বিশেষ সংবাদ

আবারো ১০ শতাংশ বেতন বাড়ছে সরকারী চাকরিজীবিদের

অনলাইন ডেস্ক,১৫ মে ২০১৯:

চলতি বছরেই ফের বাড়তে পারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ।  বিদ্যমান স্কেলে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানো হতে পারে।অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।


সূত্র জানিয়েছে,মূল্যস্ফীতি সমন্বয়ের জন্য এই বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। তবে প্রস্তাবনাটি একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রস্তাবনাটি কার্যকর করার জন্য মন্ত্রীসভার অনুমোদন প্রয়োজন হবে।মন্ত্রীসভা এ প্রস্তাব অনুমোদন করলে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বর্ধিত এই বেতন পাবেন দেশে ১৩ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘূর্ণিঝড় হলে আপনি কিভাবে নিরাপদ থাকবেন ?

পূর্বাভাস পাওয়ার পর দুর্যোগকালে করণীয়:

১. আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন। আরও মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন: মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধা।


২. সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।

৩. বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পোঁছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের পরে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যান।

৪. বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন।

৫. আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমন—ডাল, চাল, দেশলাই, শুকনো কাঠ, পানি ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত ব্যবহূত ওষুধ, বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা দিয়ে পুঁতে রাখুন।

৬. আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচু স্থানে রাখুন। কোনো অবস্থায়ই গোয়ালঘরে বেঁধে রাখবেন না। কোনো উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা করতে দিন।

৭. শক্ত গাছের সঙ্গে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি বেঁধে রাখুন। রশি ধরে অথবা রশির সঙ্গে নিজেকে বেঁধে রাখুন, যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিতে না পারে।

৮. আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশপাশে গাছের ডালপালা আসন্ন ঝড়ের আগেই কেটে রাখুন, যাতে ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়ে না যায়।

৯. রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনতে থাকুন।

১০. দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন।

১১. টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে আটকে রাখতে হবে, যাতে ময়লা বা লবণাক্ত পানি টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ না করতে পারে।

দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয়

১. রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন, যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।

২. আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।

৩. অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।

৪. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে, সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।

৫. ত্রাণের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। ত্রাণের পরিবর্তে কাজ করুন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উত্সাহী করে, সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।

৬. দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকাজ শুরু করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাঁকে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা যায়। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কত নং সংকেতের কী মানে?

ঢাকা:
ভৌগোলিক কারণে সমুদ্র উপকূলে অবস্থানের কারণে স্বভাবতই ঝড়-সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাসের মতো নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্কতা মেনে চললে রক্ষা পায় প্রাণিকূল।


অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর এবং কক্সাবাজার সমুদ্রবন্দরের জন্য ৪ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

‘৭ নম্বর বিপদ সংকেত’র মানে বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পতিত। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে উপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শনিবার নাগাদ চুয়াডাঙ্গায় আঘাত হানতে পারে ‘ফণি

ডেস্ক,১ মে : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ শুক্রবার ভারতের বাহরামপুর-ভুবেনশ্বর উপকূলে আঘাত হানার পর শনিবার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে। মূলত ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর এবং চুয়াডাঙ্গায় থাকবে ফণি’র কেন্দ্র। তবে সারাদেশেই তার প্রভাব পড়বে।

 

ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ‘উইন্ডি ডটকম’ থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্র এমনই আভাস দিচ্ছে।


উইন্ডি বলছে, শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশের ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণি বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। এ সময় ফণি’র ধ্বংসলীলা চলতে পারে পুরো দেশই।

বর্তমানে ফণি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় সামান্য উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে প্রত্যাখ্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক ,: সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করতে একটি প্রস্তাব সংসদে উত্থাপণ ও আলোচনার পর প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সংসদের বৈঠকে প্রস্তাবটি উত্থাপণ করেছিলেন স্বতন্ত্র এমপি বগুড়া-৭ আসনের রেজাউল করিম। প্রস্তাবের ওপর আরো ১০ জন সংসদ সদস্য সমর্থন জানিয়ে সংশোধনীও দিয়েছিলেন। কিন্তু জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রস্তাবটি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে বিকাল পাঁচটায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর সমর্থন জানিয়ে অন্য এমপিরা চাকরিতে অবসরের বয়সসীমাও ৬২ করার জন্য সংশোধনী দেন। কিন্তু আলোচনার পরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংসদে বলেন, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের যে বয়সসীমা, সবদিক বিবেচনায় সেটাকে সরকার যৌক্তিক বলে মনে করছে। স্বাধীনতার পর প্রেক্ষাপট বিবেচনায় চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা ২৫ থেকে ২৭ ও পরবর্তীতে ৩০ করা হয়।

এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেশন জট নেই। ২৩ বছর বয়সে শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পাচ্ছেন। ছয় থেকে সাত বছর চাকরির প্রস্তুতির জন্য সময় পাচ্ছেন। তাছাড়া চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করা হলে পেনশন সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হবে।এসব বিবেচনায় নিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্বতন্ত্র সাংসদ রেজাউল করিমকে তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু রেজাউল করিম প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করবেন না বলে ভোটে দেওয়ার আহবান জানান। পরে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়া হয়। কণ্ঠভোটে তার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়।
চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব এনে রেজাউল করিম তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্বের ১৯২টি দেশের মধ্যে ১৫৫টি দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৫৫ বছর কোথাও কোথাও ৫৯ বছর পর্যন্ত। দেশে এখন শিক্ষিত বেকার ২৮ লাখের বেশি। শিক্ষিত বেকার পরিবারের জন্য বোঝা। শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেছিল। তাঁদের সে সময় রাজাকার, শিবির, জঙ্গী বানানোর চেষ্টা হয়েছিল। এখন চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করছে। চাকরি না পেয়ে অনেক যুবক মাদক, ছিনতাই ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করা উচিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মচারী নিয়োগে আইন মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ এপ্রিল: সরকারি স্কুল-কলেজের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগ দিতে ২০১৩ সালের ৭ মার্চ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। ছয় বছরে এরই মধ্যে পাল্টেছে চারজন মহাপরিচালক (ডিজি)। অধিদপ্তর এখনো সেই নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতেই পারেনি। অবশেষে ছয় বছর পর এ ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬ হাজার নিয়োগ:জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্কঃ  শিগগিরই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ৩৬ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবির সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

অবিলম্বে খালি পদ পূরণের জন্য মন্ত্রণালয়ের আবেদনপত্র অনুমোদন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আশা করছি, আমরা খুব শিগগির খালি পদগুলো পূরণ করতে সক্ষম হব।

জনপ্রশাসনের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ বলেন, আমরা নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রশাসনের গতিশীলতা আনতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনের দ্বারা মানুষ প্রায়ই হয়রানির শিকার হচ্ছে— এমন অভিযোগের ব্যাপারে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, জনসাধারণের প্রশাসন গঠনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। জনগণকে দ্রুত সেবা দেওয়ার লক্ষ্য পূরণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমি দেখেছি যে, সাধারণ মানুষ সরকারি অফিসে যেতে পারেন না। এমনকি তাঁরা সরকারি অফিসে গেলেও যথাযথ সম্মান পান না। এ পদ্ধতিতে বেশ কয়েকটি ত্রুটি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জনসাধারণের কল্যাণভিত্তিক প্রশাসন গড়ে তুলতে চাই।

এসব ব্যাপারে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ। এ ছাড়া এ ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তৃণমূল কর্মকর্তাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ফরহাদ।

তিনি বলেন, আমরা মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি যে, জনগণ সব ক্ষমতার উৎস এবং প্রশাসনকে সেবা দেওয়ার জন্যই কাজ করতে হবে।

প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ বছর ধরে মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ দিয়েছেন। আমি সেই নীতিই অনুসরণ করছি।

বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যকে স্মরণ করে ফরহাদ বলেন, যারা সেবা চান, তারা আমাদের ভাইবোনদের মতো, আমাদের আত্মীয়স্বজনদের মতো। তাদের প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে। সরকার এই লক্ষ্য পূরণের জন্যই কাজ বলে জানান ফরহাদ। জনসাধারণের সেবা বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা সমৃদ্ধ হতে চাই, পৃথকভাবে না বরং একসঙ্গে। আমরা জনপ্রশাসনকে জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে এটি আন্তর্জাতিক মানের হবে। আমরা যদি দক্ষতার সঙ্গে আমাদের কর্মকর্তাদেরকে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে মানুষ তাঁদের সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই লক্ষ্য পূরণ হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। ফরহাদ হোসেন জানান, জনগণের দুর্ভোগ সম্পর্কে জানতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনকে সাপ্তাহিক শুনানি রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মানুষের পছন্দমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ফরহাদ আরো বলেন, সরকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে চায়। সুশাসন মানে জনগণের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং জনসাধারণের কর্মচারী হিসেবে তাদের মতো করে সেবা দেওয়া।

প্রতিমন্ত্রি ফরহাদ বলেন, জনগণের সেবা করার জন্য আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ট্রেনের টিকিট কেনা যাবে অনলাইনে

ডেস্ক,১৮ এপ্রিল :  যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত ও রেলওয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে আগামী ২৮ এপ্রিলের মধ্যে চালু করা হবে রেলওয়ে মোবাইল অ্যাপ। বৃহস্পতিবার কমলাপুর স্টেশনে অংশীজন সভা শেষে এসব কথা জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

ওয়ানস্টপ রেলওয়ে ডিজিটাল যাত্রীসেবা সিস্টেম’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মূলত এ অ্যাপ চালু করা হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এই অ্যাপ চালু হলে যাত্রীরা পছন্দের সিট, টিকিটের মূল্য পরিশোধ এবং ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবেন। এছাড়া যাত্রা শেষে সেবার মান সম্পর্কেও যাত্রীরা রেটিং দিতে পারবেন।

জানা গেছে, রেলের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে অ্যাপের মাধ্যমে। টিকিটের দাম পরিশোধ করা যাবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও। বাকি টিকিট বিক্রি হবে স্টেশনের কাউন্টার থেকে। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট চান সরকারি কর্মচারীরা

শিক্ষাবা্র্তা ডেস্ক,১৬ এপ্রিল:   বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) ৫ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট চান সরকারি কর্মচারীরা। টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করে দেয়ার পর থেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এই দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিনা সুদে ৩০ লাখ টাকা গৃহঋণও চেয়েছেন তারা।

গত ১০ এপ্রিল অর্থ সচিবের কাছে এক চিঠি দিয়ে এসব সুবিধা চেয়েছে ঐক্য পরিষদ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। চিঠিতে ঐক্য পরিষদ বলছে, হচ্ছে-টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড তাদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে ৫ ভাগ হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চতুর্থ শ্রেণি, তৃতীয় শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা ভীষণভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সংসার সামলে ফারজানার জীবনে উপরে উঠার গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী উম্মে হাবিবা ফারজানা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর স্বপ্নগুলো ডানা মেলে ধরার আগেই তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে। সংসার সামলে পড়াশোনাটা যেন যুদ্ধ জয়ের মতোই ছিল। চার বছর পড়ালেখা থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্নও ছিলেন তিনি। এতোকিছুর পরেও তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। অদম্য ইচ্ছা আর অধ্যবসায়ে তিনি এখন একজন সফল নারী। জীবনের প্রথমবার বিসিএস দিয়েই তিনি প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে তার সেই বিসিএস জয়ের গল্পটা সহজ ছিল না। কঠিন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তিনি মাদারীপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন।

 

জানা গেছে, ফারজানার পৈত্রিক বাড়ি বরিশালের পিরোজপুরে। তবে বাবার চাকরিসূত্রে বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। স্কুল ও কলেজ লাইফে বরাবরের মতো প্রথম সারিতে ছিলেন তিনি। নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০০৫ সালে এসএসসি ও ২০০৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। পরে তিনি ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। তবে তার স্বপ্নগুলো বেড়ে ওঠার আগেই অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে মা-বাবার ইচ্ছায় বেসরকারি কর্মকর্তা মো: মনিরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এতে তার সফলতার পথে কিছুটা ছেদ পড়ে। স্বপ্নগুলো ফিকে হয়ে যেতে থাকে। তবে স্বপ্নভঙ্গের আগেই তিনি আবারও ঘুরে দাঁড়ান। সংসার সামলিয়েই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, সংসার, শ্বশুরবাড়ির সবকিছু সামলে উঠেছেন।

উম্মে হাবিবা ফারজানা ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কমকে বলেন, আমি নিজের ইচ্ছেতেই মূলত পড়াশোনা শুরু করেছি। প্রথম দিকে কেউ তেমন সহযোগিতা করেনি। অনেকে বলেছে স্বামী ভালো ইনকাম করে, আবার বউয়ের জব করার কি দরকার! আজ আমি সফল হয়েছি বলে তারা আমাকে নিয়ে গর্ব করেন, হয়ত সফল না হলে অন্যরকম বলতেন। আমার মেয়ের বয়স এখন ৬ বছর। আমাদের নিয়ে আসলে তেমন কেউ স্বপ্ন দেখেননি, আমি নিজেই আমার স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্বপ্নের বাস্তবায়নকারী। একজন্য আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে পড়াশোনার জন্য যাতে সময় পাই, এজন্য সহায়তা করেছেন অনেক।

মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষার সময় আট মাসের গর্ভবতী ছিলেন ফারজানা। কন্যার জন্মের পরই শুরু হয় তার প্রকৃত জীবন সংগ্রাম। সন্তান হবার পর চার বছর তিনি পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যান। এসময় বন্ধুদের ক্যারিয়ার দেখে তিনি আবার বিসিএস দেয়ার কথা চিন্তা করেন। মূলত বন্ধুদের বিসিএস ক্যাডার হওয়াই তাকে অনুপ্রাণিত করেছে নতুন করে পড়া শুরু করতে।

ফারজানা জানালেন, লিখিত পরীক্ষার আগে পড়ালেখার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র দেড় মাস। সেসময় স্বামী-মা ও বোনের কাছ থেকে বেশ সহযোগিতা পেয়েছেন তিনি। লিখিত পরীক্ষায় সফলতার পর ভাইভাতেও সফল হন ফারজানা। সুপারিশপ্রাপ্ত হন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে। বর্তমানে তিনি মাদারীপুরে কর্মরত আছেন।

বিসিএসে কিভাবে সফল হওয়া যায় :
– সময়কে কাজে লাগাতে হবে প্রতি সেকেন্ড।
– যতক্ষণ পড়বে ডিভাইস থেকে দূরে থাকবে।
– আমি সব কাজ শেষ করে রাত ১১ টার পরে পড়া শুরু করতাম, রাতের পড়া মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতাম, মেয়েকে স্কুলে নিয়ে গিয়ে হেডফোন কানে দিয়ে শুনতাম সেই পড়াগুলোই। এতে রিভিশন হয়ে যেত।
– পড়া মনে রাখার জন্য বই না, পাশে খাতাও রাখতে হবে। লিখে লিখে পড়তে হবে।
– প্রতিদিন একটা টার্গেট ঠিক করতে হবে, আজ কতটুকু পড়বে। খুব চেষ্টা করতে হবে সেই টার্গেট পূরণ করার।
– অনেক বেশি বই না কিনে একটা বই ভালোভাবে বার বার পড়া উচিৎ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আজ চৈত্রসংক্রান্তি, কাল পহেলা বৈশাখ

শিশির দাস,১৩ এপ্রিল: জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক, মুছে যাক গ্লানি’ এই প্রণতির ভেতর রাত পোহালেই নতুন দিন। পূর্বদিগন্ত উদ্ভাসিত করে ভোরের নরম আলো রাঙিয়ে দেবে চরাচর, স্বপ্ন, প্রত্যাশা। নব সম্ভাবনায় সূচিত হবে নববর্ষ।

চৈত্রসংক্রান্তি আজ। বাংলা সনের সবশেষ মাস চৈত্রের শেষ দিন। এক ক্রান্তি হতে উঠে আরেক ক্রান্তিতে সংক্রান্তি। বাংলা সনের সমাপনী মাস চৈত্রের এ শেষ দিনটি সনাতন বাঙালির লৌকিক আচারের ‘চৈত্র সংক্রান্তি’। হিন্দু সম্প্রদায় বাংলা মাসের শেষ দিনে শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস ক্রিয়াকর্মে কাটান। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ

ডেস্ক: প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। আজ বুধবার ইভেন্ট হরাইজোন টেলিস্কোপ এস্ট্রোনোমার্স এই ছবি প্রকাশ করে। তারাই এ ছবিটি তুলেছে। এর ফলে বিশ্ববাসী প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের প্রকৃত ছবি দেখতে পেলো। এযাবত যেসব ছবি প্রকাশ করা হয়েছে- সেগুলোতে শিল্পীর কল্পনা এবং কম্পিউটারের ব্যবহার করা হয়েছে।

আজ গ্রিনিচমান সময় ১৩০০টায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞানীরা ৬টি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ছবি প্রকাশ করেছে।

গত ৫০ বছর ধরে জ্যোতি বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এএইচটি এই প্রথম সরাসরি ব্ল্যাক হোলের ছবি ধারণ করেছে।

ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার এবং ব্ল্যাক হোলসহ মহাবিশ্বের সব শক্তি উৎস মানুষের চোখে দেখা ও জানা সম্ভব হয়নি। ব্ল্যাক হোল সরাসরি দেখার প্রাণান্তকর চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত এর ছবি ধারণ সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং ব্ল্যাক হোল সনাক্তকরণে এলআইএসএ’র (লেসার ইন্টারফেরোমিটার স্পেস এন্টেনা) প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট পল ম্যাকনামারা বলেছেন, ‘বহুবছর ধরে আমরা পরোক্ষভাবে বস্তুসমূহের পুঞ্জিভূত অবস্থার প্রমাণ পেয়েছি’ এলআইএসএ মিশন এখন মহাকাশের ম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল সনাক্ত করবে।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের লিগো (এলআইজিও, লেসার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল- ওয়েভ অবজারভেটরি) গভীর মহাকাশে দুইটি ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষ ও একীভূত হওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে।

ম্যাকনামারা বলেন, সরাসরি দেখতে না পেলেও একসঙ্গে রেডিও ওয়েব, লাইট এবং গ্রাভিটেশনাল ওয়েব ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব নিশ্চিত করে, যদিও আমরা তা কখনোই সরাসরি দেখতে পাইনি।’

এই প্রথম আমাদের মিল্কি-ওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে প্রচন্ড উজ্জ্বল ও ঘণীভূত এলাকায় সরাসরি ব্ল্যাক হোল প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হয়েছে।

ব্ল্যাক হোলের চারদিকে ঘূর্ণায়মান বস্তুপুঞ্জের ভর আমাদের সূর্যের চেয়ে চল্লিশ লাখ গুণ বেশি এবং এই বস্তুপুঞ্জ ২৪ মিলিয়ন কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে। গ্যালাক্সির ওই কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ২৬ হাজার আলোকবর্ষ (২৪৫ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার)। পৃথিবীর টেলিস্কোপ থেকে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে ঘণিভূত বস্তুপুঞ্জের মাঝে ব্ল্যাক হোল ছবিতে হবে চাঁদের ওপর একটি গলফ বল।

ম্যাকনামারা বলেন, ব্ল্যাক হোলের সরাসরি ছবি তোলার মাধ্যমে আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের ধারণা প্রমাণিত হলো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফেসবুকে ভাইরাল: পৃথিবীর সবচেয়ে কড়া শিক্ষকের পাঠদান


০২ এপ্রিল ২০১৯ : ভিডিওতে দেখুন, কথা বলতে না পাড়া শিশুটি কীভাবে পড়াচ্ছেন এক শিক্ষার্থীকে।

https://web.facebook.com/nilanjana.sen.100/videos/2669340149748273/

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এনজিওর ঋণ পরিশোধে সন্তান বিক্রি

মো. দ্বীন ইসলাম। পেশায় জেলে। স্ত্রী কুলছুমা বেগম ও ৪ মেয়েকে নিয়ে থাকেন চাঁদপুরের মাদ্রাসা রোড এলাকায়। হতদরিদ্র ওই দম্পতি এনজিওর ঋণ পরিশোধ করতে পারছিলেন না। উপায় না পেয়ে গত সোমবার তাদের নবজাতক কন্যা সন্তান হাফসাকে বিক্রি করে দেন মাত্র ৩০ হাজার টাকায়। এদিকে একই এলাকার নিঃসন্তান দম্পতি সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম হাফসাকে পেয়ে বেজায় খুশি। তারা নতুন করে শিশুটির নাম রেখেছেন মরিয়ম আকতার ফাতিমা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৪ অক্টোবর বেলা ১১টায় চতুর্থ কন্যা সন্তান জন্ম দেন কুলছুমা বেগম। নাম রাখেন হাফসা। চতুর্থবার কন্যা সন্তান হওয়ায় স্বামী দ্বীন ইসলাম খুশি ছিলেন না। তিনি স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজও করেন। একদিকে চার কন্যা সন্তান অপর দিকে ঋণের ৭০ হাজার টাকা। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সন্তান বিক্রি করে দেন কুলছুমা ও দ্বীন ইসলাম দম্পতির কাছে। বোনকে বিক্রির কথা স্বীকার করে তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া বড় বোন লাবনী আক্তার বলে, ‘আর বইনেরে দিয়া দিছে। এক কাগজে নাম লিখে আর বাপ-মা, নানু ও মামা দিয়া দিছে। আর তারা আমাগোরে ত্রিশ হাজার টাকা দিছে।’ বিষয়টি স্বীকার করেছেন লাবনীর মা কুলছুমা বেগম। তিনি জানান, যেহেতু সন্তান মানুষ করার সাধ্য নেই; অন্তত সন্তান বেঁচে থাকুক এমন আশা থেকেই বিক্রি করে দিয়েছি। কিছু টাকাও পেয়েছি। কী করব? এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। ঘরে তিন মেয়ে আছে। এনজিও ‘আশা’ থেকে ৭০ হাজার টাকা লোন নিয়েছি। সব মিলিয়ে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই দিয়ে দিয়েছি। এ প্রসঙ্গে নবজাতক মেয়েটির নতুন মা সুফিয়া বেগম বলেন, আমার নিজের সন্তান নেই। তাই দীর্ঘদিন ধরে নবজাতক কেনার চেষ্টা করছিলাম। নিজের সন্তানের মতোই মানুষ করবেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খানকে অবগত করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনভরই আসাদগেট এলাকায় ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। প্রথম আলো ফাইল ছবিডেস্ক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। প্রথম আলো ফাইল ছবিশিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনভরই আসাদগেট এলাকার রাস্তায় ছিলেন মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোহাম্মদপুর এলাকার কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব তাঁদের নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। বিকেলের দিকে উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল হাসান রাস্তায় বসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

নাঈমুলের সঙ্গীরা বয়সে কিছু বড় হলেও শিক্ষার্থীদের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেয় দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগ নেতারা তাদের নানাভাবে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় জুনিয়র ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী বলে, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দাবিও প্রধানমন্ত্রী মেনে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই আন্দোলনের পরিণতি আমরা দেখেছি। ফেসবুকে দেখলাম কোটার এক নেতার লাশ পাওয়া গেছে নদীতে। আমরা চাই সুস্পষ্ট ঘোষণা আসবে।’

ছাত্রলীগের সঙ্গে আলোচনার পরে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবারের মতো কর্মসূচি মুলতবি করে চলে যায়। শুক্রবার তারা কর্মসূচি ঘোষণা করবে কি না, তা পরে জানানো হবে বলে জানায় তারা।

ছাত্রলীগ নেতা নাঈমুল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের নয় দফা দাবির কথা বলেছে। আমরা আমাদের তরফ থেকে সেই দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছি। আশ্বাস পেয়ে আপাতত তারা উঠে গেছে।’ শিক্ষার্থীরা নাঈমুলের মোবাইল নম্বর নিয়ে গেছে, নাঈমুলও শিক্ষার্থীদের কয়েকজনের ফোন নম্বর নিয়ে রেখেছেন।

ভাঙলেই বলবে বিএনপি-জামায়াত
বেলা দেড়টার দিকে আসাদগেট ক্রসিং অতিক্রম করছিল দিশারী পরিবহনের একটি মিনিবাস। চালক কাগজপত্র দেখাতে না পারলে কয়েকজন শিক্ষার্থী বাসের ভেতর উঠে পড়ে জানালার কাচ ভাঙা শুরু করে। তখন কয়েকজন ছাত্র তাদের বাস থেকে নামিয়ে শাসিয়ে বলেন, ‘খবরদার গাড়ি ভাঙবি না। ভাঙলেই বলবে বিএনপি-জামায়াত। একবার পলিটিক্যালি কালারড হয়ে গেলে খবর আছে।’

সুত্র: প্রথম আলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter