বিশেষ সংবাদ

প্রাথমিকের বই ছাপার কাজ অর্ধেক মুদ্রণ হবে ভারতে

সুব্রত রায়: এবার প্রাথমিকের সাড়ে ১১ কোটি পাঠ্যবইয়ের দুই-তৃতীয়াংশ ছাপার কাজ চলে যাচ্ছে বিদেশে। এর মধ্যে আবার অর্ধেক বই ছাপার কাজ পাচ্ছে ভারত। ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের ১১ কোটি ৫৭ লাখ বই ছাপার জন্য ৯৮টি লটে ভাগ করে দরপত্র আহবান করা হয়। ৯৮টি লটের মধ্যে ভারত ৪৮টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। এ ছাড়া চীন আট এবং দণি কোরিয়ার সাতটি প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৯৮টি লটের মধ্যে ৬৩টি লটে বিদেশী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। ৩৫টি লটে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে।
ভারত যে ৪৮টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে তার মধ্যে শুধু পিতামব্রা বুকস প্রা লি একাই ৪২টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের অপর তিনটি প্রতিষ্ঠান ছয়টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে।
তবে ভারতের পিতামব্রা বুকস ৪২টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হলেও তাদের কাজ পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানিয়েছে, পিতামব্রা যে কাগজপত্র জমা দিয়েছে তার মধ্যে একটি জাল সনদ রয়েছে। পিতামব্রা ভারতে একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাদেশে এনসিটিবির বই ছাপার অভিজ্ঞতার যে সনদ জমা দিয়েছে তা জাল বলে জানিয়েছে সূত্র। আগের চেয়ারম্যানের বরাতে তারা এ জাল সনদ জমা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি। টেকনিক্যাল কমিটি আছে তারা সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। পিতামব্রার কাজ পাওয়া নিয়ে সংশয় বিষয়ে প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়াই কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র যোগ্যতা নয়। আনুষঙ্গিক সব দিক বিবেচনা করে কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে কেউ কেউ সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে এবারো গত বছরের মতো জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তা ছাড়া ভারতের পিতামব্রা যেসব লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে তাতে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দরদাতার ক্ষেত্রে দামে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধান।
গত বছর প্রাথমিকের সাড়ে ১১ কোটি বই ছাপার পুরো কাজ পেয়েছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এবার বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন  দরদাতা না হওয়ার কারণ হিসেবে জানা গেছে তারা গত বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি দাম উল্লেখ করেছে। যেমন গত বছর প্রতি ফর্মা বই ছাপার খরচ তারা উল্লেখ করেছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা। এবার সে খরচ ধরা হয়েছে ২ টাকা ২৭ পয়সা।
এ ছাড়া বই ছাপার ক্ষেত্রে ভারতের প্রতিষ্ঠান ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় সরকার কর্তৃক যেসব সুযোগসুবিধা ভোগ করে তা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান পায় না মর্মে অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশের প্রেসমালিকদের। ফলে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান তাদের সাথে দামের প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না। যেমন বাংলাদেশের কাগজ রফতানি থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক অন্যান্য জিনিসপত্র রফতানিতে ৬১ ভাগ পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হয় যা ভারতের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না। তাদের কাগজ রফতানি করতে হয় না। ভারত থেকে যে পাঠ্যপুস্তক ছাপিয়ে আনা হয় তা আমদানিকৃত পুস্তক হিসেবে গণ্য করা হয় এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো এনসিটিবি। ভারত থেকে আনা বইয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবি ১২ ভাগ শুল্ক দেয়। ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে এ শুল্ক দিতে হলে তাদের বই ছাপার খরচ আরো অনেক বেশি পড়ত বলে জানান প্রেসমালিকরা। তা ছাড়া দেশীয় কোনো লোক এনসিটিবি থেকে কাজ পেলে যত টাকার কাজ পাবে তার ওপর শতকরা পাঁচ ভাগ ট্যাক্স কেটে রাখা হয়। এসব কারণে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হয় প্রাইমারি বই ছাপার কাজ পেতে।
প্রেসমালিকরা অভিযোগ করেছেন, দেশীয় মুদ্রণ শিল্প সুরক্ষার জন্য এবার বাজেটে বই আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ট্যাক্স বাড়িয়ে ২৫ ভাগ পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা কার্যকর হলে ভ্যাটসহ ৫০ ভাগ পর্যন্ত কর দিতে হবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু এনসিটিবি তা আমলে নিচ্ছে না। এটা বাস্তবায়িত হলে দেশীয় প্রতিষ্ঠান লাভবান হতো।
দামের ব্যবধান : ৫৫ নম্বর লটে ভারতের পিতামব্রা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে দর উল্লেখ করেছে ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। ভারতেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান কৃষ্না ট্রেডার্স ৫৫ নম্বর লটে দ্বিতীয় দরদাতা হয়েছে এবং তারা এ লটে দর উল্লেখ করেছে ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
৫৪ নম্বর লটে ভারতের পিতামব্রা সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। তারা দর উল্লেখ করেছে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। চীনের হুনান তিয়ানওয়েন জিনহুয়া দ্বিতীয় দরদাতা হিসেবে দর উল্লেখ করেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা। তৃতীয় দরদাতা ভারতের কৃষ্ণা দর উল্লেখ করেছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
৫৭ নম্বর লটে পিতামব্রা ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা দর উল্লেখ করেছে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে। দ্বিতীয় চীনের হুনান হিয়ানওয়েন জিনহুয়া ৩ কোটি ৭০ লাখ এবং তৃতীয় বাংলাদেশের কচুয়া প্রেস ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দর উল্লেখ করেছে।
এভাবে ভারতের পিতামব্রা অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে প্রায় ক্ষেত্রেই অর্ধেক দরে বই ছাপার প্রস্তাব করেছে।
গত বছর প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিকের সাড়ে ১১ কোটি বইয়ের জন্য এনসিটিবি বাজারদর যাচাই করে সম্ভাব্য দর ঠিক করে ৩৩০ কেটি টাকা। কিন্তু দেশীয় মুদ্রাকররা যে দরপত্র জমা দেয় তাতে বই ছাপার মোট খরচ উদ্ধৃত করা হয়েছে ২২১ কোটি টাকা। এনসিটিবির নির্ধারিত দরের চেয়ে এটি ১০৯ কোটি টাকা কম যা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রশ্ন ওঠে এত কম দামে কিভাবে তারা বই ছাপার কাজ করবে। তারা মানসম্মত বই দেবে না বলে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।
তবে গত বছর বইয়ের মান রক্ষা সম্ভব হয়নি এ অভিযোগ স্বীকার করেছেন মুদ্রণ শিল্প নেতৃবৃন্দ। বই ছাপার কাজ যাতে দেশেই থাকে সে জন্য গত বছর দেশীয় প্রেসমালিকেরা একজোট হয়ে অবিশ্বাস্য কম দামে বইয়ের দর উল্লেখ করেন দরপত্রে। এবার অভিযোগ পাওয়া গেছে দেশীয় প্রেসমালিকেরা বই ছাপার কাজে বেশি মূল্য নির্ধারণ করেছেন।
বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত বলেন, গত বছরের বইয়ের মান নিয়ে আমরা সত্যিই লজ্জিত। বইয়ের কাজ যেই পাক আমাদের দাবি সেটা যেন নিয়ম অনুযায়ী হয় এবং বইয়ের মান যেন ঠিক থাকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগchuadanga pic,20-5-16ঞ্জ জেলায় শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষেদের ডাকে শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন চলে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে তাকে ফাসানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার হাসান চত্তরে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় আমরা লজ্জিত। শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার জন্য সেলিম ওসমানকে গ্রেপ্তারের দাবী জানান। বক্তারা আরও বলেন , সংসদ সদস্য হিসেবে থাকার নৈতিক অধিকার তিনি হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁর রাজনীতি করার অধিকার নেই। সংসদ থেকে সেলিম ওসমানকে অভিশংসন করার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ¯িপকার এবং জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানান।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষেদের সাধারন সম্পাদক জয়ন্ত সিংহ রায় বলেন, একটি চক্র দেশেকে এবং শিক্ষা পরিবারকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য ধর্মীয় অনুভূতির কথা বলে কারা এ দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকারকে লক্ষ রাখতে হবে। এ ঘটনা হচ্ছে একটা চক্রান্ত।
ডাঃ এস কে দাস বলেন, এ ঘটনায় স্কুল ধ্বংসের চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত ম্যানেজিং কমিটি বাতিল করতে হবে এবং জাতীয় সংসদে সেলিম ওসমানের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে।
যুগ্ন সম্পাদক কিশোর কুমার বলেন এ ঘটনায় আমরা বাকরুদ্ধ, স্তম্ভিত। একজন শিক্ষককে কান ধরে ওঠবস করার দৃশ্য দেখার জন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। এ স্বাধীন বাংলাদেশ আমরা চায়নি। এ অপমান বাংলাদেশের পুরো শিক্ষক সমাজের অপমান। অনান্যেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তম রঞ্জন দেবনাথ, সুধির সান্তার, জগবন্ধু ধর, রতন কুমার সহ শতাধিক নেতাকর্মী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিপিএ ৫ পাবার পরও দারিদ্রতা তন্নির বাধা

দামুড়হুদা(চুয়াডাঙ্গা)প্রতিনিধি ঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী মোছাঃ তাহদিয়া খানম তন্নি এবছর অনুষ্ঠিত এস,এস,সি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে। সে দর্শনা পৌরসভার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মোঃ তছের আলী ও মাতা গৃহিনী মোছাঃ শাহিনা খাতুন এর বড় মেয়ে। বড় ভাই শাহরিয়ার আহমেদ বিএসসি শেষ বর্ষের ছাত্র ও ছোট বোন তাহমিদা খাতুন ছন্দা এবার পিএসসি তে জিপিএ ৫ পেয়েছে। বাবার উপার্জনের টাকা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমশিম খায়। তার উপরে পৌরসভার ৮ মাসের বেতন বাকি থাকার কারনে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সংসার চালাতে হয় । মা হাস-মুরগি পালন করে লেখা পড়ার খরচ কোনো রকমে জুগিয়েছে। মোছাঃ তাহদিয়া খানম তন্নি ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছা থাকলেও পারিবারিক দারিদ্রতা বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। ভালো রেজাল্ট করার আনন্দর পাশাপাশি ভালো কলেজে ভর্তি না হতে পারার দুঃখটা তার রয়েই গেছে। সে সকলের সহযোগিতা কামানা করেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন

darsana goldcup pic,8-5-16দর্শনা অফিস: দর্শনায় প্রাথমিক বিদ্যালয় পৌরসভা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিকাল ৫টায় দর্শনা পৌরসভার আয়োজনে দর্শনা কলেজ মাঠে পৌরসভার ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহফুজুর রহমান মনজু। প্রধান অতিথি তার বক্তবে বলেন খেলাধুলা শরীর ও মনকে প্রফুল্ল করে। শিশুদেরকে নেতৃত্ব দিতে শেখায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম , প্যানেল মেয়র রবিউল হক , প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস, সিনিয়ার সহসভাপতি হাসানুল আলম ও হেলেনা পারভীন, প্রধান শিক্ষক আরতি হালসানা, নাসিমা খাতুন,সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ(জুয়েল), ওয়ার্ড কমিশনার রেজাউল হক, আম্বিয়া খাতুন, জাহানারা, সুরাতুননেছা, প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, আছিয়া খাতুন সানোয়ারুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, ও সফিকুল সহ দর্শনা পৌরসভার সকল শিক্ষক।
উদ্বোধনী ফুটবল টুর্নামেন্টে(বঙ্গমাতা)পূর্বরামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ট্রাইবেকারে কাস্টমস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং(বঙ্গবন্ধু কাপ)ঈশ্বরচন্দ্রপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১-০ গোলে আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করেন। ফুটবল খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে শত শত মানুষ ভিড় জমায়।খেলায় ধারাভাষ্য দেন প্রধান শিক্ষক ইয়াস নবী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত।

মোঃ আজাদ হোসেন,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত ইংরাজি শিক্ষক আহাদ আলীকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদিকে, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার সময় ধর্ষনের শিকার ছাত্রীর ২২ ধারা মতে জবানবন্দী গ্রহণ করেন চুয়াডাঙ্গার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ড. এবিএম মাহমুদুল হক। পরে ওই ছাত্রীকে নাগরিক কমিটির জিম্মায় দেওয়া হলে ছাত্রীর অভিভাবক মামলার বাদি ছাত্রীকে নিয়ে যান।

শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষণের বিচার দাবিতে নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন জানান, চুয়াডাঙ্গার ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। রাতেই গ্রেফতার করা হয় ধর্ষক শিক্ষক আহাদ আলীকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় স্কুল শিক্ষক গ্রেফতার

শরিফ উদ্দিন,চুয়াডাঙ্গা: চু13য়াডাঙ্গায় ঝিনুক বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলী (৪০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাত ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গাস্থ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই ধর্ষিতার দুলাভাই মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় শিক্ষক আহাদ আলীর নামে মামলা দায়ের করে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার ক্লাসরুমে নোট দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে শুক্রবার বিকেলে বাড়িতে যেতে বলে শিক্ষক আহাদ আলী। তার কথামত ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গেলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এ সময় ওই শিক্ষকের বাড়িতে কেউ ছিলো না বলে জানায় ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকদের জানালে আজ সকালে ক্ষুব্ধ অভিভাবকও তার স্বজনরা হামলা চালায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এ সময় মারপিট করা হয় অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলীকে।

এদিকে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করতে থাকে। তাতে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা যোগ দিলে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অবস্থা বেগতিক হওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করেন। এর পর রাতে ধর্ষিতার দুলাভাই বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি তোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় কালবৈশাখী ঝড়ে কৃষকের মৃত্যু

দামুড়হুদা,চুয়াডাঙ্গা,২ মে ॥ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কালবৈশাখী ঝড়ে দাউদ হোসেন(৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বদর উদ্দিন (৫০) এক কৃষক । শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। নিহত বদরউদ্দিন ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত আইজউদ্দিন শেখের ছেলে । দীর্ঘ ২৫ দিনের তীব্র দাবদাহের পর রোববার বিকেলে জেলার ওপর দিয়ে শিলাসহ বৃষ্টি এবং দুই দফা ঝড় বয়ে যায়।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত আইজউদ্দিন শেখের দুই ছেলে বদর উদ্দিন (৫০) ও দাউদ হোসেন (৪৮) বাড়ির উঠানে ধান গোছানোর সময় ঝড়ে একটি আমগাছ ভেঙে পড়ে। এতে দুই ভাই আহত হন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে দাউদ হোসেন মারা যান। বদর উদ্দিন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফেরেন।

সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম জানান, রোববার চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার বিকেলে দুই দফা ঝড়ো হাওয়া এবং সন্ধ্যায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এ সময় ৯ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর আগে গত ৫ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুড়ুলগাছির মেম্বার প্রার্থীর ভিডিও ক্লিপস নিয়ে তোলপাড়

এস এম রাshamsul_alamসেল, দামুড়হুদা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে এক সদস্য প্রার্থীর ভিডিও ক্লিপস এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

শামসুল আলম (৪৫) নামের ওই ব্যক্তি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি উপজলার কুড়ালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্যও (মেম্বার)।

এছাড়া আগামী ২৭ মে পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হয়েছেন শামসুল আলম।

মূলত ৮ মিনিটের ওই পর্ন ভিডিও এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর বেকায়দা পড়েছেন শামসুল আলম। আর ওই ওয়ার্ডের আসন্ন নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এটিকে ব্যবহার করে তাকে ঘায়েলের চেষ্টা করছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বিগত দু-তিন দিন ধরেই শামসুল আলমের একটি পর্ন ভিডিও ফাঁসের কথা শোনা যাচ্ছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন পাড়া, মহল্লায় ও চায়ের দোকানে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এরই মধ্যে শনিবার সকাল থেকে শামসুল আলমের ওই ভিডিওটি এলাকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যেটি শনিবার দুপুরে  স্থানীয় সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।

ভিডিওতে আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল আলমকে চেনা গেলেও তার সঙ্গী নারীকে এখন পর্যন্ত কেউ শনাক্ত করতে পারেনি।

এলাকাবাসীর ধারণা, কোথাও ফূর্তি করতে গিয়ে শামসুল মেম্বার নিজেই তার মোবাইলে এই ভিডিও ধারণ করেন। এরপর তার মোবাইল থেকেই হয়তো ভিডিওটি তৃতীয় কোনো ব্যক্তির হাতে পড়ে। আর সেখান থেকে সেটি ফাঁস হয়ে যায়।

এ বিষয়ে শামসুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনী ইমেজ নষ্ট করতে কম্পিউটারে আমার ছবি সেট করে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

স্টিল ছবি সেট করা যায়। ভিডিও’র ক্ষেত্রে সেটি সম্ভব নয়, জানাতেই শামসুল আলম অপরপ্রান্ত থেকে ফোনের লাইন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কুড়ালগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি বলেন, ‘এ ধরনের ভিডিও তিনি দেখেননি। তবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘শামসুল আলম দলের কোনো পদে না থাকলেও সক্রিয় কর্মী। এলাকায় আমাদের দলের নামেই চলেন। এ ঘটনার পর আসন্ন নির্বাচনে দল থেকে তাকে কোনো ধরনের সমর্থন দেয়া হবে না।’

এ ধরনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ওসমান গনি শামসুল আলমের বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিষয়টি সম্পর্কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদুর রহমানকে অবহিত করা হলে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ ধরনের ঘটনায় কোনো অভিযোগ আসেনি। সাক্ষী-প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না

কুড়ুলগাছি প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ৪৭ জন দফতরি গত ৩ মাস ধরে বেতন-ভাতাদি পাচ্ছেন না। পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দ্রুত বেতন-ভাতাদি প্রদানের জন্য তারা কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার ৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৭ জন দফতরি কর্মরত রয়েছে। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং চলতি মাসসহ ৩ মাস ৪৭ জন দফতরিও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় তাদের বেতন-ভাতা দেয়া যাচ্ছে না।

দামুড়হুদা উপজেলার ধান্যঘরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক এবং দামুড়হুদা উপজেলা অফিস সহায়ক (দফতরি) সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম আলামিন বলেন, ‘নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু গত দুই মাসসহ চলতিমাসের বেতন-ভাতা না পেয়ে পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে ভুগছি।’

দামুড়হুদা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়কদের উপদেষ্ঠা মহিদুল বলেন ‘বেতনের টাকায় চলে আমাদের পরিবার। কিন্তু বেতন-ভাতা না পাওয়ায় পরিবারের খাবার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।’ দর্শনা পূর্বরামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদ বলেন, অফিস সহায়করা কাজ করছে কিন্তু বেতন পাচ্ছে না। আমরাও কিছু করতে পাচ্ছি না। বিষয়টা আমাদের খুব ব্যথিত করছে।’

দামুড়হুদা উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল বলেন, বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহাকারী শিক্ষকরা নিজেদের বেতন থেকে প্রতিমাসে দফতরিদের কিছু টাকা ধার দিচ্ছেন। তবে এতে তাদের অর্থকষ্ট দূর হচ্ছে না। আমরা দ্রুত তাদের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি।

দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর জাহান বলেন, বেতন-ভাতা না পেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরিরা চরম অর্থকষ্টে রয়েছেন। দ্রুত বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ব্যপারে প্রাথমিক অধিদফতরে সব সময় যোগাযোগ করছি। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় তাদের বেতন-ভাতা দেয়া যাচ্ছে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান

দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদার দাবি
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :‍ুচুয়াডাঙ্গায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা, করেসপন্ডিং স্কেলে বেতন নির্ধারণের জটিলতা নিরসন, প্রধান শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির বিধান চালু করাসহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য  মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার  বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৩ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত মানববন্ধন পালিত হয়। পরে বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির চুয়াডাঙ্গা জেলার আহ্বায়ক স্বরুপ দান জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা, করেসপন্ডিং স্কেলে বেতন নির্ধারণের জটিলতা নিরসন, প্রধান শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির বিধান চালু করাসহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৩ টা ৩০মিনি পর্যন্ত মানববন্ধন এবং পরে বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের আনজুমান আরা মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে জেলার প্রধান শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক স্বরুপ দাসের-এর নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রধান শিক্ষক সমিতির ৫ দফা দাবি-
১. প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা (Self Drawing Officer) বাস্তবায়ন ও বেতন স্কেলের বৈষম্য দূর করে প্রবেশ পদে (Entry level) প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উভয়কে জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে প্রধান শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে (By name) গেজেট প্রকাশ করা।
২. ১ম/২য়/৩য় টাইম-স্কেলপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণের করেস্পন্ডিং (Corresponding) স্কেলে বেতন ফিক্সেশনের জন্য অর্থ বিভাগ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা জারি করা।
৩. নতুন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে প্রধান শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোনড়বতির বিধান চালু করা।
৪. প্রধান শিক্ষক পদে নতুন নিয়োগ ও পদোনড়বতি পিএসসি’র আওতাভুক্ত রাখা।
৫. জাতীয় বেতন স্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম-স্কেল পুর্নবহাল করা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক স্বরুপ দাস, দামুড়হুদা উপজেলার সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন, সহ সম্পাদক আইযুব আলী চুয়াডাঙ্গার সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন, আলমডাঙ্গার সাংগাঠনিক সম্পাদক রকিব উদ্দিন।  আরও বক্তব্য রাখেন লতিফা খাতুন, শাসসুন্নাহার, আলেয়া বিলকিচ, জান মোহাম্মদ, ইয়াসনবী, আব্দুল মোমিন প্রমুখ।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় সরকারী ভবন নির্মান বাঁশের চটার পর এবার সিমেন্টে মাটি মেশানোর অভিযোগ । তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

দামুড়হুদা,চুয়াডাঙ্গা ঃ চুয়াাঙ্গার দর্শনায় কৃdamurhuda vobon pic,2ষি সম্প্রসারন অধিদফতরের প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ ল্যাব ও অফিস ৫ তলা ভবন নির্মানের ঘঁনায় একের পর এক অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসছে। রডের বদলে বাঁশের চটা ব্যবহারের পর এবার সিমেন্টের সাথে মাটি ও খোয়ার সাথে রাবিশ মেশানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তা নয়, অত্যন্ত নিন্ম মানের ইট ও বালু দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ প্রশাসক মাফুজুর রহমান মন্জু।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান তদন্ত করে জেলা প্রশাসক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মাণাধীন ওই ভবনের লুপ ঢালাইয়ে রড না দিয়ে কাটা বাঁশ (কাবারি বা চটা) এবং খোয়ার পরিবর্তে পরিত্যক্ত সুরকিসহ নিুমানের উপকরণ ব্যবহার করার সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয়ভাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তিন সদস্যের তদন্তদল রবিবার তাদের তদন্ত শেষ করলেও এখনও প্রতিবেদন দাখিল করেনি।
এদিকে, নির্মাণকাজ তদন্ত করার জন্য তিন সদস্যের আরও একটি তদন্ত কমিটি আলাদাভাবে রবিবার তাদের তদন্তকাজ শেষ করেছে। খামারবাড়ি ঢাকার উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইং এর পরিচালক সৌমেন সাহা ছিলেন ওই তদন্ত কমিটির প্রধান। সদস্যদ্বয় ছিলেন, ফাইটো স্যানিটরি ক্যাপাসিটি শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ মো. আইয়ুব হোসেন ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নির্মল কুমার দে।
এ প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের মহাপরিচালক হামিদুর রহমান বলেন, রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ভবন নির্মানের বিষয়টিতে কৃষি বিভাগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। কোন ভাবেই দোষীদেও ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ইতি মধ্যে সংশিষ্ট এককর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও প্রকল্পের প্রকিউরমেন্ট কনসালটেন্টকে কারন দর্শনোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সংশিষ্ট ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হতে পারে বলে তিনি জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, অচল দর্শনা ॥

দর্শনা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন থাকার কারনে অচল হয়ে পড়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুত না থাকার কারনে উপজেলার হাজারো গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। সামান্য ঝড়ে বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা।
সুত্র জানায় , চুয়াডাঙ্গা জেলায় গত মঙ্গলবারের সামান্য ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বিদ্যুৎ এর লাইন। চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা 1459957716_39লাইনটির ওপর বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ এর তার ছিঁড়েছে এবং ভেঙ্গে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি। ফলে গত কাল থেকে জেলার বেশীরভাগই এলাকায় রয়েছে অন্ধকারে।
দর্শনা লিটিল এনজেলস এর অধ্যক্ষ বিকাশ দত্ত জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ছেলে-মেয়েরা পড়া লেখা করতে পারছে না। তাছাড়া সামান্য মেঘ করলেই পল্লী বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেই দিন সারা রাতে আর বিদ্যুত দেবার কোন চিন্তা থাকে। এতে ছেলেমেয়েদের পড়াশুনায় চরম বিঘœ ঘটে।
দর্শনার নজরুল ফটোষ্টাট এর প্রোপাইটার নজরুল বলেন সামান্য কারনে পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ যদি বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তাহলে আমরা ব্যবসা করতে পারব না। কারন আমাদের ব্যবসা বিদ্যুতের উপর।
সচেতল মহলের দাবী সামান্য ঝড়ে যেন বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হয় সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ সজাগ থাকবে ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় ভোগান্তিতে বাংলালিংক গ্রাহকরা

নিজস্ব প্রতিবেদকlogo ঃ চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় বাংলালিংক নেটওয়াকের সমস্যা থাকায় গ্রাহকরা বিড়ম্বনায়। যার ফলে গ্রাহকরা বাংলালিংক সিম ব্যবহার বন্ধ রেখে অন্য অপারেটরের সিম ব্যবহার করছে। গতকাল সারা দিন যাবৎ বাংলালিংক নেটওয়াকের সমস্যায় পড়ে অনেক গ্রাহক ইতিমধ্যে সিম পরিবর্তন করে নিয়েছে। আবার অনেকেই দীর্ঘ দিন যাবৎ বাংলালিংক সিম ব্যবহার করায় আকষ্কিকভাবে সিম পরিবর্তন করে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির পড়েছে। সিম পরিবর্তন করায় অনেকেই তার আতœীয় স্বজন, বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না। নেটওয়াকের সমস্যা থাকায় ¯পষ্টভাবে কথা বুঝা যায় না, ঘনঘন সংযোগ বিচ্ছিন হওয়ায় গ্রাহকরা বাংলালিংক কো¤পানির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছে। মোবাইলে নেটওয়াক আপ-ডাউন করাসহ নানা সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে গ্রাহকরা।
দর্শনা লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুলের অধ্যক্ষ জানান, কয়েক দিন যাবৎ বাংলালিংক মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করা যাচ্ছে না। টাকা পাঠানোর সময় নেটওয়াক ফেল দেখায় ফলে গ্রাহকদের মোবাইলে টাকা যায় না। সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কোন বাংলালিংক মোবাইলে টাকা লোড করাতে পারিনি।
শিক্ষক আল হেলার জানান, বাংলালিংক নেটওয়াকে সমস্যার কারণে সিম বন্ধ কওে অন্য অপারেটারের সিম ব্যবহার করছি। বাংলালিংকে ¯পষ্ট কথা বুঝা যায় না। সংযোগ কেটে যায়। যার ফলে আমি বাধ্য হয়ে অন্য অপারেটরের সিম ব্যবহার করছি। এদিকে সকাল থেকে কাস্টমার কেয়ার ফোন করে পাওয়া যায়নি কোন কর্মকর্তাকে। রাত ১০টার সময় কাষ্টমার কেয়ার প্রতিনিধি তৌহিদ জানান নেটওয়ার্ক বিরম্বনার কারনে তারা দুঃখিত। এর বেশি কোন কথা বলতে রাজী নই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সমুদ্রসৈকতে বনভোজনে যেয়ে দর্শনার সাংস্কৃতিক কর্মী মুন্নার মৃত্যু

দামুড়হুদা,চুয়াডাঙ্গা,১ এপ্indexyy-thumbnailরিল ॥ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা-দর্শনার সাংস্কৃতিক সংগঠন অর্নিবান থিয়েটারের উদৌগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বনভোজনে গিয়ে সাংস্কৃতিককমী হাবিবুর রহমান মুন্না(৩৫) ইন্তেকাল করেছে। সে উপজেলার মৃত মৃত অহিদুল আলম (অলি)র ছেলে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে সমুদ্রসৈকতে ফুটবল খেলতে এ দূঘর্টনা ঘটে।
পারিবারিকসুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে দামুড়হুদার উপজেলার দর্শনা থেকে বাসযোগে অর্নিবান থিয়েটার কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা হয়। সকালে ১০টার দিকে কক্সবাজার েপৗছালে সমুদ্রসৈকতে ফুটবল খেলার প্রস্তুতি নেয়। কয়েকজন বন্ধু মিলে ফুটবল খেলা শুরু করলে হঠাৎ তার বুকে ব্যাথা উঠে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বন্ধুরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। এ ঘটনায় দর্শনা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মোকের ছায়া নেমে আসে।

তার অকালমৃত্যুতে শিক্ষাবার্তার সম্পাদক ও দর্শনা পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

আওয়ামী লীগের ২ ও আ’লীগের বিদ্রোহী ২ প্রাথী বিজয়ী

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : indexdfrsচুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত দুই প্রার্থী
এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুই প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

তারা হলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পদ্মবিলা ইউনিয়নের আবু তাহের মন্ডল (নৌকা) ও
কুতুবপুর ইউনিয়নের হাসানুজ্জামান মানিক (নৌকা)।

এছাড়া মোমিনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার (ঘোড়া) ও
আলুকদিয়ায় ইসলাম উদ্দিন (আনারস) বিজয়ী হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free