঝুঁকিভাতার হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন করা হবে। এ লক্ষ্যে ঝুঁকিভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন পদ থেকে পদোন্নতি হলে মোট চাকরিকাল গণনা করে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে ঝুঁকিভাতা দেওয়া হবে। অর্থাৎ, এই আদেশের ফলে ঝুঁকিভাতার আওয়াতায় থাকা পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে প্রবেশের তারিখ থেকে ঝুঁকিভাতা পাওয়ার মেয়াদ গণনা করা হবে। পদোন্নতি পেলেও ওই উচ্চপদ থেকে নতুন মেয়াদ গণনা করা হবে না।
ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত গত বছরের ২৩ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনও বাতিল করা হয়েছে। এই আদেশ ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলেও আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একজন পুলিশ সদস্য কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে এএসআই হলে তার চাকরির মেয়াদ নতুন করে গণনা শুরু হতো। ঝুঁকিভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার পদোন্নতির আগের চাকরির বয়স গণনা করা হতো না। এতে কনস্টেবল থাকাকালীন তিনি যে ঝুঁকিভাতা পেতেন, এএসআই হওয়ার পর তা কমে আসত। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ছিল পুলিশ সদস্যদের মধ্যে। এ নিয়ে এ বছরের ৭ জানুয়ারি বাংলা ট্রিবিউনে ‘পদোন্নতির পর ঝুঁকিভাতা কমে যায় পুলিশের!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের তিন মাসের মাথায় পুলিশের ঝুঁকিভাতা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করলো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘর ভাঙলো ইমরান এইচ সরকারের

ডেস্ক রিপোর্ট : গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কন্যা নাদিয়া নন্দিতা ইসলামের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস জাকির হোসেন বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মেয়ের সম্মতিক্রমে তিন মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। উভয় পরিবারের মধ্যে বিষয়টি গোপন ছিল। মন্ত্রী সোমবার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় একাধিক মন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের প্রধান ইন্ধনদাতা ইমরান এইচ সরকার। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উস্কানিদাতাদের অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে, সে যে-ই হোক না কেন। ইমরান আর আমার মেয়ের স্বামী নন। তিন মাস আগেই পারিবারিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ হয়েছে।

এ বিষয়ে ইমরান এইচ সরকারের মন্তব্য জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হন। তিনি বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে বিষয়টি জেনেছেন।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে মন্ত্রীকন্যা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাদিয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইমরান এইচ সরকার।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারিতে গণজাগরণ মঞ্চ গঠনের পর থেকে মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন ইমরান এইচ সরকার। এরপর থেকে বাংলাদেশে আলোচিত একটি মুখ চিকিৎসক ইমরান এইচ সরকার। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাস করেন কুড়িগ্রামের সন্তান ইমরান। ছাত্র থাকাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চলন্ত বাসে আবার ধর্ষণ ঢাকার ধামরাইয়ে

বিবিসি ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছে ধামরাইয়ে একটি চলন্ত বাসে ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.রিয়াজউল হক বলছিলেন, লোকাল একটা বাসে একজন তৈরি পোশাক শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

তিনি বলছিলেন এই বাসের কোন নাম নেই, এটা লোকাল বাস এবং শ্রমিকরা এতে যাওয়া-আসার কাজ করে।

মি.হক বলছিলেন রাত আনুমানিক দুইটার দিকে ঐ বাসে বাসের চালক, হেলপার এবং তাদের সাথে আরো তিনজন ছিল। তারা ধর্ষণ করে ঐ গার্মেন্ট শ্রমিককে।

পুলিশ বলছে মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলাটি করেছে।

মেয়েটি এখন তাদের হেফাজতে রয়েছে।

বাংলাদেশে এর আগেও চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

গত বছরের অগাস্টে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসের মধ্যে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে জঙ্গলে লাশ ফেলে দেয়।

ঐ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

পুলিশ বলছে, টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক তরুণীর মৃতদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছিল।

তাঁর আত্মীয়-স্বজন ছবি দেখে লাশ সনাক্ত করার পর তরুণীটিকে বাসের মধ্যে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার এই ঘটনা ফাঁস হয়।

সেই ঘটনার ছয় মাসের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন হয় যেটা বাংলাদেশে বিরল। ঐ ঘটনায় পাঁচ আসামীর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড আর একজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়ে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। এ টাকা এবং যে বাসে ঘটনাটি ঘটেছে সে বাসটি আদালতের আয়ত্তে নিয়ে রূপার পরিবারকে দেয়ার নির্দেশও দেন আদালত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় চুরি-ডাকাতি আতংক, রাত জেগে গ্রামে গ্রামে পাহাড়া, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্ন

ড়মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী :
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ডাকাতি ও ছিচকে চোরের উপদ্রপ বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার দু’টি ইউনিয়নের অন্তত: ১০টি গ্রামে মানুষ রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর পর কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষ এখন নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে পাহাড়া দিতে শুরু করেছে।
গত এক মাসে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারায় হিট বাংলাদেশের অফিস, চাদঁপাড়া গ্রামের শিক্ষক শেখর মন্ডলের বাড়ী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সখানাত বিশ্বাস, অতুল চন্দ্র বিশ্বাস, বিকাশ বিশ্বাস এবং চাকামইয়া গ্রামের নিশানবাড়িয়া গ্রামের শিক্ষক নির্মল সরকার, পরিমল সরকারের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেকটি বাড়ীতে মুখোশধারীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বার্নালংকার সহ নগদ টাকা লুট করে নেয়।
এছাড়া পৌরশহরের মংগলসুখ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষক আলমগীর হোসেনের বাড়ীতে দিনে দুপুরে ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে ঢুকে স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। গত শুক্রবার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের যতিন্দ্র নাথের বাড়ী এবং সোমবার সন্ধ্যায় পৌরশহরের চিংগড়িয়া এলাকার সুভাষ মজুমদারের বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষের মধ্যে আতংক বেড়ে গেছে। এদের কেউই ভয়ে আইনের আশ্রয় নেয়নি এবং পুলিশও এটিকে চুরির ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে গেছে জানিয়েছেন ভ‚ক্তোভোগীরা।
চুরি ঠেকাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা, নেয়ামতপুর, ইসলামপুর, চাঁদপাড়া, আদমপুর, আমিরাবাদ। এছাড়া চাকামইয়া গ্রামের কাঁঠালপাড়া, নিশানবাড়িয়া, গান্ধাপড়া সহ বিভিন্ন গ্রামে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ করে পাহাড়া দিচ্ছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক আনোয়ার হোসেন জানান, পরপর কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটায় মানুষ রাত জেগে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ করে পাহাড়া দিচ্ছে। একই ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের অনিল চন্দ্র ডাকুয়া জানান, তার বাড়ীর কাছে যতিন্দ্র নাথের বাড়ীতে সন্ধ্যায় চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে।
ওই গ্রাম সহ পাশের গ্রামের মানুষ এখন নিজেদের জানমাল রক্ষায় নিজেদের উদ্যোগে পাহাড়া দিচ্ছেন। চাকামইয়া ইউনিয়নের কাঁঠালপাড়া এলাকার গনি মিয়া জানান, শিক্ষক নির্মল সরকারের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনার পর কাঁঠালাপাড়াসহ আশে পাশের গ্রামের মানুষ একেক গ্রুপে ৪/৫ জন করে রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে।
এদিকে সম্প্রতি কলাপাড়া পৌর শহরের চিংগড়িয়া এলাকায় ডাকাতি রোধে পুলিশের হ্যান্ড মাইকিংয়ের কারনে নির্ঘুম রাত কাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের। পুলিশও রাতভর পেট্রোল ডিউটি করে ওই এলাকায়। চিংগড়িয়া অধিবাসী ও কলাপাড়া চৌকি আদালত আইনজীবি কল্যান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাথুরাম ভৌমিক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কলাপাড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা আমার কানে এসেছে। যেসব এলাকায় মানুষ পাহাড়া দেয় সেখানে মাঝে মাঝে পুলিশ পেট্রোল ডিউটি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরকীয়ার জেরে রথীশ চন্দ্রকে হত্যা করা হয়

রংপুর ব্যুরো,শিক্ষাবার্তা ডটকম:
রংপুর:  র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ বলেছেন, প্রাথমিক তদন্ত মতে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে পরিবারের অবিশ্বাস, দ্বন্দ্ব, অশান্তির কারনে রংপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনাকে গত ২৯ মার্চ রাতেই নিজ শয়ন কক্ষে হত্যা করা হয়।
এরপর তার লাশ আলিমিরাতে করে বাড়ি থেকে অর্ধ কিলোমিটার দুরে একটি পরিত্যক্ত বাসার খোলা কক্ষের মাটির নীচে বস্তাবন্দি করে পুতে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার দীপা ভৌমিক, তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার বেলা ১২ টায় র‌্যাব-১৩ এর সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, র‌্যাব-১৩ ভারপ্রাপ্ত অধিনায় মেজর আরমিনসহ পুলিশ ও র‌্যাবের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এসময় র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, র‌্যাব-১৩ এর পাশাপাশি ঢাকা থেকে একটি বিশেষজ্ঞ টিম আইনজীবি রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তার ভাই সুশান্ত ভৌমিক কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাহিকতায় র‌্যাবের গোয়েন্দা টিম তথ্য পেয়ে মঙ্গলবার বাবু সোনার স্ত্রী স্নিগ্ধাকে র‌্যাবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার দীপা বাবু সোনাকে হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ও মৃতদেহর অবস্থান জানায়।
এসময় স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার দীপা র‌্যাবকে জানায়, পারিবারিক কলহ, পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়ে সে তার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। একাজে তাকে সহযোগিতা করে তার পরকীয়া প্রেমিক কামরুল ইসলাম।
ব্রিফিংয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিক তদন্ত ও তার স্ত্রীদের দেয়া স্বীকারোক্তি মতে, দুই মাস আগেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ রাতে তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাবু সোনার স্ত্রীর দীপা ভৌমিকের সহকর্মী ও পরকীয়া প্রেমিক কামরুল ইসলামের নির্দেশে তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সবুজ ইসলা ও রোকনুজ্জামান তাজহাট মোল্লাপাড়ায় কামরুলের বড় ভাইয়ের পরিত্যাক্ত বিল্ডিংয়ের খোলা রুমের বালু খুড়ে রাখে।
এরপর ২৯ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে স্ত্রী দীপা ভৌমিক ভাত ও দুধের সাথে ১০ টি ঘুমের বড়ি খাওয়ান বাবু সোনাকে। এরপর বাড়ির পেছন দরজা দিয়ে প্রবেশ শয়ন কক্ষে প্রবেশ করায় প্রেমিক কামরুল ইসলামকে। এক পর্যায়ে বাবু সোনা অচেন হয়ে পড়লে  স্ত্রী দীপা ভৌমিক ও পরকীয়াা প্রেমিক কামরুল মিলে বাবু সোনার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শয়নকক্ষেরর আলমিরাতে লাশ রেখে দেয়। পরের দিন ৩০ মার্চ শুক্রবার সকাল ৫ টায় শয়ন কক্ষ থেকে বের হয়ে যায় কামরুল। সকাল ৯ টায় কামরুল মাস্টার লাশ গুম করার জন্য একটি ভ্যান নিয়ে আসে এবং আলমিরা ঠিক করার কথা বলে ভ্যানে করে আলমিরাতে থাকা লাশ নিয়ে আগে থেকে মাটি খুড়ে রাখা সেই বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে বেলা ১১ টার মধ্যে আলমিরা থেকে লাশ নামিয়ে বস্তাতে ভরে পুতে রাখে। বাড়ি থেকে আলমারি বহন করে ভ্যানে তোলার জন্য তিনজন লোকও ঠিক করে ওই কামরুল মাস্টার।
স্ত্রীর দেখিয়ে দেয়া মুত দেহের অবস্থান মতে মঙ্গলবার রাতে মোল্লাপাড়ায় কামরুল মাস্টারের বড় ভাইয়ের পরিত্যাক্ত বাড়ির খোলা রুমের মাটির নিচ খুরে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
র‌্যাব মহা পরিচালক জানান, আমরা তার স্ত্রী এবং দুই ছাত্রকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছি। কি ধরনের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে তা মেডিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে পরে জানা যাবে। আমরা আশাকরি এ ঘটনার সাথে জড়িতের আইনের আওতায় নিয়ে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এর আগে র‌্যাবের মহাপরিচালক হেলিকপ্টার যোগে রংপুরে আসেন। পরে তিনি লাশ উদ্ধার হওয়ার স্থান এবং বাবু সোনার বাড়ি পরিদর্শন শেষে র‌্যাব-১৩ সদর দপ্তরে যান।
প্রসঙ্গত: রংপুরের কাউনিয়ায় জাপানি নাগরিক হোসিও কোনি এবং মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলার সরকার পক্ষের প্রধান কুশলী রংপুর বিশেষ জজ আদালতের বিশেষ এ্যাডভোকোটে রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা গত ৩০ মার্চ নিখোজ হয়েছেন মর্মে বেলা ৩ টার দিবে প্রথমে তার স্ত্রী দেবর সাংবাদিক সুশান্ত ভৌমিককে জানান। এসময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। ঢাকা থেকেই তিনি বিষয়টি রাত ১১ টায় পুলিশ সুপারকে জানান। এরপর থেকে তার সন্ধানে রংপুরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ আন্দোলনে নামে।
এ্যডভোকেট রশিথ চন্দ্র ভৌমিক বাবু সোনা রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, রংপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ছাড়াও তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি, সম্মিলিক সাংস্কৃতিক জোট, সুজন, দুর্নীতি বিরোধী প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সাক্ষী। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আজহারুলকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। মামলাটির এখন আপিল শুনানি চলছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জন্মের পর রাস্তায় নবজাতক : হাসপাতালে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২ এপ্রিল:

মিরপুর স্টেডিয়াম গলির মুখে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি বাচ্চার কান্নার আওয়াজ ও নড়াচড়া দেখতে পান নাফিসা ইসলাম অনন্যা। তার খবরে ছুটে আসেন স্বামী ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান আহাদ। মাতৃ স্নেহে বুকে নিয়ে বুঝতে পারেন নবজাতকের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। এরপর নিজ পরিচয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন নাফিসা-মেহেদী দম্পতি।

ঘটনাটি গত ২৫ মার্চ রোববার দিনগত রাতের। রাজধানীর মিরপুর এম আর খান শিশু হাসপাতালে চারদিন চিকিৎসার পর আসাদগেইট সংলগ্ন কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় সেখান থেকে নেয়া হয় শ্যামলীস্থ শিশু হাসপাতালে।

শিশুটি উদ্ধার ও চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়া নাফিসা ইসলাম চিত্রকর ও চ্যানেল আইয়ের আর্টিস্ট। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নির বোনের মেয়ে। সোমবার দুপুরে কেয়ার হাসপাতালে কথা হয় নাফিসার সঙ্গে।

তিনি জানান, গত ২৫ মার্চ (রোববার) রাত সাড়ে আটটার দিকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে হেঁটে যাবার সময় শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে দাঁড়িয়ে যান। এরপর কাছে গিয়ে ওড়নায় পেচানো অবস্থায় নবজাতক শিশুর নড়াচড়া দেখে কোলে তুলে নেন।

তিনি বলেন, ‘দেখেই বুঝতে পারি বাচ্চাটির জন্ম কিছুক্ষণ আগে। শরীরে তখনো জন্মের আভা স্পষ্ট। নাড়ি দিয়ে পেচানো নবজাতক শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। দ্রুত নিজের পরিচয় দিয়ে মিরপুর এম আর খান শিশু হাসপাতালে পপি নামে ভর্তি করাই।’

‘চিকিৎসকরা বাচ্চাটির বাঁচানোর আশাই প্রায়ই ছেড়ে দিয়েছিল। আমার মধ্যে অদ্ভুত খারাপ লাগা কাজ করছিল। কান্নায় ভেঙে পড়ি। মনে হচ্ছিল বাচ্চাটি আমারই। অনেক অনুরোধের পর আমার জিম্মায় সেখানে ভর্তি করে অক্সিজেন দেয়া হয়। নীল হয়ে যাওয়া বাচ্চাটি ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে থাকে। ২৯ তারিখ রাতে চিকিৎসকরা ভেন্টিলেশন দেয়ার কথা জানান, যা ওই হাসপাতালটিতে (এম আর খান শিশু হাসপাতাল) নেই। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে আসাদগেইট সংলগ্ন কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’ -বলেন তিনি।

চিত্রকর ও চ্যানেল আইয়ের আর্টিস্ট নাফিসা বলেন, আমার মধ্যে অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করছিল। আমার কাজের শত ব্যস্ততা ফেলে শিশুটিকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। ওকে সুস্থ করে আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান পেলে ফিরিয়ে দেব। নইলে কোনো নিঃসন্তান দম্পতির কোলে তুলে দেব।

বাচ্চাটি উদ্ধার শেষে মিরপুর এম আর খান হাসপাতালে ভর্তির পর মিরপুর মডেল থানায় বিষয়টি জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন নাফিসা। জিডি নং ১৮৮২।

নাফিসার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান আহাদ বলেন, নবজাতকটিকে বাঁচানোটাই ছিল আমাদের ইচ্ছে। যে কারণে ছুটোছুটি করেছি। হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটে চলেছি।

jagonews24

কেয়ার হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার রুমা পারভীন জানান, শিশুটিকে ভেনটিলেশনে প্রথমে শতভাগ অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিল। এখন তা কমানো হয়েছে। সি পাইপ দিয়ে ৮০ ভাগ অক্সিজেন যাচ্ছে। ধীরে ধীরে এর পরিমাণ কমিয়ে বাচ্চাটি সার্ভাইভ করতে পারবে। প্রি ম্যাচিউর্ড হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া জন্ডিসের সমস্যাও রয়েছে।

এ ব্যাপারে মিরপুর মডেল থানার এসআই আকলিমা খাতুন জানান, আমরা বিষয়টি অবগত। শিশুটির যেহেতু চিকিৎসা জরুরি, সেটি গুরুত্বসহ দেখা হচ্ছে। শিশুটিকে উদ্ধারকারী নাফিসার সাথে আমার যোগাযোগ হচ্ছে। সুস্থ হওয়ার পর নাফিসার সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পর্যন্ত সনদপত্র স্কুল থেকেই দেয়ার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক | : ‘স্কুলই এসএসসি পর্যন্ত সার্টিফিকেট দেবে। বিশ্বব্যাপী এটাই স্বীকৃত নিয়ম। ১০ বছর ধরে যাঁরা শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন, তাঁরাই তাদের মূল্যায়ন করবেন। আর স্কুলের মূল্যায়ন করবে সমাজ। এসএসসির পর শিক্ষার্থীরা যেখানে যাবে, তখন তারাই পরীক্ষা করে নেবে, সে উপযুক্ত কি না। আর স্কুলের অধীনে পরীক্ষা হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাই নিজেদের দায়িত্ববোধ থেকে চলবে।’
 শুক্রবার (২৩ মার্চ) ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারের মূল প্রবন্ধে এমন প্রস্তাব তুলে ধরেন অধ্যাপক এ এন রাশেদা। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
প্রবন্ধে বলা হয়, ‘শিক্ষার্থীরা ষাণ্মাষিক ও বার্ষিক—বছরে দুটি পরীক্ষা দেবে। এ ছাড়া প্রতি মাসে প্রতি বিষয়ে অবশ্যই কুইজ হবে। কুইজের ২০ শতাংশ নম্বর যোগ হবে ষাণ্মাষিক ও বার্ষিক পরীক্ষায়। শিক্ষার্থীদের সারা বছর লেখাপড়া অব্যাহত রাখার স্বার্থে জাতীয় দিবস পালনসহ প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, শিক্ষা সফর প্রভৃতি অবশ্যই পালনীয় হিসেবে থাকতে হবে। ১০ বছরের শিক্ষা রিপোর্টের অর্জিত মার্কসের ১০ শতাংশ শেষ রিপোর্টে যুক্ত করতে হবে।’
অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু সাঈদ, সাংবাদিক প্রণব সাহা, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক এম শামসুল আলম, সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুসরাত সুলতানা, অধ্যাপক আ মু মুয়াজ্জাম হুসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও মান বাড়েনি। কারণ এ জন্য একটা ইউনিফর্ম সিস্টেম প্রয়োজন। আর সেটা করতে গেলে টাকার প্রয়োজন। কিন্তু জিডিপিতে শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ার বদলে কমছে।’
অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘শিক্ষায় জরুরি অবস্থা চলছে। যাঁরা স্কুল-কলেজ পরিচালনা করছেন তাঁরা নিজেরাই কিছু জানেন না। তাহলে শিক্ষার মান উন্নতি হবে কিভাবে? বুয়েটকে পর্যন্ত ব্যবসায় নামানো হয়েছে। তারা পদ্মা সেতুর কাজও করছে। তাহলে শিক্ষার উন্নয়নে তারা সময় দেবে কিভাবে?’
খন্দকার মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের আমলা, রাজনীতিবিদদের সন্তানেরা এ দেশে পড়ে না। তাই বাংলাদেশের শিক্ষার ব্যাপারে তাঁদের কোনো আগ্রহও নেই। অথচ তাঁরা আবার শিক্ষা সংস্কারে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এটুআই ICT4E জেলা এম্বাসেডর নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস ২০১৮ সালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এটুআই ICT4E জেলা এম্বাসেডর হিসাবে নিয়োগ পেয়েছে। শিক্ষায় আইসিটি উদ্যোগগুলোকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় ‘আইসিটি ফর এডুকেশন’ এম্বাসেডর নির্বাচন করা হয়েছে। উল্লেখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একমাত্র প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাসকে চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা এম্বাসেডর হিসাবে সিলেকশন করেছে।
এটুআই এর কারিগরি সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সারাদেশে প্রায় ২৩ হাজার ৩শ ৩০-টিরও বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা এবং ৮হাজার৯শ২৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে। সকল শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘শিক্ষক বাতায়ন’ তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে ২,৭০,০০০-এর অধিক শিক্ষক তাদের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট আপলোড এবং ডাউনলোড করার পাশাপাশি বন্টন ও কমেন্টের মাধ্যমে তাদের চিন্তাভাবনা ও মতামত বিনিময় করছেন। শিক্ষায় আইসিটি উদ্যোগগুলোকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় ‘আইসিটি ফর এডুকেশন’ এম্বাসেডর নির্বাচন করা হয়েছে। ‘শিখুন- যখন যেখানে ইচ্ছে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকারি- বেসরকারি অংশীদারদের নিয়ে বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বড় ই-লার্নিং প্লাটফর্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এটুআই প্রোগ্রাম। এরই ধারাবাহিকতায় দর্শনায় গণিত বিষয়ে প্রশিক্ষক এবং আইসিটিতে অত্যন্ত দক্ষ স্বরুপ দাসকে জেলা এম্বাসেডর হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারী কর্মচারীদের স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে ॥ মুহিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রযুক্তির কল্যাণে জ্ঞানের জগতও উন্মুক্ত। তাই জবাবদিহি করতে হবে বিষয়টি মাথায় রেখে সকল সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীকে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সোমবার বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের যৌথ উদ্যোগে ‘সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম, দুদক সচিব ড. মোঃ শামসুল আরেফিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার) এএনএম জিয়াউল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রেজোয়ান হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

অর্থমন্ত্রী সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের সকল কাজ হতে হবে জনকল্যাণমূলক এবং গোষ্ঠী স্বার্থ থাকলে কোন কাজই জনকল্যাণমূলক হবে না এটাও মাথায় রাখতে হবে। বর্তমানে দেশের সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ায় অনেক গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর কেউ গোপনীয়তার সংস্কৃতি অনুসরণ করে না। এখন দেশে তথ্য অধিকারসহ বিভিন্ন আইন রয়েছে যার মাধ্যমে যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তি সরকারী কর্ম-প্রক্রিয়ার যে কোন পর্যায়ের তথ্য চাইতে পারে। তাই প্রত্যেককেই আইন অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি কাজেই স্ববিবেচনার সুযোগ রয়েছে। আর এই স্ব-বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হলে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, সচিবালয় নির্দেশমালা না মানা দুর্নীতির একটি উৎস হতে পারে। কালক্ষেপণই দুর্নীতির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় নির্দেশমালা ২০১৪ অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে বিষয় (মামলা) নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে বলেন। একইসঙ্গে সময়াবদ্ধ সময়ে বিষয় নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান। বিজনেস প্রসেস রিইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, পদ্ধতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই দুর্নীতির অনেক উৎস বন্ধ করা যায়। দুদক চেয়ারম্যান, ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অথবা অধীন অধিদফতরের অন্তত একজন করে দুর্নীতির কুখ্যাতি রয়েছে এমন নোন টু বি করাপ্ট কর্মকর্তা চিহ্নিত করে তাদের তালিকা দুদকে প্রেরণ করুন। কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি : বিকল্প চিন্তা সরকারের

ডেস্ক,১৪ ফেব্রুয়ারী: তীব্র সমালোচনার মুখেও গত আট বছরের ধারাবাহিকতায় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে মূলধন সরবরাহে চলতি বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা। কিন্তু একের পর এক অনিয়ম, আর্থিক কেলেঙ্কারি আর চরম অব্যবস্থাপনায় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত সরকারি খাতের ছয় ব্যাংকে বর্তমানে মূলধন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা। এ কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি পূরণে এবার অর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প চিন্তাও করছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি খাতের ব্যাংকগুলো জনগণকে যেসব সেবা ফ্রি দিচ্ছে সেসব সেবায় ন্যূনতম চার্জ আরোপের চিন্তা চলছে। এসব ব্যাংকের মূলধন পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে এসব বিষয় আলোচিত হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিসহ সরকারি খাতের বাণিজ্যিক তিন ব্যাংক- সোনালী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত তিন ব্যাংক- কৃষি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন (রাকাব) ও গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, বৈঠকে ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের নিকট জানতে চাওয়া হয় তাদের ব্যাংকগুলোর মূলধনের অবস্থা এত খারাপ কেন?

এ বিষয়ে প্রতিনিধিরা জানান, বেসরকারি খাতের ব্যাংক যেসব সেবায় নির্দিষ্ট হারে ফি আদায় করে এমন ৪০টি সেবায় সরকারি ব্যাংকগুলো কোনো ফি নেয় না। এসব সেবায় ফি নেয়া হলে মূলধনের অবস্থা এতটা খারাপ হতো না। এ পরিপ্রেক্ষিতে ‘ওইসব সেবায় সর্বনিম্ন চার্জ ধরে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা যায় কিনা, তা ভেবে দেখতে বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিকে অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, মূলধন ঘাটতি পূরণে সরকারের নিকট অর্থ চাওয়া হয়েছে সে অর্থ পেলে তাদের কী সুবিধা হবে? তারা কতটুকু রিকভারি করতে পারবে অর্থাৎ তাদের টোটাল বিজনেস পলিসি প্রস্তুত করে পুনরায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ খাতে চলতি বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো তাদের টোটাল বিজনেস পলিসি পাঠালে সে অনুযায়ী দুই হাজার কোটি টাকা থেকে কিছু কিছু করে দেয়া হবে। সহায়তা পেতে অনেক বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে। এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুসুর রহমান বলেন, আজকের বৈঠকে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতির সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হল-মার্ক, বিসমিল্লার মতো বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়া রাষ্ট্রমালিকানার ব্যাংকগুলোর কাঁধে আনুপাতিক হারে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের বোঝা। একই সঙ্গে এসব ব্যাংক বছরের পর বছর ভুগছে বড় আকারের মূলধন ঘাটতিতে। খুঁড়িয়ে চলা এসব ব্যাংককে গত আট বছরে বাজেট থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এরপরও সরকারি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বছরের পর বছর মূলধন জোগান দিয়ে ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার তীব্র সমালোচনা করছেন অর্থনীতিবিদরা। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাংকগুলো করা হলেও এখন তা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন বলেন, ব্যাংকগুলোতে যা হয়েছে তা নিজেদের দোষে, তাদের দুর্নীতির কারণে। সব জায়গায় ছিল অব্যবস্থাপনা আর রাজনৈতিক প্রভাব। এখন যা হওয়া উচিত তা হলো ন্যারো ব্যাংকিং।

এ অর্থনীতিবিদ বলেন, অনিয়ম, দুর্নীতি আর চরম অব্যবস্থাপনার কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে, যা আদায় করা যাচ্ছে না। ফলে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে মূলধন ঘাটতি বাড়ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোকে জনগণের করের টাকা না দিয়ে খেলাপি ঋণ আদায় করে সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের তাগিদ দেয়া উচিত।

অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলোকে সহায়তার মাধ্যমে অপচেষ্টা, চুরি এবং দিনে-দুপুরে ডাকাতিকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। খুব বেশি হলে একটি ব্যাংক রেখে বাকিগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া উচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত মিলিয়ে সরকারি খাতের ছয় ব্যাংকে ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি সাত হাজার ৬২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের ঘাটতি আট হাজার ২৮২ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে সোনালী ব্যাংকের। এ ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ১৪০ কোটি টাকা। বেসিক ব্যাংকের ঘাটতি দুই হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। এছাড়া জনতা ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। রূপালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ৬৯০ কোটি টাকা। জনতা ব্যাংক প্রথমবারের মতো ঘাটতিতে পড়েছে।

সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের কৃষি ব্যাংকের ঘাটতি সাত হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ঘাটতি ৭৪২ কোটি টাকা।

সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ও অগ্রণী ব্যাংকে কোনো মূলধন ঘাটতি নেই।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৭ সাল থেকে ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে ৪০০ কোটি টাকা অর্থাৎ ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের বেশি পরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে ১০ শতাংশ ন্যূনতম মূলধনের পাশাপাশি দশমিক ৬২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় আন্তঃ প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হযবরল। দুপুর দুটাই বিদ্যালয় বন্ধ। তদন্তের দাবী

দর্শনা অফিসঃ দামুড়হুদা দর্শনার ১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বরামনগরের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের খামখেয়ালির কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে জানান শিক্ষকরা। রোববার সকাল ১০টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনকালে পতাকা উত্তেলনকে কেন্দ্র করে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এদিকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশকে অমান্য করে দুপুর ২টায় পূর্বরামনগর সরকারী প্রাথমিক বন্ধ ঘোষনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এতে সাধারন শিক্ষকদের মধ্যে আরো ক্ষোভ দেখা যায়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার আন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ত্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আজ ছিল উদ্ভোধন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মতিয়ার রহমান। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুৃল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরু হওয়া কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের একগুয়েমির কারনে তা হয়নি। সে সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তৎক্ষনাৎ প্রতিবাদ করলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কৌশলে অনুষ্ঠান কোনরকমে শুরু করে স্থান ত্যাগ করে। এমনকি সেমময় সহকারী উপজলো শিক্ষা অফিসারকে বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি।
এদিকে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাদে বাকীদের বিদ্যালয় অবস্থান করার কথা থাকলেও পূর্বরামনগর সরকারী প্র্থামিক বিদ্যালয় তা পালন করেনি। বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের দায়িত্ব থাকলেও বাকীরা ক্লাস না চালিয়ে মাঠে অবস্থান করে। বাকী ৯টি বিদ্যালয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা বাদে সবাই বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করলেও পূর্ব রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর দুটাই বন্ধ করে দেয়।
এর পূর্বে তিনি মাইকে ঘোষনা দেন পরবর্তী দিন অথাৎ ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় চালিয়ে ১টা পর মাঠে আসতে হবে। এতেও শিক্ষকরা তীব্র প্রতিবাদ করে। পরে পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সে সময় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ স্বীকার করেন তিনি না বুঝে এরকম একটা স্ধিান্ত দিয়েছেন। আমাকে কেউ বলতে বলেনি।
এ ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, আগামীকাল কখন শিক্ষকরা মাঠে আসবে তা তার জানা নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন, বিদ্যালয় পড়াশুনার স্বার্থে বিদ্যালয় খুলে রাখতে বলা হয়েছে। তবে আগামীকাল ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় থেকে মাঠে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে শিক্ষকদের মধ্যে। সাধারন শিক্ষকদের দাবী আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। পূর্ব রামনগর বিদ্যালয়ের এক আইন আর অন্য বিদ্যালয়ের জন্য আরেক আইন এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবে না। সাধারন শিক্ষকদের দাবী হারুন অর রশিদের কারনে দর্শনায় যত সমস্যার সৃষ্টি হয়।তিনি বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ভাল হন। বিষয়টি সুস্থ তদন্তের দাবী জানিয়েছে শিক্ষকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জরুরি প্রয়োজনে ‘৯৯৯’ কাল চালু হচ্ছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার \ নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে উন্নত দেশগুলোর মতো জাতীয় ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক ‘৯৯৯’ নম্বরের সম্প্রসারিত ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল মঙ্গলবার।

সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে জরুরি পুলিশি সেবা, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারবেন। কেউ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহায়তা চাইলে সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহূর্তে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবেন।

দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে কল সেন্টারটি সার্বক্ষণিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ৯৯৯-এর ব্যবহার, প্রচার ও কমিউনিটি সেফটি অ্যাওয়ারনেস কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রথম ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক ‘৯৯৯’ এর কাঠামো তৈরির কাজ শুরু করে। ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে জনগণকে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সার্ভিসটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোফিয়াকে নিয়ে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিভিত্তিক প্রদর্শনী ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল এ আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ যন্ত্রমানবী সোফিয়া।

বুধবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিনি এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আয়োজনের বিশেষ অতিথি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন নারী রোবট সোফিয়ার সঙ্গে কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধা-যোগ্যতার বলে তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের তরুণরা দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। তারা দেশের মর্যাদা বাড়িয়ে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

‘রেডি ফর টুমরো’ বলে আগামীর জন্য তৈরি হতে নতুন প্রজন্মের তরুণদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

‘প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজ আমরা বলতে পারি ডিজিটাল বাংলাদেশ’। অথচ দশম সংসদের নির্বাচনের পর আমাদের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইশতেহার নিয়ে অনেকে ঠাট্টা করেছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা।

উদ্বোধনের পর লেজার লাইট শোয়ের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে রোবট সোফিয়াও এই শো উপভোগ করেন।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন ও সক্ষমতা তুলে ধরতেই এ আয়োজন। আয়োজন করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এ ছাড়াও আয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়ার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্প।

এ ছাড়াও পার্টনার হিসেবে রয়েছে- বাক্য, বিসিএস, ই-ক্যাব, বিআইজেএফ, বিবিআইটি, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম এবং সিটিও ফোরাম।

আজ থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে প্রদর্শনী চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন লক্ষীপুরের সেই সিভিল সার্জন

লক্ষীপুরে ভ্রাম্যামাণ আদালতে ৩ মাসের সাজা আদেশের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শরীফ।

মঙ্গলবার ( ০৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় লক্ষীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক মীর শওকত হোসেন ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন মঞ্জুর করেন। দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে কারাগার থেকে স্থানীয় চিকিৎসকরা তাকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

এসময় সাবেক সিভিল সার্জন তার প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় এবং সিনিয়র চিকিৎসক যেন অসম্মানিত ও অপমানিত না হন এ জন্য জোর দাবী জানাই। একই সঙ্গে মোবাইল কোর্টের নামে যে তৎপরতা চালানো হচ্ছে অবশ্যই এটি বন্ধ করা সহ যারা এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডা. আশফাকুর রহমান মামুন, ডা. নিজাম উদ্দিন, ডা. জাকির হোসেন, ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. হামিদ প্রমুখ।

সালাউদ্দিনের আইনজীবি রাসেল মাহমুদ মান্না জানান. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ডা. সালাউদ্দিন শরীফের জামিন আবেদন করলে আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকা দিয়ে জামিন মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশ পথে আগে পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের বড় ছেলে মিনহাজের সঙ্গে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে এডিসিকে থাপ্পড় মারেন ডাক্তার।

বাবা ছেলে ও এডিসি’র মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ ডেকে ডাক্তারকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষনের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় ডাক্তারকে।

খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সকল সেবা কার্যক্রম ও সকল হাসপাতাল ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে নিঃশর্তভাবে ওই চিকিৎসকের মুক্তি দাবিকরেন।

জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘন্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন তারা। তবে বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়ি ঘড়ি করে সাজা দেয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসককের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এসময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন বলে জানান চিকিৎসকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনার শিশুটি অটিজম কিনা বুঝে নিন!

ডেস্ক রিপোর্ট: অটিজম মস্তিষ্কজাত একটি জটিল স্নায়বিক সমস্যা। এর ফলে শিশু অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক সম্পর্ক তৈরিতে বাধাগ্রস্ত হয় এবং একই কাজ বা আচরণের পুনরাবৃত্তি করতে থাকে।

শিশুর মানসিক বিকাশের এ প্রতিবন্ধকতা মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় বা জন্মের পর ঘটে। সাধারণত, এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় শিশুদের ১৮ থেকে ৩৬ মাস বয়সে।

জিনগত কারণ বা পরিবেশগত বিভিন্ন কারণকে দায়ী করা হলেও এখনো অটিজমের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশে অটিজম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সঠিক সময়ে অটিজম আক্রান্ত শিশুকে দরকারি প্রশিক্ষণ দেয়া যায় তাহলে এরাও অন্যান্য শিশুর মতো উন্নতি করতে পারে এবং তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সামাজিকভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা যেতে পারে।

বাবা-মা যাতে শিশুর অটিজম সমস্যা দ্রুত ধরতে পারেন সেজন্য অটিজম বিশেষজ্ঞরা কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। জেনে নিন এর লক্ষণগুলো কী।
১. শিশুর বিকাশ স্বাভাবিকভাবে না হওয়া বা ধীর গতিসম্পন্ন হওয়া।
২. চোখে চোখে না তাকালে বা অন্যের চোখের দিকে তাকানো পরিহার করলে।
৩. ৬ মাসের মধ্যে বা তার পরেও যদি শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে না হাসে।
৪. আঙুল দিয়ে কোনো কিছু না দেখানো বা নির্দেশ না করা।
৫. হাত দিয়ে কোনো কিছু শক্তভাবে না ধরলে।
৬. শব্দের উৎসের দিকে ফিরে না তাকালে।
৭. ১ বছরের মধ্যে শিশুর নাম ধরে ডাকলে, সাড়া না দিলে।
৮. ১ বছরের মধ্যে মুখে কোনো শব্দ না করলে।
৯. আনন্দময় কোনো অঙ্গভঙ্গি বা প্রকাশভঙ্গি না করলে।
১০. ২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুই শব্দের কোনো বাক্য না বললে।
১১. ১৮ মাসের মধ্যে কল্পিত খেলা না খেলতে না পারলে।
১২. শিশু একা একা থাকতে পছন্দ করলে।
১৩. অনবরত হাত নাড়ানো বা দোলানো, চক্রাকারে ঘুরতে থাকা, পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে হাঁটা, নখ কামড়ানো ইত্যাদি আচরণ করলে।
১৪. ৯ মাসের মধ্যে নিকটজনদের কথা, হাসি, মুখের ভাবভঙ্গি বা অঙ্গভঙ্গির সঙ্গে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ামূলক আচরণ না করলে। যেমন-বাইরে যাবার সময় বাবা বা অন্য কেউ যখন শিশুকে টাটা দেয় তখন শিশুটির তা না দেয়া বা হাত না নাড়ানো। সূত্র: আরটিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free